রবিবার, ২৯ মে, ২০১৬

দীপেন ভট্টাচার্য'এর ধারাবাহিক উপন্যাস | অদিতার আঁধার--দ্বিতীয় পর্ব

প্রথম পর্বের লিঙ্ক

উঁচু কালিগর্জন আর বনশিমুল গাছের ছাউনির মধ্যে দিয়ে সূর্যের আলো এসে পড়ে নিচে আশোক আর ছাতিমের ওপর, সেখান থেকে গলে পাতার ছায়ায় অনেক ওপরের রোদ নিজেকে ছড়িয়ে দেয় ভোরের আলস্যে। গোলাকার, তেকোণা, চৌকোণা ছকের আলো-আঁধারি ছায়া খেলা করে মাটিতে। সেই ছায়ায় পা ফেলে চলতে ধাঁধাঁ লেগে যায় অদিতার। খুব সকালে রওনা হয়েছে সে, ডামুরি নদীর ওপরের সাঁকো পার হয়েছে সূর্য ওঠার আগেই। বনের গভীরে গবেষণা কুটিরে পৌঁছাতে সন্ধ্যা হয়ে যাবে।

প্রতি কয়েক মাস অন্তর অদিতা বনের গভীরে যায়। সেখানে কয়েকটা জায়গায় কর্মীদের জন্য ছোট কুটির করে রাখা হয়েছে। সবচেয়ে কাছের কুটিরটিতে পৌঁছাতেই এক দিন পুরো লেগে যায়, সাধারণতঃ সেখানে যেয়ে গবেষকরা এক সপ্তাহ থেকে এক মাস নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে। একাই এসব করে, বনে মানুষের পদচিহ্নকে সীমিত করার জন্যই এই ব্যবস্থা।

পৃথিবীর সঙ্গে আজ অদিতা সংযোগবিহীন। চাইলেই খুলে রাখা যায় তাঁকে খুঁজে পাবার নানান ব্যবস্থা, স্যাটেলাইট ট্র‍্যাকিং, চোখের ক্যামেরা, কানের নিচে চামড়ার ভেতরে বসানো ফোন। কিন্তু এসব বন্ধ করে সে হাঁটছে। হাঁটছে আর ভাবছে। বঙ্গীয় বদ্বীপের পুরোটায় এখন প্লাবিত। সেই প্লাবিত বদ্বীপের পূর্ব দিকে যেখানে ভারতীয় টেকটনিক প্লেট এশীয় মহাদেশের নিচে ঢুকছে সেখানেই পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে বিশাল বনভূমি। সেই বন বিস্তৃত হয়েছে পশ্চিমে সমতলে। পাহাড়ি নদী ডামুরি নেমে এসেছে উঁচু থেকে, গভীর বনের মধ্যে দিয়ে ছোট গিরিখাত কেটে সে পৌঁছেছে একটি জলাভূমিতে। সেই নদীর পাশেই গবেষণাগার। সেখানকার বিজ্ঞানীরা গত পঞ্চাশ বছর ধরে প্রায় চল্লিশ হাজার বর্গকিলোমিটার ক্ষেত্র আয়তনের এই বনটিকে নীরিক্ষণ করছে। সেই বিশাল ডামুরি অভয়ারণ্যে কোনো মানুষ বাস করে না, শুধুমাত্র এই বিজ্ঞানীরাই বনের ভেতর প্রবেশ করতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি জীববৈচিত্রের ও জলবায়ুর পরিবর্তন তাদের গবেষণার মূল বিষয়। এই বনকে এককভাবে পাওয়াকে সৌভাগ্য মনে করে অদিতা।

অদিতার পিঠে খাবার আর যন্ত্রপাতি ভরা ব্যাগ। প্রায় চার ঘন্টা একটানা হাঁটার পরে মূল পথটা ছেড়ে একটা শাখাপথ নেয় সে। ধীরে ধীরে খাড়াই একটা পাহাড়ের পাশ দিয়ে সেই পথটা উঠতে থাকে। অনেকদিন এই রাস্তা ধরে বনকর্মীরা যাতায়াত করে না, বনগুল্ম আগাছায় ভরে যাচ্ছে সেটি। অদিতার দুহাতে সরু ধাতব লাঠি, সেই লাঠি দিয়ে আগাছা সরিয়ে হাঁটে সে। যত ওপরে ওঠে গাছের ফাঁক দিয়ে নিচের উপত্যকাটা দৃষ্টিগোচর হতে থাকে। ডামুরির স্রোত চিকচিক করে দুপুরের আলোয়।

চার-পাঁচটা চিত্রা হরিণ পথের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল। অদিতাকে দেখে পথ ছেড়ে তারা গাছের আড়ালে চলে গেল, কিন্তু পালায় না। অদিতা কিছুটা কাছাকাছি এলে ওদের দেখতে পেল আবার। হরিণগুলো বড় বড় চোখে কৌতূহলে তাকিয়ে ছিল অদিতার দিকে। এই বনে মানুষের উপদ্রব থেকে তারা মুক্ত। গত দুশো বছর ধরে, যখন থেকে এই অভয়ারণ্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তখন থেকেই এই অঞ্চলের লুপ্তপ্রায় প্রাণীরা ফিরে আসছে।

একসময় হারিয়ে যায় নিচের উপত্যকা। এই পাহাড়টার ওপরে অল্প একটু সমতল জায়গা। এখানে অনেক কটা নাগেশ্বর গাছের সম্মেলন, সেই জায়গাটা ভাল করে চেনে অদিতা। তারপর উৎরাইয়ে নামতে থাকে অদিতা। আরো ঘন হয়ে ওঠে বন। দুপুরের আলো হারিয়ে যায়। ওপরে বাতাসে গাছের পাতা শর শর করে, নিচে সেই বাতাস পৌঁছায় না। আস্তে আস্তে সেই বাতাসের বেগ বাড়ে, তবে দমকা হাওয়ায় মাঝে মধ্যে বড় গাছগুলোও দুলে ওঠে। অদিতার মনে হল অরণ্য আন্দোলিত হচ্ছে তার পিছনে, অথচ সামনে সব শান্ত। এমন যেন এক অশান্ত হাওয়া তাকে তাড়া করছে, যে মুহূর্তে সে পা রাখছে সামনে সেই মুহূর্তে পথের সঙ্গে লম্বভাবে থাকা সব গাছ দুলে উঠছে। চোখের সামনের গাছগুলো দাঁড়িয়ে আছে স্থির, তাদের পাতাগুলো অল্প নড়ছে মৃদু হাওয়ায়, অথচ পেছনে যেন গর্জন করছে বন।

দাঁড়িয়ে পড়ে আদিতা। বুঝতে চায় এটা শুধু মনের ভুল কিনা। এমনটা হবার কথা নয়, এর আগে এরকম ঘটনা কখনো ঘটে নি। পিছন দিকে তাকায় অদিতা, পথটা পাহাড়ে উঠে গেছে, তার দুদিকের সমস্ত গাছ দুলছে যেন প্রলয় হচ্ছে। অন্ধকার আরো গাঢ় হয়ে ওঠে। তার মনে হয় সেই অন্ধকারে একটা বিমূর্ত অবয়ব রূপ নিচ্ছে। না, এরকম হবার কথা নয়, সে কি পাগল হয়ে যাচ্ছে? কিন্তু একটা অবোধ্য ভয় থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পারে না সে। অদিতা সামনের দিকে দৌড়ায়, পালাতে হবে তাকে সেই অশরীরী অন্ধকার থেকে।

দৌঁড়ায় অদিতা, পেছনে তাড়া করে হাওয়া, শোঁ শোঁ করে তার শব্দ উঁচু বনস্পতির চূড়ার ফাঁকে। কম্পিত মহীরুহ বেঁকে পড়ে মাথা নুইয়ে। বহু ওপরে মেঘে বিদ্যুৎ ঝলসে ওঠে, তার শব্দ শোনে অদিতা, বিদ্যুতের আলো গাছের বেড়া ভেদ করে মাটিকে উজ্জ্বল করে দেয়। বৃষ্টির ফোঁটা পড়ে নিচের ধুলায়। সামনের পথটাও ঝাপসা হয়ে যায়। থেমে যায় অদিতা, কিরকম পাগলের মত আচরণ করছে সে। এরপর বোঝে পথভ্রষ্ট হয়েছে সে, তার আগের নির্দিষ্ট পথ হারিয়ে গিয়েছে। কিন্তু সেটা নিয়ে চিন্তার কারণ নেই, তার কব্জিতে পরা যন্ত্রই বলে দেবে সে কোথায় আছে। একটা গাছের নিচে দাঁড়ায় অদিতা, কাঁধ থেকে ব্যাগটা নামিয়ে একটা বর্ষাতি বের করে পরে নেয়।

এই বনে সে কুড়ি বছর ধরে আসছে। ঝড়-ঝঞ্ঝা, বৃষ্টি, কুয়াশা, নেকড়ে, বাঘ, সাপ কি না সে দেখে নি। এসব কিছুই কখনো তাকে বিচলিত করতে পারে নি। আজ কেন এরকম? কিছুই না, সবই কল্পনা। হৃদস্পন্দ ধীরে ধীরে শান্ত হয়। জলের ফোঁটায় ছোট ছোট ডোবা হয়ে থাকে চারিদিক। বৃষ্টির শব্দ খুব ভাল লাগে অদিতার। কিন্তু আজকের বৃষ্টি তাকে যেন কী বলতে চাইছে। আবার বিদ্যুৎ চমকায়। তার ক্ষণিক আলোয় অদিতার চোখে পড়ে একটা ছোট ঘর। এখানে কোনো ঘর থাকার কথা নয়, চোখের ভুল। আবার বিদ্যুতের জন্য অপেক্ষা করে অদিতা। পরের বিদ্যুতের সাথে ঘরটা আবার দেখা যায়। না, চোখের ভুল নয়। বৃষ্টির পর্দার ওপাড়ে, দুসারি গাছের পরে ঘরটা ঠিকই দাঁড়িয়ে আছে। কাঠের একটা ছোট ঘর। কুড়ি বছর ধরে এই বনে আসছে অদিতা। গবেষণাকেন্দ্রের এত কাছে কোনো ঘর, কুটির, মানুষনির্মিত কিছুই নেই। এখানে কারুর কোনো কাঠামো বানানোর অনুমতি নেই, আর বানালেও সেটা অদিতার জানার কথা।

বৃষ্টি আরো জোরে নামে। অদিতা বুঝে পায় না কী করবে। বনের মধ্যে যে কুটিরের উদ্দেশ্যে সে যাত্রা শুরু করেছিল সেখানে আজ পৌঁছাতে পারবে না। তাহলে সে কি ঐ ঘরের দিকে দৌড়ে যাবে, আশ্রয় পাবে কি সেখানে? সবার অজান্তে এরকম একটা ঘর কেউ তুলে ফেলল? কক্ষপথের উপগ্রহের ছবিতে এসব তো দেখতে পাবার কথা। মনস্থির করে ঘরটার দিকে হাঁটতে শুরু করল অদিতা। বৃষ্টি প্যান্টের নিচটা ভিজিয়ে দিল। চতুষ্কোন ঘরটার কাছাকাছি এলে দেখতে পায় এদিকে কোনো দরজা বা জানালা নেই, অন্যদিকে একটা দরজা, দুদিকে দুটো জানালা। দরজাটা একটা ছোট খাতের দিকে মুখ করা, সেই খাতে একটা ছোট জলধারা বয়ে যাচ্ছে, বৃষ্টিতে সেই ধারা শক্তিশালী হয়েছে। কাঠের বাড়ি, তাড়াহুড়োয় যেন বানানো, তক্তাগুলো ঠিকমত বসানো হয় নি, দরজাটার চারদিকে বেশ ফাঁকা জায়গা রয়ে গেছে।

ঘরটার ভেতরে কি কেউ আছে? মানুষ? নেকড়ে? বাঘ? সাপ? পকেট থেকে ছোট তড়িৎ-বন্দুকটি বের করে অদিতা, দূর থেকে তড়িৎ আবেশে কোনো পশুকে (কিংবা মানুষকে) কিছুক্ষণের জন্য সেটা সহজেই অসাড় করে দিতে পারে। ঘরের দুই দিকের জানালাদুটো ভেতর থেকে বন্ধ। দরজাটা বন্ধ, কিন্তু বাইরে কোনো তালা বা হাতল দেখা যাচ্ছে না। তাকে কি কেউ ঘরটার ভিতর থেকে খেয়াল করছে। নাকি বাইরের থেকে? ছোট গিরিখাতটার অন্যপাড়টা দেখতে চেষ্টা করে অদিতা। গাছে গাছে একাকার, সেখানে কেউ দাঁড়িয়ে থাকলেও এই বৃষ্টিতে তাকে দেখতে পেত না সে। হঠাৎ করেই শীতে যেন কেঁপে ওঠে অদিতা। শীত নয়, একধরণের ভয় যা কিনা বড় হয়ে সে অনুভব করে নি। বহু আগে ছোটবেলায় একবারই সে এরকম ভয় পেয়েছিল। এইসব ভাবতে ভাবতেই দরজাটাকে বাঁ হাত দিয়ে আলতো করে ধাক্কা দেয় অদিতা। ক্যাঁচ ক্যাঁচ শব্দ করে দরজাটা খুলে যায়, এমন যেন অদিতার হাতের স্পর্শই অনুভব করতে চেয়েছিল সেটা, অদিতার আঙুলের স্পর্শ যেন দরজাটা চিনতে পেরেছে।

ভেতরটা শুকনো খটখটে। বাইরের থেকে মনে হয়েছিল ঘরটা কাঁচা হাতের কাজ, অথচ ভেতরে সবকিছু যেন পরিপাটি। জলের কোনো ফোঁটাই পড়ে নি মেঝেতে। মেঝেটাও কাঠের। ঘরটা একেবারেই ফাঁকা, আসবাবপত্র, খাবার, দেয়ালে চিত্রকর্ম কিছুই নেই, পুরোপুরি শূন্য। ক্লান্ত হয়েছিল অদিতা, কাঁধ থেকে ব্যাকপ্যাকটা নামিয়ে বসে পড়ে দেয়ালে ঠেঁস দিয়ে। তারপর দেখল দরজাটা বন্ধ করে নি, বৃষ্টির ছাঁট আসছে। উঠে দরজাটা বন্ধ করতে গিয়ে বাইরে ছোট গিরিখাতটার দিকে চোখ পড়ল অদিতার। চমকে ওঠে সে। ঐপাড়ে গাছের ধারে একজন দাঁড়িয়ে ছিল, একটা আবছায়া দেহ, বৃষ্টির জন্য কিছু বোঝা গেল না। মুহূর্তের জন্য, তারপর তাকে দেখা গেল না। সারা শরীর শীতল হয়ে যায় অদিতার, দরজাটা বন্ধ করে দেয়। কিন্তু দরজাটা তালা দেবার মত কোনো ব্যবস্থা ছিল না, তবে একটা গোল হাতল ছিল। ব্যাকপ্যাকটা দিয়ে দরজায় ঠেঁস দেয় সে। প্যাকটা থেকে একটা স্লিপিংব্যাগ বের করে মেঝেতে বিছিয়ে দেয়, তারপর ভিজে প্যান্টটা খুলে স্লিপিংব্যাগের ভেতর ঢুকে যায়।

দরজাটা পুরোই অরক্ষিত। কিন্তু এত ক্লান্ত হয়েছে অদিতা যে ওটা নিয়ে ভাবতে চাইছিল না। কিন্তু না চাইলে কি হবে, গিরিখাতের অপর পাশেই কিছু একটা আছে। মানুষই হবে, কিন্তু এই সময়ে এই এলাকায় সে ছাড়া আর কারুর থাকার কথা নয়।

বহু বছর আগে, তার বয়স যখন দশ বছর ছিল বাবা মা তাকে চাঁদে নিয়ে গিয়েছিল। তাঁর মা ছিল জ্যোতির্বিদ, বাবা প্রত্নতাত্ত্বিক। চাঁদে অবশ্য প্রত্নতত্ত্বের কিছু ছিল না, কিন্তু চাঁদের বড় মানমন্দির থেকে মা মহাকাশ পর্যবেক্ষণ করতেন। চাঁদের বায়ুমণ্ডলবিহীন আকাশ এত উজ্জ্বল ছিল মনে হত তারাগুলোকে যেন আকাশে হাত বাড়িয়ে ধরা যাবে। আর পৃথিবীটা আকাশের এক কোণায় সব সময়ই স্থির হয়ে থাকত। কিন্তু চাঁদের নির্জনতাকে অদিতা ভয় করত। মানমন্দিরের নিচেই তাদের থাকার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে আরো বেশ কিছু মানুষ, শখানেকমত হবে, থাকত। জ্যোতির্বিদ, ভূতাত্ত্বিক, প্রকৌশলী, লেখক, বাদকদের সমাহার। মাটির নিচে থাকার ব্যবস্থা যাতে মহাকাশ থেকে আগত শক্তিশালী কণিকারা শরীরের ক্ষতি না করতে পারে। তাদের বাসস্থানের ওপরে একটা বড় কাঁচের গম্বুজমত ছিল, তার নিচে বসে বাইরের ৩৬০ ডিগ্রী দৃশ্যই দেখা যেত। একদিন অদিতা ওপরে উঠে দেখে সেখানে কেউ নেই। স্বচ্ছ কাঁচের নিচে বসে ওপরের পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে ছিল অদিতা। চাঁদের শূন্যতার দিকে তাকাতে তার ভয় করছিল। হঠাৎ তার চোখের কোণায় মনে হয়েছিল দিগন্তে কী যেন নড়ছে, চাঁদের মরুপ্রান্তরে কি একটা জিনিস সরছিল। ভয়ে হাত পা ঠাণ্ডা হয়ে গিয়েছিল অদিতার। মনে হচ্ছিল সেই জিনিসটা যেন তাকে ডাকছে। আতঙ্কে নড়তে পারছিল না সে। এভাবেই সে বসেছিল অনেক ক্ষণ। পরে কেউ একজন তাকে সেভাবেই দেখতে পেয়ে তার বাবা মাকে ডাকে। এটুকুই, এর থেকে বেশী কিছু না। এখনো মনে পড়ে সেই দিনের কথা। আজ প্রায় ১৬০ বছর পরে চাঁদের সেই অদ্ভুত দিনটার কথা ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়ে অদিতা।


(চলবে)


লেখক পরিচিতি
দীপেন ভট্টাচার্য
জন্ম ১৯৫৯। আদি নিবাস এলেঙ্গা, টাঙ্গাইল।
বিজ্ঞানী। গল্পকার।

মস্কো স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে পদার্থবিদ্যায় মাস্টার্স এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব নিউ হ্যাম্পশায়ার থেকে জ্যোতির্বিজ্ঞানে পিএইচডি করেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট ইন্সটিটিউটের গবেষক ছিলেন। পরে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার রিভারসাইড ক্যাম্পাসে (ইউসিয়ার) গামা রশ্মি জ্যোতির্বিদ হিসেবে যোগ দেন। এ ছাড়া ক্যালিফোর্নিয়ার রিভারসাইড কলেজে পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক। ১৯৭৫ সালে তিনি বন্ধুদের সহযোগিতায় 'অনুসন্ধিৎসু চক্র' নামে একটি বিজ্ঞান সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।

বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর প্রকাশিত বই : দিতার ঘড়ি, নিওলিথ স্বপ্ন, অভিজিৎ নক্ষত্রের আলো।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন