শনিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৩

বিভূতিভূষণ: আদি প্রাণের আধুনিক বন্দনা

ড. শম্ভুনাথ গাঙ্গুলি

যে কোনো ভ্রমণ কাহিনীতে মানুষ থাকে। বিভূতিভূষণের ‘অভিযাত্রিক’ যেহেতু নির্জন অরণ্য পাহাড়ের কাহিনী নয়, সেজন্য এতে যে অনেক মানুষ থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। বেশিরভাগ গ্রামীণ সাধারণ মানুষ বিভূতিভূষণের সার্থক উপন্যাসে এবং ছোটগল্পে যে ধরনের লোক বারবার দেখা গিয়েছে তাদের মুখশ্রী ‘অভিযাত্রিকে’ ভিড় করে আছে। শ্রেণীগত পরিচয় ঠিক আছে; কিন্তু লোকগুলো সরল মামুলি এবং তাৎপর্যহীন।

‘অভিযাত্রিক’, ‘বন পাহাড়ে’, ‘হে অরণ্য কথা কও’ এই ভ্রমণ কাহিনীগুলো দিনলিপির ঢঙে লেখা। এগুলো পুরোদস্তুর একেকটি গ্রন্থ। এছাড়াও কয়েকটি ভ্রমণ প্রবন্ধ। ‘অভিযাত্রিক’ বইয়ে তার প্রথম যৌবনের কতকগুলো ভ্রমণের বিবরণ আছে। ভ্রমণ ছাড়া আত্মজীবনের আরো কিছু প্রসঙ্গ বর্ণিত হলেও মূলত ত্রিপুরা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, বার্মার আরাকান অঞ্চলের নানা স্থানে এবং ভাগলপুর সন্নিহিত বিহারের বিভিন্ন এলাকায় ভ্রমণের বিবরণ আছে, যদিও কোনো কোনো সমালোচক এরূপ অভিমত প্রকাশ করেছেন যে, ‘অভিযাত্রিক’ বইয়ে বিভূতিবাবু প্রকৃতির তুলনায় মানুষকে গুরুত্ব দিয়েছেন বেশি। তিনি নিজেও এ কথা বলেছেন, ‘দেশ বেড়িয়ে যদি মানুষ না দেখলাম তবে কি দেখতে বেরিয়েছি?’ সমালোচকের উক্তি কিন্তু সঠিক বলে মনে হয় না, লেখকও কথাটা বলেছেন পাঠকের মনের সংশয় দূর করার জন্য। সে সংশয় হলো এই, বিভূতিভূষণের ভ্রমণ মূলত প্রকৃতি রসপিপাসু শিল্পীর মানসমুক্তি। লেখক যেন এই ধারণার প্রতিবাদে বলতে চান প্রকৃতি তার লক্ষ্য নয়, মানুষ তার লক্ষ্য। এ-কথা পুরো ঠিক নয়।

যে কোনো ভ্রমণ কাহিনীতে মানুষ থাকে। বিভূতিভূষণের ‘অভিযাত্রিক’ যেহেতু নির্জন অরণ্য পাহাড়ের কাহিনী নয়, সেজন্য এতে যে অনেক মানুষ থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। বেশিরভাগ গ্রামীণ সাধারণ মানুষ বিভূতিভূষণের সার্থক উপন্যাসে এবং ছোটগল্পে যে ধরনের লোক বারবার দেখা গিয়েছে তাদের মুখশ্রী ‘অভিযাত্রিকে’ ভিড় করে আছে। শ্রেণীগত পরিচয় ঠিক আছে; কিন্তু লোকগুলো সরল মামুলি এবং তাৎপর্যহীন। শিল্পী বিভূতিবাবুর মন মুক্তি পেয়েছে অজস্র মানুষের ভিড়ে নয়, যেখানে প্রকৃতির উদার দাক্ষিণ্য তার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। ‘অভিযাত্রিকে’র শ্রেষ্ঠ জায়গা কক্সবাজার সমুদ্রতটে ভ্রমণ। নৌকা করে সমুদ্রের মধ্য দিয়ে অনেক দূরে সোনাদিয়া দ্বীপে, সমুদ্রগর্ভ থেকে খাড়া হয়ে উঠে গেলে আদিনাথ পাহাড়ে। সাম্পানে চেপে ঢেউয়ের মাথায় মাথায় আন্দোলিত হতে হতে অনুভবের যে রোমাঞ্চ, তটভূমি থেকে ভেসে আসে শ্যাম নারিকেলপুঞ্জের শাখা-প্রশাখার যে সঙ্গীত, তার প্রতিক্রিয়া নির্জন একক বিভূতিভূষণের চিত্তে, সঙ্গে একজন মাঝি ছিল বটে কিন্তু সেও প্রকৃতির সঙ্গে একাকার। আরাকান ভ্রমণের নানা ধরনের অনেক মানুষের আসা-যাওয়া। কিন্তু সেসব নেহাতই বিবরণ। লেখক সাধারণ মানুষদের ভালোবাসেন-- তাদের প্রতি সপ্রীত, এ খবরটুকু পেয়ে পাঠকের কি লাভ? তখনই পড়–য়ার চিত্ত চমকে ওঠে, যখন আরাকানের পাহাড়ি বনে ফুলের উগ্র গন্ধে ভ্রমণকারীর শরীরে নেশা ধরে--
অনেক রকমের বন্য পুষ্পের মধ্যে সাদা সাদা কী ধরনের ফুল ছোট-বড় সব গাছের মাথা ছেয়ে রেখেছে; কোন লতার ফুল হবে, কিন্তু কোন লতা আমার চোখে পড়লো না। খুব ঘন সুগন্ধ সে ফুলের। যে গাছের মাথায় সে ফুলের মেলা, তার তলা দিয়ে যাওয়ার সময় উগ্র সুবাসে মাথার মধ্যে যেন ঝিম ঝিম করে, আমি ইচ্ছে করে খানিকটা দাঁড়িয়ে থেকে দেখেছি, মনে হয় যেন শরীর টলছে।

এখানেও তার সঙ্গী ছিল একজন বার্মিজ ডাকপিয়ন। কিন্তু তার অস্তিত্বটা বড় কথা নয়। পাঠকের মনে দাগ কেটে বসে পথের ধারে ধারে পাহাড়ি নদী, যেটা বনের মধ্যে ঘুরেফিরে অদৃশ্য হয়ে গেছে, বড় বড় বনস্পতি মোট পাতায় শাখা-প্রশাখায় গুচ্ছ গুচ্ছ পল্লবে আকাশ দিয়েছে ঢেকে, যেন সন্ধ্যার অন্ধকার দ্বিপ্রহরে। বাঁকা পথ হঠাৎ নিচু হয়ে লাফিয়ে পড়লো যেন নদীগর্ভে। চীনা চিত্রকরের হাতে আঁকা ছবি। এখানেই ভ্রমণশিল্পী বিভূতিভূষণ আমাদের চিত্ত জয় করেন, নানা মানুষের কথায় শুধু একমেটে বিবরণ।

চট্টগ্রাম ওঁর ভালো লেগেছিল। চন্দ্রনাথের পাহাড়ের শ্রেণী, সবুজ গাছের সারি, জ্যোৎস্নালোকে ঝিল্লিমুখর নিশীথরাত্রি। বন পাহাড় পেলে বিভূতিভূষণের আর কথা নেই, তিনি তখন অন্য মানুষ। আর এখানে মানুষজনও কম, ক্বচিৎ যেসব পাহাড়ির সঙ্গে দেখা হয় তারা যেন এই বন আর পাহাড়ের সঙ্গে লেপ্টে আছে; গাছপালার মতো বন্যপ্রাণীর মতো প্রকৃতি থেকে ওদের পৃথক করা যায় না।

প্রসঙ্গত একটি কথা বলতে হয়। নানা দেশে প্রকৃতি সান্নিধ্যে বিচিত্র ভ্রমণের মধ্যেও লেখক ইছামতী তীরে তার গ্রামের কথা ভোলেননি। গ্রামের মানুষজনের চাইতেও বেশি গ্রামের প্রকৃতির কথা।

‘বনে পাহাড়ে’ লেখকের দ্বিতীয় কাহিনী। ছোটদের কাগজ ‘মৌচাকে’ এটি ধারাবাহিক বেরিয়েছিল। ছোটনাগপুরে সিংভূম ও রাঁচী জেলার সারান্ড, কোলহান ও সিংভূম বন বিভাগের গভীর ও বিস্তীর্ণ অরণ্যে।

তিনি ভ্রমণ করেন, সঙ্গে বিহার সরকারের মুখ্য বনসংরক্ষক যোগেন্দ্রনাথ সিংহ থাকায় তিনি নানা সময়ে অরণ্যের গভীরতম অংশে চলে যেতে পারতেন। প্রকৃতপক্ষে তার পরবর্তী গ্রন্থটি ‘হে অরণ্য কথা কও’, ‘থলকোবাদে এক রাত্রি’ রচনা দুটি একই পর্বতে অরণ্যে ভ্রমণ প্রসঙ্গে রচিত। এ অংশটি বিভূতিভূষণের মনের সঙ্গে এতো গভীরভাবে সংযুক্ত হয়ে পড়েছিল যে, এরই প্রান্তবর্তী ক্ষুদ্র শহর ঘাটশিলায় তিনি বসতি স্থাপন করে জীবনের অনেকটা সময় কাটিয়েছেন।
সাধারণত ভ্রমণকাহিনী যেমন হয়, এ রচনাও তার থেকে পৃথক কিছু নয়। ছোটখাটো নানা এপিসোড, প্রকৃতির বিচিত্র বর্ণনা, ভ্রমণকারীদের নিজেদের মধ্যে নানা বিষয়ে আলাপ, সব মিলে রচনাটি আর পাঁচটি ভ্রমণ কাহিনীর মতোই। 

আলোচ্য রচনায় আরণ্য অধিবাসী হো-দের বিষয়ে কিছু তথ্য আছে তাদের, জীবনযাত্রার কিছু কিছু ছবিও আছে। বিভূতিবাবুর যেমন হয় খুব সাধারণ, একান্ত পরিচিত, এরাও তাই। বাড়তি এইটুকুর যে বন পাহাড়ের সঙ্গে এই আদিবাসীরা যেন এক হয়ে মিলে গেছে। এরা যেন চারপাশে ছড়ানো পাথর এবং জানা-অজানা নানা গাছের মতোই এই পার্বত্য অচ্ছেদ্য অঙ্গ। লেখক দিনের নানা সময় বিচিত্র সৌন্দর্য যেমন দেখেছেন, গভীর রাত পর্যন্ত নানা প্রাণীর, বৃক্ষের হাওয়ার শব্দে একটা গহন গভীর রহস্য অনুভব করেছেন-- যেসব শব্দে তেমন গন্ধে। দিনে থাকে রঙ রাতে অন্ধকারে ফুটে ওঠে গন্ধ আর শব্দের বিচিত্র আয়োজন। রাতে অন্ধকার দেখার জন্য, রাত জাগা পাখির ডাক শোনার জন্য, আর বুনো স্বর্ণচাঁপার উন্মাদ করা গন্ধ গ্রহণ করার জন্য লেখক গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকতেন। কয়েকটি উদ্ধৃতির সাহায্যে বিভূতিভূষণের এই অরণ্য-উপভোগের একটি পরিচয় নেয়া যাক।

১. অদ্ভুত গভীর শোভা এই নিবিড় নির্জন অরণ্যানীর। মাথার ওপরে ঝকঝকে তারা ছিটানো আকাশ, চারিধারে শৈলশ্রেণী, তাদের ছোট-বড় চূড়া যেন আকাশের গায়ে ঠেকেছে-- মাঝে মাঝে দু’একটা রাতজাগা পাখির ডাক, সর্বোপরি এক গহন গভীর রহস্য যেন এই রাতে এই বনভূমির অঙ্গে অঙ্গে মাখানো। শোওয়া কি যায়? এমন রাত্রি নিদ্রার জন্য তৈরি হয়নি।

২. মনে হলো এমন একটা বিরাট অরণ্য কখনো দেখিনি জীবনে। এমন বিরাট বনস্পতি শ্রেণীর সমাবেশ, সঙ্গে সঙ্গে এই অদ্ভুত দর্শন শৈলশ্রেণী-- দুইয়ের এ যোগাযোগই এ অরণ্যকে সুন্দর অধিকতর রহস্যময় করেছে; যা দেখার সুযোগই বা কয়জনের ভাগ্যে ঘটে।

৩. সম্মুখে শৈল চূড়ার অন্তরাল থেকে লাল সূর্য নিজের মহিমায় আত্মপ্রকাশ করতে লাগলো। আগে সব বড় শিখরগুলোতে কে যেন সিন্দুর আর সোনার রেণু ছড়িয়ে দিলে। যেদিকে চাই সেই অজানা আকাশপরীর অদৃশ্য হস্তের ইন্দ্রজাল।

৪. ঘন-অরণ্যশীর্ষে প্রভাতের সূর্যালোক, ক্বচিৎ কোনো বনপুষ্পের সুবাস এতোবড় বনানীর একটা গভীর রহস্যের ভাব আমার মনে এনে দিয়েছে; ভুলতে পারছিনে অরণ্য-সমাকুল সিংভূমের যে অংশ বিচরণ করছি, কোনো পার্কে বেড়ানো নয় এটি-- যে কোনো সময়ে মত্ত হস্তীযুথ বা মহাকায় ব্যাঘ্রের সামনে এসে পড়তে পারি, আমরা সম্পূর্ণ নিরস্ত্র ফরেস্ট গার্ডের স্কন্ধস্থ কুড়–ল তখন কি কোনো কাজে আসবে? এরূপ নিসর্গ উপভোগের নিদর্শন তার উল্লিখিত ভ্রমণ কাহিনীগুলোর মধ্যে অজস্র আছে এবং সেগুলো এ রচনাগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ সম্পদ। ভ্রমণ কাহিনীর অন্য দিকটা অর্থাৎ মানবজগৎ কিন্তু তেমন আকর্ষণীয় নয়। বিপুল প্রকৃতির পটভূমিতে সে যখন ক্ষুদ্র প্রাণ নিয়ে সহজ আশ্রয়ে অনুচ্চ উত্তেজনাহীন, তখনই বিভূতিভূষণের কাছে তাদের গুরুত্ব। তখনই এ নিসর্গ-জগতের সঙ্গে মানবজগতের একটি স্বাভাবিক ও সহজ আত্মীয়তা। বিভূতিভূষণের দিনলিপি এবং ভ্রমণ কাহিনীগুলো সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে তার উপন্যাস জগৎ থেকে বেশি দূরবর্তী নয়। তার প্রধান উপন্যাসগুলোর কিঞ্চিৎ পরিচয় নিয়ে সে সত্য অনুধাবন করা যাবে।

‘সাত’
উপন্যাস : প্রকৃতি যেভাবে মানব আশ্রয়
‘দেবযান’, ‘দৃষ্টি প্রদীপে’র কল্পনাপ্রবণ এবং স্বতন্ত্র জাতের উপন্যাসগুলোর কথা আগেই বলা হয়েছে। এখানে আমরা তার খাঁটি সামাজিক উপন্যাসগুলোর কিছু পরিচয় নেব। বিভূতিভূষণের প্রথম উপন্যাস ‘পথের পাঁচালী’ তার শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। ‘অপরাজিত’ ‘পথের পাঁচালী’র পরবর্তী খ- হলেও সে অংশ পূর্ববর্তী গ্রন্থের অনুবৃত্তি নয় কিংবা সূত্রানুযায়ী নয়। তার শিল্পমূল্য নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। ‘আরণ্যক’ উপন্যাস বিভূতিভূষণের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ লেখা, যার অভিনবত্বের কথা সবাই একবাক্যে মেনে নিয়েছেন। দীর্ঘকাল ধরে লেখা হলেও ‘ইছামতী’ উপন্যাসটি জীবনের প্রান্তে এসে প্রকাশিত হয়। বিবিধ ত্রুটি-বিচ্যুতি সত্ত্বেও উপন্যাসটি নানা কারণে উল্লেখযোগ্য। কারণ ‘পথের পাঁচালী’তে যার শুরু ‘অপরাজিত’ এর মধ্যে দিয়ে ‘ইছামতী’তে তার সমাপ্তি। যে চারটি উপন্যাসের উল্লেখ করলাম, তার মধ্যে ‘পথের পাঁচালী’ ও ‘আরণ্যকের’ সাফল্য সর্বজনগ্রাহ্য। এ দুই গ্রন্থের জন্য ঔপন্যাসিক বিভূতিভূষণ বাংলা সাহিত্যে অমরত্বের অধিকারী। 

বাকি অন্য দুই গ্রন্থের সাফল্য মিশ্র প্রকৃতির, তবে বিভূতিবাবুর মনের দিগন্তকে কোথাও কোথাও প্রকাশ করার দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ। সমকালীন অন্য খ্যাতিমান লেখকদের মতো বিভূতিভূষণ অনেক গ্রন্থ লিখেছেন। সেগুলোর মধ্যে ‘অনুবর্তন’ একটি বিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে শিক্ষকদের বিচিত্র জীবনকথা, পাঠকের দৃষ্টি কিছুটা আকর্ষণ করে। ‘আদর্শ হিন্দু হোটেল’ একটি মফঃস্বল শহরে হোটেল ব্যবসাকে ভিত্তি করে লেখা কাহিনী। এখানেও আকর্ষণের প্রধান কারণ বিষয়বস্তুর অভিনবত্ব। ‘অশনি সংকেত’ পঞ্চাশের মন্বন্তরের ভিত্তিতে লেখা গল্প। চলমান সমাজ ও রাজনীতি প্রত্যক্ষত বিভূতিভূষণের রচনায় এভাবে আর কোথাও প্রতিফলিত হতে দেখি না। সেদিক থেকে বইটির অন্য ধরনের কিছু মূল্য আছে। তাছাড়া বিশ্ববিশ্রুত পরিচালক সত্যজিৎ রায়, যিনি বিভূতিভূষণের কাহিনীকে ভিত্তি করে বারবার ছবি তৈরি করছিলেন, তিনি ‘অশনি সংকেত’ অবলম্বনে একটি ছায়াছবি তৈরি করেছিলেন। কিন্তু উপন্যাস হিসেবে বইটির দাম বেশি নয়। প্রত্যক্ষ চিত্র ভেদ করে কোনো গভীরতর জিজ্ঞাসা এর মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হয়নি। অধিকাংশ পাত্রপাত্রী তার প্রতিষ্ঠিত পূর্ব উপন্যাসের পুনরুক্তি বলে মনে হয়।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন