শনিবার, ১৫ মে, ২০২১

দেবর্ষি সারগী'র গল্প : নিষিদ্ধ শহর



ভেতরে ঢোকার কিছুক্ষণের মধ্যেই বুঝতে পারলাম আমি একটা নিষিদ্ধ শহরে ঢুকে পড়েছি। চারপাশ উঁচু প্রাচীর দিয়ে ঘেরা শহরটার একটা ছোট ফটক কোনো কারণে খোলা পড়েছিল এবং কিছু না ভেবে আমিও ভেতরে ঢুকে পড়েছি। চাঁদের আলোয় চারপাশের বাড়িঘরের আশ্চর্য সৌন্দর্য দেখতে দেখতে একটা সরু গলি দিয়ে অনেকটা হেঁটে যাওয়ার পর হঠাৎ পেছনে জোরে জোরে শ্বাস ফেলার শব্দ শুনতে পাই। ঘাড় ঘুরিয়ে দেখি একটা প্রকাণ্ড নেকড়ে গোছের কুকুর জিভ বার করে আমার দিকে তাকিয়ে। বুঝলাম সে আমাকে নিঃশব্দে অনুসরণ করে চলেছে। শোরগোল না তুলে-- শুধু জোরে জোরে শ্বাস ফেলার শব্দ ছাড়া। আমার বেরিয়ে যাওয়া উচিত ভেবে আমি কুকুরটার পাশ দিয়ে উলটোদিকে হেঁটে ফটকের কাছে ফিরে গিয়ে দেখি ওটা বন্ধ। আশপাশে কোনো দ্বাররক্ষীকে দেখতে পেলাম না। ফটকটা কে খুলে রেখেছিল আর কে বন্ধ করল, কিছু বুঝতে পারলাম না। একটু দূরে দাঁড়িয়ে কুকুরটা জিভ বার করে আমার দিকে তাকিয়ে। ভয় করলেও আমি ভাবছিলাম আমি তো কোনো খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে শহরটায় আসিনি। বা এরকমও নয় যে শহরটা নিষিদ্ধ জেনেও আমি এখানে ঢুকেছি। ঠিক করলাম সকাল হতেই এখান থেকে চলে যাব। ফটকটা খুলে দিতে অনুরোধ করে দ্বাররক্ষীকে বলব আমার ভুল হয়ে গিয়েছে।

চাঁদেরর আলোয় শহরটাকে খুব আকর্ষক মনে হচ্ছিল। বিশেষ করে নিখুঁত গোলাকার বা পেঁয়াজের মতো তীক্ষ্ণচূড়া গম্বুজগুলোকে। বাড়িগুলো পরস্পরের এত গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে যে মনে হচ্ছিল ওরা সবাই একদল খুব সতর্ক বন্ধুর মতো। কোথাও কোনো ফাঁকা মাঠ চোখে পড়ল না। গাছপালাও বিশেষ নেই। যা আছে তার বেশিরভাগই খেজুর গাছ। রাস্তাগুলো সরু, এবং স্পষ্ট জ্যামিতিক রেখার মতো নানা জায়গায় ঘুরে গিয়েছে।

আমার ভালো লাগছিল হেঁটে বেড়াতে, যদিও কুকুরটাও জোরে জোরে শ্বাস ফেলতে ফেলতে হেঁটে যাচ্ছিল আমার ঠিক পেছনে পেছনে। থেমে পড়ে আমি পেছনে তাকাতেই দেখি সে জিভ বার করে তাকিয়ে আছে আমার দিকে। প্রশান্ত, হাস্যময় মুখ। চোখ বা ঠোঁটে হিংস্রতা নেই। সেটা হয়তো এ কারণে যে সে নিশ্চিত জানে আমি এখান থেকে বেরোবার চেষ্টা করলেই আমাকে ছিড়ে ফেলবে।

ঠিক করলাম রাতটা শহরে ঘুরে ঘুরেই কাটিয়ে দেব। বাড়িগুলো, প্রাচীরগুলো, এমনকী রাস্তাগুলোও যেন পরস্পরের সঙ্গে আঠার মতো লেগে আছে, যেন গোটা শহরটা একটা সংঘবদ্ধ পরিবার। কোথাও অনাবশ্যক ফাঁক নেই ফাঁকা জমি নেই। একবার আমি দক্ষিণদিকের একটা প্রাচীর ও ফটকের কাছে পৌঁছতেই দেখি একটা একইরকম প্রকাণ্ড কুকুর নিঃশব্দে লাফ দিয়ে আমার সামনে এসে দাঁড়াল, তারপর নীরব, হাস্যময় মুখে জিভ বার করে তাকিয়ে থাকল আমার দিকে, অবিকল আগের কুকুরটার মতো। বুঝলাম সে-ও আমাকে পাহারা দিচ্ছে। এভাবে আমি চারটে ফটকের কাছে চারটে কুকুর দেখলাম। কিন্তু যা দেখে ভয়ানক চমকে উঠলাম সেটা কুকুর নয়, একটা মানুষ। একটা গলির মুখে দেখি একজন লম্বা, রোগা লোক এগিয়ে আসছে আমার দিকে, খুব ধীর পায়ে এবং আমার কাছে আসার পর আঁতকে উঠে লক্ষ করলাম তার চোখ দুটোর কোটরে চোখ নেই, দু-টুকরো জ্বলন্ত অঙ্গার। হতবাক দৃষ্টিতে আমি তাকিয়ে থাকি তার দিকে।

‘আমি কাছাকাছি এমন কারও গন্ধ পাচ্ছি যে বহিরাগত’, লোকটা বলল শান্ত কিন্তু উদ্বিগ্ন গলায়।

‘আপনি ঠিকই বলেছেন’, কাছে এগিয়ে গিয়ে আমি বললাম। ‘আমি এই শহরে হঠাৎ ঢুকে পড়েছি’।

এবং ‘ভুল করেছ’, সে বলল, এবার একটু বেদনার্ত গলায় যেন। ‘কারণ আর কখনোই এখান থেকে বেরোতে পারবে না’।

আমার বুক কাঁপতে লাগল। কিছুক্ষণ কোনো কথাই বলতে পারলাম না। ‘যেরকম আমি আর কখনো বেরোতে পারিনি’, লোকটা বলল।

‘কিন্তু আমি তো জোর করে ঢুকিনি। আমি জানতামই না এটা একটা নিষিদ্ধ শহর’।

‘আমিও জানতাম না। আমি তো এটাও জানতাম না যে এখানে কোনো শহর আছে। আসলে বহু বছর ধরে আমি খুঁজছিলাম এখান থেকে একটু দূরে যে দীর্ঘ নদীটা বয়ে চলেছে সেটা যেখানে গিয়ে মিশেছে সেই জায়গাটা। ওই জায়গাটা আমি কোনোদিনই খুঁজে পাইনি। একটা নদী ঘুরে ঘুরে বয়ে চলেছে একটা বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে, কিন্তু তার অন্তিম মিলনস্থল কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না— এরকম রহস্যময় নদীর কথা এর আগে শুনিনি। এই নদীটাই আমাকে এখানে টেনে আনে। তারপর এক শীতের কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরে কোনো এক ঘোরের মধ্যে যেন টলতে টলতে আমি এই অস্পষ্ট শহরটায় ঢুকে পড়ি। সেদিনও এটার একটা ফটক কোনো কারণে খোলা পড়েছিল।

“আর আপনার জ্বলন্ত চোখের ব্যাপারটা?’

‘এটা একটা আশ্চর্য নিষ্ঠুরতা এবং এটার রহস্যও আমি আজ পর্যন্ত ভেদ করতে পারিনি। এখানকার মানুষ মৃত্যুকে তুচ্ছ মনে করে কিন্তু নিষ্ঠুরতাকে গুরুত্ব দেয়। নিষিদ্ধ শহরে ঢোকার অভিযোগে ওরা আমার চোখের ভেতরে তীক্ষ্ণ আঙুল ঢুকিয়ে চোখ বার করে নিল। তারপর ক্ষত শুকোনোর পর সেখানে রাতের বেলায় দু-টুকরো অঙ্গার রেখে দিতে লাগল। নিছক মজা করার জন্য। আমাকে নাকি তখন অন্ধকারে চোখ জ্বলতে থাকা পশুদের মতো দেখায়, অথচ আমি পশু নই, মানুষ। এটার মধ্যে যে একটা মজা ও বিস্ময় আছে, সেটাই তারা খুব উপভোগ করে। নিষ্ঠুরতার চর্চা এখানে একটা মহৎ দর্শন, মহৎ শিল্প ও আনন্দ। এর ফলে শহরটা সম্ভবত কখনোই নিষ্ঠুরতা থেকে মুক্ত হতে পারবে না’।

একঝাঁক খুব বড় বড় কিছু প্রাণী হঠাৎ কর্কশ চিৎকার করতে করতে আকাশ দিয়ে উড়ে গেল।

‘আমার মতো আরও কিছু লোক এখানে চোখের কোটরে জ্বলন্ত অঙ্গার রেখে রাতে ঘুরে বেড়ায়। তবে বহিরাগতদের সবাইকে এরা একইরকম শাস্তি দেয় না। কারও পা-দুটো কেটে নেয়। কারও ওপর লেলিয়ে দেয় এখানকার শিক্ষণপ্রাপ্ত ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের, হিংস্রতায় যারা বুনো কুকুরদের চেয়েও ভয়ংকর। তারা দাঁত ও নখ দিয়ে লোকটার সারা শরীর ক্ষতবিক্ষত করে দেয়। তবে ভাগ্যবানদের এরা তরোয়ালের এক কোপে মেরে ফেলে। সবই নির্ভর করছে এখানকার একটু খেয়ালি, আবেগপ্রবণ শাসক কী চান তার ওপর’।

‘যা ভেবে অবাক লাগছে সেটা হল, শিল্প ও নিষ্ঠুরতাকে এরা একই সঙ্গে চর্চা করে’, আমি বললাম। ‘এখানকার স্থাপত্যের সৌন্দর্যে অভিভূত হয়ে যেতে হয়’।

‘অন্ধ হবার আগে আমারও ওটা কয়েক মুহূর্তের জন্য লক্ষ করার সৌভাগ্য হয়েছিল’।

গম্বুজের চুড়াগুলো চাঁদের আলোয় যেন কোনো শান্ত, সুখী, ঢালু প্রান্তরের মতো দেখাচ্ছিল।। ওখানে যেন নিশ্চিন্তে শুয়ে থাকা যায়।

‘এদের মতে এই শহরটা এরা তৈরি করেনি। কারা তৈরি করেছে কেউ জানে না। তবে একটা জিনিস এরা নিশ্চিতভাবে জানে। সেটা হল, এখানে ঢোকার বা থাকার অধিকার সকলের নেই। এখানে থাকতে পারে শুধু তারাই, দেবতারা যাদের হাত ধরে এখানে নিয়ে আসেন। অন্য ভাষায়, এখানেই যারা জন্মগ্রহণ করে’।

ক্রমে ভোর হতে লাগল। যেন আকাশে নয়, আমার কাঁপতে থাকা বুকের ভেতর ভোরটা হচ্ছে।

আমাকে প্রথমে দেখতে পায় একটা বাড়ির জানলায় দাঁড়িয়ে কাশতে থাকা একজন থুথুড়ে বুড়ো, নিজের ঘন সাদা ভুরুর জঙ্গল ভেদ করে। তারপর খনখনে গলায় চিৎকার করে বলতে থাকে, ‘খাঁচায় আজ আবার একটা ঘৃণ্য, দুর্গন্ধময় ছুঁচো ধরা পড়েছে! শুনছ? বেরিয়ে এসো সবাই-- ওকে ধরো!’

কাশতে কাশতে বুড়োটা চেঁচিয়ে গেল। কিছুক্ষণের মধ্যেই আমাকে ঘিরে একটা প্রকাণ্ড ভিড় তৈরি হল। সেই ভিড়ে কারও কারও হাতে নানারকম ধারালো অস্ত্রও। ছোট ছোট শিশুদের আঙুলের নখ পাখির ঠোঁটের মতো বাঁকানো। আর দৃষ্টিতে প্রত্যেকেরই আগ্নেয়গিরির তেজ ও উত্তেজনা।

দু-একজন ছুটে এসে চড় মারল আমার গালে। কয়েকজন থুতু ছিটাল। তারপর আমাকে ঠেলে ঠেলে নিয়ে যেতে লাগল এখানকার শাসকের কাছে। বুঝলাম তিনিই ঠিক করবেন আমার ভাগ্য।

অনেক দূরে দেখতে পেলাম খুব উঁচু একটা উট গলা বাড়িয়ে স্নিগ্ধ, প্রশান্ত ঠোটে আকাশের গা চাটছে।

একটা বড় হলঘরে এসে শাসক বসলেন। ঘুমের জন্য চোখ দুটো তখনও ফোলা। তবে মুখটা অন্যদের চেয়ে শান্ত।

‘এখানে ঢুকে পড়ে তুমি পৃথিবীর পবিত্রতম শহরটাকেই শুধু অপবিত্র করোনি, নিজের সুখ ও শান্তিকেও চিরকালের জন্য হত্যা করেছ।’

‘আপনি দয়া করে আমাকে মেরে ফেলার হুকুম দিন!' আমি তাড়াতাড়ি বলে উঠলাম। আমি জানতাম এই শহর থেকে বেরোবার কোনো সম্ভাবনাই আমার নেই। তাই পা-দুটো বা চোখ হারাবার চেয়ে মরে যাওয়াটাই আমার বেশি কাম্য বলে মনে হল।

শাসক অবাক দৃষ্টিতে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলেন আমার দিকে।

‘সেই প্রকৃত সাহসী, যে মরতে ভয় পায় না। তোমার সাহস আমাকে খুশি করেছে। আমি সত্যি খুশি হয়েছি তোমার সাহসে’।

ক্ষিপ্ত জনতারাও হঠাৎ সব স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে।

‘হত্যা করার অধিকার পাওয়া এবং হত্যা করা— এই দুইয়ের মধ্যে এক অর্থে বেশি তফাত নেই’, শাসক বললেন আমার দিকে নিষ্পলক তাকিয়ে। ‘ফলে এটা ধরে নিচ্ছি যে তোমাকে হত্যা করা আমার হয়েই গিয়েছে। অন্যভাবে বলতে গেলে, তুমি মারাই গিয়েছ। আমি শুধু একটা ব্যাপারে একটু জানতে উৎসুক। মৃত্যু যখন অবধারিত, তখন মানুষ শুধু সত্যি কথাটা বলে। কারণ সত্যি কথা বলতে আর ভয় পায় না। তুমি কি আমাকে একটা সত্যি কথা বলবে?’

আমি চুপ করে থাকি। এটা ঘটনা যে পৃথিবীর যে কোনো সত্য বলতে আমি তখন প্রস্তুত ছিলাম।

‘আমি জানতে চাইছি, এই মুহূর্তে তুমি কী ভাবছ? জীবনের গভীরতম নাটকীয় মুহূর্তগুলোয় একজন মানুষ ঠিক কী ভাবে সেটা জানতে আমি চিরকালই খুব আগ্রহ বোধ করেছি’।

‘এই শহরকে অপরের কাছে নিষিদ্ধ করার মধ্য দিয়ে আপনারা বাকি জগৎটাকে নিজেদের কাছে নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন।’

শাসক স্তব্ধ হয়ে বসে থাকেন কিছুক্ষণ। স্থির দৃষ্টি আমার ওপর নিবদ্ধ। আমি বুঝতে পারলামই তিনি ঘাতককে নির্দেশ দেবেন এক্ষুণি তাঁর সামনেই আমাকে হত্যা করতে।

‘কিন্তু আমি বা আমার শহরবাসীরা তো পৃথিবীর অন্যান্য শহরে যাই। আমাদের তো কেউ বাধা দিতে পারে না।’

‘গেলেও আপনারা কোথাও স্বস্তি পান না। তাড়াতাড়ি এখানে ফিরে আসতে অস্থির হয়ে ওঠেন।’

শাসক আবার চুপ করে থাকলেন।

‘এতে কোনো সন্দেহই নেই যে তুমি নির্ভয়ে তোমার হৃদয়ের একেবারে সত্যি কথাটা বলেছ। আমি খুশি। এবং এই প্রথম এই শহরে পা ফেলার জন্য আমি কোনো বিধর্মীকে মুক্তি দিলাম। তুমি চলে যেতে পারো।’

আমার বিশ্বাস হচ্ছিল না। ভাবলাম এই ধূর্ত, আবেগপ্রবণ শাসক আমার সঙ্গে আরও নিষ্ঠুর কোনো খেলায় মেতেছেন। হয়তো আমাকে হত্যা করার ভয়ংকরতম কোনো কৌশল ফেঁদেছেন। কিন্তু তিনি একজন রক্ষীকে নির্দেশ দিলেন আমাকে শহরের প্রধান ফটকটা পর্যন্ত এগিয়ে দিতে।

আমি কৃতজ্ঞতার দৃষ্টিতে এক পলক তাকালাম তাঁর দিকে। আমার চোখ ছলছল করছিল। কিন্তু তাঁর দৃষ্টিতে তখনও বিস্ময়।

‘আর একটা কথা বলে যাও’, হঠাৎ পেছন থেকে ডাক দিলেন তিনি। ‘আমি তোমাকে অপ্রত্যাশিতভাবে মুক্তি দিচ্ছি। এই নাটকীয় মুহূর্তেও তুমি কী ভাবছ?”

এবার যা বললাম সেটা বলতে আমার বুক একটু কেঁপে উঠছিল। হয়তো আবার বাঁচার আশ্বাসই আমাকে দুর্বল করে দেয়।

‘আমার মনে হচ্ছে, কম্পিত গলায় আমি বললাম, ‘আমি পৃথিবীর সবচেয়ে অপবিত্র শহর থেকে বেরিয়ে যাচ্ছি।'

কথাটা বলে আমি শাসকের মুখের দিকে তাকাবার সাহস পাইনি। আমার চোখ দিয়ে অশ্রু গড়াচ্ছিল। প্রহরীর নির্দেশে প্রধান ফটকের দিকে হাঁটতে লাগলাম। হাঁটতে হাঁটতে চারপাশের ঘরবাড়ির সৌন্দর্যের দিকে তাকিয়ে আবার অভিভুত হলাম। আর কখনো এখানে প্রবেশ করে এসব দেখতে পাব না ভেবে কষ্টও হতে লাগল।

1 টি মন্তব্য:

  1. অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক, সকল সময়ে সমসাময়িক, অসামান্য মেধাবী লেখা।

    উত্তরমুছুন