সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১৫

স্বপ্নবাজি, অতঃপর

জয়দীপ দে

একরাশ দ্বিধা-দ্বন্দ্ব নিয়ে ফুলে ঢাকা বাংলোটার সামনে এসে দাঁড়াই। মূল রাস্তা থেকে ডানে গিয়ে একটু টিলা বাইতে হয়। রাস্তা থেকে বোঝার উপায় নেই এখানে কোন জনবসতি আছে। চড়াই বেয়ে ভীরু ভীরু চোখে তাই তাকাই। কতবার নিচ থেকে ফিরে গেছি, অজুহাত পাইনি লেখকের মৌনতাভঙ্গের। আজ আর মৌনতার ঝুট ঝামেলা নেই। শত মাইল দূরে তিনি ঘুমিয়ে আছেন। চিরমৌনে। ডোরবেলে আঙুল রাখার আগে আরেকবার ভাবি।
কাজটা কি ঠিক হচ্ছে? আমি কোন সদ্যমৃত মানুষের বাসায় যাই না। কারণ আমার ভাষাজ্ঞান খুব নিম্নস্তরের। কোথায় কি বলতে হয় তা ঠিক করতে পারি না। হয়ত খুব শোকগ্রস্ত কাউকে দেখে সচরাচরের মতোই বলে উঠি, কেমন আছেন। ঠোঁটের কোণায় ঝুলে থাকে লৌকিকতার হাসি। কথাটা টুক করে পড়ে যাওয়ার পরেই অনুশোচনা ভর করে বসে। হায়, কি বললাম। আবার এসব পরিস্থিতিতে নীরব থাকাও দৃষ্টিকটূ।

স্মৃতির একটা দায়বোধ আছে। মাথায় এলোমেলো একগুচ্ছ ছবি নিয়ে দরজার সামনে এসে ক্লান্ত হয়ে পড়ি। ধ্বস্ত ফেরারির মতো ধরা দেই শোকে থমথমে মানুষগুলোর সামনে। মাখনের টুকরোর মতো একরত্তি খোকাটা আজ সোমত্ত জোয়ান। গাল ভর্তি দাড়ি নিয়ে খোকার মতোই তাকিয়ে থাকে ধ্রুব।

-কাকী, আপনে আমারে চিনছেন। আমি সেই শাপলু। রোগা- ঠ্যাংরা সেই ছেলেটা। দোষের মধ্যে দোষ ছিল, একটু গায়ে পড়া। বন্ধের দিন হলে কি মাথামুণ্ডুর গল্প নিয়ে হাজির হতো আপনাদের বাসায়।


২.
চোখের উপর ভেসে উঠে সেই বড়ো মুখের মানুষটা। হাসলে চোখ মুখ সব মুছে গিয়ে কেবল ঝকঝকে এক পাটি মুক্তোর দাঁত ভেসে উঠে। আজ থেকে ঠিক কুড়ি বছর আগের ঘটনা। এমনই কোন এক রোদপড়া এপ্রিলের সকাল। ভ্যাপসা গরমের মধ্যে কাঁথামুড়ি দিয়ে শুয়ে আছি। চেতন-অচেতনের মাঝামাঝি কোন রেখায়। পরের দিন জেনারেল ম্যাথ পরীক্ষা। ইচ্ছা আছে পরীক্ষা দেয়ার, যদি উপরালা এলাও করে। গরীবের বিলাসিতার নিদর্শন হিসেবে ডাকা হলো ডাক্তার। ডাক্তার বলতে সেই রেলের ডাক্তার। এদের ঔষুধে রোগী ভালো হয় না, তবে রোগীর স্বজনরা দায়মুক্তি পায়- চিকিৎসা তো হয়েছিল শেষমেশ। এমনই একটা ধারণা প্রচলিত রেল পাড়ায়।

ডাক্তার বাবু কব্জিতে হাত রেখে হাসেন। বড়ো মধুর সে হাসি। তার পর অনুচ্চ স্বরে কথা হয় টুকটাক। ঔষধ পেটে পড়ার আগেই একটু একটু করে জ্বর নামতে লাগে। ডাক্তার বাবু চলে যান ভিজিট নিয়ে। এতোটুকুতে সম্পর্ক চুকে গেলে ক্ষতি ছিল না। কিন্তু কি মনে করে ওইদিন সন্ধ্যায় আবার হাজির। বিনা ভিজিটে পরীক্ষা চলাকলীন প্রতি সন্ধ্যায় তিনি রোগী দর্শন করে যান। কেমন একটা কৃতজ্ঞতার বৃত্তে বেঁধে ফেলেন একটা পরিবারকে। এভাবে এ তরুণ ডাক্তার হয়ে গেলেন আমাদের পরিবারের একজন। বছর পাঁচেক পরে আমার একমাত্র বোনের বিয়ে। বিয়ের দিন তিনেক আগে চিকেন পক্স দেখা দেয় তার। বিয়ে হবে কি হবে না- এ নিয়ে সংশয়। এদিকে না হলে লগ্নভ্রষ্টার অপবাদ। তখন সেই ডাক্তার আবার পরম বন্ধুর বেশে।এভাবে রোগ সারাতে এসে এক ডাক্তার হয়ে গেলেন আমাদের পরিবারের সদস্য। কিছুদিন পর টের পেলাম ভদ্রলোক লুকিয়ে-চুরিয়ে পত্রিকায় চিঠি লিখেন। এই দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, লোড শেডিং ইত্যাদি নিয়ে।এমনকি স্ত্রীর নামেও লিখেন। নিউজ প্রিন্টের কাগজে তাঁর নাম জ্বল জ্বল করতে দেখে বুকের ভেতরে কয়েকটা চকমকি পাথর টোকা খেতে লাগে। স্ফুলিঙ্গের ছটায় উজ্জ্বল হতে থাকে পরানের গহীন ভেতর।

সেই থেকে বোকামির যাত্রা শুরু।


তিন

আমার চোখের সামনে একজন কথাকার বেড়ে উঠতে লাগলেন, আমি অপার বিস্ময়ে দেখতে থাকি, অনেকটা বাচ্চারা যেভাবে নিবিড় দৃষ্টিতে একটা বীজের অঙ্কুরোদ্গম দেখে, তার পর তার পত্র-পল্লবের বিকাশ, ফুল-কুঁড়ির পরিস্ফুটন। সম্ভবত, ২০০০-এ প্রথম তাঁর গল্প আসে মুক্তকণ্ঠের ‘খোলা জানালা’য়। তারপর ভোরের কাগজ, আজকের কাগজ....। ২০০৫-এ প্রথম গল্পগ্রন্থ (যদি স্মৃতি বিশ্বাসঘাতকতা না করে থাকে)। তাঁর প্রথম বইয়ের সব ক’টা গল্প গ্রন্থস্থ হওয়ার আগেই আমার পড়া হয়ে যায়। এ বইয়ের (মৃতের কিংবা রক্তের জগতে আপনাকে স্বাগতম) বেশির ভাগ গল্পের বিস্তার আমার চেনা জানা প্রতিবেশকে ঘিরে। ফলে গল্পগুলোর সঙ্গে কানেক্ট করতে আমার খুব সুবিধা হয়ে যায়। মনে মনে একটা ধারণা তৈরি হয় কীভাবে চোখে দেখা বাস্তবতা থেকে গল্প বেছে নিতে হবে, কীভাবে তাকে ছড়িয়ে দিতে হবে স্তরে স্তরে। ছায়াবৃক্ষের নিচে যেমন চারাগাছ বেড়ে ওঠে, তেমনি আমার বেড়ে ওঠার প্রক্রিয়ায় ছিলেন কামরুজ্জামান কাকা, আপনাদের কামরুজ্জামান জাহাঙ্গীর।


চার

পাহাড়তলীর রেল হাসপাতালের সাবেকী ভবনটার এক কোণায় যে খুপরি ঘরটায় সারা বছর মানুষের ভিড় লেগে থাকে, সেখানেই কাকার আস্তানা। একটার পর একটা রোগী আসত, কাকা ছোট ছোট কাগজের টুকরো হাতের নিচে রেখে রোগীদের সমস্যা শুনতেন, আর গট গট করে ঔষধের নাম লিখে যেতেন। পাশে খোলা থাকত একটা বই। চোখের একটা কোণা সবসময় বরাদ্দ থাকত বইয়ের জন্য। বিকেলে বাজারের দিকে গেলে দেখতাম ফার্মেসিতে বসে আপন মনে বই পড়ছেন, তাঁর প্রাইভেট চেম্বারে কখনোই ভিড়-ভাট্টা থাকত না, তখন তো আর বোঝার বয়স হয়নি, এখন বুঝি- আসলে নীরবে চলছিল এক লেখকের প্রস্তুতিপর্ব। কী নিষ্ঠা কী ঐকান্তিকতায় তিনি নিজেকে প্রস্তুত করেছিলেন, এখনো ভাবলে অবাক হই।

এই লেখালেখি করে করে তাঁর খুব একটা পেশাগত পসার হয়নি। ঘন ঘন চেম্বার বদলাতেন। কিন্তু ততদিনে রেল পাড়ার গণ্ডি ছেড়ে দেশজুড়ে তাঁর খ্যাতি। তাঁর প্রকাশিত লেখাগুলো পড়ে কী এক ঘোরের মধ্যে থাকতাম। সেই বোঝা না বোঝার কুয়াশা কেটে পথ করে নিতাম বোধের। আর মনে মনে আঁচ পেতাম তেতে ওঠার, বড়ো কিছু লেখার, মহৎ কিছু লেখার। সেই ঝোঁকের মাথায় যে কী কাকের ঠ্যাঙ বগের ঠ্যাঙ লিখতাম, এখন ভেবে হাসি পায়। তা আবার গুটিগুটি অক্ষরে লিখে নিয়ে হাজির হতাম কাকার চেম্বারে বা বাসায়। কাকা রেখে যেতে বলতেন, কখনো বা টুক করে পড়ে ফেলতেন। তার পড়ার গতি ছিল বিস্ময়কর।

লোকটা বড়ো চাঁছাছোলা- নিরাবেগ ছিলেন। যা সত্য, অকপটে বলে যেতেন। যে গল্প লেখা হয়ে গেছে সেটা লিখে কী হবে? নতুন ভাবনা নতুন গদ্যভাষা চাই। এটা ওটা পড়ার পরামর্শ দিতেন। তাঁর মুখে শুনেই কমল-জগদীশ-বনফুলদের জগতে পা রাখা। সারাদিন হাসপাতাল-চেম্বার নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হতো তাঁকে। বন্ধের দিনে ঘাড় গুঁজে বসে যেতেন লেখার টেবিলে। ডাক্তারি প্যাডে ছোট ছোট অক্ষরে বাতাসের গতিতে যেন লিখে যেতেন। তাঁর ‘পদ্মাপাড়ের দ্রৌপদী’র জন্ম সেই সময়গুলোতে। দু হাজার তিন-চার নাগাদ তিনি কম্পিউটারে হাত লাগান। তাঁর এই পড়া ও লেখার ক্ষিপ্রতা দেখে মাঝে মাঝে অবাক হতাম, এত তাড়াহুড়ো কীসের? এখন বুঝি, লেখকমাত্র ভবিষ্যৎ-দ্রষ্টা। তিনি হয়তো জানতেনই, ৫ দশকের বেশি সময় তাঁর জন্য বরাদ্দ নেই। এই ছোট্ট জীবনে অপচয় করার মতো সময়ই বা কই।


ছয়

রেলপাড়া ছেড়ে আসার পর যোগাযোগে কিছুটা ভাটা পড়ে। কিন্তু তাঁর লেখালেখির প্রতি ঔৎসুক্য কমেনি এতটুকু। ফেসবুকের কল্যাণে শেয়ারিংটা হতো ঠিকমতোই। আমার কোনো লেখা ছাপা হলে, কিংবা তাঁর-ইনবক্সে এ নিয়ে কথা হতো। প্রায় নতুন লেখা গল্পটা মেইল করে দিতেন। তাৎক্ষণিক অনুভূতি জানার জন্য। গতবছর বাবাকে নিয়ে একটা গল্প লিখেছিলাম-‘বাবা নেই’। কাকা ফেসবুকের নোটের কমেন্টে সুন্দর একটা মন্তব্য করেছিলেন। লিখেছিলেন, ‘মন খারাপ হয়ে গেল। কারণ অনেক দৃশ্যেরই আমি যেন সাক্ষী একজন। তোমার বাবা যে এমন কঠোর ছিল তা কখনই মনে হয়নি। বরং আমার সাথে তো দারুণ ফ্রেন্ডলি রিলেশনই ছিল। অনেক মন খারাপ নিয়ে লেখাটা শেষ করলাম।।’(৪ জুলাই ২০১৪) আহা, সেই গল্প লেখার বছর না যেতে এখন কাকা আপনাকে নিয়েই লিখতে বসেছি। কাঠগড়ায় সাক্ষী এখন আমি!

বছর দুয়েক ধরে দেখছিলাম তাঁর লেখায় একটা পরিবর্তন, তিনি একদিন ‘বাতিঘরে’ বসে স্বীকারই করেছিলেন, পাঠককে লেখায় কানেক্ট করতে হবে। পত্রমিতা, আমাদের জয়বাংলা- এসব গল্পে সে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়, শেষ দেখা তাঁর সঙ্গে গেল বইমেলায়। কবিরী, প্রান্ত, জিল্লুদের সঙ্গে চট্টগ্রাম মেইলে করে এসেছিলেন। মেলায় তাঁকে পেয়ে বলেছিলাম, ‘আপনে আসবেন জানলে তো টিকেট কাটতাম না, আপনার পাসে আসতাম।’ কাকা হো হো করে হেসে ওঠেন। সেই ভুবনভোলানো হাসি। মেলায় হাঁটতে হাঁটতে লেখালেখি নিয়ে কথা হচ্ছিল। তিনি তাঁর রেলওয়ের কর্মজীবন নিয়ে বড়ো কিছু একটা করার কথা বলছিলেন। বিশেষ করে রেল এক্সিডেন্ট আর রিলিফ ট্রেন নিয়ে, আমি তাঁকে উৎসাহ দিয়েছিলাম, দারুণ হবে কাকা।


৪.

বহুদিন পর রেলের সেই আটচলা বাংলো বাড়ি। হলুদ হার্ডবোর্ডের সিলিং। তাতে অনিচ্ছাতে ঝুলে থাকা ফ্যান। স্মৃতির দায় মেটাতে গিয়ে সেই স্মৃতিতেই ডুবে যাওয়া। শোকমগ্ন মানুষগুলোর সামনে কালো মুখ করে কথা চালাই। কথা না চললে নৈ:শব্দ আমাদের গিলে খাবে।

নাহ, তেমন তো কোন অসুখ বিসুখ ছিল না। শেষ দিকে ডায়াবেটিসটা ধরা পড়েছিল। তাও খুব লাইট।

হিসাব মেলে না আমার। যে দেশের মানুষের গড় আয়ু সত্তুর ছুঁই ছুঁই, সেদেশের একজন ডাক্তার কেন মারা যাবে ৫২-তে। বিনা রোগে বিনা শোকে।

কাকী আমার আফসোসের সঙ্গে কণ্ঠ মেলান। উত্তর করেন, বই। সারাদিন শুধু বই আর বই। শুতে বই বসতে বই। এতো পড়লে-

নিষেধ করতেন না? বড়ো অমাণবিক একটা প্রশ্ন ছুঁড়ে দেই।

হু। বলত, মরার আগে বইগুলো সব শেষ করতে হবে-

সেলফ ভরা বইগুলো যেন আমাদের সাথেই আফসোস করে উঠল।

নেশা। নেশায় পেয়ে ছিল লোকটাকে- পড়ার নেশা। দিন নাই রাত নাই, পড়া আর পড়া। গত তিন মাস তো সে ঠিক মতো ঘুমায় নি। বইমেলার প্রুফ দেখতে দেখতে রাতকে রাত পার করেছে।

কী বলেন কাকী।

বললে বলত, রাতে না ঘুমালে কিছু হয় না।

একজন ডাক্তার হয়ে...

বই আর সাহিত্য নিয়ে আলোচনা। এর বাইরে কোন জগৎ ছিল না তার। কি সংসার, কি বাজার-সদাই, কি...

অবাক হয়ে যাই কাকীর কথা শুনে। এতোদিনের চেনা মানুষটা আদপে কতো অচেনা ছিলেন। বন্ধুবৎসল হিসেবে যার খ্যাতি ছিল, ঢাকার বড়ো বড়ো লেখকরা এলে একবার হলেও তাঁর বাসা ঘুরে যেত, ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিত ‘ম্যারি ভাবি’র রান্নার সুখ্যাতি করে- সেই লোকটা ভেতরে ভেতরে বিষয়বৈরাগ্যে আক্রান্ত ছিলেন। কোনটা মুখ কোনটা মুখোশ জীবিত মানুষের ক্ষেত্রে পৃথক করাটা বড়ো দুরূহ।


৫.

কথায় রাত ঘনিয়ে আসে। সেই ফুল ঢাকা বাড়িটা অন্ধকারে গেড়ে বসেছে। আমি বেরিয়ে পড়ি। বুকের ভেতরে কিসের যেন একটা ভার। আলোঝলমলে নগরীটা কেমন কুয়াশাচ্ছন্ন লাগে। জীবনের হিসাব মেলাই হাঁটতে হাঁটতে। কি হতে গিয়ে কি হলাম। শুধু আপোষ আরো আপোষে ভরা এই জীবন। এই কৃতদাসের যুগে এই নগরীতে একজন মানুষ ঠিক সম্রাটের মতোই তাঁর জীবন কাটিয়ে গেছে। ক্ষুন্নিবৃত্তির বেদিমূলে জীবনটা অশ্লীলভাবে বিসর্জন দেয়নি। নিজের ইচ্ছেকে সমুন্নত রেখে গেছেন প্রতিটি মুহূর্তে। নাচঘরে বসে মহামতি সম্রাট যেমন মহামূল্যবান ধন রত্ন দুহাতে উড়িয়ে দেন হৃদয়-তৃপ্তির মানসে, এভাবে এক সম্রাট তাঁর জীবনটাকে হৃদয়বৃত্তির জন্য দেদারে উড়িয়ে গেলেন। তার গল্পের মতোই জীবনটাকে নিয়ে খেলে গেলেন বাজি। স্বপ্নবাজি। এই বাজিতে হার বলে কিছু নেই।

 

লেখক পরিচিতি
জয়দীপ দে

প্রভাষক
সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ
গল্পকার

1 টি মন্তব্য:

  1. একজন ভালো লেখককে নিয়ে আরও একজন ভালো লেখকের লেখনি পড়লাম।
    ভালো লাগলো।

    উত্তরমুছুন