মূল : মেজর শামসাদ আলী খান
অনুবাদ : হারুন রশীদ
পাকিস্তানি মেজর শামসাদ আলী খান ১৯৭১ সালে চট্টগ্রাম শহরে মিলিটারি কোর্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারদের একজন ছিলেন। যুদ্ধের শেষভাগে তাঁর অবস্থান ছিল ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ। মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়ের পর আত্মসমর্পনের জন্য তাঁকে চট্টগ্রাম শহরে নিয়ে আসেন এক ভারতীয় মেজর। মেজর শামসাদ তার ১৭ ডিসেম্বর ১৯৭১ তারিখে আত্মসমর্পন অভিজ্ঞতা নিয়ে ২০১১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানের দ্য ট্রিবিউন এক্সপ্রেস পত্রিকায় একটা কলাম লিখেছেন 'সারেন্ডার এট চিটাগং' নামে। লেখাটা ইন্টারেস্টিং। অনলাইনে প্রকাশিত লেখায় কিছু পাকিস্তানি নাগরিকের মন্তব্য আরো বেশি ইন্টারেস্টিং ছিল। সেগুলো একত্রে সংকলিত হলো।
—[মূল: The Express Tribune, 16 December 2011]
১৭ ডিসেম্বর ১৯৭১ সাল। ভোর ছটা।
চট্টগ্রামের অদূরে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ। গতকাল মধ্যরাতে হুকুম এসেছে সব পাক অফিসারকে ভোর ছটায় এই কলেজের মাঠে অস্ত্রসমর্পনের জন্য হাজির হতে হবে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর চট্টগ্রাম কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার সিধু মহানুভবতার সাথে আমাদের আত্মসমর্পনের অনুষ্ঠান আয়োজন করেছেন। এখানে আমাদের গতকালের ঢাকার আত্মসমর্পনের মতো কোনরকম হেনস্থা করা হয়নি। একটা কারণ হতে পারে পাকিস্থান সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পনকারী ব্রিগেডিয়ার তাসকিনুদ্দিন। যিনি দেশভাগের আগে ইন্ডিয়ান মিলিটারী একাডেমীর ইনস্ট্রাকটর ছিলেন।
আমি কলেজের মেইন গেট দিয়ে ভেতরে ঢুকতেই দেখলাম চট্টগ্রাম কুমিল্লা এলাকার দায়িত্বে থাকা লে.কর্নেল আশিক অফিস ভবনের সামনে পায়চারী করছে। আমাকে বলা হলো তিন ক্যাপ্টেনকে নিয়ে চট্টগ্রাম-কুমিল্লা রোডের দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারতীয় কমান্ডারের সাথে যোগাযোগ করতে। কিন্তু ক্যাপ্টেন সরফরাজ ছাড়া আর কোন অফিসার আমার সাথে যেতে অস্বীকার করলো। গাড়িতে একটা সাদা পতাকা উড়িয়ে আমরা রওনা দিলাম ভারতীয় বাহিনীর উদ্দেশ্যে।
আমরা একটা খালের মতো জায়গায় পৌঁছালাম যেখানে একটা সেতু ধ্বংসপ্রাপ্ত। একজন শিখ মেজর খালের পাড়ে দাঁড়িয়ে আছে একটা প্ল্যাটুন নিয়ে। আমাকে দেখে বললো একটা সেনা বহনকারী গাড়ি নিয়ে আসতে। আমি আবারো কলেজে ফিরে গেলাম। ব্রিগেড মেজর ফখর আমাকে বললেন বাস ট্রাক যা পাওয়া যায় নিয়ে যেতে। বাস ট্রাক সবই ছিল, কিন্তু সিভিলিয়ান ড্রাইভারগুলো উধাও হয়ে গেছে এই গন্ডগোলে।
উপায় না দেখে আমার জীপের উপর একটা .৩০ ব্রাউনিং মেশিনগান স্থাপন করে নিজেই রওনা দিলাম। দেখলাম ক্যাপ্টেন মনসুরও তার জীপ নিয়ে আমাকে অনুসরণ করতে শুরু করেছে। আমরা কলেজের গেট খুলে বাইরে আসতেই সীমানার ওপারের উত্তেজিত জনতার কোলাহল চুপ হয়ে গেল।
ভয় আর দুশ্চিন্তা চেপে বসেছে আমার ভেতর। ওই উত্তেজিত জনতা আমাদের যে আক্রমন করে বসবে না সে সম্ভাবনা উড়িয়ে দিতে পারছি না, নিদেনপক্ষে গুলি করে বসতে পারে। আমরা স্টেন হাতে মুক্তিদের দেখতে পাচ্ছিলাম ভীড়ের মধ্যে। যাই হোক ক্যাপ্টেন মনসুর আর আমি এগিয়ে যেতে থাকলাম। আমার আঙ্গুল মেশিনগানের ট্রিগারে। ভাগ্যক্রমে জনতা নিশ্চল থাকলো ভিড় সরিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে দিল।
সেই শিখ মেজর সাথে আসা সব পাকিস্তানী ক্যাপ্টেনকে রেখে দিয়ে আমাকে বললো একজন হাবিলদারের সাথে যেতে, যে আমাকে ভারতীয় বিগ্রেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার সিধুর কাছে নিয়ে যাবে। আমরা সেই খালটা পেরোতে গিয়ে দেখলাম ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারগন ওটায় চলাচলের পথ তৈরী করছে। আশ্চর্য যে ওদের পেরিয়ে যাবার সময় আমাকে দেখে স্যাল্যুট করলো যদিও তারা আমার পাকিস্তানী ইউনিফর্ম দেখছে। তাদের এই আচরনে ভারতীয় সেনাবাহিনীর উপর আমার ভক্তি আসলো।
খালের একপাশে আরো একদল পাকিস্তানী সৈন্য গাড়িতে অপর পাড়ে যাবার জন্য অপেক্ষা করছে। খালের অপর পাড়ে কয়েকজন সুবেশী ভদ্রলোক একটা মার্সিডিস গাড়ি নিয়ে দাঁড়ানো। তিনি কোন এক বিখ্যাত আওয়ামীলীগ নেতার আত্মীয় বলে। উনি ব্রিগেডিয়ার সিধুকে তাঁর গাড়িতে উঠতে বললেন। কিন্তু ব্রিগেডিয়ার সিধু তা প্রত্যাখ্যান করে আমার জীপের দিকে আঙুল দিয়ে বললো, আমি পাকিস্তান মিলিটারীর জীপ নিয়ে যাবো।
ব্রিগেডিয়ার তখন ওদের সাথে পূর্ব নির্ধারিত একটা মিটিং সারতে গেল পাশেই। মিটিং শেষে তিনি এসে আমাকে জিজ্ঞেস করলেন আমার কোন সুপারিশ আছে কিনা চট্টগ্রাম শহরের ব্যাপারে।
আমি বললাম, বিহারীদের এলাকাগুলো রক্ষা করা দরকার জরুরী ভিত্তিতে। যে কোন সময় ওরা বাঙালীদের দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। ইতিমধ্যে ইঞ্জিনিয়ারগন রাস্তা মেরামত করে ব্রিগেডিয়ারের জীপটা পার করে আনতো পারলো। তারপর চট্টগ্রামে অবস্থানরত বিহার রেজিমেন্টে একটা বার্তা পাঠিয়ে বলা হলো বিহারী জনগনের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে। যে দুজন ক্যাপ্টেন আমার সাথে এসেছিল তারা গাইড হিসেবে গেল সাথে।
আমি শহরের সবকিছু মোটামুটি চিনি। তাই ব্রিগেডিয়ার সিধু আমাকে কমিশনার অফিসে নিয়ে যেতে বললো। কমিশনার অফিসে গেলাম। যুদ্ধের সময় যেখানে আমি একটা মিলিটারী কোর্টের দায়িত্বে ছিলাম। ওই দালানটা উঁচু একটা টিলার উপর অবস্থিত। শহরের বিরাট একটা অংশ দৃশ্যমান এখান থেকে। যখন আমরা পৌঁছলাম ব্রিগেডিয়ার সিধু ভেতরে ঢুকলো আমরা বাইরের বারান্দায় রইলাম।
বারান্দায় দাঁড়িয়ে দেখতে পেলাম নগরবাসী ভারতের বিজয় নিয়ে আনন্দোল্লাস করছে। বাচ্চা ছেলেমেয়েরা রংবেরঙের পোষাক পরে নাচতে গাইছে। তারা সবাই ভারত আর বাংলাদেশের পতাকা বহন করছিল। রাস্তার গাড়িগুলো খুব জোরে হর্নবাজিয়ে মাইক বাজিয়ে চলে যাচ্ছে। সবাই পাকিস্তান বিরোধী শ্লোগান দিচ্ছে, ভারতের জয়গান গাইছে, আর সাথে সাথে বলছে জয় বাংলা।
আধাঘন্টার মধ্যে গাড়ি আর লোকসংখ্যা অনেক বেড়ে গেল। সবাই আনন্দে আছে কেবল আমিই সবচেয়ে দুর্ভাগা অফিসার যে বেদনায় জর্জরিত হয়ে আছে। আমি কতোটা তীব্র কষ্ট মনের ভেতরে চেপে ছিলাম, তা ভাষায় প্রকাশের অযোগ্য।
জনতার ভীড়টা আস্তে আস্তে এগিয়ে আসতে থাকে কমিশনার অফিসের দিকে। সবাই মালা আর ফুলের তোড়া বয়ে আনছিল ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য, যারা তাদের মুক্তিদাতা। তারা এগিয়ে এসে মালা পরিয়ে দিল ভারতীয় অফিসারদের গলায়। কেবল একটা মেয়ে মিষ্টি হেসে আমার দিকে এগিয়ে এসে বললো, আমি জানি তুমি পাকিস্তানী কিন্তু কিছু মনে করোনা, চাইলে তুমিও আমাদের আনন্দে শরীক হতে পারো।
হঠাৎ এক ভারতীয় অফিসার আমার হাত ধরে এমন জোরে টান মারলো, প্রায় পড়ে যাচ্ছিলাম। সাথে সাথে সে চিৎকার করে বললো, "ওই যে ওকে ধরো"। আমি খেয়াল করলাম স্টেনগান হাতে এক তরুণ ভীড় থেকে পালাচ্ছে। কেউ ধাওয়া করলো না তাকে। ওই ছেলেটা আমাকে গুলি মারার চেষ্টা করেছিল। ভারতীয় অফিসার না থাকলে আমার জীবন রক্ষা হতো না।
কিছুপর ব্রিগেডিয়ার সিধু আমাকে নিয়ে নগর ভ্রমনে বেরুলো, বিহারী এলাকার দিকে গেলাম। দেখা গেলো বিহারী কলোনীটা মৃত্যুপুরীর মতো, একেবারে সুনসান নিস্তব্ধ। যেন কেউ নেই কোথাও। বাড়িগুলোর ছাদে বাংলাদেশী পতাকা নয়, সাদা পতাকা উড়ছে। এটা খুবই মর্মান্তিক দৃশ্য ছিল আমার জন্য। ভাবছিলাম কিভাবে তরুণ বিহারীরা জানপ্রাণ দিয়ে পাকিস্তানকে সমর্থন গেছে নয়মাসব্যাপী।
দরোজা জানালাগুলো সব বন্ধ, কিন্তু কয়েক মিনিট পর কিছু লোককে উঁকি দিতে দেখা গেল দূর থেকে। ব্রিগেডিয়ার সিধু আমাকে বললেন ঘরের বাসিন্দাদের বাইরে আসতে আহবান জানাই, তিনি ওদের উদ্দেশ্য কিছু বলবেন। প্রথমে কেউ বেরিয়ে এলো না। তারপর আমি যখন হ্যান্ড মাইকে বললাম যে আমি একজন পাকিস্তানী আমি ভারতীয় বাহিনীকে এনেছি তাদের রক্ষা করার জন্য। তখন আস্তে আস্তে বয়স্করা বাইরে বেরিয়ে এল। ব্রিগেডিয়ার সিধু সংক্ষিপ্ত ভাষণে জানালেন বিহার রেজিমেন্টকে তাদের নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত করা আছে, ভয়ের কিছু নেই। তারপর আস্তে আস্তে বিহারীরা আস্বস্ত হতে শুরু করে।
আমার কেমন একটু অপরাধবোধ হলো। এই বিহারীগুলো আগাগোড়া পাকিস্তানের সমর্থনে মুক্তিবাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে গেছে, তারপর লড়েছে ভারতীয় বাহিনীর সাথে। এখন এরা পরিত্যক্ত অসহায়। রেলওয়ে কলোনী আর আদমজী নগরের বিহারীদের চিত্র একই মনে হলো।
সন্ধ্যার দিকে আমরা আগ্রাবাদ হোটেলে গেলাম। যে রেষ্টুরেন্টে আমি সবসময় যেতাম। ব্রিগেডিয়ার সিধু চা খেতে চাইলো। হোটেলের বয় বেয়াড়াগুলো কেমন সংশয়ী দৃষ্টিতে তাকাতে লাগলো আমার দিকে। অবশেষে এই নিরানন্দময় দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হলো আমাকে। তবু আমি সন্তুষ্ট যে অবাঙ্গালীদের নিরাপত্তার জন্য আমি কিছু কাজ করতে পেরেছি। কিন্তু যখন ভারতীয় অফিসারগন আমাকে পাক আর্মি অফিসার মেসে নিয়ে গেল তখন একটা কাজের নির্দেশ এলো ওদের কাছে যা তারা আমাকে দিয়ে করাতে চায়।
কাজটা হলো কর্নফুলী পেপারমিল ও অন্যন্য কারখানায় আশ্রয় নেয়া বিহারী পরিবারগুলোর তালিকা করা। আমি একটা কারখানায় গেলাম। সেখানে ঢুকে বিস্ময়ের সাথে দেখলাম কয়েকশো নারী আর শিশু কারখানার ভেতরে আশ্রয় নিয়ে লুকিয়ে আছে। আমাকে দেখে ওরা ছুটে এসে জানতে চাইল আমার কাছে কোন খাবার আছে কিনা। আমি দৃশ্যটা সহ্য করতে পারিনি। ভাবলে এখনো শিউরে উঠি।
বাইরে বেরিয়ে এসে আমি ভারতীয় অফিসারদের জানিয়ে দিলাম, এই কাজ আমার পক্ষে সম্ভব না। আমার মানসিক অবস্থা অনুমান করে তারা আর জোর করলো না। আমাকে অফিসার্স মেসে নামিয়ে দিয়ে চলে গেল।”
এই লেখা অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত হবার পর পাকিস্তানী পাঠকেরা বেশ কিছু মন্তব্য করেছিল। সেগুলো লক্ষ করার মতো—
Mehboob
Dec 16, 2011 - 11:47AM
Thank you for narrating this story. I don't know why nation at large is being kept at this impression that Pakistan won the war of 1971 this is one fact from a lot which have been tailored to the needs of rulers of time in Pakistan. You story of surrender was touching and communicated what you went through when surrendering.
[মেহবুব : আমি বুঝতে পারি না কেন সমগ্র জাতিকে এই ধারণা দিয়ে রাখা হয়েছে যে পাকিস্তান ১৯৭১ সালের যুদ্ধে জিতেছিল – এটা এমন অনেক তথ্যের মধ্যে একটি যা পাকিস্তানের তৎকালীন শাসকদের সুবিধার জন্য বানানো হয়েছে। আপনার আত্মসমর্পণের গল্পটি মন ছুঁয়ে গেল এবং আপনারা তখন কী পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন, সেটা খুব ভালোভাবে বোঝাতে পেরেছেন]
Shahryar Ahmed
Dec 16, 2011 - 10:48AM
I cannot imagine the pain the writer can go through, after reading a bit about the 71 war if seems that the real problem was not the Bengali's or even the Indian's (they just expolited a situation to their benefit), it was mostly our own fault.
[শাহরিয়ার আহমেদ : লেখকের মনের কষ্ট আমি ভাবতেও পারছি না। ৭১-এর যুদ্ধ নিয়ে কিছুটা ঘাঁটার পর মনে হচ্ছে যে আসল সমস্যাটা আসলে বাঙালি বা ভারতীয়দের জন্য ঘটেনি (তারা কেবল একটা সুযোগের সদ্ব্যবহার করেছে), এর জন্য মূলত আমরা নিজেরাই দায়ী ছিলাম]
Wasim
Dec 16, 2011 - 1:32PM
Losing Bangladesh had to happen one day. In 1971, East Pakistan's (Bangladesh) population was more than the entire population of West Pakistan, and the land size of Bangladesh is even smaller than Sindh Province of Pakistan. And we had no connection with Bangladesh, India was in between and Bengalis are culturally more similar to Indians than Pakistanis. Our army should have voluntarily given Bangladesh their independent country. The war was a waste.
[ওয়াসিম : বাংলাদেশকে এমনিতেই হারাতে হতো আমাদের। ওরা সংখ্যার দিক থেকে পুরো পশ্চিম পাকস্তানের চেয়ে বড়। অথচ আয়তনে সিন্ধুর চেয়ে ছোট। আমাদের সাথে ওদের কোনো রকমের মিল নেই। আমাদের মাঝখানে বিশাল ভারত রাষ্ট্র। সাংস্কৃতিকভাবে আমাদের চেয়ে ওদের চেয়েই মিল বেশি। আমাদের আর্মির উচিত ছিল দেশটা এমনিতে ছেড়ে দেয়া। এই যুদ্ধটা ছিল একটা অযথা ক্ষতি।]
Faisel Hafeez
Dec 16, 2011 - 7:40PM
The first and only Surrender of a Muslim Army in the entire Muslim History. And the most Humiliating one ever. The least we should have done was to observe a one minute silence, with our Flag at Half Mast , every year on the 16th. of December. This day should have been designated to ponder into our follies,with a resolve to never let such a Humiliation fall on us ever again. But sadly that never happened. We only fed more lies to our coming generations. The results are in front of everyone to see. Hammod ur Rehman Commission's report should have become the guiding principle to set our course straight. But our Rulers in their wisdom, rubbished it. Nations are built on identifying their short comings, and then over coming them. Owning, and then correcting a wrong, does not make one small. But provides the correct prerequisites of consolidated growth.
[ফয়সাল হাফিজ : মুসলমানদের ইতিহাসে এটাই ছিল প্রথম ঘটনা যেখানে একটা মুসলিম সৈন্যবাহিনী সর্বাত্মক আত্মসমর্পন করেছে। এত অপমানজনক আত্মসমর্পন আর কখনো ঘটেনি। এটার জন্য আমাদের উচিত প্রত্যেক ১৬ ডিসেম্বরে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা এবং এক মিনিট নীরবতা পালন করা। কিন্তু আমাদের রাজনীতিবিদরা এই ভুল থেকে কোনো শিক্ষা নেয়নি। এই ভুলের পুনরাবৃত্তি না করার জন্য যা করা দরকার ছিল তা করেনি। বরং মিথ্যার পর মিথ্যা দিয়ে আমাদের ইতিহাসকে কলঙ্কিত করা হচ্ছে। অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেকে শুদ্ধ করার মধ্যে কোনো লজ্জা নেই।]


0 মন্তব্যসমূহ