গ্রামের দিকে সব বাজার কমবেশি একইরকম দেখতে লাগে।চারদিকে বেড়া আর একটা দরজা দেওয়া বিশাল ফাঁকা জমি। সেখানে দোকানপাটে কাঠের খালি সব তাক যা গ্রীষ্মের তাপে আর শীতের ঠান্ডায় বেঁকেচুরে গেছে। যত্রতত্র শুকনো মাটি দিয়ে আটকানো খড়ের তৈরি বেঞ্চ নজরে পড়বে। সপ্তাহের অন্যান্য দিনের মধ্যে হাটবার হল সবচাইতে বিস্ময়কর। নির্দিষ্ট সময় অন্তর লোকজন জড়ো হয়ে, বিরাট এক মানব - ঘড়ির ঢঙে, বয়ে যাওয়া সাতটি দিনের ঘোষণা দিচ্ছে যেখানে কারও বরাত খুলেছে, কারও বা বসে গেছে, যেখানে কিছু মানুষ সৎভাবে উপার্জন করেছে, কেউ বা অসৎপথে ; যখন কেউ অঢেল খাবার জোগাড় করেছে আবার অন্যদিকে কারও পেট শুকিয়েছে। এ সবেই জীবনের বিস্তার মালুম হয়।
বাজার ভেঙে গেলে ফাঁকা জায়গাটি পরিত্যক্ত পড়ে থাকে, শুধু কিছু কাক উড়ে বেড়ায়, ইতিউতি চরে বেড়ায় ছাগল - ভেড়ার দল ; আর আসে স্কুলের ছেলেদের দঙ্গল, ফুটবল খেলতে।
সুতরাং, যদিও গ্রামিক বাজার সব বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই একইরকম, এই অঞ্চলের শনিবারের হাটবার একেবারেই আলাদা। এক অদ্ভুত বৈশিষ্ট্য নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে ওই ফাঁকা জায়গাটা। তার চারদিকের বেড়ায় কাঁটাতার, দু মিটার মতো জায়গা বাদ রেখে যেখানে কাঁটাতারের বদলে সিমেন্ট আর ভাঙা পাথরের টুকরো দিয়ে পোক্ত দেওয়াল গাঁথা।
এলাকার লোকজন এই দেওয়ালটুকু ঘিরে দীর্ঘকাল নানান অনুমান করে আসছে। প্রথমদিকে তারা বলত এই দেওয়ালটুকুর নিচে গুপ্তধন আছে যার গতিমুখ একটা মোরগের দিকে যে কোনও এক ভোরে বাঁক দেবে আর যে তাকে প্রথম দেখবে সে-ই ধনবান হবে। কিন্তু শীঘ্রই সে গল্প মুছে যায়। এতে বিশ্বাস করা মানে অলৌকিকে বিশ্বাস করা ; ভিতরের আকাঙ্ক্ষা থেকে এই গল্প বারবার বলা হত। তারপর মানুষ বলল, এই দেওয়াল দেওয়া হয়েছিল আলগা কুয়োর মুখ ঢাকতে যেখান থেকে জিন- দৈত্য নরক থেকে পৃথিবীতে চুপি চুপি এসেছিল। তাই এই দেওয়াল দেওয়া হয় আর একটি কোরান , একটি বুখারি শরিফ ( পয়গম্বরের বাণী সম্বলিত গ্রন্থ), মন্ত্রপূত কবচ ও কাচের টুকরো এর ভিতর রেখে দেওয়া হয় যাতে করে জিনকে আটকে রাখা যায়। কিন্তু অন্য সব গল্পের মতো এই কাহিনিও খুব একটা পাত্তা পায় না।
তারপর নতুন প্রজন্মের মানুষ আসে যারা আগের সময়ের মানুষের চাইতে কম কল্পনাপ্রবণ, যারা একদিন দেখল, দেওয়ালে সিমেন্ট আর ভাঙা পাথরের টুকরো দিয়ে বেড়া দেবার নিষ্ফল প্রচেষ্টা।বেড়ার ওই অসংগত অংশের বর্ণনার চেষ্টায় মানুষ কখনও ক্লান্ত হয়নি। তবুও এ সব ছাপিয়েও সরল সত্যটি অবিশ্বাস্য মনে হত।
প্রথম দিকে ওই বাজার-চত্বরকে এভাবে গড়ে তোলার কোনও কারণই ছিল না। তা ছিল একটা অনুর্বর জমি যেখানে কিছুই ফলত না। আশপাশের গ্রামের মানুষজন এটিকে নিজেদের মধ্যে সাক্ষাতের সুবিধাজনক স্থান হিসেবে মনে করল যেখানে যব, খেজুর, চিজের সঙ্গে তারা বিনিময় করত সুতির ছাপা কাপড়, ছোটো ছোটো আয়না আর সদ্য কামারশালা থেকে আসা ছুরি। জমিটা ছিল এলাকার এক অভিজাত জোতদারের বিশাল জোতজমার অংশ যে লোকটা তুর্কি বা মামলুক বংশোদ্ভূত কি না, একমাত্র আল্লাহই জানতেন।
সেই লোকটা খুব দ্রুত বুঝে নিল যে এই জমিতে এই সকল মানুষ আর প্রাণীকুলের আগমন বেশ লাভদায়ক হতে পারে ; জমিতে সার জোগানোর এক চমৎকার উপায় যাতে করে সেই বন্ধ্যা জমি চাষযোগ্য করা যায়। তাই তাদের সেখানে আসার অনুমতি দেওয়া হল। কার্যত যখন জমির মালিক তার মাদি ঘোড়ায় চেপে তাদের মাঝ দিয়ে যাওয়া আসা করত তখন সে তার দাঁত বের করা হাসি ছড়িয়ে তাদের উৎসাহই দিত, সেখানে আসার জন্য।
জীবজন্তুর রোজকার মলত্যাগের ফলে যখন তা জমে যথেষ্ট সারের জোগান হয়ে উঠল তখন জমি- মালিক সেখানে চাষ দেবার মনস্থ করল। কিন্তু লোকজন হালে গড়ে ওঠা মাটির খাঁজ পায়ে মাড়িয়ে জমি সমান করে সেখানে বাজার বসাতে লাগল। মালিক তাদের তাড়িয়ে আবার জমিতে চাষ দিল। পরের সপ্তাহে তারা ফিরে এসে আবার সেই চষা জমিকে পায়ে দলে সাট করে দিল।
জমি- মালিকের পুরনো নায়েব সাহস করে পরামর্শ দিল যে একটি উপায় আছে যার দ্বারা মালিক আরও সুবিধাজনকভাবে জমির ব্যবহার করতে পারবেন এবং তা হল শুল্কের বিনিময়ে ওই জমিতে একইভাবে ব্যাবসার অনুমতি দেওয়া। তুরন্ত এই পরামর্শ মালিক গ্রহণ করল আর পরের সপ্তাহে তার আদায়কারীরা মাঠময় ছড়িয়ে শুল্ক আদায় করতে লেগে পড়ল। আর খরচ কমানোর সঙ্গে সঙ্গে আদায় বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ওই ফাঁকা জমির চারপাশে কাঠের বেড়া বসিয়ে দিল আর চাষ- রাস্তার দিকে যাওয়ার মুখে একটা দরজা বসিয়ে সেখানে একজন আদায়কারীকে মোতায়েন করে দিল।
এভাবেই শনিবারের হাটবার শুরু হল। ব্যাবসা চটপট চলতে লাগল। চেনাজানা প্রতিটি জিনিসেরই আমদানি হতে শুরু করল : গাঁজানো যবের রুটি আর যষ্টিমধু জাতীয় ভেষজ থেকে গৃহপালিত পশু অবধি। খুব তাড়াতাড়ি পশুদের জায়গা করে দেওয়ার জন্য বাড়তি জমি জুড়ে দেওয়া হল।
এক হাটবারে দেখা গেল লোকজন সব চারদিক থেকে হামাগুড়ি দিয়ে ওই ফাঁকা জায়গাটায় ঢুকছে। শয়ে শয়ে পাগড়ি আর গাল্লাবিয়া( লম্বা জামা) পরে উদ্দেশ্যহীনভাবে যত্রতত্র ঘুরে বেড়াচ্ছে,গোরুর পালের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করছে, আর গাধার পিঠে চড়ে বা মাথায় চুবড়ি নিয়ে কিছু মানুষ ঘুরছে কিংবা শুধুই হেঁটেচলে বেড়াচ্ছে।
পশ্চিম দিকের গ্রামের লোকজন শুধু চাষ- রাস্তা পেরিয়ে, দরজার মাঝ দিয়ে হাটের ভিতরে ঢুকছিল। কিন্তু পূর্ব দিকের গ্রামের লোকজনের কাছে এই কাজ ছিল বেশ জটিল। তাদের গ্রামগুলি থেকে যে হাঁটাপথ ঢালে নেমেছে তা সব পুরনো জলচক্রে এসে মিশেছে, তৈরি হয়েছে একটিই পথ যা পূর্ব দিকের বেড়ার এক জায়গায় শেষ হয়েছে যা পশ্চিমদিকের বেড়ার গেটের সামনে। সেই দরজায় পৌঁছতে তাদের গোটা বেড়ার চারদিকে চক্কর মারতে হচ্ছে যে কাজটা তাদের মতে অযথা জটিল করে তোলা। সুতরাং বেড়ার একটা কাঠের বোর্ড ভেঙে ওরা একটি সোজা রাস্তা বের করে নিয়েছে ; ভিতরে ঢোকার জন্য তাদের যা করতে হয়েছে তা হল এই ফাঁক দিয়ে গলে যাওয়া । সেই সরু পথটাই বাজার চত্বরে ঢোকা - বেরোনোর মূল রাস্তা হয়ে দাঁড়াল যখন ওই ফাঁকটাই মূল প্রবেশ পথের কাজ করতে লাগল।
ঘটনাচক্রে জমির মালিকের একটা বিশাল বাড়ি ছিল যেখান থেকে বাজার- চত্বরে নজর রাখা যেত ; বাড়িটায় সুন্দর বারান্দা, মাসরাবিয়া ( কাঠের ঝরোকা), বৈঠকখানা আর নানান আসবাবে সাজানো। মনে হয়, একদিন ওই বাড়ির এক বারান্দায় বসে সে হাওয়া খাচ্ছিল, যখন একটা দৃশ্য দেখে ভয় পেয়ে যায় ; সে দেখতে পায়, চাষিদের এক লম্বা সারি ওই বেড়ার ফোকর গলে বাজার - চত্বরে ঢুকছে। এই দেখে সে ক্ষেপে গিয়ে তর্জন-গর্জন জুড়ে দেয় এবং তৎক্ষনাৎ ঘোড়ার পিঠে চেপে সরেজমিনে দেখতে ছোটে, কীভাবে এটা হল। সেই বানানো ফোকর দেখে তার রাগ আরও চড়ে গেলে সে হুকুম দিল ওই খুলে ফেলা বোর্ডটা তক্ষুনি আবার জায়গামতো লাগিয়ে দিতে।
পরের হাটবারে সে বাড়ির বারান্দায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে লাগল যাতে করে আবার আটকে দেওয়া প্রবেশপথে সেই চাষীদের সারি বাধা পেয়ে পর্যুদস্ত হয় আর সে দাম্ভিক উল্লাসে মত্ত হতে পারে। কিন্তু যখন দেখল, তারা আবার একইভাবে ঢুকে পড়ছে তখন তার রাগের সীমা - পরিসীমা থাকল না। পুনরায় সে ঝটপট সেখানে গেল আর পুনরায় দেখল, বোর্ডটা জায়গামতো নেই। লোকে বলে, যে ছুতোর মিস্ত্রি এই সারানোর কাজটা করেছিল তাকে মালিক দুবার চরম বেত্রাঘাত করে : একবার, ঠিকভাবে না করার জন্য আর একবার, সেই কাজ ঠিকভাবে করতে বাধ্য করার জন্য। এ ছাড়া, সে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে কাজ পর্যবেক্ষণ করল যাতে করে তার মনের মতো কাজটি হয়। অথচ চরম বিচলিত হয়ে সে পরের সপ্তাহেও দেখল, বোর্ডটা আবার সরিয়ে ফেলা হয়েছে। রাগে তার মুখচোখ লাল হয়ে গেল আর মাথায় রক্ত চড়ে গেল। এবারে সে হুকুম দিল, দুটো বড় বাবলা গাছ কেটে টুকরো টুকরো করে ওই ফাঁকা জায়গায় সেঁটে দিতে।
সপ্তাহখানেক যেতে না যেতেই দেখা গেল, সেই বাবলাগাছের কাটা টুকরোগুলো সব ছুঁড়ে ফেলে চাষিদের দল ঠিক ঢুকে যাচ্ছে। জমি- মালিকের মনে হল, যদি তার গালে রক্ত চুষে নেওয়ার জন্য একটা জোঁক না লাগিয়ে দেয় তবে তার রক্তের শিরা ফেটে যাবে। আর যখন তার নায়েব পরামর্শ দিল যে অযথা এইসব শ্রম আর বিরক্তি ঝেড়ে ফেলে ওই ফাঁকা জায়গায় একটা জবরদস্ত দরজা বসিয়ে দেওয়া হোক, সে যেন তাকে ছিঁড়েখুঁড়ে খায় আর কি। এটা নেহাতই একটা দরজা সেঁটে দেওয়ার ব্যাপার নয়, এ হল ক্ষমতার প্রতিযোগিতা। খালি -পা চাষাভুষোর দল তাকে আঙুল হেলিয়ে চালাবে তা সে কখনোই বরদাস্ত করবে না। এতদিন যা সে করেছে তা রাগের বশে, আর এবার যা করতে যাচ্ছে তা যুক্তি-বুদ্ধি খাটিয়ে। রাতভর সে এই নিয়ে ভাবল। সকালে সে ঠিক করল, দক্ষিণ মিশর অর্থাৎ যাকে এক সময় নলখাগড়ার অঞ্চল বলা হত, সেখান থেকে একদল শ্রমিক নিয়ে আসবে যাদের সঙ্গে থাকবে গাঁইতি আর কুড়ুল এবং তারা বাজারের চারদিকে গভীর পরিখা খুঁড়বে যা জল ঢেলে ভর্তি করা হবে। এক সপ্তাহের মধ্যে এই কাজ শেষ হল। শেষ অবধি তার সমস্যার আমূল সমাধান করতে পেরেছে ভেবে বাজার - মালিক সেই সপ্তাহে বা পরবর্তী সপ্তাহগুলিতেও বারান্দায় দাঁড়িয়ে ফলাফল দেখার তোয়াক্কা করল না।
ইতোমধ্যে কেটে ফেলা বাবলা গাছের টুকরোগুলো গায়ের জোরে টেনে এনে খোঁড়া পরিখার মধ্যে ফেলে দিয়েছে সব এবং এভাবে তার ওপর মাটির ঢেলা ফেলে মাটি সমান করে ফেলেছে। পরিখা খুঁড়ে যে মাটি বেরিয়েছিল সেগুলো দিয়েই আবার গর্ত ভরে ফেলা হয়েছে। এভাবে পরিখার খানিকটা অংশ ভরে গেলে তা পুরনো প্রবেশপথ আর বাজারের রাস্তার মাঝে সেতুর কাজ করল। এভাবেই একদিন মালিক তার ইতস্তত চলাফেরার সময় এই দৃশ্য দেখল। না- কামের চাষাভুষোর দল তাকে খোলাখুলি উপেক্ষা করেছে দেখে রাগে সে আর নিজেকে সামলাতে পারল না। সে তার তিনজন সবচেয়ে লম্বা আর গাট্টাগোট্টা পাহারাদারকে ডেকে হুঙ্কার ছেড়ে বলল যে সে যদি জানতে পারে, একজনও এই ফাঁক গলে বাজারের ভিতর ঢুকেছে তাহলে তাদের গর্দান যাবে।
সেই সপ্তাহের হাটবারে প্রথম জনতার সারি জোর করে ভেঙে দেওয়া হল। মালিকের বাড়ির ঢোকার মুখে যখন সেই লম্বা আর শক্তপোক্ত পাহারাদারদের মেরে রক্তারক্তি করে এনে ফেলা হল তখন জোর হাঙ্গামা শুরু হল। এরপর দিনের শেষে চাষাভুষোরা আবার তাদের নিয়মিত পথে লাইন লাগিয়ে দিল।
পাহারাদাররা সেরে উঠলে তাদের আবার বেড়া - পাহারার কাজে মোতায়েন করা হল। নতুন করে আবার হাঙ্গামা দেখা দিল যদিও তা আগের মতো মারমুখী নয়। মধ্যেমাঝে লোকেদের সারি কমে আসলেও পাহারাদাররা একটু অসতর্ক হলেই তা আবার লম্বা হয়ে যাচ্ছে।
একদিন যখন তার লোকজন মেপল গাছের ছায়ায় বসেছিল তখন জমির মালিক সেখানে এল এবং দেখল তার লোকেদের কোঁচড় ভরা নানান উৎকোচ সামগ্রী। তৎক্ষণাৎ তাদের কাজ থেকে বরখাস্ত করে সে জনাকয়েক রাজমিস্ত্রি আর প্রচুর ইট আনাল ; হুকুম দিল, ওই ফাঁকা জায়গাটায় দেওয়াল তুলে দিতে। একই সময়ে সে আশা করেছিল, তার সাফল্যে সন্দেহ উদ্রেককারী ছিদ্রগুলোও বন্ধ হয়ে যাবে।
কোনওমতে এক হাটবার পার হয়েছে যখন মালিক দেখে ক্ষেপে গেল যে সেই দেওয়ালের পাশের একটি বোর্ড উপড়ে ফেলে সেখানে ঢোকার একটি নতুন রাস্তা বানানো হয়েছে।
ওইদিন সে জায়গাটা বেচে দেওয়ার শপথ নিল। কিন্তু তা রূপায়িত করার কোনও সময় পেল না কেননা মার্কেটস কোম্পানি ডিক্রি জারি করে দীর্ঘকালীন কিস্তিতে সেই জায়গা দখল করল। পুরনো কাঠের বেড়ার জায়গায় নতুন কাঁটাতারের বেড়া লাগিয়ে দিল আর যখনই তা মরচে ধরে ব্যবহারের অযোগ্য হয় তখনই তা পালটে দিতে লাগল। আগের মালিকের মতো গুন্ডা না লাগিয়ে বা বিকট দেওয়াল না তুলে বর্তমান কোম্পানি স্থানীয় মাতব্বরদের সহযোগিতায় অশ্বারোহী বাহিনী নিযুক্ত করল, প্রতি হাটবারে মাঠে টহলদারির কাজে।
আর তবুও, যে কেউ শনিবারের ভোরে গেলে দেখতে পাবে, সেই একই দীর্ঘ সারি বেড়ার ফাঁক গলে হামাগুড়ি দিয়ে বাজার চত্বরে ঢুকে কাজ সারছে। আর তাই, সেখানে সব সময় ভাঙা কাঁটাতার ছড়িয়ে - ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়।
------------------
মূলগল্প: Queue
বিপ্লব বিশ্বাস
গল্পকার। অনুবাদক।প্রাবন্ধিক।
কলকাতায় থাকেন



0 মন্তব্যসমূহ