সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৪

গল্পপাঠ কার্তিক সংখ্যা ১৪২১


গল্পপাঠ ধীরে ধীরে গল্পকার ও পাঠকের প্রিয় ওয়েব ম্যাগাজিনে পরিণত হয়ে উঠছে। এ মাসে লক্ষাধিক পাঠক পড়েছেন। নিজস্ব উদ্যোগে লেখা পাঠাচ্ছেন অনেক নবীন-প্রবীণ লেখক। সবাইকে ধন্যবাদ।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল--অনেক নতুন গল্পকার-আলোচক গল্পপাঠের মাধ্যমেই জীবনে প্রথম লেখা শুরু করেছেন। আবার যারা নিয়মিত লিখছেন নানা পত্রিকায়, প্রকাশিত হচ্ছে যাদের বই-পত্র তাদের লেখার মধ্যেও ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য যাচ্ছে। এটাই গল্পপাঠের টার্গেট। লেখালেখির প্রচলিত ডগমাকে ভেঙ্গে দিতেই চায় গল্পপাঠ।
সে লক্ষ্যে দেশ-বিদেশের অসামান্য গল্প, লেখকের সাক্ষাৎকার, আলোচনা, সমালোচনা, বই পরিচিতি, গল্পের কলকব্জা--লেখালেখির টিপস নিয়মিত প্রকাশ করা হচ্ছে।

এ সংখ্যার আয়োজনে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন দীপেন ভট্টাচার্য, মোমিনুল আজম, এমদাদ রহমান, অলাত এহসান, বনি আমিন, সাজেদা হক, শমীক ঘোষ, শরীফ খিয়াম আহমেদ ঈয়ন, মুহিত হাসান। কবি টোকন ঠাকুরের একটি ছবি প্রচ্ছদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

গল্পপাঠের লেখাগুলো লিঙ্ক আকারে দেওয়া হয়েছে। যে কোনো লেখার ওপরে ক্লিক করুন। তারপর পড়ুন। একটি মন্তব্য রাখুন। যদি ভালো লাগে--তাহলে কেনো ভালো লাগলো, যদি মন্দ লাগে তাহলে কেনো মন্দ লাগলো-- লিখুন। আমাদের ইচ্ছে গল্পপাঠের পাঠকও লেখক হয়ে উঠুক। 
এপিস্টোলারি স্টোরী
চিঠির গল্প 
হৃদয় নিঃসরিত কথা প্রকাশ করার সবচেয়ে উত্তম পথ হলো 'চিঠি'। চিঠির ভালো দিক হলো এটি চির নতুন এবং বারবার পড়ে উপভোগ করা যায়। পত্রসাহিত্য সাহিত্যের এক রসঘন ধারা। বিখ্যাত ঔপন্যাসিক মার্ক টোয়েন তার হবু স্ত্রীকে চিঠিতে লিখেছিলেন, 'প্রিয় লিভি, তুমি সুন্দর ... তোমার বিশাল হৃদয়ে আমাকে ছোট্ট একটি ঘর দাও... যদি আমিতা পেতে ব্যর্থ হই তবে সারা জীবন ঘরছাড়া যাযাবর হয়ে থেকে যাব।' চিঠির এই ভাষাই পরে তাকে কাঙ্ক্ষিত ভালোবাসার মানুষকে পেতে সফল করেছে।

আবার মৃত্যুর আগে নোট লিখে গেছেন ভার্জিনিয়া উলফ--আমার মনে হচ্ছে, আমি আবার পাগল হয়ে যাচ্ছি। আরেকটি ভয়ঙ্কর সময়ের মধ্যে দিয়ে আমরা যেতে পারি না। এই সময়ের হাত থেকে পাওয়ার উপায় নেই। আমি দূর থেকে বহু আর্তনাদ শুনতে পাচ্ছি।
এটাও চিঠি। চিঠির মধ্যে দিয়ে  বলা গল্প। একে Epistolary Story বলে। গল্পে চিঠি ব্যবহারের উদ্দেশ্য দুটো--১. গল্পকে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলা। ২. একই গল্পে কথক হিসেবে বহু উত্তম পুরুষ বা 'আমি'কে সার্থকভাবে ব্যবহার করা।
বাংলাভাষায় এই Epistolary Story-কে পত্র গল্প বা চিঠি-গল্পও বলা হয়ে থাকে। গল্পপাঠের এ সংখ্যায় বেশ কয়েকটি Epistolary Story গল্প প্রকাশিত হল। কয়েকটি গল্পের আলোচনা, পাঠ-প্রতিক্রিয়া ও গল্পকারের গল্পটি নির্মাণের কথা সংযুক্ত করা হল।

বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প স্ত্রীর পত্র কালোত্তীর্ণ। যেখানে নায়িকা মৃণাল পুরুষতন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়; নারীর প্রতি স্বামীর পরিবারের অবহেলা, সংসারের সিদ্ধান্তে স্ত্রীর অংশগ্রহণকে মেনে না নেয়া ইত্যাদির বিরুদ্ধে প্রায় প্রতিবাদ করেই সংসার ছেড়ে চলে যায়। এই চলে যাবার সিদ্ধান্ত পত্রের মাধ্যমে সে তার স্বামীকে জানায়।এই গল্পে মৃণাল গ্রামের মেয়ে হয়েও আধুনিক, রুচিশীল ও ব্যক্তিত্বসম্পন্না।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর গল্প-স্ত্রীর পত্র
পাঠ-প্রতিক্রিয়া : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্ত্রীর পত্র পড়ে
দীপেন ভট্টাচার্য


শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়ের গল্প শ্যামল। ভাষা সুন্দর। জীবনকে তিনি উন্মোচন করেন এন্টি-ক্লাইমেক্সের মধ্যে দিয়ে। কোলকাতায় বসবাসরত  এক প্রবীন কবি কাম গল্পকার ব্যক্তিগত জীবন, দেশভাগের অসাহয়তার কথা বলে তিনি তার  ছেড়ে আসা গৌরনদীর কয়েকটি মুসলমান মেয়ের সঙ্গে  পত্র-যোগাযোগের ডকুমেন্টস দিচ্ছেন। পাঠককে ধীরে ধীরে যে মাধুর্যের আখ্যানে শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় টেনে নিয়ে চলেছেন, প্রচলিত দ্বন্দ্ব-সংঘাতের উন্মেষ ঘটাচ্ছেন--উত্তেজনার শীর্ষে নিয়ে যাচ্ছেন, একটি আকাঙ্ক্ষিত পরিণতির জন্য   পাঠকের প্রস্তুতি-পর্ব তৈরী হয়ে যাচ্ছে-- ঠিক সেই সময়েই গল্পকার শ্যামল সব কিছু ভেঙ্গে-চুরে নতুন দ্বন্দ্বের সূচনা করছেন যা পাঠককে বিমূঢ় করে--বিরক্ত করে--ভীন্নতর দার্শনিক মীমাংশার দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। এর তুল্য গল্প খুব বেশি নেই।

শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়ের গল্প : তেওটা তালে কনসার্ট

গল্পটি কিছু নয়--৩৩টি চিঠি মাত্র। ছোট ছোট চিঠি। প্রেরক একজন কনটাক্টর বা ঠিকাদার। প্রাপক গ্রামের উদ্যমী যুবক, এমপি, ইঞ্জিনিয়ার, ঠিকাদারের সহযোগী।
চিঠিগুলোর মধ্যে দিয়েই একটি নিটোল মনোমুগ্ধকর দূর্নীতির গল্প বলছেন রমাপদ চৌধুরী।

গল্পকার নিজে কিছু বলছেন না। কোনো ভনিতা বা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ দিচ্ছেন না। চিঠির মধ্যে গল্পের বাইরে একটি বাড়তি শব্দ নেই। আবার এগুলো যে ব্যক্তিগত চিঠি--সরকারী ডকুমেন্ট নয়, এটাও কখনো ভোলেননি। ছোটোখাটো ডিটেইলস। কিন্তু আখ্যানে নিঁখুত। এতো অসামান্য গল্প বাংলা সাহিত্যে দ্বিতীয়টি খুঁজে পাওয়া কঠিন। গল্পটির কলকব্জা নিয়ে গল্পকার অনুবাদক অলাত এহসানের লেখাটিও পড়ুন।

আলোচক : অলাত এহসান

শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের গল্প মায়াময়। আর যাদু আছে তার হাতে। ছোট ছোট করে বহুমাত্রিক জীবনকে তিনি নানাভাবে লেখেন। লেখার মধ্য দিয়ে উন্মোচিত হয় জীবনের মহৎ কোনো সত্য। তার পাঠক হয়ে ওঠেন সম্মোহিত।
উকিলের চিঠি গল্পটিতে একটি  চিঠি ব্যবহার করেছেন শীর্ষেন্দু। সেই চিঠিটি ব্যবহার করেছেন ভেঙ্গে ভেঙ্গে। দু একটি বাক্য নিয়ে। তার মধ্যে চিঠির পাঠিকার প্রতিক্রিয়া রেখেছেন। চিঠির ভাষা সহজ সুন্দর। সেকালের নিম্নমধ্যবিত্ত শিক্ষিত বেকার শ্রেণীর মানুষের উপযোগী ভাষায় লেখা এই চিঠিটি।
গল্পে যে অনাহারী-ছিন্নমূল মানুষের গল্প দিয়ে শুরু করেছেন--বিস্তারও করেছেন তাদের খিদে আর বাস্তু-সন্ধানের হাহাকার, শেষদিকে এসে যখন চিঠিটি এসে  যুক্ত হল তখন গল্পটির মোড় ঘুরে গেল। আবিস্কৃত হল উকিল নিজেও এই ছিন্নমূলেরই অন্যতম। মাত্র তিন পৃষ্ঠার গল্পে অসংখ্য গল্পের সমাহার আছে।   এই চমকটি পাঠককে স্তব্ধ করে দেয়। পড়ুন--


অমর মিত্র ভিন্ন ধারার কথাশিল্পী। সমকালকে পুরাকালের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার অসামান্য কারিগর তিনি। তাঁর হাতে কালের ব্যবধান ঘুচে যায়। তিনি অনায়াসে দেখান-- মানুষের মৌল সত্যের কোনো পরিবর্তন হয় না। জীবনের দ্বন্দ্বের ক্ষেত্রটি একই থাকে--প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তর সে দ্বন্দ্বকে বহন করে মাত্র।   আমরা নানা কায়দায় তার পুণর্বয়ান পাঠ করি মাত্র। ফলে অমর মিত্রের গল্প-উপন্যাস হয়ে ওঠে বাস্তবতার উল্টোপিঠে যাদু-বাস্তবের দোলাচাল। তিনি একে বলেন ফ্যান্টাসী। তবে তিনিই বাংলা ভাষার সার্থক গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ।
বাংলাদেশ-ভারতে বেশ কিছু ছিটমহল আছে। তার অধিবাসীদের অভিশপ্ত জীবন নিয়ে লিখেছেন 'যুদ্ধে যা ঘটেছিল' গল্পটি। গল্পটিতে একটি আবেদন পত্র রয়েছে। সেটাই মূল গল্প। নিচে লেখক টিকা সংযোজন করেছেন মাত্র। গল্পটি আখ্যান আর অমর মিত্রের অসামান্য ভাষা আমাদের বোধের আকাশকে ফুঁটো করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। বাংলা সাহিত্যের ভাণ্ডারে এই গল্পটি অসামান্য একটি নির্মাণ।  পড়ুন--


স্বপ্নময়  চক্রবর্তীর দেশের কথা নামে গল্পটি দেশভাগের  আখ্যান--দাঙ্গার আখ্যান--নাড়ি ছেঁড়া মানুষের গল্প। স্বপ্নময় এই গল্পে ২০ টি চিঠির কথা বলেছেন। আর দুজন মানুষের তিনটি চিঠি ব্যবহার করেছেন।
শেষদিকে তিনি আরেকটি চিঠির গল্প তুলে দিয়েছেন। চিঠিটি গোপনে লিখেছেন ৪৬ সালের দাঙ্গায় পাকিস্তানে অবরুদ্ধ এক হিন্দু গৃহবধু। প্রাপক এক মুসলমান যুবক যার বাড়িতে তিনি আশ্রয় নিয়ে আছেন। সেই দুর্যোগের সময়কার চিঠি। প্রাপকের হাতে পৌঁছেনি। যিনি পেশায় ছিলেন চিঠি-লেখক সেই ফজল আলী চিঠিটি দীর্ঘ ৪০ ধরে সংরক্ষণ করে রেখেছেন। এ-এক আলো-আঁধারী যাদুর গল্প।

স্বপ্নময় চক্রবর্তী'র গল্প : দেশের কথা

নির্মলেন্দু গুণ বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান কবি। গল্প খুব বেশি লেখেননি তিনি।  তবে গল্পকার হিসেবেও তিনি শক্তিশালী। গল্প লিখতে বসে তার কবিসত্বাকে অনায়াসে সরিয়ে রাখতে সক্ষম। এটাই তাঁর শক্তির প্রধান দিক। তাঁর গদ্য স্বাদু। এক ধরনের রম্যতা তার গদ্যে সুষমা প্রদান করে।
হরিদাস কর মারা গেল' গল্পটি নির্মলেন্দ গুণ লিখেছিলেন ১৯৬৮ সালে। গল্পটি কয়েকটি চিঠির সংকলন মাত্র। চিঠি লেখক দুজন। একজন সোনালী নামের তরুণী। সে থাকে পশ্চিম বঙ্গে। তার বড় দাদাকে নিয়ে দেশ ছেড়ে চলে গেছে। চিঠি লিখেছেন সোনালী পূর্ব পাকিস্তানে অবস্থানরত উদ্বিঘ্ন বাবা সুখেন্দু গুনকে। সুকেন্দু গুণকেও আরেকজন বয়স্ক মানুষও চিঠি লিখছেন। দেশত্যাগী অসহায় মানুষের হাহাকার উঠে এসেছে স্নেহ আর শ্রদ্ধার আখ্যানের মধ্যে দিয়ে।

নির্মলেন্দু গুণের গল্প : হরিদাস কর মারা গেলেন



এ সময়ের নামী গল্পকার শাহাদুজ্জামান। তিনি তাঁত গল্পে নানা ডকুমেন্ট ব্যবহার করে এক ধরনের ডকু-ফিকশনের নির্মাতা হিসেবে পরিচিত হয়েছেন। তাঁত ক্রাচের কর্ণেল উপন্যাসটি এই ডকুফিকশনের অন্যতম কীর্তি।
মিথ্যা তুমি দশ পিঁপড়া গল্পটিতে শাহাদুজ্জামান কথক হিসেবে নিজের কোনও বর্ণনা ব্যবহার করেননি। সরাসরি তিনটি চিঠি ব্যবহার করেছেন।

শাহাদুজ্জামানের গল্প : মিথ্যা তুমি দশ পিপড়া।






হরিশংকর জলদাসের গল্প 'কিরকমভাবে বেঁচে আছি' আসলে একটি চিঠি। পিতা লিখেছেন পুত্রকে। স্বচ্ছল পিতা তার অবিশ্বাসে ভরা দাম্পত্য সম্পর্ককে নিপূণভাবে তুলে ধরেছেন চিঠিতে।

হরিশংকর জলদাস এর গল্প-কিরকমভাবে বেঁচে আছি



সাগুফতা শারমীন তানিয়া  প্রবাস জীবনের অস্থিরতা জানিয়ে চিঠি লিখেছেন লুনাকে। উপমার ব্যঞ্জনায় ভরা কি নরম তুলতুলে সে চিঠির ভাষা। চিঠির প্রতিটি বাক্যে আছে দেশের প্রতি অপরিসীম মমত্ববোধ, ভাললাগা-ভালবাসা প্রাপ্তির আকুতি। এটি কোন চিঠি নয়, চিঠির ভেতর থেকে বেরিয়ে আসা পরিণত একটি গল্প। পড়ুন চিঠির আদলে লেখা দুটি অসাধারণ গল্প!


১. সাগুফতা শারমীন তানিয়া'র গল্প-লুনার কাছে চিঠি
২. গল্প লেখার গল্প : লুনার কাছে চিঠি



এপিস্টোলারি স্টোরী


আলোচক : দীপেন ভট্টাচার্য

সাজেদা হক

পত্র-গল্প
সুদেষ্ণা দাশগুপ্ত


গল্প

দীপেন ভট্টাচার্য পেশায় বিজ্ঞানী। নেশায় গল্পকার। অসামান্য গল্প নির্মাণের হাত তাঁর। তিনি লিখেছেন নিয়নের বাতি নামের স্বল্পায়তনের গল্প। কিন্তু একই গল্পের মধ্যে বহু গল্পের ইশারা বুনে রেখেছেন। এবং প্রতিটি ইশারাতেই তিনি এমনভাবে বাঁক নির্মাণ করেন যে পাঠকের কোনো পূর্ব-অনুমানই ধুলিসাৎ হয়ে যেতে বাধ্য। এই গল্প ভাষাটি নতুন। গল্পের সঙ্গে দীপেন ভট্টাচার্যের গল্প নিয়ে আলাপ সংযুক্ত হল।


লেখালেখির টিপস
সাজেদা হক

অনুবাদ গল্প
অনুবাদ : মোজাফফর হোসেন

অনুবাদক : বিকাশ গণ চৌধুরী

অনুবাদ সুদর্শনা রহমান

এমদাদ রহমানের আয়োজন
গল্পকার এমদান রহমান বাড়ি সিলেটে। থাকেন লন্ডনে পড়াশুনা ও পেশার সূত্রে। কিন্তু লেখালেখির জন্য থাকেন জগৎজুড়ে। তিনি অনুবাদ করেন। তার নিজের একটি মাধুর্যময় গুরুগম্ভীর ভাষা আছে।
এমদাদ রহমান গল্পপাঠের জন্য গল্প লেখেন। বিশ্ব-খ্যাত লেখকদের সাক্ষৎকার অনুবাদ করেন। এখন শুরু করেছেন লেখকদের নোটবুক অনুবাদ করা। আলবেয়ার কামু'র নোটবুকটি ধারাবাহিকভাবে চলবে।

১.মামাঙ দাই-এর গল্প : ডিমের মত
২. মুকারামি'র সঙ্গে আলাপ : লেখালেখিকে মনে করুন এক অন্ধকার ঘরে যাওয়ার মত ব্যাপার।
লেখকের নোটবুক

এবার বুকার জয় করলো ৫৩ বছর বয়সী অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়ান লেখক রিচার্ড ফ্ল্যানাগান। ২০১৪ সালের আগে বৃটেন, কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্রসমূহ, জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ডের লেখকরা এ পুরস্কার পেতেন। এই পুরস্কারের ৪৬ বছরের ইতিহাসে এ বছরই প্রথমবারের মতো সাহিত্যিকের জাতীয়তা বিবেচনা করা হয়নি। এ নিয়ে একটি লেখা করেছেন গল্পকার অলাত এহসান।

ম্যান অফ বুকার পুরষ্কার ২০১৪
‘দ্য ন্যারো রোড টু দ্যা ডিপ নর্থ’
যুদ্ধের সংকীর্ণ পথ থেকে জীবনের হাই ওয়ে
অলাত এহসান

অমর মিত্র
সাক্ষাৎকার গ্রহণে : মুহিত হাসান 



ধারাবাহিক : উপন্যাস

গোরা নকশাল
কল্লোল লাহিড়ী




আহমেদ খান হীরক




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন