কল্পিত সাক্ষাৎকার : লিও তলস্টয়ের সঙ্গে কথোপকথন


ঊনিশ শতকের রাশিয়ায় ইন্টারভিউ বা সাক্ষাৎকার আজকের মতো প্রতিষ্ঠিত সাহিত্য-সাংবাদিকতার ফরম্যাট ছিল না। তখন সংবাদপত্রে মতামত, চিঠি, প্রবন্ধ ইত্যাদি ছাপা হতো। লেখকের সঙ্গে বসে প্রশ্নোত্তর নেওয়ার প্রচলন তখনও গড়ে ওঠেনি। বিশ শতকের শুরুতে সাক্ষাৎকার একটি জনপ্রিয় ফরম্যাট হিসেবে পরিচিতি পায়।

লিও তলস্তয় ছিলেন অত্যন্ত আত্মসংযমী। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নীরব থাকা তাঁর পছন্দনীয় ছিল। নিজের ভাবনা তিনি মূলত চিঠি, ডায়েরি, দার্শনিক প্রবন্ধ এবং উপন্যাসের চরিত্রদের মাধ্যমে প্রকাশ করতেন। তাছাড়া জার শাসনের সেন্সরশিপ, নজরদারি, এবং রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে সেই সময় লেখকদের সঙ্গে বসে তাঁদের খোলামেলা সাক্ষাৎকার নেওয়া ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। তলস্তয় নিজেও রাষ্ট্র ও চার্চের সমালোচক ছিলেন। ফলে সেই সময় সাক্ষাৎকারের প্রচলন থাকলেও তাঁর প্রকাশ্য সাক্ষাৎকার নেওয়া সাংবাদিকদের জন্য কতটা নিরাপদ ছিল, তা প্রশ্নসাপেক্ষ। এসব মিলিয়ে লিও তলস্তয়ের কোনো সরাসরি সাক্ষাৎকার আজও পাওয়া যায়নি।

তা সত্ত্বেও বিশ্বময় ছড়িয়ে থাকা তাঁর ভক্ত ও পাঠকেরা কল্পনায় তাঁর সঙ্গে মুখোমুখি আলাপে বসতে পিছপা হননি। সেগুলো নিয়ে রচিত হয়েছে কাল্পনিক সাক্ষাৎকার, সাহিত্য আলাপ ইত্যাদি। যার মধ্যে ‘Americans in Conversation with Tolstoy (1887–1923)’, ‘Conversations with Leo Tolstoy’, Simon Parke (2010), ‘Imagined Interview with Leo Tolstoy (2026)’, Imaginary Interviews: My Visit with Leo Tolstoy Ed Newman,’ উল্লেখযোগ্য। এগুলোর সবই পুরোপুরি সাক্ষাৎকার নয়, তবে তলস্তয়ের সাহিত্য ও চিন্তার জগৎ বোঝার ক্ষেত্রে এগুলো নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। এই ধারারই একটি কাজ, ‘Imaginary Interviews: My Visit with Leo Tolstoy’, যার রচয়িতা আমেরিকান লেখক ইডি নিউম্যান। তাঁর অনুমতি নিয়ে গল্পপাঠের পাঠকদের জন্য ইংরেজি সাক্ষাৎকারটির বাংলা অনুবাদ করেছেন নাহার তৃণা

এই কল্পিত সাক্ষাৎকারে আমি বসেছিলাম লিও তলস্তয় (১৮২৮–১৯১০)-এর সঙ্গে। রুশ সাহিত্যের সেই মহীরুহ, যাঁর ‘ওয়ার অ্যান্ড পিস’, এবং ‘আনা কারিনিনা,’ উপন্যাস দুটি কথাসাহিত্যের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছে। জীবনের পরবর্তী সময়ে তাঁর দার্শনিক ও আধ্যাত্মিক লেখাগুলো তাঁর জীবনকে বদলে দেয় এবং বিশ্বচিন্তায় গভীর প্রভাব ফেলে। তলস্তয় ছিলেন এক গভীর বৈপরীত্যের মানুষ। একদিকে অভিজাত, অন্যদিকে দরিদ্রের পক্ষাবলম্বী; যোদ্ধা, পরে শান্তিবাদী; ঔপন্যাসিক, পরে শিল্পের বাইরে সত্যের সন্ধানী। এখানে আমি অনুসন্ধান করেছি তাঁর জীবনের সেই মোড়-ফেরানো মুহূর্তগুলো—যা তাঁকে মধ্যজীবনে বদলে দেয় এবং শান্তিবাদের দিকে নিয়ে যায়। যে কারণে আজও তিনি এক অনন্য চিন্তক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। তলস্তয়ের নিজের কথার মধ্য দিয়ে আমরা দেখি এক অস্থির আত্মা, এক অনমনীয় নৈতিক অনুসন্ধান, এবং এক উন্নত পৃথিবীর স্বপ্ন।


ইএন : আপনার উপন্যাস ‘ওয়ার অ্যান্ড পিস’ এবং ‘আনা কারিনিনা’ বিশ্বসাহিত্যের শ্রেষ্ঠ রচনা হিসেবে গণ্য হয়। আপনার প্রাথমিক জীবন কীভাবে এমন প্রভাবশালী লেখক হতে সাহায্য করেছিল?

লিও তলস্তয় : আমার জীবনের প্রারম্ভিক বছরগুলো ছিল বিশেষ সুযোগ-সুবিধা ও যন্ত্রণার এক জটিল জট। ১৮২৮ সালে ইয়াসনায়া পোলিয়ানার এক অভিজাত পরিবারে আমার জন্ম; কিন্তু খুব ছোটো বয়সেই অনাথ হয়ে যাই। মা মারা যান যখন আমার বয়স দুইও হয়নি, বাবা মারা যান যখন আমি নয় বছরের। সেই বিয়োগব্যথা আমার জীবনে এক গভীর শূন্যতা তৈরি করেছিল। যা আমার ভেতর সৃষ্টি করে জীবনের প্রকৃত অর্থ খুঁজে পাওয়ার এক তীব্র আকুতি। যৌবনে আমি ছিলাম বেশ উচ্ছৃঙ্খল, জুয়া ও লাম্পট্যে আসক্ত; জীবনের উদ্দেশ্য সন্ধানে আমি কেবল ভুল পথগুলোতেই ঘুরে বেড়িয়েছি। কখনো বিশ্ববিদ্যালয়ে, কখনো সেনাবাহিনীতে, আবার কখনো বা সমাজের ভোগ-বিলাসের মাঝে। কিন্তু ককেশাসে সৈনিক হিসেবে কাটানো বছরগুলো, এবং আমার বিভিন্ন ভ্রমণ আমাকে জীবনের কঠোর ও নগ্ন বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছিল। আমি প্রত্যক্ষ করেছিলাম কৃষকদের অদম্য সাহস, যুদ্ধের ভয়াবহ নিষ্ঠুরতা এবং প্রকৃতির অকৃত্রিম সারল্য—এসব আমাকে বদলে দেয়। জীবনের এই সত্যগুলোর সাথে বোঝাপড়া করার মাধ্যম হিসেবেই আমি বেছে নিয়েছিলাম লেখালিখিকে। জীবন, প্রেম ও মৃত্যু সম্পর্কে আমার মনে জেগে ওঠা যাবতীয় প্রশ্ন আমি ঢেলে দিয়েছি আমার গল্পগুলোতে; মানুষের অস্তিত্বের মাঝে লুকিয়ে থাকা বিশৃঙ্খলা ও সৌন্দর্য–উভয়কেই লেখনীর মাধ্যমে ধারণ করার নিরন্তর প্রয়াস চালিয়েছি। যে জগতটি একইসাথে মহিমান্বিত ও ত্রুটিপূর্ণ, তাকে বোঝার এবং তার প্রকৃত অর্থ অনুধাবনের সেই সংগ্রামের গর্ভ থেকেই আমার উপন্যাসগুলোর জন্ম হয়েছে।

ইএন : পঞ্চাশের কোঠায় পৌঁছে আপনি আপনার ভূমিদাসদের(serfs) মুক্তি দিলেন এবং নিজের এস্টেট ত্যাগ করতে চাইলেন। জীবনের এই নাটকীয় পরিবর্তনের পেছনে কী কারণ ছিল?

লিও তলস্তয় : পঞ্চাশে পৌঁছে আমি সম্পদ আর খ্যাতির মাঝে মগ্ন থেকেও নিদারুণ হতাশায় ডুবে যাচ্ছিলাম। ‘আনা কারিনিনা তখন অতীত, তখন নিরন্তরই এক ধরনের শূন্যতা আমাকে গ্রাস করেছিল। একটাই প্রশ্ন আমাকে তাড়া করে বেড়াতো: “জীবনের মানে কী?” আমি বুঝতে পারলাম, আমার অভিজাত জীবনের আরাম অন্যের পরিশ্রমের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। মানুষ হিসেবে যারা আমার চেয়ে কোনো অংশে কম নন। আমার খ্রিস্টীয় জাগরণ, গির্জার মতবাদ নয় বরং খ্রিস্টের শিক্ষা, আমাকে বিদ্ধ করলো। সুসমাচারে সবাইকে সমানভাবে ভালোবাসার এক সরল জীবনযাপনের আহ্বান পেলাম। ভূমিদাস রাখা, অন্যরা যখন অনাহারে থাকতো তখন বিশাল জমির মালিক হওয়া—এগুলো ছিল রীতিমত পাপ, সোজাসাপ্টা হিসাব। ১৮৬১ সালে, আমি রাশিয়ায় ভূমিদাসদের মুক্তির বিষয়টি সমর্থন করেছিলাম, কিন্তু তা যথেষ্ট ছিল না। আমি আমার এস্টেটের মানুষদের মুক্ত করে দিয়েছিলাম এবং আমার জমি বিলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম, যদিও আমার পরিবার তাতে বাধা দিয়েছিল। ঈশ্বরের চোখে যা সকলের, তা কুক্ষিগত করে আমি আর মিথ্যার ওপর চেপে বসা জীবন যাপন করতে পারছিলাম না।

ইএন : আপনি ক্রিমিয়ার যুদ্ধের একজন সৈনিক ছিলেন, কিন্তু পরে কঠোর শান্তিবাদী হয়ে উঠলেন। হিংসা পরিত্যাগ করার সিদ্ধান্ত কীভাবে এলো?

লিও তলস্তয় : যুদ্ধ আত্মার ওপর গভীর ক্ষত রেখে যায়। ক্রিমিয়ায় মানুষকে নির্মমভাবে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে—সাম্রাজ্যগুলোর ক্ষমতার খেলায় তাদের জীবনপ্রদীপ নিভে যেতে দেখেছি। সেই গুরুভার আমি বয়ে বেড়িয়েছি; কিন্তু ১৮৭০-এর দশকে আমার জীবনে যে আধ্যাত্মিক সংকট উপস্থিত হয়েছিল, তা-ই আমাকে সহিংসতার বিরুদ্ধে পুরোপুরি দাঁড় করিয়ে দেয়। যিশুর বাণীগুলো: “মন্দকে হিংসা দিয়ে প্রতিরোধ কোরো না” “শত্রুকেও ভালোবাসো” আমাকে যেন ভেতর থেকে নাড়িয়ে দেয়। আমি উপলব্ধি করলাম, যুদ্ধ ও হত্যা ঈশ্বরের বিধানের প্রতি এক চরম অবমাননা। সহিংসতা কেবল সহিংসতারই জন্ম দেয়, এবং মানবজাতিকে দুঃখ-কষ্টের শৃঙ্খলে বেঁধে ফেলে। ‘The Kingdom of God Is Within You’, বইতে আমি এই সত্যটিকেই তুলে ধরেছি: সত্যিকারের শক্তি ভালোবাসায়, অহিংসায়— অন্য কাউকে, এমনকী নিজের শত্রুকেও আঘাত করা থেকে বিরত থাকার মধ্যেই। আমি সরকার ও সেনাবাহিনীকে দেখেছি নিপীড়নের হাতিয়ার হিসেবে, প্রগতির মাধ্যম হিসেবে নয়। আমার দৃষ্টিতে শান্তিবাদ কোনো দুর্বলতা নয়, বরং তা এক অসীম শক্তি। এটি মানবজাতির শুভবুদ্ধির ওপর এক আমূল ও গভীর আস্থা, যা আমাদের অন্তরে প্রজ্জ্বলিত ঐশ্বরিক স্ফুলিঙ্গের মাধ্যমে পরিচালিত।

ইএন : গান্ধী থেকে শুরু করে আধুনিক লেখক, আপনার রচনাগুলো বিশ্বজুড়ে অসংখ্য মানুষকে প্রভাবিত করেছে। আপনি কীভাবে এমন গভীর প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছেন বলে মনে করেন?

লিও তলস্তয় : প্রভাব বিস্তার কখনো আমার লক্ষ্য ছিল না। আমার লক্ষ্য ছিল সত্য। আমি লিখেছি নিজের প্রশ্নের সঙ্গে লড়াই করতে। মানবাত্মার আয়না দেখাতে। ‘ওয়ার অ্যান্ড পিস’, ‘আনা কারিনিনা’ ইতিহাস, ভালোবাসা আর নৈতিকতাকে এমন সব গল্পে বুনেছিল যা জীবন্ত মনে হতো, কারণ সেগুলো আমার নিজের সংগ্রামের ফসল। আমি অকপটে মানুষের ভুলত্রুটি, তাদের স্ববিরোধিতা, তাদের অর্থ খোঁজার চেষ্টা দেখাতে দ্বিধা করিনি। পাঠক যেন নিজেদেরই দেখতে পেয়েছেন আমার চরিত্রদের ভেতর। পরে আমার প্রবন্ধ ও নীতিকথার লেখাগুলো— ‘আ কনফেশন’, ‘হোয়াট আই বিলিভ’ ইত্যাদি, মানুষের সর্বজনীন আকাঙ্ক্ষার কথা সপাটেই বলেছে: উদ্দেশ্য, ন্যায়বিচার, শান্তি। আমি কৃষকের জন্য যেমন লিখেছি, তেমনি পণ্ডিতের জন্যও লিখেছি। এবং সেই লেখা ছিল সরল, সৎ ভাষায়। যদি আমি কাউকে প্রভাবিত করে থাকি, তবে তার কারণ হলো আমি কঠিন প্রশ্ন করার এবং সেই উত্তরগুলো মেনে চলার সাহস করেছিলাম, যদিও তা হয়তো সর্বতোভাবে নিখুঁত ছিল না।

ইএন : আপনার জীবনযাত্রার পরিবর্তন নিয়ে পরিবারসহ অনেকেই সমালোচনা করেছিলেন। আদর্শ আর বাস্তবতার সংঘাত আপনি কীভাবে সামলাতেন?

লিও তলস্তয় : সমন্বয় সাধনের যুদ্ধটা ছিল প্রতিদিনের। আমার স্ত্রী সোনিয়াকে আমার সিদ্ধান্তের ভার বইতে হতো। সে আমাদের সম্পত্তির দেখভাল করতো, আর আমি সরল জীবনযাপনের কথা বলে বেড়াতাম, যা ছিল এক ধরনের ভণ্ডামি—সেটা আমাকে কষ্ট দিতো। আমি সবকিছু বিলিয়ে দিতে চেয়েছি, কিন্তু পরিবার আমাকে টেনে রেখেছিল। সমালোচকরা বলেছেন, আমি স্বপ্নবাজ এবং বোকা। কিন্তু আমি সত্যকে অস্বীকার করতে পারিনি: সম্পদ ও ক্ষমতা মানুষকে কলুষিত করে। আমি সাদাসিধে জীবনযাপনের চেষ্টা করতাম, কৃষকের পোশাক পরতাম, মাঠে কাজ করতাম, কিন্তু তখনও আমি কাউন্ট ছিলাম, যে কিনা বিশেষাধিকারের জালে আবদ্ধ। এই সংগ্রাম আমাকে নম্রতা শিখিয়েছে—যতটা সম্ভব সত্যের পথে চলতে, এটা জেনে যে পূর্ণতা কেবল ঈশ্বরেরই। আমি অন্যদেরও একই কাজ করতে উৎসাহিত করতাম; নিজের বিবেক অনুযায়ী জীবনযাপন করো, হোঁচট খেলেও থেমো না।

ইএন : যদি আপনি আধুনিক পৃথিবীকে দেখতে পেতেন, কোন শিক্ষাগুলো আজ সবচেয়ে প্রয়োজন বলে মনে হতো?

লিও তলস্তয় : তোমাদের পৃথিবী লোভ, বিভাজন, আর অন্তহীন যুদ্ধে দমবন্ধ হয়ে আছে। আমার শিক্ষা—সরলতা, ভালোবাসা, অহিংসা, এগুলোই আজ সবচেয়ে প্রয়োজন। সরলভাবে বাঁচো, সম্পদের দাস হয়ে নয়। প্রত্যেক মানুষকে সমান চোখে দেখো, রাজা হোক বা ভিখারি। আর সবচেয়ে বড় কথা, সহিংসতা বর্জন করো। তোমাদের অস্ত্রগুলো দিন দিন ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে, কিন্তু প্রকৃত অগ্রগতির একমাত্র পথ এখনও শান্তি। ক্ষমতা বা সম্পদে নয়, নিজের গহীনেই পাবে ঈশ্বরের আশ্রয়। কোলাহলে হারিয়ে যাওয়া পৃথিবীকে উদ্ধার করতে পারে অন্তরের সেই সত্য।

ইএন : কথোপকথনের শেষে আমাদের পাঠকদের জন্য আপনার কোনো বার্তা আছে?

লিও তলস্তয় : জীবন চমৎকার এক উপহার, তবে সেটা তখনই—যদি তুমি তার মানে খুঁজতে চাও। সবকিছুকে প্রশ্ন করো। তোমার পেয়ে যাওয়া স্বাচ্ছন্দ্য, তোমার সমাজ, তোমার হৃদয়। ভালোবাসায় বাঁচো, জোর-জরদস্তিতে নয়। সত্যকে ধারণ করো, মিথ্যাকে নয়। ঐশ্বরিক সত্তা তোমার ভেতরেই; সে তোমাকে অর্থবহ এক জীবনের দিকে নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। সাহস করে সেই পথ অনুসরণ করো, মূল্য যাই হোক না কেন। তাহলেই পাবে কাঙ্ক্ষিত শান্তি—যা পৃথিবীর কোনো বিত্তবৈভব দিয়েই কেনা সম্ভব নয়।

ইএন : একসঙ্গে কিছু সময় কাটানো এবং এই পৃথিবীকে আরও সুন্দর করে তোলার লক্ষ্যে আপনার কাজের জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

মুল সাক্ষাৎকার: Imaginary Interviews: My Visit with Leo Tolstoy, by ED Newman


পরিচিতি :
এড নিউম্যান একজন লেখক, গল্পকার ও ব্লগার। তিনি বিজ্ঞাপনী জগতে ত্রিশ বছরেরও বেশি সময়ের কর্মজীবন শেষে এখন অবসরপ্রাপ্ত। বর্তমানে তিনি মিনেসোটার ডুলুথে বসবাস করছেন এবং গত দশ বছর ধরে সক্রিয়ভাবে ‘ডুলুথ ডিলান ফেস্ট’-এর প্রচার ও আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত আছেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ