১. গল্পপাঠ কথাসাহিত্যের অন্তরসূত্র।
২. এখানে পুরনো লেখক, নতুন লেখক, পাঠক, আলোচক, সমালোচক, ভাবুক--যে কেউই লেখা পাঠাতে পারেন।
৩. পূর্বে প্রকাশিত লেখাও দিতে পারেন। তবে যে লেখাটিকে আপনি সেরা মনে করেন সেটাই দেবেন।
৪. মৌলিক গল্প, অনুবাদ গল্প, গল্প বিষয়ক আলোচনা, প্রবন্ধ, বই পরিচিতি, সাক্ষাৎকার, সমালোচনা, আত্মজীবনী, স্মৃতিকথা বা কথাসাহিত্যের যে কোনো শাখায়ই লেখা দিতে পারেন।
৫. লেখা অভ্র বা ইউনিকোডে টাইপ করে টেক্সট কপি দেবেন।
৬. নিজের লেখাই দেবেন।
৭. লেখার জন্য কোনো শব্দসংখ্যা নির্দিষ্ট নেই।
৮. আলোচনা বা প্রবন্ধজাতীয় লেখার ক্ষেত্রে সূত্র উল্লেখ করে দেবেন।
৯. লেখা মনোনয়নের ক্ষমতা গল্পপাঠ কর্তৃপক্ষের। অমনোনয়নের কারণ ব্যাখ্যা করতে গল্পপাঠ বাধ্য নয়।
১০. লেখার সঙ্গে অবশ্যই অতি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি দেবেন।
লেখক পরিচিত
ম
জন্ম সাল
জন্মস্থান
বর্তমান আবাসস্থল
পেশা
পেশা
কোন কোন শাখায় লেখেন তার তালিকা
কোন কোন পত্রিকায় লেখেন তার তালিকা (যদি থাকে)
প্রকাশিত গ্রন্থতালিকা (যদি থাকে)
প্রাপ্ত পুরস্কার (যদি থাকে)
একটি ফটো দিন
নিজের ওয়েব পেজ বা ব্লগ থাকলে লিঙ্ক দিন
ইমেইল-ঠিকানা দেবেন
ফোন নং
নিজের ওয়েব পেজ বা ব্লগ থাকলে লিঙ্ক দিন
ইমেইল-ঠিকানা দেবেন
ফোন নং
(কোনো তথ্য প্রকাশের ইচ্ছে না থাকলে জানাবেন)
১০. লেখার দায় লেখকের।
১১. গল্পপাঠে প্রকাশিত লেখা অন্যত্রও প্রকাশ করতে পারেন।
১২. গল্পপাঠ একটি অবানিজ্যিক ওয়েবম্যাগাজিন। কোনো বিজ্ঞাপন, কোনো ধরনের গ্রান্ট গ্রহণ করেন না।ফলে লেখার জন্য কোনো অর্থ-সম্মানী প্রদান করে না।
১৪. লেখা প্রকাশিত হলে তার লিঙ্ক ইন্টারনেটে শেয়ার করুন।
লেখা পাঠাবার ইমেইল ঠিকানা--
galpopath@gmail.com




38 মন্তব্যসমূহ
আচ্ছা আপনারা কি রম্য-রহস্য -রোমাঞ্চ গল্প প্রকাশ করেন?
উত্তরমুছুননা । কোন রহস্য নয়। শুধু রম্য রচনা।
মুছুনবহু আগের পুরনো প্রকাশিত লেখা কি প্রকাশ করেন?
উত্তরমুছুনna
মুছুনসময়ের মুক্ত চিন্তায় যুক্ত হয়ে আনন্দিত হলাম। কখনো কোন লিখাও হয়তো পাঠাবো, তার গাল্পিক যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য। খুব দ্রুত-ই আসছি আমার 'মানুষবাদ' নামক নতুন শিল্পতত্ত্ব ও আনুষঙ্গিক লিখাপত্র নিয়ে। প্রকাশ মাধ্যম খুঁজছিলাম, মনে হচ্ছে পেয়ে গেছি। সময়ের হিম মাথা ঝিম ধরিয়ে দিতেই, দেশজ উৎস থেকে উৎসারিত হচ্ছে 'মানুষবাদ'। শুভ কামনা নিরন্তর....
উত্তরমুছুনগল্প জীবনের প্রতিচ্ছবি।আপনাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে খুশি হলাম।
উত্তরমুছুনমেইলে গল্প পাঠিয়েছি। কিন্তু কোন ম্যাসেজ পাইনি।
উত্তরমুছুনখুব তাড়াতাড়িই আপনাদের ব্লগে লেখা পাঠাবো । প্রাপ্তি স্বীকার করলে বাধিত হবো।
উত্তরমুছুনঅনেক অনেক ধন্যবাদ রইলো।
মেইলে গল্প পাঠাব। পাওয়ার পর প্রাপ্তি স্বীকার করলে খুশী হব।
উত্তরমুছুনগল্প পাঠালাম দেখা যাক কী হয়।
উত্তরমুছুনঅণু গল্প পাঠানো যায়?
উত্তরমুছুনপাঠাবো গল্প।
উত্তরমুছুনএই মন্তব্যটি লেখক দ্বারা সরানো হয়েছে।
উত্তরমুছুনআপনারা কি কবিতা পোস্ট করেন?
উত্তরমুছুনআপনারা কি কবিতা পোস্ট করেন?
উত্তরমুছুনএখানে থেকে কি কোন হার্ডকপি প্রকাশিত হয়???
উত্তরমুছুনশুধুই কি গল্প? কোন কবিতা কি নেয়া হয়?
উত্তরমুছুনলেখক কে টাকা দেয়া হয় কি?
উত্তরমুছুনপাঠানো লেখা মনোনীত হলে কিভাবে জানতে পারবো?
উত্তরমুছুনলেখা পাঠিয়েছি...
উত্তরমুছুনপাঠানো লেখা মনোনীত হলে কিভাবে জানতে পারবো?
উত্তরমুছুনঅন্য কোথাও প্রকাশিত হয়েছে এমন লেখা পাঠানো যাবে কি?
উত্তরমুছুনমনোনীত হয়েছে কিনা কতদিনের মধ্যে জানিয়ে দেন ?
উত্তরমুছুনমুক্তগদ্য প্রকাশ করেন ?
উত্তরমুছুনমুক্তগদ্য প্রকাশ করেন ?
উত্তরমুছুনমনোনীত হয়েছে কিনা কতদিনের মধ্যে জানিয়ে দেন ?
উত্তরমুছুনKhub Sundar byabastha. Anandita holam -porte parbo aar parateo parbo.
উত্তরমুছুনপাঠাচ্ছি পরিচিতি সহ গল্প। তবে আমাদের মত অখ্যাতদের পরিচিতি কি তাই ভাবছি।
উত্তরমুছুনএকটা গল্প পাঠালাম।আপনাদের কোন ফেসবুক পেজ আছে কি?ধন্যবাদ
উত্তরমুছুনএত এত প্রশ্ন, অথচ কোন উত্তর নাই। আমারও প্রশ্ন ছিল। প্রশ্ন করে উত্তর না পেলে প্রশ্ন করে কি লাভ?
উত্তরমুছুনNice initiatives, go ahead please....
উত্তরমুছুনগল্প পাঠালাম। ধন্যবাদ।
উত্তরমুছুনআমার ৪টি গল্প লেখা আছে ও ২টি কবিতা লেখা আছে আপনাদের এখানে পাঠাব যদি আপনারা পত্রিকাই ছারবেন বলেন তবে
উত্তরমুছুনকবিতা পাঠানো যায়?
উত্তরমুছুনপ্রকাশিত লেখা আবার প্রকাশ করবেন ? একটু অবাক লাগছে ।
উত্তরমুছুনছোটগল্প: মেঘ/অ.আ.
উত্তরমুছুনমনের ট্র্যাজেডি রচবার ক্ষমতা খুব বেশি।
সচেতনতা যদিও ট্র্যাজেডির আবশ্যিক শর্ত।কিন্তু মন সে-শর্ত পূরণে খুব নিষ্পৃহতা দেখায় বরাবর।মনের ওই শর্ত অপূরণের সচেতন নিষ্পৃহতা বা বিষ্পৃহতা যা-ই বলি ও-ই মনের ট্র্যাজেডি রচবার শর্ত।
এই যেমন, সে কেমন করে যেন কী ভেবে কিসের অভাববোধে খুব নিরাসক্ত হয়ে যায়।তার দুঃখবোধ জন্মায়।খুব স্পষ্ট করে বোঝাবার মত করে সে দুুখিতা-আক্রান্তি না।ট্র্যাজেডি পড়বার পর যেমন একটা অস্বস্তি থাকে ভেতর আত্মায়, মনের এই অবসময়কালের ব্যথাবোধ ওরচে' কম নয়।কেনো হয় মন জানে না।কিসের গন্ধে কেনো সে অমন উতলা; তা স্পষ্ট নয়।এই অস্পষ্টতাই মনের একপ্রকার সচেতনতা। মন গন্ধহীন কর্বূরিত আবহাওয়া-উদ্ভাসের সাথে মিশে অবশেষে একটা রঙ একটা বর্ণ একটু প্রভাস বেশ ধরে শাদাগন্ধমখোসা হয়ে উড়ে যায়।তখন যে কেমন কেমন সে-মন! মনের ব্যক্তিটি তো দূরে, মনই জানে না তার উড়াল-উদ্ভাসী হয়ে ভেসে বেড়াবার কারণ।
এসব যখন ভাবছি, মাটি থেকে দৃষ্টি একটু এগিয়ে উঁবু হয়ে-- একজোড়া পা এসে আমার দৃষ্টিতে আঁটকে যায়।স্বর্ণলতার মত হলুদ-হরিৎ একজোড়া পা।
রমণীর পা দেখলে মনে হয়, কাণ্ড ছাড়িয়ে তার শেকড় পৃথিবীর ঘনত্বের পরিধি দিয়ে আপনার রাস্তা করে নিয়ে সে জড়িয়ে ফেলেছে তার অক্টোফাঁসে পৃথিবীকে।সাগরকে।অতলাকে।
স্বর্ণলতার মত তার কাণ্ডহীন, মস্তকহীন, তলপরিচয়হীন অসংখ্য অগোছালো ছেঁড়া স্নায়ুসুতোর মত এইযে যাকে জড়িয়ে আপন নির্ভার নিংড়ে ফেলে দিয়ে প্রবল স্বস্তিসহ ক্রমশ বেড়ে ওঠা বৃক্ষটিকে নিষ্ফলা করে দেয়া বন্ধ্যা করে দেয়া।রমণী আপন মায়ার প্যাঁচে পৃথিবীটাকে কেমন বন্ধ্যা করে দিয়ে যায়!
কোনো কোনো সময় এমন যে বৃক্ষের বের হওয়া শেকড়ে চেয়ে বৃক্ষের প্রতি কেমন একটা অসুস্থ অবস্বস্তি হয়।ঠিক সেটা অস্বস্তি না।সময়ে অস্বস্তিতে মিশে থাকে অনেকটা ঘৃণা ঘেন্নার মত হয়ে।
মেয়েটির সুন্দর পা দেখে আমার ভেতর কেমন স্থূল কামনা জন্মে।আমি ভেতরকার গুমোট আবহাওয়া ঝেড়ে ফেলবার জন্য দৃষ্টিটা সেখান থেকে সরিয়ে দৃষ্টিটাকে আরেকটু দূরে সরিয়ে দেই।ঠিক দিগন্তে না,দিগন্তের কাছাকাছি-- দিগন্তের পাদপাশে।
মুছুনদিগন্তের একটা রঙ হয়।দিগন্তের উপর যে আকাশ তারও একটা রঙ হয়।কিন্তু, ওর পাদদেশের কোনো রঙ হয় না। কেমন নিবিড় জলের মত একটা রঙ তার।'জলের-রঙ' তো আদতে কখনও রঙিন অর্থকে স্বীকার করে না।তার ভেতর মিশে থাকে না রঙ্গ,মিশে থাকে না রাঙ।শুধু থাকে সাদামাটা উদাসিন-অবলেশ। 'ফিঁকে' ,'ফিঙে' শব্দদুটো আমাকে বেশ নাড়িয়ে যায়।'ফিঁকে-রঙ' না বলে, রঙটাই যখন 'ফিঁকে' করে বলা হয়-- ওটা তখন আমায় বেশ একটা নাড়া দেয়।আবার 'ফিঙে' যার নাম, সে যত না ফিঙে, ওই 'ফিঙে' শব্দটি তার ভেতর ঢের মাহাত্ম্য লুকিয়ে রাখে।'ফিঙে' যে কেনো একটা রঙ হয় না,শুধু পাখি হয়! 'ফিঙে-আকাশ' হয় না, 'ফিঙে-দিগন্ত' হয় না আর 'ফিঙে-জল'। কবি যে সে বড় ভীরু সাধারণের বিশ্বাসের কাছে। --সেই দিগন্তের পাদদেশের জলরঙের ভেতর মহাজগতের আবছায়া বেপথু বিম্ব হয়ে ভাসে। কী রহস্যময় তার আবছায়া! আমাকে টানে।
তবু মন যেন আমার কী খুঁজে বেড়ায় ঘুরে ফিরে।মধ্যাকাশে ঝিম মেরে থাকা চিন্তার ঘুড়ি আকস্মিক উলোট বাতাসে অস্থির হয়ে ওঠে। চিন্তার ধূপছায়া অজানিত অস্থিরতায় আকাশের বন্ধ কবাটে বাড়ি খেয়ে খেয়ে ফিরে আসে আপন আঁধারে।
কবি যে, তিনি সাধক নন; সাধকের অভ্রভেদী চিন্তাচ্ছন্নতা তার নেই।কবির মন বড় বৈক্লব্য মন।চিন্তার অন্তিম প্রান্তে সে কখনও পৌঁছতে পারে না।তাই অন্তিম অবকাশ যাপনের প্রশান্তিত ছুটি-ভোগ তার মনে স্থায়ী রেখ্য-ছাপ রাখে না।
কবিকে সেখানে পৌঁচবারে ব্যর্থ বলি কিংবা সেখানে পৌঁছবার তরে তার মন অপছন্দী বলি, তাতে কবির কাব্যিক মনে কোনো বিক্লিষ্ট প্রভাব পড়ে না।পড়ে না, কারণ কবি অত্যল্প সময়ের ভেতর মোহাবিষ্টতার উত্তুঙ্গে পৌঁছতে পারেন। যোগীর সেখানে পৌঁছতে যৌক্তিক স্তরগুলো অতিক্রম করে যেতে হয়।ধূর, কী সব এলোমেলো চিন্তা করছি! আমি কি আর কবি নাকি।কবি নিয়ে এত কবিত্ব করছি।
আমি আমার আশপাশে সেই পা জোড়াকে আবার খুঁজে বেড়াই।চরণ-চামেলীকে দেখবার জন্য ভেতরটা কেমন জ্বালা করে ওঠে।পেছনে-- আমার দাঁড়ার কাছে পার্শ্বঘাড়ের উপর তার নিশ্বাসের গুমোট শিহরণের আঁচ-- কালানো শব্দশিস।এত কাছে, এত পাশে! তবু সে দূরের, অনন্তপারের সে!
তার চোখে চেয়ে আমার ভেতরকার সব ঝড় থমকে যায়। মনের কলজেটা শিলায়িত হতে থাকে।তাতে তুষারস্তর পড়ে প্রশান্তির প্রলেপ হয়ে।মানুষের চোখেও এত প্রশান্তিত্বের বিলেপন! --দূর থেকে ভেসে আসে আহত মেঘনাদের গর্জন।দূরাগত, তাই তার অবশেষ আওয়াজে মিশে থাকে সকরুণ কান্নাভেজা সুর।কী বিপুলাকার বহতা দুঃখের আর্তিরা ঝরে পড়ে! আমার চোখে জল আসে।এভাবে কতক্ষণ তাকিয়ে আছি, জানি না।মেয়ে সে চোখ ফিরিয়ে নেয়।
এতক্ষণে বাঁদুড়তলা লঞ্চঘাটায় আমার দৃষ্টি বুলাই।এর নিজস্ব প্রপার্টি বড় কম।কিন্তু, সমুখের বিদিগন্তাতীত জলমগ্ন প্রান্তরটিতে সে বর্গাচাষীর মত বর্গা নিয়ে চাষ করেছে।এখন তাতে রাশি রাশি শামেলা ফসল।
বহুদূর থেকে বিরাটাকার শাদা লঞ্চগুলোকে আমার মেঘের মত মনে হয়।একটার পর আরেকটা মেঘ বড় নীরব-চাঞ্চল্যে এগিয়ে আসে। মনে হয়, অসংখ্য মেঘনাদ কণ্ঠে আহত আর্তি জড়িয়ে গড়িয়ে গড়িয়ে আসছে... মেয়েটিকে হারিয়ে ফেলি বেখেয়ালে।কোথাও দেখি না!
পড়ন্ত বিকেল।সন্ধ্যার আবছা আভাস তার গাঢ় বিষাদের তুলি টেনে দিচ্ছে উজ্জ্বল বিকেলটার ক্যানভাসে।ছড়িয়ে যাচ্ছে ক্রমশ আপন প্রগাঢ়তা।
ইঁতিউঁতি ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মানুষের ছোট ছোট দঙ্গলগুলোকে মরুভূমির বুকে বিষণ্ন বিকেলে বিশ্রামশান্ত কারাভান বলে ভ্রম হয়।আমি দেখেছি এ সময়টা সব মানুষের ভেতর কেমন মৌন হয়ে ঢুকে যায়।সকলে হয়ে যায় মৌনী।মানুষের সত্তা সমগ্র দিনের ভেতর বিস্তৃত থাকে বটে।কিন্তু, বহুলাংশ মানুষের সন্ধ্যার।সারাদিন যখন হারিয়ে থাকে মানুষ ; এ সময়টায় এসে সে নিজেকে ফিরে পায়।নিজেকে বুঝবার সাধ জাগে।
ফের খুঁজে পাই তারে।এক জায়গায় জড়ো হয়ে পুরো অপরাহ্ণটাকে কেমন নিজের চোখের কাজল করে জড়িয়ে নিয়েছে মেয়ে।
প্রায়শ কিছু মেয়ে আছে যাদের দেখে আমার ভেতর জল গড়িয়ে যায়।সেটি অবশ্য কেবল একপেশে করে নিজস্ব রচিত ব্যথাব্যূহের পাশে কয় I
দারুণ
উত্তরমুছুন