গল্পপাঠ ওয়েবজিন ।। একাদশ বর্ষ ।। সংখ্যা ৯২।।

প্রতিটি লেখার শিরোনামে ক্লিক করলে সেই লেখাটি পড়ার জন্য খুলে যাবে। 

সম্পাদকীয়
ইংরেজি নতুন বছরে গল্পপাঠের ৯২তম সংখ্যা প্রকাশিত হলো। নতুন মানেই সম্ভাবনার হাতছানি। নতুন মানেই প্রত্যাশার জন্ম। বিগত বছর জুড়ে সরব কিংবা নীরব অস্হিরতায় যুঝে গেছে পৃথিবীর নানা দেশ। সে অস্হিরতার অধিকাংশই রাজনৈতিক। এই অস্হিরতার বিনাশ সমূলে কখনও সম্ভব নয়। ক্ষমতার দ্বন্দ্বে জ্বলতে থাকা রাবণের এই চিতার আগুন পৃথিবীর বুকে ছিল, থাকবে। অ্যারিস্টটাল যেমনটা বলেছিলেন, ‘মানুষ হচ্ছে প্রকৃতিগতভাবে সামাজিক ও রাজনৈতিক জীব’, সেই বাস্তবতা মেনেই আমাদের সামনে এগোনোর শক্তি অর্জন করতে হয়। আমরা জানি, অরাজক সময়েও ধ্বংসের পাশাপাশি সৃষ্টি চলমান থাকে। এবং সে সৃষ্টির ক্ষেত্র নানামুখী। সেখানে মানব শিশুর জন্ম যেমন থেমে থাকে না। শিল্পকলার নানা ক্ষেত্রেও তেমন নতুন নতুন চিন্তাভাবনা-সম্ভাবনা যুক্ত হতে থাকে।

মোদ্দাকথা, অস্হির সময়েও সৃষ্টিযজ্ঞ থমকে থাকে না। জীবনের সর্বক্ষেত্রেই কমবেশি সেটি সচল থাকে। নতুন বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ঘটেছে ক্ষমতার পালাবদল। গাজা-ইসরায়েলের মধ্যে ঘোষিত হয়েছে যুদ্ধ বিরতি। সিরিয়ার রাজনীতিতে এসেছে নতুন মোড়। ইউক্রেনের ওপর রাশিয়ার আগ্রাসন সমাপ্তির সম্ভাবনা এখন অবধি দেখা যাচ্ছে না। কোণঠাসা ইউক্রেনকে সহায়তার প্রস্তাব এসেছে ন্যাটোর মহাসচিব মারফত। অন্যদিকে বাংলাদেশে বিগত বছরের চলমান অস্হিরতার মুখে এখনও লাগাম পরানো সম্ভব হয়নি।

রাজনৈতিক উষ্ণ বাতাবরণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বুঝি বৈশ্বিক উষ্ণতাও মাত্রা ছাড়াচ্ছে। বছর শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে ঘটে গেল ভয়াবহ দাবানল। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বিপুল।বায়ুদূষণের মাত্রায় রয়েছে আঁতকে ওঠার মতো খতিয়ান। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার-এর মানদণ্ডের হিসাব মতে, সারায়েভো, ভিয়েতনাম এবং ঢাকার বায়ূদূষণ জরুরি অবস্হা ঘোষণার মতো পর্যায়ে পৌঁছেছে। দেশগুলোর বায়ু এতটাই দূষিত যে জনসাধারণকে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্হা নেবার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বলাই বাহুল্য, পৃথিবীর পরিবেশ বিষাক্ত করবার পেছনেও রয়েছে আমাদের সীমাহীন স্বেচ্ছাচারিতা, দায়িত্বহীনতা,কাণ্ডজ্ঞানের অভাব।

এতসব অস্হিরতা-অনিশ্চয়তার ভেতর জন্ম-মৃত্যু-বিবাহ কিছুই কি থেমে আছে? নেই। একজন লেখক, একজন আঁকিয়ে, একজন নাট্যকার অর্থাৎ শিল্পকলার বিভিন্ন অঙ্গনে জড়িত প্রকৃত সৃষ্টিশীল মানুষেরা কি নীরব বসে আছেন?

সমাজ রাষ্ট্রের জন্য শুভচিন্তক প্রকৃত সৃষ্টিশীলেরা সরবে না হলেও নীরবে বহমান সময়ের ধারাভাষ্য ধরে রাখার কাজে সচল থাকেন। যে কারণে শিল্পকলার ইতিহাস ক্রান্তিকালেও শূন্য ভান্ডার হয়নি কখনও। বরং কালোত্তীর্ণ বহু সাহিত্য- নাটক, চিত্রকলা বা চলচ্চিত্রে ঋদ্ধ হয়েছে। সেরকম বিখ্যাত কিছু সাহিত্যের নাম এ্রই মুহূর্তে মনে পড়ছে- লিও তলস্তয়ের ‘ওয়ার অ্যান্ড পিস’, গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের ‘লাভ ইন দ্য টাইম অফ কলেরা’, অ্যালি উইজেলের ‘নাইট’, খালেদ হোসেইনির ‘কাইট রানার’, ডেবরা অ্যালিসের ‘ব্রেড উইনার’, জন বয়েডের ‘প্যাটার্নস অফ কনফ্লিক্ট। নাটকের মধ্যে- উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের ‘ওথেলো’, বার্টোল্ট ব্রেখটের ‘মাদার কারেজ অ্যান্ড হার চিলড্রেন’, আর সি শেরিফের ‘জার্নি'স এন্ড’। কালোত্তীর্ণ চিত্রকলার মধ্যে রয়েছে এডভার্ড মঙ্কের ’দ্য স্ক্রিম’, ফ্রান্সিসকো গয়া’র ‘দ্য থার্ড মে ১৮০৮’, ইউজিন ডেলাক্রোয়ার ‘লিবার্টি লিডিং দ্য পিপল’, পাবলো পিকাসোর ‘গের্নিকা’, কারাভাজ্জো’র ‘পোর্ট্রেট অফ ক্যান শারকোস্কি’, পিটার পল রুবেনসের দ্য ‘ম্যাসাকার অফ ইনোসেন্টস’।

শিল্পসাহিত্যের জগতে চলমান সৃষ্টিযজ্ঞের সবটুকু তাৎক্ষণিক দৃশ্যমান নয়। যা একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি বা সমাজকর্মীর ক্ষেত্রে ঘটে থাকে। কিছুক্ষেত্রে যে ব্যতিক্রম ঘটে না তা নয়। তবে শিল্পসৃষ্টি অধিকাংশ, বিশেষত সাহিত্য, সময় উজিয়ে তবেই মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হয়েছে। একটা ওয়ার অ্যান্ড পিস নেপোলিয়নের রাশিয়া আক্রমণের সময়কার ঘটনাবলী বয়ানের পাশাপাশি সেই সময়ের সামাজিক ও ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন নিয়েও বিচার বিশ্লেষণের ক্ষেত্র তৈরি করেছে। একইভাবে অ্যালি উইজেলের নাইট স্মৃতিকথায় হোলোকাস্টের সময়কালে নাৎসি কনসেনট্রেশন ক্যাম্পের ভয়ানক অভিজ্ঞতার বর্ণনা পড়ে মানুষ শিউরে উঠেছে। হিটলার এবং তার বাহিনীকৃত অন্যায়গুলো চিহ্নিত করেছে। ন্যায় অন্যায়ের মাঝখানে ধূসরের অবস্হান হতে পারে না, সে বিষয়েও এসব সাহিত্য মানুষকে অকপট হতে শিখিয়েছে। স্টিভেন স্পিলবার্গের শিন্ডলার্স লিস্টে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কালে নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে শিন্ডলারের সাহসিকতার কাহিনি জেনে হয়তো বহু মানুষ সাহসী হওয়ার প্রেরণা পেয়েছেন।

একজন সাহিত্যিক সরাসরি সমাজকর্মী না হয়েও সামাজিক অন্যায় বা অনাচারে অলক্ষে বা প্রত্যক্ষে তাঁর কাজের মাধ্যমে ভূমিকা রাখতে সক্ষম। উপমহাদেশে প্রচলিত সতীদাহ প্রথার মতো অমানবিক সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে যেদুজন মানুষ সোচ্চার ছিলেন, তাঁরা দুজনই সাহিত্যজগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র।

প্রকৃত মানসম্মত সাহিত্য সমাজ-রাষ্ট্রের জন্য আয়নার কাজ করে। যে আয়নায় প্রতিফলিত হয় বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর আশা আকাঙক্ষার নিখুঁত ছবি। এরকম সাহিত্যগুলোই টিকে থাকে বহুদিন। অস্হির সময় ঘিরে রচিত সেরকম বহু সৃষ্টির সঙ্গে আমরাও হয়তো পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবো। এমন কাঙ্খা জমা থাকলো আগামীর খাতায়। গত বছর আমরা খ্যাতনামা অভিনেতা নাট্য ব্যক্তিত্ব শ্রদ্ধেয় মনোজ মিত্রকে হারিয়েছি। তাঁর স্মরণে রইল দুটি স্মৃতিচারণ। যার একটি লিখেছেন তাঁরই ছোটো ভাই, শ্রদ্ধেয় অমর মিত্র। নিয়মিত বিভাগগুলোর সঙ্গে এই সংখ্যায় আহমেদ খান হীরকের নতুন একটি উপন্যাস যুক্ত হলো। আশা করি পাঠক বরাবরের মতো গল্পপাঠের নতুন সংখ্যাটিকেও সাদরে গ্রহণ করবেন। গল্পপাঠের সকল পাঠক শুভানুধ্যায়ীকে ২০২৫ এর শুভেচ্ছা।
-- নাহার তৃণা

ফিরে পড়া গল্প

দীপেন ভট্টাচার্য বহুদিন প্রবাসে আছেন। তাঁর পড়াশোনা, অনুশীলন ও গবেষণা জ্যোতির্বিজ্ঞান নিয়ে, কিন্তু তাঁর আর একটি পরিচয় হচ্ছে তিনি গল্পকার। তাঁর গল্প ও উপন্যাসে বিজ্ঞানের পটভূমি থাকলেও তাতে জড়িয়ে আছে নিবিড় মানবিক মূ্ল্যবোধ। ভিন্নস্বাদের বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনির পাশাপাশি সাধারণ কাহিনি ভিত্তিক গল্পশৈলীতেও তিনি যথেষ্ট পারঙ্গম। তাঁর গল্প-উপন্যাসগুলো পাঠকের কাছে কেবল সময়ই নয় একইসঙ্গে যথেষ্ট মনোযোগও দাবি করে, সেগুলো পাঠ করে পাঠককে কখনো সময়নষ্টের আক্ষেপে পড়তে হয় না। স্বভাবে তিনি নিরহংকারী মানুষ, বিনয়ী ও সহৃদয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী। সাহিত্য, বিজ্ঞান ও বিজ্ঞান কল্পকাহিনি, মুক্তিযুদ্ধ, অনুবাদ, ব্যক্তিগত শখ ইত্যাদি নানা বিষয়ে দীপেন ভট্টাচার্যের কাছে বেশ কিছু প্রশ্ন রাখা হয়েছিল। আমরা যারা নানা বিষয় নিয়ে দীপেন ভট্টাচার্যের বৌদ্ধিক বক্তব্য-লেখনশৈলীর সঙ্গে পরিচিত, তারা তো বটেই, নতুন পাঠক হিসেবে যাঁরা যোগ দিচ্ছেন বা দেবেন– তাঁদের কাছেও দীপেন ভট্টাচার্যের সাক্ষাৎকারটি উপভোগ্য হবে বলেই বিশ্বাস।
স্মরণ
জীবনের সব লেনদেন চুকিয়ে ১২ নভেম্বর ২০২৪-এ অনন্তলোকে পাড়ি জমিয়েছেন দুইবাংলার জনপ্রিয় নাট্যকার ও অভিনেতা মনোজ মিত্র। তাঁর প্রথম নাটক ‘মৃত্যুর চোখে জল’ লেখেন ১৯৫৯ সালে। ১৯৭২-এ ‘চাক ভাঙা মধু’ নাটকের মাধ্যমে তাঁর খ্যাতি এবং পরিচিতি গড়ে ওঠে। তাঁর প্রতিষ্ঠিত নাট্যগোষ্ঠীর নাম ‘সুন্দরম’। ভারত ছাড়িয়ে বাংলাদেশের নাট্যাঙ্গনেও মনোজ মিত্র তুমুল জনপ্রিয়। তাঁর লেখা 'কিনো কাহারের থেটার' নাটকটি নিয়মিত মঞ্চায়ন করছে ঢাকার নাট্যদল প্রাচ্যনাট। চট্টগ্রামের নাট্যদল ফেইমও অসীম দাশের নির্দেশনায় এ নাটকটি মঞ্চস্থ করছে। বাংলাদেশের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগ থেকে মঞ্চে এসেছে মনোজ মিত্রের লেখা একাধিক নাটক। মনোজ মিত্র অসংখ্য চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন। এক উদযাপনযোগ্য জীবনদৃষ্টান্ত এবং সৃষ্টির যে ভান্ডার তিনি রেখে গেলেন, তা নিশ্চিতভাবে উত্তরসূরীর জন্য পরম ঐশ্বর্য। গল্পপাঠের পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি সশ্রদ্ধ ভালোবাসা।
গল্প

বই নিয়ে আলাপ


দক্ষিণ কোরিয়ার লেখক হান কাং, ‘দ্য ভেজিটেরিয়ান’ উপন্যাসটির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী পাঠকের সঙ্গে তাঁর পরিচিতি গড়ে ওঠে। কোরিয়ান কাম্যু হিসেবে খ্যাত হান কাং ২০২৪ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর কয়েকটি জনপ্রিয় সাহিত্য পাঠের আলাপ রইল এপর্বের আয়োজনে।

সন্দীপন মজুমদার
লেখালিখি হলো একধরনের লড়াই। বিস্মৃতির বিপক্ষে স্মৃতির লড়াই। এ স্মৃতি আমাদের পূর্বপুরুষের। তাঁদের স্মৃতির বাতাবরণে আমরা বেড়ে উঠেছি। সে স্মৃতি গৌরবের, সে স্মৃতি অশ্রু আর রক্তমাখা মুক্তিযুদ্ধের। পৃথিবীর মানচিত্রে স্বাধীন বাংলাদেশের মাথা তুলে দাঁড়ানোর ইতিহাস। আমাদের লিখিত স্মৃতির ঘেরাটোপের ভেতর বেড়ে উঠবে আগামী প্রজন্ম। তারা জানবে তাদের গৌরবময় ইতিহাস। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি, আবারও শুরু হয়েছে ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তস্নাত গৌরবময় ইতিহাসের বিকৃতিকরণ পর্ব। স্কুলের পাঠ্য বইগুলোতে মুক্তিযুদ্ধের ধোঁয়াশাপূর্ণ ইতিহাস অন্তর্ভূক্তিসহ, জাতীয় পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘিরে চলছে এক দুঃখজনক অরাজক কর্মকাণ্ড। তার বিরুদ্ধে হোক আমাদের অবস্হান।

গল্প



গল্প

অনুবাদ: উৎপল দাশগুপ্ত

এলি স্মিথের লেখাজোখা
এলি স্মিথ একাধারে ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার ও সাংবাদিক। তিনি চার চার বার বুকার পুরস্কারের সম্ভাব্য বিজয়ীদের সংক্ষিপ্ত তালিকাভূক্ত হন। এলি স্মিথ স্কটল্যান্ডের ইনভারনেসে কর্মজীবী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ইনভারনেসের একটি কাউন্সিল হাউসে বড় হয়েছেন এবং বর্তমানে কেমব্রিজে বাস করছেন। তাঁর পড়াশোনা অ্যাবারডিনে এবং কেমব্রিজে। পিএইচ.ডি. শুরু করলেও শেষ করা হয়নি। ২০০৪ সালে Mslexia- ম্যাগাজিনের সাথে এক সাক্ষাৎকারে, এক বছরের জন্য তাঁর ক্রনিক ফ্যাটিগ সিনড্রোমে আক্রান্ত হওয়ার কঠিন অভিজ্ঞতার কথা সংক্ষেপে উল্লেখ করেন এবং কীভাবে এটি তাঁকে ইউনিভার্সিটি অফ স্ট্রাথক্লাইডে শিক্ষকতার চাকরি ছেড়ে তিনি যা করতে চেয়েছিলেন, লেখালিখি, তাতে মনোনিবেশ করতে বাধ্য করেছিল তা অকপটে বলেন। তাঁর সাহিত্যকর্মের বৈচিত্র্যময় বিষয়বস্তু, জীবনমুখিতা এবং আমাদের এ অঞ্চলের সমাজ-বাস্তবতার কাছাকাছি উপকরণ বিবেচনায় আনলে এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে,এলি স্মিথ আমাদের এ অংশের, বিশেষ করে বাংলাদেশের পাঠকের কাছে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক একজন লেখক। গল্পপাঠের এ সংখ্যায় পাঠকদের জন্য এলির কিছু লেখাজোখার আয়োজন রইল।

এলহাম হোসেন
অনুবাদ: বিপ্লব বিশ্বাস
অনুবাদ: ফারহানা আনন্দময়ী
অনুবাদ: দোলা সেন
অনুবাদ: মৌসুমী বিলকিস

অনুবাদ গল্প

অনুবাদ: ফজল হাসান
অনুবাদ: রিটন খান


গল্প


পর্ব-৮

পর্ব-১

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

1 মন্তব্যসমূহ