স্টেশনে নেমে জনস্রোতের ভিড়ে দাঁড়িয়ে থেকে অভিষেক অনুভব করল, আজ সে একা। বাইরে এসে সে দেখল বিস্কুটরঙের আকাশ ক্রমশ বিষাদনীল হয়ে উঠছে। পকেটে ভাঁজ করে রাখা খবরের কাগজটা বের করল সে। তিন নম্বর পাতায় চোখ রাখে কিছুক্ষণ। বারবার একটা খবরই পড়ে।
“তরুণীর আত্মহত্যা। সহবাসের পর প্রেমিকের অস্বীকার। বিয়ে করতে অরাজি হওয়ায় তরুণী গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান তরুণী অন্তঃসত্ত্বা ছিল।”
সকালে পেপারে এই খবরটা পড়ার পর থেকেই তার সবকিছু গোলমাল হয়ে যাচ্ছে,ছিন্নভিন্ন হয়ে যাচ্ছে তার স্নায়ু। অভিষেক বিড়বিড় করল- বোকা মেয়ে, হদ্দবোকা।
আজ তার কোনও বিশেষ গন্তব্য নেই। কোথাও একটা গেলেই হয়। পা চালিয়ে হাঁটা শুরু করে অভিষেক। বিগবাজার এখান থেকে হাঁটাপথে বড়জোর দশ মিনিটের রাস্তা। আজ সময়ের কোনও দাম নেই তার কাছে। জীবনের দামও হয়তো আর থাকবে না। বিগবাজারে পৌঁছে অভিষেক স্বস্তির নিঃশাস ফেলল। এখানে আলোর বর্ণমালা, হাসিমুখের মিছিল আর উৎসবের গান মন ভালো করে দেয়, সব ভুলিয়ে রাখে। শুধু একটাই সমস্যা। পকেটে যথেষ্ট টাকা না থাকলে নিজেকে কেমন যেন কাঙাল লাগে।
আজ অবশ্য তার কাঙাল হবারই দিন। কোনও স্টোরেই যাবে না অভিষেক। সে সিঁড়ি বেয়ে টপ ফ্লোরে ওঠে। ফুড কর্নারে একটাও টেবিল খালি নেই। জায়গাটা এই রঙিন সন্ধেয় লাভার্স প্যারডাইস হয়ে গিয়েছে। কয়েকটি পরিবার বসে থাকলেও যুগলের সংখ্যাই বেশি। অবিশ্রান্ত কথার মূর্ছনা চারপাশে, একাবোকা সেজে দাঁড়িয়ে সে, এভাবে থাকা ভীষণ অস্বস্তিকর ভেবে সে এক কাপ কফি নিল।
চুমুক দিতেই শ্রীলেখার কথা মনে পড়ল তার। শ্রীলেখা কখন আসবে বলেছিল যেন! সাতটা? তাই হবে হয়তো। শ্রীলেখা আজ বরং দেরি করেই আসুক। অন্তত এই প্রতীক্ষা মনে রাখার মতো হোক। হাতের মুঠোয় ফোন থাকলেও অস্থিরতায় জানতে চাইবে না, “আর কতক্ষণ?”
একটা চেয়ার খালি হতেই বসে পড়ল অভিষেক। বসার পরেই সংজ্ঞাহীন অসুখ ফিরে আসে। সকাল থেকেই এই অসুখ বড্ড জ্বালাচ্ছে। আলো, কোলাহল,গান সব ছাপিয়েও অন্ধকার সুড়ঙ্গে হারিয়ে যেতে থাকে অভিষেক। অনেকক্ষণ পরে মাথা তুলে চেতনার জগতে ফিরে আসে সে। ঘড়ি দেখে। সাতটা বাজতে দশ মিনিট বাকি। সকালে খবরের কাগজে চোখ রাখার পরেই শ্রীলেখা যেন ছায়াপথ থেকে ফোন করেছিল তাকে। - হ্যালো।
- আজ একবার দেখা করবে?
- কোথায়?
- বিগবাজারে।
- ফুড কর্নারে থাকব।
- এত মানুষের মাঝখানে ভিড়ের মধ্যে দেখা করতে চাইছ কেন?
- দূরে দেখা করাই নিরাপদ। বাড়িতে জেনে গিয়েছে। খুব অশান্তি চলছে।
- ভয় লাগছে?
ওপ্রান্তে রিনরিনে হাসি- যা বলব তাতে তোমার বরং ভয় লাগবে। দেখা যাক তোমার সাহস কতখানি!
সারাটা দিন সে আচ্ছন্ন থেকেছে। শ্রীলেখার দিঘল চোখ,প্রাণবন্ত হাসি,কালোচুলের গভীর আশ্রয়,বুকের সাদা জ্যোৎস্না বারবার তার ভাবনায় উঁকি দিচ্ছে। শ্রীলেখা নামের এক আশ্রয় কি তার জীবন থেকে হারিয়ে যাবে এবার? সকালে শ্রীলেখার গলায় চাপা উচ্ছ্বাস ছিল। কোনও বিষাদের সুর বাজতে শোনেনি সে। শ্রীলেখার পরিবার তাদের সম্পর্ক মেনে না নিলে শ্রীলেখা কখনোই তার হাত আজীবন ধরে থাকবে না। চার বছরের সম্পর্কে এটুকু বুঝতে পেরেছে অভিষেক। তবু লক্ষণরেখা পার হয়েছিল সে। শ্রীলেখার শরীরে ডুব দিয়েছিল সে। শরীরে জড়িয়ে গেলে আর যে ফেরা যায় না। অভিষেক কেন যে ভুলে গিয়েছিল!
অভিষেক ঘড়ি দেখল। শ্রীলেখা আসছে না। ক্লান্ত লাগছে। চুপচাপ এভাবে বসে থাকা যাচ্ছে না। নিচে নামল সে। কয়েকটা স্টোরে ঘুরল। বিল্টুর জন্য কিছু কিনতে ইচ্ছে করছে। স্কুলব্যাগ কিনে ফেলল অভিষেক। নতুন জিনিস পেলে ছেলেটার মুখ খুশিতে সূর্যমুখী আলো হয়ে যাবে। ডগমগ বিল্টু অনেকক্ষণ তার গলা জড়িয়ে গল্প করবে রাতে। দীপালির জন্য পার্স কেনাই নিরাপদ। বউ তার হরেকরকম পার্স কিনতে ভালোবাসে। পার্স কেনার পর মন বেশ ফুরফুরে লাগছে। দীপালিকে সারপ্রাইজ দেওয়া যাবে। কপট অভিমানে দীপালি প্রায়ই বলে- কখনও নিজে থেকে কিছু কিনে এনেছ আজ পর্যন্ত? মুখ ফুটে হ্যাংলার মতো চাইতে হবে কেন?
-কেনাকাটা আমার ধাতে নেই।
এতক্ষণে বেশ ফুরফুরে লাগছে নিজেকে। বিগবাজারের সিঁড়ি,স্টল, মানুষজন, মায়াবী আলো সমস্ত কিছু কী যে ভালো লাগছে তার! খুশির রেণু উড়ছে শরীরে।
#
ক্রমশ হাঁপিয়ে উঠছিল অভিষেক। শ্রীলেখা এখনও আসেনি। একবার ফোন করে জানাতে তো পারত। আর অপেক্ষা করতে ভালো লাগছে না। বুকপকেট থেকে ফোন বের করে দিশেহারা হয়ে পড়ল অভিষেক। কই,কোথাও তো শ্রীলেখার নাম,নম্বর কিছুই নেই। শ্রীলেখার কোনও চিহ্নই রইল না তার কাছে। এখন কীভাবে খুঁজে পাবে সে? শ্রীলেখার বাড়িও যে তার মনে পড়ছে না। হ্যাঁ,এবার মনে পড়েছে। হাজার আলোকবর্ষ দূরে কোনও ছায়াপথে অচেনা তারার পাশে শ্রীলেখার নতুন বাড়ি।
ফোনটা বাজছে। অভিষেক আচ্ছন্নভাবে বলে- হ্যালো। এত দেরি করছ কেন?
- দেরি! কোথায় তুমি?
- আমি বিগবাজারে। কতক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছি।
- মানে! বিগবাজারে যাবার কথা কখন বললাম আমি? ওখানে কী করছ তুমি?
- আমাকে আসতে বলে নিজেই ভুলে গেলে? এটা ঠিক হচ্ছে শ্রীলেখা?
- আমি দীপালি বলছি। গলা পর্যন্ত চিনতে পারছ না ! কীসব উল্টোপাল্টা বকছ! শ্রীলেখা কে?
অভিষেক কাতরগলায় বলে- শ্রীলেখা ডেকেছিল আজ। জরুরি কথা ছিল। তারপর আর সাড়াশব্দ নেই। যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। তুমি শ্রীলেখার নম্বর জানো? প্লিজ,মেসেজ করে দাও। রাগ কোরো না। শেষ দেখা। একবার অন্তত ওর সঙ্গে দেখা হওয়া দরকার, ভীষণ দরকার। ব্যাপারটা তুমি বোঝার চেষ্টা করো দীপালি।
ফোনের ও-প্রান্ত স্তব্ধ হয়ে আসে। সন্ধের মুখাগ্নি সেরে রাত নেমে আসে। বিগবাজার বন্ধ হবার সময় এগিয়ে আসে। অভিষেক রিক্তপায়ে বেরিয়ে আসে ব্যস্ত রাস্তায়। শ্রীলেখা ফাঁকি দিল শেষপর্যন্ত! তবে কী প্রবল ভালোবাসায় কোথাও ফাঁকি ছিল? সবকিছু ভুলে যেতে হবে?
আবার ফোনটা বাজছে। ও-প্রান্তে দীপালির উদ্বিগ্ন গলা- বাড়ি ফিরে এসো তাড়াতাড়ি।
- শ্রীলেখাকে পেলাম না। শেষবারের মতো দেখা হল না। ও এভাবে ফাঁকি দেবে,দূরে চলে যাবে ভাবতেও পারিনি। শেষবারের মতো দেখতে ইচ্ছে করছিল। ভাবছিলাম বাড়ি চলে যাব। ওর বাড়ি কিছুতেই খুঁজে পাচ্ছি না। ঘুরেফিরে শ্মশানের রাস্তায় চলে যাচ্ছি বারবার।
- আচ্ছা, একা খুঁজে পাবে না। তুমি বরং স্টেশনের সামনে দাঁড়াও। আমি না-যাওয়া অব্দি ওখানেই চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকবে। কোথাও যাবে না,বুঝেছ?
দীপালি তড়িঘড়ি বেরিয়ে রাস্তায় দাঁড়ায়। অভিষেকের বন্ধু নীলেশকে ডেকেছে একটু আগে। সে গাড়ির বন্দোবস্ত করেছে। বিগবাজার পাশের শহরে, বাইশ কিমি পথ, দ্রুত সেখানে পৌঁছতে হবে। নীলেশ সঙ্গে যাবে। গাড়িতে বসে ঘামতে থাকে দীপালি- কী যে হল ওর! আপনি কিছু জানেন? শ্রীলেখা বলে কারও সঙ্গে ওর সম্পর্ক আছে?
নীলেশ অবাক - কখনও বলেনি তোমাকে?
-পুরনো সম্পর্ক ফিরে এসেছে নিশ্চয়ই! দীপালি তেতোমুখে বলে।
নীলেশ ম্লান হাসে- ফিরে আসার কোনও প্রশ্নই নেই। ওই দূর্ঘটনার জের যদিও অনেকদিন ওর মধ্যে ছিল। কাটিয়েও উঠেছিল। না হলে অন্তত একবার শ্রীলেখার নাম ওর মুখে শুনতে।
- দূর্ঘটনা!
- অনেকটা সেরকমই। এতদিন বাদে শ্রীলেখার জন্য হা-পিত্যেশ করা খারাপ সিগন্যাল মনে হচ্ছে আমার।
দীপালি হাইরোডের পাশে পড়ে থাকা অন্ধকার মাঠঘাট দেখছিল।
#
নিউরোসাইকিয়াট্রিস্ট ডক্টর আচার্য সব শুনে বললেন- স্ট্রেনজ! আগে কখনও আপনার হাজব্যান্ড এমন অস্বাভাবিক আচরণ করেছিলেন?
- না। শুধুমাত্র সেদিনই। ও সেদিন যেন বাস্তবে ছিল না। কেমন এক ঘোরের মধ্যে ছিল।
- কোনও প্রশ্ন করেছিলেন? জানতে চেয়েছিলেন কিছু?
- ও কথা বলার অবস্থায় ছিল না। ঘোলাটে চোখে তাকিয়েছিল। বিড়বিড় করছিল খালি।
ডক্টর আচার্য নীলেশের দিকে তাকালেন- আপনি বললেন যে শ্রীলেখা এগারো বছর আগে মারা গিয়েছেন। কীভাবে?
- সুইসাইড।
- কারণ?
- পোস্টমর্টেম রিপোর্টে জানা গিয়েছিল প্রেগন্যান্সির কথা। অভিষেকের বিরুদ্ধে এফ. আই. আর. করার কথা ভেবেছিলেন শ্রীলেখার পরিবার। পরে ওনারা পিছিয়ে আসেন পারিবারিক সম্মানের কথা ভেবে। ছোটোমেয়ের বিয়েতে সমস্যা হতে পারে ভেবেছিলেন।
- হুম। আপনার বন্ধুর বক্তব্য কি ছিল এই ব্যাপারে?
নীলেশ বলে- কখনও মুখ ফুটে কিছু বলেনি। ও অনেকদিন মানসিক অবসাদে ভুগেছিল। স্বাভাবিক হবার পরে তাই কোনও প্রশ্ন করিনি।
#
ডক্টর আচার্য বললেন- ওনাকে ডাকুন এবার।
-হ্যাঁ,ডেকে আনছি। অনেক বুঝিয়ে নিয়ে আসতে পেরেছি এখানে।
ডা আচার্য মৃদু হেসে অভিষেককে প্রশ্ন করেন- বিগবাজারে গিয়েছিলেন গতকাল?
- হ্যাঁ।
- কেন?
- ইচ্ছে হয়েছিল।
ডক্টর আচার্যর গলায় আন্তরিকতার ছোঁয়া- ডোন্ট বাইপাস। আপনি যা করেছেন এবং বলেছেন তা আপনার মিসেসের মন ভেঙে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। তবু মাথা ঠান্ডা রেখে আমার কাছে নিয়ে এসেছেন। সো প্লিজ কনফেস। শ্রীলেখা কেন সুইসাইড করেছিলেন?
অভিষেক ঘাড় নেড়ে বিভ্রান্ত চোখে বলে- শ্রীলেখা সুইসাইড করেনি। বোগাস বকছেন কেন? কাল বিগবাজারে দেখা করতে আসবে বলল।
-হুম, তাহলে শ্রীলেখা বেঁচেই আছেন। বেশ,পুরনো রিলেশন নতুন করে বাঁচিয়ে তুলবেন আপনি? আপনার পরিবার আছে, ছেলে আছে। এতদিন বাদে কারও জন্য কাতর হবেন?
অভিষেক নিরুত্তর। মাথার ওপরে ঘুরন্ত সিলিংফ্যানের দিকে কয়েক মুহূর্ত তাকিয়ে থাকে। ক্ষীণগলায় বলে-এরকম একটা ফ্যান থেকেই শ্রীলেখা ঝুলে পড়েছিল।
ডক্টর আচার্য সম্মোহন করার ভঙ্গিতে ঝুঁকে পড়েন অভিষেকের খুব কাছে- এই যে বললেন তিনি বেঁচে আছেন! তিনি ওরকম কেন করলেন জানেন?
অভিষেক ঘোলাটে চোখে নিভন্তগলায় বলে- আমি অপেক্ষা করতে বলেছিলাম। চাকরিতে সবে তখন ঢুকেছি। একটা বছর পরেই বিয়ে হবে জানিয়েছিলাম।
- সি ওয়াজ প্রেগন্যান্ট। জানতেন?
- আমি অ্যাবরশন করিয়ে নিতে বলেছিলাম। ও রাজি পর্যন্ত হয়েছিল।
- তাহলে তো সব ঠিকই ছিল।
অভিষেক ঘূর্ণির অতলে তলিয়ে যাচ্ছে। অন্ধকার ফেনা চারদিকে,কালো একতাল পিন্ড যেন টুকরো টুকরো হয়ে ফেটে পড়বে এখনই, কতদূরে ছায়াপথ কে জানে, কিছুতেই খুঁজে পাচ্ছে না। খুব ঘুম পাচ্ছে তার। মুহূর্তের ভুলে রূপের কাঙাল হয়ে পড়েছিল সে। ভুলেই গিয়েছিল সে কারও কাছে দায়বদ্ধ। কেউ জানে না,শুধু সে জানে,রূপের টানে ভেসে গিয়েছিল সে। শ্রীলেখা সাদামাটা, তুলনায় বিদীপ্তার আকর্ষণ অবাধ্য চোরাটান, তার কাছে থাকলে বড় সুখ। কীভাবে যেন রটে গেল সে আর বিদীপ্তা দূরে কোথাও এক হোটেলে রাত কাটিয়েছে। বিদীপ্তার আবেদন খুব তীব্র ছিল, উপেক্ষা করতে পারেনি সে, তবে চুম্বন-আশ্লেষ এর বেশি এগোয়নি সে। তবু সেই রটনা কানে পৌঁছেছিল শ্রীলেখার। শ্রীলেখা নিজেকে সরিয়ে নিল চিরদিনের মতো। বোকা মেয়ে,হদ্দবোকা।
কাউকে সে কথা বলতে পারেনি কখনও, শ্রীলেখা চলে যাবার পর হুঁশ ফিরেছিল, ঘুমের ওষুধে আচ্ছন্ন থেকেছে রাতের পর রাত। একটা বছর লেগেছিল স্বাভাবিক হতে।
ডক্টর আচার্য ডেকেই চললেন- মিস্টার মিত্র,শুনতে পাচ্ছেন? কিছু বলুন।
অভিষেক শুধু শুনতে পাচ্ছিল হরিবোল ধ্বনি। বহুদূর থেকে ভেসে আসা সেই ধ্বনি সমুদ্রের ঢেউ হয়ে আছড়ে পড়ছিল তার শরীরে...
লেখক পরিচিতিঃ
জন্ম ১৯৭০, মেদিনীপুর শহর। নয়ের দশকের মাঝামাঝি থেকে লেখালেখির সুত্রপাত। দু’হাজার চোদ্দ সাল থেকে নিয়মিত লেখালেখির চর্চা। অসংখ্য গল্প প্রকাশিত হয়েছে লিটল ম্যাগাজিনে ও প্রতিষ্ঠিত পত্রপত্রিকায়। এ-পর্যন্ত পাঁচটি গল্পগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। সর্বশেষ প্রকাশিত ছোটোগল্প সংকলন ‘ বিন্তির মা’ ( ২০২৪)।


0 মন্তব্যসমূহ