বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর, ২০১৬

মাহবুব লীলেন'এর গল্প : উন্দা

প্রাণোবন্ধু ফেলাট কিনছে নগর বাগানে। মোরে কয় আয় দোস্ত দেইখা যা; ডাইলভাত দুগগা খাইয়া যা। মুই কই আমুনে কিন্তু আর যাওনের দিশা পাই না। দিনে দিনে বাপে মিসকল দেয়। ব্যাককল করলে কয় টেকা পাডা অসুধ খামু গায়ে মটমটি করে। মুই কই বয়সের লগে কিছু মটমটি হইবই। গরম পানি দিয়া গোসল দেও দেখবা সাইরা গেছে। বাপে কয় শ্বাস নিতারি না বুকে ধড়ফড় করে। মুই কই সকালে উইঠা ফেরেশ বাতাস খাও দেখবা শ্বাসের নালি পরিষ্কার হইয়া গেছে। বাপে কয় রাত্তিরে ঘুমাইতারি না খালি ছটফট করি। মুই কই বয়স হইছে এখন ধম্মকম্ম করো দেখবা অন্তরে শান্তি আইলে ঘুমও হইব তুমার। বাপে কয় সারাদিন খুল্লুত কাশির লগে উইঠা আহে রক্ত।
মুই কই মরণের পরে তুমার যে শাস্তি হইবার কতা এখন তা হালকার উপরে দিয়া যাইতাছে বাজান। মরলে তুমি নিশ্চিত বেহেস্তো পাইবা। বাপে কয় এখন সুস্থ হইলে দুই চাইরশো বছর নরক খাটতেও অসুবিধা হইব না আমার। তুই কিছু টেকা পাডা মুই অসুধ খাইয়া মরি। মুই কই মোর মুবাইলে টেকা শেষ। পরে কতা কমুনে এখন রাখি...

এইসব দেখে আর প্রাণোবন্ধু কয় কিছু টেকা জমাইয়া ব্যাংকে ডাউনলুড দিয়া ফেলাট বুকিং দে। তারপরে ভাড়ার টেকায় কিস্তি দিয়া নিজের একখান বাড়ি কইরা ফালা। বাপে তো অসুধ খাইলেও মরব না খাইলেও মরব। বাপের লাইগা এখন কষ্টের কামাই নষ্ট কইরা কী লাভ? মুই কই বাপের লাইগা কামানের সুমায় কই পাই। সব কামাইতো বাড়িয়ালা খায়। দুস্ত কয় বাড়িয়ালারে খাওয়াইয়া চোখ মুবাইল দুইটা বন্ধ কইরা কিছু টেকা আলগা কর...

আমারে বুঝাইতে বুঝাইতে প্রাণোবন্ধু ব্যাংকে ডাউনলুড দিয়া নগর বাগানে ফেলাট বুকিং দেয়। তার এক বচ্ছর পরে মেস ছাইড়া গিয়া ফেলাটে উইঠা বিয়ার কতা জানায় আর কয় দুস্ত তুমি আমি একই সেইম কিন্তু যেই বউ আমি পাইছি হেইডা কিন্তু তুমি পাইবা না। একবার আইসা দেখোরে বন্ধু আমি কুন জায়গায় আছি আর তুমি আছ কুতায়...

দুস্তের ফেলাট দেখতেও যাইতারি নাই। বিয়াতেও না। আইজ ভাবলাম যাইগা। দেইখ্যা আহি কী সুখে আছে পরানের বন্ধু আমার...

ফেলাটের গিয়া গার্ডের কাছে কইত্থন আইছি কই যামু কইবার পর সে আমারে কয় যান। মুই কই কুন দিকে যামু? গার্ডে কয় সুজা গিয়া বামে সিঁড়ি। মুই কই লিফটে কয় তলার বুতাম টিপুম? গার্ডে কয় লিফট অহনতরি চালু হয় নাই। টেম্পরালি সিঁড়ি দিয়া উঠতে হইব আঠারো তালায়। মুই কই সিঁড়ি টেম্পরালি ক্যান? পারমানেন সিঁড়ি নাই? গার্ডে কয় এইডা অইত্যাধুনিক বিল্ডিং। অইত্যাধুনিক বিল্ডিংএ সিঁড়ি থাহে না...

গার্ডের দেখাইন্না রাস্তায় সামনে গিয়া দেখি লিফটের গর্তে একখান লুহার মই বিশতলা ছাদেরথন মাটি বরাবর টানাইয়া রাখা। নিচে মানুষ আর মানুষ। চাইয়া দেখি কেউ উঠে না। খালি নামে। বুঝলাম উঠা নামার শিফট আলাদা আলাদা এইখানে। এমুন সময় দেখি নাদিয়া খাড়াইয়া রইছে লাইনে সবার সামনে। আমারে ডাইকা নিয়া কয় আমার পিছনে খাড়াও। তারপর সবারে শুনাইয়া কয় ইনি আমার লগেই লাইনে আছিল। বিড়ি খাইতে গেছিল বাইরে...

নাদিয়ারে আমি রুমির লাইগা চিনি। তখন নাদিয়া আমারে টিটকারি মিটকারি দিয়া চোখঠুট উল্টাইয়া কথা কইত বান্ধবীর প্রেমিক ভাইবা। পরে রুমির লগে কাটাকাটি হইলেও রাস্তাঘাটে নাদিয়ার লগে আমার কথাবার্তা হয়...

নাদিয়ার আওয়াজ শুইনা কেউ কিছু না কইলেও নাদিয়ার ঠিক পিছন থাইকা একটা মাইয়া কিছু কইতে গিয়াও থাইমা যায় আমারে দেইখা। তারপর আমার দিকে ঠোঁট পাল্টি দিয়া কয় অইন্য কেউ হইলে কিন্তু আমার সামনে লাইন মারতে দিতাম না...

এই মাইয়াডারেও আমি চিনি। আমার এক ছুডুদুস্তের বান্ধবী বন্টি। বন্টি পিছন থাইকা চাপ দিয়া আমারে নাদিয়ার লগে ঠাইসা ধরে। নাদিয়ার কোলে একটা মাইয়া। ঠেস খাইয়া নাদিয়া কয় এখন আর চাপেচুপে কুনু ফিলিং হয় না। একটু সইরা খাড়াও। মুই কই সরনের জায়গা নাই। কিন্তু তুমি মনে লয় বহুত মুটা হইছ। নাদিয়া কয় সিজারে বাচ্চা হইছে। তার উপরে বড়িটড়ি খাই। মুটাতো হওনেরই কতা। মুই কই আমারও কিছু মুটা হওয়া দরকার। মোরে কিছু বড়িটড়ি দিও। পিছন থাইকা বন্টি কয় ওই বড়ি খাইলে কিন্তুক পুলাগো যন্ত্রপাতি সব চুলের ফিতার লাহান ঝুইলা যাইতে পারে...

নাদিয়ার মাইয়াডা আমারে দেখে। নাদিয়া ওর গালে ঠোনা দিয়া কয় এইডা তুমার একটা মামা। তারপর আস্তে আস্তে আমারে কয় রুমির পিছে না ঘুরলে কিন্তু তুমি এর বাপ হইতে পারতা। মুই কই কতাডা ঠিক না। তাইলে কালাকুলা অইন্য কুনু মাইয়া হইত। নাদিয়া কয় ক্যান? মুই কই তুমিও কালা আমিও কালা। দুইজনের মাইয়া সাদা হওয়ার তরিকাডা কী? নাদিয়া কয় ক্যান? সাদা কুনু বেডার থাইকা ফ্লেগজি লুড নিতাম। কথা শুইনা পিছন থাইকা একটা ঠেস দিয়া বন্টি কয় আমার কিন্তুক কালা পুলাপান পছন্দ। মুই কই তুমিও সাদা আমার ছুডু দুস্তেও সাদা। হেরে বিয়া কইরা তুমি কালা পুলাপান চাইলে তো আমাগো কাছ থিকা ফ্লেগজি লুড নিতে হইব। নাদিয়া কয় তুমি রুমিরেই ফ্লেগজি লুড করবার পারো নাই আর করবা অইন্যেরে। মুই কই লুড করার আগেই আমার চার্জ শেষ হইয়া গেলে আমি কী করুম? নাদিয়া কয় হের লাইগাই রুমি ভাগছে। কয় ঘরে ব্যাটারি থুইয়া বাইরে চার্জার খুজন আমার পুষাইতো না...

এমুন সময় পিছন থাইকা কেউ আওয়াজ দেয় উঠেন উঠেন। নাদিয়া কয় চলো...

সক্কলের আগে নাদিয়া তারপরে আমি তারপরে বন্টি তারপরে বাকিরা। লুহার মই ধইরা ধইরা উঠতে থাকি। কিছুদূর উঠতেই মই দুলতে থাকে। মুই কুনো কাটাকুটা দেখি না। সব লুকই কি বিশ তলায় উঠব? মুই তো যামু আঠারো তলায়। কাটাকুটা না থাকলে আঠারো তলায় যামু কেমনে? মুই নাদিয়ারে জিগাই। নাদিয়া কয় এইডা টেম্পরালি সিঁড়ি। সবাইরে বিশ তলার ছাদে গিয়া পরে যার যার তলায় নামতে হইব। মুই কই এইডা অইত্যাধুনিক বিল্ডিং। এইডায় তো সিঁড়ি নাই তাইলে যার যার তলায় পাব্লিক নামব কেমনে? নাদিয়া কয় সিঁড়ি নাই তয় একতলা থাইকা আরেক তলায় যাওনের বাঁশের মই আছে। মুই কই বাঁশের মই দিতে পারলে সিঁড়ি দিলে ক্ষতি কী ছিল? নাদিয়া কয় বাঁশের মইরে কয় ইন্টারিয়র। ওইটা অইত্যাধুনিক বিল্ডিংয়ের ডিজাইনের পাট...

মাইয়া কোলে নিয়া নাদিয়া আস্তে আস্তে উঠে। একবার উঠে তো মইয়ের মইদ্যে ওর স্যান্ডেলের হিল বসাতে গিয়া দুইবার পিছলায়। আমরা যত উপরে উঠি নিচে তত লুক মইয়ের মইদ্যে উঠে। মুই চিক্কুর দেই সব্বাই একলগে উইঠেন না। মই ছিইড়া যাইতে পারে। কেউ একজন উল্টা চিক্কুর দেয় উঠোন মিয়া উঠেন। মই নিয়া আপনের চিন্তা করন লাগব না। মুই কই এই সিঁড়ির ক্যাপাসিটি কত? লুকে কয় ভাইঙা পড়নের আগে পর্যন্ত পুরাটাই ক্যাপাসিটি। উঠতে থাকেন। মুই কই ডর লাগে। পাব্লিক কয় উপরে তাকাইয়া উঠেন। ডর লাগব না। মুই কই আমার উপরে শাড়িপরা এক ভদ্রমহিলা। উপরে তাকান ঠিক না। নাদিয়া কয় সমস্যা নাই। কী আর এমন দেখবা। নিচে থাইকা বন্টি কয় মুই কিন্তু পেরায়ই লুঙ্গি পরা পুলাগো নিচে নিচে উঠি দেখার লাইগা। নাদিয়া কয় আমিও উঠি। তল পুলারা টের পাইলে কিন্তু ছাদে নাইমা ফেলাট নম্বর জিগায়। বন্টি কয় আমারে জিগাইলে আমি কিন্তু অইন্য ফেলাটের নম্বর কইয়া দেই...

ওরা কতা কয় আর আমার ডর লাগে। মুই কই তুমাগো বিল্ডিংয়ে আগুন লাগলে কী করবা? নাদিয়া কয় অহন তামাইত তো লাগে নাই। মুই কই যদি লাগে তয় কী করবা? বন্টি কয় তখন এমার্জেন্সি এক্সিট ব্যবহার করমু। মুই কই সেইডা কুন দিকে? বন্টি কয় এইডাই। মুই কই এইডা কেমনে এমার্জেন্সি হয়? বন্টি কয় সবাইরে বইলা দেওয়া আছে যেন এমার্জেন্সির সুমায় কেউ মই বাইয়া নামার চিন্তা কইরা বইসা না থাকে। এমার্জেন্সিতে যেন সবাই ছাদে উইঠা সুজা লাফ দেয় নিচে। তাইলে মিনিটের মইদ্যে সাবই নামতে পারব। মুই কই হাত পা গুড়া হইব না? বন্টি কয় তাতে অসুবিধা নাই। আমাগো ফেলাট সমিতিরি হাসপাতাল আছে। সব টিটমেন ফিরি...

উপরে যত উঠি মই তত খড়বড় করে। আমি কই ও নাদিয়া বল্টুবাল্টু খুইলা পড়ে কি না দেহো তো। নাদিয়া কয় মাইয়া শাড়ি আর স্যান্ডেল তিনডা সামলাইয়া কূল পাই না তার উপরে এখন আবার বলটু দেখুম। পারলে তুমি দেখো। মুই কই আমিতো উপরে তুমারে ছাড়া কিচ্ছু দেখি না। নাদিয়া কয় আমারে বহুত দেখছ। এখন চোখ বন্ধ কইরা মই ধইরা উঠতে থাকো। আর বেশি বাকি নাই...

নাদিয়া ছাদে উইঠা জিগায় কুন ফেলাটে যামু। মুই কই আঠারো। নাদিয়া কয় আঠারো কত? মুই কই আঠারো দক্ষিণ। নাদিয়া কয় অইত্যাধুনিক ফেলাটে উত্তর দক্ষিণ থাকে না। এবিসিডি থাকে। মুই কই এবিসিডি তো জানি না। বন্টি কয় মুবাইল লাগান। মুই দুস্তরে মুবাইল করলে সে কাইট্টা দিয়া ব্যাককল কইরা কয় ডি ফেলাট। নাদিয়া আমারে উত্তরের কুনা দেখাইয়া কয় ওইখানে সিঁড়ি আছে। ছাদ থাইকা বিশে বিশ থাইকা উনিশে আর উনিশ থাইকা সোজা নাইমা যাইবা আঠারোর ডি। তারপরে কয় আমার জামাই ঘরে না থাকলে তুমারে যাইতে কইতাম। অইন্য একদিন আইসো। বন্টি কয় ফেলাট নম্বর না বইলা আসতে বলা মানে কিন্তু আইস না। নাদিয়া মুখ ঝামটি দিয়া কয় হেয় আমার দুস্ত। আসার আগে আমারে মুবাইল দিবো। তুমার অত জ্বললে নিজের ফেলাট নম্বর কও। বন্টি কয় আমার ফ্লেগজি লুডের দরকার নাই। নিজের কুম্পানিতে প্রিপেইড পরীক্ষা কইরা লইছি। এখন ওইডারেই পুসপেইড বানামু। মুই কই আমি তাইলে যাই। ওরা কয় আইচ্ছা...

ছাদের থাইকা একটা বাঁশের মই নাইমা গেছে বিশতলার বারান্দায়। উইঠা নিচের দিকে তাকাইতেই দেখি আমার পাছার মাংস শক্ত হইয়া কাঁপতাছে। বহুত নিচে পিপড়ার মতো মানুষ দেখা যায়। মুই শুইয়া বইসা আস্তে আস্তে নাইমা আসি বিশতলার বারান্দায়। এক লুক আমারে দেখে আর হাসে। বারান্দায় নাইমা খাড়াইতেই কয় বুঝছি আপনে ফেলাট বাড়িতে থাকেন নাই কুনুদিন। তা যাইবেন কই? মুই কই আঠারোর ডি মোর দুস্তের বাড়ি। লুকটায় কয় অত কষ্ট কইরা না আইসা আপনের দুস্তরে কইতে পারতেন নাইমা গিয়া দেখা করনের কতা। মুই কই দুস্তে তার বাড়ি দেখাইতে চায়। লুকটায় কয় মুবাইল ক্যামেরায় বাড়ির ছবি তুইলা দেখাইলেই হইত। মুই কই আইয়াই যখন পড়ছি তখন দেইখ্যা যাই। লুকটায় কয় সেইডাই ভালা। সাবধানে যাইয়েন...

উনিশ বাইয়া আঠারোর বারান্দায় খাড়াইয়া দরজায় ধাক্কা দিতেই প্রাণোবন্ধু বাইরাইয়া আইসা আমারে জড়াইয়া ধইরা কয় শেষকালে আইলারে বন্ধু আসো আমার ঘরে। কিন্তুক তুমি কলিন বেল রাইখা দরজায় বাড়ি দিলা ক্যান? মুই কই বেল দেখি নাই। দুস্তে কয় এইডা কুনো কতা না। তুমি দেখো কী সুন্দর বেল। খাড়াও আমি আবার ঘরে যাই তুমি বেল দেও...

দুস্ত বেলের বোতাম দেখাইয়া আবার ঘরে ঢুইকা যায়। মুই বোতামে চাপ দিতেই ভিতরে প্যাকপ্যাক কইরা হাসের ডাক শুনা যায়। দুস্ত বাইরাইয়া কয় দেখছ কত্ত সুন্দর আওয়াজ? কিন্তুক অতগুলা বেল দিবার দরকার নাই। বেলের ফিউজ জইলা যায়। একটাই যথেষ্ট। মুই কই ঠিকাছে। এরপর একটাই দিমু। দোস্তে কয় এখন একবার টেরাই দিয়া লও...

দুস্ত আবার দরজা বন্ধ কইরা ঘরে ঢুইকা যায়। মুই বেলের মইদ্যে একটা টোকা দেই আর ভিতরে একটা হাসের ডাক শুইনা দুস্ত বাইরাইয়া আইসা কয় এইবার হইছে। ভিতরে আহো। মুই ভিতরে গেলে কয় এই আলনার মইদ্যে জুতা খুইলা থও। ফেলাট বাড়িতে ঘরে জুতা পরার নিয়ম নাই। মুই জুতা খুইলা থুইলে দুস্তে কয় আসো তুমারে ঘর দেখাই। বইলা ঘরবারান্দা টব ফুলদানি সব দেখায়। মুই কই সুন্দার হইছে। দুস্তে কয় এর লাইগাই কই ফেলাট কিনো। মুই কই মই বাইয়া উঠতে আমার ডর লাগে। দুস্তে কয় এইডাতো টেমপোরালি। লিফট হইলে বোতাম টিইপ্যা ঘরের দরজায় আইসা নামবা। মুই কই আমার হাড্ডিগুড্ডি অখন অত শক্ত হয় নাই। এমার্জেন্সিতে লাফ দিলে হাসপাতালের বদলা আমার কব্বরে যাওন লাগব। দুস্তে কয় সেই ব্যবস্থাও আছে। বুকিং দিবার সময় তুমি হাসপাতালের বদলা ফিরি কব্বরের ঘরে টিক দিলেই হইব। মুই কই কব্বর আর হাসপাতাল দুইডা একলগে হয় না? দুস্তে কয় দুইডা দিয়া কী করবা তুমি? মুই কই দুইডা একলগে পাইলে হাসপাতালডা দিতাম বাপেরে আর কব্বরটা রাখতাম নিজের নামে...

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন