বুধবার, ১৩ মে, ২০১৫

গল্পপাঠ জ্যৈষ্ঠ সংখ্যা ১৪২২


এ সময়কালের মধ্যে চলে গেলেন গুন্টার গ্রাস। তিনি লিখেছিলেন--এখন সব কিছুকেই নজরদারিতে রাখা হয়েছে। কোনো কিছুই এই নজরদারির বাইরে নেই। মানুষের চেয়ে এখন দেওয়াল লিখনই সেরা স্মৃতি।

এই স্মৃতিকেও বিস্মৃতির নিচে চাপা দেওয়া হচ্ছে। এ সময়ের মানুষের সংগ্রাম হল বিস্মৃতির বিরুদ্ধে স্মৃতির লড়াই। মানুষের দিকে ফেরার সময়।

এ সংখ্যায় গুন্টার গ্রাসকে নিয়ে একটি বিশেষ আয়োজন করা হল। অচিরেই গুন্টার গ্রাসের দীর্ঘ সাক্ষাৎকারের পূর্ণ অনুবাদ ও একটি বিশেষ লেখা গল্পপাঠে প্রকাশিত হবে।
এই সংখ্যাটি  যারা পিডিএফ আকারে পড়তে চান তারা পিডিএফ লিঙ্ক থেকে ডাউনলো্ড করে নিন। পিডিএফ লিঙ্ক


কথাসাহিত্যিক সুচিত্রা ভট্টাচার্য চলে গেলেন ১২ মে, ২০১৫। বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। জন্মেছিলেন বিহারের ভাগলপুরে। কলকাতায় লেখাপড়া করেন। শুরুতে সরকারি চাকরী করতেন। কিন্তু লেখালেখি করার জন্য চাকরী ছেড়ে দেন। লিখেছেন গল্প ও উপন্যাস।
সমকালীন সামাজিক ঘটনাগুলির ওপর ভিত্তি করে তাঁর কাহিনীগুলি রচিত হয়। শহুরে মধ্যবিত্তদের ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন, বর্তমান যুগের পরিবর্তনশীল নীতিবোধ, বিশ্বায়নের প্রেক্ষাপটে নৈতিক অবক্ষয়, নারীদের দুঃখ-যন্ত্রণা তাঁর রচনাগুলির মূল উপজীব্য ছিল। প্রায় সাড়ে তিন দশক ধরে তিনি বহু ছোট গল্প ছাড়াও চব্বিশটি উপন্যাস রচনা করেছেন। দহন নামক তাঁর একটি বিখ্যাত উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে চলচ্চিত্র নির্মাতা ঋতুপর্ণ ঘোষ ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে একই নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।  তাঁর অন্যতম উপন্যাস-- কাছের মানুষ, দহন, কাঁচের দেওয়াল, হেমন্তের পাখি। সুচিত্রা ভট্টাচার্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।


গল্প
পরশুরাম : যদু ডাক্তারের পেশেন্ট

ক্যালকাটা ফিজিসার্জিক ক্লাবের সাপ্তাহিক সান্ধ্য বৈঠক বসেছে। আজ বক্তৃতা দিলেন ডাক্তার হরিশ চাকলাদার, এম ডি, এল আর সি পি, এম এম আর সি এস। মৃত্যুর লক্ষণ সম্বন্ধে তিনি অনেকক্ষণ ধরে অনেক কথা বললেন। চার পাঁচ ঘণ্টা শ্বাস রোধের পরেও আবার নিশ্বাস পড়ে, ফাঁসির পরেও কিছুক্ষণ হৃৎস্পন্দন চলতে থাকে, দুই হাত দুই পা কাটা গেলেও এবং দেহের অর্ধেক রক্ত বেরিয়ে গেলেও মানুষ বাঁচতে পারে, ইত্যাদি। অতেব রাইগার মর্টিস না হওয়া পর্যন্ত, অর্থাৎ দ্বিজেন্দ্রলালের ভাষায় কুঁকড়ে আড়ষ্ট হয়ে না গেলে একেবারে নিঃসন্দেহ হওয়া যায় না। (বিস্তারিত)

আবদুল মান্নান সৈয়দ কবি, প্রবন্ধকার ও গবেষক। তিনি এক সময় গল্পও লিখেছেন অনেক।  তাঁর উল্লেখযোগ্য  গল্পগ্রন্থ হলত- সত্যের মত বদমাস, চল যাই পরোক্ষে এবং মৃত্যুর অধিক লাল ক্ষুধা। এর মধ্যে সত্যের মত বদমাশ প্রকাশিত হয় ১৯৬৮ খৃস্টাব্দে। অশ্লীতার অভিযোগে তৎকালীন সরকার কর্তৃক এ গ্রন্থটি নিষিদ্ধ হয়। তাঁর বহুল আলোচিত দুটি উপন্যাস হলো পরিপ্রেক্ষিতের দাসদাসী, অ-তে অজগর। তাঁর গল্প-উপন্যাসে মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ প্রাধ্যন্য পেযেছে। বলা হয়েছে, "ষাটের গল্পকারদের মধ্যে আবদুল মান্নান সৈয়দ সবচেয়ে বেশি প্রাতিস্বিকতাবিলাসী শিল্পী। আত্মজৈবনিক অভিজ্ঞতার গল্পভাষ্য নির্মাণে তিনি সিদ্ধহস্ত। বিষয়াংশ এবং প্রকরণের অভিনবত্বে তাঁর গল্পসাহিত্য বিশিষ্টতার দাবিদার। তবে, প্রথম পর্বের গল্পে, কনটেন্ট ও ফর্মে, আরোপিত উপাদান গল্পের মূলস্রোতের সঙ্গে জৈবসমগ্রতায় একাত্ম হতে পারেনি। বিচ্ছিন্নতা ও নির্বেদের যন্ত্রণায় তাঁর অধিকাংশ নায়ক পীড়িত ও পর্যুদস্ত। প্রতীকী এবং পরাবাস-ববাদী পরিচর্যা আবদুল মান্নান সৈয়দের ছোটগল্পের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। প্রথম পর্বের গল্পের ভাষারীতিতে আরোপিত আধুনিকতা দ্বিতীয় পর্বে পরিত্যক্ত হয়েছে; ফলে, গল্পস্রোত হয়েছে অনেক বেশি সাবলীল ও স্বচ্ছন্দ।"
আবদুল মান্নান সৈয়দের গল্প: 
সত্যের মতো বদমাশ




বিপুল দাসের গল্প--

পরিমল একটা বাইক কিনবে। পরিমল এখন সাইকেল চালায়। বাইক কিনবে বলে পরিমল টাকা জমাচ্ছে। যদিও দু’একজন তাকে বলেছে বাইকের জন্য ব্যাঙ্ক-লোন পাওয়া এখন জলভাত। লোন দেওয়ার জন্য ওরা হন্যে হয়ে লোক খুঁজে বেড়ায়। সে দিন আর নেই, ব্যাঙ্ক-লোন পেতে হাওয়াই চটির ফিতে পাল্টাতে হত। তারপর কত রকমের কাগজ জমা দিতে হত। সে বড় হ্যাপা ছিল। পরিমলের মত মানুষ ও পথ মাড়াত না। (বিস্তারিত)
ছোটগল্প, প্রবন্ধ, উপন্যাস, সাহিত্য সমালোচনা ইত্যাদি বহুমাত্রিক সাহিত্য শাখায় সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের পদচারণা সমানভাবে বিস্তৃত। যদিও তিনি নিজেকে বহুমাত্রিক বলতে নারাজ। নিজেকে তিনি এমনকি কথাসাহিত্যিক হিসেবে মানতেও রাজি নন। তিনি নিজেকে কেবল গল্পকথক বলেন। পাঠক মহলে তিনি একজন অনবদ্য ছোটগল্পকার। লেখকের লেখা প্রতিটি ছোটগল্পেই তাই রয়েছে এক ধরনের স্বাচ্ছন্দ্যবোধের ছাপ। তার গল্পের প্রতিটি কাহিনীই প্রতীকাশ্রয়ী ও রূপক বর্ণনা। চলমান প্রতীকায়নে পাঠক কখনও গল্পের মূল কাহিনী থেকে বিচ্ছিন্ন হন না। প্রতিটি গল্পে লেখকের উপস্থিতি আমাদের তার আপন বাস্তবতায় নিয়ে যায়। ফলে আমরাও তার গল্পের পাত্রপাত্রী বনে যাই।
১. সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলামের গল্প
২. তুষার তালুকদারের প্রবন্ধ :  সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের উত্তরাধুনিক ছোটগল্প




এ মাসের সেরা গল্প
দীপেন ভট্টাচার্য  মনোগ্রাহী গল্প বলেন, অতি সহজে রহস্য সৃষ্টি করেন, চমকে দেন, লজিকে থাকেন এবং গল্পের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হাতে রাখেন। আবার পাঠককে নতুন ভাবনায় উস্কে দেন।  হুমায়ূন আহমেদ ও সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের পরে এ ঘরাণার সেরা গল্পকার দীপেন ভট্টাচার্য। 
 দীপেন ভট্টাচার্য প্রতিসরিত প্রতিবিম্ব গল্পটি লিখেছেন চোরদের নিয়ে। কিন্তু চোরদের উপরে কোনো অভিযোগ নেই গল্পকারের। তিনি শুধু দুটি চুরির ঘটনা বলে যাচ্ছেন। বলছেন ছোটো পরিসরে-- বিশ্ব পটভূমিতে। আর এই চুরির পেছনের কার্য-কারণ ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছেন। না, প্রচলিত অপরাধ-প্রপঞ্চে নয়। বৈজ্ঞানিক সূত্রে। অতি নিটোল গল্প। হীরক খণ্ডের মতো দ্যুতিময় পূর্ণ ছোটো গল্প। অসামান্য নির্মাণ। এ গল্প এ সময়ে মেলে না। 

দীপেন ভট্টাচার্যের গল্প
প্রতিসরিত প্রতিবিম্ব

শাহনাজ মুন্নী'র গল্প
কিছু গল্প দরকার

শাহনাজ মুন্নীর গল্পের দিকে তাকিয়ে থাকি। তিনি অল্প আয়াসে যে কোনো বিষয়কে অসামান্য গল্পে পরিণত করতে পারেন।  চেনা মানুষদের হাজির করেন। হাজির করেন চেনা স্থান--কাল। এবং চেনা গল্পই  বলেন। তবে বলেন অচেনা করে। ফলে আমরা আকর্ষিত হই। মুগ্ধ হই। চিন্তিত হই। আরো কিছু গল্পের সন্ধানে বেরিয়ে পড়ি।
শাহনাজ মুন্নী আমাদের দেশের যাদু-বাস্তবের বিরলপ্রজ  নির্মাতা।

নাহার মনিকার গল্প
উছলে পড়ে অন্ধকার
একটি লোক মারা গেছে। তিনি হিন্দু। তার মৃত্যুতে কিছু রহস্য আছে। রহস্য গল্প পড়তে আমরা পছন্দ করি। সহজে আমাদের রোমহর্ষ জাগে। কিন্তু এই মৃত্যু-রহস্য নিয়ে গল্পটি নয়।
গল্পটি শুরু হয় যখন তার সাত পাকে বাঁধা স্ত্রী মর্গে আসে। তিনি এসে দেখতে পান মৃত লোকটিকে স্বামী দাবী করছে আরেকজন মহিলা। তিনি হিন্দু নন--মুসলমান। লোকটির ধর্ম-পরিচয় নিয়ে শুরু হয় একটি অচেনা মর্মভেদী গল্প। গল্পটি বর্ণিত হয়েছে এই তিনজনের বয়ানে। লিখেছেন নাহার মনিকা। শুরুতে তিনি ছিলেন কবি। এখন পুরোপুরি গল্পকার। নম্র তাঁর ভাষা।
গল্পটি যখন পাঠ করি, তখন বাংলাদেশের গল্পের রোগা চেহারা দেখে যে হতাশা জাগে তা কেটে যায়। বুঝতে পারি--আমাদের কোনো কোনো গল্পকারের হাতে গল্প আছে। যাদুকরের মত এই গল্পের ভেতর থেকে আরেকটি অজানা গল্প বের করে আনতে সক্ষম। এটাই তাঁর শক্তি। এই শক্তি আমাদের মর্মকে জাগায়। (বিস্তারিত)

প্রচলিত ধর্ম-বিশ্বাস, কিংবদন্তি এবং বিজ্ঞানের মিশেল নিয়ে গল্প 'যে আগুন'। স্বকৃত নোমানের ভাবনার মধ্যে কোনো সংশয় নেই। বিজ্ঞান, দর্শন, রাজনীতি, পুরাণ, কিংবদন্তি, ধর্ম-অধর্ম নিয়ে তার ধারণা স্বচ্ছ। এক ধরনের কমিটেড লেখকও তিনি। এ ধারায় তিনি তরুণদের মধ্যে সামনে এগিয়ে আছেন।  তিনি মূলত ঔপন্যাসিক। তবে গল্পের ভেতরেও তাঁর মুন্সিয়ানা আছে। পড়ুন--
স্বকৃত নোমানের গল্প :   
যে আগুন

বোধিসত্ত্ব ভট্টাচার্যের গল্প


কলকাতার ভিতর দিয়ে সরু শিরা হয়ে চলে যাওয়া একটি রেলস্টেশনে বিকেল থেকে বসেছিলাম আমি। ট্রেন আসার কথা অনেকক্ষণ। আসেনি। কি একটা ঝামেলা হয়েছে, অবরোধ টবরোধ। বিকেলের গায়ে শ্যাওলা জমছে ধীরে। তিনটে সিগারেট শেষ হয়েছে এর মধ্যে। এক প্যাকেট বাদাম। একটা কলা। (বিস্তারিত)



জয়দীপ দে'র গল্প 

মাঝে মাঝে মানুষের বুদ্ধি দেখে ভাবি- ধ্যাৎ, এতো বড়ো হলাম কেন? আবার মাতৃগর্ভে ফিরে যাই। এ বুদ্ধি নিয়ে এই খেকশিয়ালদের ভিড়ে টিকে থাকা অসম্ভব। এর ওর ল্যাং খেতে খেতে একদিন বেঘোরে প্রাণ হারাতে হবে। তার চেয়ে বরং সময় থাকতে নিরাপদ আশ্রয়ে গিয়ে উঠি। নতুন করে সব শুরু করি। কিন্তু তা তো হবার নয়। (বিস্তারিত)



মোজাফফর হোসেনের গল্প: 
যে গল্পটা লিখেও লেখা হল না

বছরতিনেক আগে মেয়েটির সঙ্গে প্রথম দেখা। স্পষ্ট মনে আছে। তখন আমি রাজশাহী সাহেব বাজারের মোল্লা ম্যাচে থাকি। ছ’তলায় উত্তরমুখি ছোট্ট একটি কক্ষ। মেয়েটি যখন এল তখন রাত তিনটা বাজতে মিনিটসাতেক বাকি। আমি ওর কথা শোনার ফাঁকে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখে নিয়েছিলাম। (বিস্তারিত)



অপরাহ্ন সুসমিতো'র গল্প 
গয়েজউদ্দি



গল্পের সেটিং নিয়ে কথা
সাজেদা হক

গল্পে সেটিং একটি গুরুপূর্ণ বিষয়। এটা ছাড়া গল্প নির্মাণ হয়না। যেমন মানিক বন্দ্যোপধ্যায় 'বিচার' গল্পটি শুরু করেছেন--'প্রকৃতপক্ষে এখনো ভোর হয়েছে বলা যায় না। কৃষ্ণপক্ষের গোড়ার দিকের প্রায় আস্ত চাঁদটার আলো ফ্যাকাশে হয়ে এলেও ভোরের আলোর সঙ্গে মিশে একাকার হয়ে যায়নি।' এখানে টাইম সেটিংটা বলা হচ্ছে। পাঠক এই সবে ভোর হতে থাকা সময়ে রাস্তার দৃশ্যে চলে আসছেন। সেখানে একটি টিউ কলে জল এসেছে। এই সময়ে লোকজনের আরো একটুকাল ঘুমিয়ে থাকার কথা। কিন্তু কিছু লোক জল নিতে কলের কাছে ভিড় করেছে। পাঠক এই রকম একটি নতুন গড়ে ওঠা কলোনীর সেটিংএর মধ্যে নিজেকে ভাবতে পারছেন। অভ্যস্ত করতে পারছেন। গল্পটি বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠছে। (বিস্তারিত)


দেবতনু সান্যাল : একটি রাতের গল্প

কুমারেশ রায়ের বয়স আন্দাজ পঁয়ত্রিশ।ছত্রিশ কিংবা সাঁইত্রিশও হতে পারে।আসলে কুমারেশের চেহারা দেখে তার বয়স বোঝা মুশকিল।গায়ের রং ফরসা,উচ্চতা প্রায় ছ’ফুট,মাথা ভর্তি কোঁকড়ানো চুল।চোখ,মুখ,নাক,কান সব যেন সযত্নে খোদাই করে বানানো।এককথায় সুপুরুষ টাইপ।কুমারেশ এম.এ. পাশ এবং পেশায় অভিনেতা। (বিস্তারিত)


অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী'র 
বৈজ্ঞানিক কল্পগল্প 
দেওয়ালের রঙ ছিল সাদা
মাঝে বহু বছর কেটে গেছে। ও টেরও পায় নি। এয়ারপোর্ট থেকে বেরিয়ে প্রথমেই ফেলে আসা এতো গুলো বছরের পরিবর্তনখুঁজে বার করার চেষ্টা করল সাত্ত্বিক। এয়ারপোর্টের বাইরে বেরিয়ে এসে চুপ করে খানিকক্ষণ দাঁড়িয়ে রইল।

(বিস্তারিত)


শাহীন আখতারের বড় গল্প : 
ক্রসফায়ার

দুলু কে? কোন দুলু? গাল-কাটা দুলাল সর্দাররে আমি চিনি না -- খোদার কসম খাইয়্যা কই...
আমি ঘুমের মধ্যে ষাঁড়ের মতো চেঁচাচ্ছিলাম! তাহলে তো মিনা ভাবী ছুটে এসে গা-ঝাঁকান দিত-- ‘হাদি, এই হাদি, তোমারে বোবায় ধরছে। উঠ-উঠ!’
আমি বিছানা থেকে অন্ধকারে চোরা চোখে তাকাই। আধবোজা কেওয়ারের ওপাশে নীল সমুদ্র। নীলবাত্তি জ্বেলে সোফায় নিঃসাড় ঘুমাচ্ছেন মিনা ভাবী। তার লম্বা শরীরটা শয্যায় আঁটে নাই। (বিস্তারিত)
রফিকুর রশীদের বাড়ি গাংনী মেহেরপুর। সাহিত্যের নানা শাখায়ই তিনি লিখছেন। এ পর্যন্ত লিখেছেন ১০টি উপন্যাস। প্রকাশিত হয়েছে বেশ কয়েকটি গল্পের বই। এ ছাড়া প্রবন্ধ, শিশুসাহিত্য, গান লেখেন। তবে ছোটগল্পই তার প্রধান ক্ষেত্র। তাঁর ভাষা সহজ-সরল। মানুষের সামাজিক সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, দার্শনিক পর্যবেক্ষণ এবং অনুসন্ধানকে গল্পে রূপান্তর করেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধ, গ্রামীণ জীবন-সংস্কৃতি এবং সম্ভাবনাময় মানবসত্ত্বার পরিপূর্ণ বিকাশ তার গল্পের অন্যতম বিষয়। গল্পকার রফিকুর রশীদের সঙ্গে তার গল্পের নানা দিক নিয়ে কথা বলেছেন গল্পকার-সাংবাদিক অলাত এহসান।

গল্পকার রফিকুর রশীদের সাক্ষাৎকার 



গুন্টার গ্রাস স্মরণ

ভেংচি কাটা লোকটা
মাসুদুজ্জামান

গুন্টার গ্রাসের সাথে ডিনার
মূল: লি দানিয়েল ক্রাভেতয্
রূপান্তর: শওকত হোসেন

গুন্টার গ্রাস: 
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর জার্মানির বিতর্কিত ও নন্দিত কলমযোদ্ধার মহাপ্রয়াণ
মনোজিতকুমার দাস

অনুবাদ গল্পঃ
আমার মা
জুদা ওয়াটেন 
অনুবাদ : সুদর্শনা রহমান
হারুকি মুরাকামি :  
অচিন উইলো ও ঘুমন্ত বালিকা
অনুবাদ : রাফিক হারিরি

বই নিয়ে আলোচনা : 
স্বরচিষ সরকার

মুজিব ইরমের গল্প
 বাওফোটা
মুজিব ইরম কবি। তিনি গল্প লেখেন। তবে গল্পকে ঠিক গল্প বলতে চান না। বলেন আউট লেখা। এই লেখাগুলো নিয়ে বই প্রকাশিত হলে নাম দেন--আউট বই।
বাওফোটা গল্পটি বাংলাদেশের প্রচলিত নির্বাচনের আখ্যান নিয়ে লিখেছেন। গল্পে কালো টাকার মালিক, খুনি, মাস্তান, ভাড়াটে নেতা-পাতি নেতা, সাংবাদিক, তরুণ বিপ্লবী, কবি,  বুদ্ধিজীবী, নির্বাচন কমিশনার, দেশের পচে যাওয়া রাজনীতিবিদগন আছেন। আখ্যানের চেয়ে একটি বিবরণীর মধ্যে দিয়ে প্রচলিত ব্যবস্থার প্রতি লেখকের বিবমিশা বাওফোটার মূল কেন্দ্র ও পরিধি।



নতুন গল্পকারের প্রথম গল্প
রাসেল আল মাসুদ

বইপড়া:  
কুলদা রায়

গল্পপাঠ
১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২২ সংখ্যা।
১৩ মে ২০১৫ খ্রীস্টাব্দ।
সম্পাদক : এমদাদ রহমান ও মোমিনুল আজম
প্রকাশক : কুলদা রায়

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন