শনিবার, ১০ মার্চ, ২০১৮

হামিরউদ্দিন মিদ্যা'র গল্প আজরাইলের ডাক

হারিকেনের হলুদ শিখাটা টিমটিম করে জ্বলছে ঘরের মেঝেতে। খাদুবুড়ি চোখ মেলে পড়ে আছে বিছানায়। আর উঠতে পারছে না কিছুতেই। নুলোপারা মাথাতে পাকা চুলের কয়েকগাছি অবশিষ্ট। সরু সরু প্যাঁকাটির মত হাতে-পায়ে শীর্ণ চামড়া লেপ্টে আছে হাড়ের সঙ্গে। এই হাত,পা,শরীর কিছুই তার শাসন মানে না আর। নড়তে,চড়তে পারে না। 
শুধু চোখগুলি দেখে,কানগুলি শোনে। উঠতে বসতে চলতে না পারলে কী আর দেখবে? এই দেড়টা মাস শুধু ঘরের 'টুই' এর দিকে তাকিয়ে শুয়ে আছে। মধুনি,কাঠামো আর তাদের হাড় -পাঁজরায় মাকড়শার জাল ছাড়া কিছুই দেখা যায় না। আচমকা টিকটিকি কিংবা ইঁদুর তালকাঁড়ির কড়ে দিয়ে তড়বড় করে হেঁটে গেলে কানগুলো সঙ্গে সঙ্গে সজাগ হয়ে উঠে। ভাবে সে বুঝি এল! মৃত মানুষের মত অসাড় শরীর। বিছানাতেই হেগে-মুতে ল্যাপ্টা-লেপ্টি।বয়সটা তো আর কম হল না। পঁচাশীর কাঁটা অতিক্রম করার পর মাঝেমধ্যে থমকে যাবার আভাস দেয়। পেটে দুধ,ফল,হরলিক্স পড়লে ব্যাটারি পাল্টানো ঘড়ির মত কিছুদিন টিক টিক করে বেশ চলতে থাকে,তারপর আবার যে কে সেই।

এবারে খাদুবুড়ি এমন পড়া পড়েছে,আর কিছুতেই উঠছে না। যেন চরম জেদ ধরেছে সে, 'যতই তুমি দুধ,ফল,হরলিক্স পেটে জামিন দাও আর কিছুতেই তুলতে লারবে বাছাধন। আর লয়, ইবার সুময় হয়ি এইচে।' 

বড়ছেলে দিলবাহারের ঘরে দুইমাসের থাকার পালি শেষ করে ছোটছেলে একতারের ঘরে এখন ঠাঁই নিয়েছে।এই দেড়টা মাস শয্যাশায়ী। যাকে বলে লিদেন(মুমূর্ষ)অবস্থা।ছোটছেলের ঘরে কম ভালমন্দ তো খাওয়া হল না,শরীরে তাকৎ আসছে কই?এবার শুধু তার ডাকের অপেক্ষা।মৃত্যুদূত আজরাইল কখন এসে তাকে জানান দিয়ে যাবে, 'বুড়ি তোমার দিন শেষ,এবার তৈরি হও।' তা খাদুবুড়ি তো মরার জন্য প্রস্তুত,তার কি এখনও আসার সময় হয়নি?

নিজের ভিটেমাটি সব এখানেই। একতার আগে একাই সমস্ত জমিজায়গা চাষবাস করত। মায়ের দেখভাল করত সে একাই।তারপর বড়ছেলে দিলবাহার যেদিন সমস্ত জমিজায়গা ভাগ-বাটোয়ারা করে নিজের প্রাপ্য অংশটুকু বুঝে নিল,সেদিন থেকেই খাদুবুড়ির লল্লাটের শেষ নেই।শুধু তো জমিজায়গা নয়,তার সঙ্গে মা'টাকেও ভাগ করে নিল।

ছোট বৌমা বলেছিল, 'আর তো আমরা একাই জমিগুলো চাষ করে গিলিনি,গিলছে আরও একজন।তাইলে বুড়ির দায়িত্ব আমরা একাই নিতে যাব কেনে?' 

প্রথম প্রথম ছয়মাস করে পালি।বৌমারা আলাতন হয়ে পড়ছিল।একটানা ছয়মাস বুড়ির সেবা করা সম্ভব নয়।তাই এখন সেটা কমিয়ে দুইমাস করে নিয়েছে।দিলবাহার এই নামোপাড়ায় থাকে না,ঘর তুলেছে মোড়ের কাছে।দুইমাস অন্তর অন্তর খাদুবুড়িকে নিতে আসে।

বুড়িটাকে নিয়ে নুরেসার হাড়-পিত্তি জ্বলে ছারখার হয়ে গেল।এমনও লেখন ছিল তার কপালে?খোদাতাল্লার দিলে কি একটুও রহম জাগে না?বুড়িটাকে টুক করে তুলে নিচ্ছে কই?তাকেও জানে কষ্ট দিচ্ছে,আর তাদেরকেও জ্বালিয়ে পুড়িয়ে মারছে।এই দু-দুটো মাস বুড়ির পেছনে ফাইফরমাশ খাটতে খাটতে নুরেসা নিজেও যেন বুড়ি হয়ে যাবে।আর পড়ল পড়ল,তার এখানেই লিদেন হয়ে পড়ল?ঘেন্না ধরে গেল জীবনটা।খেতে বসলে মুখে ভাত রুচে না,শুধু গা গুলায়,বমি পায়।সারাদিনে চারবার-পাঁচবার কাপড় পাল্টানো, কাঁথা-বালিশ পরিষ্কার করা, খাইয়ে দেওয়া,যা তা ব্যাপার!ছ্যা ছ্যা ছ্যা!কি বিতিকিচ্ছিরি দুর্গন্ধ! যেন রোজ মরা গরু গিলছে।

একতার নদীপাড়ের একটা ইটভাঁটায় হুকুমদারীর কাজ করে।ভাঁটা থেকে ফিরে দেখে নুরেসা মুখ গোমরা করে বসে আছে।খেতে বসে ভাত নিয়ে নাড়াচাড়া করছে।

একতার সান্ত্বনা দিয়ে বলে, 'আরে ওরকম কর না,খামখা পেটকে কষ্ট দাও কেনে?'

যত ক্ষোভ ঝরে পড়ে নুরেসার, ঝাঁঝিয়ে উঠে, 'আমি খামখা কষ্ট দিচ্ছি?বুঝ আমার কষ্ট?নিজে তো সকাল হলে বেরিয়ে পড়ছ,একদিন ঘরে থেকে মায়ের সেবা করে দেখাও না।তোমার তো জন্মদাত্রী মা।কত মা দরদী বুঝা যাবে সেদিন।'


'হা দেখ-অ।খালি রেগে যায়।রাঁধা খাওয়া কাজ আবার কি,আর ক'টা দিন পার করে দিতে লারবে?আমি ঘরে থাকলে চলবে,কাজে ধান্দায় না বেরলে তুমাদের খাওয়াব কি? '

'বসে বসে খেতে তো আসি নাই,কামিন খাটতে এইছি।' একতার এবার নরম হয়ে বলে, 'কি করবে বলো তো।না দেখলেও তো নয়।আমাদিকেও তো একদিন বুড়ো-বুড়ি হয়ে মরতে হবে।'

'আর আগুনের উপর ঘি ঢালতে আসো না বলেদিচ্ছি।কেনে,সন্ধে থেকে তো ঘরে থাক,তখন তুমি কী কাজটা কর শুনি?মাকে দেখতে পার না তখন?যত দায়িত্ব সব মেয়েদের, না?' নাকে কান্না জুড়ে দিল নুরেসা।

বোবা রাতের কথোপকথন গুলো আবছা আলো-আঁধারে দেওয়াল টপকে,দরজা ডিঙিয়ে হুড়মুড় করে ঢুকে খাদুবুড়ির কানের কাছে গিয়ে সজোরে ধাক্কা মারে।মুখ দিয়ে প্রতিবাদের ভাষা ফুটে উঠে না।শুধু চোখ দিয়ে পানি গড়ায়,বালিশ ভিজিয়ে দেয়।তার নিজের ছেলেই যদি না করে,পরের মেয়েকে দোষ দিয়ে কী লাভ!মেয়েটা তো কম করে না।

পশ্চিমের মেঝেটা খাদুবুড়ির।ইলেকট্রিক বালবের আলো তার চোখের ঘুম কেড়ে নেয়।হারিকেনটা শিথানের নিচে টিমটিম করে জ্বলছে।জানালা দিয়ে ভূতুড়ে বাতাস ঢুকে হলুদ শিখাটাকে নাড়িয়ে দিয়ে যাচ্ছে।হারিকেনটার মতোই খাদুবুড়ির অবস্থা।ওটা দপ করে নিভে গেলেই কি তার আয়ু শেষ?তা আবার হয় নাকি!মৃত্যুদূত আজরাইল এসে তাকে দেখা দেবে,তারপর জান কবজ করে নিয়ে যাবে।তবেই তো মওত।জানলাটা আজ খোলায় থাকুক।বৌমাকে লাগাতে বারণ করবে।জানালাটা দিয়েই তো জান কবজকারী ফেরেশতা আজরাইল আসবে।আজরাইল দেখতে কেমন কে জানে!প্রচন্ড ভয়ঙ্কর?যাকে দেখলেই কলজে ফেটে যায়,সারা শরীরের রক্ত জমে হিম হয়ে তৎক্ষণাৎ মৃত্যু ঘটে।সঙ্গে সঙ্গে আঁধার রাত ঘনিয়ে আসে,চিরঘুমে ডুবে যায় মানুষ।

আজ সকাল থেকেই পানি হচ্ছে প্রচন্ড। গাছের পাতারা উন্মাদ তালে দুলে দুলে এই ধরণীকে যেন লণ্ডভণ্ড করে দিতে চাইছে। খাদুবুড়ির আজই একতারের ঘরে পালি শেষ। হয়ত আজ বিকালে এসে নিয়ে যাবে বড়ছেলে দিলবাহার।জানালা দিয়ে পানির ঝিট ঢুকছিল বলে পাল্লা গুলো বন্ধ করে দিয়ে গেছে বৌমা। আধো অন্ধকারে চোখ মেলে পড়ে আছে খাদুবুড়ি।তার দারুণ শীত শীত করছে।জলীয় বাতাসের জন্য বুকের ভেতর আত্মগোপনকারী মরণ কাশিটা আরম্ভ হল।খক্ খক্ খক্...। একটানা,অবিরাম।

ওঘরে একতারের ছোটমেয়ে ইয়াসমিনা পড়তে বসেছে।দুলে দুলে ছড়া মুখস্থ করছে।বড়ছেলেটা বর্ধমানে হস্টেলে থেকে পড়াশোনা করে।

খক্ খক্ খক্...কাশি আর থামে না।আজই কি তাহলে আজরাইল আসবে?এলে ভাল হয়,তাহলে বড়ছেলের ঘরে যেতে হবে না।এই ভিটেমাটিতেই বুড়ির মরার ইচ্ছা।আজই তো শেষদিন এখানে!

দড়াম করে দরজাটা বন্ধ করে দিল কেউ।কাশির শব্দে ইয়াসমিনার পড়ার অসুবিধা হচ্ছে বোধহয়।'বেঁচে থাক মা,অনেকদিন বেঁচে থাক।' মনে মনে বিড়বিড় করল খাদুবুড়ি।

একটুক্ষণ আগেই পানি থেমে গেছে।গাছের পাতারা স্তব্ধ হয়ে যেন কোন মৃত মানুষের নীরবতা পালন করছে।নিশ্ছিদ্র আঁধার ও গভীর নীরবতা ভারী হয়ে নামল খাদুবুড়ির বুকের উপর।কঠিন পাথরের মত,অসহনীয় অচল বোঝার মত।দু'চোখ জুড়ে নেমে আসছে কী নিকষ কালো আঁধার!মৃত্যুর সময় এমনই তো আঁধার ঘনিয়ে আসে!কান পেতে রইল খাদুবুড়ি।আজরাইল এলে তার পায়ের শব্দ শুনতে পাবে কী জিনের চলার মতো?জিনের নাকি পা নয়,খুর।মসজিদে জিনরা যখন মানুষের ভেক ধরে নামাজ পড়তে আসে,তখন ওদের খুরের শব্দ পেয়েই নাকি ইমাম সাহেব টের পায়।ভিড়ের মধ্যে ঘাপটি মেরে মিশে থাকে।অনেক সময় যে মুসল্লি নামাজ ক্বাজা করে,তার ভেক ধরেই আসে।তাই কেউ বুঝতে পারে না।

এই সময় আর কাউকে মনে পড়ছে না খাদুবুড়ির।শুধু মাকে মনে পড়ছে।মায়ের মৃত্যুর সময় কী কষ্টই না করেছে সে।তিনটে মাস লিদেন অবস্থায় পড়েছিল মা।সারা রাত জেগে জেগে কাটাতে হয়েছে।খাটিয়ার উপর সুজনি কাঁথা বিছিয়ে শুতে দিয়েছিল।পাশে বসে তালপাতার পাখা নেড়ে বাতাস করত,তাতেও মায়ের কী ছটফটানি! ইমাম সাহেব রোজ দুইবেলা শিথানের পাশে বসে কোরান তেলাওয়াত করে যেত।শেষের দিকে আর গলা দিয়ে পানিও নামছিল না।সেদিন সাঁঝের বেলায় ভিড় জমল অনেক, মাকে দেখতে।সবাই গোল করে মাকে ঘিরে আছে,হঠাৎ ধড়ফড় করে উঠে বসে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল।যে মানুষটা নড়াচড়া করতে পারছিল না,হেগে মুতে বিছানা ডাঁই করে রাখছিল, সে আচমকা উঠে বসে বলেছিল, 'খাদু দেখ দেখ,কালো বিড়ালটা কেমন ড্যাব ড্যাব করে চেয়ে আছে আমার পানে।ওকে তাড়া আমার ছামু থেকে,খুব ডর করছে।' বলে একটা ফাঁকা জায়গার দিকে আঙুল বাড়িয়ে দেখিয়েছিল। 

পাড়ার মেয়েরা বলেছিল, 'কই গো চাচি, কুথায় বিড়াল?'

'ওই যে লো,ওই।কানা হয়ে গেচিস নাকি?' বলেই থর-থর করে কাঁপতে কাঁপতে ধপ করে পড়ে যায় বিছানায়।চোখের পাতা উল্টে যায়,হাত-পাগুলো হয়ে যায় ঠান্ডা বরফ। ইমাম সাহেব ব্যাপারটা বুঝতে পেরে কোরান পাঠ থামিয়ে দোয়া করেছিল।

সেদিন থেকেই খাদুবুড়ি বুঝেছিল,আজরাইল শুধু নিজের রূপ ধরেই আসে না,অনেকরকম ভেক ধরে আসে।তার জান কবজ করতে আজরাইল কিসের ভেক ধরে আসবে কে জানে!

কোনরকম চোখ মেলে তাকাল খাদুবুড়ি।শুধু তাকালই না,ঘোলাটে চোখ দুটো মেঝের ভেতর পাঁই পাঁই করে ঘুরছে।কী দেখছে খাদুবুড়ি?ঘরের কড়ি,বরগা,চাল-বাতা,দেওয়ালের পেরেকে টাঙানো থলি,জামাকাপড়, দেওয়ালের ধারে বিড়ের ওপর থাক থাক সাজানো মাটির হাঁড়ি-কুড়ি, ঘরের এককোণে ডাঁই করা চাকতি বেল্লা,থালাবাসন, ঘটি গেলাস কী?তাহলে কী এখনও এঘরের মায়া কাটেনি বুড়ির?নাকি শেষ মায়াজাল ছিঁড়ছে খাদুবুড়ি?


'খুট' করে কে যেন দরজাটা খুলল।মানুষ এত নিঃতেজ দরজা খোলে!কে এল তবে? আজরাইল?এবার খুব ভয় করল খাদুবুড়ির।শরীরটা দরদর করে ঘামছে।কিসের ভয় তার?মরণকে?এই দুটো মাস তো সে নিজেই মরণকে ডেকেছে,এই দুনিয়ার সমস্ত মোহ কাটিয়ে চলে যেতে চেয়েছে।তাহলে?

কানগুলো সজাগ হয়ে উঠল খাদুবুড়ির।থপ... থপ...থপ... থপ...করে কে যেন এগিয়ে আসছে।সারা শরীরটা দরদর করে ঘেমে উঠল।মুহূর্তে মনে মনে কলমা পড়ে নিল , 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্,মোহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ্।'

একতার খাদুবুড়ির মাথাটা কোলে তুলে নিল।খাদুবুড়ির ঠোঁট দুটো তির তির করে কাঁপছে।আর বাঁশির মত কেমন একটা শব্দ বেরিয়ে আসছে ঠোঁট বেয়ে,ফুর-র-র,ফুর-র-র...!একতারের বুকটা ভয়ে ঢিপ করে উঠল।কাল'ফুঁ(মৃত্যুর আগের শ্বাস) নয় তো!

ঘাড় ঘুরিয়ে দেখল,বড়ভাই দিলবাহার কখন পা টিপে টিপে পেছনে এসে দাঁড়িয়েছে।

খাদুবুড়ির বাহু দুটো ধরে আস্তে আস্তে নড়াতে লাগল একতার, 'দেখ মা,কে এসেছে।' খাদুবুড়ি দেখল না।চোখ দুটো আরও ঘোলাটে হয়ে গেল।

একতার আবার বলল, 'তোমার বড়ছেলে এসেছে মা,তোমাকে নিয়ে যেতে।যাবে তো?'

খাদুবুড়ি কোন সায় দিল না।

নুরেসা এগিয়ে এল এবার।

'এত ঝাঁকানোর কী আছে? মা কী কথা বলতে পারবে?' তারপর দিলবাহারের দিকে ঘুরে বলে, 'বেলা থাকতে এসেছেন যখন ভালই হয়েছে। রাত হয়ে গেলে নিয়ে যেতে অসুবিধা হত। দাঁড়ান আমি সুজনি কাঁথাটা খাটিয়ার ওপর বিছিয়ে দিচ্ছি।' বলেই নুরেসা পাশের ঘর থেকে তাড়াতাড়ি করে কাঁথাটা বের করে এনে বিছিয়ে দিল। খাটের ওপর টেনে তুলল মাকে।

খাদু বুড়ি তখনও দুই ঠোঁটের কাঁপন তুলে বাঁশি বাজাচ্ছে। কাল'ফুঁ। ফুর-র-র,ফুর-র-র...।

খাদুবুড়ি দুইছেলের কাঁধে চড়ে কোথায় যাচ্ছে? গোরস্থানে? দুই ছেলে, ছেলে বটে তো? একতার, একতার বটে তো? দিলবাহার, দিলবাহার বটে তো? নাকি আজরাইল নিজে এসেছে তার সহযোগী ফেরেশতাদের সঙ্গী করে খাদুবুড়িকে নিয়ে যেতে? আজরাইল কখন কার ভেক ধরে আসে, কেউ কি তা জানে!

১৮টি মন্তব্য:

  1. দারুণ গল্প বলার ভঙ্গী ... ভাল লেগেছে।

    উত্তর দিনমুছুন
  2. এই গল্পকার ক্রমশ প্রিয় হয়ে উঠছেন। কেমন মায়াঝরা শব্দগাঁথুনি আর অদ্ভুতসব সংলাপ...ভালো লেগেছে।

    উত্তর দিনমুছুন
  3. উত্তরগুলি
    1. এমন চোখ! নাকি চোখের চোখ নয়, হৃদয়ের!!
      আহা! বেঁচে থাকুক গল্পকারের হৃদয়। কলমও....

      মুছুন
  4. আহা কী গল্প লিখেছ হামিরুদ্দি। সোনার কলম।

    উত্তর দিনমুছুন
  5. আহা! চমৎকার লিখেছ। তুমিও একখান আস্ত আজরাইল! দিলবাহার+একতারা কে সুন্দর করে চিনিয়ে দিলে আবার।
    চমৎকার আজরাইল।
    . .

    উত্তর দিনমুছুন
  6. ছবির মত ফুটে উঠেছে গল্পের বাস্তবতা।সাথে আয়াসসাধ্য পঠন।গল্পের সত্যরূপ আলেখ্য অন্তঃকরণে এক অর্বাচীন দুঃখবোধের জন্ম দেয়।
    এগিয়ে চল ভাই হামির!!!!

    উত্তর দিনমুছুন
  7. এই মন্তব্যটি লেখক সরিয়েছেন।

    উত্তর দিনমুছুন
  8. আজরাইলের জায়গায় আজতাইল লিখে ফেলেছি,ক্ষ্মমা কোরে দিও হামিরুদ্দিন।

    উত্তর দিনমুছুন
  9. asadharon kolomer dhar , jotobar pori mugdho hote hoi . eto sahaj saral gramer gondho lege thaka vasa diye eto sundor golpo bola , avivuto bondhu . kolom jeno kokhno nathame .

    উত্তর দিনমুছুন
  10. একটানে পড়লাম।খুব ভালো লেখা। শেষটা দারুণ।

    উত্তর দিনমুছুন
  11. অসাধারন লেখা...এইরকম লেখা বারবার পড়তে ইচ্ছে করে...মাটির গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে...কলম চলতেই থাকুক।।

    উত্তর দিনমুছুন
  12. অসম্ভব ভালো একটা গল্প পড়লাম ভাই। দারুণ !

    উত্তর দিনমুছুন
  13. ভালো লাগল পড়ে।শুভেচ্ছা নেবেন।

    উত্তর দিনমুছুন