গল্পপাঠ।। আষাঢ় ১৪২২।। সংখ্যা।। ৩১


দেখতে দেখতে গল্পপাঠের বয়স আড়াই বছর ছাড়িয়ে গেছে। নিয়মিত বেরিয়েছে ৩০ টি সংখ্যা। শুরুতে গল্পপাঠটি স্রেফ একটি গল্পের আর্কাইভ হিসেবে বের করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু গল্পকার পাপড়ি রহমানের গল্প ও অন্যান্য লেখালেখির একটি সংকলন করতে গিয়েই গল্পপাঠ ওয়েব ম্যাগাজিন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

বাংলাভাষার চিরায়ত গল্পের পাশাপাশি অগ্রজ-অনুজদের গল্প, গল্প নিয়ে আলাপ, সাক্ষাৎকার, প্রবন্ধ, নিবন্ধ, গল্পের শৈলী নিয়ে লেখা  গল্পপাঠ প্রতি মাসে প্রকাশ করছে। পাশাপাশি বিশ্বসাহিত্যের সেরা লেখার সঙ্গেও পরিচয় ঘটিয়ে দিচ্ছে লেখক ও পাঠকদেরকে। উদ্দেশ্য  রক্ত-মাংশের দেহ ও প্রাণসমেত প্রকৃত গল্পকে  হাজির করা।

এ বছর কথাসাহিত্যিক স্বপ্নময় চক্রবর্তী আনন্দ পুরস্কার পেয়েছেন। গল্পপাঠের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। তাঁকে অভিনন্দন।
গল্পপাঠের নিয়মিত গল্পকার মুজিব ইরম ও সামরান হুদা দুটি গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার পেয়েছেন। একই সঙ্গে পুরস্কার পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের তরুণ মেধাবী কথাসাহিত্যিক ও কবি সাদিক হোসেন। আশা করা যায়-- এ তিনজন কথাশিল্পী তাঁদের লেখার ভুবনকে নতুন করে আবিষ্কার করতে মগ্ন হবেন। তাঁদেরকে অভিনন্দন। শ্রাবণ সংখ্যায় এই কথাসাহিত্যিকদের গল্পের শৈলী নিয়ে বিশেষ আয়োজন থাকবে। 

এ বছরে (২০১৫) এপ্রিল মাসের ১৩ তারিখে প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক, কবি, নাট্যকার, ভাস্কর, গ্রাফিক ডিজাইনার গুন্টার গ্রাস চলে গেলেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। গল্পপাঠ মে মাসে গ্রাসকে নিয়ে একটি লেখা প্রকাশ করেছিল।

গুন্টার গ্রাসকে নিয়ে কথাসাহিত্যিক দীপেন ভট্টাচার্য নতুন করে পুনর্পাঠ শুরু করেন। গল্পপাঠের জন্যই আবার গ্রাসের আখ্যান নিয়ে নির্মিত টিন ড্রাম মুভিটি দেখেন। এই পাঠ ও দেখার অভিজ্ঞতা থেকে লিখেছেন গ্রাসকে নিয়ে এই লেখাটি
দীপেন ভট্টাচার্য
                                       
বাংলাদেশের সমসাময়িক ছোটগল্পে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর প্রভাব গভীর, বর্তমানে অনেক প্রতিষ্ঠিত লেখক থেকে শুরু করে সম্ভাবনাময় তরুণ লেখকের মধ্যে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ সমানভাবে সক্রিয়। তাঁর প্রায় প্রতিটি গল্পে মৃত্যু তার হিমশীতল শরীর নিয়ে উপস্থিত। নয়নচারা গল্পে আমু কিংবা ভুতনি ও ভুতোর যে শহরমুখী অভিযান তাতেও আছে মৃত্যুকে হটানোর নিরন্তর সংগ্রাম। তেতাল্লিশের মন্বন্তর এ গল্পের পটভূমিতেও ক্রিয়াশীল। শহরের মায়া-মমতাহীন রুক্ষতায় আমুদের একমুঠো অন্নের জন্য হাহাকার জীবনের অন্য এক ব্যঞ্জনা তৈরি করে। গল্পটির সঙ্গে প্রকাশিত হল একটি প্রবন্ধ।
সাধারণ একটা পরিবার থেকে উঠে আসা সুবোধ নিজেকে বাংলা সাহিত্যের আসরে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে সমর্থ হন লেখালেখির শুরুতেই। ফসিল ও অযান্ত্রিক গল্প দুটি লিখেই তিনি আলোচনার পাদপ্রদীপে চলে আসেন। সুবোধ ঘোষের লেখা তার সময়ের ঘটনা প্রবাহের অভিজ্ঞতা সিঞ্চিত। তাঁর রচনার সময়কাল প্রধানত চল্লিশ দশকের কলকাতা শহরে পরিশীলিত মধ্যবিত্তের যাপিত জীবনের উৎসরণ থেকে লব্ধ। চসুবোধ ঘোষকে নিয়ে একটি প্রবন্ধ ও তাঁর রচিত একটি গল্প প্রকাশিত হল।
কালজয়ী কথাশিল্পী সুবোধ ঘোষ--মনোজিৎ কুমার দাস
সুবোধ ঘোষের গল্প--উচলে চড়িনু  

শাহেদ আলীর জিবরাইলের ডানা বহুল জনপ্রিয় এবং পাঠকনন্দিত একটি গল্প। একই সঙ্গে তা নিয়ে বিতর্কও হয়েছে যথেষ্ট। তারপরও গল্পটি গল্প হিসেবে সার্থকতা পেয়েছে। গল্পটি হিন্দী, উর্দু, ইংরেজি ও রাশিয়ান ভাষায় অনুদিত হয়েছে।

একজন বালক ও ঘুড়ির সাথে জীবন জিজ্ঞাসাকে গল্পের মাধ্যমে অপরিহার্য চারিত্র সৃষ্টিতে তিনি সাবলিল সার্থকতা দেখাতে পেরেছিলেন। জীবনের ছোট ছোট ও খুঁটিনাটি বিষয়কে অবলম্বন করে গল্পে তুলে এনেছেন অত্যন্ত নান্দনিক ভাবে।

জীবনের গল্পকার শাহেদ আলী - ওমর বিশ্বাস
শাহেদ আলীর গল্প - জিবরাইলের ডানা



এ মাসের সেরা গল্প
শিমুল মাহমুদের গল্প : ইলিশখাড়ি
শিমুল মাহমুদ কবি না গল্পকার এটা নিয়ে ধন্ধ থাকে। যখন তাঁর কবিতা পড়া হয় তখন বোঝা যায় তিনি প্রকৃত কবি। মনে হয় তিনি কবিতা লিখতেই এ পৃথিবীতে এসেছেন। আবার যখন তার শীলবাড়ির কাহিনী উপন্যাসটি পড়া যায় তখন মনে হয়, তিনি কবি নন--নখ থেকে চুল পর্যন্ত তিনি কথাশিল্পী। ইতিহাস, কিংবদন্তি, জল, হাওয়া মানুষ ও মাছের আখ্যানকে সোনার পাতের মত নানা আকার দিতে দিতে চিরায়ত গল্প তৈরি করতে পারেন। তিনি  এ সময়ের শক্তিমান কথাসাহিত্যিক।
ইলিশখাড়ি গল্পটি পড়তে পড়তে মনে হয় বেন ও'করির কালকে এই বাংলাদেশের ভেতর থেকে  শিমুল মাহমুদ টেনে বের করে  এনে উন্মোচন করে আমাদেরকে স্তব্ধ করে দিতে চাইছেন। (বিস্তারিত পড়ুন)


সাদিক হোসেন সম্প্রতি নমিতা চট্টোপাধ্যায় স্মৃতি সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন তাঁর ' গিয়াস আলির প্রেম ও তার নিজস্ব সময় ' নামে ছোট গল্প-গ্রন্থের জন্য। এর আগে পশ্চিমবঙ্গ থেকে সাহিত্য আকাদেমি যুব পুরস্কার, ২০১২ পেয়েছিলেন তাঁর ছোট গল্পের জন্য। এ সময়, মানুষ, মৌখিক ও পুরানের এক যাদুবাস্তব জগৎ সৃষ্টি করেন তাঁর লেখায়। গল্পপাঠের জন্য সাদিক হোসেন নিচের গল্লপটি পাঠিয়েছেন--
হান্টারের হিরোনি এবং উল্টোটাও
সাদিক হোসেন


পিয়াস মজিদের গল্প : 
এপিটাফের ঘ্রাণ
কোথায় কবে যেন রিমন পড়েছিল কবরেরও আছে শ্রেণিচরিত্র। কথাটি মিথ্যে নয় একেবারে। শ্রেণি ও অবস্থানভেদে কবরেরও ধরণ নির্ধারিত হতে তো দেখা যায় সমাজে। কারো কপালে থাকে ‘নিজস্ব পারিবারিক গোরস্থান আবার কারো বা অখ্যাত-অবজ্ঞাত পথপ্রান্তে মেলে অনন্তকালীন আশ্রয়। তবে সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়ের কথা মনে পড়ে মুহূর্তে-‘জীবিতের শোক মৃত গ্রহণ করেনা’। (বিস্তারিত পড়ুন)

গল্প নানা রকম হতে পারে। গল্পের শৈলী নিয়ে রয়েছে নানাবিধ মত। এর মধ্যে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস আক্ষেপ করে বলেছিলেন--বাংলা ছোট গল্প কি মরে যাচ্ছে? প্রশ্নটির কোন সদুত্তর পাওয়া যায়নি। তবে এর মধ্যেই ছোট গল্প এগিয়ে যাচ্ছে। থেমে নেই।

গল্পের এই প্রশ্নকে নানা দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেছেন সদ্য প্রয়াত কথাসাহত্যিক কামরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, কথাসাহিত্যিক ও প্রবন্ধকার হামীম কামরুল হক এবং শিমুল মাহমুদ। 
বাংলাদেশের প্রবীন কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন ৬৯ বছর বয়সে পা রাখলেন। তাঁকে অভিনন্দন।

কামরুজ্জামান জাহাঙ্গীর

হামীম কামরুল হক

শিমুল মাহমুদ

মাহফুজ পারভেজ-এর গল্প : অন্বেষণ

লোকটির কথায় অকস্মাৎ বাজ পড়ল। কথাটির প্রবল প্রক্ষেপে ফুটবল মাঠের মিনি সংস্করণ মন্ত্রীর সাউন্ডপ্রুফ কামরার পুরোটাই কম্পমান। মাঠ-ভর্তি দর্শকের মতো ঘর-ভর্তি দর্শনার্থী পিলে চমকানো উত্তেজনায় একযোগে তাকায় মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের টেবিলের সামনের লোকটির দিকে। যে লোকটি কথাটি বললেন, তিনি দেখতে পুরনো কালের পণ্ডিতমশাইয়ের মতো। সাদা ফতুয়া আর পায়জামা পরে লম্বা মানুষটি খালি পায়ে চেয়ারের ওপর চড়ে উবু হয়ে বসে আছেন। (বিস্তারিত)
সুপ্রিয় সাহা'র গল্প : অতনুর নামগন্ধ

গল্পটি একটি দম্পতি ও একজন বিপ্লবীর। স্বামীর বয়ান দিয়ে গল্পটি হচ্ছে। তিনি চাকরি করেন। তার স্ত্রী গৃহিণী। একটি ছেলেও আছে। সুখী সংসার।
একজন চরম্পন্থী দলের সদস্য জেল থেকে ছাড়া পেয়ে দম্পতির বাসায় আশ্রয় নিয়েছে। তার কাছে একটি পিস্তল আছে। স্ত্রী এই আগন্তুককে পছন্দ করে না। কিন্তু তাদের মধ্যে একটি সম্পর্ক হয়। এই নিয়ে গল্প। গল্পটি সাধারণ। তবে গল্পটির নিরমাণশৈলীটির মধ্যে অসাধারণত্ব আছে। (বিস্তারিত)
চন্দন মণ্ডলের গল্প - বৃষ্টি এলে কে তোমাকে ডাকে--বাইরে আয়



কবির গল্প :
কনিষ্ক কবি। তাঁর মধ্যে কবি সত্ত্বাই প্রবল।  তিনি যা কিছু নির্মাণ করেন না কেন তা কবিতারই বিকল্প হয়ে ওঠে। তার ভাষা সুষমামন্ডিত। আখ্যানের মধ্যে শিথিলতা নেই। তিনি কবিতার মধ্যে দিয়েই শেষ পর্যন্ত একটি নিটোল গল্প বলছেন।

লেখালেখির টিপস
সাজেদা হক

যেভাবে লেখা হল --
দোজখনামা
রবিশঙ্কর বল

এ মাসের বিশেষ লেখা--
স্বপ্নময় চক্রবর্তী

কুলদা রায়ের মেঘনাদ বধ বিশাল ক্যানভাসের একটি গল্প। তিনি শুরু করেছিলেন জহুর স্যারের বয়ান দিয়ে। পাশাপাশি এঁকেছেন একটি বিস্তীর্ন সময়ের চিত্র। রবীন্দ্রনাথ আর মাইকেলের তুলনামুলক আলোচনা করেছেন, দেশভাগ নিয়ে কথা বলেছেন, ভাষা আন্দোলন, আয়ুব খানের সামরিক ফরমানের কথা বলেছেন, বলেছেন উনসত্তুরের গণ অভ্যুথান, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের কথা। ৭৫ পরবর্তী অস্থির সময়ের চিত্রও তিনি একেছেন। এসব কিছু বলেছেন গল্পের মতো করে, ভাসা ভাসা, অল্পস্বল্প। যা পাঠকের চিন্তার খোরাক জোগায়। তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে জহুর স্যারের মর্মান্তিক পরিণতির বয়ান গল্পটিকে অসাধারণ করে তুলেছে।
কুলদা রায়ের গল্প : 
 মেঘনাদ বধ


ফকনার বলেন,‘ আমি না জন্মালে অন্য কেউ আমার হয়ে লিখতেন,  হেমিংওয়ে, ডস্টয়েভস্কি এবং আমাদের সকলের লেখাই হয়ে উঠত । প্রমাণ, শেকসপিয়ারের নাটকগুলোর লেখক হিসাবে তিনজন দাবিদার। কিন্তু যা মূল্যবান তা হলো ‘ হ্যামলেট’ এবং ‘ মিড সামার নাইট’স ড্রিম’ কে লিখেছেন তা নয় , বরং কেউ একজন তো লিখেছেন । শিল্পীর কোন মূল্য নেই। তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তাই মূল্যবান, যেহেতু নতুন কিছু বলার নেই। শেকসপিয়ার, বালজাক , হোমার সবাই প্রায় একই জিনিস নিয়ে লিখেছেন এবং যদি এক হাজার কি দু’হাজার বছর বেশি বাঁচতেন তাহলে আর কারো প্রকাশের দরকার হতো না। পড়ুন মনোজিতকুমার দাশের প্রবন্ধ--




হাওয়াই চটি ঘষটে ঘষটে বাঁহাতে প্লাস্টিকের থলে, শিরা জাগানো ডানহাত আলতো করে রেলিঙে ভর। ওই হাতটা না? না বাঁ-টা? একটু দাঁড়িয়ে দেখলে ভালো বোঝা যেত। পেট-বুক-কোমর নারকেল দড়ি। শাড়িটা অভ্যস্ত গোড়ালির ওপরে। পেটের ওপর ব্লাউজের বুকে পাঁচছটা সেফটি-পিন, কালোজাম খোঁপা। সকালেই হাজির। আগে কবে এসেছে এত ঠিক সময়ে? মহুয়ার বেরনোর সময় সাধনার মগজস্থ চার বছরে। নাকি আরো বেশি? (বিস্তারিত পড়ুন)
নীহারুল ইসলামের গল্প : 
কেমন আছেন টগরলাল?
- কেমন আছো টগরলাল?

একটু তন্দ্রার মতো এসেছিল, এমন জিজ্ঞাসায় সেটা ভেঙে গেল। এদিক ওদিক চাইলেন তিনি। না, কেউ কোথাও নেই। নিজের তিনতলা ছাদে তিনি শুধু একা, একটা মান্ধাতার আমলের ইজিচেয়ারে শরীর এলিয়ে বসে আছেন। (বিস্তারিত)

নতুন গল্পকার
আলেক সরকারের গল্প : 

শিপা সুলতানা'র গল্প : 
সামরান হুদার ছেলেবেলা কেটেছে বাংলাদেশের সিলেটে। তরুণ বয়েস থেকে কলকাতাবাসী। শুরু করেছিলেন ব্লগ লেখা দিয়ে। সেটা ২০০৫ সালের ঘটনা। তারপর লিখেছেন তিনটি আত্মজৈবনিক লেখা।  এর মধ্যে 'অতঃপর অন্তঃপুরে' বইটির জন্য এ বছর পেয়েছেন নমিতা চট্টোপাধ্যায় স্মৃতি সাহিত্য পুরস্কার।
তিনি লেখেন তাঁর শিকড়ের আখ্যান। নকশি কাঁথার মতন বর্ণিল তাঁর গদ্য। তাঁর গদ্যে হারিয়ে যাওয়া মানুষ ও প্রকৃতির পুনর্জীবন ঘটে। পড়ুন-


সামরান হুদার নভেলেট : 

সংসারে এক তালব্য শ


বাওফোটা নামে কবি মুজিব ইরমের একটি গল্পের বই বেরিয়েছে এ বছর বই মেলায়। শিপা সুলতানা নিজেও কবি ও গল্পকার। মুজিব ইরম তাঁর জীবন সঙ্গিনী। তিনি খুব কাছ থেকে দেখেছেন বাওফোটা গল্পের বইটির জন্ম, বেড়ে ওঠা ও গল্পগ্রন্থে বিকশিত হওয়ার ঘটনাগুলো। এসব নিয়েই লিখেছেন শিপা সুলতানা নিচের লেখাটি।


মুজিব ইরমের গল্পের বই 

‘বাওফোটা’ নিয়ে আলোচনা---
গল্পের সাথে এক যুগ
শিপা সুলতানা



শেখ লুৎফর জীবনের গরলকে লেখায় ধরতে জানেন। যে-জটিল সময়াবর্তে সমাজের নিম্নবিত্ত মানুষগুলো নিত্যদিন নিষ্পেষিত হচ্ছেন, তার প্রতিটি গল্প যেন সেই বাস্তবতার তীব্র কঠিন ডকুমেন্টারি। তাঁর গল্প যেন মানুষের নিয়তি আর বাসনার রেখাচিত্র। প্রান্তিক মানুষরাই তার লেখায় ঘুরে ফিরে আসেন। বড় বেশি জীবন্ত তার চরিত্রগুলি। দগদগে ঘা যেন তাদের শরীরে, কিন্তু মনে ফুঁসে ওঠবার তীব্রতা। পড়ুন--
শেখ লুৎফরের গল্প- 
শিকার

গল্পপাঠ
থাসাহিত্যের অন্তর্সূত্র
১ আষাঢ় ১৪২২ বঙ্গাব্দ। ১৬ জুন, ২০১৫ খ্রীস্টাব্দ। সংখ্যা ৩১।
সম্পাদক : 
এমদাদ রহমান
মোমিনুল আজম
প্রকাশক : কুলদা রায়। 



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

1 মন্তব্যসমূহ

  1. গল্পপাঠ... অন্যতর সাহিত্যপত্র... অনেক শুভেচ্ছায়,
    শ্রাবণী দাশগুপ্ত।

    উত্তরমুছুন