শুক্রবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৪

গল্পপাঠ আশ্বিন ১৪২১ সংখ্যা


২০১৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেলেন ফরাসী লেখক প্যাট্রিক মোদিয়ানো। তিনি জন্মেছিলেন প্যারিস শহরের উপকণ্ঠে ১৯৪৫ সালে। তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ পর্যায়ে। দখলদার জার্মান বাহিনীর অধীনে ফ্রান্সের মানুষ বেদনাদায়ক নির্যাতনের শিকার হয়েছিল। এই অস্থির সময়ের নির্মম  অভিজ্ঞতার অন্তর্গত ছিলেন মোদিয়ানোর পরিবার। নিজেও যুদ্ধ-পরবর্তী ট্রমার শিকার।  এইসব নিপীড়িত মানুষের দুঃসহ-ভয়াবহ স্মৃতির গল্প নিয়ে সারাজীবন ধরে লিখছেন তিনি। এই স্মৃতিচারণকে তিনি শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন।

মোদিয়ানোর অনেক বই যেন পরস্পরের সঙ্গে কথা বলে, একটি অপরটির প্রতিধ্বনি করে। এসব বইয়ে রয়েছে স্মৃতি, পরিচয় ও অনুসন্ধান। তাঁর লেখা ছোট ছোট বইয়ে নানা বৈচিত্র্যের মধ্যেও ঘুরেফিরে এসেছে একই আখ্যানবস্তু: স্মৃতির কথা, ক্ষয়ক্ষতির কথা, পরিচয়ের কথা, অনুসন্ধানের কথা। তিনি কাউকেই ভুলতে দেবেন না মানবিক বিপর্যয়ের এই কথাবস্তু।    তাঁর এই লেখন-কৌশল  আমাদের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, মন্বন্তর, দেশভাগ, একাত্তরের গণহত্যার মতো ভয়াবহ ব্যক্তিগত- সমষ্টিগত  স্মৃতিকে পরিকল্পিত বিস্মরণের পথ থেকে পুনরুদ্ধার করতে  অনুপ্রেরণা দিতে পারে। প্রকৃতপক্ষে  হয়ে উঠতে পারে বিস্মৃতির বিরুদ্ধে স্মৃতির লড়াই।

গল্পকার-সাংবাদিক অলাত এহসান নোবেল বিজয়ী প্যাট্রিক মোদিয়ানোকে নিয়ে নিচের লেখাটি করে গল্পপাঠের জন্য পাঠিয়েছেন।


অস্থির সময়ের গল্প
রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে সাত চল্লিশের দেশভাগ হয়েছিল। মানুষের জীবনও ভাগ হয়ে গিয়েছিল এ সময়ে। রক্ত দিয়ে এর মূল্য দিতে হয়েছে এবং হচ্ছে উপমহাদেশের মানুষকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে। মানুষ হয়েছে প্রকৃতভাবে উন্মূল।
দেশভাগ নিয়ে গল্প খুব বেশি লেখা হয়নি। লেখা হলেও খুব বেশী প্রচারিত নয় নতুন প্রজন্মের কাছে। দেবেশ রায়ের গল্প প্রতিবেদন ধর্মী।  এই স্টাইলে লেখার ফলে আখ্যান, লেখক, পাঠকের মধ্যে একটি ত্রিভুজাকৃতি দূরত্ব সৃষ্টি করেন। ফলে গল্পের মধ্যে পাঠক ঢোকেন কৌতুহল নিয়ে--গল্পকে নানা কোন থেকে অনুসন্ধান করে দেখতে হয় পাঠককে।
স্বপ্নময় চক্রবর্তী তার গল্পে আখ্যান, লেখক ও পাঠকের মধ্যেকার দূরত্ব ঘুচিয়ে ফেলেন। পাঠকও সেখানে গল্পের অংশ হয়ে ওঠেন। ফলে পাঠক হন সম্মোহিত। স্বয়ংক্রিয়ভাবে গল্পটি তাঁর অস্তি-মাংসা-মজ্জাসহ উন্মোচিত হয়ে ওঠে। 

দেশভাগের একই আখ্যান নিয়ে দুটো গল্প লিখেছেন দেবেশ রায় ও স্বপ্নময় চক্রবর্তী। কিন্তু দুরকম। দুটো গল্পই বিশ্বসাহিত্যের সেরা গল্পের অন্তর্গত হওয়ার পূর্ণ যোগ্যতা রাখে।


প্রশান্ত মৃধার গল্পে দেশভাগের সময় একটি পরিবারের অস্থিরতা, অনিশ্চয়তার বিষয়টি ফুটে উঠেছে। সেলিনা হোসেনের গল্প দেশভাগ পরবর্তী আর একটি অস্থির সময় ভাষা আন্দোলনকে নিয়ে লেখা। পড়ুন অস্থির সময়কে নিয়ে লেখা চারটি অসাধারণ গল্প।


অমর  মিত্র-পাঠ
গেল বার প্রকাশিত হয়েছিল গল্পকার-ঔপন্যাসিক অমর মিত্রের উপন্যাস দশমী দিবসে। মাইকেল মধুসূদন দত্তের কপোতাক্ষকে মূল সূর ধরে তিনটি কালপর্বের সীমারেখা মুছে ফেলে দেশভাগের বেদনাকে চিরন্তন কথায় রূপায়ণ করেছেন। দেশভাগ এবং দশমী দিবস উপন্যাস বিষয়ে অসামান্য আর্তি সম্বলিত একটি গদ্য লিখেছেন অমর মিত্র।
গল্পকার, বিজ্ঞানী দীপেন ভট্টাচার্যও দশমী দিবসে উপন্যাসটির একটি নাতিদীর্ঘ  রিভিউ লিখেছেন। এতদ সঙ্গে সেটাও প্রকাশিত হল।
অমর মিত্র এবং অগ্রজ প্রখ্যাত নাট্যকার, অভিনেতা মনোজ মিত্রন--দুজনে মিলে একটি আত্মস্মৃতিমূলক গদ্য লিখেছেন। নাম-- ভাসিয়ে দিয়ে কপতাক্ষের জলে। চট্টগ্রাম থেকে বইটি পড়ে একটি পাঠ-প্রতিক্রিয়া লিখেছেন গীতা দাস।
গীতা দাসের পাঠ প্রতিক্রিয়া : ভাসিয়ে দিয়েছি কপতাক্ষের জলে


নরেন্দ্রনাথ মিত্র-পাঠ

নরেন্দ্রনাথ মিত্রের জন্ম শতবার্ষিকী ২০১৬ সালের ৩০ জানুয়ারি। তিনি অসামান্য গল্পকার। তাঁর রস গল্পটি কালোত্তীর্ণ হয়েছে। রস গল্পটি এবং গল্পটি নিয়ে দুটো আলোচনা প্রকাশিত হল।




শ্যামল এবং শীর্ষেন্দু প্রায় কাছাকাছি সময়ের লেখক। শ্যামলের লেখা শ্যামল বলেই তার কোনো চরিত্রই বানানো নয়--নিজের অভিজ্ঞতা থেকে এসেছে। সে অভিজ্ঞতা তীব্র ব্যঙ্গ, বিদ্রুপ, হিউমার, দ্বন্দ্ব, দার্শনিকতা,  গুঢ় বেদনা ও আধুনিক মানুষের ভালোবাসায় জারিত হয়ে গল্পে-উপন্যাসে এসেছে। শ্যামলের গল্প ম্যাজিক্যাল এবং তেজী।
শীর্ষেন্দুর গল্প নরম। তিনিও লেখেন এক ধরণের দার্শনিক অভিজ্ঞান থেকে। দুজনেই দু' রকমভাবে আকর্ষণীয়।

গল্প
মিলান ফারাবীর গল্প বলার ষ্টাইলটি ভিন্ন। মসজিদ তৈরির নামে গ্রামের কিছু কুচক্রি মহলের স্বরুপ উন্মোচন করেছেন তিনি। মাসুদ পারভেজ এর গল্প বর্ণনাধর্মী, ছোট্ট একটি গল্পে অনেক টুইষ্ট আছে, যে কারনে এটি প্রকৃতই গল্প হয়ে উঠেছে। মালেকা পারভীন তার আষাঢ়ের তৃতীয় দিন গল্পটি stream of consciousness technique প্রয়োগে লেখার চেষ্টা করেছেন। সম্পর্কের যাদু না থাকলেও ভাষার যাদুতে উপভোগ্য হয়ে উঠেছে সঞ্জয় মন্ডলের গল্প।

পা
স্বপ্নময় চক্রবর্তী একটি  গল্প লিখেছিলেন পা নিয়ে। নাম--মধুদার বাড়ি যাব। মধুদা সাবেক ফুটবলার। এখন কোচ। তাঁর পায়ে গ্যাংগ্রীন হওয়ায় পা কেটে ফেলা হয়েছে। হাসপাতালে আছেন। ওর একটা অদ্ভুত ব্যথা হচ্ছে। যে পা-টা কেটে ফেলা দেওয়া হয়েছে, সেই পায়েরই হাঁটুতে, গোড়ালিতে। হাঁটু নেই, গোড়ালি নেই অথচ ব্যাথা আছে।  অসামান্য গল্প। দীর্ঘ-পটভূমি।   স্বপ্নময় চক্রবর্তী এই গল্পটির এই অংশটুকু পেয়েছিলেন আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের কাছ থেকে। ইলিয়াসের একটি ক্যান্সারাক্রান্ত পা কেটে ফেলে দেওয়া হয় কোলকাতায়। তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন স্বপ্নময়। তখন যে পাটি কেটে ফেলে হয়েছে সেই পায়ে ইলিয়াস  মশা তাড়াচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।
সাদিয়া মাহজাবীন ইমাম  'পা' নিয়ে গল্প লিখেছেন ভীন্ন একটি আখ্যান নিয়ে। মর্মভেদী এ গল্প।



গল্প

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------
গল্পের মধ্যে রহস্য সৃষ্টি করতে পারা সহজ নয়। সে অর্থে গল্পকারের হাতে থাকতে হয় ম্যাজিসিয়ানের মতো ক্ষমতা। একটি আখ্যান দক্ষ হাতে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়  চরিত্র, দ্বন্দ্ব, সংঘাত, টেনশন, ক্লাইমেক্স , টুইস্ট সৃষ্টির মধ্যে দিয়ে। পাঠককে মন্ত্রমুগ্ধ করে গল্প বলার  এই অসামান্য ক্ষমতা সাগর রহমান অর্জন করেছেন। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, শহীদুল জহির ঘরানার উত্তরাধিকার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার মত যোগ্যতা আছে এই নবীন গল্পকারের।

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------
গল্প
এ সময়ের গল্প নিয়ে খুব হতাশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের তরুণ গল্পকার জয়দীপ দে। তিনি এবারের ঈদ সংখ্যা কিনে পড়েছেন। পড়ে বলেছেন--এই সংখ্যাগুলোতে যেসব গল্প-উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছেন সেগুলোর মধ্যে গল্প খুঁজে পাওয়া যায় না। শুধু বর্ণনার ঘনঘটা। অভিযোগের মধ্যে সত্যতা আছে। এর প্রধান কারণ হল--এখনকার গল্পকারদের পুর্বসূরীদের সেরা গল্পপাঠে অবজ্ঞা, বিদেশী গল্পপাঠের প্রতি অনীহাএবং নির্মাণ শৈলীর বিষয়ে অজ্ঞতা। সর্বোপরি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে গল্পের উপাদান বেছে নেওয়ার মত দক্ষতার অভাব। এছাড়া একটি গল্প লেখার জন্য যতটা পরিশ্রম, ধৈর্য ও যত্ন  করা দরকার সেটা  এ সময়ের গল্পকারদের মধ্যে অনুপস্থিত। ফলে কোনোভাবেই পরিণত ও পূর্ণ লেখা পাওয়া যাচ্ছে না। 
তবে আবার অনেক তরুণই এ খরাকে মেনে নিচ্ছেন না। তাদের লেখায় প্রকৃত লেখার আভাষ পাওয়া যাচ্ছে।

গল্পের আলোচনা

হাসান আজিজুল হক-পাঠ

হাসান আজিজুল হক বাংলা সাহিত্যের সেরা কথাশিল্পী। শুধুমাত্র গল্প লিখে তিনি উভয় বাংলার সেরা কথা সাহিত্যিকের মর্যাদা পেয়েছেন। রবীন্দ্রনাথের হাতে জন্ম নিয়ে বাংলা ছোটগল্প প্রায় এক শতাব্দীর পথ পাড়ি দিয়ে আজ কী উৎকর্ষ অর্জন করেছে তা দেখতে অবশ্যই হাসান আজিজুল হকের গল্পগুলোর দিকে তাকাতে হবে।

গল্পপাঠের এ সংখ্যায় হাসান আজিজুল হকের একটি গল্প, সে গল্পটির উপর আলোচনা এবং তার একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হলো। ভবিষ্যতে বাংলা সাহিত্যের সেরা কথাসাহিত্যিকদের নিয়ে গল্পপাঠের এরুপ আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

কবির লেখা গল্প 
কবিতার মধ্যে মাঝে মাঝে গল্প থাকে। আবার কোনো কোনো গল্পের মধ্যেও কবিতা থাকে।  তবে কবিতার বেলায় ছন্দ, পঙতি ও স্তবকের মধ্যে দিয়ে মূলত ভাববস্তুর প্রকাশ হয়ে থাকে। এমন কি ভাব বা চিন্তার পূর্ণতাও কবির লক্ষ্য নয়।  কবিতায় কথা বস্তুর খুব বেশি গুরুত্ব থাকে না। কোনো ব্যক্তি কথকের বদলে একটি কণ্ঠ শব্দের অর্থের বদলে ধ্বনি মাধুর্যের সর্বোচ্চ প্রকাশ ঘটায়। ফলে কবিতার শব্দ প্রচলিত শব্দের চেয়ে আলাদা হয়ে অঠে। সেখানে বিবরণী নয়--ভাবের ঘনত্বই প্রধান। পূর্ণ কোনো বাক্যও কবি এড়িয়ে চলতে পারেন।
একটি গল্প ভাববস্তুর চেয়ে কথাবস্তুর পূর্ণ প্রকাশ ঘটায়। ফলে সেখানে পূর্ণ বাক্যে প্যারাগ্রাফের সমন্বয়ে আখ্যান, চরিত্রায়ন, দ্বন্দ্ব, সংঘাত, ক্লাইমেক্স, চমক,  সেটিং এর মধ্যে দিয়ে একটি গল্প নির্মিত হয়। সেখানে বিবরণীই প্রধান। এবং নির্দিষ্ট কথক আছেন। তিনি পূর্ণ চিন্তার প্রকাশ ঘটান।
এই সব দিক বিবেচনা করলে দেখা যাবে কবির গল্প অকবি-গল্পকারের গল্পের চেয়ে ভীন্নতর কোনো নির্মাণ।

লেখালাখির টিপস
গল্প লেখার জন্য গল্পকারের তীক্ষ্ণ চোখ থাকতে হয়। একটি ঘটনাকে নানাজনে নানা চোখে দেখেন। নানাভাবে বোঝেন। নানা কোণ থেকে আলো ফেলে বিচার-বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করেন। একে  ভিউ পয়েন্ট বলে। এই ভিউ পয়েন্টের কারণেই একটি পুরনো আখ্যানও নতুন হয়ে ওঠে। কেউ কেউ একে গল্পের পারসপেকটিভও বলে থাকেন।    ধরা যাক-- একটি লোক রাস্তার পড়ে আছে। কেউ দেখেন--লোকটি অসুস্থ হয়ে পড়েছে। কারো চোখে হয়তো লোকটি গাড়ির আঘাত পেয়েছে-- এক্সিডেন্ট করেছে। কেউ হয়তো ধরে নেন কোনো দস্যু তাকে মেরে ফেলে গেছে। অন্য কারো চোখে হয়তো লোকটি নির্জন পথে শুয়ে পড়ে পথচারীদের ধোঁকা দিচ্ছে। তার কাছে কেউ সাহায্য করতে এগিয়ে এলেই লাফিয়ে উঠে ছুরি ধরে ছিনতাই করতে চাইবে। অথবা লোকটি হয়তো রাস্তার ইঞ্জিনিয়ার। মেরামতি কাজের কোনো মেজারমেন্ট করে নিচ্ছে।   কেউ বা ফান করছে।   এই রকমভাবে একটি ঘটনা দৃষ্টি-কোণ ভেদে বদলে যায়। সত্যের  নতুন উন্মোচন ঘটে। এই উন্মোচনই গল্পকারের শক্তি।
এটা নিয়ে লিখেছেন--সাজেদা হক

বোর্হেস-পাঠ
হোর্হে লুইস বোর্সের গল্প থেকেই প্রথম ম্যাজিক রিয়ালিজম শব্দটি কথাসাহিত্যে ব্যবহৃত হতে শুরু করে। সে সময়ে সাহিত্যে রিয়ালিজম এবং নাচারালিজম ধারাই ছিল মূখ্য। 
বোর্হেস জন্মেছিলেন আর্জেন্টিনায়। লিখতেন স্পানিশ ভাষায়। তাঁর লেখার মূল বৈশিষ্ট্যই ছিল অবাস্তবতার চরিত্র-চিত্রণ, দার্শনিকতা ও ফ্যান্টাসীর অসামান্য ব্যবহার। বোর্হেসের একটি সাক্ষাৎকার গল্পকার-অনুবাদক এমদাদ রহমান অনুবাদ করেছেন গল্পপাঠের জন্য। কোলকাতা থেকে তাঁর তিনটি ক্ষুদে গল্প পাঠিয়েছেন বিকাশ গণ চৌধুরী। এছাড়া বোর্হেসের একটি আত্মজীবনী, প্রখ্যাত গল্প দা আলেফ  এবং প্রবন্ধ একই সঙ্গে পত্রস্থ হল।

হোর্হে লুই বোর্হেসের আত্মজীবনী
অনুবাদ : রাজু আলাউদ্দিন 
               রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী

মূলঃ ইউ হুয়া, 
অনুবাদঃ ফজল হাসান

1 টি মন্তব্য: