বৃহস্পতিবার, ৫ জুন, ২০১৪

মুহাম্মাদ আমানুল্লাহ'র গল্প : আগন্তুক

‘তুঁই আর বিষ্টিত ন ভিজিবা। ভিজা খঁড়ে ঘণ্টার ফর ঘণ্টা বারে ন হাডাইবা।’ কথাগুলো বলতে বলতে গত রাতে কাঁথাটা জড়িয়ে দিচ্ছিল জোছনা। তারপর কাঁথার নিচে দু’জনের চোখে রাজ্যের ঘুম নেমে আসে এক লহমায়।

রাতে এক দফা কাঁপুনি এসেছিল গায়ে। জোছনার কথাগুলো বার বার মনে পড়ে তার।
কনকনে ঠাণ্ডা বাতাস। চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে শরীরটা জুত করে নেয় আনসার। টিপটিপে টানা বৃষ্টি তাকে আজ বের হতে দেয় না। এক দোকানেই বন্দি। এতোক্ষণে একখিলি পান চিবুতে চিবুতে পুরো বাজারটি একবার চষে ফেলতো সে প্রতিদিনের মত। সব শেষে ননীর দোকানের কাঠের বেঞ্চিতে বসে খোশগল্পে মেতে উঠতো। সেখানে হাবিব, জাফর ও কমলহরি তার জন্যে অপেক্ষা করে। সেখানে তাদের আড্ডা - তাদের আস্তানা। কেরামত চলে যাবার পর সেও তাদের সঙ্গে বসে, সময় কাটায় মাত্র। তারা একই পাড়ার লোক, একই প্রাইমারিতে যেতো তবু কেউ হাই স্কুলে পা দেয়নি। জাফর দিন মজুর খাটে, কমল হরি পান চাষ করে আর হাবিব মালয়েশিয়া যাবার স্বপ্ন দেখে -  সে পৈত্রিক জমাজমিটুকু বিক্রি করে নগদ টাকাটা দালালের হাতে তুলে দিয়ে দেশ ছাড়ার অপেক্ষায় আছে। হয়তো একদিন সোনাদিয়ার ঘাট থেকে ছুটে চলবে তাদের লঞ্চ দূর দেশের ঠিকানায়


কেরুনতলি বাজার থেকে আসা ট্রাকটা থামার পর হঠাৎ নড়ে উঠল আনসার। ত্রিশ চল্লিশটা পানের টুকরি গাদাগাদি করে ঠাসা। এই রকম একটি ট্রাকে করেই সে কেরামতকে বিদায় দিয়েছিল দুই মাস আগে। সারা বছর এ গ্রাম থেকে পান যায় ট্রাকে করে শহরে, তারপর দেশের বিভিন্ন জায়গায়; দেশের বাইরেও। শুঁটকিও যায় সমান তালে। লবণবোঝাই ট্রলারগুলো সমুদ্রের কূল ঘেঁষে দূরের শহরে ছুটে চলে ।
-‘এইবার একটু শ-র-ত যাইয়ম। এককানা ঘুরি আইশশম।’ জোছনা কথাগুলো শুনে কিছু বলে না। কিছুক্ষণ পর জবাব দেয় সে।
-‘অ, তোঁয়ার মন্ত কুব খারাফ। কেরামত বড়দা যাইবার পর তুই দেখি একেবারে উতলা হই গেলা।’
-‘ইতা আঁরে খনদিন নখইল। তার দুলাভাইয়র দোয়নত চ-রি লই বিদেশ যাইব। এখন আঁই একা হই গেলাম, জোছনা।’
-‘কাজখাম নাইত, এনে বেশি খারাপ লাগের দে। সাপ্তাখানিক খারাপ লাইবো। আস্তে আস্তে ভুলি যাইবা। ইয়ানই দুনিয়ার রীতি।’

বৃষ্টি বাদলের দিন। লবণের মাঠগুলো জোয়ারের পানিতে ডুবে আছে। ধানখেত ডুবে আছে বৃষ্টিতে। পানের বরজেও তেমন কোন কাজ নেই । কী করবে আনসার মিয়া আর বোঝে না।
কেরামত গ্রাম ছাড়ার পর জোছনার বড় ভয় - আনসার এখন আবার কার সঙ্গে মিশে কী ভাবে সময় কাটায়। কোথায় যায়। সে চায় না আনসার আবার গভীর সাগরে ফিশিং বোটে মামুলি মজুরির কাজ নেয়; হারিয়ে যায় মাস কয়েকের জন্যে। স্বামীর দীর্ঘ অনুপস্থিতির যন্ত্রণা জোছনা বোঝে। সে আনসারকে ছাড়া বাঁচবে না। তার পাশে থাকবে আনসার। বাড়ির পেছনে পতিত জমিটুকুতে ওরা বাগান করবে। আনসার সাগরে যাবে না, বিদেশে যাবে না। পাহাড়ের কারিগরদের খপ্পরে পড়ে মাসের পর মাস জেলে পঁচবে না। এইটুকুই চায় জোছনা। হ্যাঁ, কারিগররা এখানে নানা রকম অস্ত্র বানায়। আর জলদস্যুদের তা-বও এলাকার সকলের জানা। বোটমালিকরাও নিমক হারামি। কোন রকম সাগরে ঠেলে দিতে পারলেই বাঁচে - তারা অসহায় পরিবারগুলোর কোন খবর রাখে না । কোন বিপদ-আপদে চোখ তুলেও তাকায় না। বোট ঠিক ঘাটে পৌঁছুবার আগেই শহরের হোটেলগুলোতে গিয়ে হাজির হয়। কারবারির হিসাব হতে অগ্রিম টাকা তুলে আনন্দ  ফুর্তি করে; জুয়া খেলে, মদ খায়, কেউ কেউ নারী শরীরের স্বাদ নেয়। এখন কেউ সিনেমা হলের সীমানা মাড়ায় না আর।

রোববার ও বুধবার - দুইদিন হাট বসে। শাপলাপুরের সবার কাছে পরিচিত আনসার মিয়া। সে ময়মুরুব্বিদের কদর করে -খাতির যত্ন করে। ওই দিন হাজি জালাল যখন স’মিল থেকে গাছ চিরে বাড়ি ফিরছিল পথে রিকশা নেই, ঠেলাগাড়ি নেই কী বিপদেই না  পড়লেন বেচারা । একা আনসার মিয়া তিনবার করে তার গাছের আঁটিগুলো বাড়ি পৌঁছে দেয় - এক পয়সাও নেয়নি। সামনে ঈদ। এই ঈদের সময়, কোরবানির সময় তাঁরাই তো আনসার-জোছনার খোঁজ খবর নেন। আনসার যখন কাঠের তক্তা নিয়ে ছুটছে হাজিবাড়ির দিকে সামনেই বন প্রহরী-
-‘এই দাঁড়া, গাছগুলো কার? কোন স মিল থেকে আনছো?’
-‘জালাল আজির ছার। সালমা ছ মিল-তুন। মুরুব্বি মানুষ এককানা সাহাইজ্য গরির ছার।’
হাজি সাহেবের গাছ আটকানোর মুরোদ লতিফের নেই। তারা হাজি সাহেবদের কেনা লোক। মেজো ছেলে নিজামউদ্দিন এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান; ক্ষমতাশীন দলের নেতা। বড় ছেলে রোকন উদ্দিন উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান; বিরোধী দলের সভাপতি। তারাই ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট উজাড় করে - তারাই চিংড়িঘের বানায়। সরকারি বাগানের সেগুন গাছের মালিকও তারা । তাই ওদের স’মিলগুলো ভালো চলে সারা বছর। আর আনসাররা কখনো রান্নার মরা কাঠ আনতে গেলে তাদের দা কেড়ে নেয় লতিফ বাহাদুর; চেয়ারম্যান-মেম্বারদের কাছে নালিশ দেয়। কখনো কখনো গাছের গোড়ালির সঙ্গে সারাদিন বেঁধে রেখে রাতে ছাড়ে ।

শহরে এসেছে আনসার আলি ওই ট্রাকে চড়ে।
এক রকম হুটহাট চলা আসা। কোন বলা-কওয়া নাই। স্টেশনে নেমে সে তুলাতলি চলে যায় - বশিরের কাছে। বশির তার গ্রামেরই লোক - দূর সম্পর্কের মামাতো ভাই। বাসস্টেশনের এক হোটেলে টেবিল বয়ের কাজ করে। সে আনসারকে দেখে প্রথমে মনে করে  দুয়েক দিন ঘুরে ফিরে গ্রামে চলে যাবে। কিন্তু পরে বুঝতে পারে সে শহরে থাকতে চায় - কাজ চায়, চাকুির চায়।
বশির পরদিন তাকে হোটেলে নিয়ে আসে। ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলে কাজের চেষ্টা করে। ম্যানেজারের সোজা কথা সামনে রমজান । এখন হোটেলে কোন কর্মচারী নেয়া যাবে না। আনসার রাজি থাকলে তাঁর ছোট ভাইয়ের মাংসের দোকানে থাকতে পারে। এখন বেতন খুবই কম; থাকা খাওয়া ফ্রি - মাসে হাজার পাঁচেক মত দেবে। দুই মাস পর আট হাজার টাকা। থাকা খাওয়া ফ্রিই থাকবে।
আনসার অসহায়। মাংসের দোকানে কাজ শুরু করে দেয়। সকাল আটটায় দোকান খোলে। সব কাস্টমারকে তারা স্যার বলে ডাকে। সালাম করে -অকারণে এক চিলতে শুকনো হাসি ঝুলিয়ে রাখে ভাঙ্গা চোয়ালে, পোড়া ঠোঁটে, মলিন মরা চোখে। তারা কাস্টমারের পছন্দ বোঝে চেহারা দেখে মাংস মাপজোক করে। এই ওজন করার ব্যাপারটা এড়িয়ে যেতে চায় আনসার। এখানেই যত তেলেসমাতি, ফাঁকিবাজি। প্রতি কেজিতেই ষাট-আশি গ্রাম কম  দেয়ার কারসাজি। কাস্টমার মাংস কেনে-হাড় নয়,  চর্বি নয়।  কিন্তু তারা কয়েক টুকরো চর্বি, দুয়েকটি হাড়ের টুকরো গছিয়ে দেয়।

‘দেখুন স্যার এই হাড়টুকু একবারে কুরকুরে, জিভের ডগায় মিশে যাবে। বুকের হাড় বলে দিলাম।’ তাদেরকেই গরু জবাই করতে হয়, চামড়া ছুলতে হয়। আবার, বোনলেস মাংসগুলো আলাদা  করে বেচার জন্য সাজিয়ে রাখতে হয়্। রানের মাংসের কাটতি সব সময় বেশি। তার মন বিগড়ে যায় -  যখন দেখে তার হাতে জবাই করা মোষকে গরু বলে চালিয়ে দিচ্ছে দোকান মালিক। মোষের মাংস একটু গাঢ় লাল, স্বাদ কম - সকলে চেনে না। যারা চিনে অন্য দোকানে পা বাড়ায়। কথা কেউ বাড়ায় না। কশাই বলে কথা।  

প্রথম কয়েকদিন তার খুবই খারাপ লাগে। রক্তের গন্ধ মোটেই সইতে পারে না সে। পুরোদিন কাজ করেও সন্তুষ্টি নেই। ম্যানেজার অকারণে বকাঝকা করে। রাতদশটা পর্যন্ত বসে থাকতে হয়। তার মন খারাপ হয়ে যায়। রাতে চোখে ঘুম আসে না। বার বার জোছনার ছবি চোখে ভেসে ওঠে। ওর জন্যে অকারণে ফিশিং বোটের চাকুরিটা ছেড়েছে সে। স্ত্রীর অহেতুক আতঙ্ক তার মাছ ধরার আনন্দটুকু কেড়ে নিয়েছে। সে বুঝতে পারে জোছনা  অপেক্ষায় আছে - গভীর রাতে ঘুমের ঘোরে বেচারির কোমল হাত মনের অজান্তে বিছানা হাতড়ায়; আনসারকে খুঁজে। আনসারও তেমনটি করে। মাঝে মাঝে রাতটা বেশ বড় মনে হয় । ননীর দোকান - সকাল বিকাল আড্ডা, জাফরের ট্যারা চোখ, হাবিবের খিস্তি খেউড়Í, কমলহরির মুখের ভাঙা চোয়াল সব কিছু বার বার চোখের কোণে ভাসতে থাকে। সহজে ঘুম আসে না।- বিছানাটা শূন্য মাঠের মত বিশাল হয়ে যায়।

ম্যানেজার প্রতিদিন গরু জবাই করার ডিউটিটা তাকে দেয় কেন সে বোঝে না। আগে টেকো মফিজই তা করতো। তার মনের জোর ও গায়ের শক্তি অন্যদের চেয়ে বেশি। সে বয়সে অন্য চারজনের চেয়েও বেশ জোয়ান। বুড়ো কুদ্দুস, টেকো মফিজ ও কানা বখতেয়ার তাগড়া গরুর সঙ্গে কুলিয়ে উঠতে পারে না। এক একটি পা ধরে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকে। গলার মোটা রগটা কাটা হলেই বানের মত লাল রক্ত ছুটে এসে পিচ ঢালা সড়কে গড়িয়ে পড়ে। তারা গরু জবাই করার কাজটা শেষ রাতে ফজরের আজানের আগেই সেরে নেয়। বালতি ভর্তি পানি ঢেলে রক্তটুকু ধুয়ে ফেলে দেয় পাশের ড্রেনে। চারটি পা লাফিয়ে লাফিয়ে চিৎকার করে অবলা প্রাণী - তারপর ধীরে ধীরে জিভটা বার করে; দুচোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে নেতিয়ে পড়ে তেজি ষাঁড়।
হঠাৎ হইশেল। আচানক ধেয়ে আসে ছয়- সাত জন পুলিশ। যথারীতি চম্পট। বুড়ো আর আনসারের কপালে হাতকড়া। একরাত একদিন হাজতবাসের পর একহাজার টাকার মুচলেকা দিয়ে মুক্তি। বশির না থাকলে কতদিন পঁচতে হতো কে জানে? এমনিতেই মহাসড়কে গরু জবাই করা নিষেধ। আরো সেটি ছিল চোরা গরু। বখতেয়ারই নাটের গুরু। গরু চোরদের দালাল।

বুড়োটা এখন একটু বেশি তোয়াজ করে তাকে। তা’ কানা বখতেয়ারের দৃষ্টি এড়ায় না। আনসার কাজে যোগ দেয়ার পর চাপ অনেক কমেছে তার। সে দুইবার আনসারকে বাসায় নিয়ে গেছে; আদর যতœ করে খাইয়েছে।
-“অ বাপ, বুকর ভিতর বড় যন্ত্রণা। আঁর সেলিনারে লই ত চিন্তায় ঘুম ন-আইয়ে। আঁই মরি গেলে বেচারির কী অইব। ইবার কোন কূল কিনারা নাই।” আনসার চুপ করে শোনে। তার মুখ আস্তে আস্তে লাল হয়ে আসে।’
-‘বখতেয়ার ইবারে বিয়া গইত্ত খয়। সেলিনা ইতারে পছন ন গরে। ইতা অমানুষ, মদ খায়, গাঁজার কল্কি ধরি টলটলায়। আঁই আর কি গইরতাম।’
-‘অ, ইতার খতাবাত্রা আঁরও গম ন লাগে। সেলিনারে লই আজে বাজে খত খতা খয়।’
- ‘শালার মদতি কী খয়? আঁর সেলিনারে ইতা কী খয়?’
-‘ইতা অনেরেও গাইল দেয়। এইদিন্না ম্যানেজারের সামনে খইল কী
- ‘ওহ, মাগিরে নিয়া তিন রাইত হোটেলে আছিলাম, এখন নাকি এই কানাইয়ারে আর ভালা নলাগে। তাগড়া বিরিষের খোওয়াব দেখে।’
আনসার আলির এ সব ভালো লাগে না। সে যখন হাঁপিয়ে ওঠে আইয়ুব মুন্সি বীজভা-ারের দিকে তাকিয়ে থাকে। বীজ বিক্রেতা রহমান মুন্সি আনসারকে পছন্দ করে। দুপুরে যখন তারা পালা করে খেতে যায়, ফেরার পথে তাকে দোকানে ডেকে বসায়; চা পান খাওয়ায়। আর আনসারের গ্রামের বাড়িতে যাওযার সময় তাকেও নিয়ে যেতে বলে। মুন্সির বাড়ি সন্দ্বীপ। সে দ্বীপের মানুষের কষ্ট বোঝে। একানব্বইর সাইক্লোনই তাদের ভিটে ছাড়া করেছে। সে ভেসে যাওয়া একমাত্র ভাই রাশেদের কথা বলে ;আর বার বার চোখ মোছে।

সে মাইনে পেয়েছে আজ। একটি নীল ডুরে শাড়ি কেনে আনসার। সে আজ আনমনা। উদাস।
শাপলাপুরের সবুজ মাঠ আর জোছনা ভরা নীল আকাশ আবার তাকে ডাকে। জোয়ারের পানির ছলাৎ ছলাৎ আওয়াজ বুকের ভেতর শুনতে পায়।
আনসার চাকরিটা ছেড়ে দেয়।
বশিরকে দিয়ে বাসের আগাম টিকেট কিনে নেয়।
আইয়ুব মুন্সি বীজভাণ্ডার থেকে বীজ ভর্তি চটের থলেটা রিকশায় তুলে নেয় আনসার। সবুজবিপ্লব নার্সরির দিকে যায়। তারপর স্টেশনের দিকে ফিরে।



লেখক পরিচিতি
মুহাম্মাদ আমানুল্লাহ

১আগস্ট ১৯৬৭ সাল-হোয়ানক,মহেশখালী, কক্সবাজার। নব্বই দশকে লেখালেখির সূচনা- দীর্ঘ বিরতির পর ২০১২ সালে দ্বিতীয় পর্বে প্রত্যাবর্তন । মূলত কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধের পাশাপাশি শিশু সাহিত্য রচনায় অনুরক্ত। 
গবেষণার বিষয়- নদীকেন্দ্রিক উপন্যাসে বাঙালির জীবন। জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো, সমকাল, ইত্তেফাক, জনকণ্ঠ, সংবাদসহ চট্টগ্রামের দৈনিক আজাদী, পূর্বকোণ, পূর্বদেশে তাঁর বিভিন্ন লেখা প্রকাশিত হয়েছে। 
২০১৪ সালের বই মেলায় বেরুচ্ছে দুটো বই-১. কাব্যগ্রন্থ- মায়াবী রোদের ডানা (শুদ্ধস্বর-ঢাকা) ২. শিশুতোষ গল্প- চড়ুইভাতির লালটিপ (শৈলী- চট্টগ্রাম)। 
গবেষণাপত্রঃ নদীকেন্দ্রিক উপন্যাসে বাঙালির জীবন। 
শিক্ষা ক্যাডারে কর্মরত।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন