পিটার পিকসেল-এর তিনটি গল্প



অনুবাদঃ সুদেষ্ণা দাশগুপ্ত


১.কাঠের ছিলে

অতএব তিনি ওদের নিজের ম্যাজিক লন্ঠন দেখাতে শুরু করেন। মনে হল অতিথিরাও তৈরি।

ওঁর স্ত্রী জানান, ওগুলো রঙিন ছিল এবং মধুর স্মারক হিসেবেই দেখা হয়েছে এতকাল। কুশনগুলো সরাতে সরাতে ভদ্রলোক অতিথিদের তাঁর ক্যামেরার সুবিধেগুলো বোঝাচ্ছিলেন আর ভদ্রমহিলার উচ্ছাস ছিল সমুদ্র নিয়ে। তারপর উনি পর্দাটা নিয়ে আসেন, একটা বোতাম টিপতেই কালো বাক্সটা থেকে বেরিয়ে পর্দাটা খুলে গেল। উনি আবার ওটিকে ঠেলে ঢুকিয়ে দেন। যাতে তিনি স্প্রিং-যন্ত্রটির কারিকুরি দ্বিতীয়বার প্রদর্শন করতে পারেন। একটার ওপর আরেকটা বই চাপিয়ে প্রোজেক্টার’টা উঁচু করে বসান। আর একটুখানি তার পেলে ভাল হত, কিন্তু খুঁজতে বেশ সময় লাগল, তারপর একটা থ্রি-পয়েন্ট প্লাগ খুঁজতে লাগলেন।

তারপর ওঁরা আলো নিভিয়ে দিলেন।

তারপর সেই একই ধরণের ছবি। গাঢ় নীল আকাশ, থোকা থোকা তুলোর মতো মেঘ ভেসে বেড়াচ্ছে, তারপর ম্যাডেলিন-এর কিছু ছবি। নিজের ছবি পর্দায় ফুটে ওঠায় ম্যাডেলিন হেসে বলে, “ওই ছবিগুলোয় আমায় বিকট দেখাচ্ছে।”

মনে হচ্ছে, ছবিগুলো রোমান-স্থাপত্যের, গথিক-স্থাপত্যের প্রায় কাছাকাছি। বাকি আর সব গ্রীক মন্দির। প্রদর্শনের পর চোখ ধাঁধিয়ে আলো জ্বলে ওঠে।

ম্যাডেলিন-কে সত্যিই বিচ্ছিরি দেখাচ্ছিল।

এবারে কেউ চোখ বন্ধ করে নিজের খুশি মতো ভাবতে পারে, যা ইচ্ছে, এমনকি একটা টেডি-বিয়ারকেও।

টেডি’টাকে যখন মাঝামাঝি ফাঁক করা হলো তখম ওঁর মা বলেন, “এবার দফা রফা।”

“না, ভেতরে মনে হচ্ছে কিছু আছে।”

“ওগুলো কিছু না, কাঠের ছিলে (wood shavings)”

কাঠের ছিলেগুলো টেডিবিয়ারের পেটে বেড়ে ওঠে, কাঁচের জিনিস তুমি ভালুকের কাটা পেটে রাখতে পারো।

ক’বছর ঘুরলে, এমন কি আজও, প্রায়ই কোনো কাঁচের জিনিসের দোকানে ঢোকার পর নিজের খুনের জন্য তোমার অনুতাপ হবে।

ইদানিং টেডি-বেয়ারগুলো আগের চেয়ে ছোট হয়ে গেছে। আগে বড় সাইজের হলুদ রঙের দেখা যেত, যেগুলো লোকে কাঠের ছিলের জন্য খোঁজ করত।

ভদ্রলোকটি এবার কেল্লা ফতে করেন।

বরফের পুতুলেও কিছু থাকে। খুঁজে পাওয়া যায় না। যে মুহূর্তে খুঁজতে ভেতরে হাত ঢোকাও আর সে পুতুলকে পাওয়া যায় না।

টেডি-বিয়ারও আর টেডি-বিয়ার থাকে না। কাঁচের দোকানে গিয়ে ওগুলো পেতে ইচ্ছে করে। টেডি-বিয়ারের চোখ কুকুরের চেয়েও বিশ্বস্ত।

“এবার দফা রফা,” ওঁর মা বলেছিলেন।

আজকাল টেডি-বিয়ার কাঠের ছিলে না ঢুকিয়েও তৈরি হচ্ছে। কাঁচের বাসনেও এবার অন্য কোনো ভালো জিনিস দিয়ে মোড়ক দেওয়া হবে। তখন কেউ আর টেডি-বিয়ার চিরে ফেলবে না, তার ভেতরে আঙুল ডুবিয়ে ওম খোঁজার চেষ্টা করে অনুতাপও করবে না, কেউ না।

এবার আরও কিছু ম্যাডেলিন-এর ছবি।


২.সায়াহ্ন

নিজের শেষকৃত্য নিয়ে তাঁর অনেক স্বপ্ন ছিল। কীভাবে তা পালন করা হবে, সেসব নিয়ে সবসময় নিজের নানান ইচ্ছের কথা বলতেন।

“এই নিয়ে বেশি জাঁকজমক করার দরকার নেই।” তিনি ঘোষণা করেছিলেন। কিংবা স্ত্রীকে বলতেন, “তুমি তো জানো যে কারনেশন ফুল আমি একেবারে সহ্য করতে পারি না, আর এটা তোমার জেনে রাখা ভালো যে এসব পাল্টানো দরকার।”

দু-পাঁচ বছর আগেই যে তাঁর মৃত্যু হয়নি সেটা ভেবে তিনি স্বস্তি পান। দু’বছর আগে যদি তিনি চলে যেতেন তাহলে তাঁর মৃতদেহ কারনেশন ফুল দিয়েই সাজানো হত, কেননা তখনও তিনি কারনেশন ফুল পছন্দ করতেন। পাঁচ বছর আগে তো তিনি ব্যান্ড-পার্টি পছন্দ করতেন আর দশ বছর আগে তিনি নিজেই পার্টির সদস্য ছিলেন।

খবরের কাগজে শোক-বার্তা পড়তে শুরু করার আগে ওঁর ধারণা ছিল, “যাই বলো, এখনও পৃথিবীতে কিছু ভালো, অকপট লোক বাস করে।” আজকাল শোক-বার্তা দেখলে ওঁর একঘেয়ে লাগে, আর সঙ্গে ছবি থাকলে তো গাত্রদাহ হয়। স্ত্রীকে বলেন, “কারনেশন ফুল দেখে আমার ঘৃণা বোধ হয়।”

সন্ধ্যেয় অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পর ওঁকে ক্লান্ত দেখায়, ঘরের ভেতর গরম বোধ করতেন খুব, ঘামতেন।

“আজকাল বড্ড বেশি সিগারেট খাচ্ছ তুমি।” স্ত্রী বলতেন। শরীরের যত্ন নেবার কথাও মনে করাতেন উনি স্বামীকে। স্বামীর চোখ অবশ্য থাকত খবরের কাগজের পাতায়। আচমকা স্বামীর কোনো আচরণে স্ত্রী চমকে উঠতেন। দুম করে কাগজ মুড়ে রেখে হয়ত উনি বলে উঠতেন, “আমার পরিস্কার মনে পড়ে কীভাবে ওরা রেলের বৈদ্যুতিকরণ করেছিল, উদ্বোধনের দিন আমি গেছিলাম, একজন কাউন্সিলার ভাষণ দিয়েছিলেন।”

ওঁর বাবার দেওয়া হেডফোন লাগানো রেডিও-সেট’টা দেখিয়ে বলতেন “এই জগতের এটাই প্রথম আবিষ্কার।” এসব কথার কী-ই বা জবাব দেওয়া যায়, স্ত্রী চুপ করে থাকতেন। জবাব না পেয়ে স্বামী বিরক্ত হয়ে বলতেন, “আমি চাই বাড়ির হিসেব-পত্র লেখার তুমি একটা খাতা তৈরি করো, আজ থেকেই।”

নিজের বস বাহলম্যান’কে ভদ্রলোক যে অপছন্দ করতেন, নিজের স্ত্রীর কাছে সেই গল্প করেছিলেন, তা-ই স্ত্রীর ব্যাপারটা জানা ছিল। সেই জন্য, বাহলম্যানের সঙ্গে রাস্তায় দেখা হলে মিষ্টি করে বিনয় সহযোগে শুভেচ্ছা জানাতেন ভদ্রমহিলা অস্বস্তি বোধ করতেন। সবুজ ফিতে দেওয়া পালকের টুপি পরতেন বাহলম্যান।

স্বামীকে বলতেন, “তোমাকে ভীষণ ক্লান্ত দেখাচ্ছে।” স্বামীকে নিরুত্তর দেখে আবার বলতেন, “তোমার এবার একজন ডাক্তার দেখানো উচিত।” কখনো বলতেন, “আজ তোমার জন্য কী রান্না করব বলো তো।” কিংবা, “কবে থেকে ছুটি নিচ্ছো?”

বৃহস্পতিবার করে ভদ্রমহিলা সিনেমা দেখতে যেতেন। দুজনে একসাথে কোনো বৃহস্পতিবার যদি সিনেমা দেখতে যেতে পারতেন তাহলে স্বামীর পাশে বসে স্ত্রী আরও বেশি উপভোগ করতেন সিনেমাটি, ভদ্রমহিলার কথায় এমনটাই মনে হতো। একটা বুক-ক্লাবেরও সদস্য ছিলেন ভদ্রমহিলা, প্রতিমাসে সেখান থেকে বই আসত। আর সেই বই সম্পর্কে যদি তাঁর স্বামীকে কেউ কিছু জিজ্ঞেস করতেন তাহলে জবাব হতো, “ওই গ্যেটে বা ওই জাতীয় কোনো বই হবে।”

বাহলম্যানের বিরুদ্ধে ভদ্রলোক কী বা করতে পারেন? ওই ব্যাপারে কি কোনো রক্ষে আছে! বাহলম্যান যে তাঁর বস। শেষ অব্দি বাহলম্যানের ওই ডাঁটিছাড়া চশমাটিই ভদ্রলোকের চক্ষুশূল হয়ে দাঁড়ায়।

“জানো তো তোমার ওই বাহলম্যান সিনেমা দেখতেও যান।” ভদ্রমহিলা সিনেমা দেখে ফিরে এসে বলেন। এমন কি পরের দিন সকালে অফিসে বাহলম্যান ভদ্রলোককে বলতেন, “কাল সন্ধ্যেবেলা সিনেমাটা আপনার স্ত্রীর কেমন লাগল? আশা করি, ভালোই লেগেছে।”

ভদ্রলোকটির সন্ধ্যেগুলো এভাবেই কাটত। রেডিও-সেট’টা যে সারাদিন কেন খোলা থাকে সেটা তিনি বুঝতেই পারতেন না। আবার খেয়াল করলে বিরক্ত বোধ করতেন, রেডিও-সেট’টা বন্ধ করে দিতেন। রেডিও’টা নীরব থাকলে সেটাও তাঁকে অখুশি করত।

বলে উঠতেন, “উফ! ভীষণ গরম লাগছে এখানে।”, এই নিয়ে কখনও বা চিৎকার করে উঠতেন। রেডিও-সেটের নব ঘোরাতে ঘোরাতে স্ত্রীর দিকে ভর্তসনার দৃষ্টিতে তাকাতেন।

সেই একঘেয়ে জীবন; একঘেয়ে কাজ!

ভদ্রলোকটির চোখ খবরের কাগজে, স্ত্রী ভাবেন উনি বুঝি পড়ছেন সেটি।

স্বামীকে বলেন, “তুমি তো বাহলম্যানকে ভালো কোনো কাজের করার কথা কখনও বলোনি।”

ভদ্রলোক বলেন, “বাহলম্যান ইংরিজি ভালোই বলতে পারেন।”

এরপর ওপরে শুতে যাওয়ার আগে বারবার বলে চলেন, “আমি শুতে যাচ্ছি।”



৩. দুধওয়ালা

“দুঃখিত, আজ মাখন শেষ হয়ে গেছে।”

দুধওয়ালার লেখা চিরকুট পড়ে শ্রীমতী ব্লুম নিজের বিলে চোখ বোলান। ঘাড় নাড়েন, লেখেন –

“দু-লিটার দুধ, একশো গ্রাম মাখনের টাকা তো কালও কেটেছেন।” পরের দিন দুধওয়ালা লেখেন, “ভুল হয়ে গেছে।”

দুধওয়ালা আসেন ভোর চারটেয়। শ্রীমতী ব্লুম দুধওয়ালাকে কখনও দেখেননি, তবে মনে করেন যে একবার স্বচক্ষে চেনা দরকার, একদিন ভোর চারটেয় এসে ওঁকে দেখে নেওয়া উচিত। শ্রীমতী ব্লুমের ভয় হয় কী জানি দুধওয়ালা না আবার ওঁর ওপর রেগে যান, যদি ভাবেন যে শ্রীমতী ব্লুমের রুচির অভাব, কারণ যে দুধ নেওয়ার জন্য যে বাসনটা শ্রীমতী ব্লুম রাখেন সেটা তুবড়ে গেছে।

তোবড়ানো পাত্রটা যে শ্রীমতী ব্লুমের সেটা দুধওয়ালা জানেন। বেশির ভাগ দিনই যিনি দু-লিটার দুধ আর একশো গ্রাম মাখন নেন। তাই কেউ যদি জানতে চায় যে শ্রীমতী ব্লুম কে? তাহলে দুধওয়ালা বলতে পারবেন, যিনি রোজ দু-লিটার দুধ আর একশো গ্রাম মাখন নেন তিনিই শ্রীমতী ব্লুম। আরও একটা কথা যে তাঁর দুধ নেওয়ার পাত্রটি তোবড়ানো এবং তাঁর হাতের লেখাটি স্পষ্ট। শ্রীমতী ব্লুমকে নিয়ে দুধওয়ালার কোনো চিন্তা থাকে না কারণ ওঁর টাকা বাকি পড়ে থাকে না। আর কখনও থাকলেও, মানে হতেই পারে যে শ্রীমতী ব্লুম এক পেনি কম রেখেছেন। তেমনটা হলে দুধওয়ালা চিরকুটে লিখে রেখে দেন “এক পেনি কম ছিল”।

পরের দিন ভোরে অবধারিত ভাবেই সেই এক পেনি রাখা থাকত সঙ্গে লেখা –“দুঃখিত”।

এরপর দুধওয়ালা ভাবতেন যে লিখবেন, “আরে ঠিক আছে” অথবা “এসব হয়ে যায়”, কিন্তু এরকম লিখলে সেটা চিঠি-চালাচালির বিষয় হয়ে পড়বে মনে করে আর লিখতেন না।

এ বাড়ির কোন তলায় শ্রীমতী ব্লুম থাকেন, তা জানার ব্যাপারে দুধওয়ালার কোনও মাথাব্যথা ছিল না। সিঁড়ির নীচে দুধের পাত্র নিয়মিত রাখা থাকত, এমন কি কোনও দিন যদি রাখা না-ও থাকত সেটা নিয়েও দুধওয়ালা চিন্তা করতেন না। ওঁর স্বামী এ ব্লুম ফার্স্ট টীমে ফুটবল খেলতেন সেটা দুধওয়ালা জানেন। এ ব্লুমকে চেনেন, ওঁর কান দুটো খাড়া খাড়া। হয়ত শ্রীমতী ব্লুমের কানও খাড়া খাড়া।

দুধওয়ালার লিখে রাখা চিরকুটে চোখ রেখে শ্রীমতী ব্লুমের মনে হয় ওঁর দু’টো হাত ঝকঝকে, গোলাপি আর খানিক ফোলা আর তা নিশ্চয়ই খুব ভালো ভাবে ধোওয়া, উনি যেন আমার এই এক পেনিটা পান, শ্রীমতী ব্লুমকে যেন খারাপ না ভাবেন কখনও। আর শ্রীমতী ব্লুম চান ওই সামনের বাড়ির বউটির সাথে যেন দুধওয়ালা কখনও কথা না বলেন।

দুধওয়ালা কেউ চেনে না। আমাদের এই পাড়ায় দুধওয়ালাকে কেউই দেখে না। আমরা এটাই জানি যে দুধওয়ালা ভোর চারটেয় আসেন। যেমন অন্যান্য দুধ-বিক্রেতারাও চারটের সময়ই দুধ বিক্রি করতে আসেন। সপ্তাহ ভর, প্রতিদিন, এমন কি রবিবারেও। হয়ত দুধ-বিক্রেতাদের রোজগার কম, পর্যাপ্ত বেতন তাঁরা পান না। তবে দুধের দাম যে ক্রমাগত বেড়ে চলেছে তার দায় দুধ-বিক্রেতাদের নয়।

মোট কথা শ্রীমতী ব্লুম দুধওয়ালাকে চিনতে চান।


অবশ্য দুধওয়ালা শ্রীমতী ব্লুমকে জানেন, ওই যে যিনি দু-লিটার দুধ আর একশো গ্রাম মাখন নেন, আর তাঁর দুধের পাত্রটি তোবড়ানো।
-------

পিটার পিকসেল একজন জনপ্রিয় সুইস লেখক এবং আধুনিক জার্মান সাহিত্যের প্রতিনিধিত্বকারী সাংবাদিক। তিনি গ্রুপ ওলটেনের সদস্য ছিলেন। পিকসেল ১৯৩৫ সালে সুইজারল্যান্ডের লুসার্নে জন্মগ্রহণ করেন, তিনি কায়িক শ্রমিকের ছেলে। তার জন্মের কিছু পরেই, পিকসেল পরিবার সুইজারল্যান্ডের ওল্টেনে চলে যান।

অনুবাদক পরিচিতি: সুদেষ্ণা দাশগুপ্ত
জন্ম বর্তমান ঝাড়খণ্ডের শিল্পনগরী সিন্দ্রিতে। আদিবাড়ি ওপার বাংলার ময়মনসিংহ। তাঁর জীবনের বড়ো অংশ কেটেছে উত্তর ভারতের বিভিন্ন শহরে। পড়াশোনা মূলত ঝাড়খণ্ড ও বাংলায়। বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করেছেন প্রায় দুই দশক। এখন পাকাপাকি কলকাতার বাসিন্দা। সাহিত্যের জগতে খুব অল্পদিনের মধ্যেই পাঠকের নজর কেড়েছেন সুদেষ্ণা। গত কয়েক বছরে দুই বাংলার ছোট-বড়ো নানা পত্রিকায় ছাপা হয়েছে ছটগল্প। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি সুদেষ্ণা কলকাতার বিশিষ্ট একজন বাচিক-শিল্পীও। বিশেষ সম্মাননা এবং সংবর্ধনায় ভূষিত হয়েছেন বাংলাদেশে। কলকাতা দূরদর্শনের সঞ্চালিকা হিসেবেও কাজ করে থাকেন তিনি। বর্তমানে মঞ্চ নাটকেও যুক্ত হয়েছেন।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ