শুক্রবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৪

মিলটন রহমানের গল্প : ঘোর

কুতুবালী প্রাতকৃত্য ঘরের ডেরায় না ডেঙ্গায় সারলো তা বুঝার কিংবা টের পাওয়ার প্রয়োজনবোধ করে না। কেবল পেটে মোচড় দিলে ঘুম চোখে কয়েক কদম হেঁটে বসে যায় ঢেলা হাতে। উদুম শরীরে মশা তাড়াতে ঠাস ঠাস থাপ্পড় বসায় পাছা ও শরীরে। এ সময় পাশের টংঘর থেকে নছিমন বিবির কন্ঠ তার কানে করাতের মত শব্দ করে। কুতুবালী বিড় বিড় করে বুড়ির গোষ্ঠি উদ্ধার করে। ছিলানটা রাইতে মনে লয় মইরা থাহে। সকাল হইলেই আমারে দেইখা বুড়ির জোয়ান্তি ঠেলা দিয়া ওঠে। নছিমন গলায় শান দিয়ে চিৎকার করে। হারাদিন আজারে বাজারে ঘুইরে আউললতা বাউললতা গিইলে অখন ঘরশুদ্ধা গন হইয়া গেইছে। বুড়ি গালাগাল দিয়েও জল ভরে বদনাটা এগিয়ে দেয় কুতুবালীর দিকে। জলের শব্দ কুতুবালী পছন্দ করে। কারণ জলের শব্দ আছে, শুনা যায়। ফুলের গন্ধ নাকে লাগে, ভালো লাগে। কিন্তু জল দেখতে কেমন? ফুলের শরীর কি তার হাতের মত লম্বা? নাকি বুকের লোমের মত চিকন চিকন?
একবার নছিমন রেললাইনের ধারে কুতুবালীকে একটি ফুলের বহু রকম বর্ণণা দিয়েছিলো। কুতুবালী হাসি ও রাগের মাঝামাছি একটি ভাব প্রকাশ করেছিলো। কারণ তার কাছে ফুলের সৌন্দর্য বর্ণণা কোন অর্থ বহন করে না। প্রতিদিন কতকিছুইতো কানে শুনে সে। কিন্তু কোন কিছুরই শরীরি কাঠামো তার পরিচিত নয়। জন্মের পর এক সময় যখন কুতুবালীর মা টের পায় তার চোখ দুটি অন্ধ, তখন নাকি খুব কেঁদেছিলো। মার মুখে এ গল্প শুনার পর সে অবাক হয়েছিলো। কারণ কান্নারও শব্দ শুনেছে সে, মনে করে কান্নাটা খুব কষ্টের প্রকাশ। মা যখন মারা গেলো তখন কে যেনো তাকে বলেছিলো- তোর মা মইরে গেলো তুই একটু কাঁদলিনে ? তখন সে পাল্টা প্রশ্ন করেছিলো কান্দন কেমুন? আমিতো কান্দনের যে শব্দ শুনেছি সে রকম শব্দ করার চেষ্টা কইরেছি। কিন্তুক কাইন্দন হইলো কিনা আমি তো জানি না। আইচ্ছা আমার মা‘য়ে দেইখতে কেমুন? নছিমন মাগিতো খালি ফুলের বর্ণণ দিলো আমারে। একবারের লাগি আমার মায়ে কেমুন সে বর্ণণ তো দিলো না? বুড়ি আমার মায়ের লগে খালি ঝগড়া করতো। আমার মা ওর লগে ঝগড়া কইরতে কইরতে মইরে গেলো। এর পর তো মা‘য়ের হাত ছুঁইতে পারি না। মা‘র বুকে মাথা রাইখতে পারি না। মা‘র শারীর থেকে ফুলের মত গন্ধ শুঁইকতে পারি না। মইরে যাওয়ার পর মা‘রে ঘর থাকি লইয়া যাওনের সোময় একটা গন্ধ লাকে লাইগেছেলো। ওইটা নাকি কাফুরের গন্ধ। কাফুর কেমুন? ওই কাফুরের গন্ধ এখনো আমি পাই। রাইতে ঘুমাইতে গেলে পাই।

ওই লোকটি আর কুতুবালীকে কান্নার চেহারা বুঝানোর চেষ্টা করে না। খোলা আকাশ আর রঙিলা প্রকৃতির দিকে তাকিয়ে বলে-কুতুবালী তোর লগে আল্লায় বেশি অবিচার কইরেছে। মা‘র পেটথনে তুই অন্ধ হইয়া বাইর হইলি। এই দুইন্নাতে বিশ বছোর পার কইরলি। মায়ের পেটে থাকতে যেমুন কিছুই দেখতি না, এই বিশ বছরেও কিছুই দেখলি না। এতো সুন্দুর আল্লার দুইনা। তুই একটু দেখলি না। সত্যি আল্লা আন্ধগর লগে বেশি অন্যায় কইরেছে। কুতুবালী মানুষটির কথার কিছুই বুঝে না। শুধু বলে-আচ্ছা আল্লা দেইখতে কেমুন? আমাগোর প্রেধানমন্ত্রী, নেতাগো মতুন? অনেক ক্ষেমতাবান? ইচ্ছা কইরলেই অবিচার কইরতে পারে?

কুতবালীর মা যখন মারা গেলো, তখন গ্রামে তাদের বাড়ি ছিলো। মা মরে যাওয়ার পরে নছিমন বিবি তাকে নিয়ে শহরে চলে আসে। শুনেছে কে যেনো তাদের বাড়ি দখলে নিয়েছে। তাই নছিমন আর গ্রামে যায়নি। বাড্ডার এই বস্তিতে থাকে। এখানেও মাঝে মাঝে দখল-বেদখল হয়। তবে এখানে একটি সুবিধা হলো বস্তি ছেড়ে যেতে হয় না। ক্ষমতার পরিবর্তন হয়। পরিবর্তন হয় মালিক। মালিক তাদের সাথে অবিচারও করে। তখন কুতুবালীর মনে হয়- এরা আল্লার মত ক্ষেমতাবান। তা না হইলে, এতো অবিচার করে ক্যামনে? ঠিক আল্লাও আমার লগে এরকম অবিচার কইরেছে। আমি চোক্ষে দেখি না। আইচ্ছা দুইন্নাটা কেমুন? কাঁচা মরিচ দিয়া ভাত খাওনের সোময় যেমুন ঝাল লাগে তেমুন? নাকি মাইকে শুনা -বুকটা ফাইট্টা যায়, বুকটা ফাইট্টা যায়-গানের লাহান মজার? প্রতিদিন ঢাহা শহরে কতকিচ্ছুইতো হুনি। কিচ্ছু একটার মত তো হইবোই। তবে পল্টন এলাকায় কিসব গালাগাল করে নেতারা। ওইসবের মত যদি হয় দুইন্নাটা, তাইলে আমার আপুত্তি আছে। তাইলে কমু আমার লগে আল্লা কম বেবিচার কইরেছে। কারণ আমিতো ওই নেতাগো চোখখে দেখি না। যারা চোখখে দেখে তারা এসব নেতাগোরে দেখে। যারা তাদের চোখখে দেখে তাদের লগে আল্লা বেশি বেবিচার কইরেছে। বাইতুল মোকাররমের সামনে দিয়া যাওনের সোময় কতগোলান নেতা ওই আল্লার নাম নিয়া গলা খিচুনি দ্যায়। আরে ওই আল্লাইতো তোদের লগে অবিচার করেনাই। কইরেছে তো আমার লগে। তুমরা কুন দু:খে হের নাম নিয়া চিল্লাও। আমি তো চিল্লাই না। হ, তোমরা অরে দেইখিছো। আর আমি দেখিনাই? এইতো?

প্রতিদিনের মত নান্টু এসে চিৎকার দিয়ে ডাকে কুতুবালীকে। নান্টু প্রতিদিন তাকে ফার্মগেইট, কাওরানবাজার, পল্টনসহ বিভিন্ন এলাকায় হাত ধরে নিয়ে যায়। তার প্রথম প্রথম খুব অভাগ লাগতো, ওই আল্লার নামে কতগুলো মানুষ পয়সা খোঁজে। ওর ঘিন্না লাগে। যে আল্লা ওর সাথে এতো অবিচার করলো তার নাম নিয়ে সে ভিক্ষা করবে না। নছিমন বিবি হামেশা ঘর গরম করে রাখলেও পছন্দ করে কুতবালীকে। গ্রাম থেকে আসার সময় আনা কুতুবালীর মায়ের জমানো টাকাগুলো তুলে দেয় তার হাতে। ওই টাকায় সে এখন ফেরি করে ঢাকা শহরের ব্যস্ত এলাকায়। অবলম্বন নান্টু। নান্টুর মার সাথেও তার বেশ সখ্যতা। মাঝে মাঝে কুতুবালীর জন্য দুপুরের খাবার নিয়ে যায় মইরম। মইরমের কথা শুনতে তার ভালোই লাগে। কখনো কখনো মন্টুর বদলে মইরম তাকে হাতে ধরে রাস্তা পার করে। মইরম কথা বলে। রাস্তা দেখে। মানুষ দেখে। গাড়ি দেখে। নেতা দেখে। কুতুবালী ভাবে মাঝে মাঝে মইরম বুঝি আল্লারেও দেখে। মাঝে মাঝে অয় আল্লারে ডাকে। আর যা দেখে তার বণর্ণ দেয়। সিনেমা হলের সামনে দিয়া যাওনের সময় পিরিতির গল্প হুনায়। এই গল্প শুনানোর সময় মইরমের শরীরের উষ্ণতা অনুভব করে কুতুবালী। মইরম তার হাতটা বাজুবন্ধে আটকে রাখে। ফিস ফিস করে বলে-তুমি কি আমারে ওই সিনেমার নায়কের লাহান ভালোবাসবা? তুমি আন্ধা হইছোতো কি হইছে। তুমি ভালা মানুষ। ভালা মানুষ মোন দিয়া দেখে। তোমারতো খালি দুইখান চোখ নাই। তুমি দেইখতে শাকিব খানের লাহান-বলেই মুখ খিচে হাসে মইরম। তার কথা শুনে কুতুবালির নিজেকে খুব দেখতে ইচ্ছে করে। চোখে দেখতে পেলে সে নিজেকে খালি দেখতো আর মইরমের কথা মনে করতো। হয়তো নার্সিসাস হয়ে যেতো। কারণ চোখে দেখা মানুষরা কখনো কখনো অন্ধের চেয়েও বেশি অন্ধ হয়ে যায়। মইরম তখন মইরমরা হয়ে যায়। মইরমের কথাশুনে কুতুবালী কেবল হাসে আর আল্লার ওপর রেগে যায়। আর মইরমকে বলে-আইচ্ছা তুমি কি জানো আল্লার লগে আমার কি দুষমনি ছেলো। মায়ের পেটত থাইকতে আমারে আন্ধা কইরে দিলো বেটায়। তাই আমি তারে চোখে দেহি না। দেইখলে নেতাগো লাহান একখান ধমক দিয়া আমার চোখ দুইখান ঠিক কইরে নিতাম। মইরম কুতবালীর কথায় হাসে। আর বলে, তুমি চোখখে দেখনা বইলাই মানুষ আছো। চোখখে দেইখলে তুমিও নেতা হইতা। আমার গতরের কাপড় টাইনা নিতা। মন্টুর মত আরেকটা সন্তান দিতা। তোমার মত অন্ধগো ভিটা কাইড়া নিতা। বস্তি দখলের ক্ষেমতা দেখাইতা। মইরমের কথা শুনে কুতবালী ভাবে, তাইলেকি আল্লায় যারা চোক্ষে দেখে তাগো লগে অবিচার কইরেছে। এবার কুতুবালী কোন হিসাব মিলাতে পারে না। মইরমকে কাছে টেনে মাথা, চোখ হাতড়ে বলে-তুমিতো চোক্ষে দেখো। তুমি নেতা হওনাই ক্যান। আমাগো প্রেধানমন্ত্রী আর বিরোধী দলের নেতা মাইয়া মানুষ। মইরম বলে-ওইসব হওনের লাইগা কপাল লাগে। আমার বাপে ছিলে দিন মজুর। আর যে আমার জটরে মন্টুরে দিলো হেইতো নেতা। কিন্তুক মন্টুরে দিয়াই খালাস। আমার খবর নেয় না। আমি প্রেধানমন্ত্রী হইমু কেমনে? এবার কুতুবালীর সব গোলমেলে মনে হয়। আল্লার ওপর রাগ হচ্ছে কি হচ্ছে না বুঝতে পারে না। মন্টু এসে হাত ধরা মাত্রই তার মাথায় মইরমের কথাগুলো আরো বেশি করে ঘুরপাক খায়। মন্টুকে বলে-তোর মারে ডাক। আমারে নিয়া যাইতে ক। তোর লগে গেলে আমি নিরাপদ না। তোর শরীরের নেতার রক্ত। তুই আমারে ছাইড়া দে। কুতুবালী জোর করে নান্টুর কাছ থেকে নিজের হাত ছাড়িয়ে নেয়। মইরম পাশে এসে বলে-কুতুবালী তুমিও কি আমারে নেতা ভাবো? নান্টুতো আমারও পোলা। আমার পেটেতথন জন্ম লইছে। অয় তোমারে অনেক পছন্দ করে। অয় ঘরে সারক্ষণ তোমার বিলাপ করে। নান্টুর লাইগাই আমি তোমার ধারে আইছি।

কুতবালী এখন কোনকিছু আলাদা করতে পারে না। না নান্টু। না মইরম। কিন্তু তার ভেতরটা ফাপা লাগে। এইযে নান্টু, এইযে মইরম। অরা দেইখতে কেমুন? ঢাকা শহরটা দেইখতে কেমুন? নেতাগুলান দেইখতে কেমুন। ওরা কি আল্লার চেলা? হুনছি চন্দ্রিমা উদ্যানে, রমনা পার্কে অনেক ফুল আছে। অই ফুলগুলান দেইখতে কেমুন? তার মনে পড়ে গ্রামে থাকতে নসিমন বিবি বইলেছিলো তার দাদা যুদ্ধে গিয়েছিলো। দাদা যুদ্ধে শহীদ হওয়ার পর দাদি নসিমন বিবি কুতুবালীর বাবাকে নিয়ে দিনযাপন করে। ছেলেকে বিয়ে দেয়ার পর কুতুবালী ঘর আলো করে ধরাধামে নেমে আসে। কিন্তু এক সময় জানা গেলো কুতুবালী পৃথিবীর আলো দেখতে পায়না। সে অন্ধ। বাবাও ছোটবেলায় একদিন তাদের ছেড়ে চলে গেলো। সবাই ওকে শান্তনা দিয়েছিলো-বাবারে আল্লাই লইয়া গেছে। রোগে-শোকে একদিন চলে গেলো তার মা। সবাই ওকে শান্তনা দিয়েছিলো-মারে আল্লাই লইয়া গেছে। এসব মনে করে কুতুবালীর মনে অন্ধকার জমে। নসিমন বিবিকে ওর খুব দেখতে ইচ্ছে করে। অই মইরম আমারে দাদির কাছে লইয়া যাও। নসিমন বিবি অবাক হয়। কি কও কুতুবালী, দাদির কাছে যাইবা মাইনে। আজিমপুরে গিয়া দেখো দাদির কব্বরের কোন চিন নাই। কুতবালী চিৎকার করে ওঠে। কি কও, বেয়ানবেলা দাদি আমারে বদনা আগাই দিছিলো। মইরম বুঝতে পারে। কুতুবালী কাল রাতে দাদি ও তার মায়ের কাফুরের গন্ধ পেয়েছে। কি কইতাছো কুতবালী বেয়ানবেলা আমি তোমারে বদনা আগাইয়া দিছিলাম। আমিইতো প্রেত্যেক বেয়ানে তাই করি। পাশের ছিলানরা কত কথা কয় এসব দেইখ্যা। তুমি আমারে ঘরে লও কুতুবালী। নান্টু তোমারে বাপ ডাকবো। মইরমের কথা শুনে কুতুবালী বিকট শব্দে হাসে। কুতবালীর হাসি যেনো ঢাকা শহরের যানজট ঠেলে ঝড়ের মত উর্দ্ধে উঠে গেলো। সটান দাঁড়িয়ে যায় পল্টন ময়দানে। নেতাদের মত মনে হয় নিজেকে। বক্তৃতার মত চিৎকার করে বলতে থাকে-মইরম, নসিমন আমার দাদি নয় খালি, একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার বউ। আমার বাবায় মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। আমার নিজের কোন ঠিকানা নাই। আমি অন্ধ। যে দেশ দাদাই স্বাধীন কইরা গেছে তা আমি চোক্ষে দেখি না। যে রাজাকাররা আমার দাদারে খুন কইরেছে তাদের আমি খুঁইজা বাইর কইরতে পারি না। তুমি আমারে ভালোবাসো আমি তোমারে চোক্ষে দেখি না। আমারে আল্লাই এতো কষ্ট দিলো ক্যানে? আমি তো নেতাগো মত কইতে পারি না-আল্লা এর জবাব চাই। দাবি আদায়ের জন্য ডাইকতে পারি না হরতাল। কিন্তুক আমি এইবার উইঠা দাঁড়াইমু। যারা আমারে ভিটাছাড়া কইরেছে, যারা আমার দাদারে খুন কইরেছে তাদের দেইখতে চাই। আল্লার বিচার মানি না। এইবার আমার বিচার ঢাইলা দিমু মাঠে। কুতবালীর চিৎকার পল্টন থেকে প্রচন্ড বজ্রপাতে মিশে যায় বিদুৎ রেখায়। বৃষ্টির জলে দাঁড়িয়ে থাকা কুতুবালীর শরীর থেকে এক একটি জলের সড়ক তৈরী হয়ে মিশে যাচ্ছে মানচিত্রে। তখনও বজ্রপাতের শব্দে শুনা যায়, সাইরেন।


লেখক পরিচিতি
মিল্টন রহমান

১৯৭৫ সালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে চন্দ্রনাথ পাহাড়ের কোলে জন্ম মিলটন রহমান-এর।মা নূরজাহান বেগম এবং বাবা ডা: এ কে এম ওয়াহীদি।প্রকৃতির কোলে জন্মলগ্ন থেকে আলো-আঁধারীর হাত ছুঁয়ে বেড়ে ওঠা মৃত্তিকার সন্তান মিলটন রহমান কৈশোরেই গল্পকার হিসেবে প্রকাশিত হন। এক সময় কবিতাও ধরা দেয়। ২০০২ সালে প্রকাশিত হয় গল্পগ্রন্থ ‘ব্রুটাস পর্ব এবং কর্তার শারীরিক অবনতি‘। ২০১০ সালে প্রকাশিত হয় কাব্যগ্রন্থ ‘চূর্ণকাল‘ এবং ২০১২ সালে প্রকাশিত হয় কাব্যগ্রন্থ ‘নিষঙ্গ‘। বাংলাসাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী নিয়ে দেশে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে সাংবাদিকতা, তারপর উচ্চ শিক্ষার জন্য লন্ডন যাত্রা। সেখান মিডিয়া এবং বিজনেস বিষয়ে এমবিএ ডিগ্রী নিয়ে সংবাদ বিভাগের প্রধান হিসেবে কাজ করছেন বাংলা টিভিতে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন