বৃহস্পতিবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২২

সাহার খালিফেহ'এর গল্প: বন্য কাঁটা



অনুবাদ: ফজল হাসান


উম্ম সাবির চিৎকার করছিলেন, ‘এই যে, ইতাফ! উম্ম বাদাউয়িকে জিজ্ঞেস কর তার কাছে অতিরিক্ত কোন আটা আছে কি না।’
শিশুটি ছাদ পার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একজন ইজরায়েলি সৈনিক চিৎকার করে বলল, ‘নেমে এসো! নেমে এসো! তুমি উপরে যেতে পারবে না।’

উম্ম সাবির দুঃখে তার বুক চাপড়াতে থাকেন। ‘কি হতভাগার জীবন! আমি কেমন করে সন্তানদের খাওয়াব? এই জীবন হৃদয় ভাঙ্গার জন্য যথেষ্ট! যদি সান্ধ্য আইন আরো দু’দিন বলবৎ থাকে, তাহলে আমি কী করব?’

শহরের পুরনো এলাকার সব জায়গায় মহিলারা তাদের জানালার কাছে এসে দাঁড়িয়েছে। তারা একজন আরেকজনের কাছ থেকে খাবার-দাবার যা-ই পাচ্ছে, তাই ধার করছে। পরিস্থিতি ছিল বেপরোয়া। পুরনো এলাকায় যারা বসবাস করে, বেশির ভাগই তারা হয় শ্রমিক, মুদি দোকানদার, কসাই অথবা ফালাফেল ও তাম’ইয়া১ বিক্রেতা। তারা সাধারণত গরীব এবং দোকানে তেমন কিছুই রাখে না। বাচ্চারা ছোট ঘরের মধ্যে সাধারণত খাঁচাবন্দি হয়ে থাকে এবং তারা তাদের মায়েদের উত্যক্ত করে পাগল বানিয়ে তোলে। এক বাচ্চা বিছানার নিচে ছিল, আরেকজন আলমারির উপরে উঠেছিল, শিশু কাঁদছিল, স্বামীরা তাদের ক্ষোভ নিরীহ স্ত্রীদের উপর উগরে দিচ্ছিল।

আবু সাবির বিড়বিড় করে। ‘আমাদের ক্ষমা করুন, হে সৃষ্টিকর্তা, আমাদের উদ্ধার করুন!’ যেদিন সে কুয়েতে বালুঝড় থেকে রক্ষা পেয়েছে, সেদিন সূর্যকে অভিশাপ দিয়েছে। ‘আমি উন্মাদ হয়ে যাব, যদি আমি আবার কখনো ডাল খাই,’ সে রাগি গলায় বলল এবং বলেই তার পায়ের চপ্পল এক সন্তানের দিকে ছুড়ে মারে। ঠিক তখনই সব দিক থেকে সমস্বরে চিৎকার-চেঁচামেচির শব্দ ভেসে আসে। ‘তোদের বাবার উপর সৃষ্টিকর্তার অভিশাপ নেমে আসুক। অভিশাপ দাও!’ আবু সাবির চিৎকার করে বলল।

হঠাৎ আবু সাবিরের স্ত্রী সাদিয়া দরজা খোলে এবং বাচ্চাদের বাইরে যেতে দেয়। ‘যা!’ সে চেঁচিয়ে বলল, ‘বাইরে যা! আমাকে অশান্তি দেওয়ার বদলে বাইরে গিয়ে ইহুদীদের বিরক্ত কর!’

আবু সাবির বিস্ফারিত হয়ে বলল, ‘তুমি একটা উন্মাদ মহিলা! সব রাস্তা ইহুদী সৈন্য দিয়ে ভরা।’

প্রতিটি ঘর থেকে ছেলেমেয়েরা বেরিয়ে আসে। প্রথমে তারা কোণায় ইঁদুরের মতো লুকিয়েছিল। তারপর তারা বেরিয়ে এসে সৈনিকদের তাকিয়ে হাসছিল এবং নিজেদের মধ্যে চোখ মারছিল। সৈনিকদের মাথায় হেলমেট এবং হাতে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র। একটা ছোট বাচ্চা এক বাড়ি থেকে বেরিয়ে পাশের বাড়িতে দৌড়ে যায় এবং তাকে উদ্দেশ্য করে একজন সৈনিক চিৎকার করে গালি দেয়। রাস্তায় বাচ্চাদের হাসির শব্দ প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল। তারা সৈনিকের গালি নকল করে। আরেকটি বাচ্চা ছেলে একটা টমেটোর খালি কৌটা বেড়ালের লেজের সঙ্গে বেঁধে ছেড়ে দিয়েছে। একজন সৈনিক বন্দুক তুলে ছেলেটির দিকে তাক করে। কিন্তু সৈনিকের কান্ডকারখানা দেখে ছেলেরা হেসে লুটোপুটি খায় এবং আরো জোরে শব্দ করে হাসতে থাকে। সৈনিকটি বাচ্চাদের ধাওয়া করে। ওরা দৌড়ে ঘরের ভেতর ঢুকে যায় এবং সৈনিকটির মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দেয়। তারপর বাচ্চারা আবার বেরিয়ে আসে এবং পরমুহূর্তেই তাড়া খেয়ে পুনরায় ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে। তারপর আবারো তারা একই কাজ করে এবং এবার সৈনিকটি একজনকে ধরে মারধর শুরু করে। বাচ্চাদের মায়েরা তাদের সবাইকে অভিশাপ দিতে থাকে, যারা ইজরায়েলি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করেছে। মহিলাদের স্বামীরা অভিশাপের মাত্রা দেখে বিস্ময়ে চোখ টিপে ।

রাস্তা দিয়ে একটা ট্যাঙ্ক চলে যায়। চারপাশ স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রে সজ্জিত। ভারী ট্যাঙ্কের চাপে পুরনো পাথরের রাস্তা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়। বাচ্চারা ঘরের অন্ধকারাচ্ছন্ন কোণায় বসে হাসাহাসি করছিল এবং অপেক্ষায় ছিল কখন ট্যাঙ্ক চলে যাবে । ট্যাঙ্ক চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা দৌঁড়ৈ বাইরে বেরিয়ে রাস্তায় যায় এবং ট্যাঙ্কের পেছনে দৌঁড়ুতে থাকে আর চিৎকার করে শ্লোগান দেয়: ‘ফাতাহ … পিএলও২ … ফাতাহ … পিএলও … ’

সৈনিকেরাও চিৎকারের সুরে গালিগালাজ করে। তারা বাচ্চাদের দিকে বন্দুক উঁচিয়ে ধরে এবং তাদের ঘরের ভেতর যেতে বাধ্য করে। কিন্তু একটা ছয় বছরের ছেলে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকে। সে তার বিবর্ণ প্যান্টের চেইন খোলে এবং সৈনিকদের দেখানোর জন্য গোপণাঙ্গ বের করে, যেন সে আত্মরক্ষার নীতিকে নিশ্চিত করছে। বাচ্চা ছেলেটির হঠাৎ উন্মত্ত সাহসিকতা দেখে পুরো রাস্তা চিৎকার-চেঁচামেচি আর অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে। একজন সৈনিক দুটি ছেলেকে ঘাড় ধরে পাকড়াও করে এবং পালকহীন এক জোড়া কবুতরের মতো টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যায়। তারপর জোর করে তাদের টহলরত গাড়িতে তোলে। মেয়েরা মাখনের খালি কৌটায় চাপড় দিয়ে তালে তালে বাজাতে থাকে। আর ছেলেরা পিএলও-র শ্লোগান দিতে শুরু করে: ‘বিপ্লব! বিজয় পর্যন্ত বিপ্লব চলবে! বিপ্লব! বিজয় পর্যন্ত বিপ্লব চলবে!’

উম্ম সাবির জানালা গলিয়ে মাথা বের করেন এবং যেসব সৈনিক ছেলেদের সঙ্গে দূর্ব্যবহার করেছে, তাদের উদ্দেশ্যে তীব্র স্বরে চিৎকার করেন: ‘সৃষ্টিকর্তা তোদের হাত ভেঙে দিক! সত্তরটি অশুভ চোখ তোদের দিকে নজর দিক! তোদের বাচ্চারা অল্প বয়সে মারা যাক! নবী মোহাম্মদ (সাঃ)-এক কৃপায় সৃষ্টিকর্তা তোদের ধ্বংস করুক!’

খালি রাস্তায় বাচ্চারা চিৎকার করছে এবং হাত তালির সঙ্গে সৃষ্টিকর্তা, ফিলিস্তিন, আরব জোট, পপুলার ফ্রন্ট, ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট, স্বাধীনতা, উৎসর্গ, আত্মত্যাগ এবং ইয়াসীর আরাফাত ধ্বনি তুলে বিরামহীন শ্লোগান দিচ্ছে।

কিন্তু তখন পুরো সময় জুড়ে তথাকথিত ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রকৌশলীরা রাস্তার শেষ মাথায় অবস্থিত একা বাড়ির উচ্চতা এবং প্রস্থ মাপজোখ করছিল। বাসিন্দারা ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যায় এবং পুরুষেরা তাদের প্রতিবেশিদের বাড়ি থেকে বিছানা ও গদি নিয়ে যায়। লোকজন তাদের ঘরের কোণায় লুকিয়ে ছিল। তাদের জানালার পাল্লা খোলা, কিন্তু তারা কান শক্ত করে বন্ধ করে রেখেছিল। তারপরই আসে বিস্ফোরণের ভয়ঙ্কর আওয়াজ।

পুরনো বাড়ির দেওয়ার ধ্বসে পড়ে। বিশাল এক টুকরো ধ্বংসস্তূপের উপর গর্ত করে ছাদ পড়ে। বাড়ির বুড়ো মালিক পাশের আরেক বাড়ির ছাদের উপর দাঁড়িয়ে দেখছিল এবং সে আজান দেয়। তার কণ্ঠস্বর ছিল ভাঙা: ‘আল্লাহু আকবর, আল্লাহ সবচেয়ে মহান!’

‘আল্লাহ সবচেয়ে মহান!’ প্রতিবেশিরা সমস্বরে আওয়াজ তোলে। জানালায় ভিড় করে মহিলারা উল্লসিত হয়ে তাদের কন্ঠস্বর উপরে তোলে এবং মেয়েরা খালি কৌটায় চাপড় দিয়ে বাজানো অব্যহত রাখে। একটা মেয়েলি কণ্ঠস্বর আরো একবার সংহতির সঙ্গীত গেয়ে উঠে। ছেলেরা মেয়েদের সুরের সঙ্গে তাল মিলায়, যতক্ষণ না পুরো রাস্তাটি আর্তনাদে ভরে উঠে: ‘ফিলিস্তিন! ফিলিস্তিন!’

উসামা জানালার পাশে দাঁড়িয়ে দেখছিল এবং সে অনুভব করে যে তার চোখে অশ্রু। সুতরাং সব ঠিক ছিল,সত্যি। সে বাসিল৩কে এক কোণে দাঁড়িয়ে দেখেছে। বাসিল পর্যায়ক্রমে স্লোগান দিচ্ছিলেন: ‘আমরা ইয়াসীর আরাফাতের লোক!’ এবং ‘বিপ্লব! বিজয় পর্য্যন্ত বিপ্লব চলবে!’

দুজন সৈনিক বাসিলকে জাপটে ধরেছিল। সে সামান্য প্রতিরোধ করেছিল। তারা তার মাথা কাপড় পেঁচিয়ে ঢেকে দিয়েছিল এবং তাকে ধাক্কা মেরে টহলরত গাড়িতে তুলেছিল। তখন তার বোন নুওয়ার জানালার পাশে দাঁড়িয়ে বোবা হয়ে তাকিয়েছিল। ‘সৃষ্টিকর্তা যা ইচ্ছা করেন তাই হোক!’ হয়তো তার বাবার আর্তনাদ শোনা যাচ্ছিল। ‘কিন্তু ছেলেটির উপর কী নেমে এসেছিল? সে কী ভেবেছিল যে, একাই সে ফিলিস্তিনকে মুক্ত করবে?’ বাসিলের মা বাঁধভাঙা কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন। নুওয়ার তার বাবার বরফ-শীতল চোখের দিকে শান্ত দৃষ্টি মেলে তাকিয়েছিল । তারপর একসময় সে জানালার দিকে দৃষ্টি সরিয়ে নেয়। সে নিজেকে আশ্বস্ত করে যে, বাচ্চারা সাহস হারায়নি এবং তারা এখনো উদ্যমীভাবে ড্রাম বাজিয়ে শ্লোগান দিচ্ছে:

‘কালাশনিকভ৪ ট্যাঙ্ক ধ্বংস করবে!

আরপিজি৫ যুদ্ধ বিমান নামিয়ে আনবে!’
----------------

 
পাদটীকা: মূল গল্পে নেই, তবে পাঠক/পাঠিকাদের সুবিধার্থে দেওয়া হলো – অনুবাদক।

১ ফালাফেল ও তাম’ইয়া – ফালাফেল মধ্যপ্রাচ্যের একটা খুব ঐতিহ্যবাহী এবং প্রচলিত খাবার, যা ডুবো তেলে ভাজা ফ্রাইবল বা পেটি এবং ছোলা দিয়ে তৈরী করা হয় । অন্যদিকে তাম’ইয়া হলো মিশরীয় ফালাফেল, যা মটরশুটি দিয়ে বানানো হয় । এগুলো নিরামিষ ভোজী এবং ভেগ্যানদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় খাবার।

২ পিএলও – প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন।

৩ বাসিল – পুরো নাম বাসিল আল-আরজ। তিনি ছিলেন একজন সক্রিয় কর্মী (এক্টিভিস্ট), যুব আন্দোলনের নেতা এবং ফিলিস্তিনি যুবকদের জন্য একটি আলোকবর্তিকা। তিনি মাত্র একত্রিশ বছর বয়সে (৬ মার্চ, ২০১৭) রামালায় ইজরায়েলি সৈন্যদের অভিযানে নিহত হন।

৪ কালাশনিকভ – রাশিয়ার তৈরি স্বয়ংক্রিয় রাইফেল, যা সংক্ষেপে ‘একে’ (অ্যাভটোম্যাট কালাশনিকভ) রাইফেল হিসেবে সারা বিশ্বে পরিচিত।

৫ আরপিজি – রকেট প্রপেল্ড গ্রেনেড।


লেখক পরিচিতি: আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রাপ্ত আধুনিক ফিলিস্তিনি কথাসাহিত্যের অন্যতম নারী লেখক সাহার খালিফেহ। তার জন্ম ১৯৪১ সালে ফিলিস্তিনের নাবলুসে। তিনি ফিলিস্তিনের বিরজেইট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৭ সালে ইংরেজি ও আমেরিকান সাহিত্যে বিএ ডিগ্রী লাভ করেন। পরর্তীতে তিনি বৃত্তি নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর ক্যারোলিনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এমএ (১৯৮২) এবং আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উইমেন স্টাডিজ এবং ِ আমেরিকান উইমেন্স লিটারেচারে পিএইচডি (১৯৮৮) ডিগ্রি অর্জন করেন । মাত্র আঠারো বছর বয়সে নিজের ইচ্ছের বিরুদ্ধে তার বিয়ে হয় এবং তের বছর সংসার করার পরে স্বামীর সঙ্গে তার ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।

সাহার খালিফেহ এগারোটি উপন্যাস রচনা করেন এবং তার সবগুলো উপন্যাসই দখলাধীন ফিলিস্তিনিদের পরিস্থিতি নিয়ে রচিত। তার মধ্যে সাতটি উপন্যাস ইংরেজিতে অনুবাদ করা হয়েছে। এগুলো হল: ‘দ্য এন্ড অব স্প্রিং’, ‘দ্য ইনহেরিটেন্স’, ‘অব নোবেল অরিজিন’, ‘দ্য ইমেজ, দ্য আইকন অ্যান্ড দ্য কভেনেন্ট’, ‘ওয়াইল্ড থর্নস’, ‘প্যাসেজ টু দ্য প্লাজা’ এবং ‘মাই ফার্ষ্ট অ্যান্ড অনলি লভ’। উল্লেখ্য, ইংরেজি ছাড়াও তার উপন্যাস ফরাসি, হিব্রু, জার্মান, স্প্যানিশ এবং অন্যান্য অনেক ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তিনি বেশ কয়েকটি আরব ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার জিতেছেন, যার মধ্যে রয়েছে মিশরের নাগিব মাহফুজ পদক (২০০৬), মরোক্কোতে মোহাম্মদ জাফজাফ পুরস্কার (২০১৩) এবং আন্তর্জাতিক কল্পকাহিনীর জন্য আলবার্তো মোরাভিয়া পুরস্কার (১৯৯৬)। এছাড়া তার ‘প্যাসেজ টু দ্য প্লাজা’ উপন্যাসটি নিউস্টাড ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ফর লিটারেচার (২০২০)-এর সংক্ষিপ্ত তালিকায় ছিল। তিনি নাবলুস, গাজা শহর এবং জডার্নের আম্মান শহরে মহিলা বিষয়ক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন।

গল্পসূত্র: ‘বন্য কাঁটা’ সাহার খালিফেহর(Sahar Khalifeh) ইংরেজিতে ‘ওয়াইল্ড থর্নস’ গল্পের অনুবাদ। উল্লেখ্য, গল্পটি লেখকের একই শিরোনামের বিখ্যাত উপন্যাসের চুম্বক অংশ। আরবি থেকে গল্পটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন ট্রেভর লেগ্লাসিক এবং এলিজাবেথ ফেরনিয়া। গল্পটি আতেফ আলশায়ের সম্পাদিত ও ২০১৯ সালে প্রকাশিত ‘এ ম্যাপ অব অ্যাবসেন্স: অ্যান অ্যান্থোলজি অব প্যালেস্টিনিয়ান রাইটিংস অন নাকবা’ গ্রন্থে অন্তর্ভূক্ত এবং সেখান থেকে বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে।


অনুবাদক পরিচিতি:
ফজল হাসান
 অনুবাদক। ছড়াকার
অস্ট্রেলিয়াতে থাকেন।





 



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন