সোমবার, ১০ মার্চ, ২০১৪

রূপঙ্কর সরকারের গল্প পিঁপড়ে

ঢং ঢং করে বারোটা ঘন্টা পড়ল মল্লিকবাড়ির ঘড়িতে। এই আওয়াজটা রতনের খুব ভাল লাগে। মল্লিকবাড়ির থেকে রতনদের এই জানলাটা যে খুব কাছে, তা নয়। তবু, সে বাড়ির সব আওয়াজ খুব স্পষ্ট শোনা যায় এখান থেকে। রতন এটা ঠিক বুঝে গেছে, যে একটা বাড়ি কতটা উঁচু বা কতটা দূরে, তার সঙ্গে সেখানে শব্দ পৌঁছনোর কোনও সম্পর্ক নেই। শব্দের গতি কেমন যেন অদ্ভুত। ঢং ঢং করে বারোটা বাজল, রাত বারোটা। এইরকম রাত বারোটায় ঘড়ির ঘন্টা বাজা নিয়ে দাদাইদের আমলে গোয়েন্দা গল্প টল্প লেখা হত। নীহার রঞ্জন গুপ্তর কয়েকটা বই দাদাইয়ের আলমারিতে পেয়েছে রতন। বেশ লাগে পড়তে। এখনকার ঘড়িতে অমন সুন্দর ঘন্টা বাজেনা। মল্লিক বাড়ি বলেই এমন ঘন্টা শোনা যায়। ওদের বাড়িতে অনেক পুরোন জিনিষ আছে। বিজয়ার প্রনাম সারতে গেলে রতনকে লালজেঠু দেখান সে সব। কতকালের অ্যান্টিক জিনিষপ্ত্র। লালজেঠু খুব যত্নে রেখেছেন জিনিষগুলো।


ঢং ঢং করে বারোটা বাজল। আচ্ছা, বারোটা বাজলে ঘন্টা পড়া শুরু হয়, না বারোখানা ঘন্টা পড়ে গেলে তখন বারোটা বাজে? এটা আগে কোনওদিন মাথায় আসেনি, আজ এল। কিন্তু এসেও লাভ কিছু হ’লনা, কারণ প্রথম ঘন্টাটা পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই আলো নিভে গেল। ঘড়ি দেখার উপায় নেই। রতনদের বাড়িতে ইনভার্টার নেই। কেন নেই তা রতন জানেনা, কিন্তু নেই। তবে ইন্সট্যান্ট লাইট আছে। সেটা কেউ জ্বালছেনা কেন? লিভিং রুম থেকে বাবার গর্জন কানে এল, কোনও মানে হয়, শুয়োবাচ্চারা আর সময় পেলনা? রায়নার সেঞ্চুরিটা –ইস্‌। দাদাই বাবাকে অনেকবার বলেছে, ছেলেমেয়েদের সামনে মুখ খারাপ করিসনা। বাবা শোনার পাত্র না। দাদাই মরে যাবার পর আর বলারও কেউ নেই। আজকেরটা তো তাও অনেক নিরামিষ। বারোটার মধ্যে এবাড়িতে ঘুমোয় একমাত্র মা। শোবার ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছে। কী ব্যাপার, লোডশেডিং? এত রাতে? এসিটা বন্ধ হয়ে গেল। কী করে ঘুমোব? রায়নার সেঞ্চুরি যে দেখতে পায়নি, সে এমনিতেই তিরিক্ষে মেজাজে ছিল। বলল, কেন, এসি না চললে ঘুম হয়না? তোমার মা দিদিমা সারা জীবন না ঘুমিয়ে কাটিয়েছে নাকি? বারুদে আগুন ধরে গেল। - অসভ্য, ইতরের মত কথা বলবেনা। কথায় কথায় মা দিদিমা কে না টেনে কিছু বলা অভ্যেস নেই না? কবে ডিভোর্স নেব ঠিক করেছিলাম। জাস্ট ছেলেমেয়ে দুটোর মুখ চেয়ে – ওদিকেও ছাড়াছাড়ি নেই – ও ব্বাবা, উনি নাকি ডিভোর্স নেবেন। তা এলিমনির টাকা কোন ঠিকানায় যাবে? কেয়ার অফ বটতলা না বৌবাজার ? কোনও গেরস্ত বাড়িতে তো ঠাঁই হবেনা। - ইতর, জানোয়ার, ছোটলোক, মুখের ভাষা শুনলেই বোঝা যায় কার বৌবাজারে জন্ম – দড়াম করে দরজা বন্ধ করে পিঁপড়ে চলে এসেছে এঘরে। বলল, দাদা, আজ রাত্তিরটা দারুন কাটবে জানিস?

রতন বলল, পিঁপড়ে, ইন্সট্যান্ট লাইটটা আনলিনা? কিচ্ছু দেখতে পাচ্ছিনা তো। পিঁপড়ে হেভি খচে গেল। তোকে হাজার বার বলেছিনা, বোনটি, বুনু, এইসব বলে ডাকবি। পিঁপড়ে আবার কী। রতন বলল, কি আশ্চর্য, আমি কি তোর নাম রেখেছি নাকি। যা নাম তাই ধরে ডাকছি তো। যাক গে, লাইটটা আনলিনা? পিঁপড়ে বলল, সেটা তো জ্বলছেনা। বহুদিন চার্জ দেয়নি বোধহয়। অ্যাই দাদা, ওদিকে দ্যাখ – বলে এমন গলা করল, মনে হ’ল খুব ভয় পেয়েছে। রতনের হাতের ওপর দিকটা খামচে ধরেছে, - দেখেছিস? রতন বলল, সবই তো অন্ধকার, দেখবটা কী। পিঁপড়ে বলল, বড় রাস্তার মোড়ে ওই বিশাল ফ্ল্যাট বাড়িটা দেখছিস ? রতন বলল, হ্যাঁ দেখছিতো, ওটাও অন্ধকার। ও, ওদের তো জেনারেটর আছে, তাই বলছিস তো? হয়ত কোনও কারনে খারাপ। পিঁপড়ে বলল, খারাপ? জেনারেটর খারাপ, অতগুলো ফ্ল্যাটের একটাতেও ইনভার্টার নেই, কারো কাছে ইন্সট্যান্ট লাইট নেই, কোথাও আলো জ্বালবার কিচ্ছু নেই? রতন বলল, আরে বারোটা বেজে গেছেনা, লোকে ঘুমিয়ে টুমিয়ে পড়েছে সবাই। পিঁপড়ে বলল, সবাই? আজকাল লোকে বারোটায় ঘুমোয়? তুই জেগে আছিস কেন, আমি জেগে আছি কেন, বাবা নাহয় খেলা দেখছিল, বাকিরা? দাদা, ব্যাপারটা ভাল ঠেকছেনা, ফ্ল্যাট বাড়িটা বাদ দে, জানলা দিয়ে যতদূর দেখা যাচ্ছে, একটাও আলো দেখছিস? রতন বলল, ওই তো আলো, আলো কোথাও নেই বললি? পিঁপড়ে বলল, ওগুলো মোমবাতি, টিমটিমে। আমি বড় আলোর কথা বলছি। দাদা, আমার কেমন যেন ভয় করছে। আমাদের জানলা দিয়ে তো অনেকদূর দেখা যায়। বড়রাস্তার ওদিকে তো সব লম্বা লম্বা বাড়ি। কোত্থাও কেউ আলো জ্বালেনি এটা হতে পারে?

ঠং ঠ্যান ঠ্যান করে আওয়াজ হল। পিঁপড়ে বলল, ওইযে, কাপ ডিস ছোঁড়াছুঁড়ি শুরু হয়ে গেছে। রতন বলল, হোকগে, পয়সা আছে, আবার কিনবে। ভাগ্যিস আলো নেই। তাই ডাইনিং টেবিলে যে কটা ছিল, সেকটাই গেল। কিন্তু কথা হচ্ছে, তুই যা বললি, সেটাও তো ফ্যালনা নয়, আমার মোবাইলটা খুঁজে দে তো, বড়মামাকে একটা ফোন করি। নর্থে তো এই অবস্থা, সাউথে কী খবর। বড়মামা এই সময়ে জেগেই থাকে। না থাকলেও ভুতু তো থাকবেই। পিঁপড়ে বলল, একিরে, মোবাইলও তো বন্ধ, অন হচ্ছেনা, চার্জ দিসনি? রতন বলল, সে কি, যতদূর মনে পড়ছে পরশুই চার্জ দিয়েছি, এত তাড়াতড়ি যাবার তো কথা নয়। আজকাল ব্যাটারি ফ্যাটারিও দুনম্বরি। তোরটা আনতে পারবি? পিঁপড়ে বলল, এখন কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের মাঠ পেরিয়ে যেতে হবে? রতন বলল, যা না, পিঁপড়ে সোনা। পিঁপড়ে বলল, যাবনা যাঃ। খালি খালি পিঁপড়ে বলে ডাকা। কে দিয়েছিল আমার এই বিচ্ছিরি নাম, শুনি? রতন বলল, আরে বাবা রাগিস কেন। ছোট্টবেলায় তোর ডাক নাম ছিল চিন্টু, সেখান থেকে মা করল চিন্টি। দাদাই বলল, ও তার মানে তো হিন্দী পিঁপড়ে, ব্যাস হয়ে গেল পিঁপড়ে। আচ্ছা আচ্ছা ট্রুস, এখন থেকে চিন্টি, ঠিক আছে তো? মোবাইলটা আননা সোনা।

রণক্ষেত্র পেরিয়ে চিন্টি গেল মোবাইল আনতে। সাবধানে হাঁটতে হচ্ছিল, ভাঙা কাপের টুকরোয় পা কাটতে পারে। যুদ্ধ থেমে গেছে। একজন সোফায় ঘুমোচ্ছে নাক ডাকিয়ে, আর একজন জানলায় ফ্রেমবন্দি। এসি ছাড়া তার ঘুম হবেনা। মা বলল, কেরে ওখানে? চিন্টি বলল, আমি, মোবাইল আনতে যাচ্ছি। - কী হবে এত রাতে মোবাইল দিয়ে? চিন্টি বলল, বড়মামাকে কিংবা ভুতুদাকে ফোন করে জানা হবে, সাউথে কী অবস্থা। মা বলল, চেষ্টা করে লাভ নেই। আমি করতে গেছিলাম, মোবাইল অন হচ্ছেনা অথচ সকালেই চার্জ দিয়েছি। চিন্টি একটা বিকট চীৎকার দিল, দাদাআআআআ-

খাবার টেবিলে ভুতের মত তিন ছায়া মূর্তি। চারিদিকে কোনও শব্দ নেই, শুধু ফোঁড়ড়ড়ড়সস করে একটা বিকট নাক ডাকার আওয়াজ আরও ভূতুড়ে করছে আবহমন্ডল। মা বলল, অসহ্য, কতক্ষণ এই নরক যন্ত্রণা সহ্য করতে হবে? চিন্টি বলল, তুমি ভাবছ এক সময়ে না এক সময়ে লোড শেডিং শেষ হবে, তাই তো? মা বলল, হ্যাঁ নিশ্চয়ই। অনন্তকাল থাকবে নাকি এইরকম? চিন্টি বলল, কোনও বাড়িতে ইমার্জেন্সি লাইট জ্বলছেনা কেন? কোনও মোবাইল কাজ করছেনা কেন? আমি জানিনা, খুব বিচ্ছিরি কিছু একটা হতে যাচ্ছে। রতন বলল, শ্‌শ্‌শ্‌- চুপ, শুনতে দে। খানিক পরে মা ভয়ে ভয়ে বলল, কী শুনলি? রতন বলল, দেশলাই আছে, তোমার রান্নাঘরে? মা বলল, না না, আমিতো লাইটার দিয়ে গ্যাস জ্বালি। রতন বলল, কি আশ্চর্য, বাড়িতে একটাও দেশলাই নেই? চিন্টি বলল, কেন তুমি ঠাকুরের পিদিম জ্বাল কী দিয়ে? মা বলল, ও হ্যাঁ দেখতো, ঠাকুরের তাকে একটা থাকতে পারে। ফস্‌ করে দেশলাই জ্বালল রতন দেয়ালের কাছে গিয়ে। তারপর খুব ধীরে ধীরে বলল, চিন্টি, তুই ঠিকই বলেছিস। লালজেঠুর বাড়িতে ঢং করে একটা ঘন্টা পড়ল। তার মানে, হয় সাড়ে বারোটা কিংবা একটা বাজল। দেড়টাও হতে পারে। আমাদের ঘড়িতে কিন্তু ঠিক বারোটা। কিছু একটা হচ্ছে বা হয়েছে। খুব সাংঘাতিক কিছু।

নাক ডাকা থেমে গেছে। এই গরমে টানা ঘুম অসম্ভব। বাবা ঘাড় পেট চুলকোতে চুলকোতে উঠে বলল, কিসের কনফারেন্স হচ্ছে, সমস্যাটা কী? একজন উত্তর দেবেনা জানাই আছে। রতন বলল, আলো নেই কিন্তু এটা বোধহয় লোড শেডিং নয়। বাবা বলল, তো কী, এলিয়েন অ্যাট্যাক? মহাপ্রলয়ের পূর্বাভাষ? উল্টোপাল্টা সিনেমা দেখে দেখে মাথা ফাথা গেছে। আরে বাবা এইতো এক বছর আগে, নর্দার্ন গ্রিড ফেল করেছিল মনে নেই? অর্ধেক ভারত দুদিন ধরে অন্ধকার। রতন বলল, একটু দাঁড়াও। কোনও মোবাইল চলছেনা, ঘড়ি বন্ধ হয়ে গেছে, ইন্সট্যান্ট লাইট জ্বালানো যাচ্ছেনা। বাবা বলল, থামবি? স্যাটেলাইটে গন্ডগোল তাই মোবাইলে কানেকশন নেই। আর বাকিগুলো মানে ঘড়ি ফড়ি কাকতালীয়। যা তো মেলা বক বক করিসনা গরমে। এবার চিন্টি বলল, বাবা, মোবাইলে কানেকশন না, মোবাইল খোলাই যাচ্ছেনা, একটাও না। রতন জানে এসব লোককে বুঝিয়ে পারা যাবেনা। শুধু অন্ধকারেও মনে হল, এলিয়েন অ্যাট্যাক কথাটা শুনে পিঁপড়ে, থুড়ি চিন্টি কেমন কেঁপে উঠল।

আবার সব চুপচাপ, আবার ফোঁড়ড়ড়-ফুস্‌স্‌, আবার মল্লিক বাড়িতে ঘড়ির ঘন্টা। এবারে দুটো। তার মানে রাত্তির দুটো এখন। মা বলল, রত্ন, পিঁপড়েটা অন্ধকারে কোথায় গেলরে? রতন বলল, এখানেই তো বসে ছিল, নেই? মা বলল, কই না তো, চেয়ারটা হাত বাড়িয়ে দেখ, খালি তো। পিঁপড়ে,- চিন্টিমা,- মা কোথায় গেলি? রতন বলল, কোথায় আর যাবে, বাথরুম টাথরুম হবে। মা বলল, উঠে বাথরুমটা দেখে আয় তো – রতন গিয়ে দেখে এল বাথরুম খালি। মা বলল, আমার বুকটা কেমন করছে, ওরে রত্ন, আমার মেয়েটা? রতন বলল, আঃ অমন কর কেন, গরম লেগেছে, ছাদে ফাদে গেছে বোধহয়। তুমি শোওগে, আমি দেখছি। রতন ছাদে যেতে গিয়ে দেখল দরজাটা খোলা। দরজাটা খুলল কে, চিন্টি? ছাদে গিয়ে দেখল, ছাদটা একদম ফাঁকা, কেউ কোত্থাও নেই । চারিদিকে একটা নীল আলো ছড়িয়ে আছে, আকাশে তারার আলো ছাপিয়ে কেমন একটা অদ্ভুত নীল আলো। কিছুক্ষণ দাঁড়াতেই রতনের খুব শীত করতে লাগল, অথচ এটা জুন মাস। নেমে এসে দেখল আলো জ্বলছে, ফ্যান চলছে, টিভিতে খেলা শেষ। এখন কি সব নাচ গান হচ্ছে, বাবা তার মধ্যেই নাক ডাকাচ্ছে। শোবার ঘরের দরজা বন্ধ, মানে এসি চলছে। দৌড়ে গিয়ে মোবাইল অন করল রতন। একটা মেসেজ- রোমান হরফে বাংলা – দাদা ভাল থাকিস, ওদের বলিস যুদ্ধ কম করতে। রতন আবার ছুটে গিয়ে পিঁপড়ের ড্রয়ার টানল। নাঃ ওর মোবাইলটা সেখানেই আছে। তবে?

২০৫৫ সাল। রত্নেশ্বর ভাদুড়ি একটা বীমা কোম্পানির এরিয়া ম্যানেজার। তাঁরা উত্তর কোলকাতায় তাঁদের চার পুরুষের পুরোন বাড়িতেই থাকেন। কোলকাতা অনেক বদলে গেছে, এপাড়াটাও। তবে এই বাড়িটা সামান্য রিপেয়ার করে আগের মতই দেখতে এখনও। মল্লিকবাবুদের বাড়িটা এক সর্দারজি কিনেছেন। তাঁরও অ্যান্টিক জিনিষের শখ। সেই ঘড়িটা এখনও সেই রকম বাজে আর ছুটির দিনে বাড়িতে থাকলে রত্নেশ্বরবাবু জানলা দিয়ে সেই ঘন্টা শুনলে কেমন উদাস হয়ে যান। সেদিন তিন্নি একটা মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে এল। বলল, মা, দেখ আমার নতুন বন্ধু, থ্রি ডি অ্যানিমেশন ওয়র্কশপে আলাপ হ’ল। কি দুষ্টু জান, নাম জিজ্ঞেস করলে খালি বলছে, পিসি। মা বললেন, ওমা, ভারি মিষ্টি মেয়েতো, কিন্তু তোমার জামাটা কিরকম অদ্ভুত, সেই বহুকাল আগের সিনেমায় এমন দেখা যায়। রত্নেশ্বরবাবু ছুটির দিনে পেঁয়াজি দিয়ে মুড়ি খাচ্ছিলেন। এপাড়ায় আর একটা জিনিষ বদলায়নি, উড়েদের তেলেভাজার দোকান। হঠাৎ লিভিংরুমের দরজায় এসে তিনি ছবি হয়ে গেলেন। তারপর দুহাত বাড়িয়ে পিঁপড়েএএ – বলে চিৎকার করে এগোতে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেলেন। সারাঘর মুড়িময় হয়ে গেল। সর্দারজিদের বাড়িতে ঘড়িটা বাজতে লাগল, ঢং – ঢং - ঢং –

১৪/০৬/২০১৩





লেখক পরিচিতি
রূপঙ্কর সরকার
বয়স : ৬৫ বছর
প্রধাণতঃ নাট্যকার ও নির্দেশক। পক্ষীবিশারদ। ফটোগ্রাফার।
এখন শারীরিক কারণে
নাটকের ধকল সহ্য হয়না বলে গল্প লিখছেন।
প্রকাশিত বই : ‘ধানাই পানাই’ ( প্রকাশ, জানুয়ারি, ২০১৩)।
নামান্তর (২০১৪) ।



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন