বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৬

আর্মেনিয়ার গল্প : সাদীর শেষ বসন্ত

আভেতিক ইসাহাকিয়ান

অনুবাদঃ শাহানা আকতার মহুয়া

[আভেতিক ইসাহাকিয়ান ১৮৭৫ সালে আর্মেনিয়ার লেনিনকান শহরের অদূরে কাজারাপাত গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আর্মেনিয়ার ধর্মীয় স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। লিপজিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি সমকালীন সাহিত্য, ইতিহাস, দর্শন, নৃতত্ত্ব ও মানবজাতি তত্ত্ব বিষয়ক আলোচনায় নিয়মিত অংশগ্রহণ করতেন।
বিশ্বসাহিত্যের বিভিন্ন বিষয় অধ্যয়নকালে তিনি গ্রীস ও ইতালি ভ্রমণ শেষে ১৮৯৫ সালে নিজ দেশে ফিরে আসেন। পুনরায় ১৯১১-১৯২৬ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে কাটানোর পর সোভিয়েত আর্মেনিয়ায় ফিরে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘সঙস এন্ড উন্ডস’ প্রকাশিত হয় ১৮৯৫ সালে। তাঁর লেখা কাব্য, গাথা, ছোটগল্প, রূপকথা এবং বিশেষ করে কবিতা ‘আবুল-আলা-মিয়ারী’ তাঁকে বিশ্বময় খ্যাতিমান করে তোলে।]



বসন্ত এসে গেছে।

কোনো কোনো বসন্ত এসে পৃথিবীটাকে পুরোপুরি বদলে দেয়। আনন্দ আর বেদনার কবি সাদীর এরকম একশ’ টি বসন্ত দেখেছেন। এমনি এক বাসন্তী সকালে সাদী খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে পড়েন। রোনাবাদ নদীর ধারে বাগিচায় দাঁড়িয়ে তিনি শোনেন বুলবুলি হৃদয় নিংড়ানো গান। বসন্তের আশ্চর্য রহস্যময়তা ছড়িয়ে আছে ঘন স্তব্ধতার মতো। নিষ্পলক চোখে সাদী চেয়ে থাকেন সিরাজের খোলা প্রান্তরের দিকে। এই ঘুম ঘুম সকালে প্রকৃতির অবারিত সৌন্দর্য ছড়িয়ে আছে গোলাপের পাপড়ির মতো। সুগন্ধী, সাদা কুয়াশায় ঢাকা চরাচর অদ্ভূত মোহনীয়তায় সাদীকে আচ্ছন্ন করে তোলে।

চমৎকার একটি চাদর বিছিয়ে সাদী বসে পড়েন ফুলে ফুলে ভরে ওঠা জুঁইয়ের ঝোপের নিচে। কাঁপা হাতে লালচে সবুজ একটা গোলাপকলি ছিঁড়ে ফিসফিস করে বলেন- যেমন আলিঙ্গনাবদ্ধ প্রেমিকের উষ্ণতায় মিশে লাজুক তরুণী হেসে ওঠে, তেমনি সকালের এই দুরন্ত বাতাস যেন চুমু দিয়ে খুলে দিয়েছে গোলাপের অধর।

সাদী বৃদ্ধ হয়ে গেছেন বটে কিন্তু তাঁর ভেতরটা এখনো তরুণদের মতোই উচ্ছ্বল, প্রাণচঞ্চল। চোখদু’টো প্রায় আধবোঁজা আর কান প্রায় অকেজো হয়ে গেলেও পৃথিবীতে যা কিছু সুন্দর- সবই তিনি অনুভব করতে পারেন গভীরভাবে। নান্দনিকতা তাঁর অন্তরে দূরাগত সুরের মূর্ছনা হয়ে নৈঃশব্দের ভেতরে ধরা দেয়। জামরুক পাখি যখন ক্কাফ্‌ফ্‌ পাহাড়ের চূড়ায় একেবারে তারাদের রাজ্যের কাছাকাছি বাসা বাঁধে- তাদের অভূতপূর্ব সুরের দ্যোতনা কবিকে নাড়িয়ে দিয়ে যায় মোহনীয় কবিতার মতো।

ধূসর পালকের বুলবুলিগুলো লেজ নাড়িয়ে মনোমুগ্ধকর রুবাইয়াৎ গায়, যা ভালবাসার আগুনে পুড়ে পুড়ে স্বর্ণপ্রভ হয়ে উঠেছে- সেই গান সাদীর হৃদয়ে দোলা দিয়ে যায়।

কুমারীর নিঃশ্বাসের মতো কোমল বাতাস ছুটে এসে সাদীর কাছে পৌঁছে দেয় গোলাপের মোহনীয় আমন্ত্রণ, সাদী বুঝে নেন- এ হলো ভালবাসার ঘোষণা।

প্রেমপূর্ণ হৃদয় সবসময়ই বুঝতে পারে নিসর্গের শব্দমালা। আহা! পৃথিবীটা তো শান্তির ছায়ায় ঢাকা! আর পৃথিবীর এই মাদকতাময় উষ্ণতা ... সে তো অবিনশ্বর- বহুদিন আগে বলা নিজের এই কথাগুলোই পুনরুচ্চারণ করেন সাদী।

বুলবুলির গান আর লাল গোলাপের সুরভী নিঃশ্বাসের সাথে সাথে সাদীর অন্তঃস্থলে পৌঁছে যায়। আবিষ্ট সাদী ধ্যানমগ্ন হ’য়ে যান! স্বপ্নের ভেতরে তলিয়ে যেতে যেতে অনুভব করেন- সম্পূর্ণ পৃথিবীটা যেন তাঁর হৃদয়ে প্রতিফলিত হচ্ছে।

চোখ বন্ধ করে তিনি দেখতে পান পবিত্র পদ্মসমূহকে ধারণ করে অন্তহীন ব’য়ে চলেছে শান্তির নদী।

দেখেন ¾ গভীর জঙ্গলে হাতিদের সদম্ভ চলাফেরা। দিল্লীর সোনালি প্রাসাদে রূপবতী নারীরা তাদের নীলচে-কালো চুলে গোলাপি ফুল গুঁজে ঝর্ণার মতো ঝিরঝিরিয়ে হাসছে।

দেখেন তুরানের ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ সমতলে ভয়ঙ্কর দস্যুরা উন্মুক্ত তরবারি হাতে ঝড়ের গতিতে ছুটে আসছে।

মরুভূমির বুক বিদীর্ণ করে উঠছে সূর্য । ঈগলের মতো তীক্ষ্ম দৃষ্টিতে অনুসন্ধানী যাযাবরেরা ক্ষীপ্রগতিতে ধাওয়া করছে মৃগয়াদের।

তিনি আরো দেখেন তীর্থযাত্রীদের, মরুযাত্রী বণিকদের। তারা পবিত্র মক্কার দিকে মুখ করে হাঁটু গেড়ে প্রার্থনায় নিমগ্ন তারা। কায়মনে জপ করছে স্রস্টার নাম।

কবি দেখেন প্রাচীন মিশরের বিস্ময়কর দৃশ্যাবলী। স্বচ্ছ নীল সমুদ্রে দামাস্কাসের রূপসী কন্যারা ঝিকমিক করে জ্বলছে। যেন মখমলের মতো মসৃণ ত্বকের মেয়েরা যুবক সাদীকে কোমল আদরে উদ্বেলিত করছে। তাদের সুডৌল বাহু সাদীর গলা জড়িয়ে আছে মালার মতোন ।

লজ্জা পেয়ে তাড়াতাড়ি চোখ মেললেন সাদী।

হায়, আমার জীবনের একশ’টি বছর যেন মিষ্টি স্বপ্নের মতো, একরাত্রির সুন্দর কল্পনার মতো নিঃশেষ হয়ে গেল! মনে হচ্ছে এক মুহূর্তের মধ্যে বছরগুলো কেটে গেছে। আমার সাথে ছিল রূপকথার রোমাঞ্চ, বুলবুলির গান, গোলাপ আর গোলাপের সহোদরা প্রস্ফূটিত কুমারীরা!

স্বর্গীয় বাগানের পর্দা ভেদ করে সূর্য এসে উঁকি দেয় পৃথিবীর বুকে। সোনালি আভায় ঝলসে ওঠে ফুল-পাতা-ঘাস-পাথর আর পাহাড়ের চূড়া। অন্ধকারের নেকাব খুলে হীরের কুচির মতো বিকিরিত আলো সাদীর ভেতরে ছড়িয়ে দেয় অপার্থিব এক বিভা।

মাথা তুলে অবারিত নীলাকাশের দিকে তাকান সাদী। সোনালি রশ্মির ভেতরে পাক খেয়ে উড়ছে কয়েকটা পাখি। অভিভূত সাদী আবিষ্টের মতো চেয়ে থাকেন সেদিকে।

পৃথিবীটা এক রহস্যের রাংতায় মোড়া রূপকথার মতোই অদ্ভূত আর অবিশ্বাস্যরকম সুন্দর!

প্রতিদিন তো সেই একই পৃথিবী দেখি তবু যেন প্রতিদিনই নতুনত্ব খুঁজে পাই- যেন আমি প্রথমবারে দেখা বিস্ময় নিয়ে পৃথিবীকে দেখছি! চিরচেনা আমার পৃথিবী- অথচ এখনো সেই একই রকম আকর্ষণীয়, প্রাচীন কিন্তু চির নতুনত্বের স্বাদ পাই বারবার। পৃথিবীর অবর্ণনীয় সৌন্দর্য শুধুমাত্র পৃথিবীর সৌন্দর্যের সাথেই তুলনা করা যায়।

কবি সাদী আবার পূর্ণ দৃষ্টিতে তাকান ¾ প্রকৃতির ঐন্দ্রজালিক খেলায় বিবশ হয়ে থাকে তাঁর মুগ্ধ হৃদয়। সবুজ দিগন্তের ভেতরে ধূসর বৃক্ষ-শাখায় লাল প্রবালের মতো পা রেখে একজোড়া ঘুঘু প্রেমালাপে মত্ত। পরস্পরের ঠোঁট মিশে আছে অন্তহীন সোহাগে।

সাদী উচ্চস্বরে বলেন ¾

সব যেন মোহাচ্ছন্ন হয়ে আছে কোনো সদৃশ্য মায়াবীর যাদুর কাঠির ছোঁয়ায়, সবকিছু যেন রূপকথার গল্পে পরিণত হয়েছে। পৃথিবীটা অস্থিরভাবে ছুটে চলেছে আর প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে কিন্তু অদৃশ্য যাদুর ইশারায় আবারও সব কিভাবে যেন পুনরায় সৃষ্টি হচ্ছে? নতুন করে সৃষ্টি হচ্ছে ধ্বংসের ওপর? হরিণীরা কেন ভালবাসা বুকে পুষে তার প্রেমিকের জন্য ক্ষত-বিক্ষত হয়, পাহাড়ের তীক্ষ্ম চূড়ায় মাথা কুটে ঝড়ো বাতাসের মতো?

সুরভিত গোলাপকেকে তার আবরণ খুলে বের করে আনে?

অজানা কোনো ভুবন থেকে কেন মানুষকে পৃথিবীতে আনা হয়? রক্ত-মাংসের সাথে সাথে তার ভেতরে দেওয়া হওয়া চেতনা আর যন্ত্রণার দাবদাহ; এত যন্ত্রণার পরেও মানুষ কেন বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষায় ছটফট করে, মরতে চায় না?

“ওহ্‌ ভালবাসা, তুমি তো অপরাজেয় শক্তি, তুমি তো নিবিড় এক নিপীড়নকারী। কতকাল ধরে ধারণ করে আছি অথচ এখনো পরিপূর্ণভাবে তোমার গভীরতা, তোমার সুরভী বুঝতে পারলাম না!”

কেন যেন সাদীর অন্তরাত্মা বলে উঠল ¾ এটাই তার জীবনের শেষ বসন্ত। শেষ বসন্ত!

বাগানের দরজাটা খুলে গেল।

এক ঝলক কোমল বাতাসের মতো নিজেকে ছড়িয়ে তুষার শুভ্র শরীর আন্দোলিত করে বাগানে ঢুকল নাজিয়াত। সাদীর প্রেমিকা নাজিয়াত প্রায়ই আসে সাদীর কাছে।

তার মাদকতাময় ঠোঁট, অনাবৃত ধবধবে সাদা বাহু সূর্যের আলোয় ঝলসে ওঠে। বৃদ্ধ কবির অনেক ঘুমহীন রাত নাজিয়াত তার এই বাহুর শুভ্রতায় আলোকিত করেছে।

সাদী নাজিয়াতকে ভালবাসতেন তাঁর তারুণ্যদীপ্ত আত্মা দিয়ে, অম্লান হৃদয় দিয়ে।

নাজিয়াতের কথা তিনি লিখেছেন তাঁর অমর গ্রন্থ ‘গুলিস্তান’এ। স্বর্ণময় ঔজ্জ্বল্যে তুলে ধরেছেন নাজিয়াতকে।

নাজিয়াতের দু’হাত ভরা গোলাপ। তাকেও মনে হচ্ছে আরেকটি ফুটন্ত গোলাপ। কবির কাছে এগিয়ে এলো সে।

কিন্তু কবি বিষন্ন। তাঁর বিবর্ণ ঠোঁটে লেপ্টে আছে বিমর্ষতা।

‘কী হয়েছে তোমার?’

সাদী তবু চুপ।

‘তোমাকে আমি তৃষ্ণার্তের মতো ভালবাসি কবি। তোমার বিমর্ষতাও আমার কাছে বিজ্ঞতাসুলভ আর দুর্লভ কবিতা মনে হয়, প্রাণময় উচ্চারণে কেন বলছো না ¾ যন্ত্রণা থেকেই মুক্তোর জন্ম হয় আর পুড়ে পুড়েই ধূপ সুগন্ধি বিলায়?’

বিবর্ণ হেসে সাদী নাজিয়াতের মুখের দিকে গভীরভাবে তাকান।

নাজিয়াত বলে ¾ দেখো তোমার জন্য গোলাপ এনেছি। আমার বাগানের ভেলভেটের মতো কোমল গোলাপ!

নাজিয়াত গোলাপগুলো সাদীর গায়ের ওপর ঢেলে দিয়ে উজ্জ্বল আঙুলের ডগা ছোঁয়ালো কবির বিষন্ন মুখে।

‘স্বর্গের রূপবতী কন্যা, যে গোলাপগুলো তুমি আমাকে দিয়েছ, আমি জানি এগুলো পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ গোলাপ আর এর সৌন্দর্যও কখনো ম্লান হয় না।’

নাজিয়াত স্নিগ্ধকণ্ঠে কবির একদা উচ্চারিত কথার প্রতিধ্বনি করে ¾

সাদী, যখন কেউ গোলাগের অনুপম সুগন্ধ টেনে নেয় বুকে তখন সে ভুলে যায় গোলাপের পাপড়িগুলোও একসময় বিবর্ণ হয়ে ঝ’রে যাবে ।

নাজিয়াতের চুল সাদীর কাছে মনে হয় স্বপ্নের দেখা মাতাল নদীর মতো। নাজিয়াত তার সেই স্বপ্নময় চুলগুচ্ছ এলিয়ে সাদীকে ঢেকে ফেলল পাশ থেকে। মাথা রাখল সাদীর কাঁধে। তখন বাগান থেকে হঠাৎ মন আকুল করা উম্মাতাল বাতাস ছুটে আসে একরাশ সুগন্ধ নিয়ে, জামরুক পাখি যেমন দুরন্ত ডানা মেলে আকাশে উড়ে যায় তেমনি রংধনুর মতো বর্ণালি পাখায় চঞ্চলতা ছুঁয়ে গেল।

সাদী নাজিয়াতের স্বপ্নঘন চুলে আস্তে আস্তে হাত বুলিয়ে দেন। তিনি তাঁর আত্মার ভেতর থেকে কল্পরাজ্যের পুড়ে যাওয়া দেখতে পেলেন; হাস্যমুখী কুমারীর দিকে তাকিয়ে তাঁর বৃদ্ধ হৃদয়টা জ্বলে উঠল। সাদী নাজিয়াতের ছোট্ট হাতখানি নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে চুম্বন করে অস্থিরভাবে বুকে চেপে ধরলেন ¾

নাজিয়াত, আমার জীবনের শেষ কথাটি তুমি ‘গুলিস্তান’-র শেষ পৃষ্ঠায় নিজের হাতে লিখো। লিখবে তো?

লিখো ¾

“আমরা আমাদের নিজেদের ইচ্ছায় পৃথিবীতে জন্মাই না,

অদ্ভূতভাবে বেঁচে থাকার পর শেষ পর্যন্ত না চাইলেও অসহায়ভাবে


মরে যেতে হয় আমাদের!”




লেখক পরিচিতি
শাহানা আকতার মহুয়া
মহুয়ার জন্ম এবং বেড়ে ওঠা নাটোরে। শিক্ষা বিষয়ে স্নাতক এবং সামাজিক বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেছেন। প্রথম পেশা শিক্ষকতা। ২০০৮ সাল থেকে সপরিবারে বসবাস করছেন কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে। বর্তমানে ‘মাল্টিকালচারাল হেল্পিং হাউজ সোসাইটি’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে সেটেলমেন্ট অফিসার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

প্রবাস জীবনের নানা প্রতিকূলতায় লেখালেখিতে খানিকটা ছেদ পড়লেও থেমে যাননি তিনি। ছোটকাগজসহ অনেক দৈনিক কাগজে নিয়মিত লিখছেন। কিছুটা নিভৃতচারী মহুয়া লেখালেখির পাশাপাশি সম্পাদনা করেন সুরুচিশোভন সাহিত্যের কাগজ ‘ছান্দস’।

প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থঃ
ধ্রুপদ সন্ন্যাসে (১৯৯৮)
কাচের কোকিল (২০০০)
প্রত্নপিপাসার জল (২০০৫)
মনঘর (২০১১)

অনূদিত গ্রন্থতালিকায় রয়েছে-

আর্মেনিয়ার ছোটগল্প (২০০৫)
ভারতীয় নারী-লেখকদের গল্পের সংকলন -
জেনানা জবান (২০১০)
কানাডিয়ান আদিবাসী নারী কবিদের কবিতার অনুবাদ-
দূরের ক্যানভাস (২০১৬)

কবিতায় মৌলিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে পশ্চিমবঙ্গ থেকে লাভ করেছেন ‘যতীন্দ্রমোহন বাগচী সম্মাননা পদক’।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন