ফল ও ফটোগ্রাফ
ফলের দোকানটা সবে খুলেছে। রোদ এখনো ধোঁয়ার মতো ধরা পড়ে থাকে আকাশে, আর বালি হাঁটার নিচে ঝিকমিক করে, যেন শেলের টুকরো লুকিয়ে আছে।
আমি দোকানের সামনে দাঁড়াই। ভেতরে বাতাস ভারী, ধাতব ঘ্রাণে ভরপুর। বিক্রেতা সামনে এগিয়ে আসে, তার চোখ ক্লান্ত, মুখে একধরনের নির্লিপ্ততা।
“এই এই টা আমায় দিন।”
সে তাকায়, তারপর আলমারি থেকে বের করে আনে এক ঝুড়ি ফল। এগুলো আর পাঁচটা ফলের মতো নয়। প্রত্যেকটার গায়ে ছোট্ট ছিদ্র, কিছুতে এখনো কালো দাগ লেগে আছে।
“এখানে রাখুন। এবার ভালো ছবি উঠবে।”
আমি ক্যামেরা বের করি। বুলেটবিদ্ধ আপেল, কমলা, ডুমুর—সব পরিস্কার দেখা যায়। গুলির চিহ্ন, ছোপ ছোপ রক্ত, কালো হয়ে যাওয়া চামড়া—সব কিছু।
বিক্রেতা এবার হাসে, তার দাঁত নড়বড় করছে। “আপনি বুলেট লাগা ফলগুলোই সরাসরি নিয়ে যান না? সবাইকে দেখাবেন। আবার প্রিন্ট করবেন কেন?”
আমি চুপ করে থাকি। আমার হাত কাঁপছে, কিন্তু মুখ শান্ত।
“সবাই হাতে নিয়ে বুলেট দেখতে পারবে। বুঝতে পারবে, এদের ভেতরেও এখনো লোহা রয়ে গেছে।”
আমি ফলগুলোর দিকে তাকাই। কালো গর্তের মতো ছিদ্র থেকে সেঁধিয়ে থাকা ধাতব টুকরো উঁকি দিচ্ছে। একেকটা ফল যেন একেকটা নিঃশব্দ মুখ, চোখের গর্ত ফাঁকা হয়ে আছে, যেন তারা আমার দিকেই চেয়ে আছে।
আমি সেগুলো হাতে তুলে নেই। ঠান্ডা। ভেজা। কিছু একটা চুইয়ে পড়ছে গায়ে। সামনে ওপারে - গাজায় যুদ্ধ চলছে। কিন্তু এখানে, ফলের দোকানে, এইপারেও যুদ্ধের ধোঁয়া আমার ঠোঁট ছুঁয়ে যাচ্ছে। আমার দাঁতের নিচে ফলের রস আর ধাতুর স্বাদ একসঙ্গে মিশে যায়—লোহার গন্ধ, তেতো কিছু, ডালিমের রসটা কাঁচা। বেশী বেশী রক্তের মতো।
আমি খাব কিনা ভাবি।
বিক্রেতা নির্লিপ্তভাবে তাকিয়ে থাকে, যেন কিছুই হয়নি।
"খেতে কেমন?"
আমি চুপ করে থাকি। আমার জিভের নিচে বুলেটের ঠান্ডা স্পর্শ, দাঁতের মাঝে আটকে থাকা ধাতব শাঁস, ফলের মিষ্টি শিরার সঙ্গে অমোঘ কিছু গলে যাচ্ছে গলায়। আমি ঢোক গিলি। গিলে নিই। যুদ্ধের ধোঁয়াভরা বাজারে দাঁড়িয়ে এই ধাতব স্বাদ আমার ভেতরে নেমে গেল, চুপচাপ, নিঃশব্দে। সহজ এবং সহজাত। আমি না চিবিয়ে গিলে নিলাম ডালিমের লাল রস।
জেলিফিশের হামলা
সমস্ত অস্ট্রেলিয়ার সমুদ্রতীরে জেলিফিশ। বিশাল দল, নীরব, ছড়িয়ে পড়েছে সৈকতে। তারা মরছে না, আবার বেঁচেও নেই। তাদের শরীর থেকে নির্গত হচ্ছে এক ধরণের বিষাক্ত রস, যা বাতাসে মিশে এক অদৃশ্য সংকেত পাঠাচ্ছে।
এই সংবাদ দেখেই আমি জানালা খুলে দিলাম। সমুদ্র থেকে ভেসে আসা নোনতা বাতাসে আমার নাকে হালকা প্লাস্টিক পোড়ার গন্ধ এলো। আমি জানি, এটা কল্পনা হতে পারে। কিন্তু এমন কল্পনা, যা বাস্তবের চেয়ে বেশি সত্য।
আমার বন্ধু অলিভার ফোন করল—
“জেলিফিশদের দেখে আসবি?”
আমি জানি, তার কথা মানে এক রকম, আর উদ্দেশ্য আরেক রকম।
মানুষের মাঝে একটা প্রবৃত্তি আছে— ধ্বংসের নৈকট্যে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা। যেমন আগুন লাগলে সবাই ভিড় জমায়, যেমন কোনো মৃতদেহ দেখলে মানুষ একটু বেশি তাকিয়ে থাকে, তেমনই এই মরতে থাকা জেলিফিশদের দেখতে চাইছে সবাই।
আমি সৈকতে গেলাম না। আমি জানি, একবার দেখলে আমার ভেতরে একটা গোপন ভয় জন্মাবে।
খবরে বলল, জেলিফিশরা প্লাস্টিক খেয়ে ফেলছে। তারা সাগরে যে প্লাস্টিক আবর্জনা ভাসছে, তা নিজেদের খাবার ভেবে গিলে নিচ্ছে, তারপর ক্লান্ত হয়ে বালির ওপর এসে আত্মসমর্পণ করছে।আর অলিভারও জানে তা। কী অদ্ভুত সমাপতন! কী করেহয়? আমি কালই মাত্র এনিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসে আর্টিকেল লিখেছি। লিখেছি যে- যেভাবে আমরা প্রতিদিন মিথ্যা গিলছি, অর্ধসত্য গিলছি, আধুনিকতার নামে আমাদের মননকে প্লাস্টিক বানিয়ে ফেলছি। এইসব। অত্যদি। আর তার সাথে মানুষজাতিকে জেলিফিশ বলে উল্লেখ করেছি। মাত্রই কালকের ঘটনা।
কিন্তু জেলিফিশ গুলো সত্যি সত্যি এখানে কি করছে। জানার ইচ্ছেটা কাটাতে পারলামনা।
সৈকতে পৌঁছে সবাই ভীড় করে আছে। কেউ বলছে, “এটা প্রকৃতির প্রতিশোধ।”
কেউ বলল, “এটা জলবায়ুর ধ্বংসের সংকেত।”
কেউ বলল, “এটা শুধুই এক ধরণের সামুদ্রিক দুর্ঘটনা।আর কিছুনা।”
এসব কথায় আমিও খানিক উত্তেজিত হয়ে অলিভারকে বললাম, “যাও, দেখো। দেখো আমাদের ভবিষ্যৎ কেমন হতে চলেছে। জেলিফিশময়।”
সে হাসলো। “তুই সবকিছু এত সিরিয়াসলি নিস কেন?”
আমি জবাব দিলাম না।
২
রাতে আমি একটা স্বপ্ন দেখলাম। আমি জানতাম স্বপ্ন কিছু একটা দেখব। দেখলাম। যেটি দেখব ভেবেছিলাম বা বলা যেতে পারে অবচেতনের সহজ সিম্বল এর সূত্র মতে যেটি দেখা উচিত ছিল তেমনই স্বপ্নটি এল— আমি একটি বিশাল জেলিফিশ হয়ে গেছি। আমার শরীর স্বচ্ছ, এতই স্বচ্ছ যে আমার ভেতর দিয়ে চাঁদের আলো ভেদ করে করে যাচ্ছে। আর আমার চারপাশ জুড়ে হাজার হাজার মানুষের মৃতদেহ। ভাসছে। আবার তারা সবাই আমাকে ছুঁতেও চাইছে, কিন্তু আমি দূরে সরে যাচ্ছি।
আমি জানি, আমি যা করছি, তা অকারণ। কারণ এই মানুষগুলোর সাথে আমার কোনো পার্থক্য নেই। কিন্তু আমি দূরে সরে যাচ্ছি।
ঘুম ভাঙার পর আমি জানালা দিয়ে ঘোর ঘোর চোখে সমুদ্রের দিকে তাকালাম। সৈকত একেবারে খালি। কোথাও কোনো মানুষ বলতে নেই।জেলিফিশগুলোকেও আর দেখতে পাচ্ছিনা। কিন্তু আমি নিশ্চিত, জেলিফিশগুলে এখনো সেখানে পড়ে আছে।
সকালের নরম আলোয় আমার একটা দার্শনিক উপমা টানতে খুব লোভ হল। সেটা বয়ান করলে এরকম—
“আমরা আসলে কখনোই জানতে পারব না, আমরা জেলিফিশদের খেয়ে নিচ্ছি, নাকি জেলিফিশরা আমাদের, এবং- ইত্যাদি।
কিন্তু ভাবছি আমাকে জেলিফিশগুলোকে খুঁজে বের করতে হবে আবার। হবেই।
আমার পরের ছোটগল্পের জন্য- যেখানে গল্পটা এরকম ভাবে লিখব- সকালে ঘুম ভাঙতেই টেলিভিশন অন করলাম। আরেকটি চ্যানেলে বলছে, জেলিফিশদের বিষাক্ত রস এখন মানুষের শরীরে সংক্রমিত হতে শুরু করেছে। যারা তাদের ছুঁয়েছে, তাদের ত্বকে অদ্ভুত সব ঘা হয়ে যাচ্ছে।
শহরের হাসপাতালগুলোতে জায়গা নেই। মানুষের শরীরেও নীলচে দাগ, ত্বকের নিচে ক্ষুদ্র প্লাস্টিক জমে যাচ্ছে।
আমি একটা সিগারেট ধরালাম। আমার বিড়ালটা উঠে এসে আমার কোলে বসলো। ওর চোখের মনিতে আমাকে দেখলাম। থলথলে। জেলির মত শরীর। মুখ।
ব্লাড মুন
এখন কত বাজে? সাড়ে আট? না কি নয়? আজ ব্লাড মুন। সুপার মুন। চন্দ্রগ্রহণ।
আমরা ভারতীয়রা বলি—গ্রহণের সময় খাবার খাওয়া নিষেধ। আমার দাদু গ্রহণের শেষে গঙ্গার ঘাটে স্নান করতেন, মন্ত্র পড়তেন, ফিরে আসতেন ভিজে কাপড়ে, যেন অন্য এক জগৎ থেকে উঠে এসেছেন।
আমি এখন ব্রুকলিন ব্রিজের ওপর দাঁড়িয়ে আছি। এখান থেকে চাঁদ ভালো দেখা যাবে। ক্যামেরাধারীরা জড়ো হয়েছে, লম্বা লেন্স তাক করে আকাশে।
আমি দাঁড়িয়ে আছি। একজন একজন করে ক্যামেরাধারীরা ফিরে গেল।
চাঁদ একটু লালচে হয়েছে মাত্র। কিন্তু গ্রহণের কোনো চিহ্ন নেই।
আমি কি তবে সময়টা হারিয়ে ফেললাম?
ঘটনাটি কি এর মধ্যেই ঘটে গেছে?
ফোনের দিকে তাকাই। সময় এগিয়ে চলেছে, কিন্তু আমার চারপাশের মুহূর্তগুলো যেন আটকে আছে।
শহর নিজের ছন্দে চলছে। দূরে পাতাল রেলের গর্জন শোনা যায়। বাতাসে পোড়া প্রেটজেলের গন্ধ। কেউ হাসছে, গম্ভীর, গভীর এক আওয়াজ।
চাঁদ স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে, বড়ো হয়ে উঠছে ক্রমশ।
একটা স্তব্ধতা নেমে আসে।
তারপর—
একটা ফিসফিসানি, ঠিক আমার পেছনে।
আমি ফিরে তাকাই।
কেউ নেই।
ব্রিজটা ফাঁকা।
তবুও ফিসফিসানি জারি থাকে। শব্দগুলো বাতাসের মধ্যে ভাসছে, যেন কারও দীর্ঘ নিঃশ্বাস, যেন শূন্যের ভেতর থেকে উঠে আসা এক ভাষা।
আমি নড়তে চাই, কিন্তু পারি না। নিঃশ্বাস নেওয়া কঠিন হয়ে আসে, যেন আমি নিজেকে বাইরে থেকে দেখছি।
তারপর শব্দগুলো স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ধোঁয়ার মতো গায়ে জড়িয়ে আসে সেই কণ্ঠস্বর—
"তুমি আগেও এখানে ছিলে।"
চাঁদ যেন গগনে আরও লাল হয়ে ওঠে।একটা দপদপানি ছড়িয়ে পড়ে চোখের সামনে, আর হঠাৎই আমি মনে করতে পারি-
আমি আগেও এখানে দাঁড়িয়েছি। আমি আগেও অপেক্ষা করেছি।
ফটোগ্রাফাররা সবসময় ফিরে যায়।
গ্রহণ কখনও আসে না।
আর ফিসফিসানি?
সেটা আমাকে সবসময় খুঁজে নেয়।
বিলিতি মাসীমার কাঁথা
আমার বোনের শাশুড়ি। সিঁথি কাটা মায়াময় চওড়া কপাল। নাকটি বড় বেশী টিকালো। চোখদুটি ছোট। হাতির চোখের মত ধার দেওয়া চোখে পুট পুট করে ছুঁচের পেছনে সুতো পরাবেন তিনি। তারপর কুট কুট করে বুনে যাবেন নিপুণ সব ফোঁড়। হয়ে চলবে কাঁথা। ফুল ফুল ছিট, পোল্কা ডট, আড়াআড়ি চেক, এমন সব চউখুপ্পি ছিটের দরবার সাজিয়ে বসবেন নিজের আসেপাশে।
সারাদিন পিঠে কমলা রোদ ফেলে বুনে চলেছেন কাঁথা।
তার মা ছিলেন নেটিভ রমণী। চেরোকীদের উপত্যকা থেকে থাকতে এসেছিলেন এই বইসি নদীধারে। তার বাবার ছিল আলুর চাষের কারবার।
এইভাবেই দিনশেষে উঁচু একটা আবলুশ পালঙ্কে শুয়ে থাকব। পিঠের পেছনে নরম বালিশ। একটু ফুলফুল, শাদা-গোলাপি মেশান।
বিছানার পাশে কাঁচের জানলা । ডেক। সে দিকে ফিরে কমলালেবু ছাড়িয়ে খাবো। বাইরে উজ্জ্বল রোদ। এই ভাবেই কমলা ছাড়াতে ছাড়াতে রোদ্দুরের দিকে তাকিয়ে একদিন চলে যাবো। পৃথিবীর নিজস্ব ছায়া পথে। গায়ে জড়ানো থাকবে বিলিতি মাসিমার খোপ-খোপ কাঁথা।
সীমান্ত ঘেঁষে লাল নীল ফোঁড়। ঈগলের মোটিফ।
আইভি লতা
সিনেমার মত। গল্পের মত। শ্রাব্যময় গীতিকার মত।
সেই বাড়ীটি অতঃপর মেরামত করা হোল। তিরিশটি ঘরের জন্যে তিনটি বাথরুম পর্যাপ্ত ছিলনা। বেন কিং বাড়িটি কিনেই প্রথমে অ্যালাবামার কালো পরিবারগুলির অসুস্থ বয়স্ক সদস্যদের জন্যে বিশ্রামাগার করলেন। তিনরাত ফ্রী। সঙ্গে একজন নার্স মজুত। পরের বছরের ভেতর প্রতি ঘরের লাগোয়া তৈরি হোল বাথরুম। শোয়ার ঘরের অংশ কেটে। প্রতিরাতে, প্রতিদিনে ৩০ টি কমোডের খলখল ধ্বনি অঞ্চলটিকে মাতিয়ে রাখে। অঞ্চলের মানুষ হাসিমুখে নাম দিয়েছে হাগা-মোতার উৎসব।
সিনেমার মত। গল্পের মত। শ্রাব্যময় গীতিকার মত।
ফুটনোটঃ
প্রথমে বলা হয়নি বেন কিং বাড়িটি কিনেছিলেন তার ঠাকুর্দা'র বাবার মালিকের নাতির ছেলের কাছ থেকে। সাউথ অ্যালাব্যামার ফুলেল লন দিয়ে ঘেরা মনোরম এই বাড়ি। সাদা খিলান। সবুজ দরজা । ওই খিলানে তার থাকুর্দার বাবার পিঠে পঞ্চাশ ঘা বেত এসে কশিয়েছিল এক ধুলেল গোধূলিতে। ওই খিলানেই ...। ঘোড়াদের হ্রেষা ধ্বনি উঠেছিল। মন্ময় ফুলগুলি লাট খেতে খেতে ঘুরে গেছিলো সান্ধ্যকালীন মলয় বাতাসে। বিনবিন করে ঘেমে ওঠছিল কপাল। সাহেবের বেগমের। আর ঠাকুরদার সোমত্ত মেয়ে রেশমের পাখা টেনে চলছিল। তার দৃষ্টি ছিল হাওয়ার দিকে। শাদা, শুভ্র খিলান। আর তার গায়ে বেড়ে ওঠা ঘন বিনুনির আইভি লতা।
লকডাউন ডায়েরী
১.
নতুন একটা চেয়ারে বসলাম আজ
নতুন একটা চেয়ারে বসলাম আজ। এটা আমায় কী যেন আনন্দ দিল। যেন উঠতেই ইচ্ছা করেনা আর। খুব গোছানো আর সতেজ লাগছে।
২.
একটা ঘরে তিনমাস আছি আজ
একটা ঘরে তিনমাস আছি আজ।বাইরে বেরোইনি। ক্যাম্পাসের নীচে বাজার করেছি আর এই জানলা দিয়ে শহর ম্যানহাটান দেখেছি।
৩.
স্হান পরিবর্তন
স্হান পরিবর্তন । এই চেয়ারটায় যেহেতু আগে বসিনি। তাই নতুন রকম লাগছে। যেন নতুন কোন আবিষ্কার। সভ্যতায় নতুন পালক। এই যে চাইলেই সরসর করে উঠে পরা যাচ্ছে। এতে খুব মোবিলিটি বাড়ছে। এর জন্য চেয়ারে বসার কথা ভেবেছিল পূর্বজরা।
স্হান পরিবর্তন। খুব মহার্ঘ বিষয়- এটা বুঝলাম। সে চারদেওয়ালের ভেতর হলেও।
এস এম এস
আমার ম,
যাকগে- তুমরা কি পুজোয় চাল ডাল কিছু পাইছো? কাল মুগ ডালের দুটো বড় বড় প্যাকেট পাইছি। তোমার ছোটটা খিচুরি ভালোবাসে। কতদিন হয়তো খায় নাই, তাই তুলে রাইখলাম। টেরেন খুল্লই দৌড়কে তুমার কাছে ছুট দুব। কাতার থেকে ইসমাইল ফোন দিসলো। তুমার সোয়ামীর খবর কিছু আজও পায় নাই। আখতার ওর মালিকের জীপ গাড়িতে মাল নিতে কলকাতা আসবেক। আমি কিছু চাল ডাল আরো দিয়ে দুবো ওর হাতে। পারো তো একটি চীজ পাঠাই দিও উর হাতে। তুমার রোজ ব্যবহারের মাস্ক খানি- না কাইচ্যা। তুমার লালা মাখা গন্ধ লুব। কতদিন ওটি খাই নাই। (ইমোজি)
- তুমার ন (ইমোজি)


0 মন্তব্যসমূহ