গল্পপাঠ ওয়েবম্যাগ।। নবম বর্ষ।। ২০২২।। সংখ্যা ৮৩


সম্পাদকীয় 
স্থানকালের সঙ্কোচন
আমার মন যখন বিক্ষিপ্ত থাকে আমি “আরণ্যক” নিয়ে বসি। এই বইটির বিশেষত্ব হল কোনো নির্দিষ্ট জায়গা থেকে পড়তে হবে এমন নয়, যে কোনো পাতা খুলে একটি প্যারা পড়লেই মনটা কিছুটা শান্ত হয়ে ওঠে।

“দরজা খুলিয়া বাহিরে আসিয়া দাঁড়াইলাম। … নিস্তব্ধ অরণ্যভূমি, নিস্তব্ধ জনহীন নিশীথরাত্রি। সে জ্যোৎস্নারাত্রির বর্ণনা নাই। কখনো সেরকম ছায়াবিহীন জ্যোৎস্না জীবনে দেখি নাই। এখানে খুব বড় বড় গাছ নাই, ছোটখাটো বনঝাউ ও কাশবন – তাহাতে তেমন ছায়া হয় না। চকচকে সাদা বালি মিশানো জমি ও শীতের রৌদ্র অর্ধশুষ্ক কাশবনে জ্যোৎস্না পড়িয়া এমন এক অপার্থিব সৌন্দর্যের সৃষ্টি করিয়াছে, যাহা দেখিলে মনে কেমন ভয় হয়। মনে কেমন যেন একটা উদাস বাঁধনহীন মুক্ত ভাব – মন হু হু করিয়া ওঠে, চারিধারে চাহিয়া সেই নীরব নিশীথরাত্রে জ্যোৎস্নাভরা আকাশতলে দাঁড়াইয়া মনে হইল এক অজানা পরীরাজ্য আসিয়া পড়িয়াছি – মানুষের কোন নিয়মে এখানে খাটিবে না। এই সব জনহীন স্থান গভীর রাত্রে জ্যোৎস্নালোকে পরীদের বিচরণভূমিতে পরিণত হয়, আমি অনধিকার-প্রবেশ করিয়া ভাল করি নাই।”

দৈনন্দিন বহ জিনিস আমাদের হাতে থাকে না, অসহায় ক্লীবত্বে আমরা হাত কচলাই, যুদ্ধ, জলবায়ু পরিবর্তন, দুর্ভিক্ষ আটকাতে পারি না। এদের বিশালত্ব আমাদের কাবু করে। এর একটি ফলাফল হল সমাজ থেকে ব্যক্তিগত বিচ্ছিন্নকরণ যেখানে কোনো দায় দায়িত্ব থাকে না। কিন্তু আমরা বেশিরভাগ মানুষ তা চাই না (অর্থাৎ এই বিছিন্নকরণ চাই না), আমরা চাই এমন একটি আশ্রয় যেখানে ক্ষণিকের জন্য গিয়ে আমরা আমাদেরকে একটু বিশ্রাম দিতে পারব, চিন্তাকে পুনর্গঠিত করতে পারব। সেই সময়ে এই ধরণের বর্ণনা আমাকে শান্তি দেয়। সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের “পালামৌ”তে সেরকম জায়গা খুঁজি, তাতে হয়তো এরকম কিছু পাওয়া যায়।

“এক্ষণে সে সকল কথা যাউক, প্রথম দিনের কথা দুই একটি বলি। অপরাহ্ণে পালামৌয়ে প্রবেশ করিয়া উভয়পার্শ্বস্থ পর্ব্বতশ্রেণী দেখিতে দেখিতে বনমধ্য দিয়া যাইতে লাগিলাম। বাঁধা পথ নাই, কেবল এক সংকীর্ণ গো-পথ দিয়া আমার পাল্কী চলিতে লাগিল, অনেক স্থলে উভয়প্বার্শস্থ লতা পল্লব পাল্কী স্পর্শ করিতে লাগিল। বনবর্ণনায় যেরূপ “শাল তাল তমাল, হিন্তাল” শুনিয়াছিলাম, সেরূপ কিছুই দেখিতে পাইলাম না। তাল, হিন্তাল একেবারেই নাই; কেবল শালবন, অন্য বন্য গাছও আছে। শালের মধ্যে প্রকাণ্ড গাছ একটিও নাই, সকলগুলিই আমাদের দেশীয় কদম্ববৃক্ষের মতো, না হয় কিছু বড়; কিন্তু তাহা হইলেও জঙ্গল অতি দুর্গম, কোথাও তাহার ছেদ নাই, এই জন্য ভয়ানক। মধ্যে মধ্যে যে ছেদ আছে, তাহা অতি সামান্য। এইরূপ বন দিয়া যাইতে যাইতে এক স্থানে হঠাৎ কাষ্ঠঘণ্টার বিষণ্ণকর শব্দ কর্ণগোচর হইল, কাষ্ঠঘণ্টা পূর্ব্বে মেদিনীপুর অঞ্চলে দেখিয়াছিলাম। গৃহপালিত পশু বনে পথ হারাইলে, শব্দানুসরণ করিয়া তাহাদের অনুসন্ধান করিতে হয়; এইজন্য গলঘণ্টার উৎপত্তি। কাষ্ঠঘণ্টার শব্দ শুনিলে প্রাণের ভিতর কেমন করে। পাহাড় জঙ্গলের মধ্যে সে শব্দে আরও যেন অবসন্ন করে; কিন্তু সকলকে করে কি না তাহা বলিতে পারি না।”

কিন্তু ‘আরণ্যকে’র মত ‘পালামৌ’ আমাকে শান্তি দেয় না, ১৮৮০ সনের সঞ্জীবচন্দ্র যে ভূমিকায় কোল-সম্প্রদায় অধ্যুষিত অঞ্চলকে দেখেছেন তাতে ছিল যেন উপনিবেশবাদী ঢং, অন্যদিকে ১৯২৮-এর বিভূতিভূষণ ভাগলপুর সংলগ্ন বনাঞ্চল ও সেখানকার অধিবাসীদের সঙ্গে একটা আত্তীকরণের মধ্যে দিয়ে গেছেন। তাই আরণ্যক আমাকে যে জীবনে নিয়ে যায় পালামৌ সেভাবে যায় না। এবার যাই প্রবোধকুমার সান্যালের ‘মহাপ্রস্থানের পথে’–

“একবার দাঁড়ালাম। ছুটতে-ছুটতে সকলকে পিছনে ফেলে এসেচি। চারিদিকে অকূল কুয়াশার মধ্যে সঙ্গীরা কে কোথায় হারিয়ে গেচে, কেবল দেখা যাচ্ছে দুইদিকের সামান্য পথরেখা। কোথায় বৃক্ষলতা নেই, বন-অরণ্য নেই, জীব-জানোয়ারের চিহ্নমাত্র নেই, শুধু তুষারময় পর্বতমালা, অসংখ্য ঝর্ণা চিৎকার করতে করতে পথের ধারে নেমে আসচে। বামে দক্ষিণে সম্মুখে পিছনে মেঘের ঘনঘটা, বিলুপ্ত আকাশ, নিশ্চিহ্ন পৃথিবী। এবার চলচি হাতড়ে হাতড়ে, গর্জনমত্ত বায়ুবেগে আর নিজেকে ধরে রাখতে পারচিনে। ক্রমে ক্রমে আলো প্রখর হয়ে উঠলো। সে আলো আকাশের নয়, রৌদ্রের উজ্জ্বলতা নয়, বিদ্যুৎ-বহ্নির নয়, – সে এক নতুন অলৌকিক আলো – তুষার-শুভ্রতার তীব্র, তীক্ষ্ন আলো। আলোর সমুদ্র, আলোক-ধাঁধা।”

তখনকার দিনে হিমালয়ের কোলে কেদারনাথের পথ ছিল সহায়বিহীন। প্রবোধকুমার বাঙালীকে পাহাড়ের কঠিন পথটি চেনালেন, রবীন্দ্রনাথ নাকি প্রবোধকুমারকে বলেছিলেন, “তোমার ভাষা পাঠকের মনকে রাস্তায় বের করে আনে।” বাঙালী রাস্তায় বের হল ঠিকই, কিন্তু সেটি সামাজিক-রাজনৈতিক কারণে। সেখানে প্রকৃতি ঠাঁই পেল না। তবুও তার মধ্যেও প্রকৃতিকে অন্যতম চরিত্র করে বের হল মানিক বন্দোপাধ্যায়ের ‘পদ্মা নদীর মাঝি’–

“হোসেন মিয়া যে কত বড় দক্ষ নাবিক, দিকচিহ্নহীন সমুদ্রের বুকে তাহার নৌকা পরিচালনা দেখিয়াই বোঝা গেল। … সারাদিন পরে রক্তিম সূর্য সমুদ্রের জলে ডুবিয়া গেল, পূর্বে বহুদূরে কালো বিন্দুর মত একটি দ্বীপ ছাড়া সূর্য শুধু দেখাইয়া গেল আকাশ ও জলরাশি। … সকালবেলা দেখা গেল চারিদিক নিবিড় কুয়াশায় ঢাকিয়া গিয়াছে। হোসেন বলিল, বৈঠা থোও কুবের, নোঙর ফেলো।

এতখানি কাছি টানিয়া নোঙর সমুদ্রের তলে গিয়া ঠেকিল যে কুবেরের মনে হইল, নোঙরটা পাতালে পৌছিয়াছে। কুয়াশায় নৌকা চালাইবার উপায় নাই, ধনমানিক দ্বীপের কাছাকাছি তাহারা আসিয়া পড়িয়াছে, কুয়াশায় দেখিতে না পাইয়া পাশ কাটাইয়া দূরে চলিয়া গেলে বিপদ হইবে।… রাতে তারা উঠিলে ওই যে অদ্ভূত যন্ত্রটা আছে হোসেনের, ওই যন্ত্রের ভিতর দিয়া আকাশের দিকে চাহিয়া তবে হোসেন বলিতে পারিবে কোনদিকে কতদূরে ধনমানিক দ্বীপ লুকাইয়া আছে।”

হোসেনের কাছে ছিল একটি কম্পাস। আর কী ছিল যা দিয়ে সেই দিকভ্রান্তপুরে তার দ্বীপটি খুঁজে পাবে? সেক্সট্যান্ট? তাহলে তাকে আকাশের তারা চিনতে হবে। ‘আরণ্যকে’ এস্টেটের ম্যানেজার (বিভূতিভূষণ) পথ হারিয়ে সপ্তর্ষিমণ্ডল খুঁজেছেন, পাননি। তবু বিভূতি, প্রবোধ, মানিক, তারাশংকর বনের পথে চলেছেন, আকাশের তারা খুঁজেছেন, অনেক সময়ই অসীম প্রকৃতিকে তাদের কাজের অঙ্গ করেছেন। এই ধারাটি কেন বজায় থাকল না, অর্থাৎ যে বিস্তৃত মাঠ গগন-ললাট কিংবা ভরা নদী কিংবা উত্তাল সাগরে বাংলা ভূষিত সেই প্রকৃতি কেন তুচ্ছ হল? প্রকৃতি যে একেবারেই উহ্য তা আমি বলছি না, কিন্তু সে যখন এসেছে তা নিতান্ত চুপিসারে, লেখকের অজান্তেই এসেছে। মাহমুদুল হকের ‘কালো বরফ’ থেকে উদ্ধৃতি দিই –

“দূরে দূরে এক একটি জলবন্দি নিস্তব্ধ গ্রাম। থেকে থেকে এক একবার কোড়া ডেকে ওঠে ধানখেতের মাঝখানে। হু হু বাতাসে সবুজ গন্ধ। সবকিছু শান্ত, কোথাও কোনো দাগ লেগে নেই, কোথাও কোনো জোড়াতালি নেই। এমন অকপট সবকিছু, এমন নির্দোষ যে, নিজের ভারে নিজেকে বিপন্ন মনে হয়।”

আব্দুল খালেক ও রেখা দেশকালের (spacetime) এমন একটা সুন্দর মুহূর্তে, এটা মাহমুদুল হক ব্যবহার করছেন, কিন্তু বেশি করতে যেন আবার ভয় পাচ্ছেন। দেশকাল বা স্থানকালের মধ্যে বাংলায় যেটা দ্রুত হারাচ্ছে সেটা হল স্থান – space। এই স্থানের সঙ্গে প্রকৃতি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। একদিকে জনসংখ্যা, অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তন এই স্থানটিকে সংকুচিত করছে। এর ফলে আমাদের সাহিত্য থেকে সেটি দ্রুত হারাচ্ছে। আপনারা বলবেন আমি অনেকের নাম উহ্য রাখছি যাদের লেখায় এই ‘স্থান’টি এসেছে তাদের কাহিনীর অন্যতম উপজীব্য হিসেবে। আমাকে জানাবেন। মোদ্দা কথা হল প্রকৃতি ‘মহৎ’ (আন্তরিক অর্থে, সত্য অর্থে) সাহিত্যের জন্ম দিতে পারি, প্রকৃতিকে হারিয়ে আমরা নিজেদের একটা জটিল নাগরিক সাহিত্যের মধ্যে আবদ্ধ করছি যা কিনা ভবিষ্যতে আমাদের সমাজকে করে তুলবে আরো অসহনশীল।

আমার এই কিছুটা বিক্ষিপ্ত (প্রক্ষিপ্তও বটে) রচনাটি রবীন্দ্রনাথের একটা বৃহৎ অংশ দিয়ে শেষ করি। আমার ধারণা এটি পড়লে আপনাদের মন প্রসন্ন হবে, স্থানের মাহাত্ম্যটিও বুঝবেন এবং স্থান যে একটি সূক্ষ্ন ভাবের জন্ম দেয় সেটিও প্রতিভাত হবে -

“একদিন শ্রাবণের শেষে নৌকা করিয়া পাবনা রাজসাহির মধ্যে ভ্রমণ করিতে-ছিলাম। মাঠ ঘাট সমস্ত জলে ডুবিয়াছে। ছোটো ছোটো গ্রামগুলি জলচর জীবের ভাসমান কুলায়পুঞ্জের মতো মাঝে মাঝে জাগিয়া আছে। কূলের রেখা দেখা যায় না, শুধু জল ছলছল করিতেছে। ইহার মধ্যে যখন সূর্য অস্ত যাইবে এমন সময়ে দেখা গেল প্রায় দশ-বারো জন লোক একখানি ডিঙি বাহিয়া আসিতেছে। তাহারা সকলে মিলিয়া উচ্চকণ্ঠে এক গান ধরিয়াছে এবং দাঁড়ের পরিবর্তে এক-একখানি বাঁখারি দুই হাতে ধরিয়া গানের তালে তালে ঝোঁকে ঝোঁকে ঝপ্‌ ঝপ্‌ শব্দে জল ঠেলিয়া দ্রুতবেগে চলিয়াছে। গানের কথাগুলি শুনিবার জন্য কান পাতিলাম, অবশেষে বারংবার আবৃত্তি শুনিয়া যে ধুয়াটি উদ্ধার করিলাম তাহা এই--

যুবতী, ক্যান্‌ বা কর মন ভারী।
পাবনা থ্যাহে আন্যে দেব ট্যাহা-দামের মোটরি॥

ভরা বর্ষার জলপ্লাবনের উপর যখন নিঃশব্দে সূর্য অস্ত যাইতেছে এ গানটি ঠিক তখনকার উপযুক্ত কি না সে সম্বন্ধে পাঠকমাত্রেরই সন্দেহ হইতে পারে, কিন্তু গানের এই দুটি চরণে সেই শৈবালবিকীর্ণ জলমরুর মাঝখান হইতে সমস্ত গ্রামগুলি যেন কথা কহিয়া উঠিল। দেখিলাম, এই গোয়ালঘরের পাশে, এই কুলগাছের ছায়ায়, এখানেও যুবতী মন-ভারী করিয়া থাকেন এবং তাঁহার রোষারুণ কুটিল কটাক্ষপাতে গ্রাম্য কবির কবিতা ছন্দে-বন্ধে-সুরে-তালে মাঠে-ঘাটে জলে-স্থলে জাগিয়া উঠিতে থাকে।”

এরপরে একটি ভারি সুন্দর প্যারাগ্রাফ আছে যা কিনা ওপরের ভাবটির যথাযথ সম্প্রসারণ। উৎসুক পাঠক ‘গ্রাম্যসাহিত্য’ নামের রচনায় সেটি দেখে নিতে পারেন।
--দীপেন ভট্টাচার্য

অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তর গল্প : একটি আত্মহত্যা

নাইয়ার মাসুদ (১৯৩৬-২০১৭) ভারতের উর্দু ভাষার জনপ্রিয় ছোটগল্প লেখক। জন্ম লখনৌতে। অধ্যাপনা করেছেন লখনৌ বিশ্ববিদ্যালয়ে। অনুবাদক হিসেবেও তাঁর বিশেষ খ্যাতি আছে। তাঁর অনেকগুলো ছোটগল্পের ইংরেজি অনুবাদ করেন এম. ইউ. মেমন। তাঁর ছোটগল্পের ইংরেজি অনুবাদে প্রকাশিত বইয়ের নাম The Snake Catcher এবং Essence of Camphor.
নাইয়ার মাসুদের গল্প
ভয় আর কামনার চোরাগলি
অনুবাদক : এলহাম হোসেন
অনুবাদক : নাহার তৃণা
অনুবাদক : ফারহানা রহমান
অনুবাদক : প্রতিভা সরকার
অনুবাদক : মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ
অনুবাদক : মাজহার জীবন
অনুবাদক : অমিতাভ চক্রবর্তী
অনুবাদক : বিপ্লব বিশ্বাস
অনুবাদক : ফারহানা আনন্দময়ী
অনুবাদক : নাহার তৃণা ও কুলদা রায়
অনুবাদক : দোলা সেন
সাক্ষাৎকারগ্রহণকারী : সাগরিকা সেনগুপ্ত
অনুবাদক : শুভ চক্রবর্তী
লেখা : ডেইজি রকওয়েল।
বাংলা ভাষান্তর : রিতো আহমেদ
অলোক গোস্বামীর গল্প : বাণিজ্য বায়ূ

সাহিত্যিক অমর মিত্র-এর সাক্ষাৎকার : 

লেখক সব সময়ই ক্ষমতার বিপক্ষে থাকবেন।  ক্ষমতা তাঁকে  বিবরে ঠেলে দেয়।

আহার্য কথা


ধারাবাহিক অনুবাদ উপন্যাস
মূল উপন্যাস : মার্গারেট মিচেল
অনুবাদক : উৎপল দাশগুপ্ত

ধারাবাহিক স্মৃতিকথা
আলী নূর

শাহাব আহমেদের ধারাবাহিক উপন্যাস

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ