সোমবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৩

সাক্ষাৎকার পর্ব

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------
গল্পপাঠে গল্পকারের সাক্ষাৎকা শিরোণামে একটি সিরিজ প্রকাশিত হচ্ছে।

অনেক প্রবীণ গল্পকার যেমন লিখে পাঠিয়েছেন তার লেখালেখির ভাবনা, আবার তেমনি তরুণতর গল্পকারও নিজের মত করে লিখে পাঠিয়েছেন আমাদের কাছে। এই লেখাগুলি পড়ে গল্পপাঠ টিম আরো কিছু সম্পুরক প্রশ্ন করেছেন। তারও উত্তর পাওয়া যাচ্ছে। আমরা আনন্দিত।

গল্পকারদের এই সহজ সহযোগিতার জন্য অভিনন্দন।
এই প্রশ্নপত্রগুলো গল্পকারের ভাবনা জগতকে সম্পূর্ণ উন্মোচন করে না। আরো অনেক জগৎ রয়েছে। সেগুলো পর্যায়ক্রমে গল্পকারদের কাছে প্রশ্নকারে জানার চেষ্টা করা হবে। আশা করছি ধারাবাহিকভাবে সে পর্যায়ে যাওয়া যাবে। 

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------

এলিস মুনরোর সাক্ষাৎকার : গল্পলেখার শৈলী

গল্পকার এলিস মুনরো এবছর নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি কানাডার নাগরিক। বয়স এখন ৮২ বৎসর। কিছুদিন আগে ঘোষণা দিয়েছিলেন আর লিখবেন না। অবসর নিলেন। লিখতে শুরু করেছিলেন স্কুল জীবন থেকে।

এলিস মুনরোর একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছিল নিউ ইয়র্ক থেকে প্রকাশিত দি প্যারিস রিভিউ পত্রিকায়। সেটা প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯৪ সালে। এখন থেকে একুশ বছর আগে।  সাক্ষাৎকারটি নিয়েছিলেন মোনা সিমসন ও জেন ম্যাককুলচ।
এই সাক্ষাৎকারটি ২১ বছর আগে প্রকাশিত হলেও তার তাৎপর্য এখনও ফুরিয়ে যায়নি। একজন গল্পকারের লেখার ভুবনটি, লেখার শৈলীটি লেখক ও পাঠকের জন্য অবশ্য পাঠ্য হয়ে ওঠে যখন লেখক তাঁর কালকে অতিক্রম করে যান। বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন >>

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------

নাহার মনিকা কবিতা লিখতেন শুরুতে। পরে গল্প লিখছেন। তাঁর গল্প একটু আয়োজন করে পড়তে হয়। গল্পের মধ্যে সেই আয়োজনের শৈলীটি তিনি বেশ করে বুনে দেন। পাঠককে শুরুতে তাঁকে বুঝতে হয়। তারপর গল্পের ঘরে প্রবেশাধিকারটি পান। এবং বুঝতে পারেন--এটা প্রকৃতই গল্পের জগত। এখানে কথক নাহার মনিকা। অন্য কেউ নন। 
-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------
সাক্ষাৎকার ১৭. শমীক ঘোষ--
কুন্দেরা হলেন কাফকার পরে আমার দ্বিতীয় ঈশ্বর।
হতে চেয়েছিলেন রাজনীতিক। এর মধ্যে বুঝতে পারলেন-- সিনেমার পোকা মাথায় ঢুকে বসে আছে। শুরু করেছিলেন বিজ্ঞান দিয়ে-- শেষ অব্দি পড়েছেন হিসাব বিজ্ঞান। এখন চাকরী করেন ব্যাংকে। প্রতিরোজ চার ঘণ্টা ট্রেন জার্নি টু মুম্বাই।
কাফকা, দেরিদা, কুন্ডেরা, ফুকো মাঝে মাঝেই শমীকের সঙ্গে ঝামেলা করেন। ফলে রাত জেগে লিখতে হয় প্রবন্ধ। করতে হয় অনুবাদ। এবং গল্প। স্পষ্টভাবে বুঝতে পারেন--এ জীবন গল্পের নদী। এই নদীর মাঝির মত লেখেন শমীক ঘোষ। প্রাণবান। এখনো শমীক ঘোষের বই বের হয়নি। ছোটো পত্রিকা, বড় পত্রিকা, নেটে তার গল্প প্রকাশিত হয়।  আরো পড়তে ক্লিক করুন>>
----------------------------------------------------------------------------------------------------------------
সাক্ষাৎকার ১৮. শাহনাজ মুন্নী--
কবিতায় যা বলতে পারি না, তা বলতেই হয়তো গল্প লিখি।


গল্প উপন্যাস গবেষণা মিলিয়ে শাহনাজ মুন্নীর বইয়ের সংখ্যা আঠারোটি। তার স্বভাবে আছে এক ধরণের নির্মোহতা। শিল্পেও তার প্রভাব দেখা যায়। তার গল্পে সবসময়ই একটা গল্প থাকে। চরিত্রগুলো বিকশিত হয় সহজিয়া প্রেরণায়। জবরদস্তি নয়, সহজাত নির্দেশনা ধরেই যেন তার কথাশিল্পের চরিত্রগুলো নিজস্ব পথে পদচারণা করেন। তার কথাশিল্পের ভাষা রসবোধসম্পন্ন, কাব্যসংলগ্ন ও স্বতস্ফূর্ত। মুন্নীর কবিতাও তার ব্যক্তি স্বভাবের মতোই অউচ্চকিত। মৃদুভঙ্গীতে তিনি মোক্ষম বোধটি ব্যক্ত করে ফেলেন। যার অনুরণন থেকে যায় ঢেউ মিলিয়ে যাবার পরও। আরো পড়তে ক্লিক করুন>>
গল্প


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন