বৃহস্পতিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৮

চিরঞ্জয় চক্রবর্তী'র গল্প : আপাত-দূরত্ব

বড়দা কেম্ব্রিজে ইতিহাস পড়ায়। প্রতি শীতকালে দেশে আসে। এয়ারপোর্ট থেকে বাড়ি এসে প্রথম কাজ প্যান্ট-শার্ট ছেড়ে ধুতি পাঞ্জাবী পরা।বাড়িতে ঢুকে পোষাক পরিবর্তন করে হাত-পা না ধুয়ে কোন কথাটি নেই। এমনকি মা-বাবাকে প্রণাম পর্যন্ত করত না।এখন বাবা-মা নেই তাই ঠাকুর ঘরে গিয়ে প্রণাম করে।আমরা বড়দার থেকে শিখেছি গুরুজনদের প্রণাম করতে গেলেও বাইরের কাপড়ে করা যায় না।
তাই আমরাও বাড়ি ফিরে হাত-পা না ধুয়ে কোনও কিছু করি না। বাড়ি ঢুকে দ্বিতীয় কাজ সারা বাড়ি ঘুরে দেখা।সব তো এক রকম থাকে না। প্রয়োজনে পাল্টাতে হয। এসব নিয়ে বড়দা কোনও কথা বলে না।তারপর সবার মধ্যে বসে বলে, এই বার চা দাও।সবার দিকে তাকায়, খবর নেয়,হাসে। যেন আজই প্রথম এ বাড়িতে এসেছে।

একবার মেজদা জিজ্ঞাসা করেছিল, তুমি প্রতিবার ঘুরে ঘুরে কি দেখ?

নিজের ঘরের ওম যে কি , সেটা ঘরে ফিরে বুঝতে পারি।

বড়দাকে আমিও একবার জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তুমি বাড়ি এসেই ধুতি পাঞ্জাবী কেন পর?

ছোটবেলায় তো তাই পরতাম।এমনকি কলেজে-বিশ্ববিদ্যালয়েও গেছি।

এখন তো আর পর না!

বড়দা হাসে, কথা বলে না।

#

বড়দা অনেক কিছু ভুলতে চায় না।হয়ত যারা বাইরে থাকে তারা এইভাবেই দেশকে, সংস্কৃতিকে ভালবাসে। মাঝে দু'বছর বড়দা আসতে পারেনি। বড়দিনের ছুটিতে পৃথিবীর অনান্য প্রান্তে গিয়ে সেমিনার লেকচার এইসব করতে হয়েছে। বড়দা আসলেও বৌদি বা ছেলেমেয়েরা আসে না।কখনও ছেলে মেয়েদের স্কুল থেকে বেড়াতে নিয়ে গেছে, কখনও সামনে পরীক্ষা,কখনও বৌদির শরীর ভাল নেই।কিন্তু মা মারা যাওয়ার পর সবাই এসেছিল। পনেরোদিন ছিল। একটা সমস্যা হয়েছিল, আমাদের পুরনো বাড়ি নিয়ে। বাড়িতে বাথরুমে টাইলস নেই, সাওয়ার নেই ।এমনকি বাথরুম ভিজে এবং শুকনো রাখার কাঁচঢাকা ব্যবস্থা নেই। যদিও বাথরুমগুলো বেডরুমের মত বড়। ওরা সব সময়ে নাকে রুমাল দিয়ে থাকত। সবারই অস্বস্তি হোত। বড়দা সবার সামনেই এই নিয়ে বকাবকি করেছে। বাবাও ব্যাপারটা ভালভাবে নেননি। বৌদিও আমাদের মত সাধারণ নিম্নবিত্ত পরিবারের মেয়ে।এখন বিদেশে থাকে। ওঠা-বসা পাল্টেছে।সেখানকার মত না হলে একটু অসুবিধা হয়। এটা স্বাভাবিক।ওরা এসেছিল মৃত্যুর পাঁচদিনের দিন। বাবা কি মনে করে রাসুদাকে ডেকে অষ্টমদিনেই দোতালার একটা বাথরুমে কোমোড বসিয়ে দিল।রাসুদা আর কলের মিস্ত্রি একদিনেই সবকিছু করে সন্ধ্যেবেলা যাওয়ার সময়ে বলে গেল, ' বড়বাবু, কাল সকাল থেকে ব্যবহার করতে পারবে।' রাসুদা বড়দাকে 'বড়বাবু' বলে ডাকত। বড়দা সারাদিন বিভিন্ন জায়গায় নেমন্তন্ন করে ফিরেছে। ব্যাপারটা জানত না। রাসুদার কাছে শুনে বাবাকে বলেছিল, ' ক'টা দিনের তো মামলা। কি দরকার ছিল এত খরচ করার?

বাবা হেসেছিলেন কোনও উত্তর দেন নি।

বড়দাও আর কিছু বলেনি।


বাবার মৃত্যু সংবাদ পেয়ে বড়দা খুব ভেঙে পড়েছিল। ফোনে কেঁদে ফেলেছিল, 'আমি যাব না। তোরা সব কিছু করে নে। আমি এখানে যা যা করার করে নেব।' পরদিন সকালেই ফোন করে বলল, টিকিট পেয়ে গেছি। তরশুদিন কলকাতায় নামব।

#

বড়দারা আসছে। রাত আটটায় নামবে। মেজদা বলল, আমাদের গাড়িটা না নিয়ে, একটা বড় গাড়ি নিয়ে যা। সবাই আসবে, ছোট গাড়িতে কষ্ট হবে। মেজদার কথা মত দশ সিটের একটা গাড়ি নিয়ে গেলাম। ফ্লাইট সময় মত এল।বড়দা সবার আগে এল।হাত থেকে সুটকেশটা নিয়ে।

বৌদিদের জন্য দাঁড়িয়েছিলাম। বড়দা বলল, দাঁড়িয়ে পরলি কেন? চল!

আর সবাই?

আসেনি।

বাবার বেলায় বড়দা একা এবং তারপর থেকে আর কেউ আসে না। ভাইপো-ভাইঝিদের সঙ্গে কথা হয, ওরা বড় হয়, ওদের বিয়ে হয, সন্তান হয়। আমরা দাদু-দিদিমা হই – সব স্কাইপে।ওরা কেন আসে না বা কবে আসতে পারে এসব নিয়েও কোনও কথা হয় না।বড়দাকে জিজ্ঞাসা করতে সাহস হয় না। একদিন মেজবৌদি বলে ফেলেছিল, 'আমরা ভার্চুয়াল দাদু-ঠাকুমা হয়ে বসে আছি।' আমরা হেসেছি।

[২]

বাবার আলমারি গোছাতে গিয়ে ১৯৪৮সাল থেকে পর পর প্রতি বছরের পকেট ডাইরি পাওয়া গেছে। বাবা ডাইরি লিখতেন এমন নয়। তবে একটা পকেট ডাইরিতে রোজ কি হল,যেমন কত টাকার বাজার,কেউ এলে তার নাম, এমনকি ঠাকুর পুজো জন্য বিশেষ কিছু বা আমাদের জন্মদিন, ঠাকুরদা-ঠাকুমার মৃত্যু তিথি লেখা থাকত। এইসব কথা হয়ত বাবাদের প্রজন্মের মানুষরা সবাই লিখত, কিন্তু ডাইরির শেষ পাতাটা আমাদের অবাক করেছিল।প্রতি বছরের ডাইরির শেষ পাতা অন্যরকম।যেমন ১৯৫১সালের ডাইরি শেষ পাতায় ছিল, “এই বছর ঠাকুরমামা শ্রী হেমেন্দ্র নাথ ভট্টাচার্য তিন দফায় পঞ্চাশ টাকা আমা হইতে কর্জ করিয়াছেন।সম্ভবত উপায় দেখিতেছেন না।ভগবান ওনার মঙ্গল করুন।” ১৯৬২ সালে দুটো লেখা, (১) “ ইন্দু বৌদি ১লা আশ্বিন আমার হাতে বারোটি টাকা দিয়া কহিলেন,' ঠাকুরপো, আমি মরে গেলে এই টাকা দিয়ে তুমি শ্রাদ্ধ করবে।' দিলীপের জর্দার কৌটায় টাকাটা থাকিল, আমার অবর্তমানে বৌদির প্রয়াণ হইলে তোমরা ওনার শ্রাদ্ধ করিবে।” (২) “৩০শে জুন সকাল সাতটায় আমার কনিষ্ঠপুত্র জন্মগ্রহণ করে।” ১৯৭৩সালে বাবা শেষ পাতায় লিখছেন, “ গোরার আমেরিকা যাওয়ার সময়ে বড়বৌদি উপযাজক হইয়া পাঁচশত টাকা দেন।আমি ভাবিয়াছিলাম, নিঃসন্তান বড়বৌদি ঐ টাকা গোরাকে দিলেন। কিন্তু লোক মুখে অন্য শুনি। টাকাটা দেওয়ার উদ্যোগ নিলে উনি বাধা দেন। কিন্তু...। ওনার টাকাটা হলুদ এনভেলাপে ভরিয়া দলিলের ব্যাগে রাখিলাম, যাহাতে চাহিবামাত্র দিতে পারি।” ১৯৭৬ সালে আমাদের বাড়ির বাসন্তীপুজো ভাগ হয়। পুজোভাগ বাবা মেনে নিতে পারেননি।শেষ পাতার এই লেখাটা তুলনামূলক বেশ বড়, “ কয়েকদিন আগে আমার তিন খুড়াতভাই একটি চিঠি দিয়া যায়, সবাই বয়সে অনেক ছোট, বোধহয় ভাবিয়াছিল ওদের সমক্ষে চিঠিটি পাঠ করিলে যদি উত্তেজিত হই, তাই চিঠিটি দিয়া অনুরোধ করিল, পরে পড়িবেন।ওদের কথায় মান্যতা দিয়া পড়িলাম, 'এখন আমাদের সে দেশ নাই, এজমালি সম্পত্তি নাই, এক হাঁড়িতে অন্ন পাক হয় না।ফলে প্রতিটি পরিবারের চিন্তা-ভাবনা এবং দর্শন ভিন্ন।মনে হয় এমতাবস্থায় পূজা পৃথক হওয়া বাঞ্ছনীয়।' চিঠি পড়ার পর খুড়ামশাইকে অনুরোধ করিয়াছিলাম, পূজা ভাঙিবেন না। ইহাতে সম্পর্কও ভাঙিয়া যাইবে।তিনি কর্ণপাত করিলেন না। পুজা ভঙিয়া গেল। মনে পড়ে ১৯৪৬ সালে পূর্বপাকিস্তান হইতে কপর্দকহীন অবস্থায় আসিয়া স্থির করিয়াছিলাম বাসন্তীপুজা এদেশে পাতাইব না।দোলের দিন মন খুব খারাপ, ঐদিন দেশে পালমশাই কাঠামে বারি দিতেন।গঙ্গা নিকটবর্তী হওয়ায় সন্ধ্যাবেলা নদির পারে বসিয়াছিলাম।অনেক কথাই মনে পড়িতেছিল, নিজের প্রতি ক্ষোভ ক্রমশ বাড়িতেছিল, 'আমি মধুসূদন সরস্বতীর বংশধর, আমার ক্ষমতা নাই চারদিন মায়ের পূজা করার।ভাবিয়াছিলাম গঙ্গায় প্রাণ দিব।এমন সময়ে সামনে আসিয়া দাঁড়াইলেন সুবুদি, 'আরে ভাই যে,আছো কোথায়?আমি কিন্তু অষ্টমীতে যাব।' কথা বলার অবকাশ নাই, সুবুদির বর, রায়সাহেব , তিনি পকেট হইতে পাঁচটি দশটাকার নোট দিয়া বলিয়াছিলেন, 'ঠাকুর আমার পুজোটা রাখ।'ব্রাহ্মণ-পন্ডিতের সন্তান অর্থ দেখিলে দুই হস্ত আপনি অগ্রসর হয। গ্রহণ করিলাম। কুশল বিনিময়ের পর রায়সাহেবকে নিমন্ত্রণ করিয়াছিলাম।স্থির করিলাম পূজা করিব।তৎক্ষণাৎ কুমারটুলি গিয়া আট টাকায় একটি ঠাকুরের অর্ডার দিলাম।থাকিল বেয়াল্লিশ টাকা।বাসা বাড়িতে আযোজন শুরু করিলাম। ষষ্ঠী সুন্দর রূপে অতিবাহিত হইল, সপ্তমীপুজা করিবার পর আর অর্থ নাই। পরদিনের জোগার কি দিয়া করিব? নিজেই পূজা করিতেছিলাম, আসন হইতে উঠিবার পূর্বে জগন্মাতার দিকে দৃষ্টি রাখিয়া বলিলাম, অর্থ সংগ্রহ হইলে পূজা করিব, নচেৎ সপ্তমীতেই তোমার বিসর্জন। ইতিহাসে আরেকটি নাম না হয় যোগ হইবে!চৈত্রের দুপুরে জলগ্রহণ না করিয়া পথে নামিলাম।মনে পড়িল সুধাকান্ত বাবুর নাম। তিনি তেজারতি কারবার করেন। বর্তমানে হরিঘোষ স্ট্রীটে বাস। বেলা তিনটের সময়ে তাহার বাড়ি পৌঁছিয়া যাবতীয় বলিলাম। তিনি মাসে একটাকা সুদে দুইশত টাকা ঋণ দিলেন। ওনার স্ত্রী পুজার জন্য দশটি কাঁচাটাকা দিলেন। পুঁজি হইল দুইশত দশ টাকা।ঋণ তো করিলাম, ইহার পর?কেন যেন মনে হইল, মা জানেন।তারপর ধুমধাম করিয়া শ্রীশ্রীবাসন্তী মাতার পূজা সাঙ্গ হইল। প্রতিমা বিসর্জন দিয়া বাসায় ফিরিয়া প্রণামী ইত্যাদি গুনিয়া দেখি আমার নিকট একশত পয়ঁষট্টি টাকা আছে।সবই সিকি,আধুলি ও কাঁচা টাকা।সেই রাতেই সুধাকান্তবাবুর কাছে গামছায় বাঁধা টাকাগুলি রাখিয়া আসি পাছে ব্যবহার করিয়া ফেলি।তিনি পরদিন আমাকে বলেন, 'তোমার ঋণ আর নাই।শোধ হইল। ঐ পঁয়ত্রিশ টাকা মায়ের পূজায় ব্যয় করিয়াছ, তাহাতে আমাদের পরিবারের সবাই খুব খুশি।' অর্থ ছাড়া মায়ের পূজা হইয়াছিল, এখন অর্থের অভাব নাই পূজা ভাঙিয়া গেল।”

[৩]

এছাড়া ২০০৮ সালের একটা এক্সিকিউটিভ ডাইরি ছিল। ডাইরিটার বিশেষত্ব ঠিক মাঝখানে গোটা চারেক পাতার উপরে, নিচে আর ডানদিকে তিনটে আলপিন দিয়ে আটকানো। লালকালিত উপরের পাতায় লেখা, “আমার মৃত্যুর পর সব ভাইবোন একত্রিত হইয়া পড়িবে।” বাবা চলে গেছেন ২০১০ সালে, অর্থাৎ ঠিক দুবছর আগের ডাইরিতে কিছু লিখে রেখে গেছেন। এর শেষ পাতায় লেখা, “সব ব্যাঙ্ক একাউন্ট বন্ধ করা হইল।কারণ কাঁপা হাতের সহি মিলিতেছে না।অযথা উহাদের হয়রান না করিয়া বন্ধ করিলাম।”

ডাইরিটা হাতে পাওয়ার পর থেকে রহস্য বেড়েছে। বাবা কি লিখতে পারেন। বড়দা ডাইরিটা হাতে নিয়েও একই কথা বলল, কী থাকতে পারে বলত?

বড়দা স্বাভাবিকভাবে বাবাকে বেশি চেনে , সেই যদি কিছু না বলতে পারে, আমরা কি করে বলব!বড়দা ধীরে ধীরে আলপিন তিনটে খুলল, জংধরায় খুলতে একটু কষ্ট হচ্ছিল। তারপর বেশ কিছুক্ষণ বাঁহাতটা দিয়ে ডাইরির উপরের পাতাটা চেপে রেখেছিল। মনে হল বড়দা দম নিচ্ছে।ঘরের মধ্যে পিন পড়লে আওয়াজ শোনা যাবে।আমরা তো কিছু বলতে পারছি না, কারণ ডাইরিটা বড়দার হাতে।ঐ অবস্থায় বড়দা একবার সবাইকে দেখে নিল।তারপর পাতাটা ওল্টালো কিন্তু পড়ল না। ডাইরিটা আমার হাতে দিয়ে বলল, 'তুই পড়।'বাবার কাঁপা কাঁপা হাতে লেখা, “আমার প্রিয় পুত্র ও কন্যারা, আশাকরি তোমরা একত্রিত হয়েই এই ডাইরি পড়ছ। তোমরা সবাই শিক্ষিত ও প্রতিষ্ঠিত।আমি তোমাদের কাছে ক্ষমা চাইছি, কারণ সবাই জানে এই বাড়িটা আমি জিয়াদ আলি মোল্লার থেকে কিনেছিলাম। আসলে আমি যেমন ছেচল্লিশের দাঙ্গায় পূর্বপাকিস্তান থেকে পালিয়ে এসেছি, উনিও এখান থেকে চলে গেছেন। তবে যাওয়ার আগে আমার হাতে দলিলপত্র দিয়ে গেছেন।এ বাড়ি এবং পুরনো আসবাবপত্র সব তাঁর। তিনি এর জন্য কোনও টাকা নেন নি।তিনি অনুরোধ করেছিলেন তাঁর কোনও উত্তরপুরুষ এলে আমি যেন বাড়িটা দিয়ে দিই। প্রায় বাষট্টি বছরে কেউ আসেনি। আসবেনা একথা তো বলা যায় না। যদি কেউ আসে তাহলে দিয়ে দিও।আশাকরি আমার অনুরোধ তোমারা রাখবে।

#

অথচ ইতিহাসের রসিকতা ভাবো – আমার ও তোমাদের গর্ভধারিনীর অন্তরঙ্গ জীবনের খাট-বিছানা, তাঁর স্নো-পাউডারের ড্রেসিং টেবিল – সবই ছিল কোন মুসলমান দম্পতির ব্যক্তিগত জীবনের অংশ।হিন্দু-মুসলমানের কাজিয়া এবং ১৯৪৬-এর দাঙ্গা দেখেছি। ভয়ে পালিয়ে এসেছি পৈতৃক ভিটে থেকে। কিন্তু পরে মনে হয়েছে, হিন্দু - মুসলমানের ইতিহাসে ব্যবধান ও নৈকট্য কেমন হাত-ধরাধরি করে আছে, কত নিবিড় এই আপাত-দূরত্ব।

#

ভাল থেকো।” 


লেখক পরিচিতি
চিরঞ্জয় চক্রবর্তী
জন্ম ১৯৫৭ সালের ২৪শে মার্চ, অঙ্কে স্নাতক। গত শতাব্দীর আশির দশকের মাঝামাঝি থেকে লেখা শুরু, প্রকাশিত হয়েছে তিনটি উপন্যাস, ও তিনটি গল্পগ্রন্থ। ছোটদের রামায়ণ নিয়ে বাংলাভাষায় প্রকাশিত ১২২টি রামায়ণ নিয়ে একটি গ্রন্থ 'শিশুরামায়ণ কথা'।পেশায় একটি ছোট মোমবাতি কারখানার পরিচালক।ধর্ম ও দর্শনের ষান্মা্সিক পত্রিকা 'তথাগত'র সম্পাদক, ছোটদের জন্যও লেখেন, প্রকাশিত গল্প ও উপন্যাস গ্রন্থ। এছাড়া ভই পড়ার আদব কায়দা নিয়ে একটি বই ছোটদের জন্য ' বই পড়বই/কেন, কেমন করে,কী বই।





২টি মন্তব্য:

  1. গল্পটি ভালই লেগেছে। তবে গল্পের সমাপ্তি কেন জানি আরোপিত মনে হয়েছে। পারিবারিক ঘটনায় রাজনৈতিক সমাপ্তি। ছোটগল্প হিসেবে বিষয়টি খাটেনি।

    উত্তরমুছুন