গল্পপাঠ ওয়েবজিন।। একাদশ বর্ষ ।। সংখ্যা ৯৪

 

সম্পাদকীয়
হারানো মনোযোগের সন্ধানে

২০০৭ সনে এক বছর বাংলাদেশে থেকে যখন আবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে এলাম আমার একটা নতুন মোবাইল ফোনের দরকার পড়ল, তো আমার এক মার্কিন বন্ধু বলল, তুমি অ্যাপেলের নতুন ফোন, যাকে আই ফোন বলে, সেটা কিনতে পারো। ব্যস – যেই কথা সেই কাজ – এবং এরপরে, ধীরে ধীরে – একবারে নয় – কেন জানি আমার মনে হয় আমার বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তার ক্ষয় সেখান থেকে শুরু। সামাজিক মাধ্যম আমার জীবনে তখনও এত শক্তিশালী ছিল না, যদিও ফেসবুকের প্রতিষ্ঠা ২০০৪ সনে, আমি এতে ঢুকলাম মাত্র ২০১০ সনে। আন্তর্জাল বা সামাজিক মাধ্যাঅম তখনও আমার জীবনের নিয়ন্ত্রণ নেয়নি, এবং আমার পক্ষে কিছু উপন্যাস ও গল্প লেখা সম্ভব হয়েছিল।

কিন্তু যেটাকে বলা হয় Digital Fatigue সেটি ধীরে ধীরে সৃজনশীলতাকে গ্রাস করতে শুরু করে, গভীর চিন্তার জন্য যে সময়টুকু দেওয়া প্রয়োজন – সেই সময়টুকু বের করতে কষ্ট হচ্ছিল। আর সামাজিক জীবনে স্মার্টফোনের সর্বব্যাপী উপস্থিতি সময়ের সাথে আমাদের আড্ডার জগতকে ভেঙে দিতে থাকে। তথ্যপ্রযুক্তি কোম্পানিগুলোও আমাদের মনোযোগ দেবার সময়সীমা বুঝে এমন নতুন জিনিস বাজারে নিয়ে আসতে থাকে যা ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু তাৎক্ষণিক ডোপামিনের জোগান দিতে পারে – আমরা পাই ‘তাৎক্ষণিক তৃপ্তি’। ফেসবুক রীল এটির একটি উদাহরণ। কিন্তু শেষ যেটি আমাদের মৌলিক চিন্তার জন্য হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে সেটি হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এআই।

যাঁরা মানবিক বিভাগের স্কলার এবং সেই দলে যাঁরা এআই ব্যবহার করেন না, তাঁরা এটির সুদূরপ্রসারী ধ্বংসাত্মক প্রভাব সম্পর্কে অবগত নন। বৈজ্ঞানিক, প্রকৌশল ও কারিগরী জগতে এটির ব্যবহার মূলত ধনাত্মক, আমি নিজে কৃত্রিম উপগ্রহের তথ্য নিয়ে কাজ করেছি এআইয়ের সাহায্য এবং যে কাজটি করতে আমার এক বছর অন্তত সময় নিত, সেটি আমি দু সপ্তাহে করতে পেরেছি। কিন্তু সাহিত্য ও শিল্পের জগতে ব্যাপারটি একেবারেই ভিন্ন। বিশেষত তাত্ত্বিক সাহিত্য সমালোচনার ক্ষেত্রে। একটি গল্প বা উপন্যাসের সামগ্রিক প্লট এবং সেই প্লটের ঐতিহাসিক ও তাত্ত্বিক প্রেক্ষাপট এআইয়ের সাহায্য খুব দ্রুতই বের করা যায়, এই ক্ষেত্রে এআই না ব্যবহার করার ‘লোভ’ দমন করা কঠিন, কারণ সেটি এমন সব রেফারেন্সের সন্ধান দেবে যা, হয় সমালোচকের মাথায় সেই মুহূর্তে আসেনি অথবা যেটি একেবারেই অজানা। অনেকে হয়তো বলবেন ­– এটি তো ভালো, পাঠাগারে এক সপ্তাহ ব্যয় করার চাইতে আমি কয়েক সেকেন্ডে সব তথ্যাবলী পেয়ে যাচ্ছি। আসলে সমস্যা আরো গভীরে, এআই যদি আপনাকে এটুকু দিয়েই ক্ষান্ত হতো তাহলে সেটি একটি দক্ষ লাইব্রেরির কাজ করত; কিন্তু এআই, এর পরবর্তী পর্যায়ে, বিভিন্ন সমালোচনা তত্ত্ব কীভাবে ওই গল্প বা উপন্যাসটিকে ব্যাখ্যা করতে পারে সেই চিন্তাটিরও উদ্ঘাটন করবে বিস্তারিতভাবে। এখানে সমালোচকের সামনে দুটি পথ খোলা, সেটি হলো গণকযন্ত্রের ডালা বন্ধ করে সে ততক্ষণ পর্যন্ত যা জেনেছে তার ওপর ভিত্তি করে লিখবে, অথবা এআইয়ের দেওয়া ‘প্রবন্ধ’ ব্যবহার করে নিজের ভাষায় ও কিছু নতুন চিন্তা দিয়ে সেটিকে ঢেলে সাজাবে। সমালোচক জানে এই দ্বিতীয় পদ্ধতির ফলাফল প্রথমটির চেয়ে সমৃদ্ধ হবে এবং পাঠকদের জন্যও সেটি ইন্টারেস্টিং হবে, কিন্তু একই সাথে এটাও সে জানে এই প্রক্রিয়া ধীরে ধীরে তাঁর চিন্তাশক্তি কেড়ে নেবে।

এই ‘তাৎক্ষণিক তৃপ্তি’র যুগে প্রতিবারের সাহিত্য নোবেল পুরস্কার একটি বড় উদাহরণ। এই সাহিত্য পুরস্কার অনেকেই পাচ্ছেন যাদের সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে আমরা বিশেষ অবগত নই, কিন্তু পুরস্কার ঘোষণা মাত্র আমরা তাঁকে নিয়ে লিখছি, তাঁর গল্প তখনই অনুবাদ করছি – সময় দিচ্ছি না ব্যাপারটাকে আত্মস্থ করতে। বাংলা সাহিত্য জগতে ইয়ান ফোসে, হান ক্যাং বা লাসলো ক্রাসনোহরকাইকে নিয়ে যত উত্তেজনা ও আলোচনা হয় সেটি হয়তো অন্য কোনো ভাষায় হয় না। এই ব্যাপারটিকে আমি ঋণাত্মকভাবে দেখছি না, বরং মনে করি বর্তমানে শিল্পজগৎ বাংলাদেশে যে প্রতিকূলতার সম্মুখীণ হচ্ছে তাতে এই ধরণের আলোচনা আরো বেশি হওয়া উচিত। কিন্তু এখানে আমার যেটা ভয় সেটা হলো – একটা ‘তাৎক্ষণিক তৃপ্তি’র তাগিদে আমরা এআই ব্যবহার করে এই সমস্ত অজানা লেখকদের চিন্তাভাবনাকে মুহূর্তে অন্যদের কাছে উপস্থাপনা করতে চাইছি – এতে ব্যক্তিগত পাঠের ও চিন্তার জন্য যে সময়টুকু দেওয়া দরকার সেটুকু দিতে চাইছি না।

কয়েক হাজার বছরের মানুষে ধীর লেখা ও পাঠের অভ্যাস একটি প্রজন্মের ব্যবধানে পাল্টে গেল – এটি একটি বিস্ময়কর পরিবর্তন। সাহিত্য পাঠক ও লেখকের জন্য এই পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য করা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। কাগজের ছোঁয়া, গন্ধ, পাতা ওলটানোর যুগ পেরিয়ে আমরা উজ্জ্বল স্ক্রিনের জগতে প্রবেশ করছি, আন্তর্জাল আমাদের মস্তিষ্কের নিউরাল সার্কিট বদলাচ্ছে। এই পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী, এর বিরুদ্ধে সমষ্টিগত লড়াই অর্থহীন। কিন্তু ব্যক্তিগত পর্যায়ে আমরা ‘ধীর মনোযোগিতা’ অনুশীলন করতে পারি। বই পড়ার জন্য যেমন সময় দেওয়া, ফোন থেকে দূরে থেকে, গণকযন্ত্র থেকে দূরে থেকে চিন্তার জন্য তেমনই সময় দেওয়া। এটি একটি নীরব ধ্যান – পাঠক ও সাহিত্যিক উভয়ের জন্য প্রযোজ্য।      

দীপেন ভট্টাচার্য


সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ছিলেন সমকালীন বাংলা সাহিত্যের প্রধান গল্পকারদের একজন। একইসঙ্গে তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক, সাহিত্য-সমালোচক, প্রাবন্ধিক। তিনি ছিলেন উদার অসাম্প্রদায়িক আধুনিক মানবিক যুক্তিবাদী ধারার বুদ্ধিজীবী। বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মকাণ্ডে তাঁর অংশগ্রহণ ছিল প্রশংসনীয়। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গত ১০ অক্টোবর তিনি প্রয়াত হয়েছেন। তাঁর প্রতি আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা।
সৈয়দ মনজুরুল ইসলামকে নিয়ে গল্পপাঠের বিশেষ আয়োজন

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন : কুলদা রায়
  সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের প্রতি স্বকৃত নোমানের শ্রদ্ধাঞ্জলি
নোবেল পুরস্কার ২০২৫

লাসলো ক্রাসনাহোরকাই ২০২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। হাঙ্গেরির আধুনিক সাহিত্যের অন্যতম গভীর ও রহস্যময় এই লেখক ১৯৫৪ সালের ৫ জানুয়ারি হাঙ্গেরির জিউলাতে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস Sátántangó তাঁকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দেয়। তাঁর গদ্য দীর্ঘ ও প্রবাহমান—যেন একটি অনবরত চলমান বাক্য, যা সময়, ভয় ও অস্তিত্বের গভীরে প্রবেশ করে। তিনি সভ্যতার পতন, নৈতিক অবক্ষয় এবং মানুষের একাকিত্ব নিয়ে বারবার লিখেছেন।
২০১৫ সালে তিনি Man Booker International Prize লাভ করেন। তাঁর সাহিত্য একাধারে বিষণ্ণ, দার্শনিক ও গভীর মানবতাবাদী—যেখানে ভাষা নিজেই এক অন্তহীন মহাবিশ্বের দরজা খুলে দেয়।
লাসলো ক্রাসনাহোরকাই-এর গল্প
ইংরেজি অনুবাদ : জন ব্যাটকি 
বাংলা অনুবাদ : শুভশ্রী বিন্তু
গল্প

হার্ট ল্যাম্প ১২টি ছোটগল্পের সংকলন। বইটির জন্য ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার জয় করেন বানু মুশতাক। জন্ম ১৯৪৮ সালের ৩ এপ্রিল ভারতের কর্ণাটক রাজ্যে। লেখেন কানাড়া ভাষায়। তিনি একাধারে লেখিকা, সমাজকর্মী, আইনজীবী। সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে নানান জনহীতকর কাজ করতে গিয়ে যে অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন, তারই শক্তিশালী বয়ান হার্ট ল্যাম্প নামক গ্রন্থের ১২টি ছোটগল্প। গল্পগুলো কানাড়া থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করেন দীপা বাশতি।

অনুবাদ : রিটন খান

বানু মুশতাকের গল্প : কালসাপ
অনুবাদ : এলহাম হোসেন
আন্তন চেখভ একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী রুশ সাহিত্যিক এবং নাট্যকার, যিনি মূলত তার ছোট গল্পগুলির জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত। তিনি এমন একজন গল্পকার, যিনি বাস্তবতা, মানবিক অবস্থা, এবং জীবনের সাদামাটা দিকগুলোকে গভীর, সূক্ষ্ম এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে উপস্থাপন করেছেন।

ইকুয়েডরের লেখক মারিয়া ফেরনান্দো আম্পুয়েরো জন্মেছেন ১৯৭৬ সালে।
২০০৪ সালে তিনি স্পেনে যান মূলত অভিবাসীদের জীবনযাত্রা ও অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখালেখি করার উদ্দেশ্যে। কিন্তু ধীরে ধীরে স্পেনেই বসতি স্থাপন করেন। সাংবাদিক ও লেখক হিসেবে তিনি অভিবাসীদের দুঃখ-কষ্ট, সামাজিক অবিচার, লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য ও সহিংসতা নিয়ে প্রতিবেদন ও ক্রোনিকা (crónica) লিখতে শুরু করেন। তার লেখা পাঠককে আরাম দেয় না, বরং অস্বস্তিতে ফেলতে বাধ্য করে। এই অস্বস্তিই তাঁর সাহিত্যিক সাফল্য। কারণ এর মাধ্যমে তিনি পাঠককে মুখোমুখি দাঁড় করান সমাজের অন্ধকার সত্যের সঙ্গে। মারিয়ার একটি গল্প ও গল্পটির পড়ার পরে গল্পটির কলকব্জা নিয়ে আলোচনাটি পড়ুন


মুক্তিযুদ্ধ আমাদের গৌরবের ইতিহাস। কোনো দান নয়, কোনো দয়া নয়―আমাদের বীর পূর্বপুরুষগণ যুদ্ধ করে এই দেশ অর্জন করেছেন। এমন গৌরব ও বীরত্বের ইতিহাস সব জাতিগোষ্ঠীর থাকে না। আমাদের আছে। আমাদের এই গৌরবোজ্জ্বল অর্জনকে পরাজিত শক্তির উত্তরসূরীরা ম্লান করে দেওয়ার, ইতিহাস থেকে মুছে দেওয়ার চক্রান্ত অতীতেও করেছে, বর্তমানেও করে যাচ্ছে। কিন্তু আমরা জানি, তারা সফল হবে না। কেননা মুক্তিযুদ্ধ এমন এক অবিনাশী মশাল, শত চেষ্টা করেও তাকে নিভিয়ে দেওয়া যাবে না। নিভিয়ে দেওয়া অসম্ভব। মুক্তিযুদ্ধকে জাতির মননে সদা জাগরুক রাখার জন্য গল্পপাঠের বিশেষ আয়োজন : ‘ফিরে দেখা ৭১’। এই আয়োজনে প্রকাশিত হলো তিনটি লেখা―

নাজিমুদ্দীন মানিক
মুক্তিযুদ্ধের দলিল থেকে : ১৯৭১ সনের ২৮শে মার্চ - গণহত্যার বিবরণী
স্মৃতি ভদ্রের গল্প : ছাদ
হেনরি জেমস (Henry James, 1843–1916) ছিলেন আমেরিকান বংশোদ্ভূত এক বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক, সাহিত্য সমালোচক ও আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের অন্যতম প্রবর্তক।
'কথাসাহিত্যের শিল্প' প্রবন্ধটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৮৪ সালে Longman’s Magazine-এ। এর প্রতিক্রিয়ায় তখনকার সাহিত্যজগতে প্রচুর বিতর্ক ওঠে, কারণ জেমস এতে সাহিত্যের “নৈতিক শিক্ষা” ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে উপন্যাসকে শিল্পের মর্যাদা দিতে চেয়েছিলেন। জেমস বলেন, উপন্যাস কীভাবে লেখা উচিত তার কোনো নির্দিষ্ট রীতি নেই; লেখক তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে স্বাধীনভাবে কাজ করবেন। প্রবন্ধটি এখনো প্রাসঙ্গিক
পোস্টমডার্ন সাহিত্যে ভাষা হয়ে ওঠে অর্থের ধ্বংসস্তূপ। শব্দ আর নিখুঁত যোগাযোগের মাধ্যম নয়; বরং বিভ্রান্তি, প্রতিধ্বনি ও ফাঁক তৈরি করে। গল্পের উদ্দেশ্য হয় না কি ঘটল, বরং অর্থ কিভাবে ভাঙে ও নতুন অর্থে গঠিত হয়—তা অনুসন্ধান করা। পড়ুন উত্তর আধুনিক কথাসাহিত্য নিয়ে ক্যাথরিন বারগাসের

ব্র্যান্ডন টেলর (Brandon Taylor) সমকালীন আমেরিকান কথাসাহিত্যের এক উজ্জ্বল এবং চিন্তাশীল কণ্ঠ। ১৯৮৯ সালের ১ জুন আলাবামার প্র্যাটভিল শহরের বাইরে এক ছোট সম্প্রদায়ে তাঁর জন্ম। তাঁর বেড়ে ওঠা হয় এক সাধারণশ্রমজীবী পরিবারেমা ছিলেন প্রায় অক্ষরজ্ঞানহীনআর বই পড়ার অভ্যাস তৈরি হয়েছিল বড় ভাইয়ের পাঠ্যবই পড়ে। ছোটবেলা থেকেই তিনি বিজ্ঞান এবং ভাষাদুই দিকেই প্রবল কৌতূহলী ছিলেন। দি নিউ ইয়র্কার পত্রিকায় অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হয়েছে দীর্ঘ সাক্ষাৎকার

রবিশংকর বল পশ্চিমবঙ্গের খ্যাতনামা কথাসাহিত্যিক। জন্ম ১৯৬২ সালে। বিজ্ঞানে স্নাতক। ২০১১ সালে দোজখনামা উপন্যাসের জন্য বঙ্কিম স্মৃতি পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি কলকাতার বিআরসিং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন--


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ