বৃহস্পতিবার, ২৪ মে, ২০১৮

গল্পপাঠ।। জ্যৈষ্ঠ। । ১৪২৫।। মে-জুন২০১৮।।। সংখ্যা ৬১

অদ্ভুতভাবে জ্যৈষ্ঠ সংখ্যাটি নারীসংখ্যা হয়ে উঠেছে। পৃথিবীর নানা প্রান্তে বাংলা ভাষায় অসংখ্য নারী লেখালেখি করছেন। তাদের লেখাকে নারীসুলভ বলার দিন ফুরিয়ে গেছে। সেগুলো মানুষেরই লেখা। মানবিক লেখা।

গল্পপাঠ একটি অনুবাদ টিম গড়ে তুলেছে। বিশ্বসাহিত্যের সাহিত্যের সমকালীন গল্পকারদের গল্পের অনুবাদ করছেন তারা। এ সময়ের বিশ্বসাহিত্যের গতিপ্রকৃতি বোঝার জন্য এই গল্পগুলো গুরুত্বপূর্ণ। শুধুমাত্র ঢাকার লেখক, কোলকাতার লেখক হয়ে না থেকে বিশ্বসাহিত্যের স্রোতধারায় বাংলা গল্পকেও দৃপ্ত পায়ে শামিল হতে হবে।

গল্প নিয়ে যারা আলোচনা লেখেন বিস্ময়করভাবে তাদের আলোচনায় হাল আমলের গল্পকাররা উল্লেখিত হন না। কিন্তু তারা অনেকেই ভালো লিখছেন। বলা যায়, আলোচিত অনেক প্রবীণ লেখকদের লেখা তাদের কাছে ম্লান। আলোচকরা যে কোনো কারণেই হোক না কেনো আপডেটেভ তথ্য দিচ্ছেন না। এটা পরিবর্তন জরুরী।
এ সংখ্যায় আরো কিছু লেখা প্রকাশিত হবে।



লুসিয়া বার্লিনে'র চারটি ছোট গল্প
তিনি কখনোই জনপ্রিয় ছিলেন না। তবে বোদ্ধ পাঠকদের কাছে তিনি ছিলেন এলিস মুনরো, গ্রেস পালে ও টিলি ওলসেনের মতোই গুরুত্বপূূূূর্ণ। পরিবার, প্রেম, কাজ কর্ম নিয়ে গল্প লিখেছেন বুদ্ধিদীপ্ত একাগ্রতা নিয়ে। তাঁর লেখন ভঙ্গিমা সহজ, অকপট, সরস, স্পষ্ট, ননজাজমেন্টাল। যা বলতে চেয়েছেন ঋজু ভঙ্গিতেই বলেছেন। তার চরিত্রগুলো অচেনা নয়--তাদের শ্বাসটুকুও পাঠকের কানে লাগে। তার মৃত্যুর পরে তিনি বেস্ট সেলার লেখকে পরিণত হন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ছোটগল্প লেখক লুসিয়া বার্লিনের জন্ম আলাস্কায়, ১৯৩৬ সালের ১২ নভেম্বর। জীবনের শেষ দিকে এসে তিনি কবি এড ডর্নের অনুপ্রেরণায় লেখালেখি শুরু করেন। ১৯৮১ সালে সংক্ষিপ্ত আকারে তাঁর গল্প গ্রন্থ (‘এঞ্জেলস্ লন্ড্রোম্যাট’) প্রকাশিত হয়। তাঁর কয়েকটি গল্প প্রকাশিত হয় ‘দ্য আটলান্টিক’ এবং সল বেলোর ‘দ্য নোবেল স্যাভেজ’ ম্যাগাজিনে। যদিও তিনি ছয়টি গল্প সংকলনের রচয়িতা, কিন্তু তাঁর সব গল্প তিনটি ছোটগল্প সংকলনে সন্নিবেশিত করা হয়েছে। এগুলো হলো: হোমসিক: নিউ অ্যান্ড সিলেক্টেড স্টোরিজ’ (১৯৯০), ‘সো লঙ: স্টোরিজ ১৯৮৭-৯২ (১৯৯৩) এবং ‘হোয়্যার আই লিভ নাউ: স্টোরিজ ১৯৯৩-৯৮ (১৯৯০) ।

             অনুবাদ: ফজল হাসান               
 
 অনুবাদ: মৌসুমী কাদের
           
অনুবাদ: অনামিকা বন্দ্যোপাধ্যায়
বিএফ ও আমি গল্পটির অডিও ভার্সন
    
অনুবাদ: রোখসানা চৌধুরী
  
 গী দ্য মোপাসঁ'র গল্প
জলের উপর

মূল ফরাসি থেকে বাংলায় অনুবাদ : 
যশোধরা রায়চৌধুরী 
গত গ্রীষ্মে আমি গাঁয়ের কাছে, স্যেন্‌ নদীর ধারে, একটা ছোট বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলাম, পারী থেকে সে বেশ কিছু মাইল দূরে। প্রতিদিন রাতে সেখানেই শুতে যেতাম। কয়েকদিনের মাথায়, সেখানে আমার এক প্রতিবেশীর সঙ্গে আলাপ হল, বয়স ত্রিশ চল্লিশ হবে, লোকটি সত্যি ভারি অদ্ভুত ধাঁচের , এমন লোক আমি কখনো দেখিনি।  বিস্তারিত পড়ুন>>

ইসরায়েলের গল্প : 
স্বপ্নের পুষ্টিগুণ বিষয়ে-
মূল গল্প: এটগার কেরেট
অনুবাদ: বিষ্ণুপ্রিয়া চৌধুরী 
(এটগার কেরেটের জন্ম ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দে। ইসরাইলের এই লেখক ছোটগল্প, গ্রাফিক উপন্যাস ও চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য লেখেন। তাঁর বাবা-মা বিশ্বযুদ্ধের সময়ে পোলান্ডে গণহত্যার শিকার হতে গিয়ে অলৌকিকভাবে বেঁচে যান। কেরেট তেল আবিবের একতি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: ছোটো গল্প--পাইপ লাইন (১৯৯২), মিশিং কিসিঞ্জার (১৯৯৪)। কেরেটের গল্প অনেকটা অন্যরকম। প্রত্যহিক জীবনের ভাষা ব্যবহার করেন। স্লাং ও আঞ্চলিক শব্দ ও বাক্যভঙ্গি তার লেখার অন্যতম বৈশিষ্ঠ্য। গল্পগুলো পরাবাস্তববাদী ঘরানার। বিস্তারিত পড়ুন>>
নাসরীন জাহানে'র গল্প :
পুরুষ
ভবঘুরে মেঘের ছায়া উঠোনে। এক চিলতে রোদ। ডালিম গাছের সরু ডালের ছায়া রোদের ওপর নাচছে। তাই দেখছে বুলু। কী বিচ্ছিরি আকাশ। মেঘ আছে। বৃষ্টি নেই। উঠোনটা নিকোনো। কাদায় স্যাঁতসেতে হলে সুন্দর হতো। পায়ের গোড়ালি ডুবে গেছে কাদায়। অথবা ইস্ত্রি করা ঝকঝকে শার্টে ছলকে পড়েছে খয়েরি পানি।
বিস্তারিত পড়ুন>>
পাপড়ি রহমানে'র গল্প :  
উড়ন্ত গিরিবাজের ইন্দ্রজাল
ওই শহরে বিকেল নামে মন্থর গতিতে। ধীর-স্থির ও মনোরম ভঙ্গিতে। শহরের তিনদিকেই পাহাড়ের সারি। ফলে রোদ্দুর হঠাৎ করে নিষ্প্রভ হয়ে উঠতে পারে না বা জলস্রোতের ভেতর নিরুদ্দেশে যেতে পারে না। গনগনে মধ্যদুপুর হয়ে তাকে ওইসব পাহাড়ের চূড়ায় ঝুলে থাকতে হয়। বিস্তারিত পড়ুন>>

গীতা দাসের গল্প :
গাতাটায় ফেনা-স্নান
বিজ্ঞাপনটা দেখলেই বৈচির মাথার ভিতরে ফড় ফড় করে উঠে।মন আনচান হয়।এখনো বিজ্ঞাপনের মতো করতে না পারার দুঃখে বুক টনটন করে। ঢুকঢুক একটা শব্দ কোথায় যেন গা মারে। সাবানের ফেনারা সব চোখের পাতা ভেজায়।বিস্তারিত পড়ুন>>
শাশ্বতী নন্দী'র গল্প :
বৃষ্টির গন্ধ
শ্রীকে আজ সাত সাতটা ক্লাস নিতে হল স্কুলে। এইচ এম ডেকে বলে দিয়েছেন, ম্যাথস্‌ আর জিওগ্রাফির টিচার ছুটিতে, অতএব তোমাকেই ম্যানেজ করতে হবে শ্রী। কথাটা বলেই উনি সুন্দর করে হাসলেন। ভদ্রমহিলার এই গুনটা আছে। কখনও রাগেন না। আসলে বুদ্ধিমান মানুষ মাত্রই রাগকে ট্যাঁকে গুজতে জানে।
বিস্তারিত পড়ুন>
মাসুদা ভাট্টির গল্প :
পুতুলের বাড়িঘর

ওদের শহর থেকে বছরে এক কি দু’বার কাঞ্জনজঙ্ঘা দেখা যায় --এই গর্ব সবার চোখেমুখে সারা বছরই ফুটে থাকে। লীনার বয়স যখন সাত বছর তখনও যেমন এই গর্বে ওর চোখমুখ ঝলমল করতো, এখন যখন বয়স পঞ্চাশ পার হচ্ছে, এখনও সেই গর্বটা রয়েই গেছে।বিস্তারিত পড়ুন>>
এঁটো থালাবাসন ধুতে ধুতে এনাউন্সমেন্টটা শুনতে পায় ওরা। ফাইন্যালি তাহলে আজই শেষ হলো রোজা ! কাল ঈদ। ওহ্‌ বাঁচলাম আল্লাহ্‌ ! মনে মনে হাঁফ ছাড়েন রাবেয়া মির্যা।
শরীর আর নিতে পারছিল না। বুকের কাছে দমটা যেনো আটকে ছিল এই কদিন। রোদদগ্ধ গাছের মত নেতিয়ে পড়ছিল শরীর। পানি পানি করে হাহাকার জুড়েছিল প্রাণ। বিস্তারিত পড়ুন>>
সাগুফতা শারমীন তানিয়া'র গল্প
মালঞ্চমালার বাগান
আকাশে জ্যা রচনা করিয়া অদৃশ্য হইতেছে চক্রবাক। সন্ধ্যার নীলা আলো নিভিয়া যাইতেছে, শাল-পিয়ালের বনে অন্ধকার রচিত হইতেছে। পূর্বদিকের আকাশে বাদাবনের উপর দিয়া, কালনেমিজটা জঙ্গলের উপর দিয়া ক্ষীরের থালার ন্যায় হলুদ চাঁদ উঠিতেছে। মাদারগাছের বেড়া দেয়া মালঞ্চমালার কুটির, সম্মুখে ফুলের বাগান, পাছদুয়ারে শনক্ষেতে ফুটিয়াছে শনফুল।বিস্তারিত পড়ুন>>
নাহার মনিকা'র গল্প
তবুও কচ্ছপ
আমার অর্ধেক পূরণ হওয়া শখের নাম সত্যি আর মিথ্যা, আসল দুধের বদলে ঘোলে মেটানো সাধ। এক সন্ধ্যায় যখন এ দু’টোকে বাসায় নিয়ে এসেছিলাম, মনে আছে ক্রিং ক্রিং বেল বাজিয়ে রিক্সা থেমেছিল। আমার কোলের ওপরে রাখা কাঁচের বৈয়াম, আব্বা নেমে দু’হাতে আগলে ধরেছিল।   বিস্তারিত পড়ুন>

সুদেষ্ণা দাশগুপ্তের গল্প :
মিলনের জন্যে
মেজপিসির কাছ থেকে জরুরি তলব পেয়ে দোলন এক সপ্তাহ যাবৎই ভাবছে যে একবার বেহালা ঘুরে আসবে। কিন্তু যা হয় আর কি। ভাবাই সার। মনে মনে কথাটা ঘুরে ফিরে সেই আসছেই নানা কাজের ফাঁকে। আর মনে খুঁতখুঁতুনি। ইশ! মেজপিসি কি ভাবছেন।বিস্তারিত পড়ুন>

রঞ্জনা ব্যানার্জী'র গল্প
উদ্ভ্রান্ত মুখরতা

সাত মাস চলছিল আমার। হাঁপ ধরা সময় যাকে বলে। শরীরের ভারে আমি অস্থির। পা ঝুলিয়ে রাখলে জল জমে যায়। হাঁটতে গেলে প্রায়শ টান খাই। ঘুমাতে পারিনা। কী যে অশান্তি! যা খাই তাই উল্‌টে আসে।
>
অ্যাঞ্জেলিকা ভট্টাচার্যে'র গল্প-
'মৃত্যু নেই'

জ্যৈষ্ঠের তপ্ত দুপুরে সারা পাড়া নিঝুম। কোনও সাড়াশব্দ নেই। শুধু গরম বাতাসের দাপটে গাছগুলো বেশ কিছুটা ছটফট করছে। তার আর্তনাদটুকু বাতাসে ঘোরাফেরা করছে। একে ‘লু’ বলে। যার ভয়ে কুকুর-ছাগলেরও দেখা পাওয়া ভার। বিস্তারিত পড়ুন>>
 
কৃষ্ণা দাসের গল্প :
নির্বীজ
অন্যদিনের মতোই প্রতিভাস ঘুম থেকে উঠে দু’কাপ কফি বানিয়ে নিয়ে এলো কিচেন থেকে। এখন নভেম্বর মাসের শেষের দিক। তবুও সকালের দিকে বেশ ঠান্ডা। উঠতে ইচ্ছা করছে না। প্রতিভাস কাপ দুটো সাইড টেবলে রেখে নরম করে বলল, “গুড মর্নিং!”বিস্তারিত পড়ুন>>
নাহার তৃণার গল্প
স্টুডিও অ্যাপার্টমেন্ট
আমি এ যুগের হরিপদ কেরানী। আমার গ্রামের ঠিকানা আপনারা জানবেন না। কিন্তু আমার শহরের ঠিকানা আপনারা চেনেন। শহরে নিন্মবিত্তদের জন্য তৈরী অগুনতি খুপড়ির একটিতে আমি থাকি।একা থাকি না, সাথে মা থাকে, বউ থাকে, সন্তান থাকে, ছোট দুই ভাই থাকে। বাবা বেঁচে থাকলে তিনিও থাকতেন।বিস্তারিত পড়ুন>>
মল্লিকা ধরের বৈজ্ঞানিক কল্পগল্প
ফিল্ড-ওয়ার্ক সেরে ঋক যখন ফেরে তখন বেলা পড়ে আসে । তাঁবুর সামনে খোলা জায়গাটায় তখন পশ্চিমের বড় গাছটার ঘন ছায়া পড়ে। সেই ছায়ায় বসে উল বোনে অথবা কুরুশকাঁটা দিয়ে নকশা তোলে রিহানা । আর গুণগুণ করে গান করে । পশ্চিম থেকে আসা কমলারঙের রোদ্দুরের আভায় কী ভীষণ নির্জন দেখায় রিহানাকে! এই কমলারঙের রোদ্দুরই ঋককে মনে করিয়ে দেয় আপন গ্রহ থেকে কত দূরে আছে তারা!  বিস্তারিত পড়ুন>>
ছুটির লেখা : 
হারিয়ে যাওয়া
সুমী সিকান্দার

ছোটো মেয়েটি হারিয়ে গিয়েছিল দুইবার। এর মধ্যে গুটু গুটু পায়ে হাঁটার বয়সে প্রথমবার। সেই গল্পটি বলছেন সুমী সিকান্দার।
অনামিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জার্নাল
চাই ল্যাটে :
কন্সেন্ট ও নীরবতার আখ্যান :
নাট-চেক ও প্যান্ডোরার বয়াম
মাদার টেরিজা ভ্যাটিকানে সন্ত হইয়াছেন। নিউইয়র্কে ইহুদী কন্সারভেটিভ গণ বীর্য-কে(পুং) পবিত্র জমজমের ন্যায় তকমা দিতে উঠিয়া পড়িয়াছেন। তাহারা গর্ভপাতের বিপক্ষে সেক্রেড-স্পার্ম আন্দোলন করিয়া খবরে আসিয়াছেন। কলিকাতা'র মাত্র একটিদিনের খবরে জানিতে পারিয়াছি - একটি ১২ বছরের শিশু ধর্ষিত ও খুন হইয়া গিয়াছেন। বিস্তারিত পড়ুন>>

এলিস মুনরো'র গল্প : বালক এবং বালিকারা
অনুবাদ : নাসরীন সুলতানা

আমার বাবা ছিলেন শেয়াল খামারী। অর্থাৎ তিনি খোঁয়াড়ে রুপালি শেয়াল১ পালতেন; এবং হেমন্ত ও শীতের শুরুতে যখন তাদের লোম সর্বোৎকৃষ্ট অবস্থায় পৌঁছাত তখন তিনি তাদের মেরে চামড়া ছাড়িয়ে নিতেন এবং তাদের খাল-চামড়া হাডসনস বে কোম্পানী বা মন্ট্রিয়ল ফার ট্রেডার্সদের কাছে বিক্রি করতেন। বিস্তারিত পড়ুন>>

উম্মে মুসলিমা'র গল্প :
সে অনেক অনেক দিন আগের কথা নয়। ঢাকার এক বস্তিতে বাস করতো এক কালো কুচ্ছিত মেয়ে। নাম তার সুবন্না। তো সুবন্নার বয়স তেইশ হলেও তার বিয়ে হয় না। হবে কেমন করে? নামেই সুবর্ণা। দেখতে কুবর্ণা।
জেসমিন চৌধুরী'র গল্প 
'মনীষার বাগান'
কথাটা আরিফকে কী করে বলবে মনীষা ঠিক করে উঠতে পারেনি। ও কি সহ্য করতে পারবে? বেশ কিছুদিন ধরেই তাদের সম্পর্কটা তেমন ভালো যাচ্ছে না, মনীষার মনে হচ্ছে আরিফের জীবনে তার প্রয়োজন একটু একটু করে কমে এসেছে। নিজের কাজ নিয়েই মেতে আছে সে। বিস্তারিত পড়ুন>>


প্রতিভা সরকার'এর গল্প : 
বডিগার্ড
আমি জানি আমার কমলা রং স্যুইমস্যুটে ঢাকা শরীরের কারণেই কলেজ স্কোয়ারে এই সময়টা এত ভীড় জমে। এই সময়টা, মানে যখন ইউনিভার্সিটির পেছনে ওই একই রঙের সূর্য ট্রামলাইনটাকে ছায়ায় ঢেকে টুপ করে উধাও হয়ে যায়, আর ফেরার তাড়া চিউইংগামের মতো আটকে যায় মানুষজনের শরীরের পেছনটায়। তাতে আমার কিছু না অবশ্য, আজ প্রায় ন'বছর হল সাঁতার কাটতে আসি এখানে।বিস্তারিত পড়ুন>>

কাজী লাবণ্যের গল্প :
ফিনিক
৮ম ক্লাস শেষে তোজা দফতরি ছুটির ঘন্টা বাজিয়ে দেয় ঢং... ঢং... ঢং... নিজ কক্ষে বসে হেডস্যার কপাল কুঁচকে কব্জি উলটে ঘড়ি দেখেন; আবার দেয়ালে ঝোলানো ঘড়ির দিকে তাকান, হ্যাঁ যা ভেবেছেন তাই - ১৮ সেকেন্ড আগেই ঘন্টা বাজানো হয়ে গেছে। তাঁর অভিজ্ঞ বয়স্ক কপাল আরো কুঞ্চিত হয়। তিনি সাংঘাতিক রেগে যান কিন্তু এখন আর কিছু করার নাই।বিস্তারিত পড়ুন>>



গল্প নিয়ে আলাপ :
তাজের ছবি : জীবনানন্দ দাশ -
  লীনা দিলরুবা

ছেলেটি ছবি আঁকতে ভালোবাসে। তার স্বপ্ন, কল্পনায় সারাক্ষণ খেলা করে চিত্রকলা। ছবির মূর্ত- বিমূর্ততায় সে খুঁজে ফেরে জীবনের আনন্দ। এক্সপ্রেশনিজম, কিউবিজম, সুররিয়ালিজম-তার মনের ভেতর চিত্রকলার বিমূর্ততার কোন ঘরানা খেলা করে তা আমরা দেখি না, বরং দেখি বিচিত্র সব দার্শনিক ভাবনা।বিস্তারিত পড়ুন>>

দীপেন ভট্টাচার্যের ধারাবাহিক বিজ্ঞান কল্পকাহিনী :
মহাকাশযান আন্তারেস। পৃথিবী থেকে বহু দূরে। তাতে কিছু বালক-বালিকা, জাহাজ চালাচ্ছে তাদের মা-বাবারা। তারা খুঁজছে পৃথিবীর মত গ্রহ। তাদের ধাওয়া করছে আউরেরগথের গ্রহান্তরিকেরা।
এই সংখ্যায় দ্বিতীয় পর্ব
প্রথম পর্বের লিঙ্ক


নভেরাঃ আলো হাতে আঁধারের যাত্রী
লুতফুন নাহার লতা

সূর্যের সুপার নোভা’র মত যিনি এসেছিলেন এক অলৌকিক আলো হাতে। লড়াইটা চালিয়ে গেলে যিনি হতে পারতেন বাংলার সিমোন দ্য বোভোয়ার। জীবন সম্পর্কে যিনি বলেছিলেন 'আই হ্যাভ নট ফেইলড সো ফার ইন লাইফ, পারহ্যাপস নেভার উইল।' মৃত্যু সম্পর্কে নির্বিকার উদাসীন ছিলেন নভেরা। তিনি বলতেন 'যেখানে জীবন শেষ, বাঁচা শেষ,সেখানেই মৃত্যু।' ---
স্মৃতি ভদ্র'এর গল্প :
বিহান
ভোরের আযানের সুর অরুণাময়ী'য় খুব ভাল লাগে। এই সুর যেন ভোরের নিঃস্তব্ধতা খানখান করে না উল্টো নৈশব্দের সুর আতস্থ করতে সাহায্য করে। এই সুরের রেশ কানে লেগে থাকতেই একটি নতুন দিন শুরু হয়ে যায় অরুণাময়ী'র। এত বড় সংসারের সব কাজ একা সারার জন্য দিনের জন্য বরাদ্দকৃত সময়ের সাথে ভোরের দু'ঘন্টাও যোগ করে নিতে হয়। বিস্তারিত পড়ুুন।>>

মার্গারেট মিচেলের ধারাবাহিক উপন্যাস :
যে দিন ভেসে গেছে
ষষ্ঠ অধ্যায়
অনুবাদ : উৎপল দাশগুপ্ত




বই নিয়ে আলাপ
 ইউনুসের গল্পের বই-- মোহসূত্র
বিশ্বজিত পাণ্ডা

কর্মসূত্রে দিল্লি-প্রবাসী তরুণ ইউনুসের প্রথম গল্প সংকলন ‘মোহসূত্র’ প্রকাশিত হল এবার, ২০১৮-তে। শাম্ভবী থেকে প্রকাশিত গ্রন্থটি সাতটি গল্পের সংকলন। গল্পগুলির পরতে পরতে অদ্ভুত একটা মায়া জড়িয়ে আছে। গল্পের বুনন, চরিত্র—সব কিছুর মধ্যে আছে মায়া।  বিস্তারিত পড়ুন>>
কল্লোল লাহিড়ীর উপন্যাস
গোরা নকশাল
আয়না মতি
'গোরা নকশাল' নিয়ে আলোচনাচেনা আলোয় ছড়িয়ে পড়া কথাগুলো জড়ো করার গভীর মনোযোগ আর গল্পের মুখগুলো চিনে নেবার একবুক তাগিদ নিয়ে পাঠক শুরু করেন গোরা নকশাল। পূর্ব বাংলা থেকে আগত এক পরিবার, বলা ভালো উদ্বাস্তু তকমা এঁটে যাওয়া এক পরিবার, যাদের ঠাঁই পশ্চিম বাংলার উত্তর পাড়ার বালি এলাকায়। সেই তাদের নিয়েই শীতের একটা সকালের বর্ণনার মাধ্যমে গল্পের উড়ান। বিস্তারিত পড়ুন>>
 


গল্পপাঠ।। জ্যৈষ্ঠ। । ১৪২৫।। মে-জুন২০১৮।।। সংখ্যা ৬১

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন