শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৫

অমিতকুমার বিশ্বাসের গল্প : রবীন্দ্রনাথ

তিনটি রাস্তা তিনদিকে ছুটে চলেছে। ত্রিমাথায় দাঁড়িয়ে রবীন্দ্রনাথ। সাদা মর্মর মূর্তি। সেই সাত দশক ধরে দন্ডায়মান এক বৃদ্ধ। চতুর্দিকে কত পরিবর্তন। বৃদ্ধেরও হয়েছে। তবে যা হয়েছে, তা সবই নেতিবাচক। সাদা চুল, সাদা দাঁড়ি –এখন সবই হলদেটে। অনেক কিছুই সয়েছে মূর্তিটি। প্রবল বন্যা, আয়লা ইত্যাদি। সেদিনের ঝড়ে প্রায় ভেঙেই যাচ্ছিল। প্রকাণ্ড ডালটা সামনেই পড়ল। বৃদ্ধ তবু নির্বিকার। তাকে যে দাঁড়াতেই হবে মেরুদণ্ডী হয়ে।
আগামীকাল মূর্তিটি ভাঙা হবে। প্রকাণ্ড হাতুড়ির আঘাতে টুকরো টুকরো হবে রবীন্দ্রনাথের হৃদয়। তারপর লাশটাকে রিকশাভ্যানে তুলে টানতে টানতে নিয়ে যাবে নর্দমার ওপাশে, যেখানে সে বোবাকালা হয়ে শুয়ে থাকবে সিধুপাগলের পাশে।

সকালেই বড়বাবু মত দিলেন, ‘সভ্যতা এগোচ্ছে। রাস্তার মোড়ে এভাবে রবীন্দ্রনাথের ক্যাবলার মতো দাঁড়িয়ে থাকার কোনো মানে আছে? যতসব নন-ইনটেলেকচুয়াল আউটডেটেড কনসেপ্ট!’ এদিকে ছোটবাবু বললেন, ‘বুড়ো হয়েছে, বৃদ্ধাবাসে থাক। তার বদলে ওখানে কচিকাঁচারা খেলাধুলা করুক।’ রবীন্দ্রনগরে গত কয়েকদিন ধরে এইসব সাধুবচন হাওয়ায় হাওয়ায় ভাসছিল। এর মধ্যে কিছু পাগল কবিভক্ত কাঁদল। রাস্তায় শুয়ে থাকল। পুলিশ এল। নিয়ে গেল। তারপর সে কী প্যাদানী! বাবাগো-মাগো বলে চিৎকার। ফলে, সব চুপ।
সামনেই পরেশের চায়ের দোকান। কথায় কথায় সে বলে উঠল, ‘ইদানিং তো হোর্ডিং এর দৌলতে বুড়োদাদুর মুখই দেখা যায় না। তার চেয়ে বরং ভেঙে ফেলাই ভালো। ওখানে আরো বড় একটা হোর্ডিং লাগান যাবে। পৌরসভার টু-পাইস আসবে। সেই পয়সায় পার্ক হবে। ইয়াং ছেলেপুলে কাজ পাবে। হেঃ হেঃ। এ-যুগে রবীন্দ্রনাথ সিকি-আধুলির মতোই অচল। আজকাল ভিখারিকে দিলেও ভিখারি হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলে, ‘বাবু আপনে রাহেন, বিপদি-আপদি কামে আসবেনে!' বোঝো ঠ্যালা!’
-‘ঠিক বোলিচো পোরে।’ হলদে হয়ে-আসা অবশিষ্ট দন্তগুলি বিকশিত করে চায়ের কাপটা সজোরে কাঠের বেঞ্চে বার দুই টোকা মেরে বলে ওঠে নেপাল খুড়ো, ‘কি ছিল ওর? ছিল তো এট্টা নোবিল, তাও সেইডারে কিরা গ্যাঁড়া দিছে। হেঃ হেঃ। ওর চেয়ে আমাগো মদনা ছেলিটা কী সুন্দর কবিতা নেকে বলোদিনি ! শোন এট্টা তালি—

টিপকল
চরণ তোমার তলে
হাত দু-খানি কলে
চাপ দাও হাতলে
চরণ ভিজে গেল জলে।"


-‘বাঃ বাঃ অসাধারণ!’ পরেশ চা ছাঁকতে ছাঁকতে বলে ওঠে, ‘খুড়ো, মদনার আর একখানা শোনো-


খেলা
হারমোনিয়াম সারারাত ডেকেছে নাক,
রামের বোতলে মহাভারত আর একতা কাপুর
খেলছে হা-ডু-ডু।
গভীর রাতে চুরি গেছে সানি লিওনের অন্তর্বাস
যমুনা তীরে কাঁদছে সে হাপুস নয়নে
এদিকে বড়বাবুর কপালে ভাঁজ,
হারমোনিয়াম সারারাত ডেকেছে নাক।

অক্টোপাস আসপ্রিয়াও পর্নোগ্রাফিতে নামার আগে
সেরে নিল গঙ্গাস্নান ও-পাড়ার রুমকী বৌদির সঙ্গে।
মেয়েকে বেঁচে আইফোনের নীল ছবিতে রেখেছে চোখ
এক সুখি দম্পতি। ভগবানের পিছনে বাঁশ
দিয়ে পুজোর ক'দিন ক্যালাচ্ছে দাঁত কুমোরটুলির
দুই কারিগড়। এর মধ্যে ফেসবুকের দেওয়ালে
হিসি করে দিয়ে গেল বেপাড়ার ছেলেগুলো !
এ-দেখে বড়বাবুর কপালে ভাঁজ
হারমোনিয়াম সারারাত ডেকেছে নাক ।

-‘সাব্বাস! এইডা হইলো গিয়া কবিতা। আর ওই রোবি যে কী-সব বস্তাপচা নিকে সাহেবগো কাছ থিকা নোবিলডা গ্যাঁড়াইয়া নিল, সেইডারে ঠাহোর কোরতি পারিনে বাপু। বাপের জোমিদারি থাকলি ওরম নিকা যায়। বোজ্জো! আর এট্টা কতা সব সময় মোনি রাকবা, গ্যাঁড়ার মাল গ্যাঁড়ায়-ই যায়।’



দুই
মধ্যরাত। ল্যম্পপোস্টের ছানিপড়া আলোয় কুয়াশা ভেঙেচুরে কারা ছুটে আসছে? একটা শিশু। মুখে আর্তনাদ। ‘বাঁচাও বাঁচাও!’ পিছনে খানবিশেক লিকলিকে নেড়ি কুকুর। ক্ষুধায় উন্মাদ। শিশুটির একহাতে এক টুকরো পারুটি আর অন্যহাতে রক্তের প্রলেপ। এ-রক্ত নরখাদকগুলোর আক্রমণেই। ছুটতে ছুটতে শিশুটি রবীন্দ্রনাথের কাছে এল। পিশাচগুলোও। পেছন পেছন। নেড়িগুলো বিষাক্ত ছোবল মারতে না-মারতেই শিশুটি মূর্তিটির ওপর চেপে বসল। একেবারে কাঁধে। চড়েই জাপটে ধরল রবীন্দ্রনাথকে। সারাদিন চায়ের দোকানে, গলির মোড়ে, ভ্যাটের উপর লাথিঝাঁটা-খাওয়া নেড়িগুলো রাতের গন্ধ বাড়ার সাথে সাথে কেমন অদ্ভুতভাবে হিংস্র হয়ে ওঠে!

নীচে ঘোরাফেরা করে সেগুলো। দাঁত-মুখ খিঁচায়। ঠিক যেভাবে ধর্ষকামী নেশাখোরেরা ঝাঁপিয়ে পড়ার পূর্বমুহূর্তে অচেনা-অজানা পৈশাচিক ভঙ্গিতে মৌন হয়ে যায়, আর তাদের চোখ দিয়ে বেরিয়ে আসে আগুনের হলকা, জিভ দিয়ে লালা ঝড়ে অবিরত, ঠিক তেমনই নেড়িগুলো শিশুটির দিকে একবার আড়চোখে চেয়ে স্থির হয়ে যায়। হঠাৎ সমবেত চিৎকার, ‘ঘেউ ঘেউ!’ আর সেই বিকট শব্দে যেন চৌচির হয়ে যায় রবীন্দ্রনাথের হৃদয়। কালো হাতের দেশ থেকে অপদেবতারা এসেছে ছোট্ট রাজপুত্রকে লুঠ করতে, রবীন্দ্রনাথ কি পারবে না রক্ষা করতে তাঁর কোমল হাত দুটিকে? পারবে না এভাবেই তাকে কাঁধে তুলে রাখতে, আজীবন?
পরনে একটা ছেঁড়া হাফপ্যান্ট। ছেঁড়াই ছিল। পিশাচগুলো আরো ছিঁড়ে দিয়েছে। পা থেকে খুবলে নিয়েছে মাংস। হাত থেকেও। খালি গা। সেখানেও কামড়ের দাগ স্পষ্ট। টপটপ করে রক্ত পড়ছে। ভয়ে মুখ দিয়ে শব্দ বেরোচ্ছে না একটুও, বরং ঠোঁট কাঁপছে, ঠাণ্ডায় মুখ দিয়ে ধোঁয়া বেরোচ্ছে কেবল। কতগুলো সরু সরু হাড়ের উপর পাতলা চামড়া পাতা। টোকা মারলেই বোধহয় ফিনকি দিয়ে রক্ত পড়বে। চুল উশকোখুশকো। শুকনো মুখে কালিঝুলির দাগ। কোটর থেকে ঠিকরে বেরিয়ে আসছে অশরীরীর মতো দুটো নীল চোখ।

ঠক্ ঠক্ করে কাঁপছে সমস্ত শরীর। পায়ের রক্তে মূর্তিটি ভিজে যাচ্ছে। মূর্তির গা-বেয়ে রক্ত নীচে আসছে, আর পিশাচগুলো একটা আর-একটার উপর লাফিয়ে ঝটপট চেটেপুটে খাচ্ছে। সে কী ভয়ঙ্কর যুদ্ধ! শিশুটি আরও ভয় পায়। কাঁপে। শীতের থেকেও বেশি। মৃত্যুকে মুখোমুখি দেখতে পেয়ে গলা শুকিয়ে আসে। মূর্তিটিকে পরমাত্মীয় ভেবে আরও জড়িয়ে ধরে সে, সন্তান যেভাবে মাকে জড়িয়ে ধরে।
না, তাঁর মা নেই। বাবাও নেই। কেউ নেই। পথেই জন্মেছিল। হয়তো পথেই হারিয়ে যাবে একদিন। একদিন জ্ঞান হবার পর নিজেকে খুঁজে পেল হরিপদ-র দোকানে। একদিন হাত থেকে গ্লাস পড়ে যায়। মুহূর্তেই চৌচির। তৎক্ষণাৎ হরিপদ হাতের গরম চা ছুঁড়ে মারে মুখে।
সবেমাত্র চোখ বন্ধ হয়ে এসেছিল। ভাবতেই চোখ খুলে যায়, দ্যাখে, সেখানেই আছে। নীচে নেড়িগুলো শুয়ে। একটা আবার টুক করে একচোখ খুলে দেখে নিল হাল-হকিকৎ। তারপর বন্ধ। পাক্কা অভিনেতা। খেলা জমে ওঠে। শিশুটিরও চোখ বন্ধ হয়ে আসে, পুনরায়, আর সাথে- সাথেই ভেসে ওঠে হরিপদ-র দোকান থেকে পালানোর দৃশ্য। পালাতে পালাতে একদিন কাগজ-কুড়ানিদের দলে। ভাড়াটে ভিখারির ছদ্মবেশ। ইটভাঁটায়। বিহারিলালের ধাবায়। ট্রেনে ট্রেনে জুতোপালিশ, টয়লেট সাফ-করা। তারপর? তারপর? তারপর? কাজ আসে, কাজ যায়। সে নিজেই ভুলে যায় নিজের নাম। ঠিকানা। পরিচয়। এক কক্ষচ্যূত গ্রহাণুপুঞ্জের মতো মহাশূন্যে ভেসে বেড়ায় অবিরত। সুখ নেই। সুখ নেই। সুখ নেই কোথাও।


তিন
ভোর। রবির রক্তিম আভায় ভরে ওঠে আকাশ-বাতাস। ভরে ওঠে পাখিদের উল্লাসে। এ-পৃথিবী শিশুর মতো চোখ মেলে চায়, হাসে কিংবা আবার ঘুমিয়ে পড়ে। এ পৃথিবী শিশুদের।

যেভাবে সুপারী কিলাররা নিরীহ শিকারকে ধরে, একদল ভীষণ কালোমাখা লোক হঠাৎ ঘিরে ফেলল রবীন্দ্রনাথকে। সিধুপাগল উঠে পড়ে। দূর বাতাসে আছাড় খায় তাঁর ‘হোই হোই’ শব্দ। হাতে ইটের টুকরো নিয়ে ছুটে আসতে থাকে এদিকেই...দৃশ্যটা এই ভোরের কুয়াশায় হারিয়ে না-গেলে সে এভাবেই ছুটতে থাকবে আবহমান কাল, আর তাঁর ‘হোই হোই’ শব্দের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে নিজেদের নগ্ন শরীর থেকে মাংশ খুবলে নেবার পরিবর্তে ইজি চেয়ারে বসে কাগজটা খুলে বসব রোজকারের মতো, আর বলব, ‘হ্যাগো, এক কাপ দিয়ে যেও!’ তারপর ‘সুড়ুৎ সুড়ুৎ’ শব্দের সাথে গাঢ় অন্ধকারে ঢুকে যাবে আমাদের সমস্ত যাপনচিত্র।

অবশেষে
একে একে অস্ত্র তুলে ধরে সুপারি কিলারেরা। এইবার... এইবার...এইবার শেষ... একেবারেই...

এমন সময় একজন কালোমাখা লোক বলে ওঠে, ‘এত রক্ত কেন?’



লেখক পরিচিতি
অমিতকুমার বিশ্বাস
জন্মসাল: ১৯৮০

জন্মস্থান: নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সরণি (শেষ প্রান্ত), রিফিউজি প্লট, সুভাষনগর, বনগাঁ, উত্তর ২৪ পরগনা, পিন কোড ৭৪৩২৩৫, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।

বর্তমান আবাসস্থল: নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সরণি (শেষ প্রান্ত),অখিল-স্মৃতি গ্রন্থাগার, নিত্যানন্দ-মনোরমা ভবন, সুভাষনগর, বনগাঁ, উত্তর ২৪ পরগনা, পিন কোড ৭৪৩২৩৫, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
পেশা: উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা।

সাহিত্য রচনার শাখা: গল্প ও মুক্তগদ্য।

যেসব পত্রিকায় লেখা প্রকাশিত হয়েছে: কবিতা আশ্রম, এবং অন্যকথা (Ref.No. WBBEN 10600/25/1/99-TC), সীমান্ত বাংলা (Postal Regn. No. WB/BRS/RNP-122/ উৎসব সংখ্যা), নিরুক্ত মাসিক সাহিত্যপত্র, ইতিকথা এখন (ISSN:2394-1456), দ্বৈপায়ন (ISSN:2394-3602), ফসিল, চাকা, দৌড়, অচেনা যাত্রী, চিহ্ন (বাংলাদেশ), মারমেইড (বাংলাদেশ), সোনার দেশ (ঈদ সংখ্যা-২০১৫/ বাংলাদেশ) ইত্যাদি।

প্রকাশিত গ্রন্থতালিকা: রাত্রির হৃদয়ে এখন নীল শুঁয়োপোকা (গল্পগ্রন্থ, ISBN: 9788192642253, ‘কলকাতা বইমেলা-২০১৪’ তে ধানসিড়ি থেকে প্রকাশিত)

প্রাপ্ত পুরস্কার: এখনও নেই।

ইমেইল: amitagnimitra@gmail.com
ফোন নং: +৯১ ৮১৫৯০৯৩৭১০

১০টি মন্তব্য:

  1. অসাধারণ গল্প! অমিতের এই সব লেখা তার এগল্পের চরিত্র সিধু পাগলের হাতের সেই ইটের টুকরো আর হুংকারের মতো তার চুটে আসা, ওকানে কুয়াশায় হারালেও এ গল্পের গতি আবহমান কালের দিকে চলে যায়! এত ছোট্ট পরিসরে এতো বড়ো ধরা লেখকের মুন্সিয়ানাকে সেলুট জানাতে ইচ্ছে হয়! একই বুঝি বলে ছোট্ট সোনার ঘটির মধ্য বৃহত হস্তিকে প্রবেশ করানো, যা া্্্্অমিতের মতো লেখক দের দ্বারা সম্ভব! অমিত যে একালেোর কালজয়ি লেখক হয়ে উঠবে, এগল্প সে কথাই পষ্ট করে দেয়! লেখকে সুদীর্ঘ জীবন কামনা করি।*'একালেোর' ডিলিট হবে।

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. এই মন্তব্যটি লেখক দ্বারা সরানো হয়েছে।

      মুছুন
    2. প্রথমেই তীর্থদাকে গল্পটি ( একে আদৌ গল্প বলা ঠিক হবে কিনা সে বিষয়ে বেশ সন্দেহ আছে) পড়ার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করি। তরুণ লেখককে একটু আস্কারা দেবার বোধহয় প্রয়োজন আছে, আর দিলেনও, তবে শাসনটাও প্রয়োজন ছিল। আশাকরি আগামী বার খুব বকবেন। ভালো থাকুন।

      মুছুন
  2. সিধু পাগলের কাছে কেউ কারও আত্মীয় নয়। এমনকি রবীন্দ্রনাথও না। সে এক সিম্বল। আমাদের বিচ্ছন্ন স্বত্ত্বাগুলির...

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. আমরা বেঁচে আছি প্রতীকেই। বোধহয়।

      মুছুন
  3. অসামান্য গল্প।মজা ও ম্যাজিক দিয়ে প্রতীকসংকেতে অমিত তার দেখাটাকে বাস্তবতার বাইরে নিয়ে গিয়ে এক তীব্র জীবনঘোরকেই বির্নিরমাণ করে তুলেছেন।তার দেখাতা রহস্যময় ও নিখুঁত।এই ছেলেটি অনেকদুর যাবে।

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. এই মন্তব্যটি লেখক দ্বারা সরানো হয়েছে।

      মুছুন
    2. আসলে যা দেখছি তা আদৌ কিন্তু দেখছি না, যা করছি তা আদৌ কিন্তু করছি না, আর যা লিখছি তা আদৌ লিখছি না। একটা বাসে উঠতে না-পারা, মেট্রোতে- ভিড় ট্রেনে ঊঠতে না-পারা ছেলে শৈশবের গড়ুগাড়ি করে যতদূর সম্ভব ততদূর যাবে। তাও প্রায় সব জায়গাতেই এই যানের বিরুদ্ধে নো এন্ট্রি ঝোলানো। অতএব পায়ে হাঁটা। হ্যাঁ, তাই....
      ধন্যবাদ, নিবিড় পাঠের জন্য।

      মুছুন
  4. অমিতের গল্প আমাকে টানে। একটি প্রবাদ আছে 'কালি কলম মন / লেখে তিন জন '।আমি একটু পালটে বলতে চাই,কলম চোখ মন / লেখে তিনজন। অমিতের এই তিনটিই প্রবল শক্তিশালী।সৌভাগ্যবশত গল্পটির আগের নির্মানটাও আমার পড়া।সময়ের সাথে সাথে গল্প কী ভাবে বিনির্মিত হতে পারে এই গল্প তার সার্থক উদাহরণ।অমিতের নিজস্ব গদ্যভাষা নির্মাণের প্রয়াস আছে। লেখক বাংলা গল্পকে আরও সমৃদ্ধ করবেন এমন আশা করা যেতেই পারে।

    উত্তরমুছুন
  5. কী ভাবে সোহমের নামে পোষ্ট হল বুঝলাম না।
    দেবাশিস রায়চৌধুরী।

    উত্তরমুছুন