প্রখ্যাত পাকিস্তানি সাংবাদিক, ছোট গল্প লেখক এবং ঔপন্যাসিক ইন্তিজার হুসেইন উর্দু সাহিত্যের সবচেয়ে প্রভাবশালী গল্পকারদের একজন। জন্মে ছিলেন ব্রিটিশ-ভারতের বুলান্দশহরের দিবাইতে। ১৯৪৭ এ দেশভাগের পর পাকিস্তানের লাহোর-এ চলে যান। মান্টোপরবর্তী উর্দু ছোটগল্পের সবচেয়ে শক্তিমান লেখক হিসেবে ইন্তিজার হুসেইনকে বিবেচনা করা হয়।উর্দু ছাড়াও তিনি ইংরেজিতে লেখালিখি করেছেন। লিখেছেন ‘বস্তি’, ‘নয়া ঘর’ এবং ‘আগে সমুন্দর হ্যায়’ নামের তিনটি উপন্যাস। ‘লীভ্স’, ‘দি সেভেন্থ ডোর’. ‘এ ক্রনিকল অফ দি পীককস’ এবং ‘অ্যান আনরিটন এপিক’ তাঁর কয়েকটি বিখ্যাত গল্প সংকলন। তাঁর লেখায় দেশভাগ পূর্ব জীবনের স্মৃতি যেমন ঘুরে ফিরে এসেছে তেমনি ধরা রয়েছে তাঁর জীবন-পাঠ যা একই সাথে সমকালীন এবং কালোত্তীর্ণ।
নিজের দেশে নানা সম্মানে ভূষিত ইন্তিজার হুসেইনকে ২০০৭ সালে ভারতীয় সাহিত্য আকাদেমি প্রেমচাঁদ ফেলোশিপে সম্মানিত করে। ২০১৩-তে ‘বস্তি’ উপন্যাসটি ইংরেজিতে অনূদিত হওয়ার পর তাঁর নাম ‘ম্যান বুকার’ পুরস্কারের মনোনয়নের জন্য সর্বোচ্চ বিবেচিত নামের তালিকায় সংযুক্ত হয়। ২০১৪-তে পান ফরাসী সরকার-এর ‘অর্ডে ডেস আর্টস এট ডেস লেটার্স ‘-এর সম্মান।
নিজের দেশে নানা সম্মানে ভূষিত ইন্তিজার হুসেইনকে ২০০৭ সালে ভারতীয় সাহিত্য আকাদেমি প্রেমচাঁদ ফেলোশিপে সম্মানিত করে। ২০১৩-তে ‘বস্তি’ উপন্যাসটি ইংরেজিতে অনূদিত হওয়ার পর তাঁর নাম ‘ম্যান বুকার’ পুরস্কারের মনোনয়নের জন্য সর্বোচ্চ বিবেচিত নামের তালিকায় সংযুক্ত হয়। ২০১৪-তে পান ফরাসী সরকার-এর ‘অর্ডে ডেস আর্টস এট ডেস লেটার্স ‘-এর সম্মান।
পেশাগত জীবনে তিনি পাকিস্তানের বিখ্যাত ইংরেজি দৈনিক ডন-এ কাজ করেছেন।অনুবাদ করেছেন চেখভসহ বিশ্বসাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ নানা লেখা। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পক্ষে ছিলেন। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লিখেছেন একাধিক ছোটগল্প। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তাঁর বিখ্যাত দুটি ছোটগল্প হচ্ছে, ‘স্লিপ’ এবং ‘সিটি অব সরো’। এ ছাড়াও তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস বাস্তি'র একটি বড় অংশ জুড়েই রয়েছে সাতচল্লিশ, উনসত্তর এবং একাত্তরের দিল্লি, ঢাকা এবং লাহোর। উর্দু সাহিত্যের এই শক্তিমান লেখক ২০১৬ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি মারা যান।প্রিয় পাঠক, গল্পপাঠের এই আয়োজনে আপনাদের জন্য ইন্তিজার হুসেইনের কয়েকটি অনূদিত গল্প রইল।
অনুবাদ : প্রতিভা সরকার
অনুবাদ : নাহার তৃণা
অনুবাদ : মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ
অনুবাদ : অমিতাভ চক্রবর্ত্তী
অনুবাদ : সুদেষ্ণা দাশগুপ্ত
অনুবাদ : মাজহার জীবন
অনুবাদ : রঞ্জনা ব্যানার্জী

0 মন্তব্যসমূহ