রাজীব কুমার ঘোষের গল্পঃ আলো বা ছায়ার গল্প

আমার বাবা আলো পেরোতে পারতেন না। চলার পথে কোথাও যদি ফালি আলো পড়ে থাকত তাহলে বাবা সেই আলোর রেখা পেরোতে পারতেন না। কোনোভাবেই পারতেন না।

খুব ছোটোবেলার একটা ঘটনা আমার স্মৃতিতে গেঁথে গেছিল। একটু বড় হতেই ফালি আলো সংক্রান্ত বাবার অদ্ভুত আচরণের সঙ্গে ঘটনাটা মিলিয়ে নিতে পেরেছিলাম। ঘটনাটা অনেকটা এইরকম, আমি বিছানায় একা ছিলাম। ভুল করে কেউ দেশলাই বাক্সটা বিছানায় রেখেছিল। আমি দেশলাই বাক্সে কাঠি ঘষেছিলাম। কাঠি ফস্‌ করে জ্বলে উঠতেই ভয়ে হাত থেকে পড়ে চাদরে আগুন ধরে যায় আর এই সময় বাবা ঘরে ঢুকে আমাকে ওই অবস্থায় দেখে ছুটে এগিয়ে আসতে গিয়েও থেমে যান। আমার এখনো স্পষ্ট মনে পড়ে আগুনের তাত লাগছে পায়ে আর বাবার দিকে হাত বাড়িয়ে আমি কাঁদছি, বাবা থমকে আছেন। মা পাশ দিয়ে ছুটে এসে আমাকে বুকে তুলে নিল। বাবা সেদিন থেমে গেছিলেন কারণ সকালের রোদ, গরাদ-জানলা দিয়ে ঢুকে মেঝেতে ফালি ফালি হয়ে এমাথা থেকে ওমাথা ছুঁয়ে ছিল। বাবা সেই আলো পেরোতে পারেননি।

এইরকম ঘটনা আরো আছে। দু’চারটে ঘটনা ছাড়া বাকিগুলো খুব একটা বিপদের কারণ হয়ে ওঠেনি। তবে বিপদের কারণ হয়ে না উঠলেও, আমাদের ভোগান্তি যথেষ্ট হতো। দিনের বেলা বাবার সমস্যার শেষ থাকত না। রোজ কীভাবে যে বাবা ডেলিপ্যাসেঞ্জারি করতেন, তা ভাবা যায় না। একই পথে, একই স্টেশনে, একই ট্রেনে যেতে যেতে বাবা জেনে গেছিলেন কোথায় কোথায় ফালি আলোরা পড়ে থাকে। বাবা সন্তপর্ণে সেই পথ এড়িয়ে চলতেন। স্টেশনের সেই দিক দিয়ে উঠতেন, যে দিক দিয়ে গেলে ফালি আলোরা দূরে পড়ে থাকে। ট্রেনে নির্দিষ্ট বগিতে নির্দিষ্ট কয়েকটা সিটেই তিনি বসতেন। যেসব সিটে বসলে চলন্ত বা থেমে থাকা ট্রেনের জানলা দিয়ে ফালি আলোরা বাবাকে কোনোমতেই স্পর্শ করতে পারত না। বাবার সহকর্মীদের মুখে শুনেছি ভদ্রেশ্বরের কাছে আর লিলুয়া পেরোলে এই দু’বার ফালি আলোরা বাবার পায়ের খুব কাছে চলে আসত। প্রত্যেকবার বাবা নাকি খুব অস্বস্তি নিয়ে এই সরে আসাটা নজর রাখতেন। আমি ছোটোবেলায় ভাবতাম, যদি কোনোদিন এমন হত, হাওড়া স্টেশনে ফালি আলোরা ট্রেনের মেঝেতে পড়ে থাকত তাহলে বাবা ট্রেন থেকে নামতেই পারতেন না! আমি এও ভাবতাম বাবা হাওড়া ব্রিজ পেরোতেন কী করে! তারপর বুঝেছিলাম বাবা ভিড় বাসে করে ব্রিজ পেরোতেন। ভিড় বাসে তো আর ফালি আলোরা ঢুকতে পারে না।

আমাদের চেনা জানা আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশি, বাবার বন্ধুরা, অফিসের লোকেরা সবাই জানত এই ব্যাপারটা। এখন যেমন সাইকোলজিক্যাল কাউন্সেলিং-এর খুব চল হয়েছে, তখন তেমন ছিল না। তাছাড়া এই ব্যাপারটা ছাড়া বাবার আর কোনো সমস্যা সেভাবে দেখিনি আমরা। কোনো অস্বাভাবিক ব্যাপারও নিত্যদিনের অঙ্গ হয়ে গেলে স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। বাবার ব্যাপারটাও তাই হয়েছিল। আর তা ছাড়া, আরো কত লোক তো অনেক ভাবেই পথে আটকে যেত, কেউ রাস্তায় কুকুরের জটলা দেখলে আটকে যেত। কেউ রাস্তায় নোংরা থাকলে আটকে যেত। কেউ রাস্তায় সামনে পাগল বা মানসিক ভারসাম্যবিহীন লোক দেখলে অন্য রাস্তা ধরত। অনেকে সামনের রাস্তায় কোনো দুর্ঘটনা বা পুলিশের জটলা দেখলেও অন্য রাস্তা ধরত আর সামনে যে কোনো ধরণের মিছিল দেখলে তো কথাই নেই। এমনকি আমাদের দেশে উচ্চবর্ণের ব্যক্তিদের চলার পথে নিম্নবর্ণের ব্যক্তিদের ছায়া যাতে না পড়ে সেইসব নিয়ম-কানুনের অস্তিত্বের কথাও তো জেনেছি বইতে। অস্পৃশ্যতানিরোধক আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এখনো এই নিয়ম অনেক জায়গাতে আছে। দলিতদের ছায়া মাড়ানো অপবিত্র একটি কাজ বলেই গন্য হয়। মাঝে মাঝেই কাগজে এই নিয়ে টুক-টাক খবর দেখা যায়। উচ্চবর্ণের পুরুষের গায়ে দলিত রমণীর ছায়া পড়ে গেছে জল আনতে যাবার পথে। সেই পুরুষের পরিবারের মহিলারা দলিত মহিলাকে মারধোর করে জল আনাই বন্ধ করে দিয়েছে অথবা ভিক্টিম পুরুষ হলে তার ওপর চলেছে প্রবল মারধোর। বাবার এই ফালি আলো না পেরোনো নিয়ে মাকে কেউ কিছু বললে মা, এইসব যুক্তিই তুলে ধরত। বলত, “মানুষটা তো আর জাতপাতের ছায়া মাড়ানোর ঘটনা ঘটায় না, আলোই তো পেরোতে পারে না কেবল।”

মা কি ভেতর থেকে মানিয়ে নিয়েছিল বাবার এই ব্যাপারটা? আমার মনে হয় না। ছোটোবেলায় মা আমাকে প্ররোচিত করত বাড়িতে, ঘরে ফালি রোদের ওপর দিয়ে হাঁটতে, লাফাতে। বিশেষত রোববারের সকালটা জুড়ে। বাবার চোখের সামনে আমাকে দিয়ে ফালি রোদ মাড়িয়ে মা হয়ত এক ধরণের মানসিক তৃপ্তি পেত। বাবার অস্বস্তি হত কিন্তু চুপ করে কাগজ পড়তেন। একটু বড় হতে বাবার ব্যাপারটা জানার পর আমি আর এমন করতাম না উল্টে আমি খেয়াল রাখতাম যাতে বাবার সামনে আলোর ফালি মাড়িয়ে না ফেলি। বাবা এসব নিয়ে কখনো কিছু না বললেও, আমার মনে হয় খুশিই হতেন। ধীরে ধীরে আমার ফালি আলো দেখে চলার স্বভাব হয়ে গেছিল। রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় ঠিকই খেয়াল হত কোথায় ফালি আলো পড়ছে। না, আমি বাবার মতো এগুলো এড়িয়ে চলতাম না অবশ্য। অবলীলায় পেরিয়েও যেতাম কিন্তু এই ফালি আলোগুলোকে আলাদাভাবে খেয়াল করার অভ্যেস আমার গড়ে উঠেছিল। আমি বলে দিতে পারতাম স্কুলে কোথায় কোথায় ফালি আলোরা কখন কখন পড়ে। বড় হয়ে সাইকেলে টাউন শহরটা টো-টো করে চক্কর কাটার সময় আমার মুখস্থ হয়ে গেছিল কোথায় কোথায় ফালি আলোরা আছে। ফালি আলো তৈরি করা পুরোনো বারন্দা বা জাফরিগুলোকে বা পুরনো থামগুলোকে আমি সফলভাবে চিহ্নিত করেছিলাম।

এই শহরে আদমসুমারী হয়, প্রতিটি লোককে গোনা হয়। মিউনিসিপ্যালিটির কাছে শহরের প্রতিটি বাড়ি আর প্রতি ছটাক জমির খতিয়ান আছে। ব্যাঙ্কগুলোর কাছে আছে আমাদের সঞ্চিত টাকার খবর। রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে নিখুঁত হিসেব আছে কে কোন দলের অথবা কে কোন দল ঘেঁষা অথবা ই ভি এম-এ কার আঙুল কোন সুইচ দাবাবে। কিন্তু আমি বুঝে গেছিলাম ফালি আলোদের খবর কেউ রাখে না। এই শহরে ফালি আলোদের খবর একমাত্র আমি রাখতাম। বাবা শুধু বাড়ির আর যাতায়াতের পথের ফালি আলোর খবর রাখতেন কিন্তু আমি গোটা শহরের ফালি আলোদের চিনতাম। কোথায় কোন ছায়া পড়ে আমি জানতাম। মাঝে মাঝে আমার অবশ্য গুলিয়ে যেত, আমি আসলে ফালি আলোদের খবর রাখছিলাম না ছায়াদের খবর রাখছিলাম। ছায়া না থাকলে তো ফালি আলো পাওয়া যাবে না আর ছায়া ফেলার জন্য দরকার এমন সব বস্তু বা নির্মাণ যাদের মধ্য দিয়ে আলো কখনোই যেতে পারবে না। যত বড় হতে থাকলাম তত এই চিন্তাটা আমাকে গ্রাস করতে থাকছিল। কলেজ পেরোনোর পর এত প্রবল হয়ে উঠল এই চিন্তা যে একদিন আমি ঠিক করলাম অফিস থেকে ফিরলে বাবাকেই প্রশ্নটা করব।

এত বছর পার করে আজও ভেবে অবাক হই কেন সেদিনই ঠিক করেছিলাম বাবাকে প্রশ্ন করব বলে! সেদিন অফিসে বাবাকে কেউ গুলি করে মেরে দিয়েছিল। কোনো ভাড়াটে খুনি হবে। বাবা কোনো ফাইল আটকে দিয়েছিলেন। এখন বুঝতে পারি বাবা হয়ত নেগোশিয়েট করতে রাজি হননি আর অনেক টাকার ব্যাপার ছিল। সহজ পথটাই পার্টি বেছে নিয়েছিল। বাবা কোনোদিন অফিসের সামনের দরজা দিয়ে অফিসে ঢুকতেন না, পেছনের দরজা দিয়ে ঢুকতেন। কারণ সামনে পুরনো থামগুলো সকালের আলোকে ফালি করে বিছিয়ে রাখত। অফিসে ঢুকতে হলে সেগুলোকে মাড়িয়ে ঢুকতেই হত। সেদিন বিকেলে বাবার দেহটা ওই ফালি ফালি আলোর মধ্য দিয়েই পুলিশ নিয়ে গেছিল।

বাবার খুনি কখনো ধরা পড়ে নি। বাবা না থাকায় আমার প্রশ্নের উত্তর আর পাওয়া হল না বদলে বাবার অফিসে একটা কাজের ব্যবস্থা হয়ে গেল। তারপর কিছুদিন আমি আলোর ফালি বা ছায়ার বা আলোছায়ার খবর রাখা ছেড়ে দিলাম। এত আলোছায়া আমার অফিসের নানা টেবিলে ফাইলে ফাইলে পড়ে থাকত যে আলোকে ছায়া থেকে বা ছায়াকে আলো থেকে আলাদা করাটা অর্থহীন ছিল। যে অফিসে বাবা কুড়ি বছর কাজ করার পরেও আমাদের সংসার ঠিকঠাক চলত না আমি কাজে ঢোকার পর, অফিসের আলো-ছায়াকে বুঝে নেবার পর সেই সংসার তরতর করে চলতে থাকল। আমি বিয়ে করলাম। এরপরেই আমি অফিসের আলো-ছায়া ঘাঁটতে ঘাঁটতে বুঝে ফেললাম আসলে ‘আলো’ হল ‘শক্তি’। তখন আমার মনে পড়ল আমার শহরের ফালি আলো বা ফালি অন্ধকারদের কথা।

আমি ধীরে ধীরে আমার শহরের ফালি আলো-অন্ধকারের মানচিত্র বদলাতে থাকলাম। আমার হাত ধরে নতুন নতুন ফ্ল্যাট, এপার্টমেন্ট, নানা বিল্ডিং মাথা চাড়া দিতে থাকল শহর জুড়ে। পুরনো ফালি আলোদের আমি ক্রমশ মুছে ফেলতে থাকলাম। আমার বানানো ছায়ারা দীর্ঘ আর প্রশস্ত হতে থাকল, ফালি আলোরা হারিয়ে যেতে থাকল। দু’দশকের মধ্যে শহরের চেহারাটা আমি পাল্টে দিলাম। সূর্য যখন আমাদের শহরের ওপর দিয়ে যায় উঁচু উঁচু অস্বচ্ছ নির্মাণগুলো জমাট ছায়া ফেলে মাটির ওপর শহরটাকে ঢেকে রাখে। আমি আরেকটা ব্যাপারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিলাম, দিনের বেলায় শহরের রাস্তায় কৃত্রিম আলো জোগান দেবার কাজ।

এর মধ্যে ছেলে বড় হয়ে গেছে। ছেলে ব্যবসা দেখে না। সে ডাক্তার হয়েছে বা বলা ভালো আমার টাকার জোরে ডাক্তার হয়েছে। টাকার জোরেই যেখানে পৌঁছানোর পৌঁছে গেছে। ছেলের বিয়েও হয়ে গেছে। নাতি এখন ক্লাস সিক্সে পড়ে। আমার বাবার ফালি আলো না পেরোনোর গল্প আমি আমার ছেলেকে করিনি, নাতিকেও করিনি কখনো। ওরা জানে না এই বাড়িতে একসময় একটা মানুষ থাকত যে ফালি আলো পেরোতে পারত না। সেই বাড়িও ভেঙেচুরে এখন অন্যরকম হয়ে গেছে। পুরনো বাড়ি আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। তবে আশ্চর্য আমার মাথার মধ্যে সেই বাড়ি তার আলো-ছায়া নিয়ে থেকে গেছে। জানি বাবা সেই আলো-ছায়ার মধ্যেই কোথাও আছেন তবে আমাদের দেখা হয় না। বাবা হয়ত বরাবরের মতো আলো পেরোতে পারছেননা আর আমি সমস্ত আলো মাড়িয়ে চলে এসেও ছায়াদের মধ্যে আটকে গেছি। তবে কখনো কখনো নিজের চেহারাটা পাল্টে নিয়ে আমি একা একা হাঁটতে বেরোই। এই শহরে আলোছায়া ভাঙচুরের সম্রাটকে তখন কেউ চিনতে পারে না। আমি শহরের গলি-ঘুঁজিতে শৈশবের স্মৃতিমেদুর, পুরোনো টিঁকে যাওয়া কিছু ফালি আলোদের দেখে আসি। এগুলোকে আমি রেখে দিয়েছি। যদি এই শহরে এমন কেউ জন্মায় যে আলো পেরোতে পারবে না তাহলে তাকে চেনার জন্য কিছু ফালি আলো আমাকে রাখতেই হবে। ঘাতকেরা শুধু হত্যাই করতে পারে তার কাউকে সনাক্ত করতে পারে না। তাই সব আলো পেরিয়ে এসে আমি এখন মাঝে মাঝেই চেহারা বদলে একা একা বেরোই। শহরজোড়া ছায়াদের মধ্যে এখনো যেখানে যেখানে আলোর রেখারা মাটিতে পড়ে থাকে আমি সেখানে সেখানে যাই। দেখি কোনো শিশু আলোর সামনে থমকে যাচ্ছে কি না, আলোর রেখাগুলোকে খুব মন দিয়ে দেখছে কি না।

আমার বাবা আলো পেরোতে পারতেন না। কোনোভাবেই পারতেন না।

--------------------------------

লেখক পরিচিতি

‘চুঁচুড়ার রাজীব’ মানেই ‘সহদেববাবুর ঘোড়া’, ‘ভীষ্মদেবের মৃত্যুমুহূর্ত’, ‘অনেক জলের শব্দ’, ‘টাওয়ার অফ্‌ সাইলেন্স’, ‘হিবাকুশার ছেলে’ বা ঘোষ স্যারের গল্পগুলি — বহুচর্চিত, ভিন্নমাত্রার কিছু গল্প।

জন্ম ১৯৭৭; পড়াশোনা, বেড়ে ওঠা চুঁচুড়া-হুগলি-চন্দননগর। ১৯৯৭ সাল থেকে লিটল ম্যাগাজিন কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত এবং নিয়মিত লেখালেখি। সম্পাদিত পত্রিকা ‘সাইন্যাপস্‌’। আছে বেশ কিছু কবিতার বই। সর্বশেষ কবিতা সংকলন, ‘এই কবিতা শেষ হলেই’। আছে তিনটি গল্প সংকলন — ‘ঘর ও দরজার গল্প’, ‘অনেক জলের শব্দ’ এবং ‘আমাদের আশাতীত খেলাঘর’। গল্পকার জীবনসঙ্গিনী মৌসুমীর সঙ্গে আছে একটি যুগ্ম গল্প সংকলন, ‘যেসব গল্পের কোনও মানে হয় না’। গল্পের জন্য বারাসাতের বহুস্বর পত্রিকার পক্ষ থেকে পেয়েছেন ২০১৯ সালের ‘অনন্তকুমার সরকার স্মৃতি পুরস্কার’। অণুগল্পের জন্য ২০১৮ সালে চুঁচুড়ার গল্প সল্পের আটচালার পক্ষ থেকে পেয়েছেন ‘উৎপল স্মৃতি পুরস্কার’। পেশায় বিজ্ঞান শিক্ষক, নেশায় পাঠক। প্রিয় অবকাশ যাপন — নানা জনপদে সময়ের ভাঁজে ভাঁজে ঘুরে বেড়ানো।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

1 মন্তব্যসমূহ