বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৫

মেহেদী উল্লাহ এর গল্প- দুর্দান্ত নীল মত্ততা



অনেক অনেক দিন আগে শৈশবে শেষ আপনি খালি পায়ে মাটিতে হেঁটেছেন। অথবা আপনি আজও হাঁটেননি। মুরগি, হাঁস, সাপ, বেজি এ জাতীয়দের তাড়ানোর ছলে কোনো দিন ঠোঁটে-জিহ্বায় হুস হুস আওয়াজ তোলেননি। মগডালের কালো কাকটা আপনার কোনো ক্ষতি করবে না জেনেও আপনি অনর্থক তাকে ঢিল ছুড়তেন, অথচ আজ হাত নিশপিশ করে তাকে ঢিল ছোড়ার জন্য, অথচ তন্ন তন্ন করে আপনি তেমন একটা নিরালা কাক খোঁজেন, দেখা পান না।
শেষ কবে সূর্য দেখেছেন মনে নেই, আকাশের দিকে তাকানোর সুযোগই পান না। তাকালেও বিলবোর্ড, উঁচু দালান, বাস আর প্রাইভেটকারের ছাদের জন্য দেখতে পান না। আর ঘরে তেমন কোনো জানালাও নেই, আছে জানা থাকলেও পাশের বাড়িটা জানালার ইঞ্চি দূরত্বে থেকে পিঠ দেখায়। কোনো নিকটাত্দীয় মারা গেলে আপনি গ্রামের বাড়িতে যাওয়া দূরে থাক শোকে কাতর হওয়ার জন্যও সময় পান না। উল্টো নিজের জীবিত জীবনটাকেই আপনি ব্যস্ততার শাক দিয়ে ঢেকে রাখেন একটা ফুটো থালায় তুলে। অফিস অফিস করতে করতে বউটাকে কোনো ফি ছাড়াই আপনি তুলে দিলেন অন্যের হাতে, অথচ আপনি ভাবেন, কত্তবড় স্বার্থপর! পারলো সে, ঘরে দুটা বাচ্চা রেখে...! নিজেকে দোষ না দিয়ে তাকেই দায়ী করছেন। আপনি প্রায়ই একটা পার্ক খোঁজেন, বিকেলে কিংবা সকালে ওখানের সবচেয়ে নির্জন বেঞ্চটা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দখল করে আপনি ক্লে ইমেজের মগে কফি খাবেন। তা তো হয় না, বদলে রাতে স্বপ্নে দেখেন, কে যেন টিটকারি করে কাঁটাবনের ভেতর আপনার জন্য একটা ফাটা চেয়ার রেখে দিয়ে বলছে, 'যা ব'গা', চক্ষুমুদে আরাম কর'। মাঝেমধ্যে ছুটির দিনে গা থেকে সমস্ত কাপড় খুলে পুকুরে ঝাঁপাতে ইচ্ছে করে আপনার, কিন্তু দুধের সাধ ঘোলে মেটান বাথট্যাবে নাক ডুবিয়ে। এন্তার ঘটনাপ্রবাহের মধ্যে থেকে আপনি রোজ রাতে দেখেন, আপনার বাসভবনটা কয়েক ইঞ্চি হেলে পড়েছে, অথচ সকালে খবর পেলেন ভবন ঠিকই আছে, আর রাতে কোনো ভূকম্পনও হয়নি। এ জাতীয় গুণাবলী যদি আপনার থেকে থাকে, তবে আপনি মন্টু ডোম হওয়ার জন্য একেবারে পারফেক্ট।


এক বিকেলে অফিস থেকে ফেরার পথে নিরিবিলি জায়গা দেখে সেল ফোনটাকে সাড়ে তিন হাত মাটির নিচে পুঁতে রেখে আপনি উধাও হবেন। যাবেন কমলাপুর রেলস্টেশনে। নিজেকে পরিচয় করিয়ে দেবেন মন্টু ডোম নামে। ডোমের খাতায় স্বাক্ষর তো করা লাগবে! সে জন্য ভাববেন না। স্টেশনের পশ্চিমপাশে দেখবেন একটা পাবলিক টয়লেট। তার দেয়ালে ইটের কনা দিয়ে আপনি স্বাক্ষরের বদলে একটা রেললাইন এঁকে নিন। শুধু কিছু দাগ টানবেন, লম্বায় সমান্তরালে দুটি আর তার ওপর ইচ্ছেমতো দাগ-সংযোগ। এবার পাবলিক টয়লেটের ছাদে গিয়ে উঠবেন। ওটাই আপনার থাকবার কিংবা ঘুমাবার জায়গা। একটু পর হয়তো কর্তৃপক্ষ এসে ঘাড় ধরে নামিয়ে দিতে চাইবে। আপনি নামবেন ঠিকই, কিন্তু কোথাও যাবেন না। বুঝিয়ে বলবেন যে, আপনি হলেন গিয়ে ডোম। রেললাইনে মাঝেমধ্যেই লাশ পাওয়া যায়। খণ্ডিত, মাথা নাই, হাত নাই, হাঁটুর নিচ থেকে নাই; কিংবা পা নাই এ জাতীয় মৃতদেহগুলো নির্ভয়ে বয়ে এনে পেঁৗছে দেবেন স্টেশন পর্যন্ত, দরকার পড়লে ঢাকা মেডিকেলের মর্গেও। এ কথা বলার দরকার নেই, আপনি ডোমের 'ড'ও জানেন না। জানেন তো, গ্রামে মোক্তারকেই সবাই উকিল ডাকে, কম্পাউডারকে ডাক্তার, এ রকম আরও আছে। তাই আপনি লাশের কাটাছেঁড়া করবেন এমন যোগ্যতা থাকার দরকার নেই, এ কাজটার শুরুর কাঠামোতে থাকলেই আপনাকে সবাই ডোমই জানবে। আপনার মাইনে হবে লাশ প্রতি ২০-৩০ টাকা। আজকাল রেললাইনে এত লাশ পড়ে যে, খেয়ে-পরে ভালোই চলে যাবে আপনার। তবে ভালোর চিন্তা করবেন কেন আপনি? ভালো থাকতে চাইলে তো আগের জীবনটাই ভালো ছিল আপনার! তবে যাই বলুন, বিকৃত লাশগুলো টানা কিন্তু চারটে খানি কথা নয়। কলিজা লাগবে আপনার। এ জন্যও ভাববেন না। শহরের সব ধোঁয়া পেটে চালান করে, মুহূর্তের মধ্যে মুখ দিয়ে আবার ছেড়ে দেবেন। ঢুকাবেন, ছাড়বেন। এভাবে অলটাইম টানার ওপর থাকবেন। তাহলেই পারবেন। আর খবরদার! অসুখ-বিসুখ হলে ভুলেও ডাক্তারের কাছে যাবেন না।

২.

এক সন্ধ্যায় দিলরুবাকে নিয়ে আপনি স্টেশন থেকে রেললাইন বরাবর যে কোনো দিকে আরও এক মাইলের মতো যাবেন। দেখবেন একটা কালভার্ট। বুনো লতায়-পাতায় ছেয়ে গেছে ওটা। আশপাশে কোথাও ল্যাম্পপোস্টের আলো নেই। আকাশে লজ্জাবতী চাঁদও নেই, যে মেঘ আসলে লজ্জা পেয়ে অন্যের দেওয়া আলোটুকুও খোয়ায়। ঘন অন্ধকার সবখানে। আপনি দিলরুবাকে নিয়ে কালভার্টের একটা সাইডে লতার আড়ালে ঢুকে পড়বেন। আপনারা তো প্রায়ই সন্ধ্যার পর এখানে আসেন, তাই আপনারও কোনো সংকোচ নেই, দিলরুবারও লজ্জা বা ভয় পাওয়ার কথা নয়। তারপর শুধু দু'জনে নিঃশ্বাস নেবেন। ইচ্ছমতো টেনে, টেনে, টে...নে...। ট্রেনের চিন্তা আপনাদের থাকবে না। আপনাদের শুধু আপনারাই দেখছেন তখন। চালক বা যাত্রী দেখবে না। অন্য কেউ তো এখানে ভয়েই আসবে না রাত্রিকালে। ওই অবস্থাতেই দিলরুবা আপনাকে জিজ্ঞেস করবে, 'আমনে আমারে ভালোবাসেন?' আপনি ঝিমুতে ঝিমুতে সঙ্গে সঙ্গে স্বরচিত আত্দবিশ্বাস নিয়ে বলবেন, 'না তো কি!' দিলরুবা অবাক হয়ে প্রশ্ন ছুড়ে দেবে, 'তাইলে বিয়া করেন না কেন্?' আপনি তাকে বোঝাবেন, স্টেশনে তার ঝাড়ুদারের চাকরিটা খাতাবদ্ধ হলেই বিয়ে করবেন। আর সে তো জানেই, স্টেশনে যারা এখন ঝাড়ুদার তারা কেউই কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বেতন পায় না, শুধু রোজ স্টেশনমাস্টারের কাছ থেকে কিছু নজরানা। আর যারা বেতনভুক্ত ঝাড়ুদার, তারা কেউই আর ঝাড়ু দেয় না, তারা স্টেশনে চা-স্টল নিয়ে বসেছে। আপনারও সে দশা, বেতনভুক্ত ডোমেরা কেউ ডোমগিরি করে না বলেই তো আপনি লাশ কুড়ানোতে সুনাম কামালেন। ট্রেনে কাটা পড়ার দেরি নেই তো আপনি ভ্যান নিয়ে এসে হাজির। মনে হয় শরীরের ছিন্ন-ভিন্ন অঙ্গ নয়, আপনি ইট তুলছেন ভ্যানে। ভালোবাসা মনে মনে আছে, দিলরুবা বিয়ের কথা পাড়লেই আপনার মনে হয় সে অযথাই প্যানপ্যান করছে কানের ধারে। তাই আপনি তার ঠোঁট দু'টোকে আপনার ঠোঁট দিয়ে এমনভাবে চেপে ধরবেন যাতে মনে হয় তালা লাগিয়ে দিলেন আর কি। দিলরুবার মুখ বন্ধ করে আপনি কাজ চালিয়ে যাবেন আর ভাববেন দিলরুবার ঠোঁটের লাল টুকটুকে লিপস্টিক, গোড়ালির অনেক উপরে উড়িয়ে তার শাড়ি পরা, খালি পা, সামনের দিকে হেলে পড়ে ঝাড়ু দেওয়ার সময় পুরনো ঢিলা ব্লাউজের ভেতর থেকে...এরকম তার যা যা আপনার চোখে ভালো লাগে সবই। আপনি পাবলিক টয়লেটের ছাদের আস্তানা থেকে লুকিয়ে লুকিয়ে দিলরুবাকে দেখেন। প্রথম প্রথম শুধু তাকিয়েই থাকতেন। ঠোঁট দিয়ে ধোঁয়া বের করতে গিয়ে আপনি এতটাই ব্যস্ত থাকতেন, ঠোঁটটা খানিক বাঁকিয়ে হাসার সময়ও পেতেন না। তবে দিলরুবা হাসত। খানিক ঝাড়ু দেওয়া থামিয়ে আপনার দিকে তাকিয়ে হাসত। ইদানীং অবশ্য কম হাসে। কি জানি হয়েছে তার। আপনি অবশ্য এখন আর আগের মতো পিরিতি নিয়ে মাথা ঘামান না। আগে নরম নরম কথা বলতেন, যাতে গলে যায় দিলরুবা। পিরিতির চেয়ে দিলরুবা অনেক বেশি দিয়েছে আপনাকে। এটা আপনারই শুধু মনে হচ্ছে। অথচ দিলরুবা ভাবে, তার দুইকালই পিরিতের। তফাৎ নাই। তবে গত ১০-১২ দিন যাবৎ একটু তফাতেই থাকতে চাইছে দিলরুবা। দিলরুবাকে আপনি সব সময় বলে রাখেন, এখানে আসার মিনিমাম দুই-তিন ঘণ্টা আগে থেকে যাতে সে পান না খায়। পানের গন্ধটা একদম আপনার সয় না। অথচ চটাং করে মুখে একটা পান ঢুকিয়ে তারপর হাঁটা দিয়েছে আপনার সঙ্গে। আপনার রাগ লাগল। কিন্তু আপনি ভাবলেন, থাক পান-ই তো খায়। তার পান খাওয়ার সঙ্গে আপনি পিরিতিকে মেলান। পান-চুন-জর্দার কোনোটাই লাল নয়, অথচ মুখে পুরে কোত্থেকে যেন একটা লাল রঙের ফিক মুখ দিয়ে ছুড়ে দেয় দিলরুবা। তেমনি, আপনি যে প্রেম দিলরুবাকে দেন তার মধ্যে কোথাও লাল নেই, অথচ দিলরুবা খাঁটি লাল রঙের পিরিতিই আপনাকে বিলায়। আপনি অবাক হন, দিলরুবার দিলটা শুকিয়ে যাচ্ছে দিন দিন। বিষয়টি আপনি ধরে ফেলেও কিছু বলছেন না। আপনাদের নিঃশ্বাস ক্রমেই বাড়ছে। এইমাত্র আরও বড় দীর্ঘ একটা নিঃশ্বাস (হুইসেল) ছেড়ে চট্টগ্রামের পথে চলে গেল তুর্ণা-নিশীথা। শ্বাসের ঘোরে আপনি চিনতেই পারলেন না আপনার বিপরীতে কোন ট্রেনটা ছেড়েছে এমন শ্বাস।

৩.

কালভার্টের ওপর দিলরুবা, আর আপনি তার ওপর। জিরিয়ে নিতে থাকবেন আপনি, দিলরুবা ও কালভার্ট। ঘন অাঁন্ধারটা আরও বাড়তে থাকবে। কোত্থেকে যেন তালশাঁস কুয়াশা এসে ক্রমেই ঘিরতে থাকবে জায়গাটাকে। হঠাৎ অাঁন্ধারের ভেতর থেকে উঠে এসে কে যেন সোজা আপনার মাথায় বসিয়ে দিল লোহার দু'এক ঘা। আপনি এক বাড়িতেই কাত। দেখতে পাবেন, দিলরুবা সরে গেছে আপনার নিচ থেকে, পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে লোকটার। সে বলবে, 'দে, হালারে, আরও কয়টা দে, মাগির পুতরে মাইরা রেলের চাক্কার তলে ফালাইয়া যামু। আইজ থেইকা তুই ডোম। ওর ছিঁড়া মাথাডা আগে ভ্যানে উঠাইয়া তুই ডোমের কামে হাত দিবি। হেরপর বোডি।'

আপনি কিছুই বুঝবার আগে কোথায় যেন চলে যেতে থাকবেন। আর বুঝতে পারবেন, কেন দিলরুবা পিরিতিতে কামাই দিচ্ছিল। আজও আপনি জোর করেই তাকে ধরে এনেছেন। আগে তো নিজে থেকেই বগলের তলে এসে ঢুকত। আপনি জানতেন না! এই লোকটার নাম নান্টু। সে আপনারই সহকারী। মনে পড়ে, গত মাসে একটা লোক এসে আপনাকে বলেছিল, ওস্তাদ কাম শিখমু। আপনি নেশার ঘোরে ঢুলতে ঢুলতে সায় দিয়ে দিলেন। নান্টুই এখন ডোম হবে। সে কাম শিখবে। আপনি মরে গেলে নান্টু ডোম আর দিলরুবা মিলে ব্যাপক হাসাহাসি করবে। নান্টু ডোমকে আপনার এককালের পেয়ারি বলতে থাকবে, 'পেলানটা ভালাই হইছে। হালা বিয়া করবি না আমারে। হষ্টিনষ্টি!' নান্টু ডোম জবাবে বলতে থাকবে, 'তুমার মাতায় এত বুদ্ধি! আমি তো ভাবিই নাই, ওরে সরাইতে পারলে, ডোমও হমু, তুমারও হমু।' দিলরুবা হঠাৎ খেপে গিয়ে বলবে, 'হইচে কুয়ারা করন লাগব না। এহন লাশটা লাইনে উডা।' তারপর দু'জনে মিলে আপনার গলাটাকে একটা লাইনের ওপরে রাখবে, যাতে পরের ট্রেনের প্রথম চাকাটাই ছিন্ন করে দিতে পারে। তারপর দু'জনে মিলে কাজী অফিসে যাবে হয়তো। দিলরুবা এবার বিয়ে না করে নান্টুকে ছাড়বে না। তার খুব বিয়ে করার শখ, ঘর বান্ধার শখ। আর আপনার ছিল শুধু পিরিতের শখ। দিলরুবার সঙ্গে এটুকুই আপনার অমিল। সে আপনাকে টানছিল আপনার পূর্ববর্তী জীবনের পথে। কিন্তু আপনি তো কম সাধে তা ছেড়ে আসেননি। তাই আপনাদের আর একসঙ্গে থাকা হলো না। আপনি জীবনে যা যা করতে চাচ্ছেন না, তাই তাই করতে চায় দিলরুবা। আর নান্টুর জীবনের নাট-বল্টু সেরকম স্ক্রুই খুঁজছে আজন্ম। স্ক্রুটা সে ঠিক পেয়ে গেছে। তার নাম দিলরুবা।

৪.

ট্রেন এসে আপনাকে বিচ্ছিন্ন করে দেবে। দেহ থেকে মাথাটা আলাদা করে দেবে। আসলে আপনি এমন জায়গাতেই চলে যাচ্ছেন যেখানে যেতে চেয়েছেন। খালি পায়ে হাঁটা, হুস হুস মুরগি তাড়ানো, কাককে ঢিল ছোড়া, সূর্য দেখা, পার্ক, মগ, কফিসহ সবই পাবেন সেখানে। এসবের জন্যই আপনি মন্টু ডোম হতে গিয়েছিলেন। মনে আছে, রেললাইন এঁকেছিলেন টয়লেটের গায়। তারপর আরও একদিন ঢুলতে ঢুলতে, ঝিমুতে ঝিমুতে লাইনের ওপর একটা রেলও এঁকেছিলেন আপনি, তা নিশ্চিত মনে নেই। আসলে, আপনি এবং মন্টু ডোম সমান্তরালে একটা রেললাইন। আপনাদের জীবনের ওপর দিয়ে দিলরুবা নামক একটা ট্রেন চলে গেছে। আর রেললাইনের ওপর দিয়ে ট্রেনের আসা-যাওয়া নতুন কিছু নয়। তা ব্রিটিশ পিরিয়ড থেকেই এখানে চলছে! তাই আপনার জীবনের দুর্দান্ত নীল মত্ততার এখানেই সমাপ্তি।

লেখক পরিচিতি
মেহেদী উল্লাহ

তরুণ গল্পকার।
‘পোস্টমাস্টার ও অন্যান্য গল্পে’র পাণ্ডুলিপির জন্যে পেয়েছেন  জেমকন তরুণ কথাসাহিত্য-২০১৩ পুরস্কার।  


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন