রবিবার, ১০ মার্চ, ২০১৯

ইকবাল তাজওলি’র সাক্ষাৎকার

১. আমার গ্রন্থটির নাম ,‘শরীরের কান্না এবং পনেরো ফোঁটা অশ্রু ।’ এটিএকটি গল্পগ্রন্থ । এখানে দেশভাগের গল্প যেমন আছে , তেমনি প্রান্তিকমানুষদের কথকতাও রয়েছে । রয়েছে প্রেমের গল্পও । এটিকে একটিপাঁচমিশালি গল্পের বই বলা যায় ।

এক কথায় , আনন্দ , আনন্দ , এবং আনন্দ ।

২. এটি আমার প্রথম গল্পগ্রন্থ ।

৩. আমার গল্পলেখার একযুগ হয়ে গেল । দীর্ঘদিন পর আমি আমারকিছু প্রকাশিত গল্প গ্রন্থিত করলাম।

৪. নিজের ঢোল নিজেকেই পেটাতে হয় । সেই কিশোর বয়স থেকে আউটবই ( টেক্সটবুক নয় ) পড়ার অভ্যেস । একসময় দেশভাগের ওপর বইপড়তে শুরু করি , সেইগুলোই দেখি , দেশভাগের গল্প লেখার সময় কাজেলেগেছে । আসলে , কোন পড়াই বৃথা যায় না ; কাজে লাগে ।

৫.একবার জাতীয় একটি দৈনিক পত্রিকায় মর্মন্তুদ একটি নিউজ পড়লাম। সম্ভবত নোয়াখালীর ঘটনা। বিদ্যুতায়িত হয়ে একই জায়গায় রাখাল ,গরু আর কুকুরের মৃত্যু । এই ঘটনাকে উপলক্ষ করে আমি আমার‘করিমুন্নেসার দিন-রাত্রি’ গল্পটি লিখি ।

৬. আসলে গল্প বলুন , আর উপন্যাসই বলুন , কোন লেখাই সহজ কর্মনয় ।

৭. প্রকাশকের কোন চাপ ছিল না । আমি নিজেই গল্পগুলো সিলেকশনকরেছি । 

৮. এক কথায় না । আমি আমার ব্যাক্তিগত উদ্যোগেই সবকিছু করেছি ।

৯.আমার মনে হয় , অর্থ অনর্থের মূল নয় । অর্থই সব চ্যালেঞ্জকেছাপিয়ে যায় ।

১০.আমি গল্পের মহাজন নই; অভাজন । তাই নিজেই লগ্নী করেছি ।

১১. চারটা ডাল-ভাত তো খেতে হবে । তাই শিক্ষকতার পাশাপাশিলেখা-জোখার চেষ্টা করছি ।

১২. গল্পপাঠই মনে হয় প্রচার করছে । প্রকাশকের কোন ভূমিকা নেই ।

১৩. হ্যাঁ , সম্পাদক ছিলেন । তিনিই করেছেন । একজন প্রফেশনাললোক । আমি তাঁর কাজের প্রশংসা করি ।

১৪. হ্যাঁ । আমার দৃষ্টিতে আমি যা চেয়েছিলাম , তার থেকেও ভালোহয়েছে ।

১৫. কেউ প্রশংসা করেছেন , কেউ বলেছেন ,‘ মন ছুঁয়ে যায়নি ।’ মিশ্রপ্রতিক্রিয়া পেয়েছি ।

১৬. লেখক হিসেবে প্রশান্ত মৃধা তো অগ্রজ লেখক । তিনিই প্রথম আমারগল্পগ্রন্থটি সংগ্রহ করেছেন । বলেছেন ,‘ চালিয়ে যান ।’

১৭. আমার জানামতে না ।

১৮.আমি আমৃত্যু লিখে যেতে চাই । আমার তো মনে হয় ,এই শুরু হল।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন