বুধবার, ২৯ জুন, ২০১৬

গল্পপাঠ ǁ আষাঢ় ১৪২৩ সংখ্যা।। জুন।। ২০১৬ খ্রিস্টাব্দ।। সংখ্যা ৪৩

 ♦ আষাঢ় সংখ্যা বৃষ্টি নিয়ে বের করার ইচ্ছে ছিল, কিন্তু সেভাবে বৃষ্টির গল্প পাওয়া যায়নি। আশা করি আগামী সংখ্যায় বর্ষা নামবে।
 ♦ গল্পপাঠে গল্প প্রকাশিত হয়। কিন্তু গল্পটি কত নম্বরে দেওয়া হলো সেটা নিয়ে কোনও পরিকল্পনা থাকে না। এ ছাড়া আমরা বিশ্বাস করি লেখার শক্তি থাকলে স্থান বিশেষ এবং ভূমিকা বা বিজ্ঞাপনের দরকার হয় না। পাঠক নিজেই লেখাকে খুঁজে নেবেন।
 ♦ অনেক লেখকই খুব আগ্রহভরে গল্পপাঠে লেখা পাঠাচ্ছেন, কিন্তু পাঠাচ্ছেন অসংখ্য ভুলে ভরা লেখা। আমরা বিদেশ বিভূঁইয়ে থাকি। নানা কাজের মধ্য থেকে সময় বের করি কথাসাহিত্যের প্রতি ভালোবাসা বশতঃ-  গল্প পড়ি। গল্প নিয়ে ভাবি। গল্প শেয়ার করি। গল্পকারদের জড়ো করি। ফলে গল্পের প্রতি গল্পকারদের অযত্ন দেখতে পেলে বিব্রত বোধ করি।
 ♦ লেখা তো লেখকের সন্তান। তাকে তিনি সযত্নে লিখবেন। নিখুঁতভাবে সাজাবেন। অনন্য করে তুলবেন। এই কাজটি আমাদের ঘাড়ে চাপানোর আগে অন্তত- বানানগুলো ঠিক করে দিন। প্লিজ।
প্রচ্ছদের ছবি : সৈয়দ ইকবাল। 

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ লেখা

বিমল কর নিগ্রহ গল্পটি লিখেছেন নকশাল আন্দোলনের সময়কার পুলিশি নির্যাতনের আখ্যান নিয়ে। তিনি  সরাসরি গল্পের মধ্যে ঢুকে পড়েন। রক্তমাংসের চরিত্রদেরকে মুখোমুখি দাঁড় করান। বাখতিন কথিত সংলাপ তাঁর আখ্যানের প্রধান অস্ত্র। তিনি শুধু আখ্যান নিয়ে খেলা করেন না, চরিত্র নিয়েও পাঠকের সঙ্গে কুহক-বাজি করেন। ফলে গল্পটি নকশাল আন্দোলনের গল্প থাকে না। হয়ে ওঠে চিরায়ত গল্প। নিপীড়িত সুবোধ নামের লোকটির গল্প নয়, হয়ে উঠে নিপীড়ক গোয়েন্দা লোকটির নানা মুখোশের গল্প।
বিমল করের এই গল্পটি নিয়ে এরকম ভিন্নকোণ থেকে এ সময়ের নন্দিত গল্পকার দীপেন ভট্টাচার্য আলোকপাত করেছেন। গল্পের পাঠ ও বিবেচনার ক্ষেত্রে এই আলোচনাটি নবীন-পাঠক ও লেখকের জন্য একটি মান-নির্দেশক হিসেবে কাজ করবে।
আলোচক  দীপেন ভট্টাচার্য


অসীম রায় সারাজীবনে ৬৩টি গল্প লিখেছেন, ৬৩টি গল্প সব এক-একটি মণি, এক-একটি মুক্তো। কয়েকটি উপন্যাস লিখেছেন, গোপালদেব, রক্তের হাওয়া। এগুলো অবশ্য পাঠ্য। অসীম রায়কে পড়ে জানা যায়--রাজনৈতিক বিষয়, রাজনীতি কীভাবে সাহিত্যের বিষয় হয়ে ওঠে।



বহু বছর আগে, অদিতার বয়স যখন দশ বছর ছিল বাবা মা তাকে চাঁদে নিয়ে গিয়েছিল। তাঁর মা ছিল জ্যোতির্বিদ, বাবা প্রত্নতাত্ত্বিক। চাঁদে অবশ্য প্রত্নতত্ত্বের কিছু ছিল না, কিন্তু চাঁদের বড় মানমন্দির থেকে মা মহাকাশ পর্যবেক্ষণ করতেন। চাঁদের বায়ুমণ্ডলবিহীন আকাশ এত উজ্জ্বল ছিল মনে হত তারাগুলোকে যেন আকাশে হাত বাড়িয়ে ধরা যাবে। আর পৃথিবীটা আকাশের এক কোণায় সব সময়ই স্থির হয়ে থাকত।
এটা কোন সময়ের? এটা সেই সময়ের যখন মানুষের প্রকৃত মৃত্যু বলে কিছু নেই। মাঝে মাঝে সে ঘুমিয়ে পড়ে। আবার জেগে ওঠে।
কথাসাহিত্যিক দীপেন ভট্টাচার্যের নতুন সায়েন্স ফিকশন পড়ুন--


শামীম আজাদ কবি। গল্পও লেখেন। দীর্ঘদিন ইংল্যাণ্ডবাসী। তাঁর এই প্রবাস-অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে প্যামব্রীজ কোর্টের পরী গল্পটি লিখেছেন ২০১৫ সালে। গল্পটির বিশেষত্ব হল--প্রমিত বাংলা ভাষার সঙ্গে ইংরেজি ভাষার সহজ ব্যবহার।

শামীম আজাদের গল্প প্যামব্রীজ কোর্টের পরী

শামসুজ্জামান হীরা'র আয়োজন
একজন মধ্য বয়স্ক লোক। তাস খেলে ফেরার সময়ে মনে পড়েছে ঘরে তার স্ত্রী অসুস্থ। ছোট ছেলেটি তার শুশ্রূষা করার মতো বয়সে নেই। তিনি খেলা শেষ করেই ঘরে ফিরছেন। গল্পটিতে গল্পকার তাস-খেলার বিস্তারিত নিয়ম শেখাচ্ছেন। আড্ডার চেহারার তুলে ধরছেন। ফেরার পথে স্ত্রীর কথা বলছেন। ঘটনার ঘনঘটা নেই বলে গল্পটির গতি থেমে পড়ার আশঙ্কা ছিল। কিন্তু শামসুজ্জামান হীরার কব্জির জোর এতো বেশি যে এইরকম একটা স্থবির বিষয়ও পাঠককে গল্পের সঙ্গে  চলতে বাধ্য করে। শেষে একটি মর্মভেদী চমক সকল নিস্তব্ধতাকে ভেঙে টুকরো টুকরো করে দেয়।
শামসুজ্জামান হীরা'র গল্প  ঘোর রাতে ঘরে ফেরা
              গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের গল্প
অনুবাদ : শামসুজ্জামান হীরা

তিনি ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, অনুবাদক ও কবি। শিশুসাহিত্যিক হিসেবেও তাঁর সুখ্যাতি আছে। দীর্ঘদিন থেকেই লিখছেন। প্রথম গল্পগ্রন্থ নিঃসঙ্গ প্রকাশ পায় উনিশ'শো সাতষট্টি সালে। সত্তর সালে প্রকাশ পায় সাহিত্য প্রসঙ্গে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে কর্মরত থাকা অবস্থায়। তারপর বিদেশে চলে যান। বিশ বছর বাদে আবার লিখতে শুরু করেন। গ্রন্থসংখ্যা সত্তরের কাছাকাছি। লিখেছেন দুটি ইংরেজি কাব্যগ্রন্থ। ২০১৫ সালে কলকাতার আনন্দ পাবলিশার্স থেকে ‘পঞ্চাশটি গল্প’ নামে তাঁর একটি বই বেরিয়েছে। সালেহা চৌধুরী অনন্যা সাহিত্যপুরস্কার ও বাংলা একাডেমির সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ্‌ সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন।

সালেহা চৌধুরীর গল্প  বেলি বেলোয়ারি




শাহনাজ মুন্নীর গল্প বলার একটি সরল ভঙ্গি আছে। তার ভাষা স্বাদু এবং সামান্য পরিহাসময়; এবং- গল্পের আকার সব সময়ই হ্রস্ব। কিন্তু সূচিমুখ- পূর্ণ গল্প। পড়ুন--

শাহনাজ মুন্নী'র গল্প  উনার নাম আলাউদ্দিন


দু'জন চোরের আখ্যান

মনোজ বসু শিক্ষক। জন্মেছিলেন ১৯০১ খ্রিস্টাব্দে। বাড়ি ছিল যশোরের কেশবপুরে। মাত্র আট বছর বয়সে তিনি পিতৃহীন হন। ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দে তিনি চোরদের নিয়ে লিখেছিলেন অসামান্য উপন্যাস 'নিশিকুটুম্ব'।
জ্যাঁ জেনে ছিলেন মনোজ বসুর ৯ বছরের ছোট। তার বাবার নাম ছিল না। ছিলেন ছিঁচকে চোর। দাগি আসামী। মৃত্যুদণ্ডের আসামী হিসেবে ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দে চোরের জীবন নিয়ে তিনি লেখেন তার আত্মজৈবনিক উপন্যাস 'দি থিফ'স জার্নাল'।
চোরদের নিয়ে এই দুটি বিখ্যাত উপন্যাস নিয়ে লিখেছেন বিপাশা চক্রবর্তী ও রুমা মোদক।

বিপাশা চক্রবর্তী

আলোচক  রুমা মোদক
নিশিকুটুম্ব উপন্যাসের পিডিএফ : প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় খণ্ড


প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক অমর মিত্র গল্পপাঠের প্রতিসংখ্যাতেই গল্প নিয়ে আলোচনা লিখছেন। তিনি বড় করে লেখেন না। ছোট করে আখ্যানটি বলেন। আর দেখান গল্পটির ভেতরের শৈলী যার ওপর ভর করে গড়ে উঠেছে গল্পের সৌন্দর্যটুকু।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর গল্প নিয়ে আলোচনা  নয়নচারা/ কেরায়া
ঝুম্পা লাহিড়ী পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন ও ভারতীয় বাঙালি বংশোদ্ভূত লেখিকা। তিনি তাঁর গল্প সংকলন 'ইন্টারপ্রেটার অফ ম্যালাডিস'-এর জন্য ২০০০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পুলিৎজার পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর 'বেদনার ভাষ্যকার’ গল্পটি বর্ণনামূলক, তবে বুনট বাঁধা। লেখক তাঁর নিজস্ব ঢঙে একের পর এক খুঁটিনাটি দৃশ্যের বর্ণনা করেছেন। দৈনন্দিন অনুভূতি, সরল বোধ, ভাষার স্বচ্ছতা, সাবলীল সংলাপ-  সবকিছু মিলিয়ে পাঠক গল্পের ভেতর ডুবে যেতে পারেন। কিন্তু তার চেয়েও গল্পটিকে যা আরো বেশি আকর্ষণীয় করে তুলেছে, তা হল ব্যক্তি সংঘাত, হৃদয়স্পর্শী গভীর অনুভূতি, সূক্ষ্মবোধ, এবং না বলা গোপন কথা, যা সচরাচর উচ্চারিত হয় না, উদ্বেগ বাড়ে, ভয় হয়, সেইরকম একটি ঘটনা, যা সম্পূর্ণ একটি ভিন্ন পরিবেশে, ভিন্ন দেশে এসে অপরিচিত একটি মানুষের কাছে মুক্তি পায়।


তিনি শব্দের জাদুকর। ‘বারো ঘর এক উঠোন’-এর স্রষ্টা। বাংলা সাহিত্যের ‘উপেক্ষিত’ সাহিত্যিক জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী ছোটগল্পে এক নতুন সাম্রাজ্যের নির্মাণ করেছিলেন। অনেকে বলেন তাঁর লেখায় রয়েছে প্রগতিশীলতা। কেউ বলেন তাঁর লেখা পিছিয়ে পড়া জীবনের মানে খোঁজে। কারও কাছে তিনি উত্তরণের দিশা। কেউবা তাঁর লেখায় আত্মমগ্নতা খুঁজে পান। তাঁর গল্পসংগ্রহ ‘আজ কোথায় যাবেন’ সাহিত্যে নতুন মাত্রা যুগিয়েছিল। চাওয়া গল্পটিতে এমন একটি চরিত্র তিনি অঙ্কন করেছেন, যা আমরা সমাজে প্রায়শই দেখি কিন্তু তেমন করে কেউ খেয়াল করি না। এ গল্পের চরিত্র চিত্রণে তিনি অসামান্য পারঙ্গমতা দেখিয়েছেন।
জ্যোতিরিন্দ্র নন্দীর গল্প |চাওয়া

হাসান হাফিজুর রহমান মূলতঃ কবি, সাহিত্য সমালোচক হিসেবে তিনি প্রভূত খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তিনি কিছু গল্পও লিখেছিলেন।  তাঁর দাঙ্গাবিরোধী অনবদ্য গল্প 'আরো দুটি মৃত্যু' ১৯৫০ সালে প্রথমে 'অগত্যা'য় এবং পরে 'দিলরুবা' পত্রিকায় মুদ্রিত হয়। এ উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় অজস্র মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। দাঙ্গার কবল থেকে রক্ষা পেতে ঢাকা থেকে বাহাদুরাবাদগামী ট্রেনের ভিড়ের মধ্যে উঠে পড়ে একটি হিন্দু পরিবার। অন্তঃসত্বা স্ত্রীলোকটির প্রসব বেদনা উঠলে সে জায়গা করে নেয় ট্রেনের বাথরুমে। সেখানেই মৃত্যু হয় অনাগত সন্তানসহ স্ত্রীলোকটির। উত্তম পুরুষে হাসান হাফিজুর রহমান এমন মর্মস্পর্শীরূপে এ গল্পটির বর্ণনা করেছেন যা পড়ে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে মন। গল্পটি থেকে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ভয়াবহতার একটি চিত্র পাওয়া যায়।
হাসান হাফিজুর রহমানের গল্প | আরো দুটি মৃত্যু


বাংলা কথাসাহিত্যে শওকত আলী এক প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব। ১৯৩৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দিনাজপুরের রায়গঞ্জে তাঁর জন্ম। বর্ণাঢ্য আর সংগ্রামমুখর জীবন তাঁর। উত্তাল সময় আর ইতিহাসের অনেক গুরুত্বপূর্ণ পালাবদলের সাক্ষী তিনি।  শওকত আলীর উপন্যাস ও গল্পের প্রধান অংশজুড়ে রয়েছে নিম্নবর্গের মানুষ, তাদের শোষিত জীবনের কথকতা। এমন ঘরানার একটি গল্প এবং সাক্ষাৎকার গল্পপাঠের এ সংখ্যায় প্রকাশ করা হলো সাথে তার সামগ্রিক জীবনের ওপর আলোকপাত করেছেন কথাসাহিত্যিক নূর কামরুন নাহার।

কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন ১৪ জুন ২০১৬ তারিখে পা দিয়েছেন সত্তর-এ। তাঁর লেখার জগত মানুষ, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতি তাঁর কাছে বরাবরই প্রাধান্য পেয়েছে। উপজাতিসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী-সম্প্রদায়ও এসেছে গুরুত্বপূর্ণভাবে। লোক-পুরাণের নানা অধ্যায়ের রূপদানেও তিনি সার্থক। সত্তরে পদার্পণকারী সেলিনা হোসেন আমাদের মাঝে আরো অনেক অনেক দিন বেঁচে থাকুন এবং বাংলা সাহিত্যিকে আরো নতুন নতুন সম্ভারে সমৃদ্ধ করুন।
সেলিনা হোসেনের গল্প ♦ মতিজানের মেয়েরা
মোমিনুল আজম | মতিজানের মেয়েরা-নারীর জীবনভাষ্য
অলাত এহসান ♦ সেলিনা হোসেন : উৎস থেকে উৎসারিত নিরন্তর ঘণ্টা ধ্বনি


সরস ভঙ্গিতে লেখা মতি নন্দীর সুখপাঠ্য গল্প ' একটি পিকনিকের অপমৃত্যু ' । কাহিনী আগাগোড়া ছন্দময়, ঝরঝরে। গল্পের শেষাংশে শিবু বাবুর করুণ পরিণতি অন্তরে বিষাদের সৃষ্টি করে। গল্পে চিত্রা চরিত্রটি মতি নন্দীর অসামান্য সৃষ্টি। এমন চরিত্র চিত্রণে সংলাপের ব্যবহারে তিনি মুনশিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন। পড়ুন-

মতি নন্দীর গল্প  একটি পিকনিকের অপমৃত্য
সন্তোষকুমার ঘোষের আলোচনা ♦ মতি নন্দীর গল্প

অর্ক চট্টোপাধ্যায়ের আয়োজন
অর্ক চট্টোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎকার
মানুষ হিসেবে আমি হাজার আপোষ করতে পারি, লেখা করবে না, এই বিশ্বাস থেকে আমি লিখি।
অনুবাদ গল্প 
মূল :  হুলিও কর্তাজার 




ঈশা দেবপালের গল্প

গল্পপাঠ
কথাসাহিত্যের অন্তর্সূত্র
আষাঢ় ১৪২৩ বঙ্গাব্দ। জুন ২০১৬ খ্রিস্টাব্দ। সংখ্যা ৪৩।
সম্পাদক : 
এমদাদ রহমান | মোমিনুল আজম | কুলদা রায় 
প্রকাশক  | মৌসুমী কাদের

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন