রবিবার, ১০ মার্চ, ২০১৯

গুলজার'এর গল্প : হাত রাঙিয়ে দাও হলুদে

অনুবাদ: ফজল হাসান 

সেসব দিনগুলোতে মালতী খুবই ছোট ছিল । তখন দুপুর এবং বিকেলে ভরা জোয়ারের সময় চার বাংলোর পেছনে উপসাগরীয় এলাকা উপচে পড়তো । দুপুরে উপকূল যখন পানিতে টইটুম্বর করতো, তখন ধোপাদের জন্য সুপার টেক্সটাইলের ভ্যান এসে কাপড়ের গাঁইট সেখানে রেখে যেত ।
ধোপারা সেই কাপড় তুলে নিত এবং ধোওয়ার পরে নদীর ধারে এলোমেলো ভাবে মেলে দিত, যেমন করে খোয়ার থেকে মোরগ-মুরগী হুড়মুড় করে বেরিয়ে এসে জটলা বাঁধে । তারপর ভ্যান চালক রামনাথ নিজস্ব কায়দায় তিন বার ভেঁপু বাজাতো – অনেকটা সঙ্কেতের মতো: 

‘বী-বীপ, বী-বীপ ! বী-বীপ, বী-বীপ ! বী-বীপ, বী-বীপ !’ 

লোকমুখে প্রচলিত আছে যে, লর্ড কৃষ্ণ যখনই বাঁশি বাজাতেন, তখনই রাধা পাগলিনীর মতো দৌঁড়ে চলে যেত এবং তাঁকে না-পাওয়া পর্যন্ত খুঁজতো । সেসব দিনে লর্ড কৃষ্ণের কোন গাড়ি ছিল না । তা নাহলে তিনি বাঁশি বাজানোর কষ্ট থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারতেন । 

‘বী-বীপ, বী-বীপ ! বী-বীপ, বী-বীপ ! বী-বীপ, বী-বীপ !’ 

মালতী মায়ের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞাসা করে: ‘মা, আমি কী শীলাদের বাড়িতে যেতে পারি ?’ 

‘কী সব পাগলামী করিস ? যেই মাত্র বিকাল হয়, তখনই তুই শীলাদের বাড়িতে যেতে চাস !’ 

‘মা, আমি ... আমি ...’ 

‘ঠিক আছে, যা । আমাকে বিরক্ত করিস না ।’ 

এবং বাঁশির সুর শুনে রাধা বিমোহিত, খুশিতে ধেই ধেই করে নাচতো এবং শেষপর্যন্ত লর্ড কৃষ্ণকে খুঁজে পেত । রামনাথ ভীষণ জোরে ভ্যান চালিয়ে মালতীকে নিয়ে যমুনার পাড়ে নির্জণ জায়গায় যেত । 

এক মুহূর্তের জন্য ধোপারা এদিক-ওদিক তাকাতো এবং মুরগীর মতো আওয়াজ করতো । তারপর নদীর তীরে ধোওয়া কাপড় এলোপাথারি মেলে দিত । এক ধোপা ঈর্ষান্বিত দৃষ্টিতে যুবক-যুবতীর দিকে তাকাতো এবং আরেক ধোপা নাটকীয় ভাবে মাটিতে পড়ে গিয়ে জোর গলায় গান শুরু করতো, ‘পীনা পিলানা ভুলা গায়ে এক শহর কি লৌন্ডিয়া ...’ [শহরের যুবতীর জন্য এমনকি সে পান করাও ভুলে গেছে ] । 

মালতী ভ্যানের মধ্যে রামনাথের কোলের উপর মাথা রেখে শুয়ে থাকতো । 

‘তুমি কী জানো গতকাল ভেঁপুর শব্দ শুনে মা কি বলেছিলেন ?’ 

‘কী ?’ 

‘মা বলেছেন, দেড়টা বাজে । তখন আমি জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি কেমন করে সঠিক সময় জানেন । জবাবে তিনি বলেছেন, প্রতিদিন দুপুরের পর ধোপারা যখন নদীর ধারে একত্রিত হয় এবং নিজস্ব কায়দায় ভ্যান চালক ভেঁপু বাজায়, তখন ঘড়িতে একটা বেজে তিরিশ মিনিট ।’ 

রামনাথ প্রচন্ড শব্দ করে হাসে । একসময় হাসি থামিয়ে বলে, ‘তোমার মাকে বলো, একটা ভেঁপুর পরিবর্তে আমি একদিন বাদ্যযন্ত্রীর পুরো দল নিয়ে আসবো ।’ 

প্রতিদিন কয়েক ঘন্টা নিরিবিলি সময় কাটিয়ে রামনাথ ফিরতি পথে মালতীকে নদীর ধারে নামিয়ে দিত । তখন ধোপারা আড়চোখে তাকিয়ে তাদের দেখতো এবং মুরগীর মতো আওয়াজ করতো । কিছুক্ষণ পরে তারা নিজেদের কাজে ফিরে যেত । 

মালতী বাড়ি ফিরে যায় । সে রান্নাঘর পরিস্কার করে । বাপুর রাতের খাওয়া শেষ হলে সে হুক্কায় আগুণ জ্বালিয়ে তার সম্মুখে এগিয়ে ধরে । মা আলতো হাতে বাপুর পা টিপে দেয় । একসময় মালতী বিছানায় শুয়ে চোখের পাতা বন্ধ করে এবং পরবর্তী জোয়ারের জন্য অপেক্ষা করা শুরু করে । সন্ধ্যায় জোয়ারের সময় নদীর কূল ছাপিয়ে যায় । তার মনে হয়, ঢেউয়ের গর্জণ তারই দিকে এগিয়ে আসছে এবং উথাল-পাথাল ঢেউ এসে তাকে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, এমনকি তার বিছানা পানির উপর ভাসছে । অনেক নদী এবং সাগর পাড়ি দিয়ে একসময় সে অচেনা-অজানা কোন এক দ্বীপে পৌঁছে । কিন্তু যেই মাত্র সে চোখের পাতা খোলে, তখন সে নিজেকে পুরনো রান্নাঘরে আবিস্কার করে – সে একই চুলা, হুক্কা, বাপু এবং মা । যান্ত্রিক ভাবে সে ঘর-সংসারের কাজ করে এবং পরবর্তী জোয়ারের অপেক্ষায় থাকে । 

‘বী-বীপ, বী-বীপ ! বী-বীপ, বী-বীপ ! বী-বীপ, বী-বীপ !’ 

‘মা, আমি কী শীলাদের বাড়িতে যেতে পারি ?’ 

‘কী পাগলামী করিস ?’ 

‘মা, আমি ... আমি ...’ 

‘ঠিক আছে, যা ।’ 

যতক্ষণ না পর্যন্ত পুনরায় মুরালি মনোহরের বাহুর মধ্যে ঝাপিয়ে না পরে, ততক্ষণ রাধা দৌঁড়ুতে থাকে । অন্য সব দিনের মতো সেদিনও মালতী এবং রামনাথ গোপনে সাক্ষাৎ করে । হঠাৎ মালতী পেছন থেকে তীব্র চিৎকার শুনতে পায় । চিৎকারের আওয়াজ তার কানের পর্দা প্রায় ফেটে যাচ্ছিল । 

‘মালতী ... !’ 

মালতীর মস্তিস্ক ঘূর্ণিস্রোতের মতো ঘুরতে থাকে এবং চটজলদি সে রামনাথের আলিঙ্গণ থেকে নিজেকে মুক্ত করে । মা তার সম্মুখে এসে দাঁড়ায় । মেয়ের চুল মুঠোয় ভরে শক্ত করে চেপে ধরে মা এবং মালতীকে বাড়ির দিকে টানতে টানতে নিয়ে যায় । 

রামনাথের কোন নড়নচড়ন নেই । সে পাথরের মূর্তির মতো স্থবির হয়ে বসে থাকে । 

সেই রাতে মালতী বিছানায় শুয়ে অঝর ধারায় কেঁদেছিল । 

বাপুর পা টিপে দেওয়ার সময় মা অনেকক্ষণ ফিসিফিসিয়ে কথা বলেছে । মালতী মাত্র একটা বাক্যই শুনতে পেয়েছে, ‘আমাদের মেয়ে কিন্তু ছোট নেই । ওর জন্য একটা ভালো ঘর খোঁজ এবং ওর হাত রাঙিয়ে দাও হলুদে ।’ 

সব বাবা-মা একই কথা বলে । একই বাক্য তাদের কানে অনুরণিত হয় । মালতী বালিশের নিচে মুখ গুজে সারারাত কেঁদেছে । 

সেই রাতে চার বাংলো এলাকায় আরেকটা মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে । রাতের বেলা এক চোর দেয়াল টপকে চার বাংলো এলাকায় প্রবেশ করার চেষ্টা করে । চৌকিদারের দৃষ্টি এড়ায়নি । লোকজন তাকে পাকড়াও করে বেদম মেরেছে । তারা যখন ক্লান্ত হয়ে পড়ে, তখন লোকটিকে পুলিশের হাতে সঁপে দেয় । দুদিন পর পুলিশের হেফাজতে লোকটির মৃত্যু হয় । ঘটনাটি পুলিশ বেমালুম চেপে যায় । লোকটিকে পুলিশের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য যারা থানায় গিয়েছিল, তাদের মধ্যে কয়েকজন বুঝতে পারে যে, আসলে লোকটি ছিল ভ্যান চালক রামনাথ । সে শুধু মালতীর সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিল । 



দুই. 


জলপ্রবাহে অনেক শক্তি লুকিয়ে থাকে । নদী অনায়াসে গতিধারা পরিবর্তন করতে পারে, সমুদ্র নতুন ভাবে তার দুকূল গড়তে পারে, এমনকি চার বাংলোর সীমানার দেয়াল থেকে অনেক দূরে সরে যেতে পারে । আসলে এতদিনে চার বাংলোর পুরো এলাকা বদলে গেছে । তিন সন্তান নিয়ে মালতীই শুধু সেখানে রয়ে গেছে । তার বড় মেয়ের নাম লতা, ছোট মেয়ের নাম লীলা এবং ছেলের নাম রাজু । তার ললাটের পাশের চুল ধূসর বর্ণ ধারণ করতে শুরু করেছে । 

অনেক বছর আগে সুপার টেক্সটাইল মিল বন্ধ হয়ে গেছে । তারপরও এখনো যখন দুপুরবেলা জোয়ারের সময় পানি উপচে পড়ে, তখন অন্য টেক্সটাইল মিল থেকে ট্রাক আসে এবং ধোপাদের জন্য কাপড়ের গাঁইট রেখে যায় । কিন্তু কাপড়ের সেই গাঁইট মুখ ভার করে নিঃশব্দে নদীর ধারে পড়ে থাকে, যেন সেগুলোও বয়সের ভারে নুব্জ্য । আজো ধোপারা মিলের কাপড় ধুয়ে নদীর ধারে শুকাতে দেয় । 

মালতীর বাবা বেঁচে নেই । মা মৃত্যু শয্যায় শায়িত । স্বামী বিশানদাস বাড়িতেই থাকে । সে বিড়ি ফোঁকে এবং সোনালি সূতা দিয়ে এক টুকরো কাপড়ের উপর কারুকাজ করে । যখনই সে কাজে ক্লান্তি অনুভব করে, তখনই আদুরে গলায় মেয়েকে ডাকে: 

‘লতা, বেটি আমার ।’ 

‘লতা পুরোপুরি অকর্মা । সে শুধু সারাদিন ঘুমাতে জানে । ভাবটা এমন যেন প্রতিদিন সে স্কুলে গিয়ে জমিতে হাড়ভাঙা কাজ করে ।’ মালতীর কথাবার্তা অনেকটা তার মায়ের মতো শোনায় । 

‘এই যে, তুমি এত রেগে গেলে কেন ? ছেলেমেয়েরা হয় ঘুমাবে, নয় কাঁদবে এবং তারপর দেখবে হঠাৎ করে একদিন ওরা বড় হয় গেছে । লতা, বেটি আমার ।’ 

‘আসছি, বাবা ।’ 

‘বেটি, আমার জন্য এক কাপ চা বানিয়ে আনো ।’ 

তখনও লতা দুহাতে চোখ রগড়াতে থাকে । একসময় সে বিছানা ছেড়ে উঠে রান্নাঘরে যায় এবং এক কাপ চা তৈরি করে । 

লতা বুদ্ধিমতী । মেয়ের জন্য বিশানদাস এবং মালতী রীতিমতো গর্ব অনুভব করে । যাহোক, একবার একটা কথা চাউর হয়েছিল । পাড়ার লোকজন বলাবলি করছিল যে, লতা নাকি স্কুল থেকে ফেরার পথে রাস্তার কোণার দোকানের মালিকের ছেলের সঙ্গে দেখাসাক্ষাৎ করা শুরু করেছে । এ নিয়ে মালতী লোকজনের সঙ্গে ভীষণ কড়া ভাষায় কথা বলেছে । তারপর থেকে লতা সম্পর্কে কেউ কোন বাজে কথা বলতে সাহস পায়নি । মালতী নিশ্চিত যে, তার মেয়ে কখনই কোন ছেলের দিকে মুখ তুলে তাকাতে সাহস পাবে না । অপরিচিত ছেলের সঙ্গে মেলামেশার প্রশ্নই উঠে না । 

‘বী-বীপ, বী-বীপ ! বী-বীপ, বী-বীপ ! বী-বীপ, বী-বীপ !’ 

তখন মালতী খাবার পরিবেশন করার জন্য তৈরি হচ্ছিল । আচমকা সে থেমে যায় । এক সেকেন্ডের জন্য পুরনো স্মৃতি তার চোখের সামনে ভেসে উঠে । সে রীতিমতো হাঁপাতে থাকে এবং কিংকর্তব্যবিমূঢ় দৃষ্টিতে এদিক-ওদিক তাকায় । 

‘ঘটনা কী ?’ বিশানদাসের কন্ঠস্বর মালতীর চারপাশে অনুরণিত হতে থাকে । 

কিছুটা সময় মালতী বাইরের দিকে তাকিয়ে থাকে । আবারও সে ভ্যানের ভেঁপুর আওয়াজ শুনতে পায়। 

‘বী-বীপ, বী-বীপ ! বী-বীপ, বী-বীপ ! বী-বীপ, বী-বীপ !’ 

মালতী ঘুরে দাঁড়ায় । তারপর সে এক দৌঁড়ে শোবার ঘরে যায় । লতা ওর বিছানায় প্রশান্ত ভঙ্গিতে ঘুমিয়ে আছে । 

হাঁফ ছেড়ে মালতী পুনরায় স্বাভাবিক ভাবে নিঃশ্বাস টানে । 

‘ঘটনা কী ?’ বিশানদাস পুনরায় জিজ্ঞাসা করে । 

‘কিছু না,’ স্বামীকে খাবার পরিবেশন করার সময় মালতী বললো । ‘কিছু না । আমি ভাবছিলাম, আমাদের মেয়ে কিন্তু ছোট নেই । ওর জন্য একটা ভালো ঘর খোঁজ এবং ওর হাত রাঙিয়ে দাও হলুদে।’ 



লেখক পরিচিতি: 
গুলজার
ভারতের প্রথিতযশা গীতিকার, চিত্রনাট্যকার, চলচ্চিত্র পরিচালক, কবি, ছোটগল্প লেখক এবং ঔপন্যাসিক গুলজার । তাঁর আসল নাম সাম্পুরাণ সিং কারলা । তৎকালীন অখন্ড ভারতের পাঞ্জাব (বর্তমানে পাকিস্তানে) প্রদেশের ঝিলাম জেলার দিনা শহরে তিনি ১৯৩৪ সালের ১৮ আগষ্ট জন্ম গ্রহণ করেন । মূলত: হিন্দি, উর্দু এবং পাঞ্জাবি ভাষায় সাহিত্য রচনা করলেও ভারতের বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষায় লেখালেখি করেন । ‘টু’ তাঁর একমাত্র উপন্যাস, যা ভারত-পাকিস্তান বিভক্তির পরে শরণার্থীদের করুণ কাহিনী নিয়ে রচিত । তিনি তিনটি কাব্যগ্রন্থ এবং দুটি ছোটগল্প সংকলন রচনা করেন । ‘রাভি পার অ্যান্ড আদার স্টোরিজ’ (১৯৯৭) এবং ‘হাফ এ রুপি স্টোরিজ’ (২০১৩) ইংরেজিতে প্রকাশিত ছোটগল্প সংকলন । তবে ‘রাভি পার অ্যান্ড আদার স্টোরিজ’ থেকে চারটি গল্প নিয়ে ২০০২ সালে প্রকাশিত হয়েছে ‘সীমা অ্যান্ড আদার স্টোরিজ’ । কাব্যিক ভাষায় চরিত্র চিত্রণের, বিশেষ করে শব্দ প্রয়োগের, জন্য তাঁকে ‘মাষ্টার ওয়ার্ডস্মীথ’ বা ‘শব্দ কারিগর’ হিসাবে আখ্যায়িত করা হয় । 

গুলজারের কর্মজীবন শুরু হয়েছে সঙ্গীত পরিচালক হিসাবে । পরবর্তীতে তিনি গীতিকার, চিত্রনাট্যকার এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসাবে সুপরিচিতি লাভ করেন । গীতিকার হিসাবে তিনি ২০০৪ সালে ‘পদ্ম ভূষণ’ (মর্যাদা এবং সম্মানের দিক থেকে ভারতের তৃতীয় অসামরিক পুরস্কার) এবং ২০০২ সালে ‘সাহিত্য অ্যাকাডেমি’ পুরস্কার অর্জণ করেন । এছাড়া তিনি ‘দাদাসাহেব ফালকে’ পুরস্কারসহ একাধিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন । হলিউডের বিখ্যাত ‘স্লামডগ মিলিনিয়র’ চলচ্চিত্রের গান ‘জয় হো’ সঙ্গীত রচনার জন্য তিনি অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড এবং গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড অর্জণ করেন । তিনি ২০১৩ সালের এপ্রিলে আসাম ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলার হিসাবে নিযুক্ত হন । তিনি ১৯৭৩ সালে বলিউডের বিখ্যাত নায়িকা রাখীর সঙ্গে ‘সাত পাকে বাঁধা’ পড়েন । 

গল্পসূত্র: ‘হাত রাঙিয়ে দাও হলুদে’ গল্পটি গুলজারের ইংরেজিতে অনূদিত কিন্তু হিন্দী ভাষায় শিরোনাম ‘হাত পিলে কার দো’ (ইংরেজিতে স্টেইন হার হ্যান্ডস্ ইয়েলো) গল্পের অনুবাদ । হিন্দী থেকে গল্পটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন অলক ভাল্লা । গল্পটি লেখকের ‘রাভি পার অ্যান্ড আদার স্টোরিজ’ ছোটগল্প সংকলন থেকে নেয়া ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন