শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০১৪

সোমেন চন্দের ইঁদুর গল্প প্রসঙ্গে : নীহারুল ইসলাম--আগামী আরও ৫০ কি ১০০ বছর লাগবে সেটিকে ঠিকঠিক অনুধাবন করতে।

গল্পপাঠ:  সোমেন চন্দের ‘ইঁদুর’ গল্পটি পড়েছেন?

নীহারুল ইসলাম:  হ্যাঁ, পড়েছি।

গল্পপাঠ:  পড়লে কখন পড়েছেন?

নীহারুল ইসলাম:  প্রথম পড়ি নব্বইয়ের দশকের প্রথম দিকে।


গল্পপাঠ: কার মাধ্যমে বা কিভাবে গল্পটি পেয়েছিলেন?

নীহারুল ইসলাম:  বন্ধু আমিনুল হক গল্পটি আমাকে পড়িয়েছিল। ‘সংকেত ও অন্যান্য গল্প’ সংকলন থেকে।

গল্পপাঠ:  গল্পটি পড়ার পরে আপনার পাঠ প্রতিক্রিয়া কি ছিল?

নীহারুল ইসলাম:  সত্যি বলতে তখন গল্পটির মাথামুন্ডু কিছুই বুঝতে পারিনি। ছেঁড়া ছেঁড়া কিছু দৃশ্য কল্প ভেসে উঠেছিল এই মাত্র।

গল্পপাঠ:  এই সময়ে গল্পটি বিষয়ে আপনার মূল্যায়ন কি।

নীহারুল ইসলাম: আপনার বলার পর গল্পটি আবার পড়লাম। গল্পটি যতবার পড়েছি ততবার একটি কথা মনে হয়েছে, যেমন এবারও হল, গল্প বলতে আমরা যেমন বুঝি এটি তেমনটা নয়। এর বিস্তার - এর আবেদন এতই সুদূর প্রসারী যে আগামী আরও ৫০ কি ১০০ বছর লাগবে সেটিকে ঠিকঠিক অনুধাবন করতে। ইঁদূরের কান্ডকারখানাকে প্রতীক করে আমাদের মধ্যবিত্ত সংসারের একেবারে খুঁটিনাটি, সেই সঙ্গে সমাজ-রাষ্ট্রের যে চিত্র এই গল্পে উঠে এসেছে তা আমার পড়া আর কোনও বাংলা গল্পে আমি এভাবে পাইনি। এর বহু বর্ণচ্ছটা ঠিক যেন রামধনু! আমি ঠিক জানি না ক’জন পাঠক এই গল্পের ঠিক ঠিক মর্ম উদ্ধার করতে পেরেছেন? তবে আমি পারিনি। আর পারিনি বলেই গল্পটি আমাকে বারবার পড়তে হবে।




লেখক পরিচিতি
নীহারুল ইসলাম

লালগোলা, মুর্শিদাবাদ।
গল্পকার। ঔপন্যাসিক।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন