শনিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২০

মিয়া কুটো'র গল্প : ঈশ্বরের পাখিসব

অনুবাদ : এলহাম হোসেন 

(মিয়া কুটোর জন্ম ১৯৫৫ সালে মোজাম্বিকে। ২০টিরও বেশি দেশে তাঁর লেখা ছাপা হয় নানা ভাষায়। পর্তুগীজ ভাষায় লেখেন, তবে তা মোজাম্বিকের স্থানীয় ভাষার সাথে মিশিয়ে। যাদু বাস্তবতা তাঁর লেখায় ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে। লেখায় কল্পনা, মিথ, প্রবাদ-প্রবচন, ধাঁধাঁ ও কিংবদন্তি ব্যবহার করে কাব্যিক আবহ তৈরি করে তিনি নির্মাণ করেন আফ্রিকার এক নতুন ন্যারেটিভ বা বয়ান।)


মিয়া কুটো'র গল্প : ঈশ্বরের পাখিসব

মাফ করবেন, নদীর ব্যাপারে একজন তীর্থ যাত্রীর চেয়ে আমি বেশি কিছু জানি না। ঢেউয়ের কোনো অন্ত নেই। কতকাল ধরে পানির এই উথাল-পাথাল চলছে, তা কে জানে? পুরাতন ডিঙ্গি নৌকাটাতেই জীবনটা পার করে দিল আরনেস্তো তিমবা। বার বছর বয়সেই সে মাছ ধরার কাজ শুরু করে। গত ত্রিশ বছর ধরে জলের সামান্য নড়াচড়াতে মীন সন্তানদের গতিবিধি সে বুঝতে পারে। এতসব কীসের জন্য? খরায় মাটির ত্রাহি অবস্থা; বীজগুলোও তাদের কথা রাখছে না। মাছ ধরে ফিরে আসার পর তার স্ত্রী-সন্তানদের শুলদৃষ্টি থেকে নিজেকে বাঁচানোর কোনো উপায় তার জানা নেই। কুকুরের মতো চেয়ে থাকাকে সে ঘৃণা করে কিন্তু সত্য কথাটা হলো, ক্ষুধা মানুষকে পশু বানিয়ে দেয়। তিম্বা ধীরে ধীরে ডিঙ্গি নৌকা বায় আর নিজের ভবযন্ত্রণার কথা ভাবে। নৌকা বাইতে বাইতে নদীটার সরু অংশে মেহগুনি গাছের নিচে এসে থামে। জিরিয়ে নেয় যাতে দুঃখের ভাবনাগুলোকে তাড়িয়ে দেওয়া যায়। জলের বুকে ডিঙ্গিটাকে স্থির রাখার জন্য সে ধীরে ধীরে বৈঠা দিয়ে জলে মৃদু আঘাত করে। কিন্তু ভাবনাগুলো তার পিছু ছাড়ে না। 

কী এমন জীবন আমি যাপন করলাম? জল আর জল। জল ছাড়া আর কিছু নেই। ডিঙ্গিটা এদিক-ওদিক যত নড়ে তার যাতনা ততো বাড়ে। ‘একদিন দুঃখগুলো আমাকে খেয়ে ফেলবে, নদীই আমাকে গিলে ফেলবে।’ 

সে আগে-ভাগে কল্পনায় দেখে নেয় যে, তার বউ আর ছেলেমেয়ে তাকে কাদা থেকে টেনে হিঁচড়ে তুলে নিয়ে যাবে যেমন পানি থেকে কোনো গাছ উপড়ে উঠালে তার শিকড়-বাকড় ছিড়ে যায়, ঠিক সেভাবে। 

মাথার ওপর সূর্যের প্রখর তাপকে ধরে ফেলছে মেহগুনি গাছটা। কিন্তু সেদিকে তিম্বার কোনো নজর নেই। তার চোখ তখন তার আত্মার গভীরে উঁকি দিতে ব্যস্ত। মনে হয় তার চোখও অন্ধ হয়ে গেছে, কারণ বেদনাগুলো ধুলোর মতো তার চোখের আলো নিভিয়ে দিয়েছে। সূর্যটা অনেক উপরে উঠে গেছে, তবুও সে সকালের সুঘ্রান পাচ্ছে। 

‘আমি যদি নীল আকাশে মিলিয়ে যেতে পারতাম’, সে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলে। 

ত্রিশ বছরের ক্লান্তির বোঝা অনুভব করে সে। তার বাবার মুখের কথাগুলো যা তিনি তাকে সাহস দেয়ার জন্য বলতেন, তা মনে পড়ে। 

‘ওই যে শিকারির দিকে তাকিয়ে দেখ। ও কী করছে? যে মুহূর্তে সে একটা হরিণকে দেখে, ঠিক সেই মুহূর্তেই সে তার বর্শা তাক করে। কিন্তু জেলে তো জলের মধ্যে মাছ দেখে না। একজন জেলে নিজে যা দেখে না তা বিশ্বাস করে।’ 

ওটাই ছিল তার ধরা-বাঁধা জীবনের শিক্ষা। এখন সে ওই জ্ঞানগর্ভ কথাগুলো স্মরণ করছে। 

দেরি হয়ে যাচ্ছিল। ক্ষুধাও তাকে জানান দিচ্ছিল যে, তার ঘরে ফেরার সময় হয়ে গেছে। শেষবারের মতো উপরে মেঘেরও ওপারে তাকানোর সময় হাত নাড়লো। ঠিক সেই মুহূর্তে বিশাল এক পাখি মাথার উপর চক্কর দিতে লাগলো। পাখিটি দেখতে অভিজাত, আর জৌলুসেও আত্মম্ভরী। উড়ন্ত পাখিটি তার নজর কাড়লো। এক ধরনের রহস্যময় উদ্বিগ্নতা তার ওপর ভর করলো। সে ভাবলো, 

‘পাখিটা যদি আমার ডিঙ্গি নৌকায় নেমে আসতো!’ 

এই কথাগুলো সে জোরে জোরেই আউড়ালো। কথাগুলো শেষ হতে না হতেই পাখিটা দ্রুত এবং সোজা তার নৌকার দিকে নেমে আসতে থাকলো। মৃতদেহের মতো এটা নেমে এল নৌকায়। তিম্বা ক্ষতবিক্ষত পাখিটিকে তুলে নিলো। হাতে নিয়ে দেখলো এর রক্তপাত হয়নি। তারপর ধীরে ধীরে নৌকার ওপরই এটি সুস্থ হয়ে উঠলো। পরে উঠে দাঁড়িয়ে খাবার খেল। তিম্বা একে জাপটে ধরে ওজন নিলো, দেখলো, একে কয়বেলা খাওয়া যাবে। তবে শীঘ্রই এ ধারণা সে ঝেড়ে ফেললো। পাখিটিকে উড়ে যেতে সাহায্য করলো। 

‘উড়ে যা পাখি, যেখান থেকে এসেছিলি সেখানে চলে যা।’ 

কিন্তু পাখিটা ঘুরে নৌকার দিকে মুখ করে দাঁড়ালো। জেলে আর একবার একে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলো। কিন্তু পাখিটা আবার ফিরে আসলো। আরনেস্তো তিম্বা হতাশ হলো। 

‘ওরে পাখি, তুই তোর জীবনের কাছে ফিরে যা।’ 

কিছুই হলো না। পাখিটা নড়লো না। জেলে এবার অবাক হতে শুরু করলো, ওটা তো পাখি নয়। ওটা ঈশ্বরের নিদর্শন। ঈশ্বরের সাবধান বাণী তার সব সুখ-শান্তি নষ্ট করে দিলো। 

পাখিটাকে সঙ্গে নিয়ে গ্রামে ফিরলো। তার বউ তাকে ফিরে আসতে দেখে তো মহা খুশি: 

‘নাও, দুপুরেই পাখিটাকে খেয়ে ফেলি।’ আল্লাদে গদগদ হয়ে সে তার ছেলেমেয়েদের ডাকলো। ‘বাচ্চারা আয়, হ্যাংলা পাখিটাকে দেখে যা।’ 

কোনো প্রত্তুত্তোর না করে তিম্বা পাখিটাকে মাদুরের ওপর রেখে বাড়ির পেছন থেকে কিছু কাঠের তক্তা, তার আর নলখাগড়া আনতে গেল। এরপর সে বসে গেল পাখির জন্য খাঁচা বানানোর কাজে। খাঁচাটি এত বড় করে বানালো যে, এর মধ্যে আস্ত একজন মানুষও সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে পারবে। এর ভেতরে পাখিটাকে রেখে সে একে মাছ খেতে দিলো। 

বউ তো হতভম্ব হয়ে বলতে লাগলো: লোকটা পাগল হয়ে গেছে। সময় যত গড়িয়ে যেতে থাকলো, তিমবাও পাখিটার বেশি বেশি যত্ন নিতে থাকলো। 

পাখিটাকে দেখিয়ে দিয়ে তার বউ জিজ্ঞাস করে-- 

‘ক্ষুধা আমাদের ক্যামনে কাতর করছে তা দেখে তুমি কি পাখিটিকে হত্যা করবে না? তিম্বা হাত উঁচিয়ে জোর দিয়ে বলে, ‘কখনোই না! পাখিটাকে যে স্পর্শ করবে সে ঈশ্বরের তরফ থেকে শাস্তি পাবে। সারা জীবনের জন্য অভিশপ্ত হবে।’ 

দিন যায়, রাত যায়। জেলে ঈশ্বরের তরফ থেকে নতুন কোনো নির্দেশনা আসার অপেক্ষায় থাকে। আর্দ্র দুপুরের ভীষণ রোদে সে নদীর ধারে বসে থাকে। সূর্য অস্ত গেলে পাখিটাকে দেখতে যায়। পাখিটা ধীরে ধীরে ফুলে--ফেঁপে উঠছে। সে লক্ষ্য করলো যে পাখিটি বরং ধীরে ধীরে বিষন্ন হয়ে পড়ছে। সে বুঝতে পারলো, পাখিটির দুঃখের কারণ হলো এর একাকীত্ব। এক রাতে সে এর সঙ্গী পাঠানোর জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করলো। পরের দিনেই সে খাঁচায় এক নতুন নারী বাসিন্দাকে আবিষ্কার করলো। তিম্বা নিরবে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানায় এই নতুন উপহারের জন্য। একই সঙ্গে তার মধ্যে উদ্বিগ্নতার শেকড়ও গঁজে উঠতে শুরু করলো। ঈশ্বর কি তাকে এই প্রাণীগুলো পাঠিয়ে তার ঈমানী পরীক্ষা নিচ্ছেন? এরা তার জন্য কী বার্তা বয়ে এনেছে? 

সে ভাবে আর ভাবে। ওই যে নিদর্শন, সাদা পালকের মতো বিদ্যুতের ঝলকানি নির্দেশ করছে যে, ঈশ্বরের মেজাজ-মর্জির পরিবর্তন হতে চলেছে। মানুষ যদি ঈশ্বরের বার্তা বাহকদের প্রতি করুণা বর্ষণ করে, তাহলে খরার সমাপ্তি ঘটবে এবং বর্ষা মৌসুমের সুত্রপাত হবে। তার মতো একজন জেলের কাঁধে ঈশ্বরের প্রতিনিধির মেহমানদারী করার দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে। তার দায়িত্ব হলো এটি প্রমাণ করা যে, মানুষ এখনো ভালো কাজ করতে পারে। এই সত্যিকারের ভালত্ব প্রদর্শন করা যায় তখনই, যখন ক্ষুধা শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে খেমটা নৃত্য নাচে। যখন প্রাচুর্য থাকে, তখন নয়। তার বউ ক্ষেত থেকে ফিরে এসে তার চিন্তায় বাগড়া দেয়। 

‘ও এখন দেখছি দুইটা, তাই নাকি?’ 

সে এসে স্বামীর সঙ্গে একই মাদুরে বসে অনেকক্ষণ তার চোখের দিকে তাকিয়ে থাকে। তারপর বলে, ‘ওগো, বলি কি, ওদের মধ্য থেকে একটার গলায় ছুরি চালাও। পাতিল তো চুলার ওপর চড়ানোই আছে।’ 

এটা আসলেই অরণ্যে রোদন। তিম্বা প্রতিজ্ঞা করে, এই স্বর্গীয় পাখিগুলোর সঙ্গে যে দুর্ব্যবহার করবে, সে তাকে সে চরম শাস্তি দেবে। 

এক সময় এই পক্ষী যুগলের বাচ্চা-কাচ্চা হলো। তিন-তিনটা ছানা। জবরজং, কদাকার আর সব সময় ওরা হা করেই থাকে। এত রুচি যেন নদীটাকে শূন্য করে ফেলবে। তিম্বা ওদের বাবা-মার পক্ষ থেকে খেটে যাচ্ছে। বাড়িতে যা ছিল, যদিও তা যৎসামান্যই, তার সবই এদের খাইয়েছে। 

গ্রামে গুজব রটে গেছে : আরনেস্তো তিম্বা পুরোপুরি পাগল হয়ে গেছে। অনেক হুমকি-ধামকির পর তার বউও বাচ্চা-কাচ্চাদের নিয়ে বাড়ি ছেড়েছে। তিম্বা যেন তার পরিবারের অনুপস্থিতি উপলব্ধিই করে না। সে তার পোষা পাখিগুলোর রক্ষণাবেক্ষণে আরো বেশি সতর্ক ও মনোযোগী হয়ে উঠলো। সে তার চারপাশে ঈর্ষার গন্ধ পায়। প্রতিহিংসাও গজে উঠছে। ঈশ্বর তাকে এ কাজের জন্য বেছে নিয়েছেন-- এটা কি তার অপরাধ? লোকজন বলাবলি করে, ও পাগল হয়ে গেছে। তবে যাকে ঈশ্বর মনোনীত করেন, সে তার নিত্যদিনের স্বাভাবিক কর্মকান্ড থেকে সরে যায়। 

তারপর একদিন বিকেলে যখন সে নদীতে তার কাজ শেষ করে এনেছে, তখন এক অজানা আশঙ্কা তার ওপর ভর করলো : পাখিগুলোর কী যে হলো! সে ছুটলো বাড়ির দিকে। কাছাকাছি যেতেই দেখল তার বাড়ির চারপাশের গাছগুলোর মধ্য থেকে ধোঁয়ার কুন্ডলী উঠছে। সে দ্রুত ডিঙ্গি চালাতে লাগলো। তীরের কাছাকাছি পৌঁছেই লাফিয়ে পড়লো। নৌকাটা বাঁধলোও না। দৌঁড়াতে শুরু করলো অকুস্থলের দিকে। পৌঁছার পর ধ্বংসাবশেষ ও ছাইভস্ম ছাড়া আর কিছু তার চোখে পড়লো না। আগুনের শিখা কাঠের তক্তা আর সেগুলো বাঁধার দড়িগুলোকে গিলে ফেলেছে। তক্তাগুলোর মধ্যে একটা অক্ষত ডানা দেখতে পেল সে। ডানাটিই শুধু নিজেকে বাঁচাতে পেরেছে। পাখিটা আগুনের মধ্যে পড়ে গিয়েছিল। তবে ডানাটা অগ্নিশিখার বাইরে ছিল। একটা অলক্ষুণে তীর যেন এই ধ্বংসযজ্ঞের দিকে তাক করাই ছিল। মৃত কোনো বস্তুর মতো শক্ত হয়ে ওটা এদিক-সেদিক ঝুলছিল। 

তিম্বা ভয়ে পিছু হটলো। স্ত্রী-সন্তানদের উদ্দেশে চিৎকার করলো। কিন্তু যখন দেখল যে বাড়িতে কেউ নেই, তখন সে রাগে-দুঃখে কাঁদতে শুরু করলো। 

কেন? কেন তারা সুন্দর পাখিগুলোকে হত্যা করলো? এবার ছাইভস্মের দিকে তাকিয়ে সে ঈশ্বরকে উদ্দেশ্য করে বলতে থাকে, 

আমি জানি তুমি রাগ করবে। তুমি তোমার বৎসদের শাস্তি দেবে। কিন্তু দেখ, আমি অনুরোধ জানাই, তুমি ওদের ক্ষমা কর। আমাকে মেরে ফেল। ওরা যে কষ্ট পাচ্ছে তার চেয়ে আর বেশি কষ্ট ওদের দিও না। তুমি বৃষ্টি না দাও, তুমি দেশটাকে ধূলি ধুসরিত করেছো, তাও না হয় ঠিক আছে। কিন্তু অনুগ্রহ করে লোকজনগুলোকে এর চেয়ে আর বেশি শাস্তি দিও না।’ 

পরের দিন গ্রামের সবাই আরনেস্তোকে নদীর স্রোতের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখল। সকালের শিশিরে সে শক্ত হয়ে গেছে। যখন তারা তাকে তোলার চেষ্টা করলো, দেখল, সে খুবই ভারী এবং জল থেকে তাকে কেউ আলাদাই করতে পারল না। সবচেয়ে শক্তিশালী লোকটাকেও এ কাজে লাগানো হলো। কিন্তু ওদের সব চেষ্টা ব্যর্থ হলো। 

শরীরটা নদীর জলের সঙ্গে যেন আটকে গেছে। এক অদ্ভুত আতঙ্ক উপস্থিত সবাইকে পেয়ে বসলো। ভয় লুকানোর জন্য কেউ একজন বলে উঠলো : 

‘যাও যাও, তার বউকে খবর দাও। অন্যান্যদের বলো, পাগলটা মরে গেছে।’ 

একে একে সবাই কেটে পড়লো। ওরা যখন তীর বেয়ে উপরে উঠছিল তখন মেঘ গর্জন করে উঠলো। আকাশটা যেন বিষন্নভাবে কাঁশি দিলো, মনে হলো যেন ও অসুস্থ। অন্য পরিস্থিতিতে ওরা বৃষ্টির আগমনকে উদযাপন করতো। তবে এখন না। এই প্রথমবারের মতো সবাই বিশ্বাস করলো যে, বৃষ্টি হবে না। 

নির্বিকারভাবেই দূরে নদীটা মানুষের অজ্ঞতা দেখে কলহাস্যে বয়ে চললো। আরনেস্তো তিম্বা নদীর ঢেউয়ের মধ্যে আলতোভাবে ঘুমিয়ে পড়েছে। নদীটা তাকে ভাটির দিকে বয়ে নিয়ে যেতে লাগলো। যে অজানা পথগুলো তিম্বার স্বপ্নের মধ্যে হাতছানি দিত, সেই পথে সে ভেসে চললো।





অনুবাদক পরিচিতি
এলহাম হোসেন
প্রবন্ধকার। অনুবাদক।
গবেষক।
ঢাকায় থাকেন। 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন