বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২০

বেগম জাহান অ্যাঁরা'র গল্পঃ দূর্নীতির কাহিনি


শিশু কিশোর সদনে জাতীয় পুরস্কার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। সমস্ত জেলা 
থেকে এসেছে প্রায় দুশো প্রতিযোগী। সাথে তাদের কারো বাবা, কারও বাবা মা দুজনেই, সাথে কারও ছোটো ভাই বোনও। থাকতে হবে আট থেকে দশ দিন।

কেউ আত্মীয়ের বাড়ি থাকছে। কেউ কম দামের হোটেলে। কিছু সংখ্যক শিশু কিশোর সদনের তিনতলায় প্রশিক্ষনের ঘরের মেঝেতে। এরা বলে কয়ে লেখালেখির মাধ্যমে অনুমতি নিয়েই আসে যে, সদনেই থাকবে।

রাতে যেমন তেমন, দিনের বেলায় সদনের মাঠ, হল, প্রশিক্ষনের ঘর সর্বত্র শিশু কিশোর বয়সি মানুষের চলাচলে গিজগিজ করে। সারাদিন খাওয়া দাওয়া, প্রশিক্ষন, কয়েকটা ঘরে প্রতিযোগিতার আয়োজনের কলকাকলিতে মিষ্টি তেতো এক মহা ধুন্দুমার অবস্থা। সদনের তিনতলা ভবনে মোট বাথরুম মাত্র
ছয়টা। বাথরুম বিহীন সংস্কৃতির দেশে সদনের অবস্থা বেশ ভালোই বলতে হয়। দৈনিক অফিসের জন্যে বেশ চলে যায়। কিন্তু বছরে একবার এই সময়টাতে মনেহয় বাথরুমের সংখ্যা বিশটা হলেই ভালো হতো। তো প্রায় শ' খানেক লোকের সেখানেই গোসল, সেখানেই অন্য কাজ। টানাটানি ঠেলাঠেলি হলেও বিকল্প নেই।প্রতিযোগিতার বিভিন্ন আইটেমে বিচারক হয়ে যাঁরা আসেন, পরিচালক তাসকিনা রঞ্জনার ওয়াশরুম আছে তাদের জন্য।


এই বিপুল আয়োজনে পানির খরচ বেড়ে যায়। প্রতিদিন কিনতে হয় কয়েক গাড়ি পানি। তিন ঘন্টা পর পর বাথরুম ফেনাইল দিয়ে ধোয়ার হুকুম জারী হয় তখন। জুনের শেষ সপ্তায় চরম গরম পড়েছে সেবার। ঝাঁ ঝাঁ রোদে আর ঘামে সবার অবস্থা বেসামাল প্রায়। তবু কাজ বন্ধ রাখার উপায় নেই। ঘামে ভিজে একাউন্টস সেকশনের লোকেরা সারাদিন ভাউচার আর টাকার খাম গোছাতে ব্যস্ত। বিচারকদের অভ্যর্থনা এবং আপ্যায়নের কাজও কম নয়।এর মধ্যে প্রতিদিন কমপক্ষে দুইবার লোড শেডিং। মরণ দশা হয় সমস্ত পরিবেশের।


তাসকিনা রঞ্জনার এটা চুক্তি ভিত্তিক চাকরি। এই সদনের সাথে নানা কাজে তিনি জড়িত ছিলেন বেশ কয়েক বছর থেকেই। সরকারি চাকরি থেকে পঁচিশ বছর পর ইচ্ছে করে অবসর নিয়েছিলেন লেখালেখি করবেন বলে। সেই কাজই করছিলেন। কিন্তু শিশুদের ওপর লেখা বইটা পুরস্কার পাওয়ার পর থেকে সদনের পরিচালকের পদের জন্য তাসকিনাকে বলা হচ্ছে। প্রথমে একবছরের চুক্তি। তারপর দেখা যাবে। যাই হোক, রাজী হয় তাসকিনা। মনে মনে ঠিক করেই আসে, এটা তাঁর চাকরি হবে না, হবে সেবাদান। কারও মনোরঞ্জন করতে হবে না। করবেনও না। পরিচালক হিসেবে নিজের ক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার করবেন। পোষালে থাকবেন, না পোষালে ঘরে ফিরবেন। উপরি লাভ, কিছু অভিজ্ঞতা।

সদনে কিছু চিরকেলে শয়তান ছাড়া বাকিরা ভালো। নিরীহ। সাতে পাঁচে নেই, শুধু বাঁধা চাকরি করে। অনেকে বেশ কাজের, কিন্তু কাজের সুজোগ নেই। গড্ডালিকা নীতির বাইরে করার জো নেই কিছু। পেছনে লেগে যায় লোক। সব বুঝতে পারেন তাসকিনা রঞ্জনা। কিন্তু তবু কিছু ভালো কাজ তাঁকে করতে হবে। গডালিকায় ভেসে সময় কাটাতে তিনি আসেননি। বিশেষ করে সদনের প্রকাশনা বিভাগকে শক্তিশালী করে দেয়ার ইচ্ছে আছে। সেখান থেকে বছরে বারোটা শিশু কিশোরদের বই প্রকাশ করাসহ একটা বার্ষিক পত্রিকা প্রকাশের ব্যবস্থা করতে হবে। এই বিষয়ে দুতিনটা মিটিং করার পরই বুঝতে পারেন, প্রকাশনা বিভাগে আরামের ঘরে অসন্তোষের গুঞ্জন। কান দেন না তিনি।

কয়েকজনকে পাশে পেলেন তাসকিনা। তাদের মধ্যে রায়হানা, ডলি, ইকবাল, আতাউর তাদের গুনেই পরিচালকের সব কাজের সহযোগী হয়ে উঠলো। বিশেষ করে জাতীয় পুরস্কার প্রতিযোগিতার জন্যে বাড়তি কাজগুলো দিতে হলো তাদেরকেই। তাসকিনা যতোক্ষণ অফিসে থাকেন, ওরাও থাকে ততোক্ষণ।

আর থাকে একাউন্টস অফিসার আনোয়ার এবং তাসকিনার পিএস রফিক। কাজের পরিবেশে এমন টিম পাওয়া অনেক বড়ো ভাগ্যের ব্যাপার।


জাতীয় প্রতিযোগিতার কাজ সম্পন্ন করার জন্যে একটা সাময়িক কমিটি করতে হলো। সেখানে রাখতেই হলো ঐ চার রত্নকে। সাথে আরও কয়েকজনকে। প্রতিদিনের আপ্যায়ন, নির্দিষ্ট অর্থের মধ্যে মানসম্পন্ন পুরস্কার কেনা, সেগুলো র‍্যাপিং পেপার দিয়ে মোড়ানো, অতিথিসহ প্রতিযোগিদের স্বাথ্যগতো খোজখবর রাখা, ইত্যাদি কাজ করছে ওরা প্রাণ দিয়ে। কোনোদিন ভুলবে না তাসকিনা ওদেরকে। কি কারণে এবং কেমন করে ওরা এতো কাছের জন হয়ে গেলো, সেটাও ভাবায় তাকে।

প্রচন্ড গরমের এক বিকেলে হঠাত বোমা ফাটার মতো বিকট এক শব্দ হলো। কিছু না বুঝেই ছোটাছুটি দৌড়াদৌড়ি শুরু হলো। সেদিন ছিলো বৃহস্পতিবার। একটু আগেই ছুটি হয়ে গেছে। অফিসারেরা গোছগাছ করছে। কর্মচারিরা প্রায় চলেই গেছে। প্রতিযোগিতায় আসা ভবনভরা গিজ গিজে মানুষ তখনও। আরও তিনদিন থাকবে তারা।

কয়েক মিনিটের মধ্যেই জানা গেলো, বোমা নয়, পানির পাম্প বার্স্ট করেছে। প্রাণ শুকিয়ে গেলো তাসকিনার। এই দুরন্ত গরমে পানির কি ব্যবস্থা হবে? পানি ছাড়া এতোগুলো মানুষের দুরবস্থার কষ্টকল্পনাও করা যায় না। আগামি কাল শুক্রবার। তারপর শনিবার। অফিস বন্ধ দুদিন। কিন্তু প্রতিযোগিরা তো থাকবে! থাকবে মানুষের আনাগোনা। তাদের কি হবে?


সঙ্গে সঙ্গে মিটিং ডাকতে হলো। একাউন্টস অফিসার আনোয়ারকে ডাকা হলো। রায়হানা, ডলি, ইকবাল, আতাউর এলো। সমস্যার সমাধান করা যায় কেমন করে, এটাই আলোচনা।

আনোয়ার বললো, কাল পরশু বন্ধ। রবিবারের আগে কিছু করা যাবে না।
-মানে বুঝে বলছেন? বিরক্তি চেপে বলে তাসকিনা।
-হ আপা, বুইজাই বলতাছি। হাসে আনোয়ার।
-এই দুদিন পানি ছাড়া এতোগুলো মানুষ থাকবে কেমন করে, বলেন?
-কি কইতাম আপা?



-কইতে হবে না। করতে হবে। হাসিটা বন্ধ করেন প্লিজ।
-কেমনে করুম আপা? কাজডা করতে টেন্ডার দেওন লাগবো। তারপর টেন্ডার
অইলে মালসামান কিনতে অইবো। সুমায় লাগবো।
-টেন্ডার না করে মাল সামান কেনা যায় না? আমি যদি টাকা দিই?
সবাই তাকায় তাসকিনার মুখের দিকে। কথা নেই কারো মুখে।
-আপনে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত নিজ ক্ষমতায় খরচ করতে পারেন। কিন্তু
কাজডা করতে আট নয় হাজার টাকা লাগবো। আনোয়ার বলে।
- আগে কখনও করা হয়েছে পাম্পের কাজ?
-অইছে আপা।
-কাজটা যারা করেছে, তাদের চেনেন?
-চিনুম না ক্যান আপা? নবাবপুরের ইসমাইল্যারা আমাদের সব কাজ করে।
-তাহলে তো ভালোই হলো। এখন কাজটা করানোর ব্যবস্থা করেন।
সকলে নড়ে চড়ে বসে। চোখ ভরা বিস্ময়। মুখে কথা নেই কারও।
-কিছু বলেন আনোয়ার। কি ভাবে করা যায় কাজ টা? তাসকিনা বলে।
-টেন্ডার ছাড়া কাজ অইতো না আপা।
-টেন্ডার বানান।
-ক্যামনে আপা?
-মিছেমিছি, সাজানো টেন্ডার হবে। তিনটে দরপত্র এমন ভাবে করেন যেনো
কাজটা হয়ে যায়।
-পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত নাহয় করলাম। তারপর?
-দুটো টেন্ডারের কাগজ পত্র তৈরি করেন। কাজটা করতে হবে।
-আইজক্যা টেন্ডার করার সুমায় কি আর আছেনি আপা?
-কে বলেছে, আজকে করবেন? ব্যাক ডেট দিয়ে করবেন।
-দুর্নীতি অইয়া যাইবো আপা। আইনে দরা খাইতে অইবো।
-আমি আজ দুর্নীতিই করবো। মানি না আইন। মানুষের জীবনের চাইতে আইন
বড়ো হতে পারেনা। নিঃশব্দ ঘর।
-রায়হানা, ডলি, ইকবাল, আতাউর, তোমরা আছো তো আমার সাথে?

হই হই করে ওঠে সবাই। এতোক্ষনে বুঝেছে ওরা যে, তাসকিনা রঞ্জনা
পানির পাম্পটা মেরামত করেই বাড়ি যাবেন।


তখনই ব্যাক ডেট দিয়ে টেন্ডার কমটি করা হলো। ব্যাক ডেট দিয়ে বানানো হলো দুটো দরপত্র, মানে ছয়টা দরপত্র। একটা চার হাজার সাতশো টাকার কাজ, একটা তিন হাজার টাকার। সাজিয়ে গুছিয়ে নিম্নতমো দরপত্র বাছাই করে সই সাবুদসহ পাস করা হলো দরপত্র। তখনই ছুটতে হলো সদনের গাড়ি
নিয়ে আতাউর, ইকবাল আর আনোয়ারকে নবাবপুরে মাল সামান কিনতে।

আধ ঘন্টার মধ্যে মিস্ত্রী, মাল সামান, কিছু প্যাকেট খাবার নিয়ে অফিসারেরা ফিরে এলো। পানির হাহাকার জানিয়ে লোকজন কয়েকবার পরিচালকের ঘরে এলো। সন্ধের আগ দিয়ে শুরু হলো লোড শেডিং। কয়েকটা মোমবাতি জ্বালালো দারোয়ানেরা। পানি নেই, আলো নেই। সন্ধে বেলারকামড়ানো গরম। ছেলেমেয়ে অভিভাবকদের নিরন্তর চলাফেরা। কেমন যেনো ভৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি করলো। মোমের আলোয় আবছা আঁধারে বসে মিস্ত্রিদের কাজের ধাতব কর্কশ শব্দ আরও নির্দয় করে তুলছিলো
পরিবেশকে।

দুঘন্টা একটানা কাজ করে মেরামত হলো পাম্প। শুরু হয়ে গেলো পানি ওঠানো। কাকতালীয়ভাবে বিদ্যুতও চলে এলো। পানির পাম্পের শব্দকে এড়িয়ে আলোর হাসি ছড়িয়ে পড়লো সদনের সর্বত্র।

আবার সবাই বসলো পরিচালকের ঘরে। রফিকই উতসাহের চোটে খাবার নিয়ে এলো। চা এলো ক্যান্টিন থেকে। রাত তখন সাড়ে নটা। গাঢ় হয়েছে সন্ধে। বুক চাপা ভাব দুর হয়ে গেছে সকলের। হাসি সকলের মুখে। তাসকিনার মুখেও প্রসন্ন হাসি। আনোয়ার বলে,

হিম্মত আছে আপনার আপা। গলা ঝেড়ে কষ্ট করে হাসে ও।
-সব সত কাজে হিম্মত লাগে আনোয়ার।
-আমরা বুঝতেই পারছিলামনা, কি করতে চাইছেন আপনি ম্যাম। আতাউর বলে।
-তোমাদের চোখের সামনে বসে একটা বেআইনি কাজের সিদ্ধান্ত নিচ্ছিলাম।

তাসকিনা নির্বিকারে বলে।


-পারেনও বটে ম্যাডাম। রায়হানা বলে।
-সতিই তাই ম্যাম। দুপাশে মাথা ঝাঁকিয়ে প্রসন্ন হাসিতে মুখ ভরিয়ে ইকবাল
বলে, জীবনে এমন কাজ দেখিনি ম্যাম।
-পদাধিকারে যা পারা যায় না, ভালো কাজের জন্য কিছু দূর্নীতি করলে তা পারা
যায়। শুধু আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে, মন্দ ধান্দা নিয়ে কাজটা করা হচ্ছে না।
-তবু কাজডা কেমন কেমন আপা, আনোয়ার বলে, টাকা পয়সার ব্যাপার বড়ো
খারাপ আপা। কে কখন কারে দুষে বলা যায় না।

তাসকিনা হাসে। ছোটো অন্তর হলে যা হয়। কিন্তু চটে গেলো অফিসারেরা।
রায়হানা বলে, কি বলতে চান আপনি?

-কি আর বলবে রায়হানা? এখন তো সবচেয়ে বড়ো দুর্নীতির নায়ক আনোয়ারই। তাসকিনা উচ্চারণ করে। কারণ, সব তার ফাইল থেকেই হয়েছে। অস্বীকার তো করতে পারবে না।

ভয়ে চেয়ার ছেড়ে দাঁড়িয়ে গেলো আনোয়ার। কথা আটকে গেলো তার গলায়। ফ্যাকাসে হয়ে গেলো মুখ। মনে হলো পড়ে যাবে সে।

-বসেন, বসেন আনোয়ার। সকলেই জানে, অনিয়ম বলেন দুর্নীতি বলেন, আমিই করেছি। আপনি কেনো ভয় পাচ্ছেন? এটাও ঠিক, প্রয়োজন হলে এইরকম দুর্নীতি আমি আরও করবো। আপনারা যতো পারেন নিন্দা করবেন। মজার ব্যাপার হলো, আপনারা নিন্দা করে, দুর্নীতির সত্য কাহিনি বলেও শান্তি
পাবেন না। অন্যদিকে, নিন্দামন্দের কাহিনি শুনেও আমি থাকবো শঙ্কাহীন।


উত্তম পরিবেশে সাফল্যের সাথে জাতীয় পুরস্কার প্রতিযোগিতা শেষ হলো। বারোটা শিশু কিশোর উপন্যাস প্রকাশিত হলো। বার্ষিক পত্রিকার সবকাজ শেষ। শিশুদের আঁকা ছবি থেকে বাছাই করে এই প্রথম প্রচ্ছদ করা হয়েছে।

নামি দামি শিল্পীদের পেছনে ছুটতে হলো না। বেঁচে গেলো কিছু টাকাও।

এক বছর কতোই আর সময়! শেষের মাসে, ইউনিসেফ থেকে কিছু বই উপহার দিয়েছিল শিশু সদনে। সেখানে আদিবাসী মেয়েদের ছবিতে ভর্তি। কিছু কিছু ছবিতে দেশের সংস্কৃতি পরিপন্থী ছবি। উদোম গায়ে বাচ্চাকে দুধ খাওয়াচ্ছে মা। কি পড়বে, কি শিখবে শিশুরা, তাই বুঝতা পারলো না তাসকিনা। ইউনিসেফ


মিটিং চেয়েছে। সেখানে সদনের অভিমত প্রয়োজন। মিটিং-এ মতান্তর হলো। তার মত হলো, দেশের গ্রামীন সমাজে দারিদ্র থাকতে পারে, তাই বলে উলঙ্গ বাচ্চা সামনে থেকে দেখাতে হবে? মায়ের উদোম গা দেখাতে হবে? ছেলে, বুড়ো, মসজিদের ইমাম, পর্দানশিন মহিলা, সবাই দেখবে এই ছবি? বিদেশিরা দেখবে।

বিশ্ব দেখবে বাঙলাদেশের এমন ভাবমূর্তি! মানতে পারেনি তাসকিনা।

ফেরত গেলো ইউনিসেফের বই। একটা টুওর প্রোগ্রাম ছিলো জাপানে। বর্জিত হলো তাসকিনা।

তবু সফল একটা বছর কেটেছে শিশু সদনে। স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে। দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চেয়েছিলো সে। তা পেরেছে। ইচ্ছে ছিলো, আর এক টার্ম কাজ করার।

দুর্নীতির অভিযোগে চুক্তির নবায়ন হলো না তাসকিনা রঞ্জনার।


--------------





লেখক পরিচিতি
বেগম জাহান অ্যাঁরা। 
গল্পকার, অনুবাদক।
বর্তমানে জার্মানিতে বসবাস করছেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন