শামীমার সাথে আমার ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর প্রায় ছ' সাত বছরেও আমি এই বিষয়ে ভাববার সময় পাইনি। প্রথমত, আমার বিরামহীন ওপরে ওঠার তাড়া, আর দ্বিতীয়ত, এর বিকল্প ব্যাবস্থায় আমি মোটামুটি অভ্যস্ত হয়ে উঠলাম বেশ। কিন্তু গত সপ্তাহে বন্ধুদের সাথে ছুটি কাটাতে মিরিক এসে আমার সব তালগোল পাকিয়ে গেলো- তার সাথে দেখা হওয়ার পর।
তার সাথে ঠিক নয়, বরং বলা ভালো তার আশ্চর্য সুন্দর স্তন যুগল দেখার পর। শামীমার সাথে সংসার করার সময়েও বহু নারীর সাথে আমার শারীরিক সখ্যতা হয়েছে, যাদের প্রত্যেকেই অভিজাত ও শিক্ষিত। তবে মিরিকে অর্থের বিনিময়ে যে নারীটির সঙ্গ উপভোগ করার সুযোগ আমি নিয়েছিলাম তার দেহসৌন্দর্য আমার অতীতের সকল নারী সঙ্গীকে ছাড়িয়ে যায়। বিশেষত নারীর স্তন।
নারীর স্তনের প্রতি এক দূর্বিনীত আকর্ষন আমার প্রথম যৌবন থেকেই। তারও আগে, মায়ের মুখে শুনেছিলাম আমি সাত বছর অব্দি মায়ের বুকের দুধের স্বাদ নিয়েছিলাম। আজকাল আমার মধ্যে সেই স্মৃতিও ভেসে আসে। স্কুল থেকে ফিরে মায়ের আঁচলের নিচে অতি সন্তপর্ণে লুকিয়ে পড়তাম। ভাই বোনেরা এ নিয়ে আমাকে বহুবার নাস্তানাবুদ করেছে, আরো ছোটবয়সে মা - আমার, তিতকুটে শিউলিফুলের পাতা বেটে তার স্তনের বোঁটায় লাগিয়ে রাখতেন আমাকে দুধ খাওয়া থেকে নিরস্ত্র করতে। কিন্তু আমিও মাই- পাগলা ছেলে। সাত বছর বয়স পর্যন্ত আমার সেই স্বভাব বদলানো যায়নি। যা হোক সে অন্য বিষয় ।
মিরিকে নেপাল সীমান্তে একটি বাজার, তার কাছেই আমাদের হোটেল। বাজারটি বেশ জমজমাট। নেপাল সীমান্তের ওপার থেকেও কিছু লোকজনকে দেখলাম এই বাজারে আসে। এরা প্রত্যেকেই হিন্দিভাষী। আমাদের রিসোর্টের দারোয়ান - ভিকু, মেয়েটাকে নিয়ে যখন আমার কামরায় এলো,রাত তখন ন' টা প্রায়। পরনে একটা ক'টা রংয়ের ঘাগড়া - চোলি।দেখলে বোঝা যায় স্থানীয় হাটের স্বস্তা দামে কেনা।একটা লাল রংয়ের পাতলা ওড়না তার কাঁধের থেকে বুকের ওপর আড়াআড়ি করে রাখা। তাতে তার সুডৌল স্তন কিছুমাত্র আড়াল করা যাচ্ছে না বলে, আমার চোখ তৃপ্ত হচ্ছিলো।
আমি আমার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটির গুজরাতি কারুকার্য খচিত ব্লাউজের ওপারের স্তনযুগলে দৃষ্টি আটকে রেখেই ভিকুকে রুম থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ইশারা করলাম। ভিকু ঠোঁটের কোণে অশ্লীল হাসি ফুটিয়ে চলে যেতে যেতে দরজা বন্ধ করে দিয়ে গেলো। তার তখনই দেখলাম - নিঃশ্বাসের দোলায় তার স্তন দুটি দুলছে। এতক্ষণে মেয়েটির বুকে থেকে চোখ সরিয়ে, মুখের দিকে তাকাতেই বুঝলাম, তার গায়ের রং আমার রুমের আলো আঁধারি পরিবেশে দূর থেকেই তার সৌন্দর্যের জানান দিচ্ছে। এ লাইনে যে সে নতুন, তা তার শংকিত মুখ দেখেই বুঝে গেছি।
তবে, মিরিকের স্থানীয় বাসিন্দা নাকি সীমান্তের ওপারের নেপালি, তা ঠিক ঠাওর করতে পারছিলাম না। মূলতঃ মিরিকের স্থানীয়রাই যে কেমন, তা ও তো আমি ঠিকঠাক পর্যবেক্ষন করে উঠতে পারিনি এখনও। কারণ, মিরিকে আজ আমার দ্বিতীয় দিন। বন্ধুরা সকলে সস্ত্রীক, আমি একা। রিসোর্ট ম্যানেজার ভিকুকে ইঙ্গিত দিয়েছিলাম - একটি মেয়ে যোগাড় করতে। মিরিকে যেক'দিন আছি - রাতে আমার হোটেলে আসবে। মিরিকের মত শান্ত, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এমন অপরূপ লীলাভূমিতে এসে বোধহয় কেউ এমন আবদার কম করে,আমার বেলায় তার উল্টো।
ভিকু আমার ইশারা বুঝে নিয়েছিলো ঠিকঠাক। বোঝা যায়, এই ব্যাপারে বেশ চোস্ত! দৈনিক ৮০০ রূপি চুক্তিতে সে মেয়েটিকে এনে দিয়েছে আমার কাছে। আশাতীত কমমূল্য।যদিও আমার বাজেট ছিলো হাজার তিনেক অন্তত। অতএব আমি সন্তুষ্ট, এবং যাওয়ার সময় ভিকুকে এক হাজার টাকা বখশিস দেওয়ার নিয়ত করলাম তৎক্ষনাৎ। মেয়েটি তখনো আমার সামনে দাঁড়িয়ে। তার চোখ ঘুরছে আমার রুমের কোণায় কোণায়। মেয়েটিকে হিন্দিতে বললাম বসতে। আমার কথামত এসে বিছানার কোণায় বসতেই আমি বুঝলাম, সে হিন্দীভাষীই। তবে এ বিষয় খুব একটা না ভাবলেও আমার চলবে,কারণ ঘন্টা খানেক সময়ে দু একটা কাজ চালানোর মত হিন্দি আমার জানা আছে।
সর্পিল মসৃণতায় আমার হাত দুটি তার স্তনে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সুগঠিত দুটি শংখের মত স্তন, তার নিশ্বাসের সঙ্গে ওঠানামা করছে। আমার বুভুক্ষু হাত কিছুটা বন্য হয়ে উঠতেই হঠাৎ দুগ্ধাধার উপচে পড়ল মেয়েটির বুকে। আমারও হাত ভিজে গেলো সাদা তরলে। আমি দ্রুত তার কাছ থেকে সরে আসতেই মেয়েটি লজ্জিত হয়ে বলল-
" ল্যাড়কা সাত মাহিনেকা হ্যায় , ইসিলিয়ে...…! আপকো নফরাত হ্যাঁয় বাবু?"
ব্যস্ত, তটস্থ হয়ে সে আমার হাত ধুয়ে দিতে চাইলো। আমার সেদিকে খেয়াল নেই। চোখ বন্ধ করতেই দূর থেকে কানে আসছে ভৎসনা - ছোটবেলায় ভাই বোনরা আমাকে যেমন ক্ষেপাতো।
হঠাৎ মা কাছে এসে তার আঁচলে ঢেকে ফেললো আমার মুখ । মা ডাকছে আমাকে..... "বাবু....! বাবুজি....! ক্যায় হুয়া বাবুজি.....! আঁখে খুলিয়ে বাবুজি....!


2 মন্তব্যসমূহ
অনবদ্য,একটি সেরা ছোটগল্পের সকল পরিধি পুরন করে হইয়াও হইলোনা শেষ।শুভকামনা
উত্তরমুছুনখুব ভালো লাগলো
উত্তরমুছুন