অমৃতা প্রীতম: যে কোনোমূল্যে লেখালিখিটাই করতে চেয়েছিলাম এবং আমি সেটাই করেছি








বাংলা অনুবাদ: নাহার তৃণা




মৃতা প্রীতমের ১০১তম জন্মদিনের আগে, তাঁর কৈশোরের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু একটি স্কুল ম্যাগাজিনের জন্য এই সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু কোনো কারণে সেটি প্রকাশিত হয়নি, অপ্রকাশিত তাঁর সেই সাক্ষাৎকারটি মিন্ট লাউঞ্জে প্রকাশিত হয়।

বিশিষ্ট কবি ও উপন্যাসিক অমৃতা প্রীতম বিশ শতকের বহুল পরিচিত পাঞ্জাবি লেখকদের একজন। অমৃতার এক’শটিরও বেশি বই রয়েছে, তবে তিনি তাঁর উপন্যাস "পিঞ্জর"এর জন্য সমাধিক পরিচিত। অমৃতা প্রীতম পাঞ্জাবি ও হিন্দিতে লিখতেন, তাছাড়াও তাঁর কাজগুলো ড্যানিশ, জাপানি, ফরাসি এবং ম্যান্ডারিনসহ অনেক ভাষায় অনূদিত হয়েছে।

এই সাক্ষাৎকারটি হিন্দি ও উর্দু ভাষায় আমার দাদির বোন, মুক্তি বর্মা, যাঁর বয়স এখন পঁচাশি, তিনি গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর(মুক্তি) লেখক স্বামী এবং তিনি অমৃতা প্রীতমের বন্ধু ছিলেন এবং বড় হওয়ার সময়, আমি প্রায়ই তাঁদের দিল্লির বাড়িতে অমৃতা ও ইমরোজের গল্প শুনতাম।

সম্প্রতি, দাদির সঙ্গে আলাপের একপর্যায়ে, আমি তাঁকে অমৃতা প্রীতম সম্পর্কে কিছু লেখার কথা বলেছিলাম, যাতে তিনি তাঁর বৃদ্ধজীবনের নানা সংকট ভুলে স্মৃতি রোমন্থনে উৎসাহিতবোধ করেন। আমার মনে হয়েছিল সেটা তাঁর জন্য যেমন ভালো হবে, আমরাও অমৃতা প্রতীম সম্পর্কে অজানা কিছু জানার সুযোগ পাবো। কয়েক দিন পর, তিনি উত্তেজিতভাবে আমাকে ফোন করে জানালেন যে, ১৯৯২ সালে একটি স্কুল ম্যাগাজিনের জন্য নেওয়া অমৃতার একটি তিনি সাক্ষাৎকার খুঁজে পেয়েছেন, যা কখনও প্রকাশিত হয়নি। এই অনুবাদটি আমার দাদির নেওয়া সেই সাক্ষাৎকার, যেটি এখানে উপস্থাপন করা হলো।

-শুণালি খুল্লার শ্রফ, ‘লাভ ইন দ্য টাইম অফ আফ্লুয়েঞ্জা’ এর লেখক।







মুক্তি: জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস কি?

অমৃতা: জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হলো সুখ। কিন্তু তারপর আমাদের জীবনের অনেক কিছুই আমাদের নিয়ন্ত্রণকারী গ্রহগুলোর ওপর নির্ভর করে। তুমি জানো, আমাদের পূর্বপুরুষরা ১০৮টি পুঁতির মালা জপ করতেন। যদি তুমি এর প্রকৃত কারণটি ভাবো, তবে বুঝবে যে, এটি ১২টি রাশিচক্র এবং ৯টি গ্রহের জপ, অর্থাৎ ১২x৯ = ১০৮। এই ১০৮টি গ্রহ মহাবিশ্ব জুড়ে ভ্রমণ করে এবং আমাদের জীবনে প্রভাব ফেলে।

মুক্তি: তোমার জীবন পুরোমাত্রায় কবিতা, গল্প আর উপন্যাস নিয়ে আবর্তিত। তুমি যে গ্রহ আর রাশিচক্রে আগ্রহী, এই আবিষ্কারটা আমার জন্য খুবই বিস্ময়কর।

অমৃতা: দেখো মুক্তি, আমি জ্যোতিষশাস্ত্রকে একটি পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞান বলে মনে করি। এই গ্রহ, নক্ষত্রপুঞ্জ, এগুলোর বিশেষ স্থান আছে আমাদের জীবনে। তুমি যত বেশি এই বিজ্ঞানের বোঝাপড়ায় নিমগ্ন হবে, ততই তোমার গণনা সঠিক হবে। আমাদের জীবনের অনেক কিছুই তারকাদের মাঝে লেখা রয়েছে।

মুক্তি: তুমি আমার কৌতূহল আরও বাড়িয়ে দিয়েছ...

অমৃতা: আমি বিজ্ঞানের গুরুত্ব অস্বীকার করি না। আমি বিশ্বাস করি যে বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার আমাদের জন্য অনেক অসাধারণ কাজ করেছে। বিজ্ঞান উন্নতি করেছে, আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এটি তুখোড় এক জাদুকরের মতো আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত বিজ্ঞান আধ্যাত্মিক শক্তি থেকে বিচ্ছিন্ন থাকে, এটি মানুষকে প্রকৃত সুখ দিতে পারে না। এটি মানব জীবনের সার্বিক কল্যাণের জন্য নিজে থেকে কার্যকর হতে পারে না।

মুক্তি: তোমার শৈশবের এমন একটি ঘটনা বলো যা তোমাকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করেছে।

অমৃতা: আমি তখন খুব ছোটো, মায়ের বিছানার পাশে বসে কাঁদছিলাম, কারণ মায়ের তখন অন্তিম সময়। আমার এক বন্ধু এসে আমাকে বলল, "অমৃতা, ওঠো। কাঁদবে না। ঈশ্বর সবসময় শিশুদের কথা শোনেন। যাও! তোমার মায়ের জীবনের জন্য প্রার্থনা করো।” আমি উঠে আন্তরিকভাবে মায়ের জীবনের জন্য প্রার্থনা করতে শুরু করলাম, কিন্তু হয়তো তাঁর সময় ফুরিয়ে গিয়েছিল, তাই তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। আমার প্রার্থনা ঈশ্বর গ্রহণ করেননি। এই ঘটনাটি আমার মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল। এর পর থেকে, যখন কেউ আমাকে জিজ্ঞাসা করতো ঈশ্বর আছেন কি না, আমি বলতাম, “না, ঈশ্বর যদি থাকতেন, তবে কি তিনি একটি শিশুর মিনতি শুনতেন না?"

মুক্তি: ঈশ্বরের অনুপস্থিতির এই অমোঘ ছাপ কি এখনও অটুট রয়েছে?

অমৃতা: না মুক্তি, ওটা ছিল শৈশবের ঘটনা, শিশুসুলভ মনোভাব, যা ওই ঘটনার দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল। মায়ের মৃত্যুর পর যে কোনো শিশু নিঃসন্দেহে একই ব্যথা অনুভব করতো। জীবন ক্ষণস্থায়ী, আর মানুষ শুধু মানসিক শান্তির জন্য সাময়িক কিছু জিনিসকে স্থায়ী বলে ধরে নেয়। এখন আমি ঈশ্বরকে সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের একটি শক্তি হিসেবে মনে করি, অনন্ত থেকে অসীম পর্যন্ত।

মুক্তি: তোমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সাফল্যগুলো অর্জনে তোমার পরিবারের অবদান কতটা ছিল?

অমৃতা: যখন আমার মায়ের মৃত্যু হয়, আমি তখন খুব ছোটো ছিলাম। মাতৃহীন আমার ওপর বাবা গভীর প্রভাব ফেলেছিলেন। তিনি তাঁর সময়ের একজন খ্যাতনামা লেখক ও কবি ছিলেন। তিনি ব্রজ ভাষায় লিখতেন। তাঁর ব্যক্তিত্ব আমার সাহিত্যিক মনোভাব গঠনে প্রচুর সাহায্য করেছে।

মুক্তি: সাহিত্য জগতের কারো সঙ্গে তোমার বিয়ে না হওয়া সত্ত্বেও কীভাবে তুমি লেখালিখি চালিয়ে গেলে?

অমৃতা: এটা সত্যি, খুব অল্প বয়সেই আমার বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পর একজন লেখকের সৃজনশীলতা বিকাশের উপযোগী পরিবেশ পাইনি । তাই আমি নিজেই একটি পরিবেশ তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিলাম এবং আমার সৃজনশীল বীজ বুনতে শুরু করলাম (আমি amicable শর্তে আমার স্বামীকে ছেড়ে চলে এসেছিলাম, তিনি নিজেই আমাকে লেখালিখির জীবন অনুসরণ করার জন্য উৎসাহিত করেছিলেন)। কিছু অর্জন করতে হলে কিছু হারানোর জন্য প্রস্তুত থাকতে হয়। তোমার আবেগগুলোকে পরিপুষ্ট করার জন্য কিছু ত্যাগ করতে হয়। এছাড়াও তোমার চেষ্টার মধ্যে প্রবল আত্মবিশ্বাসও থাকতে হয়। আমি যেকোনো মূল্যে লেখালিখিটা চালিয়ে যেতে চেয়েছিলাম। আমি তা করতে পেরেছি।

মুক্তি: তোমার সাহিত্যিক ব্যক্তিত্ব গঠনকারী উপাদানগুলো কী ছিল?

অমৃতা: (হাসি) মনে হচ্ছে আজকের পরীক্ষায় কোনো বিষয়ই বাদ যাবে না। যাইহোক, উপনিষদের বাণীগুলো আমার ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল। শৈশব থেকে আমি ধর্মীয় গ্রন্থ পড়তে খুব পছন্দ করতাম। সুফিবাদ, কবীর, দাদু, বুল্লে শাহ আমার মনে গভীর ছাপ রেখেছিলেন। ওয়ারিস শাহের কথাগুলো আমার মনের গভীরে প্রভাব ফেলেছিল এবং আজও আমি তাঁদের প্রভাব অনুভব করি। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতো একজন সাহিত্যিক ছিলেন, যার মাধ্যমে যে কেউ প্রভাবিত হবেন। বর্তমানে আমি ভগবান রজনীশ দ্বারা প্রভাবিত। বিদেশী সফরের সময় আমি বিদেশী কবিদের কবিতা পড়েছি এবং তাঁদের কথাগুলো আমাকে যথেষ্টমাত্রায় তাড়িত করেছে।

মুক্তি: তোমার রচনাগুলোর মধ্যে, ডক্টর দেব এবং পিঞ্জর থেকে এক ছিল সারা এবং নাগমণি পর্যন্ত, প্রেমকে সুফি শৈলীতে উপস্থাপন করা হয়েছে। এটি এমন একটি প্রেম যা অভিযোগ ছাড়াই ত্যাগ এবং গ্রহণযোগ্যতার সঙ্গে তাল ঠুকে। এমন কি বলা যেতে পারে যে, এটি তোমার জীবনের এক তৃষ্ণা, যা মেটানো যায়নি?

অমৃতা: এটা তো সত্য, তাই নয় কি? সব মানুষের ভাগ্য এমনই, আমাদের অনেক ইচ্ছা অপূর্ণই থেকে যাবে।

মুক্তি: তোমার গল্পের নারীকেন্দ্রিক চরিত্রগুলোর সঙ্গে সহজেই পাঠকের পরিচিতি গড়ে ওঠে। তুমি সত্যিই নারীদের আনন্দ-বেদনার বিষয়গুলো ভালোভাবে বুঝেছ। তোমার গল্পগুলো সারা বিশ্বের নারীদের গল্প। ডক্টর দেব, গল্পে মমতা যখন তার সমস্ত সাহস জড়ো করে স্বামীকে জানায় যে তার প্রথম বিয়ের একটি সন্তান আছে, তখন সে এমনভাবে নিজেকে সরিয়ে নিলো, যেন ওই একটি ঘটনা উন্মোচনের মাধ্যমে তার সকল প্রেম উবে গেছে। সে তার সন্তানকে মমতার ছায়ার কাছেও যেতে দেয় না। সেটি ছিল তিতকুটে-মিষ্টি গল্প।

অমৃতা: আমাদের সমাজ একটি পিতৃতন্ত্রের সমাজ। আমরা বিশ শতকে বসবাস করলেও, নারীদের অবস্থান একই রকম আছে। পুরুষেরা নারীদের সমান মর্যাদা দিতে প্রস্তুত নয়। এটি তাদের জন্য সুবিধাজনক নয়। বেদ, পুরাণ এবং উপনিষদ, আমাদের সম্মানিত প্রাচীন গ্রন্থগুলো সবই পুরুষদের দ্বারা লেখা হয়েছে এবং এটি তাই অনীস্বীকার্য পুরুষরাই নারীদের এই অবস্থার জন্য দায়ি, শুরু থেকে আজ পর্যন্ত।

মুক্তি: তোমার গল্পের, নারী চরিত্রগুলো তাদের বর্তমান জীবনে পরিতৃপ্ত নয় এবং প্রায়ই তারা তাদের অতীত জীবনের দিকে ফিরে তাকায়। আমার মনে হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের জন্য, তাদের অনুসন্ধান এখনও শেষ হয়নি।

অমৃতা: এটা সত্যি, যখন প্রেম তোমার মনের দরজা খুলে দেয়, তুমি সেই এক ব্যক্তিকে দেখো যার সঙ্গে তুমি এই জীবনে একটি সম্পর্ক গড়ে তুলেছো। তবে তুমি যা দেখতে পাও না তা হলো সেই সূক্ষ্ম সুতোগুলো, যা তোমাকে পূর্বজন্মের সঙ্গে বাঁধে। বর্তমানে আমার জন্য, একটিমাত্র নাম আছে যা আমার আত্মার সারাংশ, আমার অন্তর্নিহিত ধ্যান: ইমরোজ।

তাকে উদ্দেশ করে এ লেখাগুলো খুব বেশিদিন হয়নি লেখা হয়েছে।

"তোমার সঙ্গে আমার দেখা হলো। সেই থেকে জীবনের প্রায় সবটা জুড়ে তুমি আমার হৃদস্পন্দন হয়ে বুকের গভীরে জায়গা করে নিলে। এখন আমায় এমন এক চিকিৎসকের সন্ধান দাও যিনি আমার স্পন্দন নির্ণয়ে সক্ষম।

এই মহাবিশ্ব আমাদের একসাথে বাঁধলো। আমি তার শিল্পীর দক্ষতা সম্পর্কে মন্তব্য করব না, তবে আমার কথাগুলোকে চিত্রে রূপান্তরিত করা, এটি শুধু সৃষ্টিকর্তা বা ইমরোজই করতে পারেন। ইমরোজ আমার জন্য তেমনই, যেমন মীরার জন্য কৃষ্ণ। ইমরোজ তো আকাশের বৃষ্টি।"

মুক্তি: তোমার কবিতা "আজ আখাঁন ওয়ারিস শাহ নু" ১৯৪৭ সালের দাঙ্গার বিষয়ে প্রকাশিত তোমার বেদনার কথা বলে। আমরা কি কিছু লাইন শুনতে পারি?

অমৃতা: পাঞ্জাবের এক কন্যা কাঁদছিল / তুমি একটি দীর্ঘ কাহিনি লিখেছো / আজ লক্ষ লক্ষ কন্যা কাঁদছে / ওয়ারিস শাহ, তোমাকে বলছি, পাঞ্জাবের অবস্থা দেখো / তোমার কবর থেকে বলো / এবং প্রেমের বইয়ের / একটি নতুন পৃষ্ঠা খুলে দাও।

(আমি আজ ওয়ারিস শাহকে বলি, তোমার কবর থেকে কথা বলো, এবং প্রেমের বইয়ের নতুন একটি পৃষ্ঠা উন্মোচন করো। পাঞ্জাবের একমাত্র কন্যার কষ্ট তোমার গীতি সৃষ্টি করেছিল। আজ লক্ষ লক্ষ কন্যা কাঁদছে এবং তারা তোমাকে অনুরোধ করছে। ওঠো, তুমি বেদনার পাণ্ডিত, এবং তোমার পাঞ্জাব দেখো। যেখানে মৃতদেহ ক্ষেতে পড়ে থাকে এবং চেনাব নদীতে রক্ত প্রবাহিত হয়।)

১৯৪৭ সালে, যখন ভারত ও পাকিস্তানকে অন্ধকারের মেঘ গ্রাস করেছিল, তখন আমাদের চারপাশে চলা দাঙ্গা ও হিংসার কারণে অবসাদ এবং হৃদয়ে এক অবিরাম যন্ত্রণা তৈরি হয়েছিল। আমরা কী ছিলাম এবং আমরা কী হয়ে গিয়েছিলাম? আমরা সবাই সেই এক ফুলে ওঠা বাগানের অংশ ছিলাম, একসাথে বাঁচছিলাম ও মরছিলাম, এবং তারপর আমরা বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলাম। এবং আমরা একে অপরকে হত্যা ও লুট করতে শুরু করেছিলাম।

মুক্তি: একটা সময় ছিল যখন তুমি বেশ কিছু রাজনৈতিক লেখাও লিখেছিলে। সে সম্পর্কে আমাদের একটু বলো।

অমৃতা: সেটি আমার জীবনের একটি সুন্দর পর্যায় ছিল এবং সুন্দরতর হয়ে উঠছিল, কিন্তু সেই সময়ে যে মৌলিক প্রশ্নটি আমাকে ভাবাত, তার জবাব কারো কাছ থেকে না মেলায়, সেই পর্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটে গেল। বেদে বলা হয়েছে, তুমি যদি তোমার শিকড়ের সঙ্গে পরিচিত হতে না পারো, নতুন পাতা পল্লবিত হবে না। আর এখন তো গণতন্ত্রের দোহাই দিয়ে ক্ষমতা আর সম্পদ কুক্ষিগত করার চেষ্টা চলছে।


সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী মুক্তি ভার্মা ‘খামোশ দস্তক’ নামের ছোটোগল্প সংকলনের লেখক।






একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ