বৃহস্পতিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৮

গল্পপাঠ।। বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ। । ১৪২৫।। এপ্রিল-মে ২০১৮।।। সংখ্যা ৬০

শুভ নববর্ষ। গল্পপাঠের ষাটতম সংখ্যা আজ প্রকাশিত হলো। গল্পপাঠের বয়স এখন ছয়। লেখক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সবাইকে অভিনন্দন।

গত মার্চ মাসের ২৩ থেকে ২৫ পর্যন্ত তিনদিনব্যাপী রাইটার্স ক্যাম্পের আয়োজন করেছিল মিশিগানে কথামালা সংগঠনটি। গল্পপাঠ ছিল এই ক্যাম্পের সহযোগী আয়োজক। গল্পপাঠের উপদেষ্ঠা সম্পাদক অমর মিত্র কোলকাতা থেকে যোগ দিয়েছিলেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া থেকে সভাপতি দীপেন ভট্টাচার্য, গল্পপাঠ টিমের অন্যতম নিউ ইয়র্ক থেকে আনোয়ার শাহাদাত, লুতফুন নাহার লতা, কুলদা রায়, উটাহ থেকে অনামিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, মিশিগান থেকে বিশ্বদীপ ভট্টাচার্য, কানাডা থেকে মৌসুমী কাদের, উম্মে হাবিবা সুমী, মোমিনুল আজম, সুইডেন থেকে শেখ তাসলিমা মুন যোগ দিয়েছিলেন। ঢাকা থেকে এসেছিলেন সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম।

প্রতি বছরে এই রাইটার্স ক্যাম্প করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্বাসাহিত্যের এ সময়ের উল্লেখযোগ্য তরুণ গল্পকারদের গল্প অনুবাদ করে প্রতি সংখ্যাতেই প্রকাশ করা হচ্ছে। লেখক ও পাঠকদের জন্য এই লেখাগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পড়ুন।
এ সপ্তাহে আরো কয়েকটি লেখা প্রকাশিত হবে। কাজ চলছে।
অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্প 
ত্রিনাথের মেলা
ভেটিচরণ খুবই বেকুব— কী যে করে। কেউ তার কথা কানে নেয় না। কিছু বললেই এক কথা, ভেটু তুমি কি ওদের সঙ্গে পারবে! ওরা যদি গাছটার নীচে পেচ্ছাপ করে আটকাবে কী করে! পরের জায়গায় দোকান করেছ। খাস জায়গা, এত বড় সড়ক, বাস যায় গাড়ি যায়, ট্রাক, গরুর গাড়ি আর সারা দিন প্যাঁক প্যাঁক, রিকশায় সওয়ারিও কম থাকে না— তোমার চায়ের দোকানটি বলতে গেলে জমজমাট। কী ঠিক বলছি তো! বিস্তারিত পড়ুন>>
           
অমর মিত্রের গল্প
মানুষটি স্বপ্ন দেখেছিল
এক বন্ধু ফোন করেছিল আর এক বন্ধু সুবীরকে। সুবীর এখন গৃহবন্দী প্রায়। গা ভর্তি এলারজি। ঘা হয়ে গিয়ে তা এখন শুকোচ্ছে। বেরতে পারছে না। সুস্থ হতে আরো দিন কুড়ি লাগবে। শিশু অবস্থায় কারবলিক অ্যাসিড মুখে দিয়েছিল।তা অনেক বছর অন্তর অন্তর গায়ে ফুটে বের হয়। এক কবিরাজ ওকে দ্যাখেন। সুবীর আমাকে ফোন করে বলল, রঞ্জন ফোন করেছিল, বলল, খুব অভিমান নিয়ে চলে যাচ্ছে। সে আর বাঁচবে না। বিস্তারিত পড়ুন>>
ধারাবাহিক বিজ্ঞান কল্পকাহিনী :
আন্তারেস
দীপেন ভট্টাচার্য
প্রথম অধ্যায়
গ্রহটাকে আমরা বহুদিন হলই চিহ্নিত করে রেখেছিলাম। লাল গ্রহ, তার মধ্যে নীল আর সবুজের ছাপ। পাহাড় আছে, সবুজ ক্লোরোফিলে ছেয়ে আছে তার চড়াই আর উৎরাই। তার মধ্যে গুচ্ছ গুচ্ছ নীল জংলী ফুল।বায়ুমণ্ডলে ৪০ ভাগ অক্সিজেন, বাদবাকি নাইট্রোজেন, অল্প পরিমাণ কার্বন-ডাই-অক্সাইড। বায়ুচাপ ৮০ হাজার প্যাসকাল, মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ প্রতি বর্গ সেকেন্ডে ৬ মিটার। বিস্তারিত পড়ুন>>
রমানাথ রায়'এর গল্প :
একটা গল্প বলি
শুনুন, একটা গল্প বলি। গল্পটা এই: একটা লোক ছিল। লোকটার একটা ভাল নাম ছিল। কিন্তু সেই নামে তাকে কেউ ডাকে না। সবাই তাকে ঠাট্টা করে পাপোশ বলে ডাকে। আমিও এখানে তার এই পাপোশ নামটাই রেখে দিলাম। পাপোশ চাকরি করে। একটা ফ্ল্যাটে থাকে। ফ্ল্যাটে তার বউ আছে, পাঁচ বছরের একটা ছেলে আছে। অথচ মনে তার সুখ নেই। বউ দিনরাত অসুখে ভোগে। সব সময় বিছানায় পড়ে থাকে। আর ছেলেটা একটু যেন হাবাগোবা। এদের নিয়ে দিন কাটাতে কাটাতে পাপোশ একদিন ক্লান্ত হয়ে পড়ল। বিস্তারিত পড়ুন>>
২০১৮ সালের বসন্ত সংখ্যা দি প্যারিস পত্রিকায় প্রকাশিত গল্পের অনুবাদ--
চিনের গল্প
অভ্যাস
মূল গল্প : চিয়া চিয়া লিন
অনুবাদক : রোখসানা চৌধুরী
এটা ছিল তার প্রিয় ঋতু। এ সময় গাছের পাতাগুলো আলোছায়ায় নকশা কেটে যেত। সুগন্ধী হাওয়া জীবনী শক্তিতে ভরপুর থাকত। কিন্তু গত সপ্তাহটি ছিল অন্যরকম। টাই চলে গিয়েছিল, বাড়িটা ছিল ফাঁকা, কেবল তাদের বাবা বসেছিল অন্ধকারে, একা। লুমি একটা তাঁবু বানাচ্ছিল।
যে-কোন কারণেই হোক

মূল গল্প : ড্যানিয়েলা ডাটন
অনুবাদ: ফজল হাসান

যে-কোন কারণে তারা খালে সাঁতার কাটছিল । শেষের দিকের জায়গাটা বেশ ঘোলাটে । কিন্তু কোন কারণে তারা সবাই উপস্থিত হয়েছে । লীলা, তার বাচ্চা ছেলে এবং প্রাক্তন ছাত্র জেমস্ । লীলা এবং তার বাচ্চা ছেলের সঙ্গে জেমস্ এসেছিল, নাকি তারা দিনটিকে নিছক উপভোগ করার জন্য এসেছিল, তা স্পষ্ট নয় । যাহোক, কোন এক পর্যায়ে এটা পরিস্কার যে, তারা একসঙ্গে সেখানে গিয়েছিল । বিস্তারিত পড়ুন>>
‘ভালো বুঝতে পারলাম না। বানান ভুল, ভাষা ভুল, ছেদচিহ্নহীন এ চিঠিখানা কার? নিরুপমা? কে নিরুপমা? আচ্ছা এও কি সম্ভব? আমার এতকাল আগেকার পরলেকগতা স্ত্রী নিরুপমার চিঠি এল আজ ত্রিশ বছর পরে? এতকাল এ চিঠি কোথায় ছিল? কোন ডাকঘরের কোন আলমারির অন্ধকার কোণে আত্মগোপন করেছিল সুদীর্ঘ ত্রিশটি বছর?'
বিস্তারিত পড়ুন>>


অনামিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জার্নাল--
চাই ল্যাটে :
ভয়ের উৎপাদন ও কল্পনার স্বর্গরাজ্য--
ভাইরাস 'আর', সিন্ড্রোম 'জে' ও নিউরনের আয়না
চিরঞ্জয় চক্রবর্তী'র গল্প : 
আপাত-দূরত্ব
বড়দা কেম্ব্রিজে ইতিহাস পড়ায়। প্রতি শীতকালে দেশে আসে। এয়ারপোর্ট থেকে বাড়ি এসে প্রথম কাজ প্যান্ট-শার্ট ছেড়ে ধুতি পাঞ্জাবী পরা।বাড়িতে ঢুকে পোষাক পরিবর্তন করে হাত-পা না ধুয়ে কোন কথাটি নেই। এমনকি মা-বাবাকে প্রণাম পর্যন্ত করত না।এখন বাবা-মা নেই তাই ঠাকুর ঘরে গিয়ে প্রণাম করে।আমরা বড়দার থেকে শিখেছি গুরুজনদের প্রণাম করতে গেলেও বাইরের কাপড়ে করা যায় না।


অশোককুমার মুখোপাধ্যায়'এর গল্প :
 কবিতার জন্ম 
আওয়াজ কানে আসতেই সচকিত হয়ে উঠলেন তিনি। কেউ কী ডাকলো? কোলের খাতাটিকে টেবিলে রেখে জানালা দিয়ে বাইরে তাকালেন। কাউকে দেখা গেল না। সূর্যের আলো রঙ বদলাচ্ছে। দুপুর গড়িয়ে বিকেল। সামনের ঘাসজমিতে কয়েকটি ফড়িং খুব কেজো মানুষের মতো হুটোপুটি করছে। জমির প্রান্তে পুকুরের জলে কাঁচা সোনার রঙ গুলে দিয়েছে কেউ। একটিও মাছরাঙা নেই এখন। টেবিলে বাম কনুই রেখে ঈষৎ উঁচু হয়ে ভালো করে দেখে নিলেন একবার। না, কোনও হাঁস চোখে পড়লো না।

এক গুচ্ছ সাক্ষাতকার
অনুবাদ - এমদাদ রহমান
এ সময়ের পাঁচজন কথাসাহিত্যিকের সাক্ষাৎকারের উঠে এসেছে তাদের লেখালেখি ভুবন, পড়াশুনা, চিন্তা ভাবনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। এ সময়ের বিশ্বাসাহিত্যের গতিপ্রকৃতি বোঝার জন্য এ সাক্ষাৎকারগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিচের লিঙ্কগুলোতে ক্লিক করে পড়ুন--

১। দক্ষিণ কোরিয়ার লেখক হান ক্যাঙের সাক্ষাৎকার
২। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস থেকে ওরহান পামুক এর সাক্ষাৎকার
৩। ঝুম্পা লাহিড়ী'র সঙ্গে সাহিত্য ও লেখক জীবন নিয়ে আলাপ
৪। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় প্রকাশিত সালমান রুশদির সাহিত্য ও লেখক-জীবন নিয়ে আলাপচারিতা 
৫। পর্তুগালের লেখক হোসে সারামাগো'র সাক্ষাৎকার

                                            গল্প পড়ুন--গল্প শুনুন

অনেকেই বাংলা বুঝতে পারেন, কিন্তু পড়তে পারেন না। আবার অনেকে ব্যস্ততার জন্য আলাদা সময় পান না। কিন্তু গাড়িতে, হাঁটতে হাঁটতে, বা বিশ্রামের সময় স্পিকার বা ফোনে ইউটিউব থেকে শুনে নেওয়াটা তাদের জন্য সহজ ও সুখকর। এদিক থেকে চিন্তা করে এখন থেকে গল্পের মূল টেক্সটের সঙ্গে অডিও রেকর্ড করে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। গল্পপাঠের অন্যতম সম্পাদক অনামিকা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুদেষ্ণা দাশগুপ্ত অডিও ভার্সনের দ্বায়িত্ব পালন করছেন। এ সংখ্যায় সুদেষ্ণা দাশগুপ্তর দুটি গল্পের অডিওরূপ দেওয়া হলো।
সুদেষ্ণা দাশগুপ্তের গল্পের অডিও
Click the link bellow 

রুমা মোদকের গল্প

দর দরজার পিলার ঘেঁষে নামফলক 'বায়তুন নূর...পশ্চিম সুন্দরপুর...। সদর দরজাটা হা করে খোলা। বুবলি আশেপাশে কিছুক্ষণ কলিংবেল খুঁজে ভদ্রতা কিংবা অভ্যাসের খাতিরে। না পেয়ে গলার স্বর যতোটা উচ্চতায় পৌঁছায় ততোটাই তুলে ডাকে, কেউ আছেন? ভিতরে কেউ আছেন?? তার আহ্বান ভিতরের শূন্য উঠোনে হুমড়ি খায়, প্রত্যুত্তরের উৎস পর্যন্ত পৌঁছায় না ঠিকমতো। বিস্তারিত পড়ুন>>
দ্য ডেথ অব ইভান ইলিচ ও মেটামরফোসিস 
পাশাপাশি রেখে আলোচনা

বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম সেরা দুটি বড়গল্প হলো দ্য ডেথ অব ইভান ইলিচ ও মেটামরফোসিস। রচয়িতা বিশ্বসাহিত্যের দুই প্রভাবশালী লেখক – লিও তলস্তয় এবং ফ্রানৎস কাফকা। রচনাকালের মধ্যবর্তী ব্যবধান প্রায় তিন দশক।
বিস্তারিত পড়ুন>>

স্বকৃত নোমানের গল্প :
বাঘাইড়
হাইল হাওরের পানি তখন জনপদ গ্রাস করেছে। উঠানে পানি, ঘাটায় পানি, রাস্তায় পানি। উত্তরে দক্ষিণে পুবে পশ্চিমে যেদিকেই তাকাও পানি আর পানি। জিয়লমাছের মতো নাক উঁচু করে কোনোমতে ভেসে
আছে মাইমালদের বাড়িগুলো।
বিস্তারিত পড়ুন>>



ক্রিস্তিনা পেরি রোসসি'র গল্প : ছিন্নমূল
অনুবাদ : জয়া চৌধুরী
(উরুগুয়ের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ক্রিস্তিনা পেরি রোসসি ষাট দশক-উত্তর লাতিন আমেরিকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কথাসাহিত্যিক। এ পর্যন্ত তার ৩৭টি বই প্রকাশিত হয়েছে। উপন্যাস ছাড়াও তিনি গল্প, প্রবন্ধ ও কবিতাও লেখেন। ১৯৪১ সালে জন্ম। ১৯৭২ সালে তিনি উরুগুয়ে থেকে পালিয়ে স্পেনে চলে যান।)  বিস্তারিত পড়ুন>>


মিশরের গল্প
মূল গল্প : পারচ্‌ জেততুনসিয়ান
বাঙলায়নঃ শাহানা আকতার মহুয়া
[পারচ্‌ জেততুনসিয়ান ১৯৩৪ সালে মিশরের আলেকজান্দ্রিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৮ সালে তাঁর পরিবার সোভিয়েত আর্মেনিয়ায় চলে আসে। ১৯৬৩ সালে জেততুনসিয়ান বিদেশী ভাষা বিষয়ে পায়াটিগোর্স্ক ইউনিভার্সিটি থেকে ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে পাণ্ডুলিপি লেখার ওপরে মস্কো থেকে উচ্চতর ডিগ্রি নেন। তাঁর প্রধান সাহিত্য কর্মগুলো হলঃ ‘হিজ ফ্রেন্ড’, ‘দ্যা ভয়েজেস অব আওয়ার নেইবারহুড’, ‘ফর প্যারিস (ছোটগল্প সংগ্রহ)’, ‘ক্লদ রবার্ট আইজারলি (উপন্যাস)। তাঁর লেখা ‘দ্যা লেজেন্ড অব দ্যা ডেস্ট্রয়েড টাউন’ এবং ‘দ্যা মোস্ট মেলাঙ্কলি ম্যান’ নাটক দু’ট মঞ্চস্থ হয় ইয়েরেভানের ড্রামাটিক থিয়েটারে।তিনি বেশ কয়েকটি আর্মেনিয়ান সিনেমার চিত্রনাট্যও রচনা করেন।]  বিস্তারিত পড়ুন>>



শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়ের বইয়ের কথা
বাজার ছেঁকে তুলে আনা জীবন 
প্রতিটি নতুন সকালে , পৃথিবীর মতোই , আমাদের শরীরটাও , তার ভিতরে সবে জন্মানো কোষগুলো নিয়ে একেবারে টাটকা লতা হয়ে জেগে ওঠে৷ অন্ধকার আকাশ থেকে টুপ করে বেরিয়ে আসে খোসা ছাড়ানো আলো৷ তখন দেখা যায় , সুন্দর করে সাজানো এই পৃথিবীতে নতুন বাতাসের ঝাপটা গায়ে লাগাতে লাগাতে গাছপালা মাঠঘাট লতাগুল্ম আগেরদিনের মতোই একই ভাবে দাঁড়িয়ে আছে তাদের নিজেদের জায়গায়৷ তাদের মাথার উপর পরিষ্কার একটি রোদ্দুর...বিস্তারিত পড়ুন>>


প্রশান্ত মৃধার গল্প : অচিন ধামাইল
বাসটা হঠাৎ আচমকা নিকলিতে থামে।
বিরতিহীন বাস। এভাবে থামা বাস মালিক সমিতির আইনসিদ্ধ নয়, কিন্তু থামে। হেলপার-কন্ডাক্টর কেউ চাপড় মেরে থামায়। ভেতরে কী পরিমাণে যাত্রী আছে তার ওপর নির্ভর করে এই থামাথামি। যাত্রী বেশ কম। ফলে চারখাই পার হওয়ার পর থেকেই ধারণা ছিল থামবে।


মনি হায়দারের গল্প :
আমার বীনু খালা
আমের প্রিয় আচারের বৈয়ামের মধ্যে আটকা পড়ে গেলেন বীনু খালা।
বীনু খালার শ্যামলা রঙ। মাথায় ঘনকালো চুল। চোখদুটো টানা টানা। গড়ন হালকা পাতালা। হাসলে অসম্ভব সুন্দর লাগে--আর কথা বলেন বাঁশির সুরে। কিন্তু এই বীনু খালার সঙ্গে আমার চাক্ষুস পরিচয় দশম শ্রেণীতে পড়ার সময়ে।
রঞ্জনা ব্যানার্জী'র গল্প : অজিতা বসু
তিন নম্বর এ্যালবামের প্রথম ছবিটাই সেই রহস্যের জট খুললো অথবা বাঁধলো। একটা গ্রুপ ছবি। মায়ের দাদুর বাড়ির সবাই। ছবির নিচে লেখা ‘১৯৩৮ খুলনা’ । এ্যালবামগুলো দাদুর হলেও এগুলোর এমন সংঘবদ্ধ সংরক্ষণের কৃতিত্ব পুরোটাই বড়মামার। বিস্তারিত পড়ুন>>




মৌসুমী বিলকিস'র গল্প : 
সইহেমন্ত
আমের সময় নয়। বাগানের মধ্যে শুকনো আমপাতা জড় করছি নারকেল কাঠির লম্বা ঝাঁটার আঘাতে। ঘাস গজিয়েছে। আমের সময় পায়ে পায়ে মরে যায় ঘাস। সারাদিন লোকজন। তখনো বাগান রক্ষকরা লোকজন তাড়িয়ে দেয় না।বিস্তারিত পড়ুন>>



বিশ্বদীপ চক্রবর্তীর গল্প : বাঁশিওয়ালা
আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মনিকা ক্লেন্সিং মিল্ক দিয়ে মুখের মেক আপ । খানিক আগেই পার্টি থেকে ফিরেছে । পার্টি ছিল সুপ্রকাশদের ওখানে । অতনু এর মধ্যেই জামাকাপড় বদলে ফেলেছে । বিছানায় হেলান দিয়ে বসেছিল । মণিকা এখনও পার্টির মুডেই । আয়নার সামনে নিজেকে বিভিন্ন ভঙ্গীতে দেখছিল এতক্ষণ , আশ মিটিয়ে । এবার রাত পোশাকে যাবার জন্য তৈরি হচ্ছে ।

মেহেদী উল্লাহ'র গল্প :
 খেলার লাঠি, লাঠির খেলা

আমরা শুনেছি, তখনো এই দিককার বাড়িতে বাড়িতে বৈদ্যুতিক আলো এসে পৌঁছায়নি। আর তাই সেই সময়টার কথাই ধরা যাক-চাঁদ থাকলেও কুপির আলো থাকত। আর তাই এখনো চাঁদ থাকলেও বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালানো থাকে। অমাবশ্যার আন্ধারে তারা লাঠি নিয়ে নামে না। শুধু চাঁদ যেদিন থাকে, সেদিন নামে। বৈদ্যুতিক আলোর ভেতর যদি খেলবি তো, জোছনা আর অমাবশ্যা কি! বিস্তারিত পড়ুন>>
অমিয়ভূষণ স্মরণ
এক বিরল প্রজাতির লেখক
বিপুল দাস
অমিয়ভূষণ মজুমদারের জন্ম ১৯১৮ সালের ২২শে মার্চ। এ বছর তাঁর জন্মের শতবর্ষ পূর্ণ হতে চলেছে। কিন্তু এ কথাও আমাদের জানা এই বিরল প্রজাতির লেখকের জন্মশতবর্ষ সাহিত্যসংস্কৃতি জগতের প্রখর আলোর নীচে আসবে না। বিপণন কৌশলের অন্যতম শর্ত হয় সাধারণ্যে গ্রহণযোগ্যতা। বিস্তারিত পড়ুন>>

মার্গারেট মিচেলের ধারাবাহিক উপন্যাস
যে দিন ভেসে গেছে--
পঞ্চম অধ্যায়
অনুবাদ : উৎপল দাশগুপ্ত
দীপেন ভট্টাচার্যের 
 'দিতার ঘড়ি' নিয়ে আলোচনা 
মৌসুমী কাদের
'দিতার ঘড়ি'র কাহিনীর উপর নির্মিত নাইমুল ইসলাম অপু'র স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচিত্রটি দেখুন >>

যে ঘটনাগুলো নিয়ে লিখলে এ সময়ের শ্রেষ্ঠ গল্প হতে পারে--
ইমাম রশিদির আসানসোলের ডায়েরি : অর্ক ভাদুড়ী
(ভগবান রামের জন্মদিন ছিল গত রবিবার। ওই দিন বিজেপি পশ্চিমবঙ্গজুড়ে বের করে অস্ত্র মিছিল। একই দিন তৃণমূল কংগ্রেসও বের করে অস্ত্রহীন মিছিল। এর ফলে অস্ত্রহীন আর অস্ত্রসহ দুই দলের মিছিলে অশান্ত হয়ে পড়ে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থান। এর জেরে সংঘর্ষে ইতিমধ্যে মৃত্যু হয়েছে চারজনের। এখনো সেই জের চলছে পশ্চিমবঙ্গের আসানসোল ও দুর্গাপুরে। বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে আসানসোলে। সেটি বিজেপির সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়র নিজের কেন্দ্র। আসানসোল ও রানীগঞ্জ আজ থমথমে। বিস্তারিত পড়ুন>>
ক্ষমা করুন, ইমাম রশিদি
দোলন গঙ্গোপাধ্যায়
ইমাম রশিদি, আপনার চরণে শতকোটি প্রণাম। কঠিন পুত্রশোকেও আপনি আপনার নাগরিক দায়িত্ব পালন করেছেন। আপনি রাজ্যের এবং দেশের এই দুরভিসন্ধিময় রাজনৈতিক আবহে আমাদের দেখিয়ে দিলেন, আমরা যদি চাই, শান্তিরক্ষা করতে পারি। শান্তির বাণী প্রচার করতে কোনও ট্যাক্স লাগে না। বিস্তারিত পড়ুন>>

গল্পপাঠ।। বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ ।। ১৪২৫।। এপ্রিল-মে ২০১৮।। সংখ্যা ৬০