বৃহস্পতিবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৬

কথাসাহিত্যিক অমর মিত্রের সঙ্গে আলাপ : পুনরুত্থান উপন্যাস কিভাবে লেখা হয়েছে

গল্পপাঠ : 
পুনরুত্থান উপন্যাসটির বীজ কোথা থেকে পেয়েছেন? 

অমর মিত্র : 
পুনরুত্থানের বীজ বছর কুড়ি আগে পাওয়া। এই ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট আমার কলিগ ছিলেন। ঘটনাটি নাড়া দিয়েছিল সমাজে অনেক পরে। হত্যাকান্ড চাপা দেওয়া হয়েছিল নিপুণ ভাবে। ডিএসপি বদলি হয়ে গিয়েছিলেন। তখন আমি জানতাম না কিছুই। কিছু কানাঘুষো
শুনেছিলাম। কয়েক বছর পরে সুপ্রিম কোরটের এক অর্ডারে কেসের পুনর্জীবন হয়। হত যুবকের বাবা একটি পোস্ট কার্ড লিখেছিলেন বিচার চেয়ে। আমি শুনেছিলাম। তখন নানা কথা উঠে আসে। এই ঘটনা কলকাতার উপকন্ঠে ঘটেছিল। আমি পটভূমি বদল করেছি উপন্যাসের প্রয়োজনে। বহুদিন সরকারী চাকরি করে আমলা এবং পুলিশ, বিশেষত আমলাতন্ত্রের গোপন নিষ্ঠুরতা আমি অনুভব করেছি। ভারতীয় সিভিল সার্ভিসের গুণী অফিসার আমার বন্ধু আছেন, আবার খারাপ, অহমিকা সর্বস্ব আমলাকে কম দেখিনি। সমস্ত দেখার নিযার্স এই উপন্যাস।


গল্পপাঠ : 
এই আখ্যানটি নিয়ে লেখার ইচ্ছে কখন জেগেছিল আপনার মনে? 

অমর মিত্র : 
আমি একটি গল্প লিখেছিলাম বছর কুড়ি আগে। আর একটি ‘অস্বাভাবিক মৃত্যু’। আসলে তা ছিল ওসি আর ডেপুটির ভয়ের গল্প। অতৃপ্তি ছিল সেই লেখায়। হত যুবকের গল্প ছিল না তা। মনে হয়েছিল কিছুই লেখা হয়নি। গল্পে ওসি আত্মহত্যা করেছিল, বাস্তবেও তাই। আমি অশ্বচরিত উপন্যাসের প্রথম বয়ান লিখেছিলাম ১৯৮১-তে। মূল উপন্যাস লেখা হয় ১৯৯৮-এ। এই লেখাও তাই হলো। ১৯৯৬-৯৭ এর সেই লেখাই ছিল বীজ। কিন্তু তার কিছুই নেই এই উপন্যাসে। অশ্বচরিত উপন্যাসেও তাই ঘটেছিল।



গল্পপাঠ :
লিখতে শুরু করলেন কখন থেকে? 

অমর মিত্র : 
লিখব তা মনের ভিতরে ছিল। ফেব্রুয়ারি ২০১৬-তে আরম্ভ করে লেখা শেষ হয় মারচের শেষে। টানা লিখেছি। কিছুটা ঘোর ছিল।


গল্পপাঠ :
কতদিন সময় নিলেন লিখতে?

অমর মিত্র : 
দেড়মাসও লাগেনি লিখতে। এতদিনে আঙ্গিকটা খুঁজে পেলাম, মানে ২০ বছর বাদে। কীভাবে লিখব তা জানতে না পারলে লেখা হয়ে ওঠে না।


গল্পপাঠ :
উপন্যাসে ডিসির একটি চরিত্র আছে। সেখানে নিয়েছেন প্রমোটি ডিসিকে। তিনি সিভিল সার্ভিস পাশ করে আসেননি। হয়তো কেরানী থেকে এসেছেন। এখানে প্রমোটি ডিসিকে কেনো নিলেন? সিভিল সার্ভিস করা কোনো ডিসিকে নিলে কি আমলাতন্ত্রের এই নিপীড়ণ জাল তুলে ধরতে সমস্যা হতো? 

অমর মিত্র : 
এই উপন্যাসের জেলা শাসক, রাজ্য সিভিল সার্ভিসের অফিসার। এদেশে রাজ্য সিভিল সার্ভিস এবং ভারতীয় সিভিল সার্ভিস, দু রকম সার্ভিস আছে। ভারতীয় সিভিল সার্ভিস রাজ্য সার্ভিসের তুলনায় কুলীন। তাঁরা যদি বছর ৩২ এ জেলা শাসক হন, রাজ্য সিভিল সার্ভিসের অফিসার ৫০-৫২ য়। আর রাজ্য সিভিল সার্ভিসের জন্য জেলা শাসকের পদ আঠের-কুড়িটি জেলার ভিতরে দুটি মাত্র। এতেই ধরা যায় নীল রক্তের কৌলীন্যের ছটা কোথায় বেশি। প্রমোটি জেলা শাসককে নিয়েছি দুই সার্ভিসের সম্পর্ক উন্মোচনে। নীল রক্তের চাপ বোঝাতে। আমলাতন্ত্রকে ধরতে তা প্রয়োজন মনে হয়েছিল আমার। 


গল্পপাঠ :
এ আখ্যানটি ন পাগাড়ি এলাকায় সংগঠিত থেকেছে। কোলকাতা বা নগর থাকলেও খুবই কম। কাহিনীটি পড়লে বোঝা যায় এই এলাকাগুলো, চরিত্রগুলো, ঘটনাজাল আপনার অভিজ্ঞতার অংশ। আপনি কি ব্যক্তিগতভাবে এদেরকে কাছ থেকে দেখেছেন?

অমর মিত্র : 
 ন’পাহাড়ি আমার সৃষ্ট এক জনপদ। অনেক গল্প , কয়েকটি উপন্যাস ন’পাহাড়ির পটভূমিতে লিখেছি। বাঁকুড়া জেলার শালতোড়া ব্লকে আমি ছিলাম দু বছর। শালতোড়াই আমার ন’পাহাড়ি। এখানে কুয়ো খুড়তে গেলে পনের ফুট নিচে কয়লা। সমস্ত রাত ধরে কয়লা পাচার হতো। ১৯৮৬-৮৭ র কথা। ৩০ বছর হয়ে গেল। তখন অমন মৃত্যুর কথা শুনেছি কয়েকবার। কিন্তু কিছুই হয়নি। রাজনৈতিক দলের প্রবল প্রতাপে সব চাপা পড়ে যেত। হ্যাঁ, আমি তো দেখেছি এসব। টানা সতের বছর মফস্বল বাংলায় কাটিয়েছি। খুব চাপে থাকতে হতো। উপন্যাস লিখতে বসলে সকলকে নিয়ে বসতেই হয়। কে আসেন, কে আসেন না আমি জানি না। লেখা হয়ে গেলে ধরা যায়। অভিজ্ঞতায় আছে কত মানুষের মুখ। তাঁরাই আসেন।

গল্পপাঠ : 
খাদান এলাকা থেকে ভরতকে ধরে আনা হলো কাহিনীর শুরুতে। থানার সামনে তার এলাকার কিছু লোকজনও ছিল বসে। তাকে মেরে ফেলা হলো। এই হত্যাকাণ্ডকে ভর করেই পুরো উপন্যাসের আখ্যানটি চলেছে। কিন্তু ভরত কৈলার হত্যাকাণ্ড পরবর্তী সংগঠিত প্রতিবাদ প্রতিরোধ কোনো আন্দোলন সংগ্রামের ঘটনা আখ্যানের অংশ হয়নি। বা আপনি সচেতনভাবেই এওড়িয়ে গেছেন। অথচ বাংলা সাহিত্যের অধিকাংশ জনপ্রিয় উপন্যাসেই নিপীড়িত মানুষের প্রতিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলন সংগ্রাম মূখ্য হয়ে আছে বা হয়ে ওঠে।
আপনি সেপথে না গিয়ে উপন্যাসের আখ্যানটিকে চালান করব দিলেন আমলাতন্ত্রের ষড়জালের দিকে। কেনো এ ধারায় আখ্যানটিকে নিয়ে গেলেন? 
     
অমর মিত্র :  
যা প্রতিবাদ হয় শহরাঞ্চলে। কলকাতা থেকে দূরে আসলে কিছুই হয় না। বহুদিন ধরে গ্রামের মান্নুষ রাজনৈতিক দলের অধীন। তাই গ্রামেই রাজনৈতিক খুনোখুনি হয় বেশি। এখন মিডিয়া শক্তিশালী, তাই অনেক ঘটনা জানা যায়। সাধারণ মানুষকে কিছু করতে হয় না এখন, সবই রাজনৈতিক দল করে। এই অবস্থা গত তিরিশ-পঁয়ত্রিশ বছরের। এখন বন্যাত্রাণের জন্যও দান সংগ্রহ করতে হলে ক্ষমতার অনুমোদন চাই। তবে হয় না যে তাও নয়। নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর হয়েছিল। তারপর তা রাজনীতির হাতে চলে যায়। আমিই ধনপতির চরের সূত্র পেয়েছিলাম অধিগ্রহণে উচ্ছেদ হওয়া এক বৃদ্ধাকে দেখে। কাঁথাকানি মাদুর বালিশ বগলে আমার সামনে এসে পড়েছিল। সেই গ্রাম তখন দখল নিচ্ছে সরকার। আমার মনে হয়েছিল কাঁথাকানি, মাদুর নয়, গ্রামটিকে নিয়ে যদি পালাতে পারত বৃদ্ধা, তবে গ্রামটি বাঁচত। ধনপতির চর উপন্যাসে চর ভাসিয়ে সমুদ্রে হারিয়ে যায় চরবাসী। চরে অধিগ্রহণের নোটিস পড়েছিল। সুতরাং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়বে কারা? এই উপন্যাসে ভরত কুইলাই তো শেষে পুনরুত্থিত হয়ে যে ভূমিকা নেয়, তা কি প্রতিবাদ নয়? আর লিখতে হলে নতুন পথ খুজতে হয় তো। ছকে বাঁধা প্রতিবাদে আমার বিশ্বাস নেই। ক্ষমতার নিষ্ঠুরতা, আমলাতন্ত্রকে ধরতে চেয়েছি এই উপন্যাসে। আলাদা উপন্যাস লিখতে চেয়েছি। এর আগে এক জুটমিল শ্রমিককে পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়ে অদৃশ্য করে দেয়। কই কিছুই তো হয় নি। খবরের কাগজে অনেক লেখালেখি হয়েছিল, কিন্তু শেষ অবধি চিহ্নিত পুলিশ অফিসারের পদোন্নতিও আটকায়নি। নীল রক্তের অফিসার তিনি। নিরুদ্দিষ্টের উপাখ্যান সেই উপন্যাসের নাম। প্রখ্যাত বামপন্থী পরিচালক, আমার অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় পরিচালক ছবি করবেন বলে আমাকে দিয়ে খসড়া চিত্রনাট্য লিখিয়ে নিয়েছিলেন। তারপর কোনো এক চাপে নাকি পিছিয়ে এসেছিলেন। আমি সামান্য লেখক। ওসব লোক দেখানো প্রতিবাদের স্বরূপ আমি চিনি। প্রতিবাদীকেও চিনি। হ্যাঁ, আমি লিখতে ভালবাসি তাই লিখেই যেটুকু “না” বলতে চাই ক্ষমতাকে। 
  
 
গল্পপাঠ :
এমন কি ঘরোয়া বা পারিবারিক কাহিনীতেও গেলেন না। নারী আছে বটে। তা না থাকলেও চলতো। আখ্যানে তারা ব্যক্তিগত হয়ে ওঠে না। আখ্যানের ভিকটিমের অসহায়ত্ব প্রকাশের জন্য এসেছেন। তারা কোনো রোল প্লে করে না। সে অর্থে সেক্স নেই। ধর্ষণ নেই। নারীর আকর্ষণ নেই। এভাবে উপন্যাসটি এক ধরনের নারী বর্জিত হয়ে উঠেছে। কিন্তু উপন্যাসটি পাঠকে ধরে রাখে সুনিপুণভাবে। থ্রিলারের গতি নিয়ে আসে। এর জন্য কি কোনো ছক করে নিয়েছিলেন?

অমর মিত্র : 
আমি তো নিজের লেখা লিখতে চাই। লিখতে চেষ্টা করি। উপন্যাসের কোনো ছক আমি শেষ অবধি রাখতে পারি না। ক্ষমতার বিচিত্র রূপ লিখতে চেয়েছি। যা এসেছে স্বাভাবিক ভাবেই এসেছে।


গল্পপাঠ : 
ধনপতির চর, ধ্রুবপুত্র, অশ্বচরিত আপনার দীর্ঘকায় উপন্যাস। কিন্তু পুনরুত্থান উপন্যাসটি মাত্র ৮০ পৃষ্ঠার। নভেলেট বলা যেতে পারে। দীর্ঘ করার নানা সূত্র ছড়িয়ে আছে ৮০ পৃষ্ঠার মধ্যে। নানা উপকাহিনী আছে। সেগুলোর বিস্তার ঘটনা সম্ভব ছিল। সেটা না করে ৮০ পৃষ্ঠার মধ্যে থাকলেন। এটা কি পূজা সংখ্যার জন্য ছোটো রাখতে হয়েছে? সেক্ষেত্রে কি আগামীতে বড়ো করার পরিকল্পনা আছে? না, এই রকম ছোটো আকারই রাখবেন?

অমর মিত্র : 
সামান্য পরিমার্জনা করেছি। এইটি এই ভাবেই এসেছে। এই ভাবেই থাকবে। একটু বেড়েছে। কিন্তু তা বলার মতো আয়তন নয়। যে লেখা যে ভাবে আসে, সেই ভাবেই থাকাই শ্রেয়।


গল্পপাঠ :
রাষ্ট্রের আইন শৃংখলার দায় প্রাপ্ত পুলিশ অফিসার নিজেই খুনের দায়ে অভিযুক্ত হয়ে পালিয়ে গেল রাষ্ট্রহীন ছিটমহলে। অর্থাৎ রাষ্ট্রের নিরাপত্তা থেকে দূরে। এইটা কেন আনলেন? 

অমর মিত্র : 
এসে গেছে। গত চার বছর ছিটমহলে যাতায়াতের অভিজ্ঞতা নিয়ে এসেছে ওই অংশ। মনে হয়েছিল রাষ্ট্রের দ্বারা তাড়িত লোকটি রাষ্ট্রহীনতায় প্রবেশ করে দেখুক কী হয়। কিন্তু সে তো ইতিহাসের পিছনে ফিরতে পারে না। কৃষিকাজ থেকে পশুপালনে ফেরা যায়? নগর সভ্যতা, ধনতন্ত্র থেকে সামন্ততন্ত্রে? সুতরাং তাকে ফিরতে হবেই। সেই কারণেই সে ছিটমহল থেকে ফিরেছে। আর রাষ্ট্রের নিরাপত্তায় তো সে ছিল না। 


গল্পপাঠ :
রাষ্ট্রের আইন শৃংখলার দায় প্রাপ্ত পুলিশ অফিসার নিজেই খুনের দায়ে অভিযুক্ত হয়ে পালিয়ে গেল রাষ্ট্রহীন ছিটমহলে। অর্থাৎ রাষ্ট্রের নিরাপত্তা থেকে দূরে। এইটা কেন আনলেন? 

অমর মিত্র : 
 উপরেই উত্তর আছে। 


গল্পপাঠ : 
এই লেখার মধ্যে আপনার পুরোনো লেখা।নিরুদ্দিষ্টের উপাখ্যানের ছোঁয়াচ পাওয়া যায়। নিরুদ্দিষ্টের উপখ্যানে আখ্যানকে বাইরে থেকে দেখিয়েছেন। ভেতর থেকে দেখানোর আগ্রহেই কি পুনরুত্থাপন লিখতে আগ্রহ বোধ করেছেন?

অমর মিত্র : 
নিরুদ্দিষ্টের উপাখ্যান আলাদা লেখা। সেখানে আমলাতন্ত্র, পুলিশের সম্পর্কের উন্মোচন কি ছিল? আসলে সাধারণ মানুষ ব্রিটিশ আমলের নিয়ম কানুনে ভরা আমলাতন্ত্রে কম বেশি লাঞ্ছিত। এই অভিজ্ঞতা আমার বহু দিনের। সেই কারণেই লেখা। নিরুদ্দিষ্টের উপাখ্যান তো তা ছিল না। তবে এক একবার মনে হয়, লেখক একটি লেখাই সমস্তজীবন ধরে লেখেন নানা ভাবে। অশ্বচরিত, ধ্রুবপুত্র, ধনপতির চর, নিরুদ্দিষ্টের উপাখ্যান থেকে এই পুনরুত্থান , সবই তো নিরুদ্দিষ্টের কাহিনি। নিরুদ্দিষ্টের কাহিনিই তো লিখে যাচ্ছি অনেক বছর ধরে। একটা কথা সত্য, কমদিনে লেখা হলেও, এই উপন্যাস লেখাই ছিল সবচেয়ে কঠিন। গোলকবিহারী পালাচ্ছে। তারপর? তাকে নিয়ে আমি যেন অন্ধকার সুড়ঙ্গে প্রবেশ করেছি, এর তো শেষ নেই কোনো। এ ছিল যেন বাঘের পিঠে সওয়ার হওয়া। শেষ অবধি হত হওয়া ভরতই ফিরে এসে আমাকে বাঁচিয়ে দিয়েছে। একটা কথা সত্য, উপন্যাস এক অশেষ লিখন। উপন্যাস থামে। কিন্তু শেষ কি করা যায়? যেখানে শেষ করেছি, সেখান থেকে অন্য এক নিরুদ্দিষ্টের কাহিনি আরম্ভ হতে পারে।

২টি মন্তব্য:

  1. খুব ইচ্ছা ছিল পটভূমি জানার । জানতে পারলাম বলে লেখককে ও গল্পপাঠকে ধন্যবাদ । ভরত কুইলারা বারে বারে পুলিশের মার খেয়ে মরে যায় । অন্যায় অত্যাচারের বিচার হয় না । এ পর্যন্ত অনেক খুন লকআপে হয়েছে । বিচার হয়নি । বিচার হয় না । শুধুমাত্র পুলিশি অন্যায় অধরা থেকে যায়, বাকি যে কেউ জেলে যায় । আমারজ্ঞান সীমায় দেখেছি ফুলবাগান ধর্ষণ মামলায় পুলিশ নীলকমল ঘোষের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছিল । আর কোনো পুলিশ সাজা পায়নি ।

    উত্তর দিনমুছুন
  2. খুব ইচ্ছা ছিল পটভূমি জানার । জানতে পারলাম বলে লেখককে ও গল্পপাঠকে ধন্যবাদ । ভরত কুইলারা বারে বারে পুলিশের মার খেয়ে মরে যায় । অন্যায় অত্যাচারের বিচার হয় না । এ পর্যন্ত অনেক খুন লকআপে হয়েছে । বিচার হয়নি । বিচার হয় না । শুধুমাত্র পুলিশি অন্যায় অধরা থেকে যায়, বাকি যে কেউ জেলে যায় । আমারজ্ঞান সীমায় দেখেছি ফুলবাগান ধর্ষণ মামলায় পুলিশ নীলকমল ঘোষের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছিল । আর কোনো পুলিশ সাজা পায়নি ।

    উত্তর দিনমুছুন