সোমবার, ৮ জুলাই, ২০১৯

গল্পপাঠ।। বৈশাখ-জৈষ্ঠ্য।। ১৪২৬।। মে-জুন।। ২০১৯।।। সংখ্যা-৬৭


পরিকল্পনা ছাড়াই গল্পপাঠের এ সংখ্যা নারী গল্পকারদের গল্পসংখ্যা হয়ে উঠেছে।
নারী লেখক-- শব্দ দু'টো শুনলেই আমরা তাঁদের লেখাগুলোকে একটি গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ করে ফেলি। প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী নারী লেখকদের লেখার বিষয়বস্তু খুবই সীমাবদ্ধ।
নানাবিধ নিত্যনতুন তত্ত্ব লেখা বা আখ্যানের সীমান্তকে প্রসারিত করে চলেছে প্রতিনিয়ত। নতুন নতুন ধারণা বা তত্ত্বসমৃদ্ধ লেখা জানালা খুলে দিচ্ছে সাহিত্যের বিভিন্ন আঙ্গিকের। সেখানে ধারণা করা হয়, নারী লেখকদের বাছাইকৃত তত্ত্ব বা লেখার আঙ্গিক যেন ঘুরপাক খায় সেই প্রচলিত ভাবনাগুলোতেই।

তবে খুব দ্রুত পালটে যাচ্ছে সে ধারণা। ছকবাঁধা সেই আঙ্গিক থেকে বেরিয়ে আসছেন নারী লেখকেরা। বর্তমান সমাজের প্রবহমান চিন্তন ও তথ্য তত্ত্বের বয়ান এখন উঠে আসছে নারী লেখকদের কলমে। প্রতিটি নারী লেখকই এখন সচেতনভাবে সচেষ্ট তাঁর লেখায় তুলে আনতে মানবিক সমাজ তথা মানবিক জীবনের এক স্পষ্ট ভাবনাচিত্র। নারী লেখকদের সেই প্রচেষ্টালব্ধ ভিন্ন আঙ্গিকের কিছু লেখা প্রকাশিত হলো গল্পপাঠের এবারের সংখ্যায়।

গল্পপাঠে ইবুক সেকশনে দেশি বিদেশি অসংখ্য সেরা গল্প উপন্যাসের বইয়ের পিডিএফ রাখা হয়েছে। সেগুলো ডাউনলোড করে পড়বেন আশা করি। ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে গল্পের এক বিশাল আর্কাইভ। 
--স্মৃতি ভদ্র
হারিয়ে যাওয়া গল্প
অনেকেই ভালো লিখেছেন। অনেকে হারিয়ে গেছেন নানা কারণে--অনেকে হারিয়ে যাবেন। গল্পপাঠ এখন থেকে হীরকখণ্ডের মতো  সেইসব হারিয়ে যাওয়া গল্প প্রকাশ করবে ধারাবাহিকভাবে।

চণ্ডী মণ্ডলের জন্ম ১৯৪৬ সালে। মৃত্যু ২০০৯ সালে।  তাঁর উপন্যাসের নাম-- হাত নেই, মরু অভিযান ও অলীক অবাস্তব।  নিভৃতচারী ও অন্তর্মুখী ছিলেন তিনি।নানা পরীক্ষা-নীরিক্ষায় বিশ্বাস করতেন। তাঁর কয়েকটি সেরা গল্প-- মৃত্যুর পথে, ফাঁদ ও অনৈতিহাসিক।  

শিবতোষ ঘোষ জন্ম ১৯৪৯ সালে মেদিনীপুরের ক্ষয়িষ্ণু এক কৃষক পরিবারে। তাঁর গ্রামের নাম খাসতালুক। নদীর নাম কংসাবতী। কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাশ করেছিলেন। চাষবাস, শিক্ষকতা, সংবাদকর্মী হিসেবে কাজ করেছেন। খেলনাপাতি গল্পটি তারাশঙ্কর পুরস্কার পেয়েছিল।

এ সময়ের চারটি শ্রেষ্ঠ গল্প
দেশভাগের গল্প
১৯৪৭ সালের দেশভাগ অসংখ্য মানুষকে করেছে বাস্তুচ্যূত। অনেকে হয়েছেন নিঃস্ব। অনেকে হারিয়েছেন প্রতিবেশী, বন্ধুবান্ধব। বিচ্ছিন্ন হয়েছেন এরা পূর্বপুরুষের স্মৃতিসম্পদ থেকে। অনেকে বংশপরম্পরায় বহন করে চলেছেন সমষ্টিগত বিষাদ। 
এর মধ্যে দিয়েই দুদেশে শেকড়চ্যূত নতুন মানব সমাজ গড়ে উঠেছে। ফিরে যাওয়ার আর সুযোগ নেই। আছে কিছু দীর্ঘশ্বাস। আছে বিস্মরণের ষড়যন্ত্র।
গল্পপাঠ এই বিস্মরণের ভেতর থেকে স্মৃতিকে ফেরানোর উদ্যোগ হিসেবে নানা সময়েই দেশভাগ নিয়ে গল্প, প্রবন্ধ, সাক্ষাৎকার প্রকাশ করে থাকে। এ সংখ্যায় প্রকাশিত হলো, পশ্চিমবঙ্গের দুজন প্রবীণ কথাসাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও অভিজিৎ সেনের দুটো গল্প। এঁরা দুজনই যথাক্রমে ফরিদপুর ও বরিশাল থেকে পশ্চিমবঙ্গে পাড়ি দিয়েছিলেন। 
বাংলাদেশের তিনজন নতুন প্রজন্মের কথাসাহিত্যিক সাগুফতা শারমীন তানিয়া, মাসুদা ভাট্টি ও স্বকৃত নোমান দেশভাগ দেখেননি। তাদের কেউ দেশত্যাগও করেননি সাতচল্লিশে বা তারপরে। এঁদের তিনজনের  তিনটি গল্প প্রকাশিত হলো।
বিপ্লব উত্তর রুশ সাহিত্য 
২য় পর্র

ভ্লাদিমির তুচকভ'এর গল্প
ভ্লাদিমির তুচকভ: জন্ম-২৬ এপ্রিল ১৯৪৯। বর্তমান বয়স ৭০ বছর। কবি ও কথাসাহিত্যিক হিসেবে খ্যাতিমান। তাঁর এই গল্পটি ‘ফিফটি রাইটার্স: অ্যান অ্যানথোলজি অব টুয়েন্টিথ সেঞ্চুরি রাশান শর্ট স্টোরিস’ থেকে নেওয়া হয়েছে। ২০১১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বস্টন থেকে বইটি প্রকাশিত হয়। বইটি সম্পাদনা করেছেন মার্ক লিপোভেস্টকি এবং ভ্যালেন্টিনা ব্রউগার। গল্পগুলির অনুবাদ ও টীকা তৈরি করেছেন মার্ক লিপোভেস্টকির সহযোগে ভ্যালেন্টিনা ব্রউগার এবং ফ্রাঙ্ক মিলার। মূল রুশ থেকে ইংরেজি গল্পটি নাম ছিল ‘দ্যা লর্ড অব দ্যা স্তেপস’। নব্বইয়ের দশকের পরও সোভিয়েত-উত্তর রাশিয়ায় সামন্ততন্ত্র ও ভূমিদাস প্রথার জের কতটা রয়ে গেছে তাঁর ভয়াবহ ও শিল্পিত রূপ এই গল্পটি।

অনুবাদ : হামীম কামরুল হক

আন্দ্রেই প্লাতোনোভিচ প্লাতোনভ - রুশ লেখক এবং সাহিত্যিক। ১৮৯৯ সালে জন্ম। এগারো ভাইবোনের সবচেয়ে বড় ছিলেন প্লাতোনভ। তের বছর বয়সে শ্রমিক হিসেবে কর্মময় জীবন শুরু করেন। ১৯১৮ থেকে ১৯২১ সাল পর্যন্ত তার কবিতা ও বিভিন্ন আর্টিকেল প্রকাশ পায়। তিনি কম্যুনিস্ট পার্টির সদস্য হয়েও সরকারের কাজের সমালোচনা করে স্ট্যালিনের বিরাগভাজনে পরিণত হয়েছিলেন। ১৯৫১ সালে মাত্র পঞ্চাশ বছর বয়সে প্লাতনভ মারা যান। তার মৃত্যুর দীর্ঘ বছর পেরিয়ে তার সৃষ্টিকর্ম প্রকাশিত হয়। উল্লেখযোগ্য বইগুলো হচ্ছে, The foundation pit , chevengur, Happy Moscow, The fierce and beautiful world, Soul, ইত্যাদি।
আন্দ্রেই প্লাতোনভ'এর  দুটি গল্প 
অনুবাদক : রুখসানা কাজল ও দীপেন ভট্টাচার্য
-----------------------
তৃতীয় পুত্র
অনুবাদ : রওশন জামিল
১৮৯৯ সালে রাশিয়ায় নবোকভ জন্মগ্রহণ করেন। ১৯১৮ সালে তাঁর পরিবার ইউরোপে চলে যায়। পরে ১৯২০ সালে জার্মানীতে আসেন। সেখান তাঁর বাবা গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। ১৯৪৫ সালে নবোকভ আমেরিকার নাগরিকত্ব পান। ১৯৬১ সালে তিনি সুইজারল্যান্ডে থিতু হন। কথাসাহিত্যের পাশাপাশি তিনি অধ্যাপনা ও কীটতত্ত্ববিদ হিসেবেও কাজ করেছেন।
তিনি শুরুতে রুশ ভাষায় সাহিত্য রচনা করলেও পরবর্তীতে ইংরেজিতে অভিনব গদ্যশৈলীতে উপন্যাস রচনার জন্য আন্তর্জাতিক খ্যাতিলাভ করেন। ললতিয়া তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস।.১৯৭৭ সালে সুইজারল্যান্ডে মারা যান।
ভালদিমির নাবোকভ'এর গল্প :
অনুবাদ : দেবাশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়

ফিউদর সলোগাব'এর গল্প :
পশুর আহবায়ক
অনুবাদ :ফারহানা রহমান

অনুবাদ ঃ কণিষ্ক ভট্টাচার্য
ভার্লাম তিখনোভিচ শালামভের জন্ম ১৯০৭ সনে। ২২ বছর বয়সে, ১৯২৯ সনে, তিনি যখন মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের ছাত্র ছিলেন, তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিন বছর কারাভোগের পরে ১৯৩৭ সনে তাঁকে আবার গ্রেপ্তার করে সাইবেরিয়ার কোলিমার বন্দীশিবির বা গুলাগে পাঠানো হয়। দীর্ঘ ১৭ বছর পরে ছাড়া পেলে তাঁর কিছু কবিতা সরকারি পত্রিকায় ছাপা হতে থাকে। ভারলাম শালামভ ১৯৮২ সনে মারা যান।

                  ভার্লাম শালামভ'র গল্প : সাপুড়ে
             অনুবাদ : রুমা মোদক ও দীপেন ভট্টাচার্য

দানিয়েল খারমস লেনিনগ্রাদে জন্মগ্রহণ করেন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে। তিনি এ্যাবসার্ড কবি ও নাট্যকার হিসেবে পরিচিত। এছাড়া তিনি ছোটোদের জন্য বেশ কিছু বই লিখেছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তাঁকে রুশ সরকার সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে নির্দেশ দেয়। তিনি যোগ দিতে অস্বীকার করায় তাকে গ্রেফতার করে মানসিক কারাগারে রাখা হয়। সেখানে তিনি অনাহারে মারা যান ১৯৪২ আলে। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ৩৬ বছর।
দানিয়েল খারমস'এর দুটি গল্প : 
অনুবাদ : চকোরি মিত্র

ইভান বুনিনের জন্ম ১৮৭০, ভোরোনেজ, রাশিয়া। মৃত্যু ১৯৫৩ প্যারিস, ফ্রান্স। কথাশিল্পী, কবি, প্রবন্ধকার ও অনুবাদক। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস দি ভিলেজ, দি লাইফ অফ আরসেনিয়েভ, কার্সড ডেজ। তিনি শুরুতে আন্তিভ চেখভ ও লিও তলস্তয়ের অনুসারী ছিলেন। ম্যাক্সিম গোর্কির সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব হয়েছিল। নভোক বুনিনের অনুরাগী ছিলেন।
বুনিন ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবকে খুশি মনে স্বাগত জানাননি। তিনি ওদেশা ছেড়ে মস্কোতে চলে যান। ১৯২০ সালে প্যারিসে স্থায়ী হন। ১৯৩৩ সালে বুনিন নোবেল পুরস্কার পান।
ইভান বুনিন'এর গল্প :
অনুবাদ : কুলদা রায়




এক গুচ্ছ গল্প


মেক্সিকান অনুবাদ গল্প
মেক্সিকান সাহিত্যিক  খুয়ান রুলফোর জন্ম ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দে। মৃত্যু ১৯৮৬ সালে। তিনি গল্পকার, ঔপন্যাসিক , চিত্রনাট্যকার ও ফটোগ্রাফার। তাঁর দুটো ১৯৫৩ সালে ১৫টি গল্পের সংকলন  El Llano en llamas প্রকাশিত হয়। এই গল্পগুলো মেক্সিকান রেভিউল্যুশন ও ক্রিস্টারো যুদ্ধের সময়কার মেক্সিকান গ্রামজীবন নিয়ে রচিত। তার উপন্যাস Pedro Páramo লাতিন সাহিত্যের মাস্টার পিস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ প্রথম চারটি বই লেখার পরে রাইটারস ব্লকে পড়েন। তখন কিছু লিখতে পারছিলেন না। এ সময় তিনি রুলফোর উপন্যাস Pedro Páramo পড়েন। এই বইটির রচনাশৈলীতে মুগ্ধ হন। এবং তারপরই তিনি শতবর্ষের নিঃসঙ্গতা উপন্যাসটি লেখার অনুপ্রেরণা পান।
অনুবাদ ঃ জয়া চৌধুরী

ইতালীর অনুবাদ গল্প
ইতালো ক্যালভিনো (১৯২৩ – ১৯৮৫) 
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর ইতালির একজন বিশিষ্ট লেখক এবং সাংবাদিক। বিভিন্ন ভাষায় অনুদিত ইতালিয়ান সাহিত্যিকদের অন্যতম। The Path to the Spider’s Nests, Invisible Cities, If on a Winter’s Night a Traveller - তাঁর লেখা কয়েকটি বিখ্যাত উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদ। 
ইন্দ্রিয়ানুভূতি নিয়ে তিনি পাঁচটি গল্প লেখার পরিকল্পনা করেন। উপরোক্ত গল্পটি তারই একটি। এই গল্পের উপপাদ্য বিষয় হল রসনা। দুঃখের বিষয় তিনটি গল্প লেখার পরেই তাঁর মৃত্যু হয়।
        ইতালো ক্যালভিনো 'র গল্প :
     অনুবাদ : উৎপল দাশগুপ্ত

 আলজেরিয়ার গল্প
আলজেরিয়ার সমকালীন কথাসাহিত্যিক, কবি, সাংবাদিক এবং টেলিভিশনের উপস্থাপক আব্দেররাযাক বুকেবার জন্ম ১৯৭৭ সালে, পূর্বাঞ্চল এলাকার আওলাদ জি’শ গ্রামে । তিনি সাহিত্য নিয়ে পড়াশুনা করেন এবং ১৯৯৬ সালে বিএ ডিগ্রী অর্জণ করেন । টেলিভিশন এবং রেডিওর সম্পাদক হিসাবে যোগদান করার আগে তিনি আলজেরিয়ার জাতীয় গ্রন্থাগারের পরামর্শক হিসাবে নিয়োজিত ছিলেন ।

             আব্দেররাযাক বুকেবা'এর চারটি গল্প :
                          অনুবাদ : ফজল হাসান

মার্গারেট মিচেলের ধারাবাহিক উপন্যাস
যে দিন ভেসে গেছে
ত্রয়োদশ পর্ব
অনুবাদ : উৎপল দাশগুপ্ত
চিমামান্দা নগুজি আদিচি’র প্রথম সাড়া জাগানো লেখা ‘পার্পল হিবিসকাস’ উপন্যাস। এছাড়া তিনি ‘হাফ অফ এ ইয়েল সান’ এবং ‘আমেরিকানা’ নামেও উপন্যাস লিখেছেন। তার আলোচিত ননফিকশনের বই ‘উই শুড অল বি ফেমেনিস্ট’। ‘পার্পল হিবিসকাস’ উপন্যাসের জন্য ২০০৪ সালে পেয়েছেন ‘কমনওয়েলথ রাইটার্স প্রাইজ’, ‘হাফ অফ এ ইয়েল সান’ উপন্যাসের জন্য অরেঞ্জ প্রাইজ, ২০১৪ সালে তার ‘আমেরিকানা’ উপন্যাসটি জিতে নেয় আমেরিকার ন্যাশনাল বুক ক্রিটিক সার্কেল এওয়ার্ড। ২০০৯ সালে প্রকাশিত হয় তার গল্পের বই ‘দ্য থিং এরাউন্ড ইওর নেক’; ২০০৩ সালে ছোটগল্প ‘দ্য আমেরিকান এম্বেসি’র জন্য পান ও’হেনরি পুরস্কার, ২০০৮ সালে লাভ করেন ‘রিডার ডাইজেস্ট অথর অফ দ্য ইয়ার’ পদক। 

                       অনুবাদ : এমদাদ রহমান

গৌতম মিত্র
চারটি বই নিয়ে আলাপ
শেষের দিব্যেন্দু পালিত
বেগম রোকেয়ার নারীভাবনা : প্রসঙ্গ ‘মতিচূর’
রমাপদ চৌধুরী’র উপন্যাসের উপসংহার
অমাবস্যার গান : অন্ধকারের আলো 
আলোচক : পুরুষোত্তম সিংহ

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন