মঙ্গলবার, ১ জানুয়ারী, ২০১৯

গল্পপাঠ।। কার্তিক-অঘ্রান ।। ১৪২৫।। নভেম্বর-ডিসেম্বর ২০১৮।।। সংখ্যা ৬৪


‘গল্প’একটি আশ্চর্য্য জীবনসূত্র। বাস্তব বা কল্পনার সুক্ষ বুদবুদগুলো কীভাবে ঘুড্ডি হয়ে উড়বে সেটি ফুটিয়ে তুলতে পারাই ‘গল্প লেখা’। চিরন্তন বা নবীন সব গল্পকারকেই এই মন্ত্রটি মানতে হয়। গল্পপাঠ সেই কৌশলগুলোই নবীনদের জানাতে চায়।
বাংলা ও বিশ্বসাহিত্যের যৌথ এই প্ল্যাটফর্মে এপার বা ওপার বাংলার অসংখ্য নবীন লেখক, বিশেষ করে ‘নারী গল্পকার’রা নিয়মিত লেখা পাঠান। সবসময় সব লেখা ছাপানো সম্ভব হয় না। কারণ এসব লেখায় তাড়াহুড়ো থাকে, মূল মন্ত্রটি খুঁজে পাওয়া যায় না, গল্পের প্রতি যত্ন ও ভালোবাসার অভাব বোধ হয়। গল্পকার যদি নিজের লেখাটিকে সত্যিকার অর্থেই ভালোবাসেন তবে লেখার কৌশলগুলো চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নেবেন, আশা করি। গল্প পড়া, ভাবা, লেখা সবকিছু নিয়েই গল্পপাঠ। ভালো লেখা হলে তাই ছাপাবার সম্ভাবনাই বেশী। কাজেই নতুন লেখকরা অভিমান করে দূরে সরে না গিয়ে আমাদের সঙ্গেই যুক্ত থাকুন। পোক্তভাবে লেখায় হাল ধরুন। তাতে লেখক হিসেবে আপনার বা আমাদের হারাবার কিছু থাকবেনা।
এ সংখ্যার বিশেষ আয়োজন--
২০১৮ সালে লেখা সেরা গল্প গল্পকারের সাক্ষাৎকারসহ পড়ুন।
গল্পপাঠের সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ইংরেজী নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাই।
কল্লোল যুগের অন্যতম লেখক অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত জন্মেছিলেন ১৯০৩ সালে বাংলাদেশের নোয়াখালিতে। লিখেছেন কবিতা। গল্প, উপন্যাস। তাঁর'বেদে' উপন্যাস পড়ে স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন – “তোমার কল্পনার প্রশস্ত্রক্ষেত্র ও অজস্র বৈচিত্র্য দেখে আমি মনে মনে তোমার প্রশংসা করেছি...। তাঁর গল্প উপন্যাস বাংলা সাহিত্যের চিরায়ত সম্পদ। তিনি চির আধুনিক।  তাঁর গল্পভাবনা,  কয়েকটি গল্প ও  গল্প নিয়ে এ সময়ের কথাসাহিত্যিক দীপেন ভট্টাচার্যের  একটি আলোচনা প্রকাশিত হলো।
মিলন কুন্ডেরার গল্প
অনুবাদ : তপতী রাহুত

মিলান কুণ্ডেরার নাম প্রতি বছরই সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারের মনোন‍য়ন তালিকায় থাকে। দর্শন, রাজনীতি ও যৌনতা ঘিরে তার আখ্যান গড়ে ওঠে। গল্পপাঠ এই প্রথম মিলান কুন্ডেরার একটি গল্পের অনুবাদ প্রকাশিত হলো। বিস্তারিত পড়ুন--
শহীদুল জহিরের গল্প :
মহল্লায় বান্দর, আব্দুল হালিমের মা এবং আমরা
ঘোরলাগা গল্প লেখেন শহীদুল জহির। অসংখ্য যতিচিহ্নযুক্ত জটিল বাক্যে লেখা তাঁর প্রতিটি গল্পের মূখ্য আখ্যানই মুক্তিযুদ্ধ । আলাদা করে কোনো সংলাপ দেন না। কথকের মতো বিবরণী দিয়ে যান। পাঠককে ফেলে দেন গোলক ধাঁধাঁয়। জহির যতক্ষণ  পর্যন্ত না বেরনোর দরজা দেখিয়ে দেন, ততক্ষণ পর্যন্ত পাঠক গল্পের গোলক ধাঁধাঁর মধ্যে সম্মোহিতের মতো ঘুরতেই থাকেন। একটি কাহিনীর মধ্যে দিয়ে অসংখ্য কাহিনী তার কাছে উন্মোচিত হয়। এবং এক সময় তিনি আবিষ্কার করেন, এই গল্পটি হতে পারে বাস্তব, এমনকি হতে পারে অবাস্তবও।
এ ধারায় লেখক বাংলা সাহিত্যের এর আগে আর কেউ লেখেননি। তবে বাক্যশৈলী কিছুটা সৈয়দ শামসুল হকের হাতেও ছিল।
মহল্লায় বান্দর, আব্দুল হালিমের মা এবং আমরা--গল্পটিতে দুটি গল্প শহীদুল জহির সমান্তরালভাবে বলেছেন। শেষে একই রেখায় মিলিয়ে দিয়েছেন। মিলিয়ে দিতে গিয়ে পাঠককে আরেক অচেনা জগতে নিয়ে গেছে বলেই গল্পটি চিরায়ত হয়ে উঠেছে। বিস্তারিত পড়ুন >>
তিন মহাদেশের গল্প
মেক্সিকোর গল্প-- 
মূল : লাউরা এসকিভেল 
অনুবাদ : জয়া চৌধুরী
জাপানের গল্প--
মূল : হারুকি মুরাকামি
অনুবাদ : সাগুফতা শারমীন তানিয়া
অস্ট্রেলিয়ার গল্প--
মূল : জেরাল্ড মার্নেন 

অনুবাদ : কণিষ্ক ভট্টাচার্য

ফজল হাসানের অনুবাদে তিনটি গল্প
কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের গল্প :
শ্যে জ্যানেট
মূল: অ্যালেন মাবানকো 
ভারতের গল্প
মূল: গুলজার 
ভারতের গল্প
মূল : অনুকৃতি মিশ্র 
এমদাদ রহমানের আয়োজন
অনুবাদ : এমদাদ রহমান
অনুবাদ : এমদাদ রহমান
হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউ পত্রিকায়  প্রকাশিত
সালমান রুশদি'র সাক্ষাৎকার 
ভিডিও

একই নামে দুটি গল্প
একই নামে বহু গল্প/ উপন্যাস লিখেছেন অনেকে। লেখকের লেখন ক্ষমতার জোরে লেখাগুলো টিকে আছে। তাতে পাঠকের কোনো অসুবিধা হয় না। তাঁরা একই নাম হলেও আলাদা আলাদা আখ্যানই পড়ে আনন্দ পান। যেমন মা নামে পৃথিবীতে অসংখ্য উপন্যাস রয়েছে। আবার ভারতবর্ষ নামে গল্প লিখেছেন--রমাপদ চৌধুরী, দেবেশ রায়, স্বপ্নময় চক্রবর্তী, মৃদুল দাশগুপ্ত। কেউ কোনো আপত্তি করেননি। রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত গল্প ক্ষুধিত পাষাণ গল্পের স্থান, চরিত্রগুলো নিয়ে লিখেছেন বিভূতিভুষণ মুখোপাধ্যায়। সে গল্পের নামও ক্ষুধিত পাষাণ। রবীন্দ্রনাথ তাতে আপত্তি করেননি। মূলকথা হলো মৌলিক গল্প হলো কিনা সেটাই বিবেচ্য। নামে কিছু যায় আসে না। আশা করি গল্পপাঠের লেখক ও পাঠক এ বিষয়টি বুঝবেন। পড়ুন--

অভিজিৎ সেন'র গল্প : মানুষের পিছন দিক
অমর মিত্রের গল্প : প্রাণবায়ূ


অনামিকা'স জার্নাল-চাই ল্যাটে:
ম্যাডোনা মার্জার-সুন্দরী, ভুবনগ্রাম ও আরশি গ্রাম
অনামিকা বন্দ্যোপাধ্যায়
২০১৮ সালে লেখা সেরা গল্প 
গল্পপাঠে ২০১৮ অনেকেই গল্প লিখেছেন। এর মধ্যে আমাদের পুরনো গল্পকার বন্ধুরা যেমন লিখেছেন, আবার নতুন গল্পকারও লিখেছেন। কথাসাহিত্যিক অমর মিত্র বাঁকুড়ার গ্রাম থেকে আবিষ্কার করেন হামিরুদ্দিন মিদ্যার মতো নতুন মুখ। তাঁর গল্পে গ্রাম জীবনের অসামান্য আখ্যান গ্রামের সবুজতা নিয়েই ফুটে ওঠে। আবার কোনো কোনো গল্পকার রাগ করে দূরে চলে গেছেন। 

২০১৮ সালে এদের লেখা সেরা গল্পটি প্রকাশের জন্য তাঁরা দিয়েছেন। সঙ্গে এই গল্পটি লেখার পেছনের গল্পটিও তাঁরা বলেছে। গল্প লেখার গল্পটি দেওয়ার উদ্দেশ্য হলো-- গল্পটির সঙ্গে পাঠকের নীবিড় যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার জন্য। আর গল্পকারদের কাছে সেরা গল্পের কলকব্জাগুলো মেলে ধরার জন্য যাতে তারা সেরা গল্পের কলকব্জা নিয়ে নতুন করে ভাবতে পারেন। সঙ্গে থাকল গল্পকারদের হালনাগাদ প্রকাশিত বইয়ের তালিকাসহ পরিচিতি।
২০১৮ সালে লেখা সেরা গল্প 
চারজন গল্পকারই এ সময়ের অন্যতম তরুণ লেখক। চারজনের গল্পের মধ্যে জাদুবাস্তবতার শৈলী কাজ করে। এদের মধ্যে সাদিক হোসেন পশ্চিম বঙ্গের সাহিত্য একাদেমির যুব শাখায় পুরস্কার পেয়েছেন। মোজাফফর হোসেনো জেমকম পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি অনুবাদক হিসেবেও দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন।
২০১৮ সালে লেখা সেরা গল্প
শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়, রমাপদ চৌধুরী, স্বপ্নময় চক্রবর্তীর পরে জয়ন্ত দের নাম করতে হবে শক্তিশালী গল্পকার হিসেবে। শাহনাজ মুন্নী কবি। কবিতার মতোই তার গল্পের পরিসর ছোটো-- শান্তস্বরে যাদুবাস্তববাদী গল্প বলেন। রুমা মোদক নাটকের মানুষ বলেই তিনি পাঠকের জন্য মর্মভেদী আখ্যান বলে ফেলেন অনায়াসে। স্বকৃত নোমান মূলত ঔপন্যাসিক। তার অবসরে গল্প লেখেন। পড়ুন--
জয়ন্ত দে'র সেরা  গল্প : কয়েকটি পাতা
 শাহনাজ মুন্নী'র সেরা  গল্প : মৃতেরা শব্দ করে না
                রুমা মোদক'এর সেরা গল্প  :  নদীর নাম ভেড়ামোহনা........ 
 স্বকৃত নোমানের সেরা গল্প : বগি নম্বর ৮৩০৫
২০১৮ সালে লেখা সেরা গল্প 
ইকবাল হাসান কবি। গল্পকার। দীর্ঘদিন প্রবাসী। কিন্তু লেখার বিষয় বাংলাদেশে। নীহারুল ইসলাম মুর্শিদাবাদ থেকে লেখেন গ্রাম ও মফস্বলের বৃত্তান্ত। সাঈদ আজাদ বাংলাদশের গ্রামজীবনের গল্প লেখেন। হামিরউদ্দিন মিদ্যা বাঁকুড়ার গাঁয়ে গ্রামে হাটুরেগিরির মাঝে ফোন টিপে টিপে গল্প লেখেন। প্রতিটি গল্পই মৌলিক-- বানানো নয়।
ইকবাল হাসান এর গল্প : আলো আঁধারে কয়েকটি সোনালি মাছ
  নীহারুল ইসলাম এর গল্প  : পুরনো অ্যালবাম
সাঈদ আজাদএর গল্প : মূল্য
হামিরউদ্দিন মিদ্যা 'র গল্প : যুগ যুগ ধরে
২০১৮ সালে লেখা সেরা গল্প 
প্রজ্ঞা ও সরলতার মেলবন্ধনে অন্য রকম কথাকার সাগুফতা শারমীন তানিয়া। স্নিগ্ধ ভাষায় তিনি একই সঙ্গে পৌরাণিক ও আধুনিক। সাগরিকা দীর্ঘ গল্প লেখেন। তাঁর হাত থেকে মাঝে মাঝে লেখা আশ্চর্য যাদুবাস্তব গল্প পাঠকদেরকে চমকে দেয়। রুখসানা কাজল লেখেন অভিজ্ঞতা থেকে-- মুক্তিযুদ্ধ তার প্রিয় বিষয়। সাদিয়া সুলতানা নতুন হলেও নিজেকে ধীরে ধীরে পরিণত গল্পকারে রূপান্তরিত করে নিচ্ছেন।
 সাগুফতা শারমীন তানিয়ার সেরা গল্প : গোল্লাছুট
সাগরিকা রায় এর সেরা গল্প : জলের শব্দ
রুখসানা কাজল এর সেরা গল্প : অক্টোবর বিপ্লব : মুখোমুখি নয়া অক্টোবর
সাদিয়া সুলতানার সেরা গল্প : মেনকি ফান্দার অপরাধ কিংবা পাপ

২০১৮ সালে লেখা সেরা গল্প
সুদেষ্ণা দাশগুপ্ত'র সেরা গল্প : সাগরলীনা 
শিমুল মাহমুদের সেরা গল্প : শত্রুসম্পত্তি
বোধিসত্ত্ব ভট্টাচার্য'এর সেরা গল্প : 
কুলদা রায়ের সেরা গল্প : দি র‍্যালে সাইকেল 

ব্যক্তিগত জার্নাল
সেলিম জাহানের জার্নাল
লুৎফুন নাহার লতার জার্নাল
এমদাদ রহমানের জার্নাল

   সমীরণ দাসএর গল্প : সর্পপুরাণ
   সম্বিত চক্রবর্তী'র গল্প : নেগেটিভ


গল্পপাঠ ধারাবাহিক
দীপেন ভট্টাচার্যের ধারাবাহিক উপন্যাস
আন্তারেস পঞ্চম পর্ব--
বিশাল মহাকাশযান আন্তারেস চলেছে নতুন পৃথিবীর খোঁজে। সে বহন করছে ২৫ জন কিশোরকিশোরী ও তাদের পিতামাতাদের। তারা পালাচ্ছে এক বিভীষিকাময় নারকীয় সভ্যতা আউরেরগথদের থাবা থেকে বাঁচতে। কিন্তু কাহিনীর প্রটাগিনিস্ট শোগি আবিষ্কার করে যাকে সে এতদিন মা বলে জানত সে যেন তার মা নয়, সে যেন মানুষই নয়। শোগি বিভ্রান্ত। এর মধ্যে আউরেরগথের আক্রমণে আন্তারেস বিপর্যস্ত। কিন্তু শুধু কি শোগির মা'ই মানুষ নয়? নাকি আন্তারেসের সব প্রাপ্তবয়স্করাই ঠিক মানুষ নয়। [পূর্ববর্তী অধ্যায়গুলির লিঙ্ক]


কল্লোল লাহিড়ীর ধারাবাহিক উপন্যাস : 
ইন্দুবালা ভাতের হোটেল 
প্রথম অধ্যায়

কুমড়ো ফুলের বড়া


যে দিন ভেসে গেছে
দশম অধ্যায়
মূল : মার্গারেট মিচেল
অনুবাদ : উৎপল দাশগুপ্ত

অনুবাদ গল্প
Kuloda roy 
Translated by Shuvodip Barua

গল্পপাঠ।। কার্তিক-অঘ্রান ।। ১৪২৫।। নভেম্বর-ডিসেম্বর ২০১৮।।। সংখ্যা ৬৪
http://www.galpopath.com