রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২০

গল্পের শৈলী বিষয়ে মার্গারেট অ্যাটউডের লেখা: রিডিং ব্লাইন্ড



ভাষান্তর: নাহার তৃণা

যখনই আমাকে একটি "ভালো" গল্প লেখার উপায় সম্পর্কে বলতে বলা হয় অথবা কোন বিষয়টি একটি গল্পকে অন্য গল্পের চেয়ে "ভালো" করে তোলে তা বলাটা আমার জন্য খুব অস্বস্তিকর হয়ে পড়ে। আপনি যদি কী করে ভাল গল্প লেখা উচিত সে সম্পর্কিত কোন তালিকা বা নিয়ম তৈরি করেন, অন্য কেউ এসে সেই নিয়ম ভেঙ্গে ফেলতে পারে এবং আপনার জন্য সেটা সুখকর হবে না। ‘উচিত’ শব্দটি গল্প লেখার ক্ষেত্রে বিপজ্জনক এবং এটা মোটেও ব্যবহার করা উচিত নয়। এটা এমন একটা চ্যালেঞ্জ যা যে কোনো প্রতিভাধর মানুষের সৃষ্টিশীলতার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়ায়। পরবর্তীতে কোনো না কোনে একসময় কেউ এসে সেটাকে কাগজের খেলনা টুপির মতো তুচ্ছতার সাথে ব্যবহার করতে পারে।

আমরা একটা ভালো গল্পকে বিচার করার জন্য সেই গল্প কোন পদ্ধতিতে লেখা হয়েছে অথবা সেটা আকারে কত বড় সেই বিষয়কে বিবেচনা করি না, যেমনটা বৈশাখী মেলায় গিয়ে বড় সাইজের তরমুজের ক্ষেত্রে করে থাকি। একটা গল্পকে আমরা বিচার করি সেটা বুকের কতটা গভীরে গিয়ে আঘাত করেছে। যেটা নির্ভর করে গল্পের ভেতরের নানান উপাদান এবং শৈল্পিক রসায়নের মিশ্রণের উপর যা গল্পটিকে সুনির্মিত এবং সুসংহত করেছে। 

আমি অনেকবার "গল্পের কণ্ঠস্বরের" কথা বলেছি যা আসলে একটা বিস্তৃত বিষয়ের সংক্ষিপ্ত রূপ। তবে এর মাধ্যমে আমি যেটা বোঝাতে চেয়েছি তা হলো প্রতিটি গল্পের একটা কন্ঠ আছে যেমন প্রতিটি সঙ্গীতের সুর থাকে। এটা শুধু একটি পৃষ্ঠার মধ্যে কিছু কালো শব্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, কখনো কখনো এটা সময়কেও অতিক্রম করে যায়। চুড়ান্ত বিচারে সব গল্পেরই একটা কন্ঠস্বর থাকে, কাগজের পৃষ্ঠার কালো অক্ষরগুলো যদি শব্দে অনুদিত হয়ে কর্ণকুহরকে স্পর্শ না করে তাহলে সেই গল্প অর্থহীন। এমনকি আমরা যখন নিঃশব্দে কোনো ভালো গল্প পাঠ করি তখনও আমাদের কানে সেই শব্দ বেজে যায় যদি না সেটা ব্যাংক স্টেটমেন্ট জাতীয় কিছু হয়।

সম্ভবত, পারিবারিকভাবে গল্প বলার আসরের পুরোনো ভিক্টোরিয়ান রীতিটা বাতিল করে এবং আমাদের স্কুল পাঠ্যক্রম থেকে পুরোনো দিনের সেই গল্প পাঠ, স্মৃতিচারণ, আবৃত্তি এসব কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে আমরা লেখক এবং পাঠক উভয়কে গল্পের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু থেকে বঞ্চিত করেছি। আমরা তাদের বিশ্বাস করতে বাধ্য করেছি যে গদ্য বিষয়টা কেবল কিছু অধ্যায়ে বিভক্ত একটা বিষয়। সেখানে কোনো তাল লয় ছন্দ নেই। এটা যেহেতু সমতল পাতায় লিখিত এর সবকিছুই সোজা সরল নির্জীব। লিখিত শব্দের মধ্যে ড্রামের বাজনার মতো যে তাৎক্ষণিক আবেগ ফুটে বের হতে পারে, এটা দেখে সেরকম কিছু বোঝা যাবে না। এ যেন দূর থেকে দেখা কোনো দেয়াল চিত্রের মতো যেখান থেকে প্রকৃত কোনো সৌন্দর্য আবিষ্কার করা সম্ভব হয় না। এতে করে কখনো খুব নিন্মমানের সাহিত্যকে উচ্চমাত্রার বলে ভুল হতে পারে, উন্নত সাহিত্যকে খুব সাধারণ লাগতে পারে। আমি এ বছরের গোড়ার দিকে কয়েকজন তরুণ লেখকের কাছে জানতে চেয়েছিলাম তাদের কজন নিজের লেখাকে উচ্চস্বরে পাঠ করেছে? উত্তরে জেনেছি, তাদের একজনও পড়েনি। 

তাই বলে আমি বলছি না এখানে চোখের ভূমিকা নেই, অন্ধ হয়ে যেতে হবে। আমি কেবল কন্ঠস্বরের শক্তিকে পুনর্বহাল করতে চাইছি। যে কোনো উচ্চারিত শব্দ শ্রোতার জন্য অর্থবহ। লেখকের জন্য উপযুক্ত প্রশংসা বয়ে আনতে পারে। তাছাড়া উচ্চারণ করে সাহিত্যপাঠ করলে তাতে ফাঁকি দেবার অবকাশ থাকে না। কোনো শব্দ বাদ দিয়ে পাঠ করা যায় না। পুরোপুরি সবগুলো শব্দই পঠিত হয়।

আমাদের জীবনের প্রথম গল্পটি হাওয়ায় ভাসতে ভাসতে আমাদের কানে পৌঁছায়। আমরা কন্ঠস্বর থেকে নিঃসৃত গল্প শুনি। মুখে মুখে গল্প বলা সমাজের শিশুরা একটা গল্পের জালের মধ্যে বেড়ে ওঠে। সব সমাজেই তাই ঘটে। আমরা পড়তে শেখার আগে শুনতে শিখি। কিন্তু সেই শোনা জগতের অধিকাংশই হলো রেডিও বা টেলিভিশনে বড়দের নাটকীয় কিংবা নীরস কথাবার্তার সমাহার। বড়দের কথাবার্তার কিছু অংশ আবার নিষিদ্ধ বা নিন্দনীয় গুজব| সেসব কথাবার্তায় নানান অবৈধ অনৈতিক ফিসফিসানি থাকে। এসব কথাবার্তার অসম্পূর্ণ ফাঁকগুলো জোড়াতালি দিয়ে যেসব গল্প শিশুদের মগজে প্রবেশ করে সেটা একটা অবৈধ অনুচিত জ্ঞানসম্ভার।

জীবনের প্রথমভাগে আমরা সবাই সম্ভবত রান্নাঘরের বড় কানওয়ালা কলসীর মতো। চেপে যাওয়া কোনো কথা ফাঁস করে দিলে যাদের খারিজ করা হয়। কিংবা ডাইনিং টেবিলে প্রাপ্তবয়স্কদের রসালো গল্পের বাহক যারা কান পেতে অন্যের কথা গিলতে থাকে। লেখকরা হলো সেই গল্পবাহকদের মতো যারা কখনো তাদের বেফাঁস কথা বলার অভ্যেসটা ছাড়তে পারেনি। আমরা চোখ খোলা রাখতে শিখেছি, কিন্তু মুখ বন্ধ রাখতে শিখিনি।

যদি আমরা ভাগ্যবান হই তাহলে আমাদের উদ্দেশ্যে বলা কিছু গল্প শোনার সুযোগ আমাদের হতে পারে। তবে সে গল্পগুলো হবে বাইবেল থেকে তুলে আনা সরল শিশুতোষ গল্প কিংবা মিষ্টি মধুর রূপকথার গল্প। আমাদের ভাগ্য খুব ভালো হলে সেখানেও কিছু সারবস্তু থাকতে পারে। কিন্তু সেখানে কোনরকম খুনখারাবি, অগ্নিঝরা বাস্তবতার চিহ্ন থাকবে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেগুলো হবে পরিমিত মাপের সুশীল কিছু গল্প। তবে সে যাই হোক তা আমাদের কানে ভেসে আসা জোড়াতালি দেয়া উড়ো গল্পের চেয়ে বরং সেটা ভালো হবে। সেখানে বন, জঙ্গল, পর্বত, মরুভূমি, জন্তু, জানোয়ার ইত্যাদি থাকবে এবং গল্পগুলোর একটা সমাপনী থাকবে যা সেইসব অর্থহীন উড়ো হাওয়া থেকে পাওয়া গুজব আকীর্ণ গল্পের চেয়ে উন্নত হবে। 

একটা বয়স পর্যন্ত আমরা বুঝতে পারি না কোন গল্পটা সত্যি কোন গল্পটা বানোয়াট। যখন আমরা এটা বুঝতে পারি ততদিনে আমরা এটাও বুঝে ফেলি যে আমাদের জীবনে লেখকের চেয়ে দন্ত চিকিৎসকের প্রয়োজনীয়তাই বেশি।

ঐতিহ্যগতভাবে রান্নাঘরের গালগল্প কিংবা উড়ো গল্পসল্পের মা, দাদী, নানী থাকে। প্রত্যেকের মাতৃভাষায় এটা চালু রয়েছে। যে ধরনের গল্প শিশুদের বলা হয় সেগুলো রূপকথা বা ঠাকুরমার ঝুলি হিসেবে পরিচিত। এটা কোনো কাকতাল নয়। যেটা আমাকে খুব স্পর্শ করেছে তা হলো- একবার কিছু খ্যাতিমান লেখকের কাছে তাঁদের গল্প লেখার অনুপ্রেরণা হিসেবে সবচেয়ে প্রভাবশালী মানুষের কথা জানতে চাওয়া হয়েছিল। নারী পুরুষ নির্বিশেষে অধিকাংশ লেখকই বলেছিলেন যে তাঁরা তাঁদের মায়ের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। সম্ভবত ওই অঞ্চলের শিশুরা তাদের দাদুর(বাবার বাবা) কাছ থেকে কোনো গল্পের উত্তরাধিকারত্ব অর্জনে ব্যর্থ; যা কিনা গল্পের সূত্র অর্জনের ক্ষেত্রে দুদার্ন্ত এক ভাণ্ডার। যদি কখনো বাবারা শিশুদের দেখাশোনা করার দায়িত্ব নিতে এগিয়ে আসেন তাহলে হয়তো এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটতে পারে। সেরকম ক্ষেত্রে হয়তো প্রেরণার জায়গায় লেখকরা মা-দাদী-নানীর বদলে বাবা-দাদা-নানার কথা বলবেন। 

জীবনের শুরুতে আমরা দু ধরনের গল্পের মুখোমুখি হই। প্রথমটি হলো সাজানো গোছানো রূপকথার গল্প, অন্যটি হলো কানে ভেসে আসা টুকরো টাকরা বিচ্ছিন্ন কানকথা যাকে জোড়া দিয়ে আমরা নিজের মতো করে গল্প বানাই। সম্ভবত এই দুই ধরনের গল্পের মধ্যে যে সংঘর্ষ বাধে তাকেই আমরা বলি বাস্তব জীবন। (লোভী লেখকরা এটাকেই গল্পের মালমশলা হিসেবে দেখেন)। প্রায়শই এমন ব্যাপারগুলোকে ‘নিছক সাহিত্য’ কিংবা ‘এ কেবল গল্পের মধ্যেই ঘটতে পারে’ বলে উড়িয়ে দেয়া হয়। যে লেখকের মধ্যে জীবনবোধ নেই তিনি কেবল কাগজের ওপর কিছু নীরস অক্ষর লিপিবদ্ধ করে যাবেন, যেসব ঘটনার বিবরণ দেবেন তা কেবল ওই কাগজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে, সেখান থেকে কোনো আবেগ অনুভূতির ঝলক উৎসারিত হবে না। যার তুলনা হতে পারে বাসের ঠাসাঠাসি ভিড়ের মধ্যে সহযাত্রীর নীরস বকবকানি শোনার সাথে। অথবা Raymond Chandle যেমন বলেছেন তাঁর লেখা “The Simple ‘Art of Murder” বইতে “All language: begins with speech, and the speech of common men at that, but when it develops to: the Point of becoming a literary medium it only looks like speech.” 

শুধু নিজেকে প্রকাশ করা আপনার জন্য যথেষ্ট নয়। আপনাকে অবশ্যই গল্পটি বলতে হবে। আমি একটা ভালো গল্পের মধ্যে কী দেখতে চাই? আমি যা দেখতে চাই তা হলো বাচ্চারা একটা গল্পের মধ্যে যা খোঁজে সেরকম কিছু থাকতে হবে। সেটা লেখক ও পাঠক উভয়ের জন্য লাভজনক হয়। তারা গল্পের শেষ পর্যন্ত তাদের মনোযোগ ধরে রাখতে চায় এবং আমিও তাই চাই। আমি কোনো গল্পের শেষ পর্যন্ত না যাওয়া অবধি থামি না। যদি এমন হয় যে আমি একটা গল্প পড়তে গিয়ে পাতার পর পাতা উল্টে যাবার সময় কোনো পাতা বাদ গেল। পরে খেই হারিয়ে আবারো পেছনদিকের পাতাগুলো উল্টে দেখতে গেলে দেখা যাবে গল্পটিকে আমি হারিয়ে ফেলেছি এবং গল্পটিও আমাকে হারিয়ে ফেলেছে।

শিশুরা সাধারণত ভাবতে পছন্দ করে যে তাদের গল্পটি সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত। অর্থাৎ তারা গল্পের কথককে বিশ্বাস করতে চায়। শিশুদের ক্ষেত্রে এই বিশ্বাস করার ব্যাপারটা খুব সহজ সরল ব্যাপার। শিশুরা শুধু এটুকু নিশ্চয়তা চায় যে গল্পের কথক মাঝপথে গল্পটি থামিয়ে দেবেন না। অথবা তাদের কল্পনায় নায়ক ও ভিলেনের অবস্থান যেমনটা থাকার কথা সেরকম থাকবে, তাদের চরিত্রের মধ্যে কোনো হেরফের ঘটবে না। 

একটু বয়স্ক এবং পরিণত পাঠকের চাহিদা যদিও অনেক বেশি জটিল, তবু সেখানেও কিছু ব্যাপার আছে যা মেনে চলতে হয়। যদিও গল্পটা খুব হাসিরও হয় কিন্তু তার ভাষাটা ঠিক থাকতে হবে। পাত্রপাত্রীর আচার আচরণ পোশাক আশাকে কোনো রকম বৈসাদৃশ্য থাকা চলবে না। একটা ভালো গল্পের মধ্যেও নানান রকমের অসঙ্গত উপদান থাকে, কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে গল্পের মূল অংশকে সেটা যেন প্রভাবিত না করে। গল্পের শুরুতে যদি যদি কোনো প্রতিশ্রুতির আভাস থাকে, শেষ পর্যায়ে গিয়ে সেটা যেন রক্ষিত হয়। পর্দার আড়ালে যত রহস্যই থাকুক গল্প শেষ হবার আগেই যেন সেটা প্রকাশিত হয়। গল্পের সমাপ্তিতে যেন অপ্রত্যাশিত কিছু থাকে এবং সেটা যেন অনিবার্য হয়। 

গল্পের মধ্যে যেসব রহস্য ধাঁধা কৌতুক থাকে সেগুলোর উত্তর যেন পাঠক আগে ভাগে পেয়ে না যায়। লেখক তাদেরকে যেন এমনভাবে উপস্থাপন করতে পারেন যাতে তারা শেষ পর্যায়ে গিয়ে পরিপূর্ণ আনন্দ এবং বিস্ময়ের ছোঁয়া পেতে পারেন। যদি পাঠক আগেই রহস্য জেনে ফেলেন, লেখক ব্যাপারটা গুবলেট করে ফেলেন তাহলে সেই গল্পটা ব্যর্থ হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে। একটা গল্প নানান কারণে ব্যর্থ হয়, তবে এটা অন্যতম একটা কারণ।

কেউ যখন শিশুদের জন্য গল্প লেখেন তাদের এমন কিছু বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া উচিত যেটি ছাড়া কোনো গল্পই জমতে পারে না। শিশুদের ক্ষেত্রে গল্পের মধ্যে যেসব বিষয় আছে তার সবকিছু নিয়ে মাথাব্যথা থাকে না। তারা যখন একটা গল্প শুনতে চায় তখন সেটা খুব মনোযোগ দিয়ে শুনতে চায়, তারা কথকের মনোযোগটাকে খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখে। তাদেরকে গল্পটি বলার সময় ভাষা এবং ভঙ্গি দুটোকে আকর্ষণীয় রাখতে হবে যেন তারা বিরক্ত বোধ না করে। গল্পের মধ্যে যেসব উপাদান আছে হোক সেটা ব্যথা বেদনা কিংবা ফিসফিসানি, সেটা যেন কথকের চেহারায় ভেসে ওঠে। এখানে Ancient Mariner এর টানটান উত্তেজনাময় বর্ণনার কথাটা মাথায় রাখতে পারেন। অর্থাৎ পরিস্হিতি এমনভাবে তৈরি করতে হবে যে গল্পটা আমাকে বলতেই হবে, এবং গল্পটা তোমাকেও শুনতেই হবে। 

তবে সেরকম উত্তেজনাকর পরিস্থিতি যেন মাত্রা না ছাড়ায় সেটাও যেন খেয়াল থাকে। গল্পটির মধ্যে গল্প থাকতে হবে এটাই হলো মোদ্দা কথা- কোনো গল্প ছাড়া, ঘটনা ছাড়া ফাঁকা আওয়াজ হাস্যকর পরিস্থিতি তৈরী করবে। গল্পটি এমনভাবে বলতে হবে যেন এটার উপর গল্পকথকের জীবন মরণ নির্ভর করছে। সত্যি কিন্তু তাই। যখন আপনি একটি গল্পের লেখক আপনার আয়ুষ্কাল নির্ভর করবে গল্পটির সমাপ্তি রেখার উপর। পাঠক আপনাকে চেনে না, তারা চেনে গল্পটিকে। তাই গল্পটির আয়ুই হলো আপনার আয়ুষ্কাল। তারা আপনাকে ভুলে গেলেও আপনার গল্পকে মনে রাখবে। আবার ওই গল্পের মাধ্যমেই ঘটতে পারে আপনার পুনর্জীবন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন