বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২০

গল্পপাঠ।। ফাল্গুন-চৈত্র।। ১৪২৬।। মার্চ-এপ্রিল।।২০২০।। সংখ্যা ৭১

অদ্ভুত আঁধার সত্যি গ্রাস করেছে পৃথিবীকে। ২০২০ সনের এপ্রিল মাসে আমরা ফিরে পেতে চাইছি কয়েক মাস আগের নিশ্চয়তা। ভাবছি এটা এক দুঃস্বপ্ন, এর থেকে জেগে উঠব নিশ্চয় যে কোন মুহূর্তে। কিন্তু বাস্তব কঠিন, এই কাঠিনত্য দর্শনের নয়, তাকে ভালবাসা যায় না। 

এই লেখাটি যখন পড়ছেন ততক্ষণে আপনি জেনে গেছেন আপনার পরিচিত কেউ, বা পরিচিতর পরিচিত এই কঠিন পীড়ায় আক্রান্ত হয়েছেন, এমনকী মৃত্যুবরণ করেছেন। আপনার নিকটজনই কেউ হয়ত চিকিৎসক, কেউ স্বাস্থ্যকর্মী অথবা এমন প্রয়োজনীয় কাজে নিযুক্ত যার স্বেচ্ছা ঘরবন্দি হবার সুযোগ নেই। তাঁদের সুরক্ষার জন্য পর্যাপ্ত পোষাক নেই, আবার তাঁরা যা দিয়ে আমাদের সেবা করতে চান সেই সেবা করবার সরঞ্জাম নেই। 

এটি আর এক ধরণের মহাযুদ্ধ, যতক্ষণ না পৃথিবীর রাজনৈতিক নেতৃত্বের বোধোদয় হবে, যতক্ষণ না বিজ্ঞানীরা গবেষণাগারে প্রতিষেধক তৈরি করতে পারবেন, যতক্ষণ না কর্তৃপক্ষ তাদের দেশের সাধারণ মানুষকে চরম অর্থনৈতিক বিপর্যয় থেকে বাঁচাতে পারবেন, যতক্ষণ না চিকিৎসক ও নার্সরা তাদের রোগীদের যথার্থ সেবা দিতে পারবেন, নিজেদেরও বাঁচাবেন ততক্ষণ এই যুদ্ধ চলবে।

এরকম পৃথিবীতে কি গল্পপাঠের জায়গা আছে? প্রতি মুহূর্তে আমরা যে উদ্বেগ উৎকন্ঠার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি তাতে কি নিশ্চিন্তে মনে সাহিত্যপাঠের সুযোগ আছে? নাকি এখনই গল্পপাঠের সময়, মাথা ঠাণ্ডা করে, সমস্ত দুশ্চিন্তা দূরে রেখে শান্ত মনে গল্পের নিবিড়তায় আচ্ছন্ন হবার সময়? যে অসহায়তা আমাদের গ্রাস করছে তাকে স্বীকার করেও মনের মধ্যে অন্য ধরণের দূর্গ গড়ার সময়। 

ভয়ানক সময় চিরায়ত চিন্তারও জন্ম দেয় – হেমিংওয়ে বা কাম্যুর রচনা থেকে আমরা তাই শিক্ষা নিতে পারি। কিংবা অতীন বন্দোপাধ্যায়ের উপন্যাসে। সেই ধারাকে রক্ষা করেই আমাদের গল্পপাঠের এই সংখ্যা – পৃথিবীর সমস্ত বাংলা পড়ুয়াদের উদ্দেশ্যে, সেই পড়ুয়ারা যে ভয়ানক অবস্থার মধ্যেই থাকুন না কেন। আমাদের আশা পাঠক যখন এই সংখ্যায় নতুন ও পুরোনো লেখকের গল্প পড়বেন, সাহিত্য বইএর পর্যালোচনা পড়বেন, ধারাবাহিক উপন্যাসের নতুন পর্বটি পড়বেন তাঁরা ভাববেন পৃথিবীর নানা প্রান্তে ছড়িয়ে অন্যান্য পাঠকের কথা – এই দুর্দিনে তাঁরা হয়তো সেই গল্পটিই পড়ছেন যে গল্পটি তাঁদের বেঁধে রেখেছে এক আশ্চর্য অদৃশ্য গ্রন্থিতে। ভাববেন পৃথিবী নামের অলৌকিক মহাকাশযানে তাঁরা সবাই একই সুখ-দুঃখের সাথী, আশঙ্কামুক্ত দিনের পথের অভিযাত্রী। গল্পপাঠের এই সংখ্যায় সেই ভ্রমণের আহ্বান জানাচ্ছি।
--দীপেন ভট্টাচার্য


বিশেষ রচনা--  
করোনার মৃত্যুচিহ্নিত সময় এবং আলবেয়ার কাম্যুর দ্য প্লেগ

লীনা দিলরুবা



অনামিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জার্নাল
গারাজ-সেল  
সারা পৃথিবীতে আজ এক বিলিয়ন মানুষ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক-ভাবে অভিবাসী, অভিপ্রয়াণকর, প্রচরণশীল। গবেষণা বলছে এই সংখ্যা দ্বিগুন হবে আগামী চল্লিশ বছরে। 

গবেষণার কথা, গবেষণার ভাষার বাইরে, আ্যাকাডেমিক কায়দা এড়িয়ে মানুষের সহজ গল্পের, সহজ গল্পের অতীতে জটিলতর বিশ্লেষণের,  দর্শনের সন্ধানে, আখ্যানের- এই নিয়ে শুরু হল- গারাজ সেল।  এই অতিমারী কাটিয়ে বিশ্বাস রাখি মানুষ বাঁচবেন। তার দুমুঠো খাদ্যের সংস্থান হবে।  মানুষের নিরাময় হবে। সুস্থ এক পৃথিবীর সন্ধানে, তবে গল্পপাঠের এই আয়োজন চলবে। পরের সংখ্যার গল্পপাঠে তবে আবার দেখা হবে। সকল মানুষের আরোগ্য হোক।


শাহাদুজ্জামান'এর গল্প :
মামলার সাক্ষী ময়না পাখি

মনের ভেতর তখন তার ঠিক কী রসায়ন চলছে, আমরা জানি না । 
মােহাম্মদ বজলু যখন জানতে পারে, কোনাে এক টেলিভিশন চ্যানেলের লােকজন ক্যামেরা নিয়ে তার বাড়ির দিকেই আসছে, তখন সে নিশানদিয়া গ্রামের দক্ষিণ প্রান্তের তার বাড়ির বিছানায় শুয়ে পড়ে ।  সম্পূর্ণ গল্প পড়তে ক্লিক করুন>>


অহনা বিশ্বাসের গল্প : 
কাছিই- মোটা এক দড়ি দুই বহুতলকে জুড়ে বাঁধা ছিল। এক ছাদের সঙ্গে অন্য ছাদ সংযুক্ত করেছিল দড়িটি।  যুবকটি ছিল একটি বাড়ির ছাদে। যুবতি ছিল অন্যটিতে। তারা পরস্পরকে দেখছিল। পরস্পরের প্রতি লক্ষ্য রাখছিলসম্পূর্ণ গল্প পড়তে ক্লিক করুন>>
সালেহা চৌধুরী 'র গল্প :
কাঠের বাক্স

মিরা অনেকদিন থেকে একটা কাঠের বাক্স চাইছে। বলছে লেপকাঁথার জন্য একটি কাঠের বাক্সের দরকার। বলি, এত ছোট বাড়ি। এখানে বাক্স রাখবে কোথায়। উত্তরে ও বলে খাটের পায়ের দিকে রেখে দেব।   সম্পূর্ণ গল্প পড়তে ক্লিক করুন>>

ময়ূরী মিত্রের গল্প : 
দেখেছি আঁধারে
ছেলেবেলায় খুব মন লাগতাম ভাইফোঁটার উপোষে | মন লাগাতাম মানে ধরুন বেলা নটা কি দশটা পর্যন্ত পেট শুকতাম | 
সম্পূর্ণ গল্প পড়তে ক্লিক>>
বেগম জাহান আরার গল্প :
পুর্বরাগ এবং তারপর

মাথা খারাপ হয়ে যায় মইনের । বন্ধু বান্ধব তার কবিতা পড়ে মুগ্ধ হয়। অহনা বলে, বুঝলো না বিষয়টা। এটা একটা কথা হলো? প্রথম প্রথম হাসাহাসি চলতো। দুজনের পরিচয় পর্বে তো বেশ বুঝতো কবিতা।
সম্পূর্ণ গল্প পড়তে ক্লিক>>
                                   
মোস্তাক শরীফের গল্প:
অপেক্ষা
ছায়া ঘনাচ্ছে। বাড়ির পশ্চিমসীমানার শেষ নারকেল গাছটির মাথার ওপর দিয়ে অপসৃয়মান সূর্যের পশ্চাৎগতির সাথে মিল রেখে, উঠানের কোনা-কানাচকে থোক থোক ধূসরতায় ভরে দিয়ে, এখানে-ওখানে সারাদিন ঘাপটি মেরে থাকা নৈঃশব্দকে আরো প্রগাঢ় ও স্বয়ম্ভু করে ছায়া ক্রমশ ঘনাচ্ছে।
সম্পূর্ণ গল্প পড়তে ক্লিক করুন>>



কাজল সেন'এর ঝুরো গল্প
রাত্রিবাস 



রুমা মোদক'এর গল্প : 
আকবর আলীর তৃতীয় পাপের আগে

মোমেনা ঘরে এসে পাশে বসে কপালে হাত রাখতেই ধপ করে নিবে যায় ইলেকট্রিসিটি। আকবর আলীর মনে হয় তার প্রস্তুতির সাথে এই শত্র“তা পূর্বপরিকল্পিত, মোমেনা ঘরে আসার সাথে সাথে অন্ধকার নামা আর তার সাথে চোরের সাক্ষী গাঁটকাটা আবহাওয়া।

মোজাফ্‌ফর হোসেনের গল্প :
স্পাই
বৃহস্পতিবার। হাফ স্কুল। ছুটি হয়েছে দুটোই, বাড়ি পৌঁছতে পৌঁছতে আরও ত্রিশ মিনিট। আমাদের বৈঠকখানার সামনে তখন বিভিন্ন বয়সী মানুষের জটলা। ছোটো হওয়ার কারণে অন্যদের পায়ের ফাঁকগলিয়ে সামনের দিকে যেতে কোনো অসুবিধা হলো না।  সম্পূর্ণ গল্প পড়তে ক্লিক করুন>>
সাদিক হোসেনের গল্প :
ভ্রমণ বৃত্তান্ত

আমার মেয়ে ছবি আঁকে। আমার মেয়ে ছবির ব্যাখ্যাও দেয়। 
প্রতিদিন অফিস থেকে ফেরার পর তার সঙ্গে এই আমার খেলা। সারাদিন ধরে আঁকা ছবিগুলো সে প্রথমে আমাকে দেখাবে তারপর আবার ব্যাখ্যাও দেবে।
সম্পূর্ণ গল্প পড়তে ক্লিক করুন>>

জয়দীপ দে'র গল্প : 
রক্তশোধ
একটা লাশ নিয়ে এতো গবেষণার কি আছে, যখন লাশটা দেখবার মতো কোন কন্ডিশনে নেই, চাপাতি আর রামদার কোপে কিমা কিমা হয়ে গেছে। বডিটা মানুষের না হয়ে ভেড়া বা ছাগলের হলে বেশ হতো। সম্পূর্ণ গল্প পড়তে ক্লিক>>


এলহাম হোসেন'এর দুটি আয়োজন

বই নিয়ে আলোচনা:
এলেচি আমাদির কনকিউবাইন-র পুনঃপাঠ

নাদিন গোর্ডিমার গল্প
পল্লীর প্রণয়ীযুগল



বৃটিশ গল্প
তৃষ্ণা
মূল : র‍্যাচেল কুস্ক
অনুবাদ : মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ


উরুগুয়ের গল্প
আরো বেশি কিছু
মূল : ওরাসিও কিরোগা
অনুবাদ ঃ জয়া চৌধুরী

জর্ডনের গল্প
ভারসাম্যের খেলা-- এক অসম্ভব সময়ের অসম্ভব এক আখ্যান।
মূল : হিশাম বুস্তানি
অনুবাদ : অমর মিত্র
হিশাম বুস্তানি জর্ডনের কবি এবং ছোটগল্পের শিল্পী। আরবীয় ভাষায় লেখেন। ওই দেশের শ্রেষ্ঠ পুরস্কারে ভূষিত। 

দি নিউ ইয়র্ককার পত্রিকার কয়েকটি বেস্ট সেলার  বই পরিচিতি
সুদেষ্ণা দাশগুপ্ত



কুলদা রায়ের ধারাবাহিক উপন্যাস
কহে জ্ঞানদাস
পর্ব ১
পর্ব ২
এক সঙ্গে দুই পর্ব

আইরিশ গল্প
নৈশ সাঁতার
মূল :  এ্যানি এনরাইট
ভাষান্তর : নাহার তৃণা
এ্যানি টেরেসা এনরাইট(Anne Teresa Enright) আইরিশ লেখক। জন্ম ১১ অক্টোবর ১৯৬২ সাল। ছয়টি উপন্যাস, প্রচুর ছোটোগল্প এবং নিজের অভিজ্ঞতা প্রসূত নন ফিকশন "Making Babies: Stumbling into Motherhood" এর রচয়িতা। সম্পূর্ণ গল্প পড়তে ক্লিক করুন>>

অলোকপর্ণার গল্প:
এইসব বিড়ম্বনা
ছাপোষা টিয়াটির নাম মিঠু, রাজুর দেওয়া। আর ছাপোষা মানুষটির নামরাজু। তার মায়ের দেওয়া। মা এখন সুপুড়ির মত বিছানায় লুটোপুটি। মাএখন বিছানায় শুয়ে থেকে চৈত্রের বাতাস লাগা জানালার পাল্লার মতএপাশ থেকে ওপাশে ধীরে ধীরে বয়। 
সম্পূর্ণ গল্প পড়তে ক্লিক করুন>>

দিলারা হাফিজের গল্প :  
ন-অন্তর 
গল্পটা শুরু হতে পারতো একজন পরম পুরোহিতকে নিয়ে। তা হবে না হয়তো। পূজারি কিংবা পুরোহিত দু’জনেই পবিত্র পূজা-মন্দিরের শীতল প্রেমের প্রলেপ, সরোবরের ফুটন্ত পদ্ম, লাল নীল কিংবা শাদা।  সম্পূর্ণ গল্প পড়তে ক্লিক>>

কার্ল রুথভেন ওফোরড'এর গল্প :
শান্ত একটি গ্রাম
অনুবাদক : ফারহানা রহমান
কার্ল রুথভেন ওফোরড একজন কৃষ্ণ-আমেরিকান কথাসাহিত্যিক। জন্মেছেন ১৯১০ খ্রিস্টাব্দে, ত্রিনিদাদে। লিখেছেন উপন্যাস, ছোটো গল্প। পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে মারা যান। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের নাম-হোয়াইট ফেস। সম্পূর্ণ গল্পটি পড়তে ক্লিক করুন>>

কয়েকটি গল্প

হারুকি মুরাকামি'র গল্প

ইপানিমার মেয়েটি
অনুবাদ : মৌসুমী কাদের

রোয়ল্ড ডাল'এর গল্প :
দক্ষিণ থেকে আসা লোকটি
ভাষান্তর : কুলদা রায়

'দক্ষিণ থেকে আসা লোকটি'-গল্পের বিশ্লেষণ
ঝরা সৈয়দ


বই নিয়ে আলোচনা
পুরুষোত্তম সিংহ


মার্গারেট মিচেলের ধারাবাহিক উপন্যাস
সপ্তদশ পর্ব
যেদিন গেছে ভেসে
অনুবাদ : উৎপল দাশগুপ্ত