শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০১৫

লেখা নিয়ে, লেখালিখি নিয়ে চিনুয়া আচেবে

পান্থ রহমান রেজা


চিনুয়া আচেবেকে আফ্রিকান সাহিত্যের অগ্রপথিক গণ্য করা হয়। বাড়ি নাইজেরিয়া। প্রথম বই থিংস ফল অ্যাপার্ট-এর মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পান। ১৯৯৪ সালে প্যারিস রিভিউ পত্রিকার জেরোমি ব্রুকস্-কে বড়োসড়ো একটা সাক্ষাৎকার দেন। সেখানে তিনি আফ্রিকার রাজনীতি, অর্থনীতি, সাহিত্য, নিজের বেড়ে ওঠা ও লেখালিখি নিয়ে অনেক কথা বলেছেন। সচলায়তনে নতুন লেখকদের পদচারণা থাকায়, তাদের উপকারে লাগবে ভেবে আচেবে সাক্ষাৎকারের যে যে অংশে নিজের লেখালিখি, নতুনদের লেখালিখি ও তাদের করণীয় সম্পর্কে বলেছেন সেসবের অংশবিশেষ ভাষান্তর করা গেল। নিতান্ত দায়সারা চেষ্টা।


একটা লেখা কীভাবে লেখেন! কোনটা আগে আসে- আইডিয়া, বিশেষ কোনো ঘটনা, প্লট না কোনো একটা চরিত্র?

সব বইয়ের ক্ষেত্রে একই ঘটনা ঘটে না। সাধারণভাবে একটা আইডিয়া প্রথমে আসে। তাকে কেন্দ্র করে মূল চরিত্রগুলো এসে পড়ে। আমাদের চারদিকে ম্যালা আইডিয়া ছড়ানো-ছিটানো থাকলেও উপন্যাস কিন্তু নেই। তাই, কোনো একটা আইডিয়াকে একটা চরিত্রের সাথে গেঁথে দিলেই হয়। এবং এটাই উপন্যাসকে ভূতগ্রস্তের মতো টেনে যাবে। তখন দেখবেন, উপন্যাসে একটা কাহিনি আপনা-আপনি চলতে শুরু করেছে। অ্যারো অব গড-এর ইজিউলুকে দেখুন, কেমন স্বকীয় ও প্রভাবশালী। আবার দি ম্যান অব দ্য পিপল অথবা নো লংগার অ্যাট এজ-এ দেখুন, সেখানে সেই অর্থে কোনো ব্যক্তিত্বপূর্ণ চরিত্র নেই। আমার ধারণা, উপন্যাসের প্রথম দিকে আইডিয়া জোরালো ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু আপনি যখন প্রথম দিকটা পড়ে ফেলে সামনে আগাবেন, সেখানে আইডিয়া ও চরিত্রের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। আইডিয়া ও চরিত্র সেখানে সমান সমান কাজ করেছে।

তাহলে এখানে প্লটের স্থানটা কোথায়? লিখতে লিখতে কি প্লট হাতড়ান? না, কোনো চরিত্র অথবা আইডিয়া থেকে প্লট আসে?
একটি উপন্যাস যখন লেখা শুরু হয়, আমি জানি সেটা চলতে থাকবে। আর এটাই আসল কথা। প্লট কিংবা থিম নিয়ে মাথা ঘামাই না। চরিত্র যে গল্পটি বলতে চাইছে, তার টানেই প্লট ও থিম আপনাআপনি চলে আসবে। কোনো কোনো জায়গায় মনে হতে পারে, ঘটনার ওপর আপনার নিয়ন্ত্রণ আছে! কিন্তু আসলে নিয়ন্ত্রণ থাকে না। তবে, কিছু বিষয় আছে যেটা উপন্যাসে অবশ্যই থাকতে হবে। না থাকলে অসম্পূর্ণ মনে হবে। এবং এই অসম্পূর্ণতাগুলো নিজে নিজেই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেবে। সেটা যদি না দেখা দেয়, তবে বুঝতে হবে কোথাও একটা সমস্যা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে উপন্যাসটি আর আগাবে না।

এরপর কি বলবেন- লেখা আপনার কাছে সহজ, না কঠিন?
সত্যি বলতে কি, লেখা আসলেই কঠিন। যদিও ‘কঠিন’ বলতে আমি যা বুঝাতে চাচ্ছি, এই শব্দটি দিয়ে সেটা ঠিক প্রকাশ করা যাচ্ছে না। এটা অনেকটা রেসলিং-এর মতো। আইডিয়া ও গল্প নিয়ে আপনি রেসলিং খেলছেন। এ কাজের জন্য প্রচুর প্রাণশক্তির দরকার। যদিও এই সময়টা যথেষ্ট উত্তেজনাপূর্ণ। তাই, এটা একই সঙ্গে কঠিন এবং সহজ। নিশ্চয় আশা করেন না, অন্য সময়ের মতো আপনার লেখালিখির সময়টুকু একই রকম হবে। আমি লেখক ও নবীদের কথা একটু অতিরঞ্জিত করে বলতে চাই- এটা আমার কাছে এক ধরনের কারাবরণ, যতক্ষণ না লেখাটির ভূত মাথা থেকে নামছে। সেজন্য এটা আনন্দদায়ক ও কঠিন।

লেখার জায়গা বা সময় নিয়ে কি বাছবিচার করেন? অফিস বা বাসায় কোথায় লিখতে পছন্দ করেন?
নাইজেরিয়ার নিজ বাড়িতেই আমি সবচেয়ে বেস্ট কাজটি করতে পারি। তবে, অন্য জায়গাতে লিখতে পারাটা শিখে নিতে অসুবিধা হয় না। আমি যে উপন্যাসটি লিখছি, তার প্রতিবেশ পেলে সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। পরিবেশ পেলে সময়টা কখন তাতে কিছু যায় আসে না। আমি সকালবেলার পাখি নই। খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠতে পারি না। তাই ভোর পাঁচটায় উঠে লেখালিখি আমার ধাতে নেই। শুনেছি, কেউ কেউ খুব ভোরে লিখতে বসেন। আমি লেখা দিনের যখনই শুরু করি না কেন, অনেক রাত পর্যন্ত লিখতে পারি। তবে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ লিখতে হবে, এমন ভেবে লিখতে বসি না। দিনে এত্তো এত্তো লেখা প্রসব করা মানে সেরা লেখাটাই লিখে ফেলা, এমন নয়। নিয়মিত লেখা মানে টাইমটেবিলের বোঝা মাথায় চাপিয়ে লিখতে হবে এমনও নয়। এটাই আমার পন্থা।

কলম, টাইপরাইটার দিয়ে কি লিখেন? না কি কম্পিউটারের প্রেমে পড়ে গেছেন?
না, না। আমি সেই আদি যুগেই পড়ে আছি। আমি কলম দিয়ে লিখি। কাগজ-কলম আমার আদর্শ মাধ্যম। মেশিনে আমি ঠিক স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি না। আমি ভালোভাবে টাইপ করতেও শিখিনি। টাইপরাইটার নিয়ে আমি যদি কিছু লিখতে যাই, আমার আর শব্দের মধ্যে এটা বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কাগজে-কলমের হিজিবিজিতে অনেক কিছু আসতো, যা এখানে আসে না। একটা ব্যাপার হলো, আমি টাইপরাইটারে কোনো ভুল দেখতে চাই না। ভুলভালমুক্ত একটি পরিচ্ছন্ন লেখা আমার পছন্দ। তাছাড়া, টাইপরাইটারে এমন কিছু শব্দবন্ধ রেখে দিতে হয়, যা আমি চাই না। কারণ, সামান্য কাটাকুটি করতে গেলে আমি তালগোল পাকিয়ে ফেলি। আমি যখন এটা দেখি... নিজেকে আগের জামানার (শিল্প বিপ্লব পূর্ব) মানুষ মনে হয়।

থিংস ফল অ্যাপার্টের মতো বিখ্যাত বইয়ের লেখক হিসেবে আপনার কি মনে হয় না, এই বইটি যত বেশি আলোচিত হয়েছে, অন্যগুলো তেমন হয় নি?
হয়তো! তবে, আমি মনে করি না এটা প্রবলেম। আমার সবগুলো বই মিলে আসলে একটা পরিবার। থিংস ফল অ্যাপার্ট প্রথমে এসেছে। তাই, সেটা আলাদা মনোযোগ পেয়েছে। বাকি বইগুলোরও নিজস্বতা আছে। থিংস ফল অ্যাপার্ট হলো একদম ভেতরের তাগিদেই লেখা সেই ধরনের মৌলিক গল্প, যা আলাদাভাবে শোনার মনোযোগ দাবি করে। আর এটা ইউরোপের মুখোমুখি হওয়ার মধ্য দিয়ে আমাকে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। অন্য বইগুলো একই চিন্তা থেকে লেখা হয় নি। তাই থিংস ফল অ্যাপার্ট মনোযোগ বেশি পাচ্ছে, এটা নিয়ে ভাবি না। এখন আপনি যদি বলেন, এটা কি আমার সেরা বই? আমার বক্তব্য হবে, আমি জানি না! এমনকি আমি এটা নিয়ে বলতেও চাই না। আমি এটাও বলতে চাই না, আমি তা মনে করি না। সবই ঠিক আছে। আমি আমার প্রত্যেকটা বইয়ে আলাদা গল্প বলতে চেয়েছি। কেননা, আমি বিশ্বাস করি মানুষের কাহিনি খুবই জটিল, যা নিয়ে আপনি দাবি করতে পারেন না এই হলো সেই গল্প! সবসময় কেউ একজন থাকবে যে অন্যভাবে গল্পটা বলবে। তবে এটা নির্ভর করবে, সে কোন অবস্থান থেকে বিষয়টা দেখছে। আবার ওই একই ব্যক্তি একই গল্পকে ভিন্ন ভিন্নভাবে বলবে। এটা অনেকটা উন্মুক্ত জায়গায় অনুষ্ঠিত ইগবোদের মুখোশ নাচ উৎসবের মতো। ইগবোরা বলে, আপনি যদি এই উৎসবকে ভালোভাবে দেখতে চান, তবে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে দেখবেন না! মুখোশ নাচ একটা বিশাল এলাকা নিয়ে হয়। আপনি যদি এক জায়গায় দাঁড়িয়ে দেখেন, তবে অনেক কিছুই মিস করবেন। তাই ঘুরে ফিরে দেখুন। এর সূত্র ধরেই আমার বক্তব্য হচ্ছে, বিশ্বের গল্পগুলো বলা হয় ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে!

একজন আফ্রিকান লেখক হিসেবে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার সাথে নন্দনতত্ত্বের বিরোধটা কিভাবে দেখেন?
আমি এটা নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তার কারণ দেখি না। আমি মনে করি, কোনো গুরুত্বপূর্ণ গল্প আমাদের কাছে ভালো কিছু তুলে ধরতে ব্যর্থ হয় না। একই সঙ্গে আমি এও মনে করি, কোনো গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ মানেই উপন্যাস নয়। প্রতিবেশীর প্রতি দয়ালু হও, বাণী হিসেবে এটা চমৎকার, তবে উপন্যাস হিসেবে নয়। কোনো ভালো উপন্যাস শুধু একটা মেসেজ নয়, মেসেজ দেয়ার ধরন, শব্দগঠন, ভাষাশৈলী, এতে সবই থাকে। তাই একজন শিল্পী হিসেবে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কমিটমেন্টের মধ্যে ভারসাম্য রেখে কাহিনি রচনা করা উচিত।

গল্প বলা ও লেখার মধ্যে পার্থক্য কতটুকু?
অবশ্যই আছে। আমার মনে আছে, রাতে শোয়ার সময় আমাদের বাচ্চাদের গল্প পড়ে শোনাতাম। মাঝে মধ্যে তাদের বলতাম, আজ গল্প শোনাবো। তাদের চোখ-মুখ তখন আনন্দে উদ্ভাসিত হয়ে উঠতো। গল্প পড়ে শোনানোর সময় এমনটা কখনোই দেখিনি। কাজেই কোনো সন্দেহ নেই, পড়া গল্প থেকে শোনা গল্প তারা বেশি পছন্দ করতো। আমরা এখন মুখে মুখে প্রচলিত গল্পগুলো লিখিত করে তোলার সমাজে বাস করছি। মুখে মুখে প্রচলিত গল্প এখনো আছে। তবে আগের সেই জৌলুস নেই। যদিও এগুলো লিখিত গল্পের চেয়ে বেশ হৃদয়গ্রাহী। প্রত্যেকটার আছে আলাদা ধরন, রীতি, পদ্ধতি। তারা একে অপরকে মজবুত করে। আমাদের প্রজন্মের এই ক্ষমতাটুকু আছে, আমরা মুখে মুখে প্রচলিত গল্পের শক্তি কিছুটা লিখিত গল্পে আনতে পারি। আমাদের এই শক্তি সমকালীন সাহিত্যে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

নাইজেরিয়ার সাহিত্যের কথা বলছেন?
হ্যাঁ, হ্যাঁ। প্রাচীন গল্পের অন্তঃস্থিত শক্তি লিখিত সাহিত্যে নিয়ে আসা।

লেখার সময় নাইজেরিয়ান, ইগবো না আমেরিকান, কোন পাঠকদের কথা মনে রেখে লেখেন?
সবার কথা মনে রেখেই আমি লিখি। আমি ব্যাপারটা এভাবে ব্যাখা করতে চাই, আমি বৃত্তের মাঝখানে আছি। শ্রোতারা বৃত্তের চারপাশে বসে আছে। তারা আমার কথা শুনছে। বৃত্তের সবচেয়ে কাছে যারা আছে, তারা হলো জন্মভুমি ইগবোর লোকজন। কেন না, আমি যে সকল উপকরণ ব্যবহার করছি, সবই তাদের। কিন্তু আমি এটা ইগবো ভাষায় লিখছি না। লিখছি ইংরেজিতে। এটা আমার উপর প্রভাব ফেলে। অনেক সময় এটা গল্পেও প্রভাব ফেলে। আপনি এখানে কিন্তু প্যারাডক্সের মতো একটা কিছু দেখতে পাচ্ছেন। এবার আপনি ইয়েটস-এর ক্রমশ বাড়ন্ত বৃত্তের মতো অনেকগুলো বাড়ন্ত বৃত্তের কথা চিন্তা করতে পারেন। যত লোক এই নেটওয়ার্কে যুক্ত হবে, তারা বিভিন্ন পর্যায়ে গল্পের ভিন্ন ভিন্ন অর্থ খুঁজে পাবে। তবে এটা নির্ভর করে তারা ইতিমধ্যে কতটুকু জানে, কতটুকু আন্দাজ করছে। এই বাড়ন্ত বৃত্ত একসময় পুরো পৃথিবীর সাথে সংযুক্ত হবে। এই বিশ্বাস ক্রমশ জোরালো হচ্ছে, যখন দেখছি আমার বই সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে। আমি শুনতে পেয়েছি, আমার বই বিশেষ করে 'থিংস ফল অ্যাপার্ট' ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, কোরিয়া, জাপান, চীনে অনূদিত হয়েছে। সবচেয়ে আশ্চর্যের ব্যাপার হলো আপনি লেখার সময় এত লোকের কথা চিন্তা করছেন না। আমি করিনি। আমি যখন লিখি, নিজেকে তৃপ্ত করতেই লিখি। যখন একটা লেখা নিয়ে কাজ করি, সবচেয়ে কার্যকর উপায়ে তা বলার চেষ্টা করি। বইটি কে পড়বে এ চিন্তা মনের কোনো হয়তো থাকতে পারে, আমি জানি না। তাই এ চিন্তা থাকে না তা বলবো না। তবে, সত্যি এটা নিয়ে আমি চিন্তা করি না। কিছু লোক বলে, আমি কেন নাইজেরিয়ান-ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করি। অনেক সমালোচক এ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন। তাদেরকে বলতে ইচ্ছে করে, 'গোল্লায় যাও'। আমার গল্প বলার এটাই রাস্তা। কেন না, আমার দেশের জনগণ এভাবেই ইউরোপ এবং বাকি বিশ্বকে বুঝতে চেয়েছে। আর এই বিষয়টি বুঝতে কেউ যদি একটু কষ্ট করতে না চায়, তাহলে আমাকে তার পড়ার দরকার নেই।

প্রতিশ্রুতিশীল সাহিত্যিকদের প্রতি আপনার উপদেশ কী? যেসব তরুণ লেখকরা তাদের লেখা নিয়ে আপনার কাছে আসে, তাদের কি বলেন?

নাইজেরিয়া থাকলে আমার কাছে পাণ্ডুলিপির জোয়ার আসে। এখানেও আমাকে কেউ কেউ খোঁজ পেয়ে যান। নতুনরা আমার কাছে উৎসাহ চায়, এটা বুঝি। আমার মতে, ভালো লেখকদের 'চালিয়ে যাও' ছাড়া আর কিছু বলার নেই। তুমি নিজে যেটা করবে, তা নিয়ে চিন্তা করো। যতটা সম্ভব ভালো করার চেষ্টা করো। যখন মনে হবে তুমি সেটা পেরেছো, তখন অন্যকে দেখাও। কিন্তু তরুণদের মধ্যে আমি এমনটা দেখতে পাই না। তারা কিছু একটা লিখেই উপদেশ নেয়া শুরু করে। আমি তাই ‘চালিয়ে যাও’ বলে দূরে থাকার চেষ্টা করি। আমার নিজের সময়ে কেউ আমাকে উপদেশ দেয় নি। তুমি তোমার সেরাটা করো। আজ না হলে, আরেকদিন হবেই। আমি কাউকে বলি না, তোমার হবে না। আমার কাছে যারা আসে, তাদের বেশিরভাগেরই লেখা যথেষ্ট ভালো না। আপনি এই তরুণদের নিশ্চয় বলবেন না, তোমার কিচ্ছু হবে না। তুমি ভালো না। কেউ কেউ হয়তো বলে থাকতে পারে! আমি নিজেকে সাহিত্যের পুলিশ মনে করি না। তাই তরুণদের বলি, ঘাম ঝরাও, সেরা শ্রমটা দাও। নিজেকে প্রচারে ব্যস্ত হয়ো না। যদিও নাইজেরিয়াতে এটা সাধারণ রীতিতে পরিণত হয়েছে। একজন বন্ধু খুঁজে বের করো, তাকে দিয়ে বই প্রকাশ করে ফেল। ব্যস্!

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন