রবিবার, ৯ মার্চ, ২০১৪

কল্লোল লাহিড়ির ধারাবাহিক : গোরা নকশাল

এক

খুব সকালে ঘুম ভাঙতে চাইতো না আমার। লেপের পরে লেপ, চাদরের পরে চাদর এর গা থেকে ওর কাছ থেকে, ছেড়ে যাওয়া বিছানা থেকে টেনে টেনে গায়ে চলে আসতো আমার। লম্বা চাটাইয়ে স্যাঁতসেঁতে পলেস্তারা খসা ঘরে শুয়ে থাকতো ওপার বাংলা থেকে অনিচ্ছায় আসা উদ্বাস্তু মানুষ গুলো। আমিও তাদের মধ্যে কুন্ডুলী পাকিয়ে লেপ, চাদর আর কাঁথার পাহাড়ের মধ্যে সেঁধিয়ে থাকতাম। সকালের রোদ আমাদের বালীর বাসায় ঢুকতো না একটুও। কিন্তু মায়ের উনুনের ধোঁওয়া সারা ঘর ছেয়ে ছোটো ছোটো ঘুলঘুলি দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতো পাশের বাড়ির ডুমুর গাছের পাশ দিয়ে, শেফালীদের পাতকোয়া পেরিয়ে অনেক দূরে আমার না দেখা কোনও এক মাঠের দিকে। পাশে বসা দাদার কম্বল জড়িয়ে সকাল সকাল জোরে জোরে পড়া মুখস্থতে আমার ঘুম ভেঙে যেত। আমারা পিসিকে মণি ডাকতাম। 
সেই যে কবে ছোট্টবেলায় বিধবা হয়ে আমাদের বাড়ি চলে এসছিলো আজো কেউ মনে করতে পারে না। এমনকি ঠাম্মাও না। মণি ডিসেম্বরের সেই শীতের সকালে গঙ্গায় স্নান করতে যাওয়ার উদ্যোগ নিতো। বাবার পরের সবচেয়ে রুগ্ন ভাইকে আমরা ডাকতাম ‘হাঁদা’ বলে। হ্যাঁ তখন সেই আশির দশকের গোড়ায় হাঁদা-ভোঁদা খুব পপুলার আমাদের মফস্বলের শহরে। কমলা রঙের চটি বই গুলো হাঁদাই কিনে দিতো আমাকে আর দাদাকে। মাসের প্রথমের ‘শুকতারা’ নিয়ে কাড়াকাড়ি পড়তো। হাঁদা ঘুম থেকে উঠতো সবার আগে। সকালের আহ্নিক সেরে বাবার কিছুদিন আগে করে দেওয়া ছোট্ট চায়ের দোকানটা খুলতে ব্যাস্ত হয়ে পড়তো হাঁদা। আমার কানে এসে পৌঁছোতো বাবারই গত রাতে পড়া সহজ পাঠের কবিতার একটা লাইন। “আমলকি বন কাঁপে যেন তার বুক করে দুরু দুরু/ পেয়েছে খবর পাতা খসানোর সময় হয়েছে শুরু।” বই গুলো স্কুলে জমা দেওয়ার আগে বাবার মনে হতো যেগুলো ভালো, যেগুলো সুন্দর, সেগুলো আরও একবার যদি পড়া যায়। আমি ঢুলতাম, বাবা গড়্গড়িয়ে পড়ে চলতো। কখোনো সখনো দাদা ধুয়ো ধরতো এসে। হ্যারিকেনের তেল যতক্ষণ না শেষ হয়, সারাদিনের ক্লান্ত মাখা মানুষ গুলো বাবার পাঠ চুপটি করে শুনতো।ঠাকুমা তার মাঝেই একবার জেনে নিতে চেষ্টা করতো কবে রিলিফ ক্যাম্প খুলবে? কবে তার ছানি অপারেশান হবে। দাদা লাইব্রেরী থেকে যে বই গুলো নিয়ে এসেছে সেগুলো যে একটাও পড়া হচ্ছে না তার। সেই রাতের ঢুলুনির মধ্যেই আমি তক্কে তক্কে থাকি আজ একাদশী, আজ ঠাকুমা নলেন গুড় মেখে খই খাবে। দুধ পাওয়া যায়নি। দুধকাকু বলে দিয়েছে হরিণঘাটার দুধের দাম বেড়েছে। আসতে আরো পাঁচ-ছয় দিন লাগবে। ঠাম্মা হ্যারিকেনের সেই নরম আলোয়, ওপার বাংলা থেকে আনা পদ্মকাটা কাঁসার বাটিতে একটু একটু করে জল ঢালে আর মিইয়ে যেতে থাকে খই গুলো। গলার কাছে কোঁচা দেওয়া চাদরে ঢাকা আপাদমস্তক আমি অপেক্ষা করি, অপেক্ষা করি কখন ঠাম্মা আমার হাতে তুলে দেবে একদলা জল মাখা খই। আমি সেই খই মাখা খেতে খেতে গল্প শুনবো আওটা দুধের। পাখা দিয়ে বাতাস করা লোহার কড়াইয়ের ঘন সরের। বাগানের ডয়রা কলার। ঠাম্মা আস্তে আস্তে খেতে খেতে আমার তো অনেকটা খাওয়া হয়ে যায়। দুধহীন একাদশীতে বাটির শেষ জল মাখা খইটুকু যাতে বাড়ির সবচেয়ে বয়জ্যেষ্ঠ মানুষটার পেটে যায় তা নিশ্চিত করতে মা আমাকে প্রায় জোর করে সেখান থেকে নিয়ে যায়। আমি রাগ করে শুয়ে পড়ি। খাই না। রোজ রোজ ফুলকপি খেতে আমার ভালো লাগে না। বাবা কি একটু পেঁয়াজ কলিও আনতে পারে না? আমার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার কোনো লোক থাকে না। কোথাও যেন মায়ের ওপর গভীর অভিমান, রাগ আমার দুচোখ জড়িয়ে ঘুম নামায়। আমি স্বপ্নে দেখি ঠাম্মার কোলাপোতার গোয়াল ঘরটাকে। দুধে ভর্তি লোহার সেই বড় কড়াইটাকে। তার ওপরে আসতে আসতে জমতে থাকা সরের প্রলেপটাকে। ঠাম্মা বলেছে, বাবাকে একদিন বলবে সর জমিয়ে রাবড়ি করতে। ঘুমের মধ্যে এইসব পাক খেতে খেতে সকাল নামে। লেপ টেনে নিতে থাকি… দাদার পড়ার শব্দ শুনতে পাই…আমার চারপাশে জমতে থাকে উনুনের ধোঁওয়া।

লেপটাকে একটু ফাঁক করে বেলা বোঝার চেষ্টা আমার বৃথা যায়।কারণ ঠান্ডা লেগে চোখ পিচুটিতে ভর্তি। বন্ধ হয়ে গেছে চোখ দুটো নিজে থেকে। আমার ভয় লাগে। আর যদি না খোলে চোখ দুটো? আমার ভয় লাগে অন্ধকারে। আমি হাতড়াই। তাড়াতাড়ি সরিয়ে ফেলি আমার গায়ের চাদর, লেপ, কাঁথা…স্তুপাকৃতি জড়তা। আমি প্রানপণে দাদাকে খোঁজার চেষ্টা করি। দাদা বসে নেই কাছে। পড়ার আওয়াজ শুনতে পাওয়া যাচ্ছে না। আমি মাকে ডাকি। মা শুনতে পায় না। বাইরে গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোডের ধারে কারা যেন পিকনিক করতে যাবে বলে টেম্পোতে জোরে জোরে গান চালাচ্ছে।আমি ভয় পাই। ভীষণ ভয়। মণির কাছ থেকে শোন, মণির দেশের আমার না দেখা সেই আশশ্যাওড়া গাছের কথা মনে পড়ে। সেই দুষ্টু মামদোটার কথা মনে পড়ে। যে লেপের তলায় হিসি করা ছেলেদের ঘাড়ে চাপতো আর কুট কুট করে চিমটি কাটতো। অনেক দিন হলো আমি আর হিসি করিনা বিছানায়। সত্যি মামদো। একটুও ভিজে নেই শতরঞ্চি, তোষক কিছুই। ডাক্তার কাকিমা আমাকে অনেক গুলো কৃমির ট্যাবলেট দিয়েছে। সব খেয়েছি। আমি আর রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে হজমি ওয়ালার কাছ থেকে ‘পচা কুলের’ আচার খাই না। বিশ্বাস করো। মনে মনে যত বিড়বিড় করি ততই শরীরের গভীর গহণ কোনে ভয়টা আমার সেঁধিয়ে যেতে থাকে। মাকে ডাকি, মণিকে ডাকি, হাঁদাকে ডাকি, দাদাকে ডাকি, কেউ সাড়া দেয় না। চোখ বন্ধ করা চারপাশের অন্ধকার নিয়ে আমি এগোতে থাকি। আর বিপত্তিটা সেখানেই হয়। লেপ, চাদর, বালিশ কাঁথা জড়িয়ে আমি সটান আছাড় খাই মেঝেতে। সেই প্রথম আমার মাথা ফাটে।

কানের পাশ দিয়ে চটচটে কি একটা জিনিস গড়িয়ে যাচ্ছে বুঝতে পারি না। মায়ের কান্নার শব্দ শুনতে পাই। ডাক্তার কাকিমা ঝুঁকে পড়ে ছুঁচ ফোটায় আমার কপালে। আমি চিতকার জুড়ি। কিন্তু হাত পা ছুঁড়তে পারি না বড় একটা। কেউ যেন আমাকে চেপে ধরে আছে। কোনোরকমে চোখটা খোলার চেষ্টা করি। দেখি একজন আমাকে কোলের মধ্যে আঁকড়ে ধরে বসে আছে। তার শাদা রঙের পাঞ্জাবি লাল হয়েছে আমার রক্তে। সকালের এক চিলতে রোদ্দুর এসে পড়েছে লোকটার মুখে। একগাল ভর্তি দাড়ি… কোঁকড়ানো কালচে দাড়ি নিয়ে লোকটা আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে কি? ওমা তাইতো হাসছেই তো। আমার আরও কান্না পায়। আমার কষ্টে লোকটা কষ্ট পায় না, হাসে! তাহলে কি এই সেই মণির জ্যান্ত মামদো? কোল থেকে নামতে চাই। ছটফট করতে থাকি। লোকটা আরো জোরে জাপটে ধরে আমাকে। কিছুক্ষণ পর খাটের ওপর শুইয়ে দেয়।বাবাকে বলতে শুনি “গোরা চা খেয়ে যাস।” লোকটা বসে না। খোঁড়াতে খোঁড়াতে এগিয়ে যায় দরজার দিকে। এমন ভাবে খোড়াচ্ছে যেন মনে হয় হাঁটতে কষ্ট হচ্ছে লোকটার। আমার সেটা দেখে এক অদ্ভুত নৃশংস আনন্দ হয়। চিতকার করে বলি “ঠিক হয়েছে...আমাকে চেপে ধরেছো তো...তাই ভগবান তোমার পাটা মুচকে দিয়েছে।” ঠিক তখনি অপ্রত্যাশিত ভাবে বাবা চিতকার করে ওঠে “টুকনু”। দাদা অঙ্ক করতে করতে মুখ তুলে চায়। মা রান্না ঘর থেকে ছুটে আসে। লোকটা দাঁড়ায় না। একবার পেছন ফিরে তাকিয়ে হাসে। আস্তে আস্তে বেরিয়ে যায়। মা এসে আমার ওই ব্যান্ডেজ বাঁধা গালেই একটা থাপ্পড় কষিয়ে দেয়। মাকে কেউ বাধা দেয় না। মণি আহা উহু করে এগিয়ে আসে না। ঠাম্মা অনেক বারের মতো এবার চিতকার করে বলে না... “ নিজেদের রাগ গুলা ওদের ওপর চাগাও ক্যান”। ফিসফিসিয়ে বাবাকে বলতে শুনি, আর কোনোদিন বোলো না টুকনু। ওর পা দুটো পুলিশ মেরে মেরে ভেঙে দিয়েছে। চিতকার করে বলি “বেশ করেছে...। পুলিশ তো দুষ্টু লোকদের মারে।” মা আবার তেড়ে এসেছিলো। কিন্তু মারতে পারেনি তার কারণ সেই একগাল দাড়ি ওয়ালা লোকটা হাতে শালপাতার ঠোঙা নিয়ে আমার ঘরের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলো এসে আবার। আমাদের বাড়ির সেই আসূ্য্যস্পর্শা দেওয়ালের ফাঁক দিয়ে এক চিলতে রোদ এসে পড়েছিলো সেই লোকটার মুখে। তার শাদা পাঞ্জাবিতে লেগেছিলো আমারই রক্তের দাগ। লোকটা অমিলন হাসিতে ভরিয়ে দিচ্ছিলো আমার সারা সকালটা। খোঁড়াতে খোঁড়াতে এগিয়ে আসতে গিয়ে বলেছিলো, “টুকনু শুনলাম জিলিপি খেতে ভালোবাসে।” এক ঠোঙা জিলিপি ধরে সেই শক্ত দুটো হাত। আরো অনেক পরে জানতে পারবো, যে হাত গুলো থেকে খুবলে নেওয়া হয়েছিলো মাংস। ঠাম্মা অস্ফুট স্বরে শুধু বলে... “সেই ওরা তোকে ছাড়লো...কিন্তু মাটাকে যদি একবার শেষ দেখা দেখতিস...। গোরা গোরা করে...”। বাবা এবার ধমকায় ঠাম্মাকে। বাবার বকুনিতে চুপ করে ঠাম্মা। মা নিয়ে আসে গরম রুটি, নলেন গুড়, আর লিকার চা। দুধ আসা বন্ধ। কারণ এই মাসে বাবার স্কুলের মাইনে হয়নি। শিক্ষকরা কিসব যেন আন্দোলন করছে। আন্দোলনের কথা শুনলে লোকটার চোখ চিক-চিক করে ওঠে। আমি সেই শীতের কুয়াশা ঘেরা সকালেও খুব যেন দেখতে পাই গভীর গহন চোখ দুটো। “কিছু বলবি না গোরা তুই?” বাবার কথার জবাবে লোকটা শুধু বলে, “অনেক কাজ পড়ে আছে রবিদা। জেলের জামা কাপড় গুলো কাচতে হবে। নদীর ধারে চিলে কোঠার ঘরটা একটু ঝাড়তে হবে। বই গুলোও অনেকদিন...”। রোদ সরতে থাকে। লোকটাও খোঁড়াতে খোঁড়াতে এগিয়ে যায় সদর দরজার দিকে। ঘর থেকে বেরিয়ে যায় সবাই লোকটার পিছু পিছু।

দাদার দিকে তাকাই। “কেরে দাদা?” দাদা অঙ্কর খাতা থেকে মাথা তুলে বলে, “চিনিস না?” আমি ঘাড় নাড়াই, “না”। দাদা বলে “গোরা নকশাল”। কথাটা আমার কানে বাজতে থাকে। হাঁদার একটা পোষা পায়রা আছে তার নাম নকশাল। হাঁদা বাঁশ দিয়ে হই হই করে সেই পায়রাটাকে ওড়ায়। হাঁদার খুব দুঃখ আমাদের বাড়ির ছাদ নেই। মানে ছাদে যাওয়ার অনুমতি দেয় নি বাড়িওয়ালা। কিন্তু নকশাল ছাদে যায়। নকশাল রেলিং এ বসে। নকশাল মনের সুখে রোদ পোহায়। সেই রকম নকশাল? দাদা ঘাড় নাড়ে। “না”। দাদা গম্ভীর। ওর ঠোঁটের ওপর একটা কালচে রঙের রেখা উঠছে। সেটা যত গাঢ় হচ্ছে দাদা তত গম্ভীর হয়ে যাচ্ছে। ইদানিং আবার মাঝে মাঝে আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়াচ্ছে আর রেখাটাকে দেখছে। একবার নয় অনেকবার, বারবার। মা বলেছে দাদা বড় হয়ে যাচ্ছে। সেই বড় হতে থাকা দাদা আমার দিকে তাকিয়ে বলে, “নকশাল হলো তারা...যারা মনে করতো একদিন সব কিছু পালটে দেবে।” আমি জিভ উল্টোই, “এই ঘেঁচু...। কিচ্ছু জানিস না তুই। আসলে ওটা পায়রার টাইটেল। যারা ভালো উড়তে পারে তাদের নকশাল বলে। দেখিস না হাঁদার নকশালকে?” দাদা বেশি কথা বাড়ায় না। ক্লাসে ফাস্ট হয়। কেউ ওর কথা এমন তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে না। আরো গম্ভীর হয়ে যায় সে। পাপ্পু খেলতে আসে। আমার খেলা হয় না। কারণ বেঁহুশ জ্বর আমাকে ঘিরে ধরেছে। মাথা ফাটার সাময়িক ধাক্কাটা আমি আস্তে আস্তে টের পেতে থাকি। চারপাশে আঁধার নামতে থাকে। আমার আর কোনো জ্ঞান থাকে না। সেই অন্ধকারের মধ্যে দেখতে পাই শাদা পাঞ্জাবি পরা গোরা নকশাল আমাকে চেপে ধরে আছে। গোরা নকশালের শাদা পাঞ্জাবী আমার রক্তের রাঙা। আর দাদা বলে চলেছে “নকশাল হলো তারা...যারা মনে করতো একদিন সব কিছু পালটে দেবে”। জ্বরের ঘোরে আমার চোখের সামনে কোথা থেকে যেন মামদো উধাও হয়। গোরা নকশাল উজার হয়ে থাকে।ঠাম্মা বাবাকে ফিসফিস করে কিসব যেন বলতে থাকে। অনেক রাত…, পুলিশের জিপ…। আমি ঘুমিয়ে পড়তে থাকি। আমার মাথায় তখন মায়ের হাত। আমার মাথায় তখন জল পট্টি। সোনার কাঠি আর রূপোর কাঠি ছুঁইয়ে কেউ যেন আমাকে ঘুম পাড়িয়ে রাখছে অনেক দিনের জন্যে।হাঁদার সেই ধপধপে সাদা পায়রা নকশাল আমার দিকে ঘাড় ঘুরিয়ে দেখছে। আমি দাদাকে বলছি নকশাল আসলে পায়রাদের টাইটেল। তারপর কিছু মনে নেই। ছোটদের সব কিছু মনে রাখা উচিত নয়। আসলে ওগুলো সব স্বপ্ন…কিম্বা…গল্প…আসলে যা শুনছো…দেখছো সবটাই ম্যাজিক…। ম্যাজিক দেখাতে দেখাতে একটা ফেরিওয়ালা আমাকে আর দাদাকে বলেছিলো। আজ সকালে আমার সামনে এমন একটা ম্যাজিক হয়েছে। আমি সারা জীবনের জন্যে গোরা নকশালকে পেয়ে গেছি!



লেখক পরিচিতি
কল্লোল লাহিড়ি
গল্পকার। চলচ্চিত্রকার।

২টি মন্তব্য: