শুক্রবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৪

সাদিয়া মাহজাবীন ইমামের গল্প : পা

চারপাশে চাপ বাড়ছে। হৃৎপিন্ড ঠিকমতো চলছে কি-না বোঝা যায়না। নিঃশ্বাস প্রায় আটকে আসছে। আরেকটু, কয়েকটা মুহূর্ত মাত্র। এই প্রথম আলিমুজ্জামান বুঝতে পারছে, এই প্রবল চাপের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসার ক্ষমতা তার আছে, কিন্তু ইচ্ছের আর কিছু অবশিষ্ট নেই। খুলে রেখে আসা ঘড়ি, ওয়ালেট ভিজছে বৃষ্টিতে। পানি জমে উপচে পড়ছে ইতালিয়ান সু’র পেটের ভেতর থেকে। আরও খানিকটা এগিয়ে গেলো সে, আরেকটু গভীরে।


আলিমুজ্জামান যখন দয়াখালী পৌঁছালো, তখন সন্ধ্যা এর ওপর অসময়ের বৃষ্টি। সন্ধ্যার বৃষ্টিটা যেন বেশি বিষন্ন। গ্রামের ভেতর ঢুকতে গাড়ি নিয়ে বেশ কসরৎ করতে হলো তাকে। ঢাকার রাস্তায় গাড়ি চালানো আর দেবে যাওয়া মাটির বুকের ভেতর দিয়ে ভারি চাকা টেনে আনা এক কথা না। খালেকের দোকান পার হয়ে বাড়ির দিকে আসার মাঝপথেই বৃষ্টির তোড় বাড়লো। ছোটবেলার সহপাঠি খালেক বিস্কুট-চকলেটের দোকানের পেটের ভেতর ১৪ ইঞ্চি সাদা-কালো টিভি নিয়ে সবার সামনে বসে আছে। পেছনে প্রায় বিশ পঁচিশ জন মানুষ। পল্লী বিদ্যুৎ দিয়ে চালানো টিভিতে নিশ্চয়ই কোনো সিনেমা বা অনুরোধের আসর চলছে। বৃষ্টি থেকে গা বাঁচাতে লোকগুলো দোকানের ভেতর প্রায় উঠে পড়েছে। আলিমুজ্জামান আজ আর গাড়ি থামালোনা। তবুও বাড়িটার ঘাট বাঁধানো পুকুরটার কাছে আসতে আসতে সন্ধ্যাই হয়ে গেল। এই বাড়িটা মাত্র বছর তিনেক আগে সে পাকা করেছে। নতুন রঙে এখনও চকচকে ভাব, মেঝের কাছে গাঢ়ো লাল রঙের টান দেয়া। বড় ঘরটার ওখানেই ছিল তাদের চার চালা। কেউ থাকুক না থাকুক, বাপ-দাদার ভিটে বলে কথা। কলেজে ওঠার আগ পর্যন্ত ওই ঘরেইতো সে মাঘ মাসের শীতে কাঁপতে কাঁপতে হারিকেন জ্বালিয়ে পড়তে বসেছে। কাঠের চেয়ারটার ওপর মা কাঁথা পেতে দিতো। বেড়ার গায়ে পুরনো কাপড় আড়াআড়ি করে গুঁজে শীত কমাতো। আচ্ছা, চেয়ারটার ওপর কি সে পা তুলে বসতো, নাকি পা ঝুলিয়ে বসে পড়তো এখন আর মনে পড়ছে না। বছর দুয়েক হলো তার এই সমস্যা হয়েছে। প্রায়ই তার মনে হয় পা দুটো সাথে নেই। অথচ দিব্যি সে হেঁটে বেড়াচ্ছে। মর্নিং ওয়াকে রমনায় যাচ্ছে, গাড়ির এ্যাক্সেলেটরে পা রাখছে, এমনকি শায়লার সঙ্গে ঘুমুতে গেলেও টের পেয়েছে কোমড়ের নিচে পা দুটো তার আছে, তবুও পায়ের কোনো স্মৃতি সে মনে করতে পারে না। অজান্তে হাত চলে যায় উরুতে, বারবার পরখ করে দেখে অস্তিত্ব। সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথে থরোলি চেকআপও হয়েছে, বিশেষ কোনো জটিলতা নেই। কিন্তু এই যে নিজের পা নিয়ে সংশয়, এই জটিলতার কোনো কিনারা হয়নি। শায়লা তাকে বুঝিয়েছে, ব্যাপারটা পুরোই মানসিক, বুবুনের ঘটনার প্রভাব। তবুও আলিমুজ্জামান তার পা সহ কিন্তু পা বিহীন জীবনের জটিলতা থেকে মুক্ত করতে পারছে না নিজেকে। কয়েকবার মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে গিয়ে ফিরে এসেছে। ডাক্তাররা তার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছেন ঠিকই, সে তো বলতে পারছে না সবটা। কিন্তু পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। অফিসের বোর্ড মিটিংয়ে বায়ারের সাথে কথা বলার জন্য সেদিন যখন দিল্লি যাওয়ার সিদ্ধান্ত হলো, নিজের অজান্তে বলে ফেললো পা বিহীন একটা মানুষ, আমারতো চলাফেরা করতে সমস্যা হবে বরং ইফতেখারেরই বিষয়টা ডিল করা উচিত। সবার অদ্ভুত দৃষ্টি দেখে বুঝল ভুলটা। আরেক দিন মনির বড় মেয়ের বিয়ের কার্ড নিয়ে দাওয়াত দিতে এলে আলিমুজ্জামান বন্ধুকে বললো, আমি পা-ছাড়া মানুষ, খামোখা বিব্রত হবে সবাই বরং শায়লা একাই যাবে। স্বামীর এমন অদ্ভুত কথা শুনে মনিরের সামনে শায়লার যাচ্ছেতাই অবস্থা।

আচ্ছা সে কি কলেজে পড়ার সময় চামড়ার স্যান্ডেল পরতো না প্লাস্টিকের? স্কুলে খালেক আর সে খালি পায়ে যেতো এটা মনে আছে। কিন্তু মাঠের আল ধরে ধরে বা শীতের সকালে শিশিরের ফোটাগুলো পায়ের তলায় পিষে যেতে কেমন লাগতো সেই অনুভূতি কেন নেই স্মৃতিতে? কিংবা স্কুলের বিস্কুট দৌড়ে যে সে একবার দ্বিতীয় হয়েছিলো আর খালেক প্রথম? দোকানদার খালেক সব সময়ই দৌড়াতে পারতো ভালো।

এখনও কি দৌড়ায় খালেক? প্রথম বেঞ্চে বসার জন্য তাকে পিছে ফেলে মাঠের আল ধরে দৌড়ে যেতো সে, আর পেছনে পড়ে থাকত আলিমুজ্জামান ওরফে আলিম। তার চোখের সামনে ভোঁ কাট্টা ঘুড্ডির মতো ক্রমশ নীল রঙের শার্ট আরও দূরে সরে যেতো। বুকের কাছে বইগুলো আঁকড়ে ধরে কিছুক্ষণ দৌড়ে হাঁপিয়ে আবার হেঁটে হেঁটে স্কুলে পৌঁছাত আলিম। কিন্তু সেই পায়ের কোনো অনুভূতিতো মনে পড়ছে না তার।


এটা কেমন জীবন? রক্ত-মাংসের চলৎশক্তি সমেতো দুটো জলজ্যান্ত পা থেকেও নেই। বুবুনের মৃত্যু শায়লাকে বিপর্যস্ত করে গেলেও সময়ে সে সামলে নিয়েছে অথচ বাবা হয়ে আলিম পারছে না। কম সময়না ৫ বছর, বেঁচে থাকলে কোন ক্লাসে পড়ত বুবুন? হিসাব করতে পারছে না। তখন তো সবেমাত্র ক্লাস টু-তে উঠেছে। বাটার দোকানের ৩ নম্বর জুতো পায়ে লাগে। দুর্ঘটনার দিনে স্কুলে যাবার আগে আবদার করেছিলো, ক্লাস ফ্লোরে উঠলে তার নতুন ব্যাগ ও নতুন কেড্স লাগবেই লাগবে। ক্লাসের রেজাল্ট ভালো হলে পাবে আশ্বস্ত করে শায়লা ছেলেকে স্কুলে পাঠায়। আলিম অফিসে। দুপুরের দিকে বাসা থেকে ফোন পেয়ে হাসপাতালে এসে দেখে, ছোট্ট বুবুন আরও ছোট হয়ে গেছে। অজ্ঞান বুবুনের শরীরের দৈর্ঘ্য থেমে গেছে হাঁটুতে এসে। স্কুলের টিফিন পিরিয়ডে রাস্তা পার হয়ে উল্টো দিকের দোকানে যাবার পথে ঘটনাটা ঘটলো। ড্রাইভার থানায়।


আকস্মিক এ ঘটনায় বিপর্যস্ত হয়ে গেলো আলিম-শায়লা। ব্যবসাটাও ঠিকঠাক দাঁড়ায়নি তবুও দুঃসময়ে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধবদের সাহায্যের কথা ভোলা যাবে না।

প্রতিদিন অফিস থেকে হাসপাতালে এসে দেখে মনির বসে আছে। মনে মনে স্বস্তি পায় আলিম। এতদিন ধরে এই বন্ধুর সঙ্গে শুধু তাদের একটা ভালো সম্পর্ক আছে এটাই জেনেছে কিন্তু বিপদের সময় এই পাশে থাকা বা প্রতিবার ডাক্তারের সঙ্গে সিটিংয়ের আগে যেচে হাতের মধ্যে টাকা গুঁজে দেওয়াটা অস্বস্তিতে ফেললেও খুব প্রয়োজন এখন। মনিরের কাছে তারা দু'জনই কৃতজ্ঞ। হাসপাতালে আনার পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে বুবুন নিস্তেজ। মনিরের ব্লাড কালচার করে মিলে যায়, প্রথম রক্তটা বোধহয় মনিরই দিয়েছিল বুবুনকে।

সমস্যা শুরু হয় হাসপাতাল পর্ব শেষে বাড়ি ফেরার পর। আস্তে আস্তে শুকিয়ে যাচ্ছে ছেলেটা। মনমরা হয়ে খাটে পরে থাকে, ক্রমশ জ্বর তারপর ফ্যাকাসে হতে শুরু করে। হাঁটুর নিচের অংশে ইদানিং থকথকে। ডাক্তার বলেছিলেন, মাস দুয়েকের মধ্যে শুকিয়ে যাবে কিন্তু ঘা আর শুকায়না, বুবুনের হাসি শুকায়, চাইল্ড রিস্ট ওয়াচের কার্টুনের তলায় আটকে থাকা শিরা-উপশিরা শুকিয়ে যাচ্ছে। কয়েকটা দিন পর হুইল চেয়ারে করে স্কুলে যাতায়াতের বিষয়ে আশ্বস্ত করেছিলো ডাক্তার কিন্তু তাইকি আর হয়! বুবুনের সেই বাটার জুতোর পায়ের খানিকটা উপর থেকে শুরু হলো, রক্তের ভেতর যায়গা করে নিলো একটা অমিমাংসিত গল্প। হাত দিয়ে মাছি তাড়ায় বুবুন, মা দেখে ফেললে মিষ্টি করে হেসে আশ্বস্ত করে ঠিকই কিন্তু ঘুমের ভেতর বলে উঠে মাছি মাছি। ঠিক যত দ্রুত ওর বেড়ে উঠার কথা, তার চেয়েও দ্রুত পাল্লা দিয়ে সারা শরিরে ছড়িয়ে পড়লো সেই গল্পটা। চোখের সামনে একমাত্র সন্তানের শেষ হয়ে যাওয়া অসহায়ের মতো দেখে যায় আলিমুজ্জামান। দু'মাস পরই বুবুনের নতুন জুতো পরার কথা ছিল। আচ্ছা তখন কি ওর জুতোর মাপ বেড়ে ৪ হতো? কিংবা যদি একই থাকত তাহলে কি নতুন জুতো পেতো? রাতে বুবুন তার পাশে ঘুমায়, ঘুমের ভেতর পাশ ফিরে আগের মতোই বাবার গায়ে পা তুলে দেওয়ার অভ্যাস রয়ে গেছে ব্যবধান হলো আগে পা তুলে দিয়েই ঘুমিয়ে যেতো এখন সত্যের কাছে পরাজিত হয়ে বালিশে মুখ গুজে দেয়। আলিমের খুব ইচ্ছে করে দুটো নকল পা যদি ওর হাঁটুর নিচে লাগিয়ে দেয়া যেতো তাওতো বুবুন ইচ্ছে হলে বারান্দায় দাড়িয়ে আকাশ দেখতে পেতো। ডাক্তার অবশ্য প্রথম থেকেই বলছেন বাইরে নিয়ে যাওয়ার কথা। টাকা-পয়সা, পাসপোর্ট, কাগজপত্র জোগাড় করতে করতেই অসুখটা ধরা পড়লো। মধ্যবিত্ত সংসারের হাঁড়ির তলায় ঠেকার অবস্থা তবুও তো আলিম থামছে না। দিনরাত পরিশ্রম, ধার-দেনা করে প্রায় গুছিয়ে এনেছে। এমন সময় মনিরের একসাথে লাখ দুয়েক টাকা সাহায্য করায় প্রথম খটকা লাগলো। মনিরের অবস্থাও খুব যে আহামরি ভালো, তা তো নয়।এর মধ্যে এতগুলো টাকা জোর করে দেওয়া হলেও নিতে যেন কোথায় বাধে। মনিরকে বলা হলো, প্রয়োজন হলে অবশ্যই জানাবে, আপাতত টাকাটা তার কাছেই থাকুক। ওই রাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে আলিম বিছানায় শুয়েই টের পেল, বারান্দায় দাঁড়িয়ে শায়লা কাঁদছে। মোবাইলের ওই পাশে অন্য কেউ সান্ত্বনা দিচ্ছে তাকে। আপনা আপনি চোখটা সরে এলো বুকের কাছে গুটিয়ে থাকা বুবুনের মুখের দিকে। পাতলা চাদরে শরীর ঢেকে রাখা ছেলেটার মুখটা অন্ধকারে ভালো দেখা যাচ্ছে না। কার মতো অমন চোখ পেলো বুবুন? ঘরের ভেতর থক থকে অন্ধকার ছাড়া দেখা যাচ্ছে না কিছু । তবুও ওর গা থেকে আসা নিষ্পাপ একটা ঘ্রাণ পেল আলিম। শায়লাকে কিচ্ছু বলেনি। উদভ্রান্তের মতো লাগছে সবকিছু। পরদিন বাড়ি ফিরে শুধু জানিয়ে দিলো, এখনও টাকার জোগাড় হয়নি পুরোপুরি, আর ক'টা দিন দেরি হবে বুবুনকে বাইরে নিতে। অমীমাংসিত এই দ্বন্দ্ব থেকে নিজেকে একটু স্থির করার সময় চেয়েছিল মাত্র আলিম। তারপর সে হয়তো ঠিকই নিয়ে যেত। হোক না ওর চোখ পরিচিত অন্য কারও মতো, তবুও শেষ চেষ্টার কমতি রাখতো না। শুধু নিজেকে স্থির করার জন্য আরেকটু সময় দরকার তার। কিন্তু বুবুন কেন সেই সময়টা দিল না তাদের?


এত কথা সে এই জলের ভেতর দাঁড়িয়ে ভাবছে? এখনতো আর কিচ্ছু ভাবার বাকি নেই। সে কি নিজের অজান্তেই খানিকটা ঘাটের দিকে সরে এসেছে? পানির চাপটা একটু কম মনে হচ্ছে শরিরে। জলের ভেতরই আবার নিজের বাঁ উরুতে হাত রাখলো আলিম, তারপর ডান উরুতে নাহ কোথায়? তার পায়ের অস্তিত্ব নেই। সে কিসের ওপর ভর করে দাঁড়িয়ে আছে? তবুও কেন সে পিছলে যাচ্ছে, নাকি সে গড়িয়ে যাচ্ছে? খালেক কোথায়? খালেক কি আগে আগে দৌড়াচ্ছে? খালেকের নীল শার্ট আরও দূরে সরে সরে যায়, দেখা যাচ্ছে না এখন। সে শুধু মাঠের আলে দাঁড়িয়ে বুকের কাছে বইগুলো আঁকড়ে ধরে প্রতিদিন হেরে যাবার কষ্টে ঠোঁট ফুলিয়ে কাঁদছে। আজ আর আলিম হেঁটে হেঁটে স্কুলে ফিরতে চায় না। আজ নির্ঘাত ওখান থেকেই সে বাড়ি ফিরে আসবে। আচ্ছা, সাদা-কালো টিভির শো কি শেষ? বৃষ্টি তো থামেনি। শো শেষে কি সবাই বাড়ি ফিরেছে? কী ভাবছে এসব? অতীত-বর্তমান কেমন একাকার হয়ে যাচ্ছে! অন্ধকারটা কি আরও গাঢ়ে হয়েছে? জলের রঙ কালো দেখাচ্ছে। ঘাটের কাছে রেখে আসা জুতোতে কতখানি পানি জমে উপচে পড়ছে এখন হয়তো আর মাপা যায়না। এইতো সে টের পাচ্ছে তার পা। দুটো আস্ত সবল পা রয়েছে জলের ভেতর কাদার বুকের ওপর গেঁথে। এতদিন পর পায়ের অস্তিত্ব টের পাওয়ার আনন্দে সে কি আবার খানিকটা জলের দিকে চলে এসেছে? তাই তো মনে হচ্ছে, পানির চাপ বাড়ছে। কিন্তু পায়ে যেনো আরও একটা কিছুর অস্তিত্ব টের পেলো আলিম। আশ্চর্য সে পায়ের অস্তিত্ব টের পাচ্ছে, সেই সঙ্গে আরও একটা অস্তিত্ব। আকস্মিক মনে হলো, ছোট ছোট দুটো হাত। কে যেনো কানের কাছে ফিসফিস করে বলল........... বাবা আমার পা!



লেখক পরিচিতি
সাদিয়া মাহজাবীন ইমাম

ফরিদপুর জেলার দয়ারামপুর গ্রামে।
পড়াশুনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ও গণমাধ্যম নিয়ে গবেষণা করছেন।
২০০৬ থেকে সাংবাদিকতা করছেন।
প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ : পা।

1 টি মন্তব্য:

  1. বেশ ভালো গল্প -- অনেকদিন পর একটা ভালো গল্প পড়লাম সাদিয়া, ধন্যবাদ।

    উত্তরমুছুন