মঙ্গলবার, ৭ মে, ২০১৯

গল্পপাঠ।। ফাল্গুন-চৈত্র ।। ১৪২৫।। মার্চ-এপ্রিল ২০১৯।।। সংখ্যা ৬৬

বিপ্লব উত্তর রুশ সাহিত্য 
ছোটবেলার অনেক স্মৃতিই মধুর। আর বই পড়ার স্মৃতি আরো মধুর, আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতাম কবে প্রগতি প্রকাশন বা রামধনু থেকে কখন নতুন বই বাজারে আসবে। ননী ভৌমিক, হায়াৎ মামুদ, দ্বিজেন শর্মা, অরুণ সোম, খালেদ চৌধুরী, শুভময় ঘোষ, মঙ্গলাচরণ চোট্টপাধ্যায়সহ অনেক গুণী মানুষের অক্লান্ত পরিশ্রমে গড়ে উঠেছিল সেই নানা রঙের পাঠাগার। ভালেনতিন কাতায়েভের ‘অমল ধবল পালের’ কৃষ্ণ সাগরের ঊর্মিমালার রোমাঞ্চ মনকে উদাস করে দিত, কিংবা আর্কাদি গাইদারের ‘চুক আর গেকের’ সাইবেরিয়ার তাইগার অ্যাডভেঞ্চার, অথবা নিকোলাই অস্ত্রভস্কীর ‘ইস্পাতের’ বিপ্লবের উদ্দীপনা মনকে নাড়া দিত। এর মাঝে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা লেরমেন্তভ, তুর্গেনেভ, অথবা গোর্কি। তাই রুশ গল্প বললেই এমন একটা মসৃণ কোমল তৃণক্ষেত্রের কথা মনে হয় যেখানে জীবন অসংখ্য সম্ভাবনার ঝাঁপি, যেখানে রঙীন ট্রলিবাসেরা ছোট ছোট আইসক্রিমের দোকানের পাশ দিয়ে চলে, গ্রীষ্মে গ্রামের পাশ দিয়ে চলে যাওয়া ছোট নদীতে ছেলে মেয়েরা হল্লা করে ঝাঁপিয়ে পড়ে। 

কিন্তু এইসব রচনার মধ্যে ১৯১৭-এর পরের কোনো গুরুত্বপূর্ণ গল্প বা উপন্যাস খুঁজে পাওয়া মুশকিল। শোলোখভের ‘প্রশান্ত ডন’ অথবা চিঙ্গিজ আইতমাতভের দু-একটি বই হয়তো ব্যতিক্রম। বাংলায় অনুবাদ হয় নি মিখাইল বুলগাকভের ‘মাস্টার ও মার্গারিটা’, বরিস পাস্তেরনাকের ‘ডক্টর ঝিভাগো’ অথবা আন্দ্রেই প্লাতোনভের ‘দ্য ফাউন্ডেশন পিট’। অথচ স্তালিন ক্ষমতায় আসার ঠিক আগে, বিপ্লবোত্তর রাশিয়ায় সাহিত্য ও আর্টের ক্ষেত্রে এক বিরাট সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছিল। বিপ্লবের আগের থেকেই যেমন ভাসিলি কান্ডিনস্কির মত শিল্পী বিমূর্ত আর্টের পথ দেখিয়েছিলেন গদ্যের ক্ষেত্রেও সেরকম বহু ধারার সৃষ্টি হয় (ভবিষ্যদ্বাদিতা - ফিউচারজম, গঠনবাদিতা - স্ট্রাকচারলিজম), কিন্তু এসবই সমাজতান্ত্রিক বাস্তববাদিতার চাকায় ধীরে ধীরে মুছে যায়। 

তাই ১৯১৭ থেকে ১৯৮৫ সনের সিরিয়াস রুশ সাহিত্য সম্পর্কে আমরা অজ্ঞ। গল্পপাঠের উদ্যোগে ওই সময় ও পরবর্তীকালের রুশ ছোট গল্প অনুবাদের একটি উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এই প্রচেষ্টায় আমরা রুশ গল্প বলতে কী ভাবতাম আর বাস্তবে সেটা কীরকম ছিল তা পাঠকের কাছে অনেকাংশে পরিস্কার হবে, রুশ সাহিত্য মানে রঙীন ট্রলিবাস বা গ্রীষ্মের উষ্ণতায় নদীতে সাঁতাড় কাটা নয়। এই প্রকল্পে ১৯১৭ সনের পরে সরকারি সমর্থ পেয়েছেন লেখকদের (যেমন শলোকভ), আবার সরকারি আনুকূল্য পান নি (যেমন বুলগাকভ, প্লাতোনভ, আক্সিওনভ প্রমুখ), এবং অনাবাসী লেখকদেরও অন্তর্গত (যেমন নাবাকভ, বুনিন, টেফি প্রমুখ) করা হয়েছে। রুশ সাহিত্য মণিমুক্তাময়, এই সাহিত্য যেমন আমাদের দস্তয়েভস্কি ও তলস্তয় দিয়েছে, তেমনই ১৯শ শতকে নানান এক্সপেরিমেন্টের মধ্য দিয়ে নতুন পথ উদ্ভাবন করেছে; রাজনীতি, সমাজনীতি ও অর্থ্নীতি একে অন্য সব ভাষা থেকে হয়ত বেশী প্রভাবিত করেছে। আমাদের বিশ্বাস এই অনুবাদ উদ্যোগ পাঠকদের এই বৈচিত্রময় ধারার সঙ্গে পরিচিত করাতে পারবে।
দুটি পর্বে গল্পগুলো প্রকাশিত হবে। গল্পপাঠের এ সংখ্যায় প্রথম পর্ব। পরের সংখ্যায় দ্বিতীয় পর্ব।  

বিপ্লব উত্তর রুশ গল্প
১৯১৮-২০১৯
প্রথম পর্ব
মিখাইল শিশকিন রুশ সমকালীন কথাসাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ একজন লেখক। তিনি মস্কোতে ১৯৬১ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং মস্কো স্টেট পেডাগজিক্যাল ইনস্টিটিউটে ইংরেজি এবং জার্মান বিষয়ে অধ্যয়ন করেন। ১৯৯৩ সালে লেখক হিসেবে তাঁর প্রথম আত্মপ্রকাশ। ১৯৯৫ সাল থেকে তিনি সুইজারল্যান্ডে বসবাস শুরু করেন। শিশকিন খোলাখুলিভাবে বর্তমান রুশ সরকারের বিরোধিতা ও সমালোচনা করে বলেন যে এটি একটি দুর্নীতিগ্রস্ত,অপরাধমূলক শাসন, যেখানে রাষ্ট্র একটি ‘পিরামিড চোর’। শিশকিনের ভাষা সহজ, চমৎকার, নিখুঁত ও সংক্ষিপ্ত। 
শিশকিনের গল্প
ভাষান্তর মৌসুমী কাদের
১৮৯৯ সালে রাশিয়ায় নবোকভ জন্মগ্রহণ করেন। ১৯১৮ সালে তাঁর পরিবার ইউরোপে চলে যায়। পরে ১৯২০ সালে জার্মানীতে আসেন। সেখান তাঁর বাবা গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। ১৯৪৫ সালে নবোকভ আমেরিকার নাগরিকত্ব পান। ১৯৬১ সালে তিনি সুইজারল্যান্ডে থিতু হন। কথাসাহিত্যের পাশাপাশি তিনি অধ্যাপনা ও কীটতত্ত্ববিদ হিসেবেও কাজ করেছেন।
তিনি শুরুতে রুশ ভাষায় সাহিত্য রচনা করলেও পরবর্তীতে ইংরেজিতে অভিনব গদ্যশৈলীতে উপন্যাস রচনার জন্য আন্তর্জাতিক খ্যাতিলাভ করেন। ললতিয়া তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস।.১৯৭৭ সালে সুইজারল্যান্ডে মারা যান।
ভ্লাদিমির নবোকভ'এর জাদুবাস্তববাদী গল্প : 
ইসাক বাবেল, জন্ম ১৮৯৪, ওডেশা, ইউক্রেইন। ১৯৪০ সনের ২৭শে জানুয়ারি, স্তালিনের আদেশ অনুসারে, তাঁকে সোভিয়েত ইউনিয়নের শত্রু সাজিয়ে, মস্কোর বুতির্কা কারাগারে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি রাশিয়ার কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক, নাট্যকার ও অনুবাদক। তার বিখ্যাত বই-- Red Cavalry, Story of My Dovecote and The Odessa Tales.। বাবেল ম্যাক্সিম গোর্কির বন্ধু ছিলেন। গোর্কির পত্রিকায় কাজ করতেন।
এই 'যীশুর পাপ' গল্পটি লেখা হয়েছিল ১৯২২ সালে। এর ঠিক পাঁচ বছর আগে হলে গল্পটি প্রকাশের সুযোগ পেতো না। বিপ্লবের আগে বাবেলের লেখায় ধর্মবিরোধী ভাবনা থাকায় মামলা খেয়েছিলেন।।
ইসাক বাবেল'এর জাদুবাস্তববাদী গল্প--
ভাষান্তর : কুলদা রায়
মিখাইল আলেক্সান্দ্রোভিচ শলোকফ (২৪ মে ১৯০৫ – ২১ ফেব্রুয়ারী ১৯৮৪) – সোভিয়েত লেখক। মধ্যবিত্ত কস্যাক পরিবারে জন্ম। মাত্র ১৩ বছর বয়সে রাশিয়ার গৃহযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ওঁর লেখায় ডন নদীর ধারে বসবাসকারী কস্যাকদের জীবনচর্যা বারে বারে ফুটে উঠেছে। বিখ্যাত উপন্যাস “ধীরে বহে ডন” (Quiet Flows the Don)। এই উপন্যাসের জন্য তিনি স্তালিন পুরষ্কার এবং ১৯৬৫ সালে নোবেল পুরষ্কার পান। প্রথম উপন্যাস (The Birthmark) লেখেন ১৯ বছর বয়সে। প্রথম প্রকাশিত লেখা “The Test” । প্রথম প্রকাশিত বই “Tales from the Don”
মিখাইল শলোকফের গল্প
ভাষান্তর : উৎপল দাশগুপ্ত
তেফির জন্ম ১৮৭২ সালে সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরে। মৃত্যু ১৯৫২ সালে প্যারিসে। 
তিনি একজন রুশ রসসাহিত্যিক। তেফি তার ছদ্মনাম। আসল নাম নাদেদজা আলেক্সান্দ্রেভনা বুচিনস্কায়া। ১৯০৫ সালে তার প্রথম গল্প প্রকাশিত হয়। শুরুতেচেকভের প্রভাব পড়েছিল তার গল্পে।শুরুতে অক্টোবর বিপ্লবের সমাররথক হলেও খুব দ্রুত তিনি বলশেভিকদের উপর বিরক্ত হন। ১৯১৯ সালে তিনি সেন্ট পিটার্সবার্গ ছেড়ে চলে যান। পরে তিনি ইস্তাম্বুলে কোনো ঝামেলা ছাড়াই যেতে পারেন ১৯২০ সালে। সেখান থেকে তিনি প্যারিসে থিতু হন।
তেফি'র গল্প : 
ভাষান্তর : অর্ক চট্টোপাধ্যায়
ইভান বুনিনের জন্ম ১৮৭০, ভোরোনেজ, রাশিয়া। মৃত্যু ১৯৫৩ প্যারিস, ফ্রান্স। কথাশিল্পী, কবি, প্রবন্ধকার ও অনুবাদক। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস দি ভিলেজ, দি লাইফ অফ আরসেনিয়েভ, কার্সড ডেজ। তিনি শুরুতে আন্তিভ চেখভ ও লিও তলস্তয়ের অনুসারী ছিলেন। ম্যাক্সিম গোর্কির সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব হয়েছিল। নভোক বুনিনের অনুরাগী ছিলেন।

বুনিন ১৯৭০ সালের রুশ বিপ্লবকে খুশি মনে স্বাগত জানাননি। তিনি ওদেশা ছেড়ে মস্কোতে চলে যান। ১৯২০ সালে প্যারিসে স্থায়ী হন। ১৯৩৩ সালে বুনিন নোবেল পুরস্কার পান।
ইভান বুনিনের দুটি গল্প
অনুবাদক : সমর সেন
-----------------------------
অনুবাদক : ফজল হাসান
মিখাইল বুলগাকভ জন্ম ১৮৯১, কিয়েব। মৃত্যু ১৯৪০. মস্কো।তিনি প্রখ্যাত রুশ লেখক, ডাক্তার ও নাট্যকার। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস--দি মাস্টার এন্ড মারগারিতা। এই উপন্যাসটিকে বিশ শতকের মাস্টারপিস বলা হয়।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে রেডক্রসের ডাক্তার হিসেবে যুদ্ধের ফ্রন্টে কাজ করেন। এবং দুবার আহত হন। স্ট্যালিন বুলগাকভের নাটক পছন্দ করলেও ১৯২৯ সালে তার লেখা সেন্সর করা শুরু হয়েছিল। স্ট্যালিনের অনুগ্রহেই তাঁকে পুলিশ আটক করেনি। তবে তার বই প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ হয়েছিল। 
মিখাইল বুলগাকভ'এর দুটি গল্প
তৃপ্তি সান্ত্রা
-------------
অনুবাদ : মোস্তাক শরীফ
সোভিয়েত ভিন্নমতালম্বী লেখক ইউলি ডানিয়েল ১৯২৫ সালে জন্ম গ্রহণ করেন। মৃত্য--১৯৮৮ সালে। তিনি দুটি ছদ্মনামে লিখতেন--Nikolay Arzhak, Yu. Petrov। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তিনি স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেন। পায়ে মারাত্মক আঘাত পান। তাঁর লেখা সোভিয়েত বিরোধী-এই অভিযোগে শাস্তি হিসেবে পাঁচ বছরের জন্য শ্রমশিবিরে যেতে হয় ১৯৬৫ সালে। তিনি কবিতা লেখা ছাড়াও দক্ষ অনুবাদক ছিলেন।
ইউলি ডানিয়েল'এর গল্প : 
অনুবাদ ; রোখসানা চৌধুরী
ভাসিলি আকসিওনভ রাশিয়ান কাজান শহরে জন্মেছেন ১৯৩২ সালে। ২০০৯ সালে তিনি মস্কোতে মারা যান। পশ্চিমে তার দুটি উপন্যাস The Burn ও of Generations of Winter এর জন্য ভালো পরিচিতি পেয়েছেন। স্ট্যালিনের জমানায় তাঁকে গোয়েন্দা নজরে রাখা হয়েছেন স্বাধীন মতাবলম্বী লেখালেখির জন্য।
ভাসিলি আকসিওনভ'র গল্প : 
ভাষান্তর : মৌসুমী কাদের
মিখাইল জোশ্চেনকো রুশ লেখক ও রসসাহিত্যিক। সেন্ট পিটার্সবার্গে জন্ম ১৮৯৪ সালে। লেনিনগ্রাদে মৃত্যু ১৯৫৮ সালে। রুশ সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন। বেশ কয়েকটি যুদ্ধে অংশ নিয়ে আহতও হয়েছে। ১৯২০ সালে তিনি রসসাহিত্যিক হিসেবে বেশ জনপ্রিয়তা পান। কিন্তু বেশ দারিদ্রতার মধ্যেই তাকে চলতে হতো। মৃত্যুর আগে তিনি পেনশন পান। তার রস গল্পের বৈশিষ্ট্য হলো, তিনি গল্পে কমিক আখ্যানে কোনো ভাবাবেগ যোগ করতেন না।
মিখাইল জোশচেনকো'র গল্প :
ভাষান্তর : কাকলী অধিকারী
আলেকজান্ডার শারিপ্রভ ১৯৫৭ সনে রাশিয়ার উত্তরের ঐতিহাসিক শহর ‘ভেলিকি উস্ট্যুগ’ এ জন্মগ্রহণ করেন। বারবার প্রত্যাখ্যানের পরে অবশেষে রাশিয়ার বিখ্যাত ম্যাগাজিন ‘সোলো’তে তিনি লেখা পাঠান এবং তাঁর ব্যতিক্রর্মী লেখাগুলো এই ম্যাগাজিনই সর্বপ্রথম কদর করে। পরবর্তিতে তাঁর গল্প মস্কো ভিত্তিক ‘ইয়োনস্ত’ ম্যাগাজিনেও জায়গা করে নেয়। আলেকজান্ডার শারিপ্রভের লেখা দ্য মাদার অফ কখ(The Mother Of Koch ) এবং রেড আন্ডারপ্যান্টস (Red Underpants) শিরোনামের দু’খানি উপন্যাস এখনও প্রকাশের অপেক্ষায়।
আলেকজান্ডার শারিপ্রভ'এর দুটি গল্প :
ভাষান্তর : রঞ্জনা ব্যানার্জী
---------------------
প্যান্ট
ভাষান্তর : রওশন হাসান
তাতিয়ানা তলোস্তয়া’র জন্ম হয়েছিল ১৯৫১ সালে লেনিনগ্রাদ(অধুনা সেন্ট পিটার্সবার্গ) শহরে। তলস্তয় পরিবারের কন্যা। সোভিয়েত পরবর্তী সময়ের অন্যতম লেখিকা, ঔপন্যাসিক, শিক্ষয়িত্রী, টিভি-সঞ্চালিকা। তার প্রথম ছোটগল্প – অন দ্য গোল্ডেন পর্চ। বিখ্যাত উপন্যাস – দ্য স্লিংগস। 
তাতিয়ানা তলস্তয়ের গল্প : 
ভাষান্তর : সুদেষ্ণা দাশগুপ্ত
ভ্লাদিমির সোরোকিন'এর জন্ম ১৯৫৫ সালে মস্কোতে। তিনি এ সময়ে একজন উত্তরাধুনিক কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার। ১৯৭২ সালে তাঁর লেখা প্রথম প্রকাশিত হয়। পেশায় একজন ইঞ্জিনিয়ার। তিনি রুশ বুকার পুরস্কার পেয়েছেন। তার বইয়ের নাম ঃ Day of the Oprichnik, describes a dystopian Russia in 2027। 
ভ্লাদিমির সোরোকিন'এর গল্প : 
আসা যাওয়ার মাঝে
ভাষান্তর : তানবীরা তালুকদার
                                                     

দানিল খারমস প্রাক সোভিয়েত কবি, নাট্যকার ও গল্পকার। রাশিয়ার সেইন্ট পিটার্সবার্গে জন্ম ১৯০৫ সালে। মৃত্যু সেইন্ট পিটার্স বার্গে ১৯৪২ সালে।

ডানিল খারমস'এর গল্প : 
 ঝলমলে এক গ্রীষ্মের দিনের সূচনা
ভাষান্তর : চকোরী মিত্র
' পিসেমশাই' শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্মিত এমন একটি চরিত্র যার হাত ধরে আমরা পোঁছে যায় দেশভাগের পূর্ববর্তী পূর্ব বাংলায়। সে সময়ের সমাজ, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট আমাদের সামনে এসে হাজির হয় 'পিসেমশাই' এর মাধ্যমেই। আবার যাদুবাস্তবতার সূক্ষ্ম ব্যবহার করে লেখক আমাদেরকে ফিরিয়ে আনেন বর্তমান সামাজিক আর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সেই ' পিসেমশাই'কে কেন্দ্র করেই। শামল গঙ্গোপাধ্যায়ের 'সে' গল্পটি অনন্য হয়ে ওঠে তাঁর বলার ধরণে।
কথাসাহিত্যিক অমর মিত্রের গল্প ' মোরেলগঞ্জের পিসেমশাই'। এই গল্পের বীজ তিনি পেয়েছেন শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়ের 'সে' গল্পটি থেকে।
একই চরিত নিয়ে দু সময়ের দুজন কথাসাহিত্যিকের গল্প পড়ুন-- 
শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়ের গল্প: 
সে
------------------------------------------
অমর মিত্রের গল্পঃ 
মার্কিন গল্পঃ
জুনিপার গাছ
মূল গল্প : লরি মুর
ভাষান্তর : মিতা চৌধুরী


মেক্সিকোর গল্পঃ
সাধারণ সুখ । নির্ভেজাল সুখ।
মূল গল্প : ক্রিস্টিনা রিভিয়েরা গার্জা
ভাষান্তর : দেব বন্দ্যোপাধ্যায়


 হারিয়ে যাওয়া গল্প
জ্যোৎস্নাময় ঘোষের এই গল্প, 'বিদ্যাসাগরের জন্মসার্ধশতবর্ষ ও গ্রাম মধুবনীর নকুল মণ্ডল' লেখা হয়েছিল ১৯৭২-৭৩ নাগাদ। জ্যোৎস্নাময় ঘোষ এখন বেঁচে নেই। নাট্যকার হিশেবেও তিনি প্রতিষ্ঠা পেয়েছিলেন সেই সময়। থিয়েটারে গিয়ে গল্প থেকে সরে গিয়েছিলেন একটু।

কলম ছিল অসামান্য।কলকাতা থেকে দূরে থাকতেন নৈহাটি ,গরিফা। আমি একবার তাঁর বাড়ি গিয়েছিলাম বহু বছর আগে। তিনি লিখতেন পরিচয়, চতুষ্কোণ, সাহিত্যপত্র ইত্যাদি পত্রিকায়। পরিচয় পত্রিকায় তাঁর গল্প 'কাজি সাহেব' এখনো মনে আছে। 'এবং আমরা' নামে একটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল এই গল্প।
কয়েকটি গল্প 

নতুন লেখকেরা লিখছেন গল্প, একইসাথে তারা প্রতিনিয়ত শিখছেন গল্প বলার যথাযথ কৌশল। একটি গল্পের কাঠামোকে কীভাবে কেটেছেঁটে পরিপূর্ণ গল্প করে তোলা যায় তা শিখতে প্রয়োজন ধৈর্য্য আর চর্চার। পড়ুন নতুন লেখকদের গল্প।
ধারাবাহিক উপন্যাস
মার্গারেট মিচেলের গল্পঃ
যে দিন ভেসে গেছে 
দ্বাদশ পর্ব
অনুবাদ : উৎপল দাশগুপ্ত

বিভূতিভূষণ ও শ্যামল-- এই দুজনই বাংলার নিম্নবর্গের ভাষ্যকার। মানুষ ও প্রকৃতিকে এরা ভেতর থেকে দেখেছেন গভীরভাবে। অগ্রজ বিভূতিকে নিয়ে শ্যমলের অনন্য মূল্যায়ণ পড়ুন-- 
বিভূতিভূষণ : বাংলা কথাসাহিত্যের আধুনিকতা
শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

বই পড়া
মিলান কুন্ডেরার উপন্যাস : 
দ্য কার্টেন
গৌতম মিত্র


ভালোবাসার গল্প : 
দি হ্যাঞ্চ ব্যাক অফ দি নতরদ্যাম
কুলদা রায়
-------------------------------------------------------------

"নন্দিনী এখন এক মাঝবয়েসী নারী। বৃষ্টি ও পারিপার্শ্বিকতা তাকে বারবার নিয়ে যায় কলেজ জীবনের উচ্ছ্বলতায়,  ছোঁয়া লাগায় পুরনো প্রেমিকের উদাত্ত কণ্ঠে আবৃত্তির"-  এটুকুই ধরা থাকল দুই ভাষায় মেলানো এই কথোপকথনে।
সূত্রঃ হিন্দি ছবি 'সিলসিলা' র এক বিখ্যাত গান-কবিতা, " ম্যাঁয় অউর মেরে তনহাই অকসর ইয়ে বাতেঁ করতে হ্যাঁয়"। 

বাংলা অংশ যা কথোপকথনে ব্যবহৃত হয়েছে সেটি রচনা করেছেন সুদেষ্ণা দাশগুপ্ত। 
শ্রুতিনাটক
                                                কন্ঠঃ সোমনাথ বোস ও সুদেষ্ণা দাশগুপ্ত। 
                                                আবহঃ  সন্দীপ দে।
                                                  স্টুডিওঃ  আবহ।

মুভি শো
সার্ভেন্তিস

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন