বুধবার, ১৭ মার্চ, ২০২১

গল্পপাঠ।। পৌষ--মাঘ।। ১৪২৭ বঙ্গাব্দ।। জানুয়ারী-ফেব্রুয়ারী।। ২০২১ খ্রিস্টাব্দ।। সংখ্যা ৭৬


চরিত্রের প্রতিরূপ
পৃথিবীর বুকে আমাদের সময় কম। সেই কম সময়ে আমাদের অনেক কিছু করতে হয়। তার মধ্যে বর্ণমালা চিনে, অক্ষরকে মস্তিষ্কে স্থান দিয়ে, শব্দ সাজিয়ে ভাষাকে কব্জা করতে হয়। সেই ভাষা দিয়ে আমরা সৃষ্টি করি খাদ্য, চিকিৎসা, গবেষণা, বিনোদন, সাহিত্য। অন্য অনেক কিছুর মতই সাহিত্য আমাদের বিবর্তনের ফল। ত্রিশ হাজার বছর আগে, প্যালিওলিথিক গুহায় যে মানুষ পশু শিকারের চিত্রকর্ম এঁকেছিল নিজের অজান্তেই সে প্রথম সাহিত্য সৃষ্টি করেছিল। তার গোষ্ঠীর মানুষেরা নিশ্চয় সেই শিল্পকর্ম দেখে লিটিল ম্যাগাজিনে লেখেনি যে, আমাদের চিত্রকর হরিণের শিংটা বড় বাঁকা করে এঁকেছে, কিন্তু তারা বুঝে নিয়েছে তাদের মধ্যে কোন শিল্পীর মান কত উন্নত। এই যে সহজাত বোধ তা শিল্পকলার প্রথম পরীক্ষা। এর মধ্যে শ্রেণীসংগ্রাম নেই, ভাষার বিনির্মাণ নেই। এই কলা হচ্ছে ব্যক্তিমানুষের সঙ্গে প্রকৃতির বোঝাপড়ার ফসল। সেই প্রাচীন চিত্রকলাকে সেজন্য মহৎ বলা চলে। সেজন্য হয়তো আধুনিক সময়ের লেখকেরা তাদের রচনার পাশে, হাতের লেখার পাশে, তাদের চরিত্রদের রূপ দেবার জন্য তাদের চিত্র আঁকতেন। এডগার অ্যালেন পো তো ভাল আঁকিয়েই ছিলেন, সেরকমই প্রতিভা ছিল কিপলিং, বদলেয়ার, নাবোকভের। নাবোকভ কাফকার গ্রেগর সামসার কীটে পরিণত হবার ঘটনা তেলাপোকা বা গুবড়ে পোকার মত কিছু একটা এঁকে বুঝতে চেয়েছিলেন। দস্তয়েভস্কি ‘অপরাধ ও শাস্তি’তে রাসকোলনিকভকে এঁকেছেন, জেমস জয়েস এঁকেছেন ইউলিসিসের লিওপল্ড ব্লুমের কার্টুন, রবীন্দ্রনাথ এঁকেছেন আত্মপ্রতিকৃতি মহাবিশ্বের মধ্যে জীবনদেবতার স্থান খুঁজতে, ফকনারের ঘটনাও তাই।

কাফকা তাঁর অঙ্কন সম্পর্কে বলেছিলেন, “আমার আঁকা মানুষের গঠনগুলোতে স্থানের অনুপাত নেই, তাদের নিজস্ব কোনো দিগন্ত নেই। যে প্রেক্ষাপট থেকে তাদের আমি আঁকতে চাইছি, ধরতে চাইছি, সেটা কাগজের বাইরে পেন্সিলের অধারালো অংশে আমার মধ্যে বিরাজমান।” হয়ত কাফকা লেখকের মস্তিষ্কে বিরাজমান চিন্তাকে ছাপার মাধ্যমে বিশ্বস্তভাবে প্রকাশ করার বিফলতার কথা বলতে চেয়েছিলেন। অন্যদিকে পাঠক যখন লেখাটি পড়েন তখন তিনি কি তাঁর মনে চরিত্রটিকে যথার্থভাবে কল্পনা করতে পারেন? পাঠকও কি গল্পটিকে আঁকতে পারেন না? সেই আঁকায় কি পাঠকের পাঠ-আনন্দের মাত্রা বাড়তে পারে? ধরুণ হাসান আজিজুল হকের “আত্মজা ও একটি করবী গাছের” প্রথম প্যারার একটি লাইন – “ওদিকে বড় গঞ্জের রাস্তার মোড়ে রাহাত খানের কড়ির টিনের চাল হিম ঝকঝক করে।” হিম অর্থে শীতকাল, আর টিনের চালের রাতে ঝকঝক করার একটাই উপায় – চাঁদের আলো তার ওপর পড়ছে। তখন আমি ফিরে যাই প্রথম লাইনে – “এখন নির্দয় শীতকাল, ঠাণ্ডা নামছে হিম, চাঁদ ফুটে আছে নারকেল গাছের মাথায়।” এরপরে লেখক একটা শেয়ালের মুরগী চুরি করে পালানোর কাহিনি বর্ণনা করেন। তারপর আরো হিম নামে, তখনো ইনাম, ফেকু, সুহাসের আবির্ভাব হয়নি, কিন্তু প্রথম প্যারার চিত্রকল্প আমার মনে শঙ্কা জাগায়, মনে পড়ে ১৯৭১ সনে, এক প্রত্যন্ত গ্রামে, রাতের আঁধারে একটি পাকা দালানের ওপর ওঠে ডাকাতের আক্রমণের জন্য অপেক্ষা করা। ডাকাত আসতো প্রতি রাতে, টর্চের আলো ফেলত দেয়ালের বাইরের বনে, ঝকঝক করত গাছের পাতা সেই আলোয়, শেষ পর্যন্ত তাদের হাত থেকে আমরা রক্ষা পাইনি। আজিজুল হকের গল্পশেষে আমি নিজেকে সেই বয়স্ক লোকটিই ভাবি যে কিনা বসে আছে ভাঙা চেয়ারে – অপেক্ষা করছে তিন ডাকাতের, ইনাম, সুহাস, ফেকুর। এই গল্পটিতে লেখক রাতের গায়ের পথকে যেভাবে মূর্ত করেছেন এই তিনটি ছিঁচকে পকেটমারের চেহারার সেরকম বর্ণনা দেননি, শুধু বলেছেন ফেকুর বাঘের মত চেহারা।

বাঘের মত চেহারাটা যে কী সেটা আমাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে নিতে হবে। টিনের চালে চাঁদের ঝলক, প্রতিফলন আপনি ও আমি ভিন্ন মানুষ হলেও মোটা দাগে একইভাবে কল্পনা করা যায়, কিন্তু বাঘের মত চেহারা আপনি ও আমি যে খুবই পৃথকভাবে মানসপটে মূর্ত করব তা বলার অপেক্ষা রাখে না, আর এই বিমূর্ততাই গল্পকে করে তোলে পাঠযোগ্য।

আর্ট সমালোচক Peter Mendelsund তার What we see when we read বইয়ে লিখছেন, “আমি যদি আপনাকে বলি আনা কারেনিনাকে বর্ণনা করুন, আপনি হয়তো তাঁর সৌন্দর্যের কথা বলবেন। আপনি যদি খুব মনোযোগের সঙ্গে পড়েন তো হয়তো তাঁর ঘন ‘আঁখিপল্লবের’ কথা বলবেন, তাঁর ওজন, অথবা হয়তো তাঁর হাল্কা নরম গোঁফের (হ্যাঁ – এটি আছে সেখানে) কথা। ‘আনার কাঁধ, জমাট চুল আর আধো-নিমীলিত চোখ’-এর ওপর ম্যাথিউ আরনল্ড মন্তব্য করেছিলেন। কিন্তু আনা কারেনিনা কীরকম দেখতে ছিলেন? আপনি হয়তো অনুভব করছেন আপনি চরিত্রটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত (চমৎকার ভাবে বর্ণীত চরিত্র পড়ে মানুষ বলতে পছন্দ করে – এমন যেন আমি তাঁকে চিনি), কিন্তু তার মানে এই নয় যে, আপনি সেই ব্যক্তিটিকে চিত্রিত করতে পারছেন। কিছুই নির্দিষ্ট নয়, কিছুই নিখুঁত নয়।” ফেকুর বাঘের মত চেহারা আমাদের হাতের বাইরেই থেকে যাবে।

কিছুদিন আগে সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম গল্পপাঠের আলোচনায় ফ্রানজ কাফকার সৃজন নিয়ে বললেন। কাফকা তার চরিত্রদের শারীরিক বর্ণনা দেননি, বরং তাদের চলনচালনের মধ্য দিয়ে তাদের বাইরের রূপটি আমাদের আন্দাজ করে নিতে হবে। তাঁর মানুষের গঠন “কাগজের বাইরে পেন্সিলের অধারালো অংশে” লেখকের মধ্যে বিরাজমান। গল্পপাঠের এই সংখ্যার বিশাল সম্ভারে লেখকদের সৃষ্ট চরিত্রগুলি হয়ত সুস্পষ্টভাবে শুধুমাত্র লেখকের মধ্যেই বিরাজমান, তবু তাদেরকে চিত্রিত করার দায়িত্ব পাঠকের ওপর কিছুটা বর্তায়, যেমন ওরহান পামুকের নোবেল বক্তৃতায় বর্ণীত পামুকের পিতাকে – পিতার স্যুটকেসের মধ্যে ভরা স্মৃতিকে ভিত্তি করে – তাদের মানসে মূর্ত করা। অন্যদিকে হারুকি মুরাকামি তাঁর জেরুজালেম বক্তৃতায় মানুষের হৃদয়কে ভঙ্গুর ডিমের সঙ্গে তুলনা করেছেন যা কিনা ‘সিস্টেমের’ দেয়ালের কাছে অসহায়, আমাদের মনে হৃদপিণ্ডের সঙ্গে সুগঠিত উপবৃত্তাকার ডিমের ছবিটি স্বতোৎসারিত হয়ে আবির্ভূত হবে, এটিকে হয়তো উপমা বলা চলে, কিন্তু পাঠক এখানে স্বাধীন তাঁর চিত্রকল্প ব্যবহার করার ব্যাপারে। ইদানীং গল্পপাঠের আলোচনায় অধ্যাপক তপোধীর ভট্টাচার্য সাহিত্যের তাত্ত্বিক কাঠামোর বিশ্লেষণ আমাদের উপহার দিচ্ছেন। আমাদের আশা গল্পপাঠের ৭৬তম সংখ্যার এই বিশাল আয়োজনে পাঠকেরা এবং লেখকেরা, বিশ্বব্যাপী মহামারীর এই সংকট সময়েও, সেই বিশ্লেষণ ব্যবহার করে পাঠপর্যায়ের নতুন একটি দিগন্ত খুঁজে পাবেন।   
          
আলী নূর পেশায় আইনজীবি।
বই পড়া, গান শোনা, ফুল ফোটানো, নাটক কিংবা ওড়িশি নৃত্য অথবা উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত, যন্ত্রসঙ্গীত এইসব নিয়েই তাঁর আনন্দযাপন। তাঁর নানা শখের মধ্যে দেশভ্রমণ, ছবি আঁকা, ফটোগ্রাফি এবং সিনেমাটোগ্রাফি অন্যতম। তিনি জীবনযাপন নয় জীবন উদযাপনে বিশ্বাসী।

ব্রিটিশ-ভারত, পাকিস্তান এবং স্বাধীন বাংলাদেশ এই তিন কাল তিনি দেখেছেন, দেখছেন। ‘তুচ্ছদিনের গান’ কেবল তাঁর জীবনের গল্প নয় বরং গল্পচ্ছলে ইতিহাসের পরিভ্রমণ।

আলী নূর'এর ধারাবাহিক স্মৃতিকথা : 


অনুবাদ : মোস্তাক শরীফ

এই গল্পটি নবোকভের সবচেয়ে ছোট গল্প। এবং বলা নবোকভের সেরা গল্প। উত্তরাধুনিক গল্প হিসেবেও গল্পটিকে ধরা হয়।

নবোকভ গল্পটিতে দুটো সামান্তরাল আখ্যান বলছেন। দুই বুড়োবুড়ি--অতিশয় দারিদ্রের মধ্যে চলে। তাদের একমাত্রে ছেলেটি উন্মাদ আশ্রমে আছে। তাকে দেখতে গেলে শুনল ছেলেটি আবারও আত্মহত্যা করতে গিয়েছিল। বাবামাকে দেখলে তার দশা আরো খারাপ হয়ে যেতে পারে। ফলে তারা বিষাদগ্রস্থ হয়ে ফিরে এলো বাড়িতে। তারা সিদ্ধান্ত নিল যত কষ্ঠ হোক না কেনো ছেলেটিকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনবে। তারাই যত্ন নেবে। ঠিক এ সময়েই সেই মধ্য রাত্রে তারা একটি মেয়ের ফোন পায়। পরপর দুবার। দুবারই মনে করে সেটা রঙ নং। তৃতীয়বারও আবার ফোন বাজে।
গল্পটি এখানে শেষ করেছেন। গল্পটি শেষ হতে হতে শেষ হয় না। পাঠককে গল্পের খাদের কিনারায় দাঁড় করিয়ে দেন। তারপর কি?
প্রশ্ন জাগে-- কেনো এই ফোনটি? কে করেছে? কোথা থেকে করেছে? কেনো এই বুড়োবুড়ি বিমুঢ় হয়ে আছে ফোনটির রিং শুনে?
এই সব প্রশ্নের উত্তর দেননি নবোকভ। কিছু ইঙ্গিত আছে ফোনটির মধ্যে। কিছু সাজেশন আছে। এই ইঙ্গিত আর সাজেশনগুলো ধরে ধরে এগোলে পাঠকদের মনে এই উত্তরগুলো আসতে পারে। এভাবেই নবোকভ পাঠককেই  ভাবতে বাধ্য করেন এই প্রশ্নের উত্তরগুলো খুঁজতে। একেকজন পাঠক একেক রকম করে গল্পটির পরিণতি কল্পনা করে নেন। একে বলে ওপেন এন্ডেড গল্প। বিশ শতকের অন্যতম সমালোচক সীন ও ফাওলিন এরকমই বলেছেন।

         

চিরায়ত গল্প


মুক্তিযুদ্ধের গল্প
হুমায়ূন আহমদের গল্প : শ্যামল ছায়া
বদরুন নাহার'এর গল্প : হরিদাসের বাড়ি
নাহার তৃণা'র গল্প : বিস্মরণ

                                             

জেমস সল্টার গল্প নিয়ে ভাবনা
ভাষান্তর : সুদেষ্ণা দাসগগুপ্ত




ওরহান পামুকের নোবেল বক্তৃতা : আমার পিতার স্যুটকেস
অনুবাদ : শামীম মনোয়ার
২০০৭ সালের ৭ ডিসেম্বর, সুইডিশ নোবেল কমিটির সামনে প্রদত্ত ওরহান পামুকের নোবেল ভাষণ।


অনুবাদক : আলভী আহমেদ
২০০৯ সালে জেরুজালেম পুরস্কার লাভ করেন মুরাকামি। সেই পুরস্কার নিতে গিয়ে বিশ্বমানবতার সপক্ষে তিনি এক অসাধারণ বক্তৃতা দেন। ইসরাইলের ‘হা-আরেটজ’ পত্রিকায় ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সালে সেই বক্তৃতার লিখিত রূপ প্রকাশিত হয়।




সর্বজিৎ সরকার'এর গল্প : ক্ষত যে ভাবে গান গায়

সর্বজিৎ সরকার আর্টিস্ট। গল্পকার। কবি। কবি কিনা আমরা জানি না। কিন্তু ভাষাটায় কবিতার লাবণ্য আছে। তিনি লিখছেন একটি গল্প। ঠিক গল্প নয়। একটি সিনোপসিস লেখার গল্প। বিনিময়ে টাকা পাবেন। সেই সিনোপসিসটি পড়বে অন্তর্জালের লোকজন। সেটা হবে হিটলারের গণহত্যার ঘটনা নিয়ে।
 গল্পকার সিনোপসিস লেখার বর্ণনাটি দিচ্ছেন। বলছেন নেট থেকে টুকে টুকে নোট নিচ্ছেন। নোটগুলো উল্লেখ করছেন এই গল্পে। সেটা যে নোট তা উল্লেখ করছেন। বর্ণনাকারির ভাষ্য আর নোট একই সঙ্গে পাশাপাশি বসছে। কিন্তু তারা আলাদাভাবে বসতে বসতে আবার এক সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। যেন আমরাও সেই আউসভিৎসে আছি। গ্যাসচেম্বারে আছি। 









১৫ মার্চ চলে গেলেন বাংলা ভাষার শাস্ত্রবিরোধী কথাসাহিত্যিক রমানাথ রায়। তার গল্পে কোনো নির্ধারিত প্লট নেই। তাঁর বিশ্বাস প্লট সবসময়ই নির্মিত হয় কার্য-কারণের ওপর ভর করে। সুতরাং কোথাও যেন বেঁধে দেওয়া হয় তার পরিণতিকে। ঠিক সেই জায়গাটাতেই বিবর্তন আনলেন রমানাথ রায়। স্বতঃস্ফূর্ত লেখনীর মাধ্যমে একটা দর্শনকেই তুলে আনলেন তিনি। যেন ক্যালাইডোস্কোপের মধ্যে দিয়ে পেরিয়ে যাওয়া কিছু মুহূর্ত। তাদের সুনির্দিষ্ট পরিণতি নেই কোনো। যার শেষে রয়েছে শুধু বিস্ময়। কোথাও কোথাও স্বাভাবিক যুক্তি কিংবা বাস্তবতার সঙ্গে তার সংঘাত লাগতে বাধ্য। 
 সদ্য প্রয়াত রমানাথ রায়ের সাক্ষাৎকার-


----------------

 
সোমালিয়ার কথাসাহিত্যিক নুরুদ্দিন ফারাহ'র সাক্ষাৎকার
‘আফ্রিকার অধিকাংশ লেখকই উচ্চাকাঙ্ক্ষা করতে পারেন না - আমরা নিজেদের সংর্কীণ গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ রাখি’ -
অনুবাদক : মাজহার জীবন
পুরুষোত্তম সিংহ
নাহার তৃণা
 হারুন রশীদ
সাদিয়া সুলতানা

নজরুল সৈয়দ

অনুবাদ : অমিতাভ রায়
গল্পটি দুটি কিশোরের বালক বয়সে গরমের ছুটি কাটানোর সময়ে একজন মধ্যবয়স্ক ভাড়াটে অভিভাবকের রহস্যজনক মৃত্যুর  মধ্যে দিয়ে শেষ হয়েছে। এই মৃত্যু কিভাবে হলো--কে তাকে খুন করল তার উত্তর মার্কেজ দেননি। কিন্তু কিছু ক্লু রেখে গেছেন।  পাঠককেই তার রহস্য উদ্ঘাটন করতে হবে। অসামান্য এই গল্পটি পড়ুন। 

আদোলফো বিখয় কাসেরেস'এর গল্প : পাউলিনার স্মৃতিতে
অনুবাদ : জয়া চৌধুরী
আর্জেন্টিনায় জন্মগ্রহণকারী লেখক সমালোচক আদোলফো বিওয় কাসারেস (জন্ম১৯১৪) ১১ বছর বয়সে প্রথম গল্প লেখেন “আইরিস ও মার্গারিটা”। তাঁর লেখা বহু সায়েন্স ফিকশন আছে। আর্জেন্টিনার সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি নোবেল বিজয়ী খোর্খে লুইস বোর্খেস এর সঙ্গে যৌথ ভাবে প্রচুর বই লেখেন তিনি। বিবাহ করেন ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোর বোন লেখিকা সিলভিনা ওকাম্পোকে।

অনুবাদক : বিপ্লব বিশ্বাস



বৃটিশ গল্প

বৃটিশ গল্প
ডোরিস লেসিং-এর গল্প : ছাদের নারীটি
অনুবাদক : বেগম জাহান আরা
জন্ম : ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে। উপন্যাস এবং ছোটগল্প তাঁর বক্তব্যের প্রধান বাহন। বিশ শতকের রাজনৈতিক, সামাজিক জীবন তাঁর লেখায় উপজীব্য। ২০০৭ সালে ডোরিস লেসিং নোবেল পুরস্কার পান।

অনুবাদক : মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ

আমেরিকা
অনুবাদক : সুমু হক
বৃটিশ নারীবাদী লেখক বার্নার্ডিন এভারিস্টোর জন্ম ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে। গার্ল, ওম্যান, আদার উপন্যাসের জন্য তিনি ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে বুকার পুরস্কার পান। তাঁর আগে আর কোনো কৃষ্ণাঙ্গ নারী লেখক বুকার পুরস্কার পাননি। 

রুশ গল্প
তাতিয়ানা তলস্তয়'এর গল্প : অদরকারি বিষয়াদি
অনুবাদক : ফারহানা আনন্দময়ী
জন্ম : ১৯৫১। সেন্ট পিটার্সবার্গ। রাশিয়া।
তিনি লেখক, টিভি ব্যক্তিত্ব, ঔপন্যাসিক, প্রবন্ধকার, গল্পকার ও প্রকাশক। তিনি বিখ্যাত তলস্তয় পরিবারের উত্তরসূরী।

উর্দু গল্প
নাইয়ার মাসুদ'এর দুটি গল্প : 
ভাষান্তর : বিকাশ গণ চৌধুরী

২. অন্ধগলি
ভাষান্তর : প্রবাল দাশগুপ্ত
উর্দুভাষী কথাসাহিত্যিক ভারতের লখনৌ শহরে জন্মেছেন ১৯৩৬ সালে। । লখনৌ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্সি ভাষার অধ্যাপক। কাফকার লেখার অনুবাদক। এছাড়া ফার্সি সাহিত্যেরও অনুবাদক। Essence of Camphorএবং Snake Catcher তাঁর বিখ্যাত গল্পের সংকলন। ভারতের সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার পেয়েছেন। 

  আমেরিকান গল্প
 ডরথি এলিসন'এর গল্প : নামের নদী
 অনুবাদ: ফারহানা রহমান
 আমেরিকান লেখক। জন্ম ১৯৪৯। শ্রেণী সংগ্রাম, যৌন নিগ্রহ, শিশু নিগ্রহ,    নারীবাদ ও সমকাম তাঁর লেখার বিষয়। Bastard Out of Carolina তাঁর বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস। 

অনুবাদক : দিলশাদ চৌধুরী
ডোনাল্ড বার্থেলমি (১৯৩১-১৯৮৯) একজন আমেরিকান উত্তরাধুনিক ধারার ছোটগল্প লেখক। গল্পটি গতানুগতিক ধারার ছোটগল্পের চেয়ে অনেকটাই আলাদা। বাক্যগুলো অনেকটাই বিভ্রান্তিকর।  কিন্তু সম্পূর্ণ গল্পটি পড়ার পর নিজস্ব চিন্তার অনেকগুলো জানালা খুলে যায়। 

অনুবাদ : এলহাম হোসেন
জুকিসওয়া ওয়ানারের জন্ম ১৯৭৬ সালে জাম্বিয়ায়। বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাস করছেন। একাধারে সাংবাদিক, ঔপন্যাসিক ও সাহিত্য সংকলক। তাঁর প্রথম উপন্যাস The Madams প্রকাশিত হয় ২০০৬ সালে। এটি সাউথ আফ্রিকান লিটেরেরি এওয়ার্ড এবং কমনওয়েলথ রাইটার্স প্রাইজের জন্য মনোনয়ন পায়।


চীন
অনুবাদক : ঝর্না বিশ্বাস


ধারাবাহিক উপন্যাস : 
১১-১৫ পর্ব
শাহাব আহমেদ